Tag: cpm

cpm

  • Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    Assembly By-Election 2024: বিজেপি ৫২, তৃণমূল ৯৭১! উপ নির্বাচনে শাসকের ভোট লুটের অজস্র নগ্ন ছবি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনেও ফাঁকা বুথ (Empty Booth), কিন্তু এতো ভোট কারা দিলেন? এই ভূতুড়ে ভোটারদের ঘিরে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। রানাঘাট দক্ষিণের উপনির্বাচনের (Assembly By-Election 2024) চিত্রটাই ছিল ঠিক এমনই। জ্ঞানদাসুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল ১২৭ নম্বর বুথ। এই ভোটকেন্দ্রে সিপিএম পেয়েছে ৮ ভোট, বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৫২ ভোট। অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ৯৭১ ভোট। বুথে মোট ভোটারদের ৯৩.৬৪ শতাংশ একক ভাবে পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এই প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ দেখেই উঠছে প্রশ্ন। আবার কুঞ্জবিহারী দাস প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুম নম্বর ২। সেখানে সিপিএম পেয়ছে ১১ এবং বিজেপি পেয়েছে ৬৪, তৃণমূলের ভোট ৫০৯। বুথে ভোট পড়ার পরিমাণ ৮৫.৯৮ শতাংশ। এই দুই বুথ থেকেই বোঝা যাচ্ছে কীভাবে ভোট হয়েছে। যদিও বিজেপির অভিযোগ, এটাই হল তৃণমূলের ‘ডায়মন্ড হারবার মডলে।’

    মাণিকতলায় তৃণমূলের ভোট শতাংশ (Assembly By-Election 2024)

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যের সূত্র দেখে জানা গিয়েছে, রাণাঘাট দক্ষিণের অন্তত ১৪টি ভোটকেন্দ্রে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট (Assembly By-Election 2024) ৮০ শতাংশ। আবার মাণিকতলায় গত লোকসভার ভোটে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়ে ছিল প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ভোটে। ১৬ এবং ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল বিজেপি। আবার উপনির্বাচনে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে থেকেই তৃণমূলের লিড ৩৫৭০ ভোটে। ৬৩ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে মাত্র ১০০ ভোট পেলেও, সিপিএম ২৮, কিন্তু তৃণমূলের সুপ্তি পাণ্ডে পেয়েছেন ৭১৬ ভোট। আবার ৭৫ নম্বর বুথে বিজেপি পেয়েছে ৬৭ ভোট, সিপিএম পেয়েছে ৯ ভোট আর তৃণমূল ৪৭৬ ভোট। একই কেন্দ্র ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮ নম্বর বুথে বিজেপি, সিপিএমের ভোট একই। কিন্তু তৃণমূলের ভোটের ক্রমটা ৩৪২, ৩৯২, ৩৬২, ৩৬৭, ৩৪৯। দেখেই যেন মনে হবে কেউ তৃণমূলের জন্য ভোটের নম্বর মনগড়া বসিয়েছেন। তাই প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের ভোট (Empty Booth) নিয়ে।

    বাগদা এবং রায়গঞ্জে ভোটের পরিমাণ

    আবার বাগদা কেন্দ্রের ২৩৩, ২৩৫, ২৪০, ২৭৮ নম্বর বুথে ভোট লুট (Assembly By-Election 2024) হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ২৩৫ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর পেয়েছেন ৮৪৪ ভোট। ফরওয়ার্ড ব্লকের গৌর বিশ্বাস ৩০ এবং বিজেপির বিনয় বিশ্বাস ১০। একই ভাবে ২৩৩ নম্বর বুথে তৃণমূল ৬৭৮, ফরওয়ার্ড ব্লক ৪৭ এবং বিজেপি ৫৫। আবার ২৪০ নম্বর বুথে তৃণমূল ২৮১, ফরওয়ার্ড ব্লকের ২ এবং বিজেপি ৩৪। তাই ভোট কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে শাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। রায়গঞ্জের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৪০২ ভোট, আর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৬ হাজার ৬৬৩ ভোট। এক মাস পরে উপনির্বাচনে বিজেপির হয়ে গেল ৩৬ হাজার ৪০২ ভোট আর তৃণমূল পেয়েছে ৮৬ হাজার ৪৭৯ ভোট। এই ভোট গ্রহণ এবং ফলে বিরোধীরা শাসক দলের ষড়যন্ত্র মনে করছে।

    আরও পড়ুনঃ কেউ পাননি ভাতা কারও কপালে জোটেনি ডিম-ভাত! ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কর্মীরাই

