Tag: COMPENSATION

COMPENSATION

  • SC: নিট আন্দোলনের মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত, দেশজুড়ে এফআইআর বন্ধের নির্দেশ

    SC: নিট আন্দোলনের মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত, দেশজুড়ে এফআইআর বন্ধের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুলাই মাসে নিট-সংক্রান্ত আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে দায়ের হওয়া একাধিক ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করল সুপ্রিম কোর্ট (SC)। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত তার সামনে থাকা এফআইআরগুলি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে একই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যত্র দায়ের হওয়া একই ধরনের এফআইআরগুলির ক্ষেত্রেও সুরক্ষা বাড়ানো হয়েছে (NEET Protest)। তবে এই নির্দেশকে নিঃশর্তভাবে “সব এফআইআর বাতিল” হিসেবে দেখলে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বোঝা যাবে না।

    ‘সুপ্রিম’ শুনানি (SC)

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার তিন সদস্যের বেঞ্চ জুলাইয়ের ২০ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত হওয়া বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া এফআইআর সংক্রান্ত একগুচ্ছ আবেদনের শুনানি করছিল।আদালত মনে করেছে, শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে অংশ নেওয়া পড়ুয়া এবং অন্যান্য তরুণ-তরুণীদের শুধুমাত্র একটি বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কারণে বছরের পর বছর ফৌজদারি মামলার বোঝা বহন করা উচিত নয়। সেই কারণেই আদালতের সামনে থাকা এফআইআরগুলি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যান্য জায়গায় দায়ের হওয়া একই ধরনের মামলাতেও এই সুরক্ষা প্রযোজ্য হবে।

    তবে এই নির্দেশের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম রেখেছে শীর্ষ আদালত।

    কেন্দ্রীয় সরকার আদালতকে জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ ২,৮৭৩ জনকে চিহ্নিত করেছে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই করে পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধমূলক অতীতের তথ্য রয়েছে এবং তাঁরা প্রাথমিকভাবে বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন (SC)।

    এই ২,৮৭৩ জনকে নিয়ে দিল্লি পুলিশকে একটি নতুন এফআইআর দায়ের করে তদন্তের অনুমতি দিয়েছে আদালত। তবে সেই তদন্তের বিষয় হবে বিক্ষোভ চলাকালীন তাঁদের কেউ শারীরিক ক্ষতি বা সম্পত্তি ধ্বংসের মতো নির্দিষ্ট অপরাধে যুক্ত ছিলেন কি না।

    আদালতের অবস্থান

    বিষয়টি নিয়ে আদালতের অবস্থানও স্পষ্ট। ২,৮৭৩ জনকেই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেনি সুপ্রিম কোর্ট। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা বলছি না যে তাঁরা অপরাধী। অভিযোগ রয়েছে, এই পর্যন্ত।”

    অর্থাৎ, শুধু ওই ব্যক্তিরা বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বলেই তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাচ্ছে না। নতুন করে যে তদন্ত হবে, তার কেন্দ্রে থাকতে হবে হিংসা, শারীরিক ক্ষতি অথবা সম্পত্তি নষ্ট করার মতো নির্দিষ্ট অপরাধমূলক কাজ।

    ফলে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সার্বিকভাবে মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তও বলা যায় না, আবার সব ধরনের অভিযোগ থেকে নিঃশর্ত অব্যাহতি দেওয়াও বলা যায় না।

    আদালতের অবস্থানের মূল বিষয় হল, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়া এবং সেই জমায়েতকে আড়াল করে সংঘটিত সম্ভাব্য অপরাধের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করা। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ যাতে দীর্ঘদিন ধরে ফৌজদারি মামলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করেছে আদালত। একই সঙ্গে হিংসা বা সম্পত্তি নষ্টের মতো নির্দিষ্ট অপরাধের তদন্তের সুযোগও রাষ্ট্রের হাতে রাখা হয়েছে।

    আরও একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদালত জানিয়েছে, ১৪২ অনুচ্ছেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগের সিদ্ধান্তটি এই মামলার সামনে থাকা বিশেষ পরিস্থিতি ও ঘটনাপ্রবাহের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। এটিকে ভবিষ্যতের মামলায় অনুসরণযোগ্য নজির হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। ফলে গণবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া সব এফআইআর ভবিষ্যতে একইভাবে বাতিল করা যাবে—এমন সাধারণ নিয়ম এই রায় থেকে তৈরি হচ্ছে না।

    নিট বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আত্মহত্যা করে মারা যাওয়া পড়ুয়াদের পরিবারের ক্ষতিপূরণের বিষয়টিও শুনানিতে উঠে আসে। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারকে তিন মাসের মধ্যে গোটা দেশের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    ‘সুপ্রিম’ সিদ্ধান্তের তাৎপর্য বহুমাত্রিক

