Tag: congress

congress

  • Sam Pitroda: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    Sam Pitroda: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ণবাদের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কংগ্রেসের ওভারসিজ চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda)। তার জেরে বুধবার পদত্যাগ করলেন গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ এই নেতা। এই মুহূর্তে দেশে চলছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। তার মধ্যেই পিত্রোদার মতো ওজনদার এক নেতা পদত্যাগ করায় বিপাকে কংগ্রেস। রবিবারই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন এআইসিসির মুখপাত্র রাধিকা খের। পরের দিনই দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কার্যত তোপ দেগেছিলেন রাধিকা। সেই ঘা শুকনোর আগেই পিত্রোদার বিতর্কিত মন্তব্য। এবং তারই জেরে পদত্যাগ কংগ্রেসের এই ওভারসিজ নেতার।

    কী বলেছিলেন পিত্রোদা? (Sam Pitroda)

    প্রসঙ্গত, দিন দুয়েক আগে পিত্রোদা বলেছিলেন উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দারা চিনাদের মতো দেখতে, পশ্চিমের লোকেরা আরবদের মতো দেখতে, আর দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দারা দেখতে আফ্রিকানদের মতো। বর্ণবাদের মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে মন্তব্য করে নিজে তো বটেই, দলকেও বিপাকে ফেলে দেন পিত্রোদা (Sam Pitroda)। কংগ্রেস-বিরোধীরা যাতে এর ফায়দা তুলতে না পারে, তাই পিত্রোদার মন্তব্য যে তাঁরই, কংগ্রেসের নয়, ফলাও করে তা বলতে হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে।

    পিত্রোদার পদত্যাগ 

    পিত্রোদার মন্তব্যের পরে পরেই কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছিলেন, “ভারতের বৈচিত্র্যকে চিত্রিত করার জন্য মিঃ স্যাম পিত্রোদা একটি পডকাস্টে যে সাদৃশ্যগুলি এঁকেছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই উপমা থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে চাপের মুখে পড়ে গিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন পিত্রোদা। কংগ্রেসের তরফে এদিন সেই জয়রাম রমেশই বলেন, “মিঃ স্যাম পিত্রোদা নিজের ইচ্ছায় ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেসের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কংগ্রেস সভাপতি তাঁর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    পিত্রোদার মন্তব্যের পরে পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে নিশানা করেছিলেন। বুধবারই সকালে তিনি বলেছিলেন, “আমি আজ ভীষণ রেগে রয়েছি। কেউ আমায় গালি দিলে আমি রাগ করি না। আমি সহ্য করে নিই। কিন্তু শাহজাদার (রাহুল গান্ধী) মার্কিন প্রবাসী দার্শনিক ও গাইড কাকু যে মন্তব্য করেছেন, তাতে আমার রাগ চরমে উঠেছে।” তাঁর প্রশ্ন, “মানুষের ক্ষমতা এবং যোগ্যতা কি (Sam Pitroda) তার গায়ের রং দিয়ে বিচার করা যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Congress Treachery Exposed: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    Congress Treachery Exposed: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা ফাটালেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেজে সিং। তাঁর দাবি, ইউপিএ সরকার সিয়াচেন হিমবাহ তুলে দিতে চেয়েছিল পাকিস্তানের হাতে (Congress Treachery Exposed)। ভারতীয় সেনার ওপর আস্থা না রেখেই এহেন সংবেদনশীল একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ সরকার।

    প্রাক্তন সেনা প্রধানের অভিযোগ (Congress Treachery Exposed)

    জেনারেল সিং জানান, ২০০৬ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় ছিল ইউপিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও ভারতীয় গোয়েন্দাদের ওপর ভরসা করতে পারেনি সরকার। জেনারেল সিংয়ের কথা যে নিছক গল্পকথা নয়, তার প্রমাণ প্রায় একই দাবি করেছেন প্রাক্তন বিদেশ সচিবও। তিনিও জানিয়েছিলেন, ২০০৬ সালে দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে দুই দেশই সিয়াচেন থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করছিল।