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “রাণাঘাট দক্ষিণে ৭০ হাজার, বাগদায় ২০ হাজার এবং রায়গঞ্জে ৫০ হাজার ভোটারকে ভোট (Assembly By-Election 2024) দিতে দেয়নি তৃণমূল। মাণিকতলায় ৮টি ওয়ার্ডে লুট করেছে তৃণমূল। সেই সঙ্গে হিন্দুদের ভোট দিতে দেয়নি।” অপর দিকে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, “কাউকে কোথাও ভোটে বাধা দেওয়া হয়নি। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Singur: সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    Singur: সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আরও একটি বর্ষার মরসুম চলছে, কিন্তু সিঙ্গুরের (Singur) জমির একাংশে এখনও চাষের কাজ শুরু হয়নি। জমির মালিকরা এখনও চাষ করতে পারেননি। উল্লেখ্য এই জমিতে সিপিএম টাটার কারখানা করতে চেয়েছিল, কিন্তু জমি আন্দোলনের চাপে তা হয়নি। ক্ষমতায় এসে তৃণমূল নেত্রী ওই জমিতে সর্ষে ফেলেছিলেন, দিয়েছিলেন জমি ফেরানোর প্রতিশ্রুতি। এখন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তৃণমূল নেতারাই চাষের যোগ্য জমি এবং শিল্প চেয়ে সরকারের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই বিস্ফোরক দাবিতে সিঙ্গুরে উলট পুরাণ!

    তৃণমূল নেতা ‘শিল্প’ চান (Singur)!

    সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত পরিচিত মুখ তথা তৃণমূল নেতা দুধকুমার ধাড়া বলেছেন, “জমিকে চাষযোগ্য করার জন্য কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজ থমকে গিয়েছে। এবার এই কাজ শুরু হোক। এই নিয়ে ঘরোয়া ভাবে আমরা ইতিমধ্যে পাঁচটি বৈঠক করেছি। বৈঠকে সকলে একমত হয়েছেন যে ওই জমির একাংশে আর চাষ করা সম্ভব নয়। তাই ওই অংশে কোনও শিল্পোদ্যোগী শিল্প করুক আর বাকি অংশে চাষ হোক। এই জমি চাষযোগ্য করে দিতে রাজ্য সরকারের কাছে আমরা আবেদন করব।” উল্লেখ্য এই তৃণমূল নেতারা কারখানা চাইছেন আবার চাষযোগ্য জমিও চাইছেন। অপরে সিঙ্গুরের মাটিতে কারখানা চাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জমি বাঁচাও আন্দোলনের নামে কারখানার বিরোধিতা করেছিলেন তখন, ফলে চাষ বা শিল্প কোনটাই জোটেনি সিঙ্গুরবাসীর কপালে।

    ১২টি কালভাট ছাড়া কোনও কাজ এগোয়নি

    সিঙ্গুরের চাষিরা বলেছেন, “গোপাল নগর, খাসেরভেড়ি এবং সিংহেরভেড়ির ওই জমিতে মূল কারখানা (Industry) হয়েছিল। ওই অংশের জমি বেশি ক্ষতিগ্রস্থ। সরকার জমির চেহারা ফেরাতে ডিনামাইট ফাটিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। ফলে জমিতে কোঁদলে উঠে আসছে কংক্রিট। একই ভাবে সেচের জন্য নিকাশি ১২টি কালভাট তৈরি হলেও আর কোনও কাজ এগোয়নি। তাই এই বর্ষায় জমিতে চাষ করতে না পারায় সকলের মনে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।” আবার সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলছেন, ‘‘যাঁরা এই আবেদন করবেন, নিশ্চিত ভাবে প্রশাসনের তরফে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক কর্তা বলেছেন, “সিঙ্গুরের (Singur) ওই জমিতে যে সমস্যা আছে তা দূর করতে আগেই কাজ শুরু হয়েছিল। প্রথমে বর্ষা ও পরে নির্বাচনের কারণে তা বিলম্বিত হয়েছে। সেই কাজের পরিকল্পনা এখনও রয়েছে। তবে কেউ পরামর্শ দিলে ভেবে দেখার সুযোগ রাখব।”

    আরও পড়ুনঃইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    মমতার প্রতিশ্রুতি ছিল চাষযোগ্য করে দেবো

