Tag: CV Ananda Bose

CV Ananda Bose

  • CV Ananda Bose: ‘পলিটিক্যাল গিমিক’ অপরাজিতা বিল, সঙ্গে নেই টেকনিক্যাল রিপোর্টও, অসন্তুষ্ট রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: ‘পলিটিক্যাল গিমিক’ অপরাজিতা বিল, সঙ্গে নেই টেকনিক্যাল রিপোর্টও, অসন্তুষ্ট রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ধর্ষণ বিরোধী বিল ধাক্কা খেল রাজভবনে। এই বিল পাশ হয়েছে ৩ সেপ্টেম্বর। বিলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য অপরাজিতা উইমেন অ্যান্ড চাইল্ড (ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৪’। বিধানসভায় পাশ হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী, তা গিয়েছে রাজভবনে। কিন্তু, বিল নিয়ে রাজ্য সরকারের আচরণে অসন্তুষ্ট রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজ্য সরকারের অপরাজিতা বিলকে (Aparajita Bill 2024) ‘পলিটিক্যাল গিমিক’ বলে খোঁচা রাজভবনের। এই বিলের টেকনিক্যাল রিপোর্টও চাইলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের মতে, কোনও বিল সইয়ের জন্য পাঠানো হলে তার টেকনিক্যাল রিপোর্ট দেওয়ার দায়বদ্ধতা রাজ্যেরই। সেই রিপোর্ট জমা দেয়নি রাজ্য। অভিযোগ, বিলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ‘টেকনিক্যাল রিপোর্ট’ পাঠানো হয়নি। যা না থাকলে রাজ্যপাল কোনও বিলেই সম্মতি দিতে পারেন না। একটি সংবাদ সংস্থাকে এ কথা জানিয়েছেন রাজভবনের এক আধিকারিক।

    কী এই ‘টেকনিক্যাল রিপোর্ট’? (CV Ananda Bose)

    নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যের বিধানসভায় পাশ হওয়ার পর যে কোনও বিল রাজভবনে পাঠানো হয়। সেই বিলে রাজ্যপাল স্বাক্ষর করলে তা আইনে পরিণত হয়। বিল নিয়ে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) যদি কোনও সিদ্ধান্তে আসতে না পারেন বা তাঁর যদি কোনও পরামর্শের প্রয়োজন হয়, তবে তা তিনি পাঠিয়ে দেন রাষ্ট্রপতির কাছে। সেই বিলের ক্ষেত্রে তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন রাষ্ট্রপতিই। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের বিধানসভায় ‘অপরাজিতা বিল’ পাশ হওয়ার পর তা রাজভবনে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, অভিযোগ, এই বিলের ‘টেকনিক্যাল রিপোর্ট’ এখনও হাতে পাননি রাজ্যপাল। বস্তুত, রাজ্যের যে কোনও বিল নিয়েই প্রশ্ন তুলতে পারেন রাজ্যপাল। কোনও বিল কেন আনা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত একটি রিপোর্ট বিলের সঙ্গেই জমা দিতে হয়। তাকে বলে ‘টেকনিক্যাল রিপোর্ট’। ওই বিল কার্যকর করতে রাজ্যের ওপর কতটা আর্থিক দায় বর্তাবে, রাজ্যের তহবিল থেকে কত খরচ হতে পারে, তা-ও রিপোর্টে উল্লেখ করা থাকে। এ ছাড়া, কেন্দ্রীয় আইন ব্যবস্থার সঙ্গে রাজ্যের আনা ওই বিলের সাযুজ্য কতটা, তা বিস্তারিত জানাতে হয়। ‘অপরাজিতা বিল’ নিয়েও এই সংক্রান্ত তথ্যগুলিই রাজ্যপাল জানতে চান বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে হানা ইডির, তালা খুলে ঢুকলেন অফিসাররা

    রাজ্যপালের কী বক্তব্য?

