Tag: clash

clash

  • TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (ডিএসপি) তৃণমূলের (TMC) ঠিকা শ্রমিক সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল হয়ে উঠল এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে বেশ কয়েকজন ঠিকা শ্রমিক কারখানার গেটে কাজে যোগদান করতে গেলে তাঁদের উপরে ইটবৃষ্টি করে তৃণমূলেরই একাংশ, এমনই অভিযোগ। এই ঘটনায় মাথা ফেটে যায় শেখ সামসুদ্দিন নামক এক ঠিকা শ্রমিকের। তাঁকে তড়িঘড়ি ডিএসপি মেন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, এদিন যখন তাঁরা কাজে যোগদান করতে যাচ্ছিলেন, সেই সময় শেখ গোলাম রসুলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাঁদের উপর হামলা চালায়। সূত্রের খবর, এই গোলাম রসুল তৃণমূল করেন। দিনকয়েক আগে জেলার নেতৃত্ব ডিএসপির সাত শ্রমিক নেতাকে বহিষ্কার করে। এই ঘটনা তারই জের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিন পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসি-র ডাকে বিশাল শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা দুপুর সাড়ে তিনটের সময় দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের মেন গেট এলাকায়। সমাবেশের প্রধান বক্তা আইএনটিটিইউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই এদিন সকালে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আহত হন তৃণমূল নেতা।

    আক্রান্ত এক নেতা কী বলছেন?

    আজ আমি গাড়ি করে যখন প্ল্যান্টে ঢুকছিলাম, তখন বহিরাগত ২৫-৩০ জন আমাদের উপর হামলা চালায়। এদের মধ্যে কর্মীও ছিল, ছিল গোলাম রসুলও। গাড়ি ঘুরিয়ে যখন চলে যেতে উদ্যোগী হই, তখন পিছন থেকে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। চালকের মাথায় আঘাত লাগে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় চিকিৎসার জন্য। গাড়িচালক হামলাকারীদের সবাইকে চেনে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেই সবার নাম জানা যাবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গেটে ঢোকার সময় আমাদের কর্মীদের সঙ্গে কারও কোনও বচসা হয়নি। তাঁর দাবি, দলের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি তৃণমূল করেন। ২০০৪ সালের পর থেকে আইএনটিটিইউসির (TMC) সদস্য। তারপরেও এই ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    কী জবাব দিলেন অভিযুক্ত?

    যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই গোলাম রসুল বলেন, আমি তো এসব কিছুই জানি না। এখানে ছেলেরা সব ঝান্ডা বাঁধছিল। আমিও ছিলাম। এখানে আজ একটা (TMC) প্রোগ্রাম আছে। ওরা এটা নিয়ে একটা নোংরা রাজনীতি করছে। আমার নামে যে ওরা অভিযোগ করেছে, আমি তা এখনও শুনিনি। এমনকি কাকে মারধর করা হয়েছে, সে খবরও আমরা জানি না। সাংবাদিকদের মুখ থেকেই যা শোনার শুনছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী  নিয়ে এরকম হাতাহাতি! কোথায় জানেন?

    Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে এরকম হাতাহাতি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রস্তুতি হিসেবে মালদহ জেলায় শাসক দলের নেতারা বুথে বুথে যোগ্য প্রার্থীর (Candidate) খোঁজে বৈঠক শুরু করেছেন। আর এই সব বৈঠকেই তৃণমূলের কোন্দল একেবারেই সামনে চলে আসছে। কয়েকদিন আগেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের থানাপাড়া বুথ কমিটির তৃণমূলের বৈঠকে প্রার্থী (Candidate)  ঠিক করা নিয়ে দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই বুধবার রাতে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকায় শিব মন্দির বুথে দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে। প্রার্থী (Candidate)  বাছাইকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নিজেদের মধ্যেই বচসা এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল কর্মীরা। কর্মীরা  উপস্থিত নেতৃত্বের দিকে রীতিমতো তেড়ে যান। দলীয় নেতৃত্বকে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়।