    কাঠগড়ায় ইউপিএ সরকার

    নানা দিক থেকে সিয়াচেন ভারতের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে ঝড়-বৃষ্টি-তুষারপাত উপেক্ষা করে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন ভারতীয় সেনার জওয়ানরা। এই সিয়াচেনকে রক্ষা করতেই হয়েছিল অপারেশন ‘মেঘদূত’। সেই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছিলেন আটশোরও বেশি জওয়ান। সেই সিয়াচেনকেই পাকিস্তানের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন ইউপিএ সরকার প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের মনমোহন সিং। জানা গিয়েছে (Congress Treachery Exposed), জম্মু-কাশ্মীরে লাগাতার পাক জঙ্গিদের সন্ত্রাস কড়া হাতে সামলাতে ব্যর্থ মনমোহন চেয়েছিলেন সীমান্ত সমস্যায় জর্জরিত সিয়াচেনকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়ে ভূস্বর্গে শান্তি ফিরিয়ে আনতে। এর পুরো কৃতিত্ব কংগ্রেস নেত্রী তথা ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীকে দিয়ে তাঁর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চেয়েছিলেন ইউপিএর শরিক দলের নেতারা। তবে তৎকালীন সেনা প্রধান ও সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের তীব্র বিরোধিতায় স্বপ্ন সফল হয়নি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউপিএ সরকারের ওই স্বপ্ন সফল হলে আর সুরক্ষিত থাকত না ভারতের সীমান্ত। কারগিল যুদ্ধের সময় পাক সেনা যেভাবে সিয়াচেন দখল করতে চেয়েছিল, সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হতে পারত ২০০৬ সালেই। সেক্ষেত্র গোটা কাশ্মীরের রাশ চলে যেত পাকিস্তানের হাতে।

    বড় প্রশ্ন

    ভারতীয় সেনার (Congress Treachery Exposed) ভূতপূর্ব জেনারেল বলেন, “প্রশ্নটা হল, যে সিয়াচেন রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হচ্ছেন জওয়ানরা, সেই সেনাই যখন সরকারকে পিছু হটার পরামর্শ দেয়নি, তখন কীসের ভিত্তিতে তৎকালীন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েছিল? এরকম ক্ষেত্রে সরকারের এই জাতীয় কাজ দেশের প্রত্যেক নাগরিককে বিস্মিত করেছিল।” তিনি বলেন, “সিয়াচেনে ভারত যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, তার চেয়ে ঢের বেশি সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে পাকিস্তান। কারণ হাই অলটিটিউডে যুদ্ধ করার অভিজ্ঞতা ভারতীয় সেনার রয়েছে। যা তাদের প্রতিবেশী দেশগুলির সেনাদের নেই।” প্রাক্তন সেনা প্রধান বলেন, “ভারত সরকার এই প্রস্তাব (সিয়াচেন হিমবাহকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া) বিবেচনা করতে শুরু করলেও, আমার সঙ্গে একবারও কথা বলেননি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।” তাঁর অভিযোগ, পুরু বরফের চাদরে মোড়া সিয়াচেন রক্ষা করতে গিয়ে যেসব জওয়ান প্রাণ দিয়েছেন, কংগ্রেস সেই সব শহিদদের অপমান করার চেষ্টা করেছিল।

    বিশ্বের উচ্চতম রণাঙ্গন সিয়াচেন

    মনে রাখতে হবে, বিশ্বের উচ্চতম রণাঙ্গন হল সিয়াচেন। এই হিমবাহ প্রহরায় থাকা সেনা জওয়ানদের সব চেয়ে বড় শত্রু হল প্রতিকূল আবহাওয়া। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৫ হাজার মিটারেরও বেশি। কখনও কখনও তাপমাত্রা পৌঁছে যায় মাইনাস ৬০ ডিগ্রিতে। এখানে অক্সিজেনের মাত্র সমতলের প্রায় ১০ শতাংশ। তাই ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হিমবাহে পৌঁছলেই কমতে থাকে ওজন। বমি হতে থাকে। খিদে থাকেই না। সিয়াচেনে প্রায়ই ঘণ্টায় একশো মাইল বেগে ঝড় ওঠে। কখনও কখনও এই ঝড় টানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত চলে। এহেন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকাটাই কঠিন নয়, কঠিনতম। সেসব বাধা-বিপত্তি-প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই বছরভর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন দেশপ্রেমিক ভারতীয় জওয়ানরা।