    রাজভবনের মত, অন্ধ্র প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অরুণাচলেও একই বিল পাস হয়েছে। রাজ্যের বিল সেই বিলেরই ‘কপি পেস্ট’, বলছেন রাজ্যপাল। টেকনিক্যাল রিপোর্ট ছাড়া রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) যে এই বিল সই করবেন না, তা নিশ্চিত করে দিয়েছেন। এই ধরনের বিল রাষ্ট্রপতির দরবারে আটকে রয়েছে বলেও ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের বক্তব্য, ‘টেকনিক্যাল রিপোর্ট’ না পাঠিয়ে রাজ্য সরকার পরে বিল পাশ না হওয়ার জন্য রাজভবনের ওপর দোষারোপ করে। যা সঠিক নয়। নিয়ম অনুযায়ী, ওই রিপোর্ট ছাড়া রাজ্যপাল কোনও বিলে সম্মতি দিতে পারেন না। ‘অপরাজিতা’ বিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও কেন রাজ্য ‘হোমওয়ার্ক’ করেনি, কেন ওই রিপোর্ট বিলের সঙ্গে পাঠানো হয়নি, তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। ফলে, এই বিল নিয়ে আবারও যে রাজ্য-রাজভবন চাপানউতর তৈরি হচ্ছে তা বলাইবাহুল্য।

    ঠিক কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    বিল পাস হওয়ার দিন বিধানসভায় দাঁড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এই বিলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান আনা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া যাতে মহিলা বা শিশুর পরিচয় সামনে না আসে, সেটাও বলা রয়েছে। এই ক্ষেত্রেও আমরা ৩ থেকে ৫ বছরের সাজার প্রস্তাব রাখছি। এই বিল রাজভবনে পাঠানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও পাঠানো হয়। তবে এই বিলে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) যে সহজে সই করবেন না তা রাজভবনের বক্তব্যে স্পষ্ট। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে।

    বিধানসভার স্পিকারের কী বক্তব্য?

    এ প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘রাজভবন এখনও এ বিষয়ে বিধানসভার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। যদি বিধানসভার সঙ্গে আলোচনা করা হয়, তবেই আমি এ বিষয়ে আমার মতামত জানাব।’’ অন্য দিকে, এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের বক্তব্য, ‘অপরাজিতা বিল’ স্পিকার রাজভবনে পাঠিয়েছেন। তাই বিষয়টিও তিনিই বুঝে নেবেন। উল্লেখ্য, ধর্ষণ-বিরোধী বিল পাশের পর তা নিয়ে বৃহস্পতিবার নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। বিলটি বিধানসভায় পাশ করার সময়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, তাঁরা এই বিল সমর্থন করছেন। কিন্তু বিল কার্যকর করার দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্য সরকারকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘নবান্ন অভিযানে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে’’, মমতার সরকারকে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ‘‘নবান্ন অভিযানে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে’’, মমতার সরকারকে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) পুলিশের হামলা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে থাকা আন্দোলনকারীদের ওপর কীভাবে আক্রমণ চালাল পুলিশ? এতে জাতীয় পতাকাকে অপমান করা হয়েছে বলে জানান তিনি। রাজ্যপালের মতে, কলকাতার রাস্তায় যা হয়েছে, তা গণতান্ত্রিক ভাবে জয়ী সরকারের কাছ থেকে আশা করা যায় না। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।

    জাতীয় পতাকার অবমাননা!

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি এক ভিডিও বার্তায় রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত সরকার থেকে এটা প্রত্যাশা ছিল না। নিরীহ প্রতিবাদীরা সম্ভবত কোনও রাজনৈতিক দলের ছিলেন না। তাঁদের হাতে জাতীয় পতাকা ছিল। কিন্তু, তাঁদের ওপর আক্রমণ চালাল পুলিশ। ‘উই ওয়ান জাস্টিস’ স্লোগানে মুখরিত প্রতিবাদকারীদের জলকামান দ্বারা আঘাত করা হয়েছে। লাঠিপেটা করা হয়েছে পুলিশ দ্বারা। তাঁদের হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা ছিল। জল কামান চালিয়ে জাতীয় পতাকা ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। রক্তাক্ত হয়েছেন প্রতিবাদীরা। জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয়েছে। জাতীয় সম্মানকে অপমান করা হয়েছে। এটা শেষের শুরু। তা-ই হওয়া উচিত। বিদায় হিংসা, খুন। বাংলা হিংসামুক্ত হওয়া উচিত। এখানে সরকার অপরাধীদের রক্ষা করছে। এই খুনের খেলা বন্ধ হোক।”

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    নির্যাতিতার বিচার চেয়ে মানুষ কী পেল?