     প্রার্থী ঠিক করা নিয়ে ঠিক কী হয়েছিল? Candidate

     বুধবার রাতে তৃণমূলের বুথ কমিটির বৈঠক ছিল। উপস্থিত ছিলেন, তৃণমূল হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের সভাপতি মোশারফ হোসেন, ব্লকের সহ- সভাপতি সাগর দাস, হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সেখানেও এবার পঞ্চায়েতে কে প্রার্থী (Candidate)  হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।এই বুথে প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী নন্দ রজক, উত্তম ভাস্কর এবং নব মণ্ডলের নাম। এই তিন জনের মধ্যে মূলত নন্দ রজক এবং উত্তম ভাস্করকে প্রার্থী (Candidate)  করার জন্য জোরালো দাবি উঠতে থাকে। দুইজনের অনুগামীদের মধ্যে শুরু হয় বচসা। বচসা থেকে হাতাহাতি। উত্তেজিত তৃণমূল কর্মীরা তেড়ে যায় উপস্থিত নেতৃত্বের দিকে। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। নন্দ রজকের অনুগামী মিলন কর্মকার বলেন, দলীয় প্রার্থী (Candidate) হিসেবে নন্দ রজক যোগ্য। তাই, তাঁকে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী করতে হবে। আমরা দলীয় নেতৃত্বের কাছে সেই দাবি জানিয়েছি। উত্তম ভাস্করের অনুগামী বাসন্তী দাস বলেন, বহু বছর ধরে আমি দল করছি। কেউ কিছু দেয়নি। শেষবারের মতো আমি উত্তমকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। কারণ, উত্তম ভোটে জিতলে এলাকায় উন্নয়ন হবে। ও সব সময় গ্রামবাসীদের পাশে থাকে। তাই, এবার আমরা ওকে প্রার্থী (Candidate)  হিসেবে চাইছি।

    যদিও এই ঘটনার মধ্যে শুভ সংকেত দেখছে তৃণমূল নেতৃত্ব। হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা বলেন, আসলে দল বড় হয়েছে, তাই এক বুথে একাধিক দাবিদার। এটা মানুষের মমতা ব্যানার্জির প্রতি ভালোবাসার উত্তেজনা। দলীয় কোনও কোন্দলের বিষয় নয়। আর কোনও কর্মী তেড়ে আসেনি। তাঁরা আমাদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। বিজেপির উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক রূপেশ আগরওয়াল বলেন, তৃণমূল দলে অনুশাসন বলে কিছু নেই। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আগামী পাঁচ বছর ধরে কে লুটেপুটে খাবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি চলছে। ওদের দলে এসব ঘটনা যত হবে, তত ওরা মানুষের থেকে দূরে চলে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur Clash)। এক হেড কনস্টেবলের সাসপেনশনকে কেন্দ্র করে এবারের অশান্তির সূত্রপাত। ঘটনায় এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। এর পরেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। বৃহস্পতিবার রাতের ওই ঘটনার জেরে চূড়াচাঁদপুর এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

    তাণ্ডব জনতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে চূড়াচাঁদপুরে এসপি এবং ডিসির অফিসে হামলা চালায় ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষের একটি দল (Manipur Clash)। সরকারি সম্পত্তি তছনছ করার পাশাপাশি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা। তার পরেই পাঁচ দিনের জন্য এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।

    সংঘর্ষে মৃত ২

    একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা (Manipur Clash) যায়, চূড়াচাঁদপুর জেলার এক হেড কনস্টেবলকে কয়েকজন সশস্ত্র লোকের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই ঘটনাটি নজরে পড়ে পুলিশের বড় কর্তাদের। এর পরেই সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। ওই হেড কনস্টেবলের সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবি ওঠে। সেই দাবি জানিয়েই ওই রাতে এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত জনতা। নিরাপত্তাবাহিনীর বেশ কয়েকটি বাস, ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেয় জনতা। উন্মত্ত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় নিরাপত্তা বাহিনী। দু পক্ষের সংঘর্ষে কুকি-জো অধ্যুষিত এই এলাকায় মৃত্যু হয় দু জনের। জখম হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।