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    সারা বছরে সিয়াচেনে বরফ পড়ে ৩০-৪০ ফুট উঁচু। মাসের পর মাস স্নান না করেই থাকেন জওয়ানরা। কারণ স্নান করলেই বিপদ। দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া একপ্রকার নিশ্চিত। অক্সিজেন কম থাকায় অনেক জওয়ান হারিয়ে ফেলেন স্মৃতি। শরীরে থাবা বসায় তুষারক্ষত। এই ক্ষতের জেরে হাত-পা-আঙুল খোয়ানোর নজিরও রয়েছে। বিশেষ হেলিকপ্টারে করে এখানে থাকা সেনাদের পৌঁছে দেওয়া হয় রসদ। সেই কাজটাও করতে হয় ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে। কারণ না হলেই পাক গোলায় ধ্বংস হয়ে যাবে হেলিকপ্টারটিই।

    প্রাক্তন সেনাপ্রধান বলেন (Congress Treachery Exposed), “দেশের সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করতে আত্মবলিদান দিচ্ছেন সেনারা। কিন্তু দুঃখের কথা কী জানেন, কংগ্রেস সরকার এটা ভুলে গিয়েছে। সিয়াচেনের অছিলায় ভারতের এই ভূখণ্ডটিকে পাকিস্তানকে উপহার দিতে প্রস্তুত ছিল তারা। সিয়াচেন হিমবাহ থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথাও ভেবেছিল কংগ্রেস সরকার। শান্তি ফেরাতেই এটা করতে চেয়েছিল তারা। তবে এর চেয়ে বোকা বোকা সিদ্ধান্ত আর কিছুই হতে পারে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করবে না ভারত।” বুধবার কংগ্রেসের ওভারসিজ নেতা শ্যাম পিত্রোদার মন্তব্যের জবাব এই ভাষায়ই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও আক্রমণ শানান তিনি। বলেন, “আমি এখন বুঝতে পেরেছি কী কারণে জাতীয় পার্টি (কংগ্রেস) প্রেসিডেন্ট পদে দ্রৌপদী মুর্মুকে রুখতে চেয়েছিল। কারণ তাঁর গায়ের রং কালো।”

    মোদির নিশানায় পিত্রোদা (Sam Pitroda)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমাদের দেশের লোকজন কী মানুষের ক্ষমতা কিংবা প্রতিভা যাচাই করবেন গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে? গায়ের রং নিয়ে খেলার অধিকার শাহজাদাকে (রাহুল) কে দিল?” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পিত্রোদা বলেছিলেন, “পূর্ব ভারতের মানুষের সঙ্গে চিনাদের সাদৃশ্য রয়েছে, আর দক্ষিণ ভারতের লোকজন আফ্রিকানদের মতো দেখতে।” কংগ্রেস নেতার এই মন্তব্যেই এদিন কার্যত জ্বলে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আজ আমি ভীষণ রেগে রয়েছি। আমায় যদি কেউ গালি দেয়, আমি রাগ করি না। সেটা আমি সহ্য করে নিই। কিন্তু শাহজাদার দর্শন আমায় এমন আঘাত করেছে যে, আমি এখন ভীষণ রেগে রয়েছি।”

    কী বললেন মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি জেনেছি, শাহজাদার ফিলোজফার এবং গাইড কাকু (পিত্রোদা) থাকেন আমেরিকায়। তিনি একটি বড় রহস্য ফাঁস করেছেন। যাঁদের গায়ের রং কালো, তাঁরা আফ্রিকা থেকে এসেছেন।” এই প্রথম নয়, এর আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে বিপাকে ফেলেছেন পিত্রোদা। কখনও উত্তরাধিকার ট্যাক্স, কখনও আবার রাম মন্দির এবং রাম জন্মভূমি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছেন। নির্বাচনের মুখে এবং ভোট চলাকালীন একের পর এক ‘বালখিল্য’ মন্তব্য করায় পিত্রোদার মন্তব্য একান্তই তাঁর নিজস্ব বলে দূরত্ব রচনা করেছে কংগ্রেস।

    আরও পড়ুুন: “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    এদিকে, পিত্রোদার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায় কিনা, তা বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ। তাঁর মতে, পিত্রোদার এহেন মন্তব্য বর্ণবাদী এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচায়ক। তিনি বলেন, “উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের মধ্যে (PM Modi) ঐক্য রয়েছে। তাঁরা ভারতীয়, ভারতীয়দের সঙ্গেই একাত্মতা বোধ করেন।” কংগ্রেসের ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল পলিশি’রও এদিন কড়া সমালোচনা করেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Radhika Khera: “ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রায় আমায় অফার করা হয়েছিল মদ”, তোপ কংগ্রেসত্যাগী নেত্রীর

