Tag: congress

congress

  • Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    Jammu And Kashmir: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছিল ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস (NC Congress Clash)। সফল হয়েছে মিশনও। জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) সরকার গড়তে চলেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লা। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। তবে এই সরকারের অংশ হতে চায় না কংগ্রেস। জোটের অন্দরে ঘোঁট পেকে যাওয়ায় যারপরনাই খুশি ন্যাশনাল কনফারেন্স-কংগ্রেস জোটের বিরোধীরা।

    ছড়ি ঘোরাবে ন্যাশনাল কনফারেন্স (Jammu And Kashmir)

    ১০ বছর পর বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে। সেই নির্বাচনে ৯০টি আসনের মধ্যে ৪২টিতে জয়ী হয়েছে ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়েছে ৬টি আসন। এই জোটই সরকার গড়বে বলে প্রথমে ঠিক ছিল। সূত্রের খবর, পরে মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিত্ব নিয়ে অশান্তির জেরে নবগঠিত সরকারে কংগ্রেস যোগ দিচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সরকারে যোগ না দিলেও, বাইরে থেকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে কংগ্রেস। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সরকারের অংশ হবে না তারা।

    অশান্তির সূত্রপাত

    সূত্রের খবর, অশান্তির সূত্রপাত মন্ত্রিত্ব নিয়েই (Jammu And Kashmir)। কংগ্রেস মাত্র ৬টি আসনে জিতেছে। তাই তাদের একটির বেশি পূর্ণ মন্ত্রীর পদ দিতে রাজি নন ওমর। যদিও কংগ্রেস ৩টি দফতর চেয়েছে। কিছুটা নরম হয়ে ওমরের দল কংগ্রেসকে ডেপুটি স্পিকারের পদ ছাড়তেও রাজি হয়েছে। তিনজনকে মন্ত্রী না করায় গোঁসা হয়েছে কংগ্রেসের। যেহেতু সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে ওমরের দল, তাই মন্ত্রিসভায় ছড়ি ঘোরাবে তারা। সে ক্ষেত্রে সরকারে কোণঠাসা হয়ে যেতে হবে হাত শিবিরকে। এতেই রাজি নয় রাহুল গান্ধীর দল (Jammu And Kashmir)।

    আরও পড়ুন: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ওমরের দলের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ইন্ডি জোটের নেতাদের। তবে যেহেতু সরকারে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস, তাই এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও যাচ্ছেন না কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে জোট বাঁচাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। শপথ নেওয়ার আগে ওমর বলেন, “কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আলাদা আনন্দ অনুভব করছি। এখানকার মানুষের সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রের (NC Congress Clash) সঙ্গে সব রকম সহযোগিতা করা হবে (Jammu And Kashmir)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Haryana: হরিয়ানায় ১৭ অক্টোবর শপথ নেবে বিজেপি সরকার, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    Haryana: হরিয়ানায় ১৭ অক্টোবর শপথ নেবে বিজেপি সরকার, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ অক্টোবর হরিয়ানায় (Haryana) শপথ নেবে বিজেপি (BJP) সরকার। এ নিয়ে তৃতীয়বার হরিয়ানায় সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার পাঁচকুলার সেক্টর ৫ এর প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে সম্মতি পেয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা ১৭ অক্টোবর পাঁচকুলায় শপথ নেবেন। বিজেপির এটাই চিরাচরিত রীতি।”

    কেন ১৭ অক্টোবর? (Haryana)

    প্রশ্ন হল, কেন ১৭ অক্টোবর দিনটিকে বেছে নেওয়া হল শপথ গ্রহণের দিন হিসেবে? ১৭ অক্টোবর দিনটি এ বছর বাল্মিকী দিবস হিসেবে পালিত হবে। রামায়ণ-স্রষ্টার জন্ম দিবস হওয়ায় এই দিনটি ছুটি থাকে রাজ্যে। বাল্মিকী জয়ন্তী দিনটি পালিত হয় ‘পারগত দিবস’ হিসেবে। পালন করেন বাল্মিকী ধর্মীয় সম্প্রদায়। চান্দ্র মাস গণনা অনুযায়ী প্রতি বছর দিনটি পাল্টে যেতে থাকে। চলতি বছর এটি পড়েছে ১৭ অক্টোবর। হরিয়ানায় লোকসভার আসন রয়েছে ১০টি। তার মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে পদ্মময় হরিয়ানা।

    বিজেপি সরকার

    সূত্রের খবর, নয়াব সিং সাইনির নেতৃত্বে সরকার গঠন করবে বিজেপি (Haryana)। সাইনি ওবিসি সম্প্রদায়ের। বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া সরকার ফিরলে সাইনিকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিল পদ্ম শিবির। সেই মতো ওই দিন সকাল ১০টায় তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেবে বিজেপি সরকার। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। এর মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ৪৮টি আসন। কংগ্রেসের চেয়ে ১১টি আসন বেশি। এ রাজ্যে এবার কংগ্রেস পেয়েছে ৩৭টি আসন। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে সোনিয়া গান্ধীর দল পেয়েছিল ৩১টি আসন। রাজ্যের তিন নির্দল বিধায়ক দেবেন্দ্র কাডিয়ান, রাজেশ জুন এবং সাবিত্রী জিন্দল সরকার গড়তে সমর্থন করছে বিজেপিকে।

    আরও পড়ুন: মঙ্গলে এসসিও সামিটে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কোন বার্তা দেবেন?