    আরও পড়ুুন: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মণিপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তিন-চারশো জনের একটি দল এসপি অফিসে তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে। তারা পাথর ছুড়তে থাকে। জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় ব়্যাফ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। চূড়াচাঁদপুর জেলা পুলিশের কনস্টেবল সিয়ামলালপলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি কয়েকজন অস্ত্রধারী নাগরিকের সঙ্গে ভিডিও তৈরি করছেন। সিয়ামলালপলকে বিনা অনুমতিতে রাজ্যের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    এদিকে, ইন্ডিজেনাস ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের তরফে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে এসপি শিবাবনন্দকেই। ফোরামের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এসপি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজকর্ম করছেন না। আমরা তাঁকে কোনও আদিবাসি এলাকায় থাকতে দেব না। এখনই ওই কনস্টেবলের ওপর থেকে সাসপেনশন তুলে নিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই জেলা ছেড়ে চলে যেতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে যে কোনও রকম পরিস্থিতির জন্য এসপি শিবানন্দ সার্ভে দায়ী থাকবেন (Manipur Clash)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই! কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ২ লস্কর জঙ্গি খতম

    Jammu and Kashmir: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই! কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ২ লস্কর জঙ্গি খতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সোপিয়ানে জঙ্গিদমন অভিযানে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। মঙ্গলবার ভোরে সেনা ও পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত দুই লস্কর জঙ্গি খতম হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশ সমাজমাধ্যমে এই সংঘর্ষের কথা জানিয়েছে। 

    ভোরেই শুরু হয় অভিযান

    কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) জোন পুলিশ এদিন জানিয়েছে, মৃত ২ জঙ্গির নাম মোরিফত মকবুল ও জাজমিন ফারুখ ওরফে আবরার। দুজনেই লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় কাশ্মীরি পণ্ডিত সঞ্জয় শর্মাকে হত্যার ঘটনায় এই দুই জঙ্গি জড়িত ছিল।পুলিশ সূত্রে খবর, সোপিয়ান জেলার আলশিপোরা এলাকায় জঙ্গিদের আত্মগোপন করার খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোররাতে সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ যৌথভাবে অভিযানে নামে। সেনা-পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই জঙ্গিরা গোপন ডেরা থেকে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা গুলি চালায়। দু-পক্ষের গুলির লড়াই চলার সময়ই ২ জঙ্গির মৃত্যু হয়। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, আরও জঙ্গি আলশিপোরা এলাকায় রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই চলছে।

    আরও পড়ুন: হাতাকাটা জামা পরে পুরীর মন্দিরে প্রবেশ নয়! জানুন কবে থেকে নতুন পোশাকবিধি

    ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ওই ২ জঙ্গি

    কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) পুলিশ জানিয়েছে, লস্কর-ই-তৈবার ওই দুই জঙ্গি কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ছিল। সেনা ও পুলিশের তালিকায় তারা ছিল ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’। অস্ত্র মজুত করা, নাশকতার পরিকল্পনা করার দায়িত্ব ছিল তাদের উপর। গত বছর, ভূস্বর্গে জঙ্গিদের মোট ২৯টি হামলায় তিন জন কাশ্মীরি পণ্ডিত, রাজস্থানের একজন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার এবং আটজন ভিন‌ রাজ্যের বাসিন্দা-সহ মোট ১৮ জন নিহত হন। ওই ঘটনার তিনদিন পরই পুলওয়ামার পাদদামপোরা গ্রামে জঙ্গি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। সেই অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় সঞ্জয় শর্মা খুনে জড়িত আরও এক জঙ্গি, আকিব মুস্তাক ভাটের। মকবুল ও ফারুক পলাতক ছিল। তাদের খোঁজে সোপিয়ানের নানা জায়গায় চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল সেনা ও পুলিশ। অবশেষে সাফল্য মিলল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পঞ্চায়েতকে ঘিরে কংগ্রেস-তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রানিনগর

    Murshidabad: পঞ্চায়েতকে ঘিরে কংগ্রেস-তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রানিনগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের রানিনগর থানার চাকরানপাড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা। কংগ্রেস ও তৃণমূল উভয় পক্ষই উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে বোমা ছুড়ে হামলার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে অগ্নিগর্ভ এলাকা।

