Tag: congress

congress

  • Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    Telangana Elections 2023: ধোপে টিকল না কেসিআরের কৌশল, ‘খয়রাতি’ বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় ফিরতে ‘খয়রাতি’র আশ্রয় নিতে চেয়েছিল তেলঙ্গনার শাসক দল ভারত রাষ্ট্র সমিতি। গত বিধানসভা নির্বাচনে (Telangana Elections 2023) এই অঙ্কেই মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও ক্ষমতায় এসেছিলেন বলে অভিযোগ। এবারও তেমনধারা পরিকল্পনা ছিল শাসক দলের। তবে তাতে বাধ সাধল নির্বাচন কমিশন। সোমবার কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে কৃষকদের রবিশস্যের অনুদান বণ্টন বন্ধ রাখতে হবে। কমিশনের মতে, শাসকের এহেন খয়রাতি নির্বাচনী আচরণভঙ্গের শামিল।

    কংগ্রেসকে নিশানা কেসিআরের দলের 

    নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের ওপর বেজায় চটেছে কেসিআরের দল। কেসিআরের ভাইপো টি হরিশ রাও তেলঙ্গনার অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে বেণুগোপাল রাও অভিযোগ জানানোর ফলেই রায়তু বন্ধু যোজনার কিস্তির টাকা বিতরণ বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।” কেসিআর কন্যা কে কবিতা বলেন, “কংগ্রেসের ষড়যন্ত্রের জবাব দেবেন তেলঙ্গনার কৃষকরা।”

    রায়তু বন্ধু প্রকল্প

    রায়তু বন্ধু প্রকল্পে প্রত্যেক কৃষককে প্রতি একর শস্য পিছু বছরে ১০ হাজার টাকা অনুদান দেয় তেলঙ্গনা সরকার। টাকা দেওয়া হয় জানুয়ারি মাসে। অভিযোগ, চলতি বছর জানুয়ারিতে সেই টাকা না দিয়ে চলতি মাসে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল কেসিআর প্রশাসন। বেণুগোপাল বলেন, “পরাজয় নিশ্চিত বুঝে নির্বাচনের মুখে টাকা ছড়িয়ে ভোট কিনতে চাইছিলেন কেসিআর।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘দলুয়াখাকিতে ক্রিমিনালদের বাস’’! প্রশাসন ‘ব্যর্থ’, তা কি মেনেই নিলেন ফিরহাদ?

    এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে (Telangana Elections 2023) পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কমিশন এই মর্মে নির্দেশ দিচ্ছে যে রায়তু বন্ধু প্রকল্পে রবি মরশুমে যে অনুদান দেওয়া হয়, তা এখনই বন্ধ করতে হবে। কারণ ইতিমধ্যেই লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণ বিধি। এই বিধি প্রত্যাহৃত হলেই দেওয়া যাবে অনুদান।

    তেলঙ্গনা বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২০। এর মধ্যে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন ১১৯জন। একটি আসনে মনোনীত করা হয় একজন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানকে। এ রাজ্যে এবারও লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী – ভারত রাষ্ট্র সমিতি, কংগ্রেস এবং বিজেপি। তবে এ রাজ্যে মূল লড়াই হবে কংগ্রেস বনাম ভারত রাষ্ট্র সমিতি। নির্বাচন হবে ৩০ নভেম্বর, এক দফায়। ফল ঘোষণা হবে বাকি চার রাজ্যের সঙ্গে ৩ ডিসেম্বর (Telangana Elections 2023)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “রাজস্থানে কংগ্রেস নেতৃত্ব একে অপরকে রান আউটের চেষ্টায় রত”, বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “রাজস্থানে কংগ্রেস নেতৃত্ব একে অপরকে রান আউটের চেষ্টায় রত”, বিস্ফোরক প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে দেশ। দোরগোড়ায় আবার রাজস্থান বিধানসভার নির্বাচন। রবিবার চুরু জেলায় বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানেই কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে ক্রিকেটের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজস্থান কংগ্রেস নেতৃত্ব অনেকটা ক্রিকেট দলের মতো। যার ব্যাটসম্যানরা একে অপরকে রান-আউট করার চেষ্টায় পাঁচ বছর কাটিয়ে দিয়েছে। একজন আর একজনকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করতে থাকে। অশান্তি চলতেই থাকে।”