    পদ্ম শিবিরের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “বিজেপি সব সময় পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে গুরুত্ব দিয়েছে। গুরুত্ব দিয়েছে দলিতদেরও।” তিনি বলেন, “অন্যান্য রাজনৈতিক দল এই সব শ্রেণির কাছে পৌঁছানোর ভাব দেখায়, পৌঁছায় না। কিন্তু ২০১৪ সালে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত এই সব শ্রেণির মানুষের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নিয়েছে।” বাল্মিকী জয়ন্তীর গুরুত্ব প্রসঙ্গে খট্টর বলেছিলেন, “অন্ত্যোদয় ও সামাজিক ঐক্য স্থাপন আমাদের সরকারের লক্ষ্য। বাল্মিকীর রাম রাজ্যের ভিশনকে আমরা বাস্তবায়িত করতে চাইছি (BJP)। দেশকে বিশ্ব শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বাল্মিকীর শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে (Haryana)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Baba Siddique Murder: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    Baba Siddique Murder: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাউদ-উত্তর জমানায় বলিউড দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। শনিবার রাতে আততায়ীর গুলিতে খুন হন বাবা সিদ্দিকি, যার একটা ডাকেই হাজির হয়ে যেতেন বলিউডের ‘ভাইজান’। তিনি আবার কোনও সাধারণ মানুষ নন, এনসিপি নেতা। শারদ পাওয়ারের দলের অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর নেতা বাবা সিদ্দিকি (Baba Siddique Murder) খুনের দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। শনিবার রাতে খুন হন সিদ্দিকি। পুলিশ জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার যে পোস্টে সিদ্দিকি খুনের দায় স্বীকার করা হয়েছে, সেটা সত্যিই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে, এই ঘটনায় বলিউডের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগের (Bollywood Underworld Nexus) অভিযোগ ফের শিরোনামে চলে এসেছে।

    সিদ্দিকি খুনে গ্রেফতার ২

    সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় রবিবারই দুই অভিযুক্ত গুরমাইল সিং ও ধরমরাজ কাশ্যপকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছিল দশেরা উৎসব। মহারাষ্ট্রের বান্দ্রার খায়ের নগরে প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিকি তাঁর ছেলে বিধায়ক জিশান সিদ্দিকির অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আচমকাই তিন দুষ্কৃতী এসে খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। আর্তনাদ করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সিদ্দিকি। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মুম্বইয়ের একজন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন সিদ্দিকি। রাজনীতির পাশাপাশি বলিউডের (Bollywood Underworld Nexus) সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল। সলমন খান, শাহরুখ খান এবং সঞ্জয় দত্তের মতো প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে সিদ্দিকির সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই শোনা যায়। এহেন এক জনপ্রিয় নেতা কারা খুন করল, তা নিয়ে চলছে জল্পনা।

    বিষ্ণোই গ্যাংয়ের দাবি

    পুলিশ সূত্রে খবর, সিদ্দিকির মৃত্যুর দায় সংক্রান্ত একটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে খুনের দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। পোস্টটি করেছে জনৈক শুবু লোনকর নামের এক ব্যক্তি। তার দাবি, “আমি যেটা ঠিক বুঝেছি, সেটাই করেছি। বন্ধুত্বের দায়কে সম্মান জানিয়েছি। সলমন খান, আমরা এই যুদ্ধটা চাইনি। আমাদের ভাই প্রাণ হারিয়েছেন। এটা আপনি বাধ্য করেছেন। তাঁর মৃত্যুর কারণ দাউদ ও অনুজ থাপানের সঙ্গে বলিউডের যোগাযোগ, রাজনীতি এবং সম্পত্তি কেনাবেচা।” লোনকর আরও জানিয়েছে, “কারও সঙ্গে (Bollywood Underworld Nexus) আমাদের শত্রুতা নেই। কিন্তু যে সলমন খান কিংবা দাউদ গ্যাংকে সাহায্য করবে, সে যেন প্রস্তুত থাকে। আমাদের কোনও ভাইয়ের মৃত্যু হলে, আমরাও নিশ্চিতভাবে তার উত্তর দেব। আমরা কিন্তু কখনও প্রথম আঘাত হানি না।”

    কী বলছে পুলিশ

    মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত পোস্টটা দেখেছি। এটা আদৌ সত্যি কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।” সিদ্দিকি হত্যার কারণ প্রসঙ্গে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “ভাড়াটে খুনির তত্ত্ব, ব্যবসায়িক শত্রুতা না কি বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্প, খুনের নেপথ্যের প্রতিটি সম্ভাবনাই সমান গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মুম্বইয়ের বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পে প্রায় দু’হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকিরও (Baba Siddique Murder)। ২০০০-২০০৪ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের আবাসন ও নগরোন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি সংস্থাকে বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। মামলার তদন্তে ২০১৮ সালে সিদ্দিকির ৪৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি।