    বাম আমলে টাটার গাড়ি কারখানার (Industry) জন্য সিঙ্গুরে (Singur) প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। সুপ্রিম কোর্ট ২০১৬ সালে এই অধিগ্রহণকে অবৈধ জানিয়ে জমি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই জমিকে চাষযোগ্য করে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কাজ শুরু হলেও অর্ধেকের বেশি জমি এখনও চাষের অযোগ্য বলে চাষিদের একাংশের দাবি। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন এই দাবি ঠিক নয় বলে মানতে নারাজ। প্রশাসনের দাবি মাত্র অল্প পরিমাণ জমি চাষের আওতার বাইরে আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উল্টোরথের অনুষ্ঠানে যোগদান করে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। হাওড়ার সাঁকরাইলের নবঘরায় তিনি বলেছেন, “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে তাঁর এই ভাষণের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    রথযাত্রার দিনেই রাজ্যে তৃণমূলের (TMC) চলা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এরপর একাধিক বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন। তিনি বলেছেন, “যদু বংশ ধ্বংসের সময় মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও তাই শুরু হয়েছে। এই ভাবেই তাঁদের দল শেষ হয়ে যাবে।” শুধু তাই নয় এই বর্ষায় সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে মমতার সরকারে সমালোচনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, “দেশের বিভিন্ন রাজ্য পেট্রোপণ্যের দাম কমিয়েছে। আর বাংলায় তৃণমূল সরকার অতিরিক্ত কর বসিয়েছে। গ্রাম থেকে সবজি, আনাজ, ফল গাড়িতে করে শহরে আসে। ফলে জ্বালানির দাম না কমালে সবজির দাম কমবে না, লোক দেখানো টাস্ক ফোর্স দিয়েও কমবে না।”

    আরও পড়ুনঃ রথে চড়ে তারাপীঠ ঘুরলেন মা-তারা, কেন মন্দিরের বাইরে বের হন দেবী?

    উপনির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করেছে তৃণমূল!

    এদিন এই সভা থেকে রাজ্যে চার আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেছেন, “তৃণমূল (TMC) উপনির্বাচনে ব্যাপক ভাবে রিগিং করেছে। মাত্র এক মাস আগেই লোকসভার ভোটে যে কেন্দ্রগুলিকে বিজেপি এগিয়ে ছিল, সেখানে তৃণমূল কোন কাজ করল যে মানুষ এতো পরিমাণে ভোট দিল! এটা সম্পূর্ণ ভাবে রিগিং এবং ছাপ্পার ফলাফল। আগে হুগলির আরামবাগে সিপিএম নেতা অনিল বসু তিন-চার লাখ ভোটে জিতে মমতাকে পশ্চাৎদেশ দেখিয়ে ছিলেন। আজ সেই অনিল বসু এবং সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তৃণমূলের অবস্থা আরও খারাপ হবে। না হলে এক একটি বুথে বিজেপি মাত্র ২-৩টি করে ভোট পায়? আগে সিপিএম যা করেছে, তৃণমূল এখন তাই করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Viral Video: জরিমানা না দেওয়ায় চুলের মুঠি ধরে মার তরুণীকে, ভাইরাল ভিডিওয় কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Viral Video: জরিমানা না দেওয়ায় চুলের মুঠি ধরে মার তরুণীকে, ভাইরাল ভিডিওয় কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে মারধর করছে একজন। লজ্জায়-ব্যথায়-ঘৃণায় কুঁকড়ে যাওয়া তরুণীটিকে ফের চুলের মুঠি ধরে টেনে মারছে সেই গুণধর। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় (Viral Video) খানিক পরেই দেখা যাচ্ছে, এক তরুণও ওই তরুণীর পাশে পড়ে পড়ে কাতরাচ্ছেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বেধড়ক মারধর করা হয়েছে ওই তরুণকেও।

    তৃণমূলের দাদার কীর্তি! (Viral Video)

    গোল হয়ে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটি দেখছে একদল মানুষ। যে ব্যক্তি ওই তরুণ ও তরুণীকে মারধর করছে, কেউই তাকে বাধা দিচ্ছেন না। নিরস্তও করার চেষ্টা করছেন না কেউ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। রবিবার দুপুরে (Viral Video) এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি লিখেছেন, “সালিশি সভাও নয়। অপরাধের বিচার ও শাস্তি দিচ্ছে তৃণমূলের পোষা গুন্ডা। যার ডাকনাম জেসিবি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে এভাবেই বিচার ব্যবস্থাকে দুরমুশ করা হচ্ছে চোপড়ায়।”

    কী বলছে বিজেপি?