    ‘আলো-অন্ধকার’

    তিনি বলেন, “এই দলের নেতারা উন্নয়নের শত্রু হয়ে রয়েছে, শত্রুই থাকবে। কংগ্রেস নেতৃত্ব ও ভাল উদ্দেশ্যের মধ্যে সম্পর্ক আদতে আলো ও অন্ধকারের মতো।” রাজস্থানে গেহলট ও শচিন পাইলটের দ্বন্দ্বের কথা সর্বজনবিদিত। রাজনৈতিক মহলের মতে, ক্রিকেটের প্রসঙ্গ তুলে এদিন রাজস্থান কংগ্রেসের সেই অন্তর্দ্বন্দ্বকেই কৌশলে খুঁচিয়ে তুললেন প্রধানমন্ত্রী।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের অপশাসনের কারণে রাজস্থানে মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্ব এখন নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।”

    ভারতের দৃষ্টান্তমূলক উন্নতি 

    শনিবারই রাজস্থানের ভরতপুরের জনসভায় কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আগামী ৩ ডিসেম্বর কংগ্রেস ছু-মন্তর হয়ে যাবে।” কংগ্রেসের রাজত্বে রাজস্থানে মহিলা ও দলিতদের ওপর অত্যাচার বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর দাবি, রাজস্থানে মহিলাদের ভরসা হারিয়েছেন অশোক গেহলটের সরকার। রাজস্থানে বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যকে দুর্নীতিমুক্ত করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারত নিত্যদিনই নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে। যে কোনও একটা ক্ষেত্রের কথা ধরুন, দেখবেন, ভারত চমকে দেওয়ার মতো উন্নতি করছে। গোটা দেশের সর্বত্রই এই স্পিরিট রয়েছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হবে। এবং এটা করব আমরাই।”

    আরও পড়ুুন: দিল্লি জলবোর্ডে ব্যাপক দুর্নীতি! টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের লুট করার লাইসেন্সের পুরো গল্প লাল ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এখন ধীরে ধীরে সেই লাল ডায়েরির পাতা খুলতে শুরু করেছে। লাল ডায়েরির একটি করে পৃষ্ঠা খোলে আর গেহলটজি একবার করে ফিউজ হয়ে যান। জাদুকরের জাদুকরি এবার লাল ডায়েরিতে দেখা যাচ্ছে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “আপনারা যদি বিজেপিকে জিতিয়ে আনেন, আমরা রাজস্থান থেকে দুর্নীতিবাজের দলকে সরিয়ে দেব।” প্রসঙ্গত, রাজস্থান বিধানসভার আসন সংখ্যা ২০০। নির্বাচন হবে ২৫ নভেম্বর। ফল বের হবে ৩ ডিসেম্বর।

     

    আরও পড়ুুন: কেরলের কংগ্রেস সাংসদের নিশানায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন উন্নিথান?

     

  • Israel Hamas War: কেরলের কংগ্রেস সাংসদের নিশানায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন উন্নিথান?

    Israel Hamas War: কেরলের কংগ্রেস সাংসদের নিশানায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন উন্নিথান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কংগ্রেস সাংসদের নিশানায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কেরলের কংগ্রেস সাংসদ রাজমোহন উন্নিথান হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের (Israel Hamas War) জন্য কাঠগড়ায় তুলেছেন নেতানিয়াহুকে। তাঁকেই অপরাধী ঠাওরেছেন উন্নিথান। যুদ্ধের জন্য ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করা উচিত বলেও দাবি করেন কেরলের ওই কংগ্রেস সাংসদ। উন্নিথানের এই মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় উঠেছে দেশজুড়ে।

