Tag: CJP

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও (Roundup week) মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এদিকে, ভারত ও বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়কে ঘিরে একাধিক ঘটনা নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্য, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ, সাংস্কৃতিক বিতর্ক, নারী নির্যাতন এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ১৪ থেকে ২০ জুন, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Hindus Under Attack)

    ভারতে সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে নির্মিত একটি হরিয়ানভি মিউজিক ভিডিও নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মালিকানাধীন ‘আনম্যাড আর্টওয়ার্কস’ (Unmaad Artworks) প্রযোজিত ‘ভোলে কাটিং কারা লে’ (Bhole Cutting Kara Le) নামের ভিডিওতে ভগবান শিব ও দেবী পার্বতীকে অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

    আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য!

    এদিকে, অ্যামাজন ইন্ডিয়ার কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যামাজন নাও’ (Amazon Now) -এর একটি বিজ্ঞাপনী প্রচার নিয়েও তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, ওই বিজ্ঞাপনে প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। বিষয়টি ঘিরে আইনি নোটিশ, পুলিশ অভিযোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

    হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত

    কর্নাটকে অধ্যাপক কেএস ভগবানের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি (HJS)। এক জনসভায় তিনি ভগবান শ্রীরাম এবং হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সংগঠনের দাবি, এসব মন্তব্য কোটি কোটি হিন্দুর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে।

    ধর্মান্তরের অভিযোগ তরুণী বধূর

    মহারাষ্ট্রের নাগপুরে বছর চব্বিশের এক বিবাহিত তরুণী ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল, তোলাবাজি এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ এনে (Roundup week) পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও এক অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    ওয়েব সিরিজ বিতর্ক

    এদিকে, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘Raakh’ ওয়েব সিরিজ নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, ১৯৭৮ সালের রঙ্গা-বিল্লা হত্যাকাণ্ড থেকে অনুপ্রাণিত হলেও, সিরিজটিতে বাস্তব চরিত্রগুলির ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয় বদলে দেওয়া হয়েছে। অভিনেতা প্রকাশ রাজকেও ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, তিনি নিজেকে হিন্দুবিরোধী নন, বরং সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী রাজনীতির বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করলেও তাঁর বিভিন্ন মন্তব্যে সেই অবস্থানের সঙ্গে অসঙ্গতি দেখা গিয়েছে।

    বাংলাদেশের ছবি

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও সংগঠনের দাবি, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, নারী নির্যাতন (Hindus Under Attack) ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের মতো ঘটনা সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

    হিন্দু ব্যবসায়ী পরিবারে হামলা

    বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় রিপন মণ্ডল নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও তাঁর বৃদ্ধা মায়ের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দিনের বেলায় তাঁর প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। ঘটনায় অন্তত চারজন জখম হন। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে রিপনকে।

    বন্ধ রাম মূর্তি নির্মাণ কাজ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুরে অবস্থিত (Roundup week) শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে নির্মাণাধীন দেশের সম্ভাব্য বৃহত্তম ভগবান শ্রীরামের মূর্তি নির্মাণের কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন (Hindus Under Attack)।

     

  • Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরেই ভারতের হতাশ তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে ককরোচ জনতা পার্টি, সংক্ষেপে সিজেপি (Cockroach Janta Party)। ভাইরাল ভিডিও, ইনফ্লুয়েন্সার নেটওয়ার্ক, ইনস্টাগ্রামে প্রচার এবং সরকারবিরোধী বার্তার মাধ্যমে সংগঠনটি নিজেদের দেশের অন্যতম বৃহৎ ডিজিটাল যুব আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। তাদের নেতৃত্ব বারবার দাবি করেছে, সংগঠনের অনুসারীর সংখ্যা কয়েক কোটি এবং এটি একটি তৃণমূলভিত্তিক গণআন্দোলনের প্রতিফলন।

    ককরোচ জনতা পার্টি, প্রশ্ন যেখানে (Cockroach Janta Party)

    তবে ৬ জুন, দিল্লির যন্তর-মন্তরে (Jantar Mantar) আয়োজিত সংগঠনের প্রথম বড় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের বড় ফারাকটাই তুলে ধরে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক ও অনিয়মের তদন্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল অনলাইন ক্ষোভকে বাস্তব রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের সক্ষমতা প্রদর্শন করা। কিন্তু সমাবেশের ভিড় নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয়—ককরোচ জনতা পার্টি কি সত্যিই একটি গণভিত্তিক আন্দোলন, নাকি এটি মূলত অ্যালগরিদম, ভাইরাল কনটেন্ট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভরশীল একটি ডিজিটাল ঘটনা?

    সমাবেশে লোকজন কই?

