Tag: Cockroach Janta Party

  • Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    Cockroach Janta Party: যন্তর-মন্তরে ককরোচ পার্টির প্রথম সমাবেশ, ভিড় কই, দাবিই বা কী?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরেই ভারতের হতাশ তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে ককরোচ জনতা পার্টি, সংক্ষেপে সিজেপি (Cockroach Janta Party)। ভাইরাল ভিডিও, ইনফ্লুয়েন্সার নেটওয়ার্ক, ইনস্টাগ্রামে প্রচার এবং সরকারবিরোধী বার্তার মাধ্যমে সংগঠনটি নিজেদের দেশের অন্যতম বৃহৎ ডিজিটাল যুব আন্দোলন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। তাদের নেতৃত্ব বারবার দাবি করেছে, সংগঠনের অনুসারীর সংখ্যা কয়েক কোটি এবং এটি একটি তৃণমূলভিত্তিক গণআন্দোলনের প্রতিফলন।

    ককরোচ জনতা পার্টি, প্রশ্ন যেখানে (Cockroach Janta Party)

    তবে ৬ জুন, দিল্লির যন্তর-মন্তরে (Jantar Mantar) আয়োজিত সংগঠনের প্রথম বড় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের বড় ফারাকটাই তুলে ধরে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক ও অনিয়মের তদন্ত এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল অনলাইন ক্ষোভকে বাস্তব রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের সক্ষমতা প্রদর্শন করা। কিন্তু সমাবেশের ভিড় নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয়—ককরোচ জনতা পার্টি কি সত্যিই একটি গণভিত্তিক আন্দোলন, নাকি এটি মূলত অ্যালগরিদম, ভাইরাল কনটেন্ট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভরশীল একটি ডিজিটাল ঘটনা?

    সমাবেশে লোকজন কই?

    সিজেপি (Cockroach Janta Party) কোনও প্রচলিত রাজনৈতিক দল বা ছাত্র সংগঠন থেকে গড়ে ওঠেনি। বরং ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবকেন্দ্রিক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল পরিমাণ ফলোয়ার রয়েছে দাবি করে প্রথমবারের মতো বড় জনসমাবেশের আয়োজন করায় ৬ জুনের বিক্ষোভকে অনেকেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুহূর্ত হিসেবে দেখেছিলেন। প্রশ্ন উঠেছিল, কোটি কোটি অনলাইন ফলোয়ার কি হাজার হাজার মানুষকে রাজপথে নামিয়ে আনতে পারবে? সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কি রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে? ভাইরাল জনপ্রিয়তা কি দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের ভিত্তি হতে পারবে? বিক্ষোভের জমায়েত দেখে অবশ্য এই সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। বিস্তৃত প্রচার ও একাধিক ইনফ্লুয়েন্সারের সক্রিয় অংশগ্রহণ সত্ত্বেও, যন্তর-মন্তরের সমাবেশে উপস্থিতি সংগঠনের দাবি করা বিশাল ফলোয়ারের সংখ্যার তুলনায় নিতান্তই নগন্য (Jantar Mantar)।

    সংগঠনের শক্তি

    বিক্ষোভে ছাত্রছাত্রী, চাকরিপ্রার্থী, অভিভাবক ও সমর্থকদের দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইউটিউবার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্বও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অনেকে অনুষ্ঠানের দৃশ্যপট মোবাইলবন্দি করে তৈরি করছিলেন অনলাইন কনটেন্ট (Cockroach Janta Party)। তাই অনেকের কাছে পুরো পরিবেশটি রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি একটি বড় ইনফ্লুয়েন্সার সমাবেশের আকারও নেয়। সিজেপির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা। প্রচলিত ছাত্র আন্দোলনের মতো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্থানীয় সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের পরিবর্তে এই সংগঠনের শক্তি মূলত এসেছে অনলাইন প্রচার ও ভাইরাল হওয়া কনটেন্ট থেকে (Jantar Mantar)।

    কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে সভা নয়

    সমাবেশে ককরোচ আঁকা মুখোশ, পোস্টার, শিল্পকর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক নানা প্রতীক ব্যাপকভাবে দেখা যায়। সমাবেশে অংশ নেওয়া অনেকের কাছে এটি সমমনা সমর্থক ও অনলাইন পরিচিতদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, এটি ডিজিটাল আন্দোলনের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া অনায়াস হলেও, সেই সমর্থনকে দীর্ঘমেয়াদি ফিল্ড লেভেলের সংগঠনে রূপ দেওয়া অনেক বেশি কঠিন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক শিক্ষার্থী ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অনিশ্চয়তা এবং নিয়োগ ও ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন (Cockroach Janta Party)। তাঁদের অনেকেই জানান, এটি কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থনে নয়। শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত ত্রুটি-বিচ্যুতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবেই তাঁরা উপস্থিত হয়েছেন (Jantar Mantar)।

    সরকারবিরোধী কণ্ঠ

    অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকে আবার এমনও জানিয়েছে, বহু সমর্থক বাস্তবে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার পরিবর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক, শেয়ার ও হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের মধ্যেই নিজেদের সমর্থন সীমাবদ্ধ রাখেন। সিজেপির উত্থানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় এই ইনফ্লুয়েন্সার অতীতে বিভিন্ন বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছেন। বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাঁর প্রকাশ্য যোগাযোগ এবং নিজেকে সরকারবিরোধী কণ্ঠ হিসেবে উপস্থাপন করা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চার বিষয় হয়েছেন তিনি। বিদেশি ভাষ্যকার এবং পাকিস্তানের কিছু কর্মীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি যদি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টা করে, তাহলে নেতৃত্ব, আদর্শ, অর্থায়ন, নেটওয়ার্ক ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে (Jantar Mantar)। যন্তর-মন্তরের কর্মসূচিতে প্রধান দাবি ছিল, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

    দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? 

    সমালোচকদের একাংশের মতে, কেবল একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেই শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, তা নয়। এতে একটি বৃহত্তর প্রশ্ন সামনে আসে—প্রতীকী জবাবদিহি কি যথেষ্ট, নাকি বাস্তব সংস্কারের জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট নীতিগত প্রস্তাব, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক উদ্যোগ? বিক্ষোভে এই প্রশ্নগুলির সুস্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ৬ জুনের এই কর্মসূচি হয়তো তাৎক্ষণিক দাবির চেয়ে বেশি আলোচিত হবে ডিজিটাল যুগের আন্দোলনের শক্তি ও সীমাবদ্ধতার প্রতিফলন হিসেবে। সিজেপি অনলাইন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে, সংবাদমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করতে এবং তরুণদের মধ্যে একটি পরিচিত ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে সফল হয়েছে।

    ভাইরাল জনপ্রিয়তা বনাম বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি

    কিন্তু সেই জনপ্রিয়তা দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে পারবে কি না, তা এখনই বলা যাবে না (Cockroach Janta Party)। সংগঠনটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এলেও কোটি কোটি অনলাইন ব্যবহারকারীর দাবি এবং বাস্তব জনসমাগমের ব্যবধানই এই কর্মসূচির সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে (Jantar Mantar)। ভবিষ্যতে সেই ব্যবধান কমানো সম্ভব হবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে আপাতত এই জমায়েত একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল জনপ্রিয়তা এবং বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি সবসময় এক নয় (Cockroach Janta Party)।

     

  • Nitin Nabin: “ভারতের যুবসমাজ বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষের হাতের পুতুল নয়”, ককরোচ সমর্থকদের তোপ নীতিন নবীনের

    Nitin Nabin: “ভারতের যুবসমাজ বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষের হাতের পুতুল নয়”, ককরোচ সমর্থকদের তোপ নীতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল যুগের ক্ষমতা ব্যবহার করে তরুণদের নেতিবাচক দিকে প্ররোচিত করার চেষ্টা ভারতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। রবিবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে দলের একটি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য এমন একটি সময়ে এল, যখন দিল্লির প্রধান প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে হাজার কিলোমিটার দূর থেকে একটি বড় ধরনের সমাবেশ চলছে। এই সমাবেশের নেতৃত্বে রয়েছেন ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দিপকে, যিনি বিদেশফেরত একজন রাজনৈতিক ব্যঙ্গশিল্পী। এর আগে তিনি আম আদমি পার্টির (AAP) সোশ্যাল মিডিয়া টিমে কাজ করতেন।

    ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক রাজনীতি করবে (Nitin Nabin)

    এই নব্য আন্দোলনকারীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের দিকে ইঙ্গিত করে নীতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এই যুবসমাজের কঠোর পরিশ্রম ও শক্তির ওপর ভর করেই দেশ এগিয়ে চলেছে… তাই আমি তাঁদের সতর্ক করতে চাই যাঁরা এই দেশের যুবসমাজকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে টেনে নিয়ে যেতে চান। ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক রাজনীতি করবে। আমরা অবশ্যই গণতান্ত্রিক উপায়ে সব ধরনের প্রতিবাদ করব, কিন্তু গণতন্ত্রের মানদণ্ড ধ্বংস হতে দেব না।”

    বোস্টন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ (PR) বিভাগের গ্র্যাজুয়েট দিপকে আমেরিকায় থাকাকালীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (Cockroach Janta Party) নামক ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল তৈরি করে নজর কাড়েন। তিনি এটিকে একটি ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ বলে দাবি করেছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি দিল্লিতে নামেন এবং কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত সেন্ট্রাল দিল্লি জেলার যন্তর মন্তরের দিকে রওনা দেন। সেখানে তিনি এমন কিছু রাজনৈতিক মন্তব্য করেন, যেগুলিকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের অনেকেই পাতি এবং চর্বিতচর্বণ আখ্যা দিয়েছেন।

    যুবসমাজ গুটি কয়েক মানুষের হাতের পুতুল নয়

    ঝাড়খণ্ডে দলীয় বৈঠকে অংশ নিতে আসা নীতিন নবীন (Nitin Nabin) তীব্র সমালোচনা করেন সেইসব বিত্তশালী ও ক্ষমতালোভী অভিজাত টুকরে টুকরে গ্যাংকে, যাঁরা ‘জেন-জি’ (Gen-Z) ট্যাগ ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সুপরিকল্পিতভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষ ভাবছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজকে দিকনির্দেশনা দেবেন। ভারতের যুবসমাজ কৃষকদের সঙ্গে গ্রামের চাতালে বসে, গ্রামের মেঠো পথে থাকে, আমাদের কোচিং ইনস্টিটিউট এবং কলেজের ক্যাম্পাসে থাকে। ভারতের যুবসমাজ গুটি কয়েক মানুষের হাতের পুতুল হয়ে এগিয়ে যাবে না।” উল্লেখ্য, দিপকের ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলি মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লাখ লাখ ফলোয়ার পেয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় থাকা মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলির হ্যান্ডেলের ফলোয়ারকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    কখনওই বরদাস্ত করা হবে না

    রাঁচির এই অনুষ্ঠানে নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “আজ দেশের মানুষের কাছে একটি বড় বার্তা দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ডিজিটাল মাধ্যম দেশ ও যুবসমাজের উন্নয়নের কাজে লাগানো যায়। কিন্তু দেশের যুব সমাজকে নেতিবাচক দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা কখনওই বরদাস্ত করা হবে না। তাই আমি বলব, আমার দেশের যুবসমাজ, একটি উন্নত ভারত গড়তে হলে আপনাদের সবাইকে জেগে উঠতে হবে…”

    বিজেপির এই কর্তা দু’দিনের সফরে ঝাড়খণ্ডে গিয়েছেন। আজ, রবিবার তাঁর বোকারো স্টিল সিটিতে যাওয়ার কথা। এরপর তিনি রাঁচিতে বিজেপির জেলা ইন-চার্জ, জেলা সভাপতি এবং দলের বিশেষ মিডিয়া ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এদিকে, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীরা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) এবং ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET-UG) পরীক্ষায় ওঠা অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি করেছেন।

LinkedIn
Share