    পুলিশের সন্দেহ

    এহেন সিদ্দিকি খুন (Baba Siddique Murder) হওয়ায় তোলপাড় মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহল। পুলিশের সন্দেহ, হামলার ঘটনায় একটা ৯ এমএম পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। মহারাষ্ট্র পুলিশের তদন্তকারী দলকে সাহায্যের জন্য দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের একটা দলকে পাঠানো হচ্ছে সে রাজ্যে। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভির ফুটেজও। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, গত এক মাস ধরে এলাকা রেইকি করেছিল তারা। মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের সন্দেহ, অভিযুক্তদের বাবা সিদ্দিকি সম্পর্কে তথ্য জোগাচ্ছিল অন্য কেউ। মুম্বইয়ের রাজনীতি সম্পর্কে যাঁরা ওয়াকিবহাল, তাঁদের একটা অংশের মতে, সলমনের সঙ্গে সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠতাই কাল হয়েছে কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়া সিদ্দিকির। দীর্ঘদিন ধরেই সলমনকে খুনের হুমকি দিচ্ছেন লরেন্স বিষ্ণোই (Bollywood Underworld Nexus)। মাস কয়েক আগে সলমনের বাড়ি গ্যালাক্সি লক্ষ্য করে দু’রাউন্ড গুলিও চালিয়েছিল জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যরা।

    সলমনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    ১৯৯৮ সালে একটি সিনেমার শুটিংয়ের সময় কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছিলেন সলমন। লুপ্তপ্রায় প্রজাতির হরিণ শিকার করায় জেলও খাটতে হয়েছিল সলমনকে। কৃষ্ণসার হরিণ বিষ্ণোই সম্প্রদায়ে পূজ্য। ওই ঘটনার পর থেকে সলমনকে একাধিকবার খুনের হুমকি দিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। সলমনের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার পর বাড়ানো হয়েছে অভিনেতার নিরাপত্তা। বর্তমানে ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান সলমন। সিদ্দিকিকে (Baba Siddique Murder) অবশ্য এমন কোনও হুমকি দেওয়া হয়নি বলেই সূত্রের খবর। রাজনীতির পাশাপাশি বলিউডের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল সিদ্দিকির। তাঁর দেওয়া ইফতার পার্টিতে চাঁদের হাট বসে। তাঁর ডাকে সেই পার্টিতে হাজির হন মুম্বইয়ের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। সিদ্দিকির এই পার্টিতেই শাহরুখ খান ও সলমনের দীর্ঘ দিনের ঝামেলার অবসান হয়েছিল। এহেন জনপ্রিয় সিদ্দিকির মৃত্যুতে তাই শোকের ছায়া বলিউডে (Bollywood Underworld Nexus)।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ ও তাঁর আত্মীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবৈধ লেনদেনের খোঁজ! জেরা করবে ইডি

    ৬ রাউন্ড গুলি

    মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, সিদ্দিকিকে (Baba Siddique Murder) তাক করে মোট ৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এর মধ্যে ৩টি গুলি লাগে তাঁর শরীরে। এই ঘটনায় আরও একবার প্রকাশ্যে এল বলিউডের সঙ্গে আন্ডার ওয়ার্ল্ডের নিবিড় যোগ এবং শত্রুতার কথা। এক সময় বলিউডে শেষ কথা বলতেন করিম লালা। তাঁর মূল ব্যবসাই ছিল অপহরণ, কন্ট্রাক্ট নিয়ে কাউকে হত্যা করা। মাদক দ্রব্য পাচারও করতেন তিনি। বলিউডে কোনও রকম সমস্যা দেখা দিলে লোকজন ছুটে যেতেন করিমের কাছে। সমস্যার সমাধান করতেন তিনিই। ফি বছর ইদের সময় বলিউড তারকাদের ডাকতেন করিম। তাঁর ডাকে ওই পার্টিতে হাজির হতেন তারকারা (Bollywood Underworld Nexus)। করিমের পর বলিউডের রুপোলি দুনিয়ায় প্রবেশ করে ভরাদ্রজন মুদালিয়র। তার পরে দাপিয়ে বেড়ান হাজি মস্তান। এরপর উত্থান হয় দাউদ ইব্রাহিমের। তিনিই আন্ডার ওয়ার্ল্ডকে প্রথম কর্পোরেটাইজ করেন। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের শো করতে নিয়ে যান দুবাইয়ে।

