Tag: clash

clash

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী রইল পশ্চিমবঙ্গ। এদিনই দুপুরে ব্রিগেডে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক জনসভা। তার আগে তৃণমূল দেখিয়ে দিল ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নীচে নামতে পারে (BJP TMC Clash)!

    গিরিশ পার্কে রক্তারক্তিকাণ্ড (PM Modi)

    দুয়ারে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে এদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক চত্বর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের ওপর দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা তল্লাট। দেদার ইটবৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি। ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    মেরে মাথা ফাটানো হল বিজেপি কর্মীর

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর কলকাতা থেকে বিজেপি কর্মীদের একটি মিছিল ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই সময় গিরিশ পার্ক মোড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়েছে তৃণমূল। পদ্ম শিবিরের এক কর্মীর কথায়, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে বাড়ির ছাদ ও রাস্তা থেকে ইট ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” রাস্তায় রক্তাক্ত এক বিজেপি কর্মীকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায়। মাথা ফেটে গিয়েছে উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষেরও।

    থমথমে পরিস্থিতি

    গোটা রাস্তা ইট ও পাথরের টুকরোয় ভরে যায়। পুলিশের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেও, প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে অবশ্য পরিস্থিতি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে। ফের যাতে অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তাই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF)। বর্তমানে গিরিশ পার্ক চত্বরের পরিস্থিতি থমথমে (PM Modi)। শুধু গিরিশ পার্কই নয়, এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিজেপির বিভিন্ন গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা করা হয় কর্মীদের ওপর। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায়ও বিজেপির ভাড়া করা একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয় (BJP TMC Clash)।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে এই ধরনের ঘটনা কার্যত বিরল। এর আগে ব্রিগেডে একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসমাবেশ হলেও, কখনও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের এই মরিয়া প্রচেষ্টায় স্পষ্ট, ক্ষমতা হারাতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মরণ কামড় দিতে চাইছে তারা (PM Modi)।

     

  • Bangladesh Poll: ভোটের আগেই ব্যাপক হিংসা বাংলাদেশে, জামাত-বিএনপি সংঘর্ষে জখম ৪০

    Bangladesh Poll: ভোটের আগেই ব্যাপক হিংসা বাংলাদেশে, জামাত-বিএনপি সংঘর্ষে জখম ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হাইভোল্টেজ সাধারণ নির্বাচনের (Bangladesh Poll) আর মাত্র ৭২ ঘণ্টা বাকি। তার আগেই শুরু হয়ে গেল নতুন করে হিংসা। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া এই দেশে নির্বাচনী প্রচার কতটা অশান্ত হয়ে উঠেছে (BNP Jamaat Clash)।

    ব্যাপক সংঘর্ষ (Bangladesh Poll)

    রবিবার রাতে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির (সংক্ষেপে জামাত) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলা-সহ ৪০ জনেরও বেশি মানুষ জখম হয়েছেন। জামায়াতের এক অনুষ্ঠানে নগদ অর্থ বিলির অভিযোগ ঘিরে এই সংঘর্ষ শুরু হয়, যা পরে হিংসার রূপ নেয়। ঘটনাটি ঘটে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের কয়েক দিন আগে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় প্রচার শেষ হবে বাংলাদেশে। তার আগেই ঘটে গেল এমন হিংসার ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বিএনপি কর্মীরা অভিযোগ জানাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে জামায়াতও তাদের সমর্থকদের জড়ো করে। রাতভর ধরে চলে তীব্র সংঘর্ষ। নির্বাচনী প্রচারে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই শিবিরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হিংসার ঘটনা। গত ছ’সপ্তাহে সারা বাংলাদেশে নির্বাচনসংক্রান্ত হিংসায় পাঁচজনেরও বেশি মানুষ জখম হয়েছেন, যা ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, হিংসার মাত্রা ততই বাড়বে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে।

    ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

    ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটার রয়েছেন ১২ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ২০০৯ সালের পর দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। ২০২৪ সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে এবং আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষিত হয়। বহু ভোটারের মতে, এক দশকেরও বেশি সময় পর এটিই প্রথম প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে (BNP Jamaat Clash)। বিএনপি প্রধান তারেক রহমান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “৩০০ আসনের মধ্যে ২৯২টি আসনে লড়ছে আমার দল। সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আসন পাব বলেই আত্মবিশ্বাসী আমি (Bangladesh Poll)।” অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন ও সংস্কারসংক্রান্ত গণভোটকে একটি উৎসব আখ্যা দিয়েছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এটি হবে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং একটি নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি।

    বাংলাদেশে হিংসার ঘটনা

    বিশ্লেষকরা অবশ্য সতর্ক করে বলছেন, বাংলাদেশে যেভাবে হিংসার ঘটনা ঘটছে, তা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা নষ্ট করতে পারে, যখন রাজনৈতিক ভূমিকা নাটকীয়ভাবে পাল্টে গিয়েছে এবং আগের সরকারের দমন-পীড়নের পর বিরোধী দলগুলি এখন রাজপথে প্রভাব বিস্তার করছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নির্বাচনের ফল সাম্প্রতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথ নির্ধারণ করবে বলেই মনে হচ্ছে। এই অস্থিরতায় তৈরি পোশাক-সহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বাংলাদেশকে আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ সাহায্য চাইতে হয়েছে (Bangladesh Poll)। আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে এই নির্বাচনের পর। শেখ হাসিনা, যাঁকে ভারতের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হত (BNP Jamaat Clash), নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে চিনের প্রভাব বেড়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিএনপি তুলনামূলকভাবে ভারতের ঘনিষ্ঠ হলেও, জামায়াত নেতৃত্বাধীন সরকার পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকতে পারে। তবে জামায়াত জানিয়েছে, তারা কোনও দেশের প্রতিই পক্ষপাতদুষ্ট নয়।

    জনমত

    ঢাকার সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের পারভেজ করিম আব্বাসি বলেন, “জনমত সমীক্ষায় বিএনপি এগিয়ে থাকলেও, বড় একটি অংশের ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীন। জেনারেশন জেড কীভাবে ভোট দেয়, সেটিই বড় ভূমিকা রাখবে।” প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া অনেক তরুণের কাছে এই নির্বাচন দীর্ঘদিন হারিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ (Bangladesh Poll)। বছর একুশের মোহাম্মদ রাকিব বলেন, “জাতীয় নির্বাচনেও মানুষ ভোট দিতে পারত না। মানুষের কোনও কণ্ঠ ছিল না। আশা করি, যে-ই ক্ষমতায় আসুক, মতপ্রকাশের এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।” প্রচারের শেষের প্রহরে ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের। একই সঙ্গে বাংলাদেশ অপেক্ষা করছে এমন এক রায়ের, যা আগামী বহু বছর ধরে (BNP Jamaat Clash) দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও বৈদেশিক সম্পর্ক নতুনভাবে নির্ধারণ করতে পারে (Bangladesh Poll)।

  • Thailand Cambodia Ceasefire: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি

    Thailand Cambodia Ceasefire: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্তে যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire)। সপ্তাহ তিনেক ধরে চলা প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ফলে প্রায় দশ লাখ মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যে অবস্থানে সেনারা রয়েছেন, সেখানেই ফ্রন্টলাইন স্থির রাখা হবে, নতুন করে সেনা বা রসদ পাঠানো বন্ধ থাকবে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষকে যত দ্রুত সম্ভব নিজ নিজ (Deadly Clash) বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি টানা ৭২ ঘণ্টা কার্যকর থাকলে, জুলাই মাস থেকে তাইল্যান্ডের হেফাজতে থাকা ১৮ জন কম্বোডিয়ান সেনাকে মুক্তি দেওয়া হবে।

    যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire)

    চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সহায়তায় দুই দেশের মধ্যে টানা কয়েক দিনের আলোচনার পর এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। চুক্তিটিতে বাস্তুচ্যুতদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মাইন সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে। তাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাথাফন নার্খফানিত যুদ্ধবিরতিকে অন্য পক্ষের আন্তরিকতার একটি পরীক্ষা বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হয় বা লঙ্ঘিত হয়, তবে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার তাইল্যান্ড বজায় রাখবে।” রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টুর্কের আশা, এই যুদ্ধবিরতি শান্তির পথ প্রশস্ত করবে। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক মুখপাত্রের বাস্তবায়নে সদিচ্ছা দেখানোর আহ্বানও জানান।

    যুদ্ধবিরতিতে গররাজি ছিল তাইল্যান্ড

    তাইল্যান্ড প্রথমে যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে গররাজি ছিল। তাদের যুক্তি ছিল, আগের যুদ্ধবিরতি সঠিকভাবে কার্যকর হয়নি। পাশাপাশি, কম্বোডিয়া সংঘাতটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার যে চেষ্টা করছে বলে তাইল্যান্ড মনে করে, তাতেও তারা অসন্তুষ্ট ছিল। জুলাই মাসের আগের যুদ্ধবিরতির তুলনায় এবার একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যভাবে এতে যুক্ত ছিলেন না, যদিও আমেরিকার বিদেশ দফতর প্রক্রিয়াটির সঙ্গে জড়িত ছিল। চলতি মাসের শুরুতেই সেই আগের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে, যখন নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire) ভাঙার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে। তাই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাইল্যান্ডের সি সা কেট প্রদেশে কম্বোডিয়ার দিক থেকে গোলাবর্ষণের জবাবে তাদের সেনারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। ওই ঘটনায় দুজন তাই সেনা জখম হন।

    তাইবাহিনীর হানা

    অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রকের দাবি, প্রথমে আক্রমণ চালায় তাইবাহিনী, প্রেয়াহ ভিহেয়ার প্রদেশে। তারা আরও জানায়, কম্বোডিয়া পাল্টা আক্রমণ করেনি। ডিসেম্বরজুড়ে সংঘর্ষ চলতে থাকে। শুক্রবার তাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার ভেতরে আরও বিমান হামলা চালায় (Deadly Clash)। তাই বিমান বাহিনীর দাবি, বেসামরিক লোকজন এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তারা কম্বোডিয়ার একটি সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তবে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এসব হামলাকে সাধারণ মানুষের বাড়িঘরের ওপর নির্বিচার আক্রমণ বলে অভিযোগ করেছে। এবার যুদ্ধবিরতি কতটা টিকে থাকবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। কারণ দুই দেশেই জাতীয়তাবাদী আবেগ তীব্রতর হয়ে উঠেছে।

    যুদ্ধ ব্যাপক ক্ষয় কম্বোডিয়ার

    বিশেষ করে কম্বোডিয়া বিপুল সংখ্যক সেনা এবং উল্লেখযোগ্য সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে। সীমান্তে আগে দখলে থাকা অবস্থানগুলো থেকে তাদের সরে যেতে হয়েছে এবং তাই বিমান হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। এসব ক্ষোভ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে (Thailand Cambodia Ceasefire)। সীমান্ত নিয়ে এই দুই দেশের মতবিরোধের ইতিহাস এক শতাব্দীরও বেশি পুরানো। তবে চলতি বছরের শুরুতে উত্তেজনা বেড়ে যায়, যখন বিতর্কিত একটি মন্দিরে কম্বোডিয়ার কয়েকজন নারী দেশাত্মবোধক গান গেয়েছিলেন (Deadly Clash)। মে মাসে এক সংঘর্ষে এক কম্বোডিয়ান সেনা নিহত হন। এর দুমাস পরে, জুলাইয়ে, সীমান্তজুড়ে টানা পাঁচ দিন ধরে তীব্র লড়াই চলে। এতে কয়েক ডজন সেনা ও নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান,  বাস্তুচ্যুত হন হাজার হাজার নাগরিক। মালয়েশিয়া এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যস্থতার পরে দুই দেশের মধ্যে একটি ক্ষণস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হয়, যা অক্টোবরের শেষ দিকে স্বাক্ষরিত হয়।

    কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি

    ট্রাম্প এই চুক্তির নাম দেন “কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি”। এই চুক্তি অনুযায়ী, উভয় পক্ষকে বিতর্কিত অঞ্চল থেকে ভারী অস্ত্র প্রত্যাহার করতে হবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি অস্থায়ী পর্যবেক্ষক দল গঠন করতে হবে। তবে নভেম্বর মাসে তাইল্যান্ড এই চুক্তি স্থগিত করে দেয়, যখন মাইন বিস্ফোরণে তাই সেনারা জখম হন। তাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সেই সময় জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তাজনিত হুমকি বাস্তবে একেবারেই কমেনি (Thailand Cambodia Ceasefire)।

  • BJP TMC Clash: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজি, গুলি

    BJP TMC Clash: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে তপ্ত নন্দীগ্রাম, বোমাবাজি, গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায় নির্বাচনে চলল গুলি। হল বোমাবাজিও। বাদ যায়নি অগ্নিসংযোগও। রবিবার নির্বাচন ছিল তমলুকের এগ্রিকালচার সোসাইটির। ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে এদিন বেলার দিকে সংঘর্ষ (BJP TMC Clash) বাঁধে নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের কাঞ্চননগর গ্রামে। খবর পেয়ে এলাকায় যায় পুলিশ।

    পুলিশের সামনেই হয় বোমাবাজি (BJP TMC Clash)

    পুলিশের সামনেই হয় বোমাবাজি। চলে গুলিও। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান তমলুকের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তপ্ত পরিস্থিতির জেরে কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ভোটগ্রহণ। ঘটনার জেরে ভীত সন্ত্রস্ত্র হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভয়ে ভোট দিতে যাননি বহু ভোটার। বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, “শনিবার থেকেই বুথ এলাকায় জারি করা হয়েছিল ১৪৪ ধারা। ১০০ মিটারের বাইরে ক্যাম্প করার কথা বলা হয়েছিল। অথচ সেখানে রীতিমতো প্রহসন চালিয়েছে তৃণমূল। পুলিশের সামনেই ব্যাপক বোমাবাজি করেছে ওরা। আমাদের এক নেতার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন (BJP TMC Clash), “এই ঘটনার জেরে আমি নিজেও আমার ভোটটা দিতে পারিনি। নন্দীগ্রামের ভোটারদের ওপর তৃণমূলের আস্থা নেই বলেই এমন বোমাবাজি করছে।”

    আরও পড়ুন: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    ভীত স্থানীয় বাসিন্দারা

    এদিন সকাল আটটা থেকে কাঞ্চননগর হাইস্কুলে শুরু হয় কৃষি সমবায়ের ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন ২২ জন। নির্বাচন শুরুর দিকে নির্বিঘ্নে ভোট হলেও, বেলা বাড়তেই শুরু হয় উত্তেজনা। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তার পরেই শুরু হয় বোমাবাজি, চলে গুলিও। দেবপ্রসাদ মাইতি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমার বাড়ি এখানেই। বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎই দেখি, কয়েকজন এসে বোমাবাজি করে পালিয়ে যায়। আমরা খুব আতঙ্কে রয়েছি (BJP TMC Clash)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Clash)। উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে জওয়ান রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৮০০ জন। সব মিলিয়ে মণিপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ২৮৮ কোম্পানি জওয়ান। মণিপুর সরকারের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং বলেন, “অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, সংবেদনশীল, সীমান্তবর্তী এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকাগুলিতে।”