    কী ঘটেছে

    পঞ্চায়েত সমিতির কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবির বাড়িতে বোমা হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবির আত্মীয়দের বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাকরানপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎই একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে ইট, পাটকেল ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তার পাশাপাশি বাড়ি-ঘর ভাংচুর, লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। হামলার সময় আতঙ্কিত হয়ে কংগ্রেস প্রার্থী তাঁর স্বামীকে নিয়ে ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। অপর দিকে তৃণমূলের এক নেতার বাড়িতে কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে।

    কংগ্রেস প্রার্থীর এবং তৃণমূলের বক্তব্য (Murshidabad) 

    বিরোধী দল করার জন্য শাসক দল দুষ্কৃতীদের দিয়ে এমন হামলা করছে বলে দাবি করেন কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবি। এলাকায় যাতে ভোটের প্রচার না করা হয়, তাই বাড়িতে বোমা মারা হয় বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেস প্রার্থী। আবার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী মহিউদ্দিন সেখের বাড়িতে (Murshidabad) দলীয় সভা চলছিল, সেই সময় কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা ছুড়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ শাসক দলের। তৃণমূল কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করেও বেশ কয়েকটি বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল থেকে যাদের বোমা মেরে পালাতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে আছে আনারুল, ছাত্তার, ইব্রাহিম, মইদুল আরও অনেকে। তৃণমূলের অভিযোগ, এই ব্যাক্তিরা প্রথমে তৃণমূল করত কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেস এবং সিপিএম করে। এদের প্রত্যেকের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।  

    প্রশাসনের ভূমিকা

    সংঘর্ষের ঘটনার পর এলাকায় পৌঁছায় রানিনগর (Murshidabad) থানার পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রশাসন জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ভয় দেখাতে এমন সন্ত্রাস বলে দাবি কংগ্রেস নেতৃত্বের। এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেছেন এলাকার মানুষ ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: স্টেশন চত্বরে গাড়ি-দোকান ভাঙচুর, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    TMC: স্টেশন চত্বরে গাড়ি-দোকান ভাঙচুর, প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দলে উত্তাল হয়ে উঠল বর্ধমান স্টেশন চত্বর। রাতের অন্ধকারে বর্ধমান স্টেশন চত্বর জুড়ে তাণ্ডব চলে। ১০ থেকে ১২ টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পাশাপাশি  ১০টি গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। প্রকাশ্যে এই তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের (TMC) সাধারণ সম্পাদক ইফতিকার আহমেদ ও তৃণমূল নেতা গোলাব সোনকারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এবার সেই কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ৭ মে রাতে গোলাব সোনকারের অনুগামীরা এসে স্টেশন চত্বরে একাধিক দোকানে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। স্টেশনের গ্যারাজে রাখা ১০টি প্রাইভেট গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। বর্ধমান স্টেশন চত্বরে ঢুকে স্থানীয় বিধায়কের নামে ও প্রাক্তন আই এন টি টি ইউসির সভাপতির নামে গালিগালাজও করে। হামলাকারীদের হাতে রড, লাঠি এবং তরোয়াল ছিল। এমনকী ইফতিকারসহ তাঁর কয়েকজন অনুগামীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সোমবার এই ঘটনার প্রতিবাদে ইফতিকারের নেতৃত্বে এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। এই ঘটনায় রাতে বর্ধমান স্টেশনে ব্যবসায়ী থেকে  গাড়িচালক সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বর্ধমান থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কী বললেন ব্যবসায়ীরা?

    স্থানীয় এক ব্যবসায়ী সেখ আলিউদ্দিন বলেন, আমরা অন্যদিনের মতো দোকানে বসেছিলাম। আচমকা কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে হামলা চালায়। বিধায়কের নামে তারা গালিগালাজ করে। আমার দোকানে তাণ্ডব চালায়। লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    স্টেশনে তাণ্ডব নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা

    তৃণমূল নেতা ইফতিকার আহমেদ বলেন, গোলাব আগে সিপিএম করত। মধ্যে বিজেপিতে গিয়েছিল। এখন তৃণমূলে (TMC) রয়েছে। অকারণে এসে ওরা হামলা চালায়। স্টেশন চত্বরে তাণ্ডব চালায়। আমাদের ওপর চড়াও হয়। আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। অন্যদিকে, তৃণমূল (TMC) নেতা গোলাব সোনকার বলেন, আমার ছেলে কয়েকজন বন্ধু নিয়ে চারচাকা গাড়ি করে ঘুরতে গিয়েছিল। উড়ালপুলের পাশে ছবি তোলার সময় তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে কয়েকজন এসে হামলা চালায়। ইফতিকার আমার ছেলেকে গালিগালাজ করে। সেটার প্রতিরোধ করা হয়েছে। স্টেশনে কোনও তাণ্ডব চালানো হয়নি। ওরা ভাঙচুর করে আমাদের নামে দায় চাপাচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    তৃণমূল (TMC) বিধায়ক খোকন দাস বলেন, কে বা কারা তাণ্ডব চালিয়েছে তা জানতে পারিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mid Day Meal: গোল্লায় যাক শিশুদের মিড ডে মিল! মধুভাণ্ডের কাড়াকাড়িতেই মত্ত তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী

    Mid Day Meal: গোল্লায় যাক শিশুদের মিড ডে মিল! মধুভাণ্ডের কাড়াকাড়িতেই মত্ত তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের মাদার ও যুব সংগঠনের দুই নেতার বিবাদে সমস্যায় করণদিঘির আলতাপুর হাইস্কুল। অভিযোগ, মিড-ডে-মিল (Mid Day Meal) সহ স্কুল পরিচালন কমিটির হিসাবের টাকার ভাগ কে কতটা পাবে, তা নিয়েই এই বিবাদের সৃষ্টি। এই বিবাদ ধীরে ধীরে হাতাহাতি থেকে হানাহানি পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে৷ প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগও পৌঁছেছে থানা থেকে জেলাশাসক পর্যন্ত। 
    এইসব গোলমালে আলতাপুর স্কুলের উন্নয়ন, পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল সব গোল্লায় যেতে বসেছে বলে বিরোধী দলের স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ। স্কুল পরিচালন সমিতির সদস্যরা একে অন্যের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন প্রকাশ্যেই। তাদের এক পক্ষের দাবি, হিসেব চাইতেই পরিচালন সমিতির সদস্যকে মারধর করেছেন অন্যজন। 

    স্কুল চালাতে সমস্যা হচ্ছে, স্বীকার প্রধান শিক্ষকের

    প্রধান শিক্ষক অবশ্য দাবি করেছেন, স্কুলের সবকিছু চলছে নিয়ম মেনেই। তবে গোলমালের কথা স্বীকার করেছেন তিনি এবং সেই গোলমালে স্কুল চালাতে সমস্যার কথাও গোপন করেননি তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই মিটতে পারত। যেহেতু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পরিচালন সমিতির সদস্য লিখিত অভিযোগ করেছেন, তাই তিনিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সবটা লিখিত আকারে জানাবেন। সব মিলিয়ে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘি ব্লকের আলতাপুর হাইস্কুলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য বিভিন্ন মহলে। 

    অভিযোগ থানা এবং জেলাশাসককেও

    করণদিঘির আলতাপুর হাইস্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি ও অন্য দুই সদস্যর মধ্যে মারামারির ঘটনায় চলতি মাসের ২ তারিখ করণদিঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পরিচালন সমিতির সদস্য আবু তাহিরের স্ত্রী। অভিযোগ, স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি মহাঃ হানিফ তাঁর স্বামী আবু তাহিরকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। ওই ঘটনায় আহত আবু তাহির রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপরে চলতি মাসের ৫ তারিখ আবু তাহির ও স্কুল পরিচালন সমিতির আরও ২ সদস্য জেলাশাসক সহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, স্কুলে মিড-ডে-মিল ঠিকভাবে খাওয়ানো হয় না। পুষ্টির খাবারও সঠিকভাবে দেওয়া হয় না পড়ুয়াদের। পাশাপাশি স্কুলের পরিচালন সমিতির কোনও বৈঠক হয় না কোনওদিন। এই সমস্ত বেনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান তাঁরা। শুধু তাই নয়, পড়ুয়া ভর্তি বা মিড ডে মিল (Mid Day Meal)-সব ক্ষেত্রেই অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করে তাঁদের অন্ধকারে রেখেই পরিচালন সমিতির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের দুজনের যোগশাজশেই স্কুলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষত মিড-ডে-মিলে অবৈধ কারবার চলছে বলে অভিযোগ। 

    কী বলছেন পরিচালন কমিটির সভাপতি ? 