    সব মিলিয়ে, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের তাৎপর্য বহুমাত্রিক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে এবং তরুণ আন্দোলনকারীদের দীর্ঘমেয়াদি আইনি জটিলতা থেকে রক্ষা করা হয়েছে (NEET Protest)। তবে বিক্ষোভের সময় সংঘটিত হতে পারে এমন নির্দিষ্ট হিংসাত্মক অপরাধ বা সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনা তদন্তের বাইরে রাখা হয়নি। অর্থাৎ, আদালত (SC) যে সীমারেখা টেনেছে, তা হল গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ একদিকে এবং সেই প্রতিবাদের সময় সংঘটিত সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আর একদিকে।

     

  • JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবিগুলি নীতিগতভাবে বিবেচনা ও গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার সংবিধান ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান (CJP), পরীক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত সংগঠনের পাঁচ দফা দাবিপত্র সরকার গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

    সরকার সহানুভূতিশীল (JP Nadda)

    নাড্ডা বলেন, “আপনারা যে পাঁচ দফা দাবিপত্র আমাকে দিয়েছেন, তা শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত। এই প্রস্তাবগুলি আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করব এবং আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। সরকার আপনাদের সমস্ত দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছে এবং সেগুলি গ্রহণ করেছে।” আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, “আন্দোলনকারীদের সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলির অনুলিপি দেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” ক্ষতিপূরণের দাবি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রচলিত নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

    সরকারের আশ্বাস

    তিনি এও বলেন, “আজ দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে তারা লিখিতভাবে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—কোনও প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং তাদের পাঁচ দফা দাবিপত্র বিবেচনা করা হবে। আমরা এফআইআরের অনুলিপি দেব এবং কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সরকার স্পষ্ট করেছে যে আমরা সহানুভূতিশীল এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে (JP Nadda)।” বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে “সদিচ্ছার সঙ্গে” তারা যন্তর মন্তরে চলা টানা ৩৭ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সংগঠনের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি সদিচ্ছার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করছে। সরকারের সঙ্গে যে বিষয়গুলিতে ঐকমত্য হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেগুলি কার্যকর হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    মৃতদের পরিবারকেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ

    সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যায় মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিজেপি সরকারকে পাঁচ দফা দাবিপত্র দিয়েছে। চার সপ্তাহ পর উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা বিক্ষোভের জেরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং (CJP) সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানের (JP Nadda) দাবি, ছাত্রদের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনকে “দেশবিরোধী শক্তি” যেন কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

     

  • GAIL: ক্ষতিপূরণ নিয়ে বচসা, কেন্দ্রীয় সংস্থার গ্যাসের পাইপলাইনের কাজ বন্ধ করে দিলেন জমিদাতারা

    GAIL: ক্ষতিপূরণ নিয়ে বচসা, কেন্দ্রীয় সংস্থার গ্যাসের পাইপলাইনের কাজ বন্ধ করে দিলেন জমিদাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে থমকে গেল কেন্দ্রীয় সংস্থার (GAIL) গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ। হলদিয়া থেকে পানাগড় শিল্পতালুক পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে বেসরকারি কারখানাগুলির জ্বালানির জন্য গ্যাস সরবরাহ করার পরিকল্পনা নিয়েছে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু জমি নিয়ে সেই আন্দোলনের জেরে আপাতত প্রকল্পটি অথই জলে পড়ে গেল। গেইল বা গ্যাস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড হল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তারা মাটির নিচ দিয়ে হলদিয়া থেকে পানাগড় শিল্পতালুক পর্যন্ত গ্যাসের পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু করেছে।

    কীভাবে বন্ধ হয়ে গেল কাজ?

    বৃহস্পতিবার সকালে সংস্থার কর্মীরা যন্ত্রপাতি এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে বুদবুদের খান্ডারি গ্রামে মাটির তলা দিয়ে পাইপলাইন (GAIL) বসানোর কাজ শুরু করতেই প্ল্যাকার্ড এবং পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ ও জমির মালিকরা। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর দুপুর নাগাদ হঠাৎই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রথমে বচসা ও পরে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় সংস্থার কর্মীদের। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বুদবুদ থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে বন্ধ রাখা হয় কাজ।

    কী দাবি এলাকার বাসিন্দাদের?

    এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, প্রতি শতকে তাঁদের ৮০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে ২৪ হাজার টাকা। সেই ক্ষতিপূরণ না দিলে তাঁরা কোনওভাবেই কাজ শুরু করতে দেবেন না। যদিও এদিন ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি (GAIL) প্রশাসনিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেয়। তারপরই বিক্ষোভ উঠিয়ে নেন গ্রামবাসীরা।

    কী বলছে বিজেপি নেতৃত্ব?