    Radhika Khera: “ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রায় আমায় অফার করা হয়েছিল মদ”, তোপ কংগ্রেসত্যাগী নেত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন এআইসিসির মুখপাত্র রাধিকা খেরা (Radhika Khera)। সোমবারই তোপ দাগলেন পুরনো দলের বিরুদ্ধে। দলের হিন্দু বিরোধী আদর্শ অনুসরণ না করায় দলীয় নেতৃত্ব তাঁকে ধমক দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রাধিকার। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে যে ‘ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রা’ হয়েছিল, সেই যাত্রায় শামিল হয়েছিলেন রাধিকাও। সেই সময় তাঁকে মদ্যপান করতে বলা হয়েছিল।

    রাধিকার অভিযোগ (Radhika Khera)

    সদ্য কংগ্রেস-ত্যাগী রাধিকা বলেন, “রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রা’র সময় ছত্তিশগড় কংগ্রেসের মিডিয়া চেয়ারম্যান সুশীল আনন্দ সুখা আমায় মদ অফার করেছিলেন। সেই সময় তিনি এবং দলের পাঁচ-ছ’জন মদ্যপ অবস্থায় আমার ঘরের দরজায় করাঘাত করেছিলেন। আমি বিষয়টি শচিন পাইলট এবং জয়রাম রমেশকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু কিছুই হয়নি।” তাঁর (Radhika Khera) দাবি, কংগ্রেসের হিন্দুত্ব-বিরোধী আদর্শ অনুসরণ করতে অস্বীকার করেছিলেন তিনি।

    ‘আমায় ঘরবন্দি করে রাখা হয়েছিল’

    রাধিকা বলেন, “৩০ তারিখ সন্ধ্যায় আমি কংগ্রেসের রাজ্য অফিসে সুশীলের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম। আমায় দেখেই গালাগালি দিতে শুরু করেন তিনি। চড়া গলায় কথা বলতে থাকেন। তাঁর সাঙ্গোপাঙ্গরা আমায় ঘরবন্দি করে ফেলেন। তিনি এবং তাঁর দুই রাজ্য মুখপাত্র আমায় গালাগালি দিতে থাকেন। আমি আর্ত চিৎকার করি। কিন্তু কেউই দরজা খোলেননি। উল্টে আমায় মারধর করা হয়। আমি কংগ্রেসের মহামন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানাই। কিন্তু কেউই আমার অভিযোগকে পাত্তা দেননি।”

    আরও পড়ুুন: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    গত ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাধিকা। বলেন, “কংগ্রেসের গায়ে যে হিন্দুত্ব-বিরোধী তকমা সেঁটে দেওয়া হয়েছিল, তা আমি কখনওই বিশ্বাস করতাম না। তবে সেদিন(২২ জানুয়ারি) সত্যটা প্রকাশ্যে আসে।” তিনি বলেন, “আমি সব সময় শুনতাম যে কংগ্রেস রামের বিরোধী, সনাতন ধর্ম বিরোধী এবং হিন্দু বিরোধী। কিন্তু আমি কখনও এটা বিশ্বাস করতাম না। কারণ মহাত্মা গান্ধী প্রত্যেকটা বৈঠক শুরুর আগে গাইতেন ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম’। ঠাকুমার সঙ্গে রাম মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠান দেখে ফেরার পর আমি কংগ্রেসের আসল চেহারাটা দেখতে পাই। আমি কেন অযোধ্যায় গিয়েছিলাম, জিজ্ঞাসা করা হয়। আমায় ধমকও দেওয়া হয় (Radhika Khera)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “ক্ষমতায় এলেই এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করবে এনডিএ”, আশ্বাস রাজনাথের

    Rajnath Singh: “ক্ষমতায় এলেই এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করবে এনডিএ”, আশ্বাস রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এক দেশ, এক ভোটের পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে সওয়াল করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে বিরোধীদের বাধায় এতদিন তা কার্যকর হয়নি। এবার বিজেপি ক্ষমতায় এসেই এক দেশ, এক ভোট চালু করবে।” কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। অন্ধ্রপ্রদেশের কাদাপা জেলার জামলামাদগু এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় ওয়াইএসআর কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, “দুর্নীতির নিরন্তর অনুশীলন করায় রাজ্যের ঋণের বহর ১৩.৫ লাখ কোটি টাকা।”