    পরে ওই একই ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি লিখেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে থাকা বাংলার কুৎসিত মুখ।…প্রত্যেক গ্রামেই সন্দেশখালি রয়েছে।” উত্তর দিনাজপুর জেলা সিপিএমের দাবি, “যিনি মারধর করছেন, তাঁর নাম তাজম্মুল। চোপড়ার বিধায়ক তৃণমূলের হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ। এলাকায় সবাই তাঁকে জেসিবি নামেই চেনেন।” সিপিএমের জেলা সম্পাদক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী আনোয়ার উল হক বলেন, “শুনেছি, ভিডিওতে যে মহিলাকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হচ্ছে, তিনি বিবাহিত। তবে এক ব্যক্তির সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। পরে এলাকায় ফিরলে দুজনের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। জরিমানা না দিলে এলাকায় তাঁদের থাকতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। জরিমানা না দেওয়ায় অত্যাচার করা হয় তাঁদের ওপর।”

    আর পড়ুন: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বাংলায় এ ধরনের ঘটনা অজস্র ঘটে। তবে অপরাধগুলোকে চেপে দেওয়া হয়।” তিনি বলেন, “বারাসতের একটি ছেলে বিয়ে করেছিল ভিন ধর্মের মেয়েকে। সে যখন তাঁর শিশুপুত্রকে দেখতে শ্বশুরবাড়িতে গেল, তখন তাঁকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এক ভ্যানচালক তাঁকে নিয়ে গিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি করান। সেই মামলা এখনও চলছে হাইকোর্টে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ED: সিপিএমের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, দলটা কি লাটেই উঠে যাবে?

    ED: সিপিএমের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, দলটা কি লাটেই উঠে যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাটে ওঠার জোগাড় সিপিএম দলটার! বাংলায় হাতে গোণা দু’একজন বাদে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল সব বামপ্রার্থীর। আর কেরলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হল লালপার্টির।শুক্রবার সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে কেরলে (ED) দলের অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি এও বলেছিলেন, “দলের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন কোনও কার্যকলাপ হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে।”

    কী বলছে সিপিএম? (ED)

    দিল্লিতে একে গোপালন ভবনে যখন কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল নিয়ে চলছিল কাটাছেঁড়া, সেই সময়ই খবর আসে সমবায় ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারি মামলায় দলের ৭৩ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। এদিন দুপুরে কেরল সিপিএমের ফেসবুক পেজ থেকে পোস্ট করা হয় একটি বিবৃতি। যার সারাংশ হল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এহেন পদক্ষেপ।

    একাধিক কেলেঙ্কারিতে নাম সিপিএমের

    গত কয়েকবছরে নানা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে কেরল সিপিএমের অনেক নেতার। এই তালিকায় রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের পলিটব্যুরোর সদস্য পিনরাই বিজয়নের নামও। অভিযোগ, সরকারি ক্ষমতা অপব্যবহার করে মেয়ে টি বীণার সংস্থাকে কোচি মিনারেল-সহ বিভিন্ন সংস্থায় কাজের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যে কেলেঙ্কারির জেরে বাজেয়াপ্ত হয়েছে সম্পত্তি, সেটি ত্রিশূরের কারুভান্নুর সমবায় ব্যাঙ্কের। এই ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতিতে ছিল সিপিএম। অভিযোগ, বহু মানুষকে ভুয়ো ঋণ দেওয়া হয়েছে ওই ব্যাঙ্কের তরফে। অভিযোগ ওঠায় গত বছর তদন্ত শুরু করে ইডি।

    আর পড়ুন: গণনা চলছে ইরানের নির্বাচনের ভোট, ‘পুতুল’ প্রেসিডেন্ট কে?

    এ পর্যন্ত ইডি বাজেয়াপ্ত করেছে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি। এবার সিপিএমেরও স্থানীয় একটি কমিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত রয়েছে ৬০ লাখ টাকা। ১৩ লাখ টাকার একটি জমিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ ৭৩ লাখ টাকা। এই ব্যাঙ্ক থেকে যাঁরা ঋণ নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই পার্টি ফান্ডে টাকা জমা দিয়েছিলেন। ইডির দাবি, এর পরিবর্তে সিপিএমের ত্রিশূর জেলা কমিটি ডোনেশনের নামে অর্থ সংগ্রহ করেছিল। সুবিধাভোগীদের বেতন থেকেও টাকা কাটা হয়েছিল। সোসাইটি কমিটির সদস্যরা যে বেআইনিভাবে ওই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন, তার মাধ্যমেও সংগ্রহ করা হয়েছে অর্থ (ED)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CPM: দুর্দিনের বাজারে জামানত খুইয়েছেন ২১ সিপিএম প্রার্থী, কত টাকা খোয়াল আলিমুদ্দিন?