    পূর্ব বর্ধমান জেলার বিজেপি নেতা রমন শর্মা বলেন, এটা (GAIL) স্থানীয় প্রশাসনের বিষয়। স্থানীয় প্রশাসনেরই তো হিয়ারিং করার কথা। জানিনা আদৌ হিয়ারিং হয়েছে কিনা। তৃণমূলের নেতারা হয়তো  মাঝখানে এসে নিজেদের পকেটে টাকা ঢুকিয়ে নিয়েছে। এটা তদন্তের বিষয়। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রেই পাইপলাইনের কাজ চলছে। পাইপ লাইনের কাজ তো হবেই। কিন্তু যাদের জমির উপর দিয়ে কাজটা হবে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করাটা তো স্থানীয় প্রশাসনেরই দায়িত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সেই দুই নিগৃহীতাকে ৬ লক্ষ টাকা দিতে রাজ্যকে নির্দেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    Malda: সেই দুই নিগৃহীতাকে ৬ লক্ষ টাকা দিতে রাজ্যকে নির্দেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ১৮ জুলাইয়ের ঘটনা হয়তো অনেকেরই মনে আছে। ঘটনাটি ঘটেছিল মালদার (Malda) বামনগোলায়। সেখানকারই পাকুয়াহাটে চোর সন্দেহে এবং অপবাদ দিয়ে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে ব্যাপক মারধর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে এই ঘটনার ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নারকীয় এই ঘটনা দেখে অনেকেই প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পুলিশ এই ঘটনা নিয়ে নড়েচড়ে বসে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনা নিয়ে পুলিশ এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়। তার ভিত্তিতেই কমিশন এবার রাজ্য সরকারকে ৬ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিল। দুই নিগৃহীতাকে তিন লাখ টাকা করে দেওয়ার কথা নির্দেশিকায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে বিজেপি (Malda)

    এই ঘটনাটিকে প্রথম থেকেই পুলিশ এবং প্রশাসন তেমন গুরুত্ব দিচ্ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে। প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন দিক থেকে জোরালো প্রতিবাদ ওঠায় এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রিপোর্ট তলব করায় বামনগোলা থানার আইসি সহ চার পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও তদন্ত সঠিকভাবে করা হচ্ছিল না বলে বিজেপির পক্ষ থেকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়। এ ব্যাপারে মূল যিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তিনি হলেন মালদা জেলা আদালতের আইনজীবী তথা উত্তর মালদা (Malda) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত। এই নির্দেশের ব্যাপারে তিনি বলেন, ওই ছয় লাখ টাকা ছয় সপ্তাহের মধ্যে দেওয়ার জন্য নির্দেশ এসেছে।

    “লজ্জায় আমরা সমাজে মুখ দেখাতে পারি না” (Malda)

    নিগৃহীতাদেরই একজন বলেন, আমরা সেদিন আমাদের নিজেদের কাজেই ওই জায়গায় (Malda) গিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে আমাদের চোর বলে অপবাদ দেওয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে আশপাশ থেকে লোকজন জড়ো হয়ে যায়। আমাদেরকে পুরোপুরি বিবস্ত্র করে দেওয়া হয়, তারপর চলে মারধর। পুলিশ এবং প্রশাসনের কাছে সুবিচার চেয়েও আমরা পাইনি। বিনা অপরাধে আমাদের জেল খাটতে হয়েছে। চুরি না করেও এই ধরনের অপমান আমাদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব হয়নি। লজ্জায় আমরা সমাজে মুখ দেখাতে পারি না। কমিশনের নির্দেশের কথা শুনেছি। আমরা চাই, সরকার ওই টাকা আমাদের যত দ্রুত সম্ভব দিয়ে দিক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • High Court: পুলিশি হেফাজতে নাবালকের মৃত্যু, ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    High Court: পুলিশি হেফাজতে নাবালকের মৃত্যু, ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের ঘটনা। স্থান বীরভূমের মল্লারপুর। চোর সন্দেহে আটক করা এক নাবালককে থানার মধ্যে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে পথে নেমেছিল বিজেপি। চাপে পড়ে থানার দুই অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ছাড় দেওয়া হয়েছিল ওসিকে। বিষয়টি যায় হাইকোর্ট (High Court) পর্যন্ত। অবশেষে সেই মামলায় উল্লেখযোগ্য রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    কত দিনের মধ্যে পরিবারের হাতে টাকা তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট?

    মঙ্গলবার এই মামলায় মৃত নাবালকের পরিবারকে ১৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের (High Court) ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ, ১৫ দিনের মধ্যে ওই টাকা পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে। পুলিশ যে ওই ঘটনায় আইন মেনে কাজ করেনি, এদিন হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশ ভবিষ্যতে যদি কোনও ব্যবস্থা নেয়, তা যেন জুভেনাইল জাস্টিস আইন মেনেই করা হয়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর। রেলপাড়ের খালাসিপাড়ার বাসিন্দা এক নাবালককে চোর সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু পরে থানার মধ্যেই একটি ঘরে তার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনা জানাজানি হতেই বিক্ষোভ শুরু করে দেন। তাদের অভিযোগ, ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রথমে ওই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছিল। ইতিমধ্যে ওই ঘটনাকে ঘিরে এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।  বিজেপি এই ঘটনায় তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্দোলন শুরু করে। আসরে নামে শাসকদল। তাদের বক্তব্য ছিল, বিজেপি রাজনৈতিক স্বার্থে আন্দোলন করছে। কিন্তু মঙ্গলবারের রায়ে বিজেপির অভিযোগই কার্যত মান্যতা পেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share