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (Rajnath Singh)

    ওয়াইএসআরসিপিকে আক্রমণ শানিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কারণে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের ওপর রাজ্যবাসী বিরক্ত। যদি এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসে, তাহলে অন্ধ্রপ্রদেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে।” রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “অন্ধ্রপ্রদেশে লোকসভার পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনও হচ্ছে। আমাদের দায়বদ্ধতা হল এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করা। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই দেশে চালু হয়ে যাবে এই ব্যবস্থা। এতে সময়ের পাশাপাশি বাঁচবে মানব শ্রমও।”

    কংগ্রেসকে নিশানা রাজনাথের

    প্রত্যাশিতভাবেই এদিন কংগ্রেসকেও আক্রমণ শানিয়েছেন রাজনাথ। বলেন, “যেভাবে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গিয়েছিল ডাইনোসোর, তেমনি করেই দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যাপট থেকে হারিয়ে গেল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। দশ বছর পরে যদি কোনও বাচ্চাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, সে পাল্টা জিজ্ঞাসা করবে কংগ্রেস দলটা কী।” কংগ্রেস প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাওকে অশ্রদ্ধা করে বলেও অনুযোগ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেস ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাওকে কোনওদিন সম্মান দেয়নি। তবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার তাঁকে সম্মান করে। দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন পুরস্কারে ভূষিত করেছে তাঁকে।”

    আরও পড়ুুন: “মোদি সরকারের আমলেই সব চেয়ে বেশি চাকরি হয়েছে”, দাবি অর্থনীতিবিদের

    মোদি জমানায় যে দেশের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রাজনাথ। বলেন, “ভারতীয় অর্থনীতির চাকা দ্রুত গড়াচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বে অচিরেই আমরা বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পঞ্চম থেকে তৃতীয় স্থানে চলে আসব।” মোদি সরকারের আমলেই যে দেশের ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার ওপরে উঠে এসেছে, তাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। মোদির কুশলী পদক্ষেপের জন্যই যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সাড়ে চার ঘণ্টার জন্য বন্ধ ছিল, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রাজনাথ (Rajnath Singh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Rajnath Singh: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    Rajnath Singh: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস। নির্বাচনে লাভের কড়ি ঘরে তুলতে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছে তারা।” রবিবার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। তবে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর কোনও ‘আগুন’ নেই বলেও মনে করেন তিনি।

    উত্তেজনার সৃষ্টি করতে চাইছে কংগ্রেস! (Rajnath Singh)

    রাজনাথ বলেন, “নির্বাচনে ফয়দা তুলতে কংগ্রেস ধর্মীয় লাইনে উত্তেজনার সৃষ্টি করতে চাইছে। কংগ্রেস সামাজিক ঐক্য বিঘ্নিত করতে চায়। তারা মুসলমান সম্প্রদায়কে দেখে ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে। তাদের জন্য আমার একটা সাজেশন রয়েছে, সেটা হল কেবল সরকার গড়তেই রাজনীতি করা উচিত নয়। রাজনীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশ গঠন।” এর পরেই কংগ্রসের প্রাক্তন সভাপতিকে নিশানা করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “রাহুল গান্ধীর কোনও আগুন নেই, তবে কংগ্রেস আগুন নিয়ে খেলছে। কংগ্রেস একটা ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে। তারা হিন্দু-মুসলমান তাস খেলতে চাইছে।” তিনি বলেন, “ওদের (কংগ্রেসের) কোনও ইস্যু নেই। ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণির ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে সরকার গড়তে চাইছে। তারা চিরকাল এটাই করে এসেছে।”

    উত্তরাধিকার ট্যাক্স!