    CPM: দুর্দিনের বাজারে জামানত খুইয়েছেন ২১ সিপিএম প্রার্থী, কত টাকা খোয়াল আলিমুদ্দিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় যে বামেদের দাপটে ট্যাঁ-ফোঁ করার জো ছিল বাংলায়, এখন সেখানেই কিনা খাবি খাচ্ছে বামফ্রন্ট! রাজ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৪২ (CPM)। তার মধ্যে ২৩টিতে প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। বামফ্রন্টের শরিকদলগুলি প্রার্থী দিয়েছিল সাতটি আসনে। সিপিএম যে ২৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তার মধ্যে ২১ জন প্রার্থীই জামানত খুইয়েছেন। দলের এই দুর্দিনে জলে গিয়েছে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ রাজ্যে সিপিএমের একজন প্রার্থীও জিততে পারেননি। তবে জামানত বাঁচিয়ে মুখরক্ষা করেছেন দুই বাম প্রার্থী।

    বৃদ্ধতন্ত্রের তকমা ঝেড়ে ফেলতে নয়া মুখ! (CPM)

    দলের গা থেকে বৃদ্ধতন্ত্রের তকমা ঝেড়ে ফেলতে এবার একঝাঁক তরুণ মুখকে প্রার্থী করেছিল বিমান বসুদের দল (CPM)। এঁদের সকলেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তমলুকে বিজেপি প্রার্থী করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে সিপিএম লড়িয়ে দিয়েছিল পেশায় আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বামেরা বোধহয় ভেবেছিলেন, সমানে সমানে টক্কর হবে। ওমা! কোথায় কী! এই কেন্দ্রে মাত্র ৫.৪১ শতাংশ ভোট পেয়ে জামানত খুইয়েছেন সিপিএমের আইনজীবী প্রার্থী।

    বাজেয়াপ্ত জামানত

    ৫.৬৮ শতাংশ ভোট পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি ডায়মন্ড হারবারের সিপিএম প্রার্থী প্রতীক-উর রহমানও। এই কেন্দ্রে হইহই করে জিতে গিয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জামানত খুইয়েছেন যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য এবং শ্রীরামপুরের দীপ্সিতা ধরও। তবে হেরে গেলেও, জামানত বাঁচিয়েছেন মুর্শিদাবাদের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম এবং দমদমের সুজন চক্রবর্তী। রাজনীতি তো বটেই, বয়সেও যাঁরা প্রবীণ। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে সিপিএম। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এই হার ছিল ৬.৩৩ শতাংশ। সব শরিক মিলিয়ে বামেরা এবার সাকুল্যে ৬.১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে। উনিশে এই হার ছিল ৭.৫ শতাংশ। ২০১৪ সালে ছিল ১৬.৭২ শতাংশ।

    আর পড়ুন: এনডিএ শিবিরে তৎপরতা, সরকার গড়ার প্রস্তুতি সারা, শুক্রবারই রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি পেশ?

    জামানত রক্ষা হয়নি বামফ্রন্টের বাকি শরিকদের প্রার্থীদেরও। আরএসপি তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। সিপিআই এবং ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী দিয়েছিল দুটি করে আসনে। এই সাত কেন্দ্রেই জামানত খুইয়েছেন বাম প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী হতে গেলে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা রাখতে হয়। একে জামানত বলে। লোকসভা নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা। কোনও একটি কেন্দ্রে যত ভোট পড়ে, তার এক ষষ্ঠাংশ ভোট পেলে কোনও প্রার্থীর জামানত রক্ষা হয়। না হলে টাকা জমা থাকে নির্বাচন কমিশনে। ফেরত পাওয়া যায় না (CPM)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Adhir Chowdhury: বিজেপিকে ভোট দিতে বললেন অধীর! ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, তৃণমূলের কারসাজি বলছে কংগ্রেস

    Adhir Chowdhury: বিজেপিকে ভোট দিতে বললেন অধীর! ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, তৃণমূলের কারসাজি বলছে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর লোকসভার কংগ্রেসের প্রার্থী অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। এমনই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। আর বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন অধীর? (Adhir Chowdhury)

    মঙ্গলবার জঙ্গিপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মোর্তাজা হোসেনের সমর্থনে সভা করতে গিয়েছিলেন অধীর (Adhir Chowdhury)। সেই সভায় ছিলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক তথা মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের বাম প্রার্থী মহম্মদ সেলিমও। একটি ভিডিও (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে অধীরকে বলতে শোনা যাচ্ছে, “তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে, তার থেকে ভাল বিজেপিকে ভোট দিয়ে জেতানো।” কয়েক সেকেন্ডের সেই ভিডিও তৃণমূল নেতারা শেয়ার করেছেন। এই প্রসঙ্গে এক সিপিএম নেতার কথায়, “ওই কথার পরে অধীর বলেছেন, বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীকে জেতাতে হবে। কিন্তু, তৃণমূল একটি অংশই তুলে ধরে অপপ্রচার করছে। তবে, ভোটের মুখে অধীরের মুখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের কাছে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তৃণমূলের কারসাজি