    শনিবার কেরলের কাসারাগোদে হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ ও প্যালেস্তাইনের পাশে থাকার বার্তা দিতে আয়োজন করা হয়েছিল সমাবেশের। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উন্নিথান দোষী সাব্যস্ত করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে নুরেমবার্গে যুদ্ধাপরাধে জড়িতদের বিনা বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। সেই নুরেমবার্গ মডেল লাগু করার সময় এসে গিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘর্ষের জন্য বিশ্বের মানুষ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে দায়ি বলে মনে করছেন। তাই নেতানিয়াহুর ওপর নরেমবার্গ মডেল প্রয়োগ করা উচিত।” উন্নিথান বলেন, “প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল সমস্যা নিয়ে জেনেভা কনভেনশনে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তি যারা ভঙ্গ করছে, তাদের কড়া শাস্তি হওয়া উচিত।” হামাস-ইজরায়েল সংঘর্ষে কংগ্রেস যে প্যালেস্তাইনের পাশেই, সেই বার্তাও দিয়েছে কংগ্রেস। ২৩ নভেম্বর কোঝিকোড়ে এনিয়ে একটি সমাবেশ করতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর দল।

    হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন, শুক্রবারই তা প্রকাশ পেয়েছে দিল্লিতে আয়োজিত দ্বিতীয় ভয়েস অফ গ্লোবাল সাউথ সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ওই অনুষ্ঠানে প্যালেস্তাইনের গাজা স্ট্রিপে অসামরিক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার নিন্দার পাশাপাশি যুদ্ধ বন্ধ না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। অবিলম্বে সংঘর্ষ বন্ধের আবেদনও জানান প্রধানমন্ত্রী। গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর প্রথমে হামলা চালায় হামাস। ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলেকে নিশানা করে ইসলামি রাষ্ট্র প্যালেস্তাইনের জঙ্গি সংগঠন হামাস। তারা নৃশংসভাবে খুন করে ইজরায়েলের (Israel Hamas War) নাগরিকদের। তার পরেই প্রত্যাঘাত করে নেতানিয়াহুর দেশ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দুর্নীতির ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তেলেঙ্গানা’’, ভোটের প্রচারে বললেন অমিত শাহ

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে মুসলমান ভোট ব্যাঙ্ক যাতে কংগ্রেসের পাশে থাকে, সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধীর দলের ভোট ম্যানেজাররা। উন্নিথানের বক্তব্য সেই পথের দিশারী বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    Madhya Pradesh Elections 2023: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মধ্যপ্রদেশে হার স্বীকার করে নিয়েছে কংগ্রেস।” মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh Elections 2023) বেতুলের এক জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ‘পরাজয় মেনে নিয়েছে কংগ্রেস’

    তিনি বলেন, “১৭ নভেম্বর এগিয়ে আসছে। কংগ্রেসের দাবিগুলি স্পষ্ট হচ্ছে। আজ, আমরা গোটা মধ্যপ্রদেশ থেকে রিপোর্ট পেয়েছি যে, কংগ্রেস তাদের পরাজয় মেনে নিয়েছে। তারা এখন ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে। কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা আবার বাড়িতে বসে রয়েছেন। তাঁরা ভাবতে পারছেন না যে তাঁদের বাইরে বের হতে হবে। কংগ্রেস নেতারা জানেন না, তাঁরা মানুষের কাজে গিয়ে ঠিক কী বলবেন।” তিনি বলেন, “মোদির গ্যারান্টির কাছে কংগ্রেস তাদের মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন না।”