    ক্ষমতায় এলে আমেরিকার ধাঁচে কংগ্রেস যে এ দেশেও উত্তরাধিকার ট্যাক্স চালু করবে, এদিন সেই বিষয়টিকেও হাতিয়ার করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। বলেন, “আর্জেন্টিনা এবং ভেনেজুয়েলা এটা (উত্তরাধিকার ট্যাক্স) চালু করেছিল। দুই দেশই ভয়ঙ্কর পরিণতির সম্মুখীন হয়েছিল। এটা চালু হলে লগ্নিকারীরা ভারতে বিনিয়োগে আগ্রহ হারাবেন।”

    আরও পড়ুুন: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    চলতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিই যে ক্ষমতায় ফিরছে, এদিন সে প্রত্যয়ও শোনা গিয়েছে রাজনাথের গলায়। তিনি বলেন, “বিজেপি একাই ৩৭০টি আসনে জিতবে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ৪০০ আসনের গণ্ডি ছাড়াবে।” তিনি জানান, এই যে আসন বিজেপি জিতবে বলা হচ্ছে, তা মানুষের মুখের কথায় বিশ্বাস করে বলা হচ্ছে না, তৃণমূলস্তরে সমীক্ষা চালিয়েই এই দাবি করা হচ্ছে। রাজনাথ বলেন, “উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও আমাদের আসন বাড়বে। তামিলনাড়ুতেও আমরা কিছু আসন পাব। কেরলে এবার আমরা খাতা খুলব। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গনায়ও আমরা ভালো সংখ্যক আসন পাব (Rajnath Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvinder Singh Lovely: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    Arvinder Singh Lovely: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন দিন কয়েক আগে। এবার পুরোপুরি দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন দিল্লির প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অরবিন্দর সিং লাভলি (Arvinder Singh Lovely)। শনিবার তিনি হাতে তুলে নেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। অরবিন্দর যে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন, সে জল্পনা ছিলই। কেবল তিনিই নন, দিল্লি কংগ্রেসের আরও কয়েকজন পদাধিকারি পদ্ম শিবিরে নাম লেখাতে পারেন বলেও জল্পনা।

    বিজেপিতে যোগ অরবিন্দরের (Arvinder Singh Lovely)

    এঁরা প্রত্যেকেই আম আদমি পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের জোটের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে এবং দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি (Arvinder Singh Lovely)। এদিন অরবিন্দরের সঙ্গেই পদ্ম পার্টিতে নাম লেখান প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক রাজকুমার চহ্বান, নসিব সিংহ এবং নীরজ বাসোয়া। দিল্লির প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি অমিত মল্লিকও যোগ দেন বিজেপিতে।

    কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী ছিলেন

    ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দিল্লিতে শীলা দীক্ষিতের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী ছিলেন অরবিন্দর। ২০১৭ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অরবিন্দর। বছর দেড়েকের মধ্যেই ফের ফেরেন হাত শিবিরে। তারপর এবার আবারও ফিরে গেলেন গেরুয়া শিবিরে। চলতি বছর এপ্রিলের শেষেই কংগ্রেস ও আপের জোট এবং কংগ্রেসের তরফে কানহাইয়া কুমারের মতো অপরিচিতদের দিল্লিতে প্রার্থী করা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে চিঠি দেন অরবিন্দর। তার পরেই ইস্তফা দেন কংগ্রেস সভাপতির পদে।

    আরও পড়ুুন: পেঁয়াজ রফতানিতে উঠল নিষেধাজ্ঞা, আরোপ হল ন্যূনতম রফতানি মূল্য

    দিল্লিতে লোকসভা আসন রয়েছে সাতটি। ২৫ মে নির্বাচন হবে এক দফায়। আপের সঙ্গে জোট গড়ে এখানে লড়ছে কংগ্রেস। আপ প্রার্থী দিয়েছে চারটি আসনে। আর কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তিনটি কেন্দ্রে। আপের সঙ্গে এই জোট নিয়েও অসন্তুষ্ট ছিলেন দিল্লির কংগ্রেস নেতাদের একাংশ। তার জেরেই ঘর ভাঙছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Arvinder Singh Lovely)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রাক্তন মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী (Fawad Chowdhury) রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) প্রশংসা ও তাঁকে সমর্থন করেন। গুজরাটের আনন্দের জনসভা থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “কংগ্রেস ও পাকিস্তানের মধ্যে যে “গলায় গলায় ভাব” তা জনসমক্ষে চলে এসেছে। জনসভাকে সম্বোধন করার সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “পাকিস্তানি নেতৃত্ব চাইছে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে কংগ্রেস ভারতে কমজোর হচ্ছে। পাকিস্তান (Pakistan) চাইছে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হোক।”

    গুজরাটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী 

    এদের কংগ্রেসকে (INC) তুলধোনা করার সময় প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে ছিল হাসি। তিনি বলেন, “কাকতালীয় ব্যাপার কংগ্রেস (Congress) শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে। পাকিস্তানের মন্ত্রীরা কংগ্রেসের জন্য প্রার্থনা করছেন। তাঁরা ভাবছে যুবরাজ কবে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবে। আমরা সকলেই জানি কংগ্রেস কতটা পাকিস্তানপ্রেমী।”কংগ্রেসকে তুলোধোনা করার পাশাপাশি নিজের (PM Modi সরকারের) কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আগে যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল তখন জঙ্গি হামলা হলে পাকিস্তানকে শুধু ডোজিয়ার দেওয়া হত। আর ভাষণ দেওয়ার সময় বলা হত কড়া নিন্দা করছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হত না। এখন শুধু নিন্দা হয় না। আমাদের সময়ে আমরা সন্ত্রাসবাদীদের ঘরে ঢুকে তাদের নিকেশ করি।”

    আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    ইমরান ক্যাবিনেটের মন্ত্রী ছিলেন ফাওয়াদ 

    প্রসঙ্গত একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন মাধ্যমে যে খবর সম্প্রচারিত হয় তাতে দেখা যায় পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কথা বলতে গিয়ে ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাহুল গান্ধী সম্পর্কে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে পাকিস্তানের মন্ত্রী বলেন, “তিনি রাহুল গান্ধী কেন, যে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি সঠিক ইস্যুতে কথা বলেন তাঁকে সমর্থন করবেন।” পাকিস্তানি মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিমধ্যেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান, “অমিত মালব্যর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন চৌধুরী ফাওয়াদ হোসেন যিনি ইমরান খানের(Imran Khan) ক্যাবিনেটে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন তিনি রাহুল গান্ধীকে প্রোমোট করছেন। তাহলে কী কংগ্রেস এবার পাকিস্তানে নির্বাচনের লড়ার চিন্তা ভাবনা করছে। কংগ্রেসের এবারের মেনিফেস্টোতে মুসলিম লিগের ছোঁয়া রয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে পাকিস্তানের বোঝাপড়া প্রকাশ্যে চলে এসছে।”

    কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়ল 

    প্রসঙ্গত স্বাধীনতার সময় থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের (India vs Pakistan) যে শত্রুতা তৈরি হয়েছে তা আজও অব্যাহত। চারটি লড়াইয়ে পাকিস্তান হারার পরেও ভারত যতই উদার হওয়ার চেষ্টা করুক না কেন পাকিস্তানের তরফ থেকে অশান্তি বন্ধ করার কোন ইঙ্গিত নেই। এমতাবস্থায় কংগ্রেস নেতাকে পাকিস্তানের নেতারা সমর্থন করলে জনসমক্ষে কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ছবি আরও খারাপ হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এবং বিজেপিকে কোনঠাসা করতে গিয়ে পাকিস্তানি নেতারা কংগ্রেসকে সমর্থন করে উল্টে কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছেন এমনটাই মনে করছে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Adhir Chowdhury: বিজেপিকে ভোট দিতে বললেন অধীর! ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, তৃণমূলের কারসাজি বলছে কংগ্রেস

    Adhir Chowdhury: বিজেপিকে ভোট দিতে বললেন অধীর! ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, তৃণমূলের কারসাজি বলছে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর লোকসভার কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। এমনই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। আর বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন অধীর? (Adhir Chowdhury)

    মঙ্গলবার জঙ্গিপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মোর্তাজা হোসেনের সমর্থনে সভা করতে গিয়েছিলেন অধীর (Adhir Chowdhury)। সেই সভায় ছিলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক তথা মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের বাম প্রার্থী মহম্মদ সেলিমও। একটি ভিডিও (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে অধীরকে বলতে শোনা যাচ্ছে, “তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে, তার থেকে ভাল বিজেপিকে ভোট দিয়ে জেতানো।” কয়েক সেকেন্ডের সেই ভিডিও তৃণমূল নেতারা শেয়ার করেছেন। এই প্রসঙ্গে এক সিপিএম নেতার কথায়, “ওই কথার পরে অধীর বলেছেন, বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীকে জেতাতে হবে। কিন্তু, তৃণমূল একটি অংশই তুলে ধরে অপপ্রচার করছে। তবে, ভোটের মুখে অধীরের মুখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের কাছে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তৃণমূলের কারসাজি

