Tag: criminal

criminal

  • Bankura: দুষ্কৃতীর মাথায় তৃণমূল মন্ত্রীর হাত! ভাইরাল ছবিতে ব্যাপক শোরগোল  

    Bankura: দুষ্কৃতীর মাথায় তৃণমূল মন্ত্রীর হাত! ভাইরাল ছবিতে ব্যাপক শোরগোল  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুষ্কৃতীর মাথায় তৃণমূল মন্ত্রীর হাত! সামজিক মাধ্যমে এই ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক তর্জা শুরু হয়েছে। শাসক দলের মন্ত্রীরা যদি দুষ্কৃতীদের প্রত্যক্ষ মদত দেন তাহলে অসামাজিক কাজের শ্রীবৃদ্ধি তো ঘটবেই। ঠিক এইভাবে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা ক্ষোভ ব্যক্ত করছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনা ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) খাতড়ায়। অভিযুক্ত দুষ্কৃতীর নাম প্রসূন পণ্ডা। হাত রেখে ছিলেন রাজ্যের তৃণমূল মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Bankura)?

    খাতড়া (Bankura) সিনেমা রোডের দোকানের এক কর্মীর মাথা ফাটিয়ে ব্যবসায়ীকে ব্যাপক মারধর করেছিল তৃণমূল দুষ্কৃতী প্রসূন পণ্ডা। এর প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টার অবরোধ ডাকা হয়েছিল ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। আবার শুক্রবার এলাকায় অভিযুক্তের গ্রেফতারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী মহল সরব হলে এখনও পর্যন্ত পুলিশ এই দুষ্কৃতীকে ধরতে পারেনি। কিন্তু এর মধ্যেই দুষ্কৃতীর এবং রাজ্যের তৃণমূল মন্ত্রীর ছবি সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে দেখা যায়, তৃণমূল মন্ত্রী, দুষ্কৃতীকে ভাই ফোঁটা দিচ্ছেন। ফলে অভিযোগ তোলা হয় মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতী, তাই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করছেনা।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    বাঁকুড়ার (Bankura) পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি বলেন, “হামলার অভিযোগে ইনজুরি রিপোর্ট দেখানো হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।” অপর দিকে দোকানে মহীতোষ ঘোষ বলেন তাঁর প্রেসক্রিপশেনে আঘাতের কথা লেখা হয়নি। হাসপাতাল থেকে ছাড়ার আগে সিটি স্ক্যান করার কথা বললেও তা উল্লেখ করেনি কাগজে। পাশপাশি খাতড়া ব্লক যাদব সভার সভাপতি সব্যসাচী মণ্ডল বলেন, “মামলাকে লঘু করতে হাসপাতালকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” তবে যাকে মারধর করা হয়েছে তিনি পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় এলাকায় বিজেপির হয়ে কাজ করছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি (Bankura) বাঁকুড়া জেলার সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুনীলরুদ্র মণ্ডল বলেন, “ওই ছবি প্রমাণ করে মন্ত্রী কত কাছের লোক। অসামাজিক কাজের শ্রীবৃদ্ধি ঘটছে। প্রভাবশালী বলেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না। ছবিই প্রমাণ করে দুষ্কৃতীদের মাথায় কাদের হাত।”

    তৃণমূলমন্ত্রীর বক্তব্য

    সকল অভিযোগের কথা অস্বীকার করে তৃণমূল মন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি (Bankura) বলেন, “ভাই ফোঁটার দিন অনেকে পার্টি অফিসে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ওকেও ফোঁটা দিয়েছি। এর সঙ্গে দলের বা আমার কোনও যোগসূত্র নেই। বিজেপি কী বলছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: অধীরের সভার প্রচার করতে গিয়ে আক্রান্ত মহিলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Murshidabad: অধীরের সভার প্রচার করতে গিয়ে আক্রান্ত মহিলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার আনুমানিক রাত নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরে রাস্তার উপর তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী এক মহিলাকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ওই মহিলাকে এমন ভাবে মারধর করা হয়, তাঁর ডান হাতের আঙুল থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে। মহিলাকে মারধর করার জন্য তৃণমূলের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলছে, রাজ্যে মহিলাদের সুরক্ষা কোথায়?

    রানিনগরে (Murshidabad) কী হয়েছিল?

    আগামী কয়েকদিনের মধ্যে রানিনগরে (Murshidabad) কংগ্রেসের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভায় কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি থাকবেন বলে ওই মহিলা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারও করেন। আর তার পরেই তৃণমূলের নাজমুল সহ আরও অনেক নেতা তাঁকে আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। 

    আক্রান্ত মহিলার বক্তব্য

    আহত মহিলার দাবি, কিছুতেই তিনি এই রাস্তা থেকে সরবেন না, যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসন (Murshidabad) তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আটক করছে। সেই সঙ্গে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় শুয়ে থাকবেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনও প্রশাসন নেই। সভার প্রচারকে কেন্দ্র করে শহরে মিছিল করা হবে বলে আমি কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানাই। আর তার পরেই তাঁর উপর এই আক্রমণ হয় বলে তিনি জানান। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যারা আমার উপর আক্রমণ করেছে, তাদের মধ্যে আমি নাজমুলকে চিনি, সে তৃণমূল করে। আর যারা সাথে ছিল তাদেরকেও চিনি আমি। কিন্তু নাম জানি না।

    প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ

    রানিনগরের (Murshidabad) শেখপাড়ায় ওই ঘটনা এলাকার ব্যবসায়ীদের আতঙ্কিত করে তুলেছে। রাতে রাস্তায় লোকজন বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, পুলিশ কী সহযোগিতা করবে! আমাদেরকেই পুলিশকে সহযোগিতা করতে হয়। পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। সেই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন মহিলারা মার খাচ্ছে, ধর্ষিতা হচ্ছে। কিন্তু মহিলাদের উপর আক্রমণ চলছে, অথচ প্রশাসনের কোনওরকম ভ্রুক্ষেপ নেই। বিরোধী রাজনৈতিক দলের বক্তব্য, এরপরও কী করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এখনও আইন আছে! উনি কোন চশমা ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গের আইন ব্যবস্থাকে জাগ্রত রেখেছেন, সেটাই প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share