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “নির্যাতিতার বিচার চেয়ে মানুষ কী পেল? লাঠিচার্জ, মারধর, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান! মনে রাখতে হবে, বিচার চেয়ে এই দাবি উঠে এসেছে কবিগুরুর বাংলায়। অথচ রবীন্দ্রনাথের বাংলায় তিনি নিজেই বলেছিলেন, ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির।’ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দিল্লি চলো ডাক দিয়েছিলেন। আর আজকে নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে নবান্ন চলো ডাক দিয়েছিলেন নিরীহ আন্দোলনকারীরা। কিন্তু, তাঁদের ওপরে আক্রমণ চালানো হল। খুন, ধর্ষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার সমস্তটাই বন্ধ করতে হবে। বাংলাকে অন্যায় অত্যাচার খুন, ধর্ষণ মুক্ত হতে হবে। এই নৃশংসতা ধ্বংসের খেলা বন্ধ করতে হবে। বিচারের দাবিতে, মানুষ সরব হয়েছেন। মানুষকে বিচার দিতেই হবে। বিচার পাওয়া মানুষের জন্মগত অধিকার। মনে রাখবেন সত্য এবং অপরাধ চিরদিন চাপা রাখা যায় না। একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। ঠিক তেমনি আরজি করে নির্যাতিতাও বিচার পাবেন। আমরা এই পরিবেশ থেকে দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    Nabanna Abhijan: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘গণতন্ত্র মানে নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সংখ্যাগরিষ্ঠতার কণ্ঠরোধ করা নয়।’’ মঙ্গলবার ছাত্রদের নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) আগে রাজ্যকে সতর্কবার্তা দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Incident) চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ওই কর্মসূচিকে সোমবার ‘পশ্চিমবঙ্গের পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ’ বলে চিহ্নিত করেছেন তিনি। 

    রাজ্যপালের সতর্কবার্তা

    রাজভবন থেকে ৪০ সেকেন্ডের ভিডিও-বার্তায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে রাজ্যপাল বোসের (CV Ananda Bose) মন্তব্য, ‘‘বাংলার ছাত্রদের তরফে যে প্রতিবাদ কর্মসূচি (Nabanna Abhijan) নেওয়া হয়েছে তা ঠেকাতে সরকার বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে বলে আমি খবর পেয়েছি। আমি রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কী ছিল তা মনে করিয়ে দিতে চাই। আমি বলতে চাই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদীদের দমন করতে পশ্চিমবঙ্গে যেন সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করা না হয়। মনে রাখবেন, গণতন্ত্র মানে নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে নীরব করে দেওয়া নয়।’’ সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে কোনওভাবেই আটকানো যাবে না বা প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালত মনে করিয়ে দেয়, প্রয়োজনে রাজ্য সরকার অবশ্যই আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে। তবে যতক্ষণ তার প্রয়োজন না পড়ছে, যতক্ষণ প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ, ততক্ষণ কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।’’ সোমবার এক ভিডিও বার্তায় এই কথাই নবান্নকে আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন: আরজি কর নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে মদ্যপ পুলিশ, মহিলাকে হেনস্থা! তুমুল বিক্ষোভ

    পুলিশের দমননীতি

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) এর আগে মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচির তিক্ত স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে কলকাতা পুলিশ। শহর জুড়ে প্রতিটি এলাকাতেই রাস্তার মোড়ে বড় বড় জমায়েত হয়েছিল। পরে এক সাংবাদিক বৈঠকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল বলেছিলেন, এই সব জমায়েত নেতৃত্ববিহীন ছিল। ফলে কোথায় কত লোকের জমায়েত হতে পারে তা আন্দাজ করা মুশকিল ছিল। ২৭ তারিখের মিছিল নিয়েও তেমনই উদ্বেগে রয়েছে সরকার। তাই নবান্নের (Nabanna Abhijan) নিরাপত্তায় থাকছেন প্রায় ১০০ উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা। ২ হাজার কনস্টেবল। এছাড়াও কলকাতা ও হাওড়া ঘিরে রাখবে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের জঙ্গি আন্দোলনের জের। কার্যত বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করলেন আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইমেল মারফত আচার্য তথা রাজ্যপালকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর তৃণমূল সরকার পরিচালিত এই রাজ্যে আর চাকরি করতে চান না তিনি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, রাজ্য ছেড়েই তিনি চলে যাচ্ছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Asansol)