    এই বক্তব্য নিয়ে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অধীর চৌধুরীর (Adhir Chowdhury) কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, “যে ভিডিও সমাজ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে তা তৃণমূল তৈরি করেছে। এরকম কথা অধীর চৌধুরী বলেননি। আসলে ওই ভিডিও কারসাজি করে তৃণমূল বাজারে ছেড়েছে। তৃণমূল মুর্শিদাবাদ জেলায় তিনটি আসনেই হারবে বলে ভয় পেয়েছে। তাই এই সব করছে। সাধারণ মানুষ সব জানেন, অধীরের বিরুদ্ধে এই ধরনের অপপ্রচার সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না। তৃণমূল থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। অধীরের জনপ্রিয়তার কাছে তৃণমূল ধারে কাছে যেতে পারছে না। তাই, এসব কুৎসা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tanmoy Bhattacharya: বরানগর উপনির্বাচনে বামেদের বাজি সিপিএমের তন্ময়

    Tanmoy Bhattacharya: বরানগর উপনির্বাচনে বামেদের বাজি সিপিএমের তন্ময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরানগর বিধানসভা উপনির্বাচনে বামেদের বাজি সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য (Tanmoy Bhattacharya)। এই কেন্দ্রে পদ্ম চিহ্নে লড়ছেন সজল ঘোষ। আর তৃণমূলের প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাস্তে-হাতুড়ি চিহ্নে আগেও জিতেছেন তন্ময়।

    প্রাক্তন বিধায়ক (Tanmoy Bhattacharya)

    সুবক্তা এই বাম নেতা জিতেছিলেন উত্তর দমদম বিধানসভা কেন্দ্রে। ২০১৬ সালে তিনি ধরাশায়ী করেছিলেন তৃণমূলের চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে অবশ্য উল্টে যায় পাশার দান। এবার পরাস্ত হন তন্ময় (Tanmoy Bhattacharya)। জয়মাল্য ওঠে চন্দ্রিমার গলায়। সম্প্রতি বরানগরের বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের তাপস রায়। সেই কারণে হচ্ছে উপনির্বাচন। এখানকারই জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা তন্ময়ের। সেই কারণেই তাঁর ঘাড়ে দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি বধের।

    দলীয় নেতৃত্বকেই নিশানা করেছিলেন তন্ময়

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দলের হারের পরে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তন্ময়। নির্বাচনে বিপর্যয়ের দায় তিনি চাপিয়েছিলেন দলীয় নেতৃত্বের ঘাড়ে। তিনি বলেছিলেন, “দলের এই ব্যর্থতার দায় নেতৃত্বের। আমাদের নয়, নিচুতলার কর্মীদেরও নয়। লোকসভায় শূন্য হয়ে যাওয়ার পরেও সেই দায় কেউ নেননি। বিধানসভায় হারের পরেও কেউ দায় নেবেন না। শুধু স্তালিন কপচালে হবে না। এটা স্তালিনের যুগ নয়।” এনিয়ে দলে সমালোচনা হলেও, স্ব-বক্তব্যে অনড় ছিলেন তন্ময়।

    আরও পড়ুুন: বাংলার জামাইকে প্রার্থী করে আসানসোলে কিস্তিমাত পদ্মের, বিপাকে ঘাসফুল

    সিপিএম নেতৃত্বের সঙ্গে আগেও একবার বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন তন্ময়। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলীতে পূর্ণ সদস্য করা হয়েছিল তাঁকে। পরে করে দেওয়া হয় আমন্ত্রিত সদস্য। সূত্রের খবর, দলীয় নেতৃত্বের ওই সিদ্ধান্ত শুনেই সক্রিয় রাজনীতি করতে চান না বলে বৈঠক থেকে বেরিয়ে চলে এসেছিলেন বরানগরের ‘ছেলে’। পরে রাজ্য নেতৃত্ব তন্ময়ের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মিটিয়ে নেন। সেই তন্ময়কেই এবার বাজি ধরলেন বামেরা। এখন দেখার, তন্ময়ের (Tanmoy Bhattacharya) কাস্তে-হাতুড়ির ঘায়ে বরানগরে পদ্ম এবং ঘাসফুল মূর্চ্ছা যায় কিনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Narendra Modi: “১০ বছরে যা হয়েছে, এটা তো ট্রেলার, আমাকে অনেক কাজ করতে হবে”, বললেন মোদি