    আন্ডারওয়ার্ল্ডে দুষ্কৃতী রাজ

    আন্ডারওয়ার্ল্ডের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে প্রথম সরব হন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা। পরে মুম্বই পুলিশের দক্ষতায় ধীরে ধীরে বন্ধ হয় বলিউডকে হুমকি দেওয়া, চাপ দিয়ে টাকা আদায়। এরপর উত্থান হয় রবি পূজারির মতো দুষ্কৃতীদের (Bollywood Underworld Nexus)। আরও অনেকেই রাজ করেছে বলিউডে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন সিদ্দিকি (Baba Siddique Murder)। তিনি হয়তো দুষ্কৃতী নন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও অভিযোগ বিস্তর। প্রসঙ্গত, নয়ের দশকের পর থেকে মুম্বইয়ে এমন বড় মাপের রাজনৈতিক কোনও নেতা খুন হননি। ওই দশকের শুরুর দিকে বিজেপির তৎকালীন দুই বিধায়ক রামদাস নায়েক ও প্রেমকুমার শর্মাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই সময়ই খুন হয়েছিলেন শিবসেনার দুই নেতা বিঠ্ঠল চহ্বান ও রমেশ মোরে। তার পর এই খুন হলেন সিদ্দিকির (Baba Siddique Murder) মতো এমন বড় মাপের এক রাজনৈতিক নেতা (Bollywood Underworld Nexus)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “কংগ্রেস চায় ভারতের হিন্দু ভোট ভাগ হোক, এটাই বিভাজনের রাজনীতি”, আক্রমণ মোদির

    Narendra Modi: “কংগ্রেস চায় ভারতের হিন্দু ভোট ভাগ হোক, এটাই বিভাজনের রাজনীতি”, আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস (Congress) চায় ভারতের হিন্দু ভোট ভাগ হোক, এটাই তাদের বিভাজনের রাজনীতি।” হরিয়ানা এবং জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ঠিক এভাবেই তীব্র আক্রমণ করলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কংগ্রেস দেশে জাতপাত এবং তোষণের রাজনীতি করে সুবিধা নিতে চাইছে, কিন্তু দেশের সজাগ নাগরিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনে যোগ্য জবাব দিয়েছেন, এই কথাও তুলে ধরেন তিনি। উল্লেখ্য, হরিয়ানাতে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। তাই ওই রাজ্যের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোদি। একই ভাবে মহারাষ্ট্রে বুধবার ৭৬ হাজার কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    ঠিক কী বললেন মোদি (Narendra Modi)?

    এদিন নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার কথা মনে করিয়ে মহারাষ্ট্রের একটি সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) বলেন, “কংগ্রেস (Congress) কার্যত ঘৃণার রাজনীতি করছে। যে দল স্বাধীনতার পর থেকে দেশে একক ভাবে দীর্ঘ সময়ের জন্য রাজত্ব করেছে, তারা আজ ক্ষমতায় ফিরে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা প্রতিদিন মানুষের মনে হিংসার বীজ বপন করে চলেছে। দেশের স্বাধীনতার পর থেকে মহাত্মা গান্ধী আঁচ করতে পেরেছিলেন, কংগ্রেসের আগামী পন্থা কী হতে চলেছে। একই ভাবে হরিয়ানা ও জম্মু-কাশ্মীরের ফলাফল দেখে আগামী দিনে মহারাষ্ট্রের মানুষকে উন্নয়নের পথকেই বেছে নিতে হবে। হিন্দু সমাজ একত্রিত হলে দেশ অখণ্ড থাকবে। তাই বিজেপি এবং এনডিএ জোটের ওপর মানুষের আস্থা রাখতে হবে।”

    আরও পড়ুন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা, পদ্ধতিবিদ্যা নোবেল বর্ণনা হপফিল্ড ও হিন্টন

    আর কী বললেন মোদি?

    এদিন একই ভাবে কংগ্রেসের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) বলেন, “সামাজিক বিভাজন এবং বিশেষ সমাজের মানুষকে তোষণ করে ক্ষমতায় যেতে চায় কংগ্রেস। ওরা হিন্দু সমাজকে ভাঙার কাজ করে গিয়েছে কেবলমাত্র। সর্বজন হিতায়-সর্বজন সুখায়, এই আদর্শের কথা কোনও দিন কল্পনা করেনি কংগ্রেস। কংগ্রেস বার বার প্রমাণ করেছে যে তারা হল একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনৈতিক দল। মুসলমান সমাজকে কেবলমাত্র ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই বিচার করেছে। ভোটের কথা ভেবে, ভোটের অঙ্ককে মাথায় রেখে ভোট ব্যাঙ্ককে শাক্তিশালী করেছে। গোটা সমাজের জন্য কিছুই করেনি। এই দলের কাছে উন্নয়ন বলে কোনও শব্দ নেই। আজ গোটা বিশ্ব ভারতের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশ, বিশ্বের পঞ্চম অর্থনীতিতে পৌঁছে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের প্রাকৃতিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেক প্রাচীন। এই সম্পদকে নিয়ে কোনও সময় কংগ্রেস সরকার ভাবেনি।”

    একই ভাবে শিরডিতে নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। ৭৬ হাজার কোটি টাকার একাধিক জনমুখী প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মোদি। একই ভাবে ডক্টর বাবা সাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, শিরডি বিমান বন্দর এবং মেডিক্যাল কলেজের শিলান্যাস করেন। এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • J.P. Nadda: “প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের আস্থার পরিচয় হল এই জয়”, হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পর বললেন নাড্ডা

