Tag: Coal

Coal

  • India New Zealand FTA: ২০ অক্টোবর থেকে কার্যকর ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, শুল্কমুক্ত হবে ভারতের ১০০ শতাংশ পণ্য

    India New Zealand FTA: ২০ অক্টোবর থেকে কার্যকর ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, শুল্কমুক্ত হবে ভারতের ১০০ শতাংশ পণ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে চলেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (India New Zealand FTA)। দুই দেশই চুক্তিটি কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছে। সোমবার নিউজিল্যান্ডের বাণিজ্য ও বিনিয়োগমন্ত্রী টড ম্যাকক্লে এবং নিউজিল্যান্ডে ভারতের হাইকমিশনার মুআনপুই সাইয়াওই আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের নথি বিনিময় করেন। এর ফলে চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার পথে শেষ প্রক্রিয়াটিও সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, “দুই দেশের জন্যই বিজয়। ২০ অক্টোবর ২০২৬, বিজয়া দশমীর দিন থেকে ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হচ্ছে (Vijay Dashami)।”

    চুক্তি সই হয়েছিল এপ্রিলে (India New Zealand FTA)

    গত ২৭ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির আওতায় নিউজিল্যান্ড ভারত থেকে আমদানি করা ১০০ শতাংশ পণ্যের উপর শুল্ক তুলে নেবে। ফলে ভারতীয় রফতানিকারীরা নিউজিল্যান্ডের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবেন। বস্ত্র ও পোশাক, ওষুধ, যন্ত্রপাতি, গাড়ি, রত্ন ও গয়না, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, চা, কফি এবং মশলার মতো একাধিক ভারতীয় পণ্য এর আওতায় আসবে।

    অন্যদিকে, ভারত নিউজিল্যান্ড থেকে বর্তমান আমদানির প্রায় ৯৫ শতাংশের উপর শুল্ক তুলে নেবে অথবা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে। চুক্তি কার্যকর হওয়ার প্রথম দিনেই নিউজিল্যান্ডের প্রায় ৫৭ শতাংশ রফতানি ভারতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। এর মধ্যে রয়েছে ভেড়ার মাংস, উল, কয়লা এবং বনজ ও কাঠজাত পণ্য।

    ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে আরও এক দফা শুল্ক হ্রাসের কথা রয়েছে। পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের জন্য ভারতের বাজারে নির্বাচিত কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক কোটা ব্যবস্থাও থাকবে। আপেল, কিউই এবং অ্যালবুমিনের মতো পণ্য এই সুবিধার আওতায় আসবে। তবে ভারতের দুগ্ধশিল্পের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সুরক্ষা বজায় রাখা হয়েছে।

    বাড়বে সুবিধার পরিসর

    শুধু পণ্য বাণিজ্য নয়, চুক্তিতে পরিষেবা, বিনিয়োগ এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মানুষের যাতায়াত সংক্রান্ত ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে রফতানিকারী, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য নিয়ম ও বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে আরও বেশি নিশ্চয়তা তৈরি হবে (India New Zealand FTA)।

    দুই দেশের সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য হল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খলের বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং দুই দেশের বাজারে পারস্পরিক প্রবেশাধিকার আরও সহজ করা। নিউজিল্যান্ডের ব্যবসাগুলি এর মাধ্যমে ভারতের বিরাট বাজারে আরও বেশি সুযোগ পাবে। একইভাবে ভারতীয় রফতানিকারীরা নিউজিল্যান্ডের বাজারে বিস্তৃত শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবেন (Vijay Dashami)।

    সলতে পাকানো শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালে

    ভারত-নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা ২০২৫ সালের মার্চে নতুন করে শুরু হয়েছিল। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আলোচনা শেষ হয় এবং ২০২৬ সালের ২৭ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর নিউজিল্যান্ডের সংসদ চুক্তিটি কার্যকর করার প্রয়োজনীয় আইন অনুমোদন করে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের নথি বিনিময় করে (India New Zealand FTA) দুই দেশ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিন্ডিকেটরাজকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেব।” পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসে এমনই হুঙ্কার দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি কথা দিয়েছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ (Syndicate Raj) খতম করবে। শাহের সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলা থেকে সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করলেন তিনি।

    দুর্নীতিমুক্ত বঙ্গ গড়ার নির্দেশ (Suvendu Adhikari)

    সোমবার বিধায়ক ও জেলাশাসকদের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, রাজ্যকে দুর্নীতিমুক্ত করে তুলতে হবে। কোনওরকম দুর্নীতিই বরদাস্ত করা হবে না। সেই লক্ষ্যেই প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিনের বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসককে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, “আপনার জেলায় বেশি করে নজর দিন।” অতীতে এই বীরভূম থেকেই বেশি বালিপাচার, গরুপাচারের মতো অভিযোগ উঠেছে। তাই ওই জেলায় বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ। তিনি বলেন, “১০০ দিনের কাজের টাকা যাঁরা পাচ্ছেন, তাঁরা কি আদৌ যোগ্য বা বৈধ? তা খতিয়ে দেখুন। আসলে অনেকেই আছে যারা কাজ না করে জবকার্ড তৈরি করে নিয়ে টাকা তোলে।”

    গরুপাচার নিয়ে ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ 

    গরুপাচার নিয়েও জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দেন বিজেপির ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশও দেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “আজ (সোমবার) থেকেই অবৈধ গরু পাচার বন্ধ করতে হবে।” পাচার রুখতে, দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়তে এই পদক্ষেপ ছাড়াও জেলাশাসকদের প্রতিনিয়ত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দেন, এদিন থেকেই তা শুরু করতে হবে (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, রাজ্যে গরুপাচার একেবারেই বন্ধ করতে হবে। বর্ডার বা রাজ্য সড়ক-কোথাও যেন এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আর না আসে, তা সুনিশ্চিত করতে হবে পুলিশ সুপারদের।

    কয়লা-বালি পাচার রোধে ফরমান

    কয়লা ও বালি পাচার রুখতে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, এই সব বেআইনি কারবার এবং প্রোমোটারির ক্ষেত্রে ‘সিন্ডিকেট রাজ’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ব্যবসা বা বাড়ি তৈরির কাজ করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি জমি দখল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, সরকারি জমি রক্ষা করতে হবে। কোনও বেআইনি নির্মাণ মেনে নেওয়া হবে না। রাজ্যবাসীকে দুর্নীতিমুক্ত সরকার উপহার দিতে চায় রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। সচিবদের পর এবার ডিএমদেরও শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত হবে এই সরকার।’ যেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, সেখানেই তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিয়ে বন্ধ করতে হবে কাজ (Suvendu Adhikari)।

    কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশ

    নির্বাচনের কারণে আদর্শ আচরণবিধি চালু ছিল দীর্ঘ দিন। তাই আটকে গিয়েছে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, বিধায়করা শপথ নিলেই জেলাশাসকরা যেন তাঁদের সঙ্গে এবং জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আটকে থাকা কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশও দেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের (Syndicate Raj) বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দেন, জেলাস্তরের প্রতিটি কাজের খবর সরাসরি নবান্নে পৌঁছবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে যাতে রাজনীতির রং না লাগে এবং প্রকল্পের টাকা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়, সেটাই যে রাজ্যের নয়া সরকারের লক্ষ্য, তাও জানিয়ে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

LinkedIn
Share