    বেশ কিছু দিন ধরেই তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ-এর অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে। ব্যয় হওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা কখন, কোথায়, কী কারণে খরচ করা হয়েছে, তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়। টিএমসিপির জঙ্গি আন্দোলন এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করছিলেন উপাচার্য দেবাশিসবাবু। এ নিয়ে তিনি চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপালকে। গত ১৬ অগাস্ট প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এক বার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, ফের আন্দোলনের মুখে পড়েন। দেবাশিসবাবুর অভিযোগ, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতেই সেদিন কয়েক জন বহিরাগত ঢুকে শাসিয়েছিল, আরজি কর বানিয়ে দেব!” ওই বিষয়ে নিয়ে থানায় অভিযোগও করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পদত্যাগ প্রসঙ্গে টিএমসিপি-র পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “উনি ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইস্তফাপত্র গৃহীতও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, লক্ষ লক্ষ টাকা তছরুপ হয়েছে তাঁর আমলে। সেই হিসেব না দিয়ে আন্দোলন এড়াতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেলেন!”

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    কী বললেন পদত্যাগী উপাচার্য?

    দেবাশিসবাবু বলেন, “আন্দোলনের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কাজ করতে পারছিলাম না। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করতে হচ্ছিল। তাই ইস্তফাই দিলাম। রাজ্যপাল পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।” এই রাজ্যে আর থাকতে চান না বলে জানান পদত্যাগী উপাচার্য। তিনি বলেন, “ভিনরাজ্যে একটি ‘ভালো অফার’ পেয়েছি। সেখানে চলে যাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ মনের জোর বাড়িয়েছে’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ মনের জোর বাড়িয়েছে’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সর্বস্তরের মানুষ সুবিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। ইতিমধ্যেই সিবিআই আধিকারিকরা নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর এফআইআর করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে খুশি নিহত চিকিৎসকের মা। পাশাপাশি রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) ফোন করে তাঁদের পাশে থাকার তিনি বার্তা দিলেন। 

    দেরিতে এফআইআর নিয়ে প্রশ্ন (RG Kar Incident)

    নিহত চিকিৎসকের মৃতদেহ দাহ করার প্রায় তিন ঘণ্টা পর এফআইআর করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে নিহত চিকিৎসকের মা বলেন,  ‘‘মেয়ের মৃতদেহ দাহ করার তিন ঘণ্টা পরে এফআইআর হয়। এই দেরি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সুপ্রিম কোর্টে। বিষয়টি জেনে মনে জোর পাচ্ছি। শীর্ষ আদালত নিশ্চয়ই দেখবে যে এফআইআর করতে কেন দেরি হল? ইতিমধ্যেই আদালতের তরফ থেকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষকে তলব করা হয়েছে। ওইদিন আমরা বিকেল পাঁচটার সময় এফআইআর করেছিলাম, কিন্তু পুলিশের তরফ থেকে কখন সেটিকে দেখানো হয়েছে সেটা ওরাই বলতে পারবে। ’’আন্দোলনকারীদের ওপর রাজ্য সরকার যাতে বল প্রয়োগ না করে সে ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তা নিয়েও শীর্ষ আদালতকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। আন্দোলন প্রত্যাহার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তরফে যে আর্জি জানানো হয়েছে তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই কোনও একটি বিষয় ভেবে শীর্ষ আদালত  এ কথা বলেছে। আমি চাই আন্দোলন চলুক, তাছাড়া দেখা যাচ্ছে যে সকলেই আন্দোলনে করছে। ন্যায় বিচারের জন্য যাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়ছেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে আছি।’’

    প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা!