    প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি কংগ্রেস

    মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার (Madhya Pradesh Elections 2023) আসন সংখ্যা ২৩০। নির্বাচন হবে নভেম্বরের ১৭ তারিখে, একদিনেই। ডিসেম্বরের তিন তারিখে বের হবে ফল। এদিনই ফল বের হবে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, তেলঙ্গনা ও মিজোরামেরও। কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস উপজাতি সম্প্রদায়ের ভোট পেয়ে এসেছে। কিন্তু রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, হাসপাতাল, স্কুলের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে তাঁদের। কংগ্রেস যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার একটাও পূরণ করেনি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এর আগে সরকার গড়লেও, কংগ্রেস তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। কিন্তু বিজেপি পেরেছে। আজ পর্যন্ত যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পূরণ করেছে।” তিনি বলেন, “আমাদের হৃদয়ে উপজাতিদের জন্য জায়গা রয়েছে। তাই যখনই সুযোগ এসেছে, বিজেপি আপনাদের গর্বকে শ্রদ্ধা করেছে, আপনাদের আবেগকে বুঝতে পেরেছে। তাই দ্রৌপদী মুর্মু, দরিদ্র উপজাতি পরিবারে বেড়ে ওঠে একটি মেয়ে বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন (Madhya Pradesh Elections 2023)। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন। তাঁকেও শ্রদ্ধাও জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ত্রিশঙ্কু বিধানসভা নয়, তেলঙ্গানায় একাই সরকার গড়বে বিজেপি, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিজেপিকে (BJP) পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ইন্ডিয়া। সেই জোটের আয়ু লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত কিনা, তা জানা যাবে উৎসবের মরশুম শেষ হলেই। তবে তার আগে বিরোধীদের জোটকে ঝটকা দিল অসম বিজেপি।

    বিজেপিতে যোগ

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৫০ সদস্য দলীয় পতাকা ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের অসম রাজ্য সাধারণ সম্পাদকও। বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতাও রয়েছেন এই দলবদলুদের দলে। শনিবার তাঁরা হাতে তুলে নেন বিজেপির ঝান্ডা। পদ্ম শিবিরে তাঁদের স্বাগত জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, “বিজেপিই (BJP) একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা দেশের স্বার্থে কাজ করে, পরিবারতন্ত্রের স্বার্থে নয়।”

    হিমন্তর বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে অসমের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আমি সব সময় বলেছি যে, যাঁরা ভারত এবং অসমের জন্য কাজ করতে চান, তাঁদের পরিবারতন্ত্র এবং পরিবারকেন্দ্রিক দলে জায়গা হবে না। কেবলমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টিই দেশের স্বার্থে কাজ করতে পারে।” বিজেপিতে যোগ দেওয়া ওই ১৫০ জন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন বলেও জানান হিমন্ত। তিনি বলেন, “ভারতী মায়ের সেবার লক্ষ্যে যাঁরা কাজ করবেন বলে আজ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, আমি তাঁদের স্বাগত জানাই।”

    তিনি লিখেছেন, “নাগাঁও জেলা কংগ্রেসের সভাপতি সুরেশ বোরা, অসম যুব কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি পরিতোষ রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ শর্মা তাদের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। তাঁরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এঁরা আজ বিজেপিতে যোগ দেবেন। ইন্ডি জোটের বিরুদ্ধে এঁরাও সুর চড়িয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    পুরো ঘটনাটি দলের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছে বিজেপি (BJP)। দলের মুখপাত্র বলেন, “এদিন যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই জেলা ও ব্লকস্তরের কর্মী। তাঁরা যে কোনও রাজনৈতিক দলের মেরুদণ্ড। আমরা তাঁদের বিজেপিতে (BJP) স্বাগত জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Acharya Pramod Krishnam: “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করেন তিনি হিন্দু নন”, বিস্ফোরক কংগ্রেস নেতা

    Acharya Pramod Krishnam: “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করেন তিনি হিন্দু নন”, বিস্ফোরক কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করেন তিনি হিন্দু হতে পারেন না।” কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি কোনও ধর্মীয় নেতা নন, বিজেপির কোনও নেতাও নন। তিনি আদ্যন্ত কংগ্রেসি। কংগ্রেসের এই নেতার মুখে ‘বিজেপি-সুলভ’ কথা শুনে প্রমাদ গুণছেন কংগ্রেস নেতারা। তবে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম (Acharya Pramod Krishnam) নামের ওই কংগ্রেস নেতার কথায় দল ছাড়ার ইঙ্গিতও মিলেছে।