    J.P. Nadda: “প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের আস্থার পরিচয় হল এই জয়”, হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পর বললেন নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) রাজনৈতিক ঐতিহ্যের পরিবর্তন করেছেন।” হরিয়ানাতে তৃতীয় বার বিজেপির অভূতপূর্ব জয়ের পর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (J.P. Nadda)। একই ভাবে জম্মু-কাশ্মীরে একক ভাবে বিরোধী দলের স্বীকৃতি পেয়ে বিরাট চমক দিয়েছে বিজেপি। মঙ্গলবার, দিল্লিতে ভোটের ফলাফলে, নবরাত্রির শুভলগ্নের আনন্দঘন পরিবেশে অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    কংগ্রেসের মিথ্যা প্রচারে কান দেয়নি  মানুষ (J.P. Nadda)

    ৯০ বিধানসভা আসনে বিজেপি পেয়েছে ৪৮টি আসন। এককভাবে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে রাজ্যে নয়া নজির গড়েছে বিজেপি। এই শুভক্ষণে দলের হয়ে নড্ডা (J.P. Nadda), পরিবর্তনের কাণ্ডারি স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) কৃতিত্বের শিরোপা দিয়েছেন। এদিন সদর দফতরে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মানুষের আস্থার পরিচয় হল এই জয়। হরিয়ানাতে বিরাট জয় এসেছে এবং জম্মু-কাশ্মীরেও আমাদের ভোট বেড়েছে। কংগ্রেস সব সময় মিথ্যা প্রচার করেছে। জনগণ তাদের কোথায় কোনও কান দেয়নি। দেশের মতো হরিয়ানায়ও তৃতীয় বারের মতো সরকার গড়বে বিজেপি।”

    আরও পড়ুনঃ হরিয়ানায় খাতাই খুলতে পারল না ‘আপ’, হাজার বাধার মুখেও অপ্রতিরোধ্য বিজেপি

    কংগ্রেস দুর্নীতিগ্রস্ত দল

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (J.P. Nadda) কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “কংগ্রেস এখন দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অপরাধীদের দল হিসেবে বিরাট স্বীকৃতি লাভ করেছে। কংগ্রেস স্বজনপোষণ এবং জাতপাতের রাজনীতি করে। সমাজে কীভাবে বিভাজন বাড়বে এবং মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা তৈরি হবে, সেই চেষ্টাই করে থাকে।” একই ভাবে আম আদমি পার্টির তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “আপ হরিয়ানায় কোনও আসন পায়নি। তাদের দুর্নীতির প্রতিফল হিসেবে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপর দিকে আমাদের গত বারের তুলনায় ভোটের শতাংশ বেড়েছে।” নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বাকি ৯০ আসনের মধ্যে হরিয়ানাতে কংগ্রেস পেয়েছে ৩৭টি আসন, আইএনএলডি পেয়েছে ২টি আসন এবং নির্দলীয় ভাবে মোট ৩টি আসন পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haryana: হরিয়ানায় খাতাই খুলতে পারল না ‘আপ’, হাজার বাধার মুখেও অপ্রতিরোধ্য বিজেপি

    Haryana: হরিয়ানায় খাতাই খুলতে পারল না ‘আপ’, হাজার বাধার মুখেও অপ্রতিরোধ্য বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানাতে (Haryana) প্রথম কোনও রাজনৈতিক দল হিসেবে টানা তিনবার জিতল বিজেপি (BJP)। গেরুয়া ঝড়ে ধুলিসাৎ হল কংগ্রেস-আপ। মুখে লম্বা-চওড়া কথা বলার পরেও আম আদমি পার্টির অবস্থা সেখানে আরও করুণ। দেখা যাচ্ছে, ৯০ আসন বিশিষ্ট হরিয়ানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৪৬ আসন। বিজেপি একাই সেখানে পৌঁছে গিয়েছে ৪৯-এ। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টি খাতাই খুলতে পারল না। বহু আসনে দেখা যাচ্ছে, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়েছে তারা। হরিয়ানার পড়শি রাজ্য পঞ্জাবে সরকার রয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলের। কংগ্রেসের সমর্থনে চণ্ডীগড়ের মেয়রও কেজরিওয়ালের দলের। এমন অবস্থায়, আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিন পাওয়ার পরে হরিয়ানা জিততে তেড়েফুঁড়ে নেমেছিলেন কেজরিওয়াল। কৃষক আন্দোলন থেকে শুরু করে বিনেশ ফোগাটের বঞ্চনা-এমন নানা ইস্যু হরিয়ানাতে (Haryana) সামনে এনেছিল আম আদমি পার্টি। তবে এমন মিথ্যাচার যে ধোপে টেকেনি, তা ফলাফল বের হতেই পরিষ্কার হয়ে গেল। ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এনিয়ে।