    নিহত চিকিৎসকের বাবা বলেন, ‘‘গোটা ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছে। শুধু  আমি নই,  গোটা দেশ সে কথা বলছে। হাসপাতালে (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ যদি প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করে থাকেন, তবে শাস্তি পাবেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই। গোটা বিশ্বে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। আমি সকলকে কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, পুরো বিচার বিভাগের ওপর আস্থা আছে। তবে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আরজি করে সিআইএসএফ মোতায়ন নিয়ে আমি এখনি কোনও কথা বলব না। যেহেতু এটি বিচারাধীন বিষয়।’’  

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    কী বললেন রাজ্যপাল

    মঙ্গলবার বেলা ২টো নাগাদ দিল্লি থেকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) ফোনে চিকিৎসকের বাবাকে বলেছেন, ‘‘আপনি হিম্মত রাখুন। আমাদের যতদূর যাওয়ার যাব। আপনি ন্যায় বিচার পাবেন।’’ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন বলেও জানান রাজ্যপাল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ছোট্ট ডাক্তার বোনটির আত্মা কষ্ট পেত’’, রাজভবনে কেন যাননি, জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘ছোট্ট ডাক্তার বোনটির আত্মা কষ্ট পেত’’, রাজভবনে কেন যাননি, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে পড়ুয়া চিকিৎসকের  ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য। স্বাধীনতা দিবসে নারী সুরক্ষার দাবিই ছিল রাজ্যজুড়ে। পরোক্ষে এই ঘটনার জন্যই স্বাধীনতা দিবসের চা চক্রে রাজভবনে (Raj Bhawan) দেখা যায়নি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। শুক্রবার সেই অনুপস্থিতির কারণ জানালেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । 

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বৃহস্পতিবারের সেই চা চক্রে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম প্রমুখ। তবে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) না যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে বাড়ে জল্পনা। শুক্রবার শুভেন্দু সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন “স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজভবনের চা চক্রে মাননীয় রাজ্যপাল আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু এদের (উপস্থিতি অতিথি) সঙ্গে দেখা হয়ে হলে আমার ছোট্ট ডাক্তার বোনটির বিদেহী আত্মা হয়তো কষ্ট পেত। তাই আমন্ত্রণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।” চা চক্রের ছবির সঙ্গে আমন্ত্রণপত্রটিও পোস্ট করেছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট! পাশবিক অত্যাচার, গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুরা

    রাজভবনের চা-চক্র

    আরজি কর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজ্যে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে নেমে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় জমায়েত চলছে। নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে রাজ্য তথা দেশ। তাই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে অন্যান্যবারের মতো এবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়নি। তবে রাজভবনে (Raj Bhawan) প্রতিবারের মতো চা-চক্রের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে যাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য, ১৫ অগাস্টের চা চক্রে ১০ জনের প্রতিনিধি দলকে নিয়ে রাজভবনে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য পরে জানান, তাঁর রাজভবনে একা যেতে অসুবিধা ছিল তাই প্রতিনিধিদের নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে জলস্পর্শ করেননি। তবে রাজভবন সূত্রে খবর, কমিশনার এবং মেয়রকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি স্বাধীনতা দিবসের চা-চক্রে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ’’, মমতাকে চিঠি দিয়ে রিপোর্ট তলব বোসের

    CV Ananda Bose: ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ’’, মমতাকে চিঠি দিয়ে রিপোর্ট তলব বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে কার্যকর হওয়া নতুন তিন আইনের পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন করল নবান্ন। এরপরই রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, এই সিদ্ধান্তের পরেই রাজ্যের কাছে নতুন কমিটি সম্পর্কে তথ্য তলব করেছেন রাজ্যপাল বোস। শুধু তা-ই নয়, কেন্দ্রের প্রস্তাবে রাজ্য সরকার সময়ে জবাব দিয়েছিল কি না, তা-ও জানতে চেয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হয়ে উঠতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ।’’