    সিজেপি (Cockroach Janta Party) কোনও প্রচলিত রাজনৈতিক দল বা ছাত্র সংগঠন থেকে গড়ে ওঠেনি। বরং ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবকেন্দ্রিক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল পরিমাণ ফলোয়ার রয়েছে দাবি করে প্রথমবারের মতো বড় জনসমাবেশের আয়োজন করায় ৬ জুনের বিক্ষোভকে অনেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুহূর্ত হিসেবে দেখেছিলেন। প্রশ্ন উঠেছিল, কোটি কোটি অনলাইন ফলোয়ার কি হাজার হাজার মানুষকে রাজপথে নামিয়ে আনতে পারবে? সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কি রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে? ভাইরাল জনপ্রিয়তা কি দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ভিত্তি হতে পারবে? বিক্ষোভের জমায়েত দেখে অবশ্য এই সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। বিস্তৃত প্রচার ও একাধিক ইনফ্লুয়েন্সারের সক্রিয় অংশগ্রহণ সত্ত্বেও, যন্তর-মন্তরের সমাবেশে উপস্থিতি সংগঠনের দাবি করা বিশাল ফলোয়ারের সংখ্যার তুলনায় নিতান্তই নগন্য (Jantar Mantar)।

    সংগঠনের শক্তি

    বিক্ষোভে ছাত্রছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবক ও সমর্থকদের দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্বও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনেকে অনুষ্ঠানের দৃশ্যপট মোবাইলবন্দি করে তৈরি করছিলেন অনলাইন কনটেন্ট (Cockroach Janta Party)। তাই অনেকের কাছে পুরো পরিবেশটি রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি একটি বড় ইনফ্লুয়েন্সার সমাবেশের আকারও নেয়। সিজেপির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা। প্রচলিত ছাত্র আন্দোলনের মতো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্থানীয় সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের পরিবর্তে এই সংগঠনের শক্তি মূলত এসেছে অনলাইন প্রচার ও ভাইরাল হওয়া কনটেন্ট থেকে (Jantar Mantar)।

    কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে সভা নয়

    সমাবেশে ককরোচ আঁকা মুখোশ, পোস্টার, শিল্পকর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক নানা প্রতীক ব্যাপকভাবে দেখা যায়। সমাবেশে অংশ নেওয়া অনেকের কাছে এটি সমমনা সমর্থক ও অনলাইন পরিচিতদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এটি ডিজিটাল আন্দোলনের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া অনায়াস হলেও, সেই সমর্থনকে দীর্ঘমেয়াদি ফিল্ড লেভেলের সংগঠনে রূপ দেওয়া অনেক বেশি কঠিন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থী ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অনিশ্চয়তা এবং নিয়োগ ও ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন (Cockroach Janta Party)। তাঁদের অনেকেই জানান, এটি কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে নয়। শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত ত্রুটি-বিচ্যুতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই তাঁরা উপস্থিত হয়েছেন (Jantar Mantar)।

    সরকারবিরোধী কণ্ঠ

    অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকে আবার এমনও জানিয়েছে, বহু সমর্থক বাস্তবে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক, শেয়ার ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের মধ্যেই নিজেদের সমর্থন সীমাবদ্ধ রাখেন। সিজেপির উত্থানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় এই ইনফ্লুয়েন্সার অতীতে বিভিন্ন বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছেন। বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাঁর প্রকাশ্য যোগাযোগ এবং নিজেকে সরকারবিরোধী কণ্ঠ হিসেবে উপস্থাপন করা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চার বিষয় হয়েছেন তিনি। বিদেশি ভাষ্যকার এবং পাকিস্তানের কিছু কর্মীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি যদি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টা করে, তাহলে নেতৃত্ব, আদর্শ, অর্থায়ন, নেটওয়ার্ক ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে (Jantar Mantar)। যন্তর-মন্তরের কর্মসূচিতে প্রধান দাবি ছিল, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

    দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? 

    সমালোচকদের একাংশের মতে, কেবল একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেই শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, তা নয়। এতে একটি বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে আসে—প্রতীকী জবাবদিহি কি যথেষ্ট, নাকি বাস্তব সংস্কারের জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতিগত প্রস্তাব, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? বিক্ষোভে এই প্রশ্নগুলির সুস্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ৬ জুনের এই কর্মসূচি হয়তো তাৎক্ষণিক দাবির চেয়ে বেশি আলোচিত হবে ডিজিটাল যুগের আন্দোলনের শক্তি ও সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন হিসেবে। সিজেপি অনলাইন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে, সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করতে এবং তরুণদের মধ্যে একটি পরিচিত ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে সফল হয়েছে।

    ভাইরাল জনপ্রিয়তা বনাম বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি

    কিন্তু সেই জনপ্রিয়তা দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে পারবে কি না, তা এখনই বলা যাবে না (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এলেও কোটি কোটি অনলাইন ব্যবহারকারীর দাবি এবং বাস্তব জনসমাগমের ব্যবধানই এই কর্মসূচির সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে (Jantar Mantar)। ভবিষ্যতে সেই ব্যবধান কমানো সম্ভব হবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে আপাতত এই জমায়েত একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল জনপ্রিয়তা এবং বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি সবসময় এক নয় (Cockroach Janta Party)।

     

LinkedIn
Share