    হরিয়ানার (Haryana) ফলাফল প্রভাব ফেলতে পারে দিল্লির নির্বাচনেও

    আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই রয়েছে দিল্লি বিধানসভার ভোট। হরিয়ানার (Haryana) ফলাফলের প্রভাব সেখানে পড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। আপ-কংগ্রেস জোট হলে কি চিত্র বদলে যেত হরিয়ানাতে? এক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে সাতটি আসনে জোট হয়, আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেসের। কিন্তু সাতটি আসনেই বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয় আপ-কংগ্রেসের জোট।

    অপ্রতিরোধ্য বিজেপি (BJP)

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আরও জানাচ্ছেন, টানা এক দশক ধরে ক্ষমতায় থাকার পরেও কোনও প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া কাজই করেনি হরিয়ানাতে। এর কারণ বিজেপির উন্নয়ন। সদ্য সমাপ্ত হওয়া নির্বাচনের আগেও ইস্তেহারে একাধিক আশ্বাস দিয়েছে বিজেপি। শিল্পশহর গড়ে তোলা, মহিলাদের প্রতিমাসে ভাতা প্রদান ইত্যাদি। হরিয়ানার (Haryana) মানুষ যে আগামী দিনেও বিজেপির উন্নয়নে ভরসা রাখতে চান, তা ফলাফলেই পরিষ্কার হয়েছে। অন্যদিকে অগ্নিপথ প্রকল্প ঘিরে ক্ষোভের ছায়া, কুস্তিগীরদের তোলা যৌন নিগ্রহ কাণ্ড-এ সমস্ত কিছুর ছায়াও পড়েনি হরিয়ানার বিধানসভা ভোটে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপি বুথ লেভেল ম্যানেজমেন্ট দুর্দান্ত করতে পেরেছে। হরিয়ানাতে (Haryana) জাঠ ভোট রয়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। তপশিলি জাতির ভোট ২১ শতাংশ, ওবিসি সম্প্রদায়ের ভোট রয়েছে ৩৩ শতাংশ। এদের মধ্যে উচ্চবর্ণ ও ওবিসি ভোটের বেশিরভাগটাই গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি ওবিসি জনগোষ্ঠীর। এক্ষেত্রে বিজেপি অনেকটাই সুবিধা পেয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result: বুথ ফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণিত করে হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পথে বিজেপি!

    Election Result: বুথ ফেরত সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণিত করে হরিয়ানায় হ্যাটট্রিকের পথে বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলা বাড়তেই বদলে গেল ছবি। প্রথম দুই ঘণ্টা পিছিয়ে থাকলেও তার পরই পালাবদল ঘটে। কমিশনের দেওয়া শেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি আবারও এগিয়ে গিয়েছে। বিজেপি বর্তমানে এগিয়ে ৫১টি আসনে এবং কংগ্রেস এগিয়ে ৩৪টি আসনে। এদিন সকালে পোস্টাল ব্যালট (Election Result) গণনার সময় এগিয়ে ছিল কংগ্রেস। কিন্তু বেলা বাড়তেই ঘুরে যায় খেলা। ইভিএম-এর ভোট গণনা শুরু হলে দেখা যায় ধীরে ধীরে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে থাকে বিজেপি।

    টানটান লড়াই

    সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে হরিয়ানার ৯০ আসনের গণনা। শুরুতে কংগ্রেস এগিয়ে গিয়েছিল ৬৫ আসনে। উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছিল কংগ্রেসের দিল্লির সদর দফতরে। প্রায় ২ ঘণ্টা এভাবে চলার পর প্রবণতায় ঘটল আমূল পরিবর্তন। জয়ের পথে ফিরে আসে বিজেপি। সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ গেরুয়া শিবির এগিয়ে ছিল ৪৬ আসনে। আর কংগ্রেসের এগিয়ে থাকা আসনের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছিল ৩৭-এ। এক এক করে বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে ভোটগণনার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। জুলানায় জয়ী হয়েছেন কংগ্রেসের ফোগাট। খড়খুদায় জয়ী হয়েছে বিজেপি। জিন্দ থেকেও জয় নিশ্চিত করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের খনিতে বিস্ফোরণ, মুখ বোজাতে সেই ‘টাকার খেলা’ মমতার! বিজেপি চাইল এনআইএ