    অশান্ত জিরিবাম (Manipur Clash)

    ৭ নভেম্বর থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সব চেয়ে বেশি অশান্তি হচ্ছে জিরিবাম জেলায়। এই দফার গোষ্ঠী সংঘর্ষে এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪ নভেম্বর ফের লাগু হয়েছে আফস্পা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৮ নভেম্বর সেখানে ৫০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার পাঠানো হচ্ছে আরও ৯০ কোম্পানি সেনা (Manipur Clash)।

    কী বলছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা?

    মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, এই জওয়ানরা এলাকার বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করবেন। প্রত্যেক জেলায় আলাদা করে কন্ট্রোল রুম ও কো-অর্ডিনেশন সেল খোলা হচ্ছে। আধাসেনার তালিকায় রয়েছে সিআরপিএফের পাশাপাশি থাকবে বিএসএফ, সেনা, অসম রাইফেলস, আইটিবিপি এবং সশস্ত্র সীমাবল। জানা গিয়েছে, যেসব অস্ত্রশস্ত্র লুট করা হয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাবে নিরাপত্তাবাহিনী। কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    এর আগে প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা বলেছিলেন, গত বছরের ৩ মে থেকে মণিপুর অশান্ত হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে লুঠ হয়েছিল ৫ হাজার ৬৬৯টি উন্নতমানের অস্ত্র এবং লক্ষাধিক রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের (Central Forces) গুলি। প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানান, জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তাদের কাছে হস্তান্তরিত সমস্ত মামলার তদন্ত শুরু করেছে (Manipur Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kosba Clash: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কসবায় গুলি করে মারার চেষ্টা তৃণমূল কাউন্সিলরকে!

    Kosba Clash: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কসবায় গুলি করে মারার চেষ্টা তৃণমূল কাউন্সিলরকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি তৃণমূলের নেতা। রাজ্যও তৃণমূলের (TMC Inner Clash) দখলে। সেই রাজ্যেই তৃণমূলের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ল এক দুষ্কৃতী (Kosba Clash)। বরাত জেরে বেঁচে গিয়েছেন সুশান্ত। গ্রেফতার হয়েছে মূল ষড়যন্ত্রী জনৈক গুলজার। প্রশ্নটা সেখানে নয়, যে প্রশ্নটা তৃণমূল নেতাদের বুকেও ভয় ধরিয়ে দিয়েছে, তা হল দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরেই কী দুষ্কৃতীর চাঁদমারিতে পরিণত হয়েছিলেন সুশান্ত?

    ‘টাগ অফ ওয়ার’

    এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদের যেতে হবে দক্ষিণ কলকাতার কবসা অঞ্চলে। এই অঞ্চলেরই নেতা সুশান্ত। কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। তাঁকে যেখানে খুন করার চেষ্টা করা হয়, সেই জায়গাটা আবার পড়ে ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিপিকা মান্না। ২০১০ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত ১০৭-এর কাউন্সিলর ছিলেন সুশান্ত। আসনটিকে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় সুশান্তকে সরানো হয় পাশের কেন্দ্রে। ১০৭-এ প্রার্থী করা হয় লিপিকাকে। পুরসভা নির্বাচনে দু’জনেই জিতেছেন ঘাসফুলের টিকিটে। তার পর থেকে এলাকার দখল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দুই কাউন্সিলরের মধ্যে চলছে ‘টাগ অফ ওয়ার’।

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব!