    রাজ্যের তৈরি কমিটি

    জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে দেশে কার্যকর হয়েছে তিন নতুন ফৌজদারি আইন। ‘ভারতীয় দণ্ডবিধি’, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য আইন’ বাতিল হয়ে লাগু হয়েছে ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ও ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। কার্যকর হওয়া ওই তিন আইন খতিয়ে দেখতে বুধবার সাত সদস্যের একটি কমিটি গড়েছে রাজ্য সরকার। কমিটিতে থাকছেন অসীম রায়, মলয় ঘটক, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অ্যাডভোকেট জেনারেল সঞ্জয় বসু, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তাঁর এই তিন নতুন আইন নিয়ে পর্যালোচনা করবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগেই বলেছিলেন যে, এই আইন নিয়ে বাদল অধিবেশনে সরব হবে তাঁর দল। তার আগেই আইন খতিয়ে দেখতে এই কমিটি গঠন করা হল। নবান্নর তৈরি করা সেই কমিটি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    আরও পড়ুন: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    রাজ্যপালের বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কাছে এই কমিটি তৈরির উদ্দেশ্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলা ব্যানানা রিপাবলিক হতে পারে না।’’ তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার যখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে নয়া আইন প্রনয়ণের আগে মতামত চেয়েছিল, তখন কোনও প্রত্যুত্তর রাজ্য দিয়েছিল কি?’’ রাজভবন সূত্রে খবর, ঠিক কী কারণে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে, কমিটির কাজ কী হবে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর মত, ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হয়ে উঠতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ। সারা দেশ যখন নতুন আইন অনুযায়ী চলছে, তখন বাংলা তার থেকে আলাদা হতে পারে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সম্পর্কে আর কোনও মর্যাদাহানিকর মন্তব্য নয়। রাজ্যপালের করা মামলায় মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে শুনানি হয় এই মামলার। সেই শুনানিতেই মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে রাজ্যপাল সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য বলেছে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১৪ অগাস্ট পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও রিয়াদ হোসেন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না। মূলত অন্তর্বর্তী আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ। 

    আগে কী ঘটেছিল?  

    রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অবমাননাকর কথা বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এর জেরে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেছিলেন খোদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তিনি। এবার সেই মামলায় হাইকোর্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথায় রাশ টানল। অর্থাৎ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে যাতে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য করা না হয় তা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট জানিয়েছে, রাজ্যপাল একজন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যায় না। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সুযোগ নিয়ে এটা করা যায় না।  

    কেন এই মানহানির মামলা?

    তৃণমূলের দুই জয়ী প্র্রার্থীর শপথকে কেন্দ্র করে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিকে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই অপমানিত হয়েছিলেন রাজ্যপাল। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন: ওমানে মাঝ সমুদ্রে উল্টে গেল তেলের ট্যাঙ্কার, নিখোঁজ ১৩ জন ভারতীয়

    আদালত কী জানিয়েছে? (Calcutta High Court) 

    এ বিষয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলাকারীর দাবি অনুযায়ী, তাঁর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বেশ কিছু মন্তব্যে। ওই রকম মন্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত। যদি এই পর্যায়ে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ মঞ্জুর-না করা হয় তবে মামলাকারীর বিরুদ্ধে মানহানিকর বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টিতে উৎসাহ দেওয়া হবে। বিচারপতি রাও এর আগে নির্দেশ দিয়েছিলেন, রাজ্যপাল বোস সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী মমতার মন্তব্য যে সব সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলিকেও এই মামলায় যুক্ত করতে হবে।

    রাজ্যপালের মন্তব্য (CV Ananda Bose)

    এ প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেছিলেন, কেউ যদি আমার সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করেন তবে তিনি যেই হোন তাকে ভুগতেই হবে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমার সাংবিধানিক কলিগ। আমি সেই হিসাবেই তাঁকে মর্যাদা দিয়েছি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা নিয়ে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকিটা আদালত (Calcutta High Court) বিচার করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা রাজ্যপালের মানহানি মামলার শুনানি শেষ, কী বলল হাইকোর্ট?