    এই বক্তব্য নিয়ে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অধীর চৌধুরীর (Adhir Chowdhury) কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, “যে ভিডিও সমাজ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে তা তৃণমূল তৈরি করেছে। এরকম কথা অধীর চৌধুরী বলেননি। আসলে ওই ভিডিও কারসাজি করে তৃণমূল বাজারে ছেড়েছে। তৃণমূল মুর্শিদাবাদ জেলায় তিনটি আসনেই হারবে বলে ভয় পেয়েছে। তাই এই সব করছে। সাধারণ মানুষ সব জানেন, অধীরের বিরুদ্ধে এই ধরনের অপপ্রচার সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না। তৃণমূল থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। অধীরের জনপ্রিয়তার কাছে তৃণমূল ধারে কাছে যেতে পারছে না। তাই, এসব কুৎসা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট”, প্রোজ্জ্বলকাণ্ডে বললেন শাহ

    Amit Shah: “মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট”, প্রোজ্জ্বলকাণ্ডে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশের মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান খুব স্পষ্ট।” মঙ্গলবার অসমের গুয়াহাটিতে কথাগুলি বললেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার নাতি প্রোজ্জ্বল রেভান্নার (Prajwal Revanna) যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় হইচই পড়েছে দেশজুড়ে। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মুখ খোলেন শাহ। তিনি বলেন, “আমি কংগ্রেস এবং প্রিয়ঙ্কাজি যিনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন, তাঁদের বলতে চাই, ওখানে কাদের সরকার রয়েছে? কংগ্রেসের সরকার রয়েছে। কেন তাঁরা এখনও পর্যন্ত ব্যবস্থা নেননি? এটা যেহেতু রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার বিষয়, তাই কেন তারা এতদিন ব্যবস্থা নেয়নি? এটা যেহেতু রাজ্যের বিষয়, তাই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি না।”

    কী বললেন শাহ?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “এই অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। দেবগৌড়া ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর জনতা দল সেকুলার দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক।” তিনি বলেন, “এটা খুবই গুরুতর একটি অভিযোগ। আমরা এ জিনিস বরদাস্ত করব না। তবে কংগ্রেসকে আমরা জিজ্ঞাসা করতে চাই, ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও তারা কেন এখনও ব্যবস্থা নেয়নি? অথচ প্রিয়ঙ্কাজি জেডিএস নেতার যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঠগড়ায় তুলতে কসুর করেননি।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “যে তদন্ত শুরু হয়েছে আমরা তাকে সমর্থন করি এবং আমাদের জোটসঙ্গী জেডিএসও বলেছে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আজ, মঙ্গলবারই কোর কমিটির বৈঠকে বসছে তারা। সেখানেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে।”

    সাসপেন্ড প্রোজ্জ্বল  

    এদিকে, এদিনই কোর কমিটির বৈঠকে দেবগৌড়ার পুত্র এইচডি কুমারস্বামী প্রোজ্জ্বলকে (Prajwal Revanna) সাসপেন্ড করার কথা জানান। প্রোজ্জ্বলকে নোটিশ পাঠিয়ে জবাবও তলব করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। যদিও, সূত্রের খবর, ভিডিওর কথা ফাঁস হতেই দেশ ছেড়েছেন প্রোজ্জ্বল। জানা গিয়েছে, তিনি বেঙ্গালুরু থেকে ফ্রাঙ্কফুর্টের বিমান ধরেন। এদিন জেডিএসের কোর কমিটির প্রেসিডেন্ট জিটি দেবগৌড়া সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমরা প্রোজ্জ্বল রেভান্নার বিরুদ্ধে সিট-এর তদন্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা ঠিক করেছিলাম যে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি (দেবগৌড়া)-কে বলব তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত রেভান্নাকে সাসপেন্ড করতে।”

    প্রসঙ্গত, কর্নাটকের এক বিজেপি নেতার দাবি, তাঁর কাছে থাকা একটি পেন ড্রাইভে ৩ হাজারটি অশ্লীল ভিডিও রয়েছে। তাতে প্রোজ্জ্বলের (Prajwal Revanna) যৌন কেলেঙ্কারির প্রমাণ রয়েছে। ওই ভিডিও দেখিয়ে পরবর্তী সময়েও মহিলাদের যৌন নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে দেবগৌড়ার পৌত্রের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share