    প্রমোদের তোপ

    নতুন বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রামমন্দিরের। তার মাস তিনেক পরে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে প্রমোদ কৃষ্ণমের এই কথায় ঘোর বিপাকে সোনিয়া গান্ধীর দল। প্রমোদ বলেন, “যিনি শ্রীরামচন্দ্রকে ঘৃণা করে তিনি হিন্দু হতে পারেন না। রাম মন্দির নির্মাণ স্থগিত করার চেষ্টার কথা সারা বিশ্ব জানে।” তিনি বলেন, “কে রামকে ঘৃণা করে আর কে দেবতার ভক্ত, আমি মনে করি না এটি একটি রহস্য। কংগ্রেস সদস্য হওয়ার অর্থ এই নয় যে সত্য বলা যাবে না। আমি অনুভব করেছি যে কিছু কংগ্রেস নেতা আছেন যাঁরা রাম ও রাম মন্দির উভয়কেই ঘৃণা করেন।” প্রমোদ কৃষ্ণম বলেন, “আমার চ্যালেঞ্জ হল তাঁরা কবে রাম লল্লা বিরাজমান দেখতে যাবেন? আচার্যজির প্রতি আমার সহানুভূতি, প্রভু শ্রীরামের পক্ষে কথা বলার জন্য কংগ্রেসিরা আমাকে গালি দেবেন।”

    কংগ্রেসকে নিশানা হিমন্তর

    প্রমোদ কৃষ্ণমের এই মন্তব্যের ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে কংগ্রেসকে তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা তথা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। প্রমোদ কৃষ্ণমকে গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ দাবি করে হিমন্ত বলেন, “প্রবীণ কংগ্রেস নেতা (Acharya Pramod Krishnam) ও পরিবারের অনুগত আচার্য প্রমোদজি আমি যা বলছি, তা নিশ্চিত করেছেন – একটি নির্দিষ্ট ভোট ব্যাঙ্কের ভয়ে, কংগ্রেসের শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রমাণ হল ভোটের আগে, আপনি তাদের নেতাদের ও তথাকথিত হনুমান ভক্তদের শ্রীরাম জন্মভূমি বাদে প্রতিটি মন্দিরে যেতে দেখতে পাবেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

    সনাতন ধর্ম নিয়ে তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতা তথা মন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া সমালোচনাও করেন প্রমোদ। বিরূপ এই মন্তব্যের জন্য দয়ানিধি ও তাঁর দলকে ‘ইন্ডি’ জোট থেকে বের করে দেওয়ার পরামর্শও দেন। তিনি (Acharya Pramod Krishnam) বলেন, “যে বা যাঁরা সনাতন ধর্মের বিরোধিতা করেন, সে বা তাঁরা ভারত বিরোধী। সনাতন ধর্ম ছাড়া হিন্দুদের কল্পনা করা যায় না। হিন্দুধর্মের যারা সমালোচনা করে, তারা রাবণের বংশধর। তাদের ধ্বংসও নিশ্চিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন মিজোরামে, কংগ্রেস কি মুছে যাবে?  

    Assembly Elections 2023: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন মিজোরামে, কংগ্রেস কি মুছে যাবে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচন হবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে (Assembly Elections 2023)। সব মিলিয়ে প্রার্থী রয়েছেন ১৭৪জন। ভোটার ৮.৫২ লাখ। রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট। জোরামা পিপলস মুভমেন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসও দখল করতে চাইছে মিজোরামের কুর্সি।

    ৩০টি বুথ ক্রিটিক্যাল

    চলতি বছর চার রাজ্যে হবে বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে যেমন ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থান রয়েছে, তেমনি রয়েছে মিজোরামও। সব কটি রাজ্যের ফলই ঘোষণা করা হবে ৩ ডিসেম্বর। নির্বাচন নির্বিঘ্নে সাঙ্গ করতে মিজোরামে ৫০ কোম্পানি সিএপিএফ মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। ৩০টি বুথকে ক্রিটিক্যাল পোলিং স্টেশন বলে চিহ্নিত করেছে তারা। সোমবার বিকেলের মধ্যেই ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কেন্দ্রের দিকে রওনা দিয়েছেন ভোটকর্মীরা।