    আহিরওয়াল ভোট-ব্যাঙ্ক

    তিন ধাপে ভোটগ্রহণ হয়েছে হরিয়ানায় (Haryana)। গত দুই নির্বাচনেই জয়ী হয়েছিল বিজেপি। ২০১৯ সালে বিজেপিই ছিল বৃহত্তম দল, কিন্তু, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে ৬টি আসন কম পেয়েছিল তারা। জেজেপির ১০ বিধায়কের সমর্থনে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। এবার অবশ্য বুথ ফেরত সমীক্ষায় অধিকাংশ সমীক্ষক সংস্থাই ইঙ্গিত দিয়েছিল, রাজ্যে এবার ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে কংগ্রেস। তবে, ফলফলের প্রবণতা এখনও পর্যন্ত তার সঙ্গে মিলছে না। হরিয়ানায় আহিরওয়াল বেল্ট দু’হাত তুলে সমর্থন করে বিজেপিকে। মূলত গুরুগ্রাম , রেওয়ারি এবং মহেন্দরগড় নিয়ে এই আহিরওয়াল বেল্ট। ২০১৪ সাল থেকেই এই অঞ্চলের বাসিন্দারা বিজেপি-র অনুগত ভোটার। ট্রেন্ড বলছে এ বারের বিধানসভা ভোটে এই বেল্ট থেকে সবচেয়ে ভালো ফলাফল হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আমরা ভাগ হয়ে গেলে ওরা সেলিব্রেট করবে”, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “আমরা ভাগ হয়ে গেলে ওরা সেলিব্রেট করবে”, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যদি ভাগ হয়ে যাই, তাহলে যারা আমাদের আলাদা করছে, তারা সেলিব্রেট করবে।” শনিবার ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনেই মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে এদিন ঠানেতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেখানে তিনি নিশানা করেন কংগ্রেসকে।

    কংগ্রেসকে তোপ মোদির (PM Modi)

    বলেন, “কংগ্রেস দেশের সব চেয়ে অসৎ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত একটি রাজনৈতিক দল। হরিয়ানায় এক কংগ্রেস নেতা মাদক-সহ ধরা পড়েছেন। তারা মানুষকে শোষণ করার নয়া উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। হিমাচলপ্রদেশে তারা সব সীমা অতিক্রম করেছে। তারা টয়লেট নামে একটি কর চালু করেছে। এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমি টয়লেট করে দিচ্ছি, আর ওরা মানুষের কাছ থেকে টয়লেটের ওপর ট্যাক্স আদায় করছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস জমি লুট করে, নারী নির্যাতন করে। আজ ওদের মুখোশ খুলে গিয়েছে। তারা একটা শহুরে নকশাল গ্যাং চালাচ্ছে। যারা ভারতের উন্নয়ন-গতির চাকা স্তব্ধ করতে চায়, কংগ্রেস প্রকাশ্য তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।”

    কংগ্রেস সমাজকে বিভক্ত করতে চায়

    কংগ্রেস সমাজকে বিভক্ত করতে চায় বলেও অভিযোগ করেন মোদি। বলেন, “ওরা সমাজকে বিভক্ত করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। তাই আমাদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা যদি ভাগ হয়ে যাই, তাহলে যারা আমাদের আলাদা করছে, তারা সেলিব্রেট করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস যেখানেই যায়, সেখানেই ধ্বংস হয়। তারা দেশকে দারিদ্রের দিকে ঠেলে দিয়েছে (PM Modi)। অন্যান্য দল যারা তাদের জোটে (পড়ুন, ইন্ডি জোট) যোগ দিয়েছে, তারাও তুষ্টিকরণের রাজনীতির কথা বলতে শুরু করেছে। কংগ্রেস সাভারকরকে অশ্রদ্ধা করে। তারা ৩৭০ ধারা ফেরাবে বলেও ঘোষণা করেছে।”

    আরও পড়ুন: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    মহা বিকাশ আগাড়ি পার্টিকে খোঁচা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যে যে উন্নয়ন হচ্ছে, ওরা তা সহ্য করতে পারছে না। ক্ষমতায় এলে ওরা প্রথম যে কাজটা করবে, তা হল মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের শুরু করা উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে থামিয়ে দেবে।” মারাঠি ভাষাকে যে ক্ল্যাসিক্যাল ভাষার (Maharashtra) মর্যাদা কেন্দ্র দিয়েছে, এদিন তাও জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tushar Goel: “রাহুলের মহব্বত কি দুকানে এখন মাদকও বিক্রি হচ্ছে”, তোপ বিজেপির

    Tushar Goel: “রাহুলের মহব্বত কি দুকানে এখন মাদকও বিক্রি হচ্ছে”, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৬২ কেজিরও বেশি কোকেন বাজেয়াপ্ত করেছে দিল্লি পুলিশ। বাজারদর কয়েক হাজার কোটি টাকা। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড তুষার গোয়েল (Tushar Goel)। এক সময় কংগ্রেসের (Congress) আরটিআই সেলের চেয়ারপার্সন ছিলেন তিনি।

    কোকেন পাচারে জড়াল কংগ্রেস নেতা (Tushar Goel)

    কোকেন পাচারে দলীয় নেতার নাম জড়িয়ে যাওয়ায় যারপরনাই বিব্রত কংগ্রেস। তুষার যে দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত, তা জানা গিয়েছে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে। সেখানে তাঁর নাম রয়েছে ডিক্কি গোয়েল। পুলিশি জেরায় তুষার কবুল করেছেন, তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।২০২২ সালে তিনি দলের আরটিআই সেলের চেয়ারপার্সন ছিলেন। তুষার ছাড়াও কোকেন পাচারের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে আরও তিনজনকে। এরা হল ভরত জৈন, হিমাংশু এবং আওরঙ্গজেব। কোকেনের পাশাপাশি পুলিশ ধৃতদের কাছ থেকে (Tushar Goel) ৪০ কেজি মারিজুয়ানা বাজেয়াপ্ত করেছে। এই পরিমাণ মাদকের মূল্য ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এ পর্যন্ত দিল্লিতে যত মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, এটাই সব চেয়ে বড়।