    CV Ananda Bose: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা রাজ্যপালের মানহানি মামলার শুনানি শেষ, কী বলল হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে সোমবার।  শুনানিতে দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে অন্তর্বর্তী নির্দেশ আপাতত মুলতুবি রেখেছে উচ্চ আদালত। সপ্তাহের প্রথম দিন এই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চে।

    কী বলল আদালত

    সোমবারের শুনানিতে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) আইনজীবী বলেন, ‘‘রাজ্যপাল সম্পর্কে মানহানিকর মন্তব্য করা হয়েছে। দুই নবনির্বাচিত বিধায়কের শপথ নিয়ে রাজ্যপাল চিঠি দিয়েছিলেন। সেই চিঠিতে কোনও ভয়ের কথা ছিল না। তার পরেও মহিলারা রাজভবনে যেতে ভয় পান— এই ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে। এটা বিদ্বেষমূলক মন্তব্য। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মন্তব্য করা হয়েছে , এটা তো সঠিক।’’ মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর পাল্টা সওয়াল, ‘‘দু’টি অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। রাজভবনের এক মহিলা কর্মী এবং এক জন নৃত্যশিল্পী অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) ওই মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর ওই মন্তব্য মানহানিকর নয়। তার পরই রাজ্যপালের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, ‘‘দুই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা শপথ নেবেন। এটা প্রশাসনিক কাজকর্মের মধ্যে পড়ে। কিন্তু সেখানে অন্য বিষয় কেন জুড়ে দেওয়া হল?’’ দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর শুনানি মুলতুবি করে দেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: মন্দির ভেঙে মসজিদ? ভোজশালার ওপর সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়ল আদালতে

    কোন প্রেক্ষিতে মামলা

    দুই বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রেয়াত হোসেন সরকারের শপথগ্রহণের ইস্যুতে দীর্ঘ টানাপোড়ন চলেছে। শপথ না হওয়ার বিষয় নিয়ে রাজ্যপালকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্লীলতাহানির যে অভিযোগ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে উঠেছিল সেই প্রসঙ্গ টেনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূল নেতারা সম্মানহানিকর মন্তব্য থেকে বিরত থাকুক, আদালতের কাছে এই আর্জি জানিয়ে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সি ভি আনন্দ বোস। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: সংবিধান অমান্য করেছেন বিধানসভার স্পিকার, রাষ্ট্রপতিকে নালিশ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: সংবিধান অমান্য করেছেন বিধানসভার স্পিকার, রাষ্ট্রপতিকে নালিশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধান অমান্য করে তৃণমূলের দুই বিধায়ককে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন, এই মর্মে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নালিশ জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। শুক্রবারই তৃণমূলের দুই বিধায়ক বরাহনগরের সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভগবানগোলার রেয়াত হোসেন সরকারকে বিধানসভায় শপথ গ্রহণ করিয়েছেন বিমান।

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    বৃহস্পতিবার রাজভবনের তরফে বিধায়কদের শপথগ্রহণের জন্য ডেপুটি স্পিকারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশেরই উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া রিপোর্টে রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল রাজভবনের তরফে। কিন্তু স্পিকার সেই নির্দেশ অমান্য করে সংবিধানকেও অমান্য করেছেন। এদিনই রাজভবনের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে বিষয়টি পোস্ট করে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন রাজ্যপাল বোস (CV Ananda Bose)। রাজ্যপাল বলেছেন, ‘‘স্পিকারের সংবিধান অমান্য করা নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।’’ রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে এরপরের পদক্ষেপও জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল।

    রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত (CV Ananda Bose)

    ৪ জুন সারা দেশের লোকসভা ভোটের ফলাফলের সঙ্গে রাজ্যের দুই বিধানসভা উপ নির্বাচনের ফলও প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু শপথ ঘিরে রাজভবন বনাম বিধানসভার মধ্যে জটিলতা তৈরি হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বিধায়কদের শপথগ্রহনের দায়িত্ব দেন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যদিও এদিন ডেপুটি স্পিকার নন, স্পিকারই শপথবাক্য পাঠ করান। রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে এই বিষয়টির উল্লেখ করে রাজ্যপাল লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার সাংবিধানিক রীতি নীতিও মানছেন না। সম্প্রতি নবান্নের একটি সরকারি বৈঠক থেকে রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছিলেন মমতা। রাজ্যের দুই হবু বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রায়াত হোসেন সরকারের শপথগ্রহণ নিয়ে রাজভবনের সঙ্গে রাজ্যের যে টানাপড়েন চলছে, সে ব্যাপারে সরব হন মমতা। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন রাজ্যপাল। এবার বিষয়টি রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত গড়াল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share