    মণিপুরের নির্বাচনী ধারা

    মণিপুরের নির্বাচনী ধারা (Assembly Elections 2023) বলছে, প্রতি দুটো টার্ম অন্তর সরকার পরিবর্তন হয় মিজোরামে। সেই ধারা মেনেই ২০১৮ সালে পতন হয় সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের। সেবার কুর্সি দখল করেছিল এমএনএফ। সেই একই ধারা বজায় থাকলে এবারও ক্ষমতায় ফেরার কথা তাদেরই। ৪০ আসন বিশিষ্ট মিজোরাম বিধানসভায় সেবার এমএনএফ পেয়েছিল ২৭টি। টানা এক দশক ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ৪টি আসন। ইন্দিরা গান্ধীর দেহরক্ষী দলের প্রাক্তন নেতা, প্রাক্তন আইপিএস লালডুহোমার সদ্য গঠিত জেডপিএম জিতেছিল ৮টি আসনে। নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতি না মেলায় সেবার অবশ্য ওই দলের প্রার্থীরা লড়েছিলেন নির্দল হয়ে।

    আরও পড়ুুন: বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির সঙ্গে এ রাজ্যের রেশন দুর্নীতির যোগ খুঁজে পেল ইডি!

    গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো এবারও কংগ্রেস মিজোরামে সেভাবে ছাপ ফেলতে পারবে না বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। পাঁচ দফায় প্রায় ২৩ বছর মুখ্যমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন প্রবীণ নেতা লাল থানহাওলা। তাঁকে এবার টিকিট দেয়নি কংগ্রেস। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মঙ্গলবারের নির্বাচনে তার একটা ভাল প্রভাব পড়তে পারে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে।

    উত্তর-পূর্বে উন্নয়ন আর মাদক কারবার দমনের প্রসঙ্গই প্রচারে গিয়ে তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতারা। মিজোরামে বিজেপির বিধায়ক ছিলেন মাত্র একজন। তিনি বুদ্ধধন চাকমা। ইতিমধ্যেই সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন (Assembly Elections 2023) তিনি। মনে রাখতে হবে, কেন্দ্রে যখন যে দলের সরকার থাকে, সেই দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলে উত্তর-পূর্বের সিংহভাগ রাজ্যই। গতবারের মতো এবারও তার বিপ্রতীপ ছবি দেখা যেতে পারে মিজোরামে। সাম্প্রতিক একাধিক সমীক্ষা থেকে দেখা যাচ্ছে, মিজোরামে এবার হ্যাং বিধানসভা হতে পারে। তবে ঠিক কী হবে, তা জানা যাবে (Assembly Elections 2023), ৩ ডিসেম্বর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “গরিবি বুঝতে আমায় বই পড়তে হয়নি”, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গরিবি বুঝতে আমায় বই পড়তে হয়নি”, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গরিবি বুঝতে আমায় বই পড়তে হয়নি।” রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আরও পাঁচ বছরের জন্য ৮০ কোটিরও বেশি দরিদ্রকে নিখরচায় রেশন সামগ্রী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশের জনসভায় গিয়ে তারও পাল্টা জবাব দিলেন তিনি।

    ‘গরিবি থেকে উঠে আসা একজন’

    ১৭ নভেম্বর মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে সিওনি জেলায় জনসভার আয়োজন করেছিল বিজেপি। প্রধান বক্তা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি নিজে গরিবি থেকে উঠে আসা একজন। আমায় বই পড়ে বুঝতে হবে না যে দারিদ্র কী! আমি গরিবের কষ্ট অনুভব করতে পারি।” জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “তাই আপনাদের ছেলে, ভাই একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে – আগামী ডিসেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা শেষ হলে আরও পাঁচ বছরের জন্য এই প্রকল্প চালু করা হবে।”