    Narendra Modi: “১০ বছরে যা হয়েছে, এটা তো ট্রেলার, আমাকে অনেক কাজ করতে হবে”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন বিকশিত ভারত তৈরির সময়। ভারত বিকশিত হলে বাংলারও লাভ। বাংলার ভাইবোনেদের সবচেয়ে বেশি সুবিধা হবে। এটা দেশের নির্বাচন। দিল্লিতে মজবুত সরকার জরুরি। মোদি মজবুত সরকার দেয় কিনা? সেটা আপনারাই বলুন। দেশের সরকার বানাতে হবে। কাজ করার মতো সরকার বানাতে হবে। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের বিদায়ী সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) একথা বলেন।

    আপনাদের স্বপ্নই মোদির সংকল্প (Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, স্বাধীনতার পর ৬-৭ দশক পর্যন্ত জনগণ কেন্দ্রে কেবল কংগ্রেসের মডেল দেখেছে, এবার গত দশ বছরে পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিজেপি সরকারের মডেল দেখেছে। আজ দুনিয়া বলে, মোদি মজবুত নেতা। আজ মানুষ বলে, মোদি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো নেতা। আমি হাত জোড় করে বলছি, মোদি ভারতে জনতার সামান্য সেবক। মোদি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কারণ তাঁর ওপর ১৪০ কোটি ভারতীয়র স্বপ্ন পূরণ করার দায়িত্ব আছে। আপনাদের স্বপ্নই মোদির সংকল্প, মোদির গ্যারান্টি। আজ গ্রামে গ্রামে ডিজিটাল হচ্ছে। ঘরে ঘরে ফোন পৌঁছে গিয়েছে। এত আধুনিক নেটওয়ার্ক দুনিয়ার অনেক বিকশিত দেশেও নেই। এসসি-এসটি ও গ্রামের মহিলাদের জীবনে সুযোগ এসেছে। গরিবি হঠাও সংকল্প নিয়েছে সরকার। দেশকে গরিবিয়ানা থেকে বার করে মোদি দেখিয়ে দিয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে, কারণ আমাদের ভাগ্য, সততা সঙ্গে রয়েছে। তাই আমি বলি, উদ্দেশ্য সঠিক, তাহলে পরিণামও সঠিক। মোদি আপনাদের ভবিষ্যতের চিন্তা করে।

    ১০ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, এটা তো ট্রেলার

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আরও বলেন, মোদির লক্ষ্য সঠিক, তাই এত বছর পর জম্মু-কাশ্মীরে আর্টিকল ৩৭০ থেকে মুক্তি মিলেছে, নারীরা তিন তালাক প্রথা থেকে মুক্তি পেয়েছেন, ৫০০ সাল পরে অযোধ্যাতে রামমন্দির তৈরি হয়েছে। তাই দেশ বলে, যেখানে অন্যের থেকে চাহিদা শেষ হয়ে যায়, সেখান থেকেই মোদির গ্যারান্টি শুরু হয়। বাংলার কোটি মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন, পাকা ঘর পেয়েছেন, বাংলার কোটি মানুষ শৌচাগার, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল সব মিলেছে, কারণ মোদির গ্যারান্টি ছিল। চাষিদের জন্য পিএম কৃষাণ সম্মান নিধিতে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা সোজাসুজি দিই। ১০ সালে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার লিস্ট অনেক লম্বা। বাংলার সব এলাকায় হয়েছে। তবে এটা মনে রাখবেন ১০ বছরে যে বিকাশ হয়েছে, এটা তো ট্রেলর। এখন তো আমাকে অনেক অনেক কাজ করতে হবে। দেশকে আরও অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাকে অনেক আগে নিয়ে যেতে হবে। মোদী গ্যারান্টি দিয়েছে, ৩ কোটি ‘বোন’কে ‘লাখপতি দিদি’ বানানোর। নমো ড্রোন দিদি যোজনার মাধ্যমে মেয়েদের ড্রোন দিচ্ছি। ড্রোন পাইলট বানাচ্ছি। যাতে চাষের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়। বাংলার মেয়েদের আত্মনির্ভর বানাতে হবে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বহু সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার বিকাশের জন্য নিরন্তর কাজ করেছে চলেছে।

    আরও পড়ুন: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

    তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের জোট কেবল রাজনীতি করতেই ব্যস্ত