    যদিও মিড-ডে-মিলের (Mid Day Meal) টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্তে সায় না দেওয়াতেই এই চক্রান্ত বলে পাল্টা দাবি করেন অভিযুক্ত পরিচালন সমিতির সভাপতি মহাঃ হানিফ। তাঁর দাবি, মিড-ডে-মিলের টাকা হাতানোর ছক ছিল অভিযোগকারীদের।

    আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপির

    তবে সব মিলিয়ে পরিচালন সমিতির অন্দরে এই বচসা বা তীব্র দ্বন্দ্বে স্কুলের একটা বড় ক্ষতি হতে বসেছে এবং তার প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়ুয়াদের উপর পড়ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের মাদার এবং যুব সংগঠনের দুই নেতা মিড-ডে-মিলের টাকার বখরা নিয়ে গোলমাল পাকানোয় আলতাপুর হাইস্কুলের উন্নয়ন, পড়াশোনা ও মিড-ডে-মিল (Mid Day Meal) গোল্লায় যাচ্ছে। প্রশাসনকে সক্রিয় হয়ে সবটা সামাল দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। যদি প্রশাসন সঠিক ভুমিকা গ্রহণ না করে, তবে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati University: বিশ্বভারতীর পড়ুয়া-নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি, অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর

    Visva Bharati University: বিশ্বভারতীর পড়ুয়া-নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি, অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati University)৷ নিরাপত্তারক্ষী ও আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের ধস্তাধস্তিতে অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর৷ পড়ুয়াদের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠেছে নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে৷ পুলিশের সামনেই হেনস্থা করা হয়েছে পড়ুয়াদের। আর এরই মাঝে প্রায় ২১ দিন পর বাড়ি থেকে বের হলেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তারক্ষীদের ঘেরাটপে তিনি বাড়ির বাইরে আসেন৷ উপাচার্য বাইরে আসতেই শ্লোগান শুরু করেন পড়ুয়ারা৷ তখনই নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে আন্দোলনকারী ছাত্রদের হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ৷  

    নিজ বাসভবন থেকে উপাচার্য বেরোতে পারলেও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে (Visva Bharati University) ঢোকার মুখে ফের পড়ুয়াদের বাধার মুখে পড়েন তিনি। আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল গেটে তালা লাগিয়ে শ্লোগান দিতে থাকেন। ফলে মূল ফটকের বাইরে উপাচার্য সহ দেড়শো জন অধ্যাপক অধ্যক্ষকে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

    কী ঘটেছে?  

    সম্প্রতি সোমনাথ সৌ নামে এক পড়ুয়াকে ভর্তি না-নেওয়া এবং বেশ কিছু পড়ুয়াকে গবেষণাপত্র জমা দিতে না-দেওয়ার অভিযোগে উপাচার্যকে ঘেরাও করে আন্দোলন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati University) পড়ুয়ারা৷ বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আটকে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা৷ এর পর তাঁকে কার্যালয় থেকে বেরতে দিলেও, গত ২১ দিন ধরে বাড়িতেই কার্যত গৃহবন্দি হয়েছিলেন উপাচার্য৷ এদিন সকালে বিশাল সংখ্যক নিরাপত্তারক্ষীদের সুরক্ষা বলয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন উপাচার্য৷ কিন্তু আন্দোলনকারীরা বাধা দিলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয় নিরাপত্তারক্ষীদের৷ অভিযোগ উঠেছে ধর্না মঞ্চে ভাঙচুর চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা৷ সেখানে চেয়ার ও পড়ুয়াদের রাখা সাইকেলও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে৷ পালটা অভিযোগ, পড়ুয়ারাও নিরাপত্তারক্ষীদের দিকে তেড়ে যায়৷ পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়৷ পড়ুয়াদের অভিযোগ সেই সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিতিতেই তাদের মারধোর করে নিরাপত্তারক্ষীরা৷ তাঁদের সামনেই দু পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়৷ কিন্তু পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।

    আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ার অঙ্করভাট বিষ্ণু মন্দিরের সংস্কারে আর্থিক সাহায্য করবে ভারত, বললেন জয়শঙ্কর

    কিছুক্ষণ পরেই সেখানে এসডিপিওর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী উপস্থিত হয়৷ উপাচার্য আপাতত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভিতরে রয়েছেন৷ পুলিশি নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে কেন্দ্রীয় কার্যালয়৷ তবে, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বাইরে আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন৷ তাঁদের (Visva Bharati University) দাবি, স্বৈরাচারী উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Visva Bharati University) পড়ুয়ারা উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়েছিলেন। সেই সময় উপাচার্য তাঁদের গুলি করে মারার নিদান দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন পড়ুয়ারা।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajasthan Gangster: রাজস্থানে গ্যাংস্টার খুনে গ্রেফতার ৫, খুনের দায় স্বীকার করল কে জানেন?

    Rajasthan Gangster: রাজস্থানে গ্যাংস্টার খুনে গ্রেফতার ৫, খুনের দায় স্বীকার করল কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দুষ্কৃতী গোষ্ঠীর সংঘর্ষের (Clash) জেরে শনিবারই রাজস্থানের শিকারে প্রাণ গিয়েছিল দুই ব্যক্তির। ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, এরাই গ্যাংস্টার (Rajasthan Gangster) রাজু থেটকে গুলি করে খুন করেছে। রবিবার পাঁচজনকে গ্রেফতারির খবর দিয়েছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (CM) অশোক গেহলট। পুলিশ জানিয়েছে, এনকাউন্টারের পর গ্রেফতার করা হয়েছে ওই পাঁচজনকে। এনকাউন্টারে জখম হয়েছে দুজন।

    গ্যাংস্টার ছাড়াও…

    গ্যাংস্টার (Rajasthan Gangster) রাজু থেট ছাড়াও আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন ওই সংঘর্ষের মাঝে পড়ে। জানা গিয়েছে, তাঁর নাম তারাচাঁদ কাদওয়াসারা। পিপরালি রোডের একটি কোচিং সেন্টারে মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সংঘর্ষ চলাকালীন কোনওভাবে একটি গুলি ছিটকে এসে লাগে তাঁর গায়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। অভিযুক্ত তারাচাঁদকেই রাজুর সাঙাত ভেবে গুলি করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীরা তারাচাঁদের গাড়ির চাবি কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয়।

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজু থেটের (Rajasthan Gangster) বিরুদ্ধে থানায় ৩০টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল কুখ্যাত দুষ্কৃতী আনন্দপাল সিংয়ের। ২০১৭ সালে এক এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর। জামিনে মুক্ত থাকাকালীন সময় লাক্সারি জীবন যাপন করত সে। তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খাও ছিল। পুলিশের ডিজিপি উমেশ মিশ্র জয়পুরে বলেন, পুলিশি শিকারের বাসিন্দা মনীশ জাঠ এবং বিক্রম গুজরকে পাকড়াও করেছে। হরিয়ানার ষষ্ঠী কুমার, যতীন মেঘওয়াল এবং নবীণ মেঘওয়ালকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের জালে বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখ, কোথায় ধরা পড়ল জানেন?

    এদিন এক ট্যুইট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেন, গতকাল শিকারে খুনের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গাড়ি এবং অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিচার করে তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। শনিবার রাজু থেট খুন হওয়ার পর রোহিত গোদারা নামে এক ব্যক্তি খুনের দায় স্বীকার করেন। ফেসবুকে তিনি নিজের পরিচয় দিয়েছেন লরেন্স বিষ্ণৈ গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে। তিনি জানান, এটা আনন্দপাল সিং এবং বলবীর বাণুদার খুনের বদলা। প্রসঙ্গত, বাণুদা, যে আনন্দ পাল গোষ্ঠীর সদস্য ছিল, খুন হয় ২০১৪ সালের জুলাই মাসে। বিকানের জেলে দু দল বন্দির সংর্ঘষের জেরে খুন হয় সে। অভিযোগ, ওই ঘটনার নেপথ্যে ছিল রাজুর লম্বা হাত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

LinkedIn
Share