    ‘গ্যারান্টি অফ মোদি’

    নিখরচায় রেশন প্রকল্পকে ‘গ্যারান্টি অফ মোদি’ তকমা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এটাই বিজেপি। যারা প্রত্যেক গরিব, প্রান্তিক, দলিত ও উপজাতির জন্য। সবাইকে নিয়ে আমাদের পরিবার।” তিনি বলেন, “২০১৪ সালের আগে কংগ্রেস এখানে লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। এখন এখানে বিজেপি সরকার। আর কোনও দুর্নীতি নেই। আমরা যে টাকা গরিবদের অধিকারের জন্য বাঁচিয়েছি, সেটা এখন রেশনের মাধ্যমে দিচ্ছি। এটাই সব থেকে বড় পার্থক্য দুর্নীতিবাজ কংগ্রেস সরকার ও বিজেপি সরকারের মধ্যে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেখানেই কংগ্রেস, সেখানেই পরিবারবাদ। পরিবারের ওপরে কিছু নেই। রাস্তা-গলি, সরকারি প্রকল্প থেকে সরকারি অফিস, সব কিছুর নাম হয় একটি পরিবারের নামে।”

    আরও পড়ুুন: ‘মহাদেব বেটিং অ্যাপ’ সহ বেআইনি ২২ অ্যাপকে নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র, জানুন কারণ

    মধ্যপ্রদেশে যে ফের বিজেপি ক্ষমতায় আসছে, এদিন সে ব্যাপারেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিজেপি আবার এখানে যে ক্ষমতায় আসবে, তার একটা শক্তিশালী সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল এখন পরিষ্কার।” মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রসঙ্গটিও তাঁর বক্তৃতায় টেনে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দু’জন বড় কংগ্রেসের নেতা মারামারি করছেন কার ছেলের হাতে পার্টির ক্ষমতা থাকবে মধ্যপ্রদেশে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “মহাদেবের নামেও লুট করতে ছাড়ছে না কংগ্রেস”, ছত্তিশগড়ে তোপ মোদির

    PM Modi: “মহাদেবের নামেও লুট করতে ছাড়ছে না কংগ্রেস”, ছত্তিশগড়ে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মহাদেব বেটিং অ্যাপ’কাণ্ডে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার ছত্তিশড়ের দুর্গে আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি নিশানা করেন সোনিয়া গান্ধীর দলকে।

    প্রধানমন্ত্রীর তোপ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্যের কংগ্রেস সরকার আপনাদের লুট করার কোনও সুযোগই ছাড়ছে না। এমনকি মহাদেবের (অনলাইনে বেটিং জুয়া চালানোর অ্যাপ ‘মহাদেব বেটিং অ্যাপ’) নামেও লুট করতে ছাড়ছে না তারা। যাঁরা ছত্তিশগড়কে লুট করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতি পয়সার হিসেব তাঁদের কাছ থেকে বুঝে নেওয়া হবে।” তিনি জানান, বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে এই ধরনের দুর্নীতির উপযুক্ত তদন্ত হবে এবং অপরাধীদের জেলে পাঠানো হবে।

    প্রচুর পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ঠিক দু’ দিন আগে রায়পুরে একটা কড়া পদক্ষেপ (ইডির তল্লাশি) করা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছিল। লোকজন বলছেন, ওই টাকা বেটিং চক্রে যারা জড়িত, তাদের। তারা এই টাকা সংগ্রহ করেছে ছত্তিশগড়ের গরিব ও তরুণদের টাকা লুঠ করে। কংগ্রেসের নেতারা ওই টাকা দিয়ে ঘর ভর্তি করছেন।”