    অথচ, সুশান্ত ও লিপিকা দু’জনেই রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খানের কাছের লোক (Kosba Clash)। লিপিকাকে জাভেদের লোক বলেই চেনেন তৃণমূলের লোকজন। আবার সুশান্তর সঙ্গেও জাভেদের সম্পর্কও বেশ ভালো। এহেন সমীকরণের চালচিত্র যেখানে শোভা পাচ্ছে, সেখানেই কিনা প্রকাশ্যে গুলি করা হল সুশান্তকে লক্ষ্য করে! এবং তার পরেও কোনও মন্তব্য করেননি জাভেদ। লিপিকাও স্পিকটি নট। দায়সারা গোছের উত্তর দিয়েছেন সুশান্ত। তিনি বলেন, “এর মধ্যে রাজনীতি নেই।” বিরোধীদের হাত রয়েছে, তাও বলছেন না তিনি। তাহলে কী পরকীয়া কিংবা পারিবারিক শত্রুতা?

    আরও পড়ুন: লাহোরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাক জঙ্গি লখভি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    স্থানীয় সূত্রে খবর, দুটোর কোনওটাই নয়। তাঁদের দাবি, ঘটনার নেপথ্য রয়েছে নির্ভেজাল রাজনীতি। সুশান্ত ১০৮ এর কাউন্সিলর হলেও, পুরানো ওয়ার্ডের দখল ছাড়েননি। লিপিকো গোষ্ঠীর দাপটে তাঁর বাহিনী অবশ্য কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তাই তৃণমূলের জমানায় তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলরকে প্রকাশ্যে গুলি করার সাহস দেখাল দুষ্কৃতী। বুকের পাটা আছে বলতে হয়!

    খেয়োখেয়ির এই রাজনীতিতে আর যাই হোক উন্নয়ন হয় না বলেই দাবি স্থানীয়দের। তাঁদের মতে, উন্নয়ন না হলেও, ‘কামাই’ হয়। যে ‘কামাই’কে ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। চলে গোলা-গুলি (TMC Inner Clash)। আক্রান্ত হন খোদ শাসক দলের নেতাই (Kosba Clash)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস (NC Congress Clash)। সফল হয়েছে মিশনও। জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) সরকার গড়তে চলেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। তবে এই সরকারের অংশ হতে চায় না কংগ্রেস। জোটের অন্দরে ঘোঁট পেকে যাওয়ায় যারপরনাই খুশি ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোটের বিরোধীরা।

    ছড়ি ঘোরাবে ন্যাশনাল কনফারেন্স (Jammu And Kashmir)

    ১০ বছর পর বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। সেই নির্বাচনে ৯০টি আসনের মধ্যে ৪২টিতে জয়ী হয়েছে ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়েছে ৬টি আসন। এই জোটই সরকার গড়বে বলে প্রথমে ঠিক ছিল। সূত্রের খবর, পরে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব নিয়ে অশান্তির জেরে নবগঠিত সরকারে কংগ্রেস যোগ দিচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সরকারে যোগ না দিলেও, বাইরে থেকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে কংগ্রেস। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সরকারের অংশ হবে না তারা।

    অশান্তির সূত্রপাত

    সূত্রের খবর, অশান্তির সূত্রপাত মন্ত্রিত্ব নিয়েই (Jammu And Kashmir)। কংগ্রেস মাত্র ৬টি আসনে জিতেছে। তাই তাদের একটির বেশি পূর্ণ মন্ত্রীর পদ দিতে রাজি নন ওমর। যদিও কংগ্রেস ৩টি দফতর চেয়েছে। কিছুটা নরম হয়ে ওমরের দল কংগ্রেসকে ডেপুটি স্পিকারের পদ ছাড়তেও রাজি হয়েছে। তিনজনকে মন্ত্রী না করায় গোঁসা হয়েছে কংগ্রেসের। যেহেতু সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে ওমরের দল, তাই মন্ত্রিসভায় ছড়ি ঘোরাবে তারা। সে ক্ষেত্রে সরকারে কোণঠাসা হয়ে যেতে হবে হাত শিবিরকে। এতেই রাজি নয় রাহুল গান্ধীর দল (Jammu And Kashmir)।