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করা, যাতায়াত সুবিধা যাতে হয়, তার চেষ্টা চলছে। কিন্তু তৃণমূল, বাম, কংগ্রেসের জোট কেবল রাজনীতি করতেই ব্যস্ত। ওরা মতুয়াদের কখনও পরোয়া করেনি। বিজেপি সরকার সিএএ এনেছে, তাহলে ওরা ভুল রটাচ্ছে। সব পরিবারকে নাগরিকতা দেওয়া মোদির গ্যারান্টি। বাংলার সব পরিবারকে বলছি, এই তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস ভয় দেখাবে। লোকতান্ত্রিক পদ্ধতি নিয়ে ভুল কথা বলবে। কিন্তু দশ বছর ধরে আপনারা আমার কাজ দেখেছেন, এখন আমার গ্যারান্টির ওপর ভরসা রাখতে পারেন। এখানে তো তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস সবাই লড়াই করছে। কিন্তু দিল্লিতে তো ওরা এক থালাতেই খায়। এক সঙ্গে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: “থানায় চা-টোস্ট আনতেন শাহজাহান”, দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর

    Sheikh Shahjahan: “থানায় চা-টোস্ট আনতেন শাহজাহান”, দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী হয়ে মঙ্গলবার তারাপীঠে পুজো দিয়ে বীরভূমে প্রচার শুরু করলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর। চষে বেড়ালেন এলাকা। এবার সন্দেশখালির “বেতাজ বাদশা” শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী। ওসি-র ফাইফরমাশ খাটা সেই শাহজাহানের তৃণমূলের জমানায় এই উত্থান দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান।

    থানায় চা-টোস্ট নিয়ে আসতেন শাহজাহান! (Sheikh Shahjahan)

    বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন,তৃণমূল আমলে সমাজের বুদ্ধিজীবী, শিক্ষিত মানুষদের এড়িয়ে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মতো ‘বাহুবলীদের’ নেতা বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দুই আমলে পুলিশের চাকরি করায় তফাত কী, সে প্রশ্নে তাঁর ব্যাখ্যা, বাম আমলে সরকারের মাথারা ছিলেন অত্যন্ত শিক্ষিত। আইন-সহ বিভিন্ন বিদ্যায় দক্ষতা ছিল। রাজ্যের মানুষ দু’টি জমানা দেখেছেন। বাম আমলে এত চুরি দেখেননি! কিন্তু, তৃণমূলের সময়ে অনেক ভাললোক থাকা সত্ত্বেও উত্থান হয়েছে শাহজাহানদের। প্রাক্তন আইপিএস আরও বলেন “আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি শাহজাহানকে। বসিরহাটের এসডিপিও ছিলাম ২০১০-‘১১ সালে। এই সরকার আসার আগেই। শাহজাহান তখন সন্দেশখালি থানার বাইরে বসে থাকতেন। আমি গেলে বড়বাবু বলতেন, এই দ্বীপে কিছু পাওয়া যায় না। আমি চা খেতে ভালবাসি। বড়বাবু শাহজাহানকে বলতেন, ‘সাহেব এসেছে, ভাল চা পাতা আর বিস্কুট নিয়ে আয়। শাহজাহান নদী পেরিয়ে চা ও টোস্ট বিস্কুট নিয়ে আসতেন।

    আরও পড়ুন: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন?

     ইটভাটায় কয়লা সরবরাহ করতেন শাহজাহান!

    দেবাশিসের কথায়, “বাম আমলে যার এমন দশা ছিল, যে লোক ইটভাটায় কয়লা সরবরাহ করতেন, সেই তৃণমূল আমলে নেতা হয়ে গেলেন, হল জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ! আগে সে ওসির ফাইফরমাশ খাটতেন। পরবর্তীকালে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ফাইফরমাশ খাটতেন বড়বাবু। ১২ বছর ধরে অন্ধকারের রাজত্ব চালিয়ে গেল।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    দেবাশিসকে আক্রমণ শানিয়েছে বাম শিবির। তোপ দেগেছে শাসকদলও। সিপিএমের বীরভূম জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “তৃণমূলের বিরোধিতা যে কারণে করি, সেটা হল দুর্নীতি, গণতন্ত্রের ওপরে আক্রমণ, মানুষকে কথা বলতে দেয় না বলে। কিন্তু, উনি যে দলে গিয়েছেন, সেই দল সুশাসন করে বলে তাঁর মনে হলে, তিনি বিভ্রান্তির চূড়ান্ত জায়গায় আছেন। তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “যে দলে তিনি যোগ দিয়েছেন, সেই দলের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা ভুলে গেলেন। তিনিও তো চা বিক্রি করতেন। এমন কোনও নিয়ম নেই, কম শিক্ষিত হলে তিনি রাজনীতি করতে পারবেন না বা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share