    প্রসঙ্গত, অনলাইনে বেআইনি জুয়া চালানোর অভিযোগ ওঠে ‘মহাদেব বেটিং অ্যাপে’র বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের ভিলাই থেকে ইডি গ্রেফতার করে অসীম দাস নামে একজনকে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কংগ্রেসের নির্বাচনী খরচ জোগাতে ওই ব্যক্তিকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে পাঠিয়েছিলেন মহাদেব অ্যাপের কর্তারা। ইডির আরও দাবি, ‘বঘেল’ নামে এক রাজনীতিককে দেওয়ার জন্য ৫.৩৯ কোটি টাকা নিয়ে এসেছিল অসীম।

    আরও পড়ুুন: “আরও পাঁচ বছর ৮০ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন”, প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বাঘেলের জন্য ওই টাকা পাঠানো হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত ‘মহাদেব অ্যাপে’র মালিকরা বাঘেলকে ৫০৮ কোটি টাকা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়ে কংগ্রেস তার কোষাগার ভরছে। ছত্তিশগড়ে বলা হচ্ছে, ‘তিরিশ টাকা কাক্কা, আপকা কাম পাক্কা’।” তিনি জানান, এ রাজ্যের কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিটি কাজের জন্য কমিশন দিতে হয় ৩০ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মোদির কাছে দেশের সব চেয়ে বড় জাতি একটাই – দারিদ্র। মোদি তাঁদের সেবক, ভাই, ছেলে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • JP Nadda: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    JP Nadda: “ছত্তিশগড়ে গ্রহণ চলছে, বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন”, রায়পুরের সভায় আবেদন নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছত্তিশগড়ে পাঁচ বছর ধরে গ্রহণ চলছে।” রবিবার রায়পুরের জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকার আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে বলেও অভিযোগ বিজেপির এই শীর্ষ নেতার।

    ভূপেশ বাঘেলের দুর্নীতি…

    তিনি বলেন, “ভূপেশ বাঘেলের দুর্নীতি, অদক্ষতা এবং অবিশ্বাস আমরা চোখে দেখেছি। আমি অবিশ্বাস্য বলছি কারণ আপনি কি দেখেছেন একজন মুখ্যমন্ত্রীর সচিব বছরের পর বছর জেলে রয়েছেন? কপালে যদি দুর্নীতি লেখা থাকে, তাহলে তার চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী প্রয়োজন হতে পারে!” উপস্থিত জনতার দিকে নাড্ডার প্রশ্ন, “এরকম দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের কি ক্ষমতায় থাকা উচিত?”

    প্রতিশ্রুতিভঙ্গ সরকারের

    ৯০ আসনের ছত্তিশগড় বিধানসভায় ভোট হবে দু’ দফায়। প্রথম দফার ভোট হবে ৭ নভেম্বর। দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে ওই মাসেরই ১৭ তারিখে। এদিনের জনসভায় নাড্ডার প্রশ্ন, “এই (কংগ্রেস) সরকার তরুণদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কি না? মহিলারা কী প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন? মদ কেলেঙ্কারি ঘটেছে কি না? ভূপেশ বাঘেল মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই নিষেধাজ্ঞা জারি না করে তিনি কেলেঙ্করি করেছেন। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করেছেন তিনি। তিনি গরু এবং গোবরের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করতে ছাড়ছেন না।”

    বিজেপিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আনার আবেদন জানিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (JP Nadda) বলেন, “গতকাল চন্দ্রগ্রহণ ছিল। ছত্তিশগড়েও গত পাঁচ বছর ধরে গ্রহণ চলছে। এখন সময় এসেছে এই গ্রহণ থেকে মুক্তি পাওয়ার। এরকম একটা দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকারই নেই।”

    আরও পড়ুুন: ‘বালুর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্নীতি হয়েছে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ২০টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিনের সভায় ওই কেন্দ্রগুলিতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যেতে নির্দেশ দেন দলীয় কর্মীদের। নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, “আপনারা ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করুন। তাঁরা আপনাদের ভোট দিন অথবা না দিন কিন্তু গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করুন। আপনারা তাঁদের ভোট দিতে অনুরোধ করুন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share