    বিজেপির তোপ

    মাদক পাচারের ঘটনায় তুষার গ্রেফতার হতেই আসরে নেমে পড়েছে বিজেপি। দলের নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “রাহুল গান্ধীর মহব্বত কি দুকানে এখন মাদক বিক্রি হচ্ছে।” বিজেপির এই নেতা জানান, ২০০৬ থেকে ২০১৩ এই সময় ইউপিএ আমলে দিল্লিতে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার মাদক। তিনি বলেন, “আর ২০১৪ থেকে ২০২২ (বিজেপির রাজত্বে) মাদক বাজেয়াপ্ত হয়েছে ২২ হাজার কোটি টাকার। মূল অভিযুক্ত তুষার গোয়েল ভারতীয় যুব কংগ্রেসের আরটিআই সেলের প্রধান। ঘটনাটি খুবই সিরিয়াস।”

    আরও পড়ুন: টার্গেট হিন্দু মেয়েরা! ব্যাপকহারে চলছে ‘লাভ জিহাদ’, বড় মন্তব্য আদালতের

    রাহুলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “এটা এখন স্পষ্ট যে রাহুল গান্ধীর মহব্বত কি দুকান থেকে ঘৃণা ছড়ানো হত। এখন এরা আবার মাদকও বিক্রি করছে।” কংগ্রেস এই টাকা নির্বাচনে ব্যয় করছে কিনা, সে প্রশ্নও তোলেন ত্রিবেদী। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি নেতা অমিত মালব্য বলেন, “তুষার গোয়েল ওরফে ডিক্কি নামে একজন গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর সোশ্যাল প্রোফাইল থেকে জানা যাচ্ছে, হরিয়ানা কংগ্রেস (Congress) নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে (Tushar Goel)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ED: মামলার পথে ইডি! কেজরি, সোরেনের পর এবার কি সিদ্দারামাইয়ার জেলে যাওয়ার পালা?

    ED: মামলার পথে ইডি! কেজরি, সোরেনের পর এবার কি সিদ্দারামাইয়ার জেলে যাওয়ার পালা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির (ED) জালে পড়ে জেল ঘুরে এসেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার জালে পড়ে গারদে ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনও। এবার কী কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী (Karnataka CM) কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়ার পালা? উঠছে প্রশ্ন। কারণ সিদ্দারামাইয়া ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের (মানি লন্ডারিং) মামলা দায়ের করতে চলেছে ইডি।

    মামলা দায়ের করতে চলেছে ইডি (ED)

    গত ১৬ অগাস্ট কর্নাটকের গভর্নর থাওয়ারচাঁদ গেহলট মাইসুরু আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মুডা) সাইট বরাদ্দ কেলেঙ্কারির জন্য মুখ্যমন্ত্রীর বিচারের জন্য অনুমোদন দেন। তার পরেই শুরু হয় তদন্ত। সূত্রের খবর, আজ, সোমবার কিংবা মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ইসিআইআর দায়ের করতে পারে ইডি। ইতিমধ্যেই কর্নাটকের লোকায়ুক্ত পুলিশে দায়ের হয়েছে এফআইআর। ইডির এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “পিএমএলএতে মামলা দায়ের হবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ফর্মালিটিজ পূরণ করার পর দায়ের হবে মামলা।” ইডি মামলা দায়ের করলে মুখ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি অ্যাটাচও করা হতে পারে। অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করা হতে পারে। এদিকে সিবিআইকে দেওয়া সম্মতি প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার।

    কেজরি, সোরেন…

    ইডির (ED) জালে পড়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জেলে থাকলেও, মুখ্যমন্ত্রীর পদ আঁকড়ে পড়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পান কেজরি। তার পরেই ইস্তফা দেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সোরেনও। জামিনে বন্দিদশা ঘুঁচেছে তাঁরও। ফিরেই ফের দখল করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি। তা নিয়ে ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতে কম জলঘোলা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ভোটপর্বে বদলিদের ফেরানো হয়নি এখনও! ‘পুলিশি আন্দোলন’-এর উত্তাপ ভবানী ভবনে

    প্রসঙ্গত, কর্নাটক লোকায়ুক্ত পুলিশ সম্প্রতি সিদ্দারামাইয়া, তাঁর স্ত্রী বিএম পার্বতী, তাঁর ভগ্নিপতি মল্লিকার্জুন স্বামী ও পূর্বতন জমির মালিক দেবরাজুকে দুর্নীতি, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। অভিযোগগুলি ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর নামে ১৪টি মুডা আবাসন প্লট বরাদ্দের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রসঙ্গত, সমাজকর্মী স্নেহময়ী কৃষ্ণার দায়ের করা (Karnataka CM) অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত (ED)।

    সিদ্দারামাইয়ার জেলযাত্রা কী স্রেফ সময়ের অপেক্ষা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share