    আরও পড়ুন: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ওমরের দলের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ইন্ডি জোটের নেতাদের। তবে যেহেতু সরকারে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস, তাই এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও যাচ্ছেন না কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে জোট বাঁচাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। শপথ নেওয়ার আগে ওমর বলেন, “কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আলাদা আনন্দ অনুভব করছি। এখানকার মানুষের সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রের (NC Congress Clash) সঙ্গে সব রকম সহযোগিতা করা হবে (Jammu And Kashmir)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ভূস্বর্গে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাকিস্তান (Pakistan)! গোয়েন্দা রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, পাক সেনার প্রাক্তন অফিসারদের মদতেই জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir Clash) ঘটছে একের পর এক জঙ্গি হানার ঘটনা। পাকিস্তানের এলিট কমান্ডো বাহিনী স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের প্রাক্তন আধিকারিকরাই জঙ্গিদের শেখাচ্ছেন দূরপাল্লার এম৪ কার্বাইনের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র কীভাবে চালাতে হয়, কীভাবেই বা ব্যবহার করতে হয় বিস্ফোরক। সেনার ওপর চিনা স্টিল কোর বুলেট ব্যবহার করে কীভাবে গেরিলা হানা চালানো যায়, সেই কৌশলও শেখানো হচ্ছে জঙ্গিদের।

    মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অস্ত্র (Jammu And Kashmir Clash)

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় প্রচুর অস্ত্র ফেলে যায় মার্কিন সেনা। নেটো এবং আমেরিকার সেনাদের ফেলে যাওয়া সেই আগ্নেয়াস্ত্রই হাতফের হয়ে চলে আসছে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিদের কাছে। প্রমাণ হিসেবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি জুলাই মাসেই জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নিহত জঙ্গিদের কাছে মিলেছিল আমেরিকায় তৈরি এম৪ কার্বাইন। কেন্দ্রীয় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও জানিয়েছিল, পুঞ্চ হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও রসদের জোগান দিয়েছিল পাক সেনা। তদন্তের পরে স্থানীয় প্রশাসনও জানিয়েছিল, ২০২১ সালে আমেরিকা যেসব বুলেট আফগানিস্তানে ফেলে গিয়েছিল, তারই কয়েকটা ব্যবহার করা হয়েছিল পুঞ্চ হামলার সময়।

    জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা!

    এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পালানোর সময় মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া বিপুল অস্ত্রভান্ডারই এখন রয়েছে তালিবানের হাতে। তালিবানের সাহায্য নিয়ে সেই অস্ত্র ব্যবহার করে উপত্যকায় (Jammu And Kashmir Clash) অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাক জঙ্গিরা। অত্যাধুনিক এই সব অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করা হবে, কোন কৌশলে বধ করা যাবে শত্রুপক্ষকে, এসবেরই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা।

    আরও পড়ুন: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    বিএসএফ সূত্রে খবর, ২০২১ সাল থেকে উপত্যকায় বেড়েছে একে সিরিজের রাইফেল, আইইডি-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণ। এগুলির বেশিরভাগই আফগানিস্তানে ফেলে যাওয়া নেটো ও মার্কিন সেনার অস্ত্র। উপত্যকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পাক জঙ্গিদের পাশাপাশি তালিবানদের এই অস্ত্র সরবরাহকারীদের ভূমিকা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্রের। ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে এবং উপত্যকাবাসীকে সুরক্ষা (Pakistan) দিতে বেশ কিছু বৈঠক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারিও (Jammu And Kashmir Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, “সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশজুড়ে যে সঙ্কট চলছে, আইনি প্রক্রিয়ায় তার সমাধানের সুযোগ রয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে ন্যায় বিচারই পাবে ছাত্রসমাজ। আদালতের রায়ে হতাশ হবেন না শিক্ষার্থীরা।” সংরক্ষণ নিয়ে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের আশ্বাসও দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    উত্তাল বাংলাদেশ (PM Sheikh Hasina)

    সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে উত্তাল বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা-সহ সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ছ’জনের। আন্দোলনের জেরে বুধবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এহেন আবহে এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন হাসিনা। বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আদালতে আপিল করেছে সরকার। তার ভিত্তিতে ধার্য হয়েছে শুনানির দিনও। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ করে দিয়েছে আদালত। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে। তা সত্ত্বেও রাস্তায় আন্দোলনে নেমে দুষ্কৃতীদের সংঘাতের সুযোগ করে দেবে না বাংলাদেশ সরকার।”

    কী বললেন হাসিনা?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (PM Sheikh Hasina) বলেন, “সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।” তিনি বলেন, “আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি, যারা হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, এরা যেই হোক না কেন, তারা যেন উপযুক্ত শাস্তি পায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংরক্ষণ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দেশে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যা ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়কুল, কেন জানেন?

    এদিকে, বুধবারও অশান্তির খবর এসেছে রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি বরিশাল, সিলেট এবং কুমিল্লা থেকেও। সংঘর্ষ রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস খালি করতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের বাধার (Bangladesh) মুখে পড়ে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি আনা হয় (PM Sheikh Hasina) নিয়ন্ত্রণে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • North 24 Parganas: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল আমডাঙ্গা, লাঠি-বোমা-বন্দুকে রণক্ষেত্র এলাকা, আহত ৪

    North 24 Parganas: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল আমডাঙ্গা, লাঠি-বোমা-বন্দুকে রণক্ষেত্র এলাকা, আহত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার বোদাই গ্রাম পঞ্চায়েতের খুড়িগাছি গ্রামে তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় উভয়পক্ষের মোট চারজন আহত হয়েছেন। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যদের উপর অপর আরেক গোষ্ঠী হামলা করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রসঙ্গত শাসক দলের বিধায়ক নিজে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের কথা মানতে নারাজ। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    লাঠি, বোমা, বন্দুক নিয়ে সংঘর্ষ (North 24 Parganas)

    আমডাঙার (North 24 Parganas) বোদাই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য রাকিবুল ইসলামের উপর আক্রমণ করে তৃণমূল নেতা তৈইব মস্তান। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রের রূপ নিয়েছিল। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি, বোমা, বন্দুক নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছিল। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে আমডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু অপর আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদেরকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসত জেলা হাসপাতালে।

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য

    সংঘর্ষে আহত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিবেশী হিরামনি বিবি বলেছেন, “এলাকায় (North 24 Parganas) তৃণমূল নেতা তৈয়ব মস্তান নিজে কোনও কাজ করে না। কেবল তোলাবাজি করে খায়। দলের আড়ালে অসামাজিক কাজ-কর্ম করে। মহিলাদের কোনও সম্মান করেনা। ওর আতঙ্কে সকলে সন্ত্রস্ত। প্রতিবাদ করলে বাড়ি থেকে মা-বোনদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। হাটখোলার মুখে বাড়ি ওর, কেউ কিছু বলতে গেলে রাস্তায় ফেলে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আজকে আমাদের ছেলেগুলিকে বেধড়ক মারধর করেছে। মারের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওদের কাছে পিস্তল, বোমা, বন্দুক থাকায় কেউ কিছু করতে সাহস পায়নি। পুলিশ ওদের কথা কাজ করে।”

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রাম থানায় ১৫ দিনে ৪৭টা এফআইআর! পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা বিজেপির, অনুমতি কোর্টের

    বিধায়কের বক্তব্য

    যদিও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মানতে নারাজ আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকার রহমান। তিনি বলেন, “অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছেন পঞ্চায়েত (North 24 Parganas) সদস্য রাকিবুল। আগেও ওঁকে আঘাত করা হয়েছে। যে মেরেছে সে এলাকার সমাজ বিরোধী। তবে তার নাম জানি না। তৃণমূলের কোনও যোগ নেই এখানে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share