Tag: cwc

cwc

  • Vande Mataram Row: বন্দে মাতরমের প্রথম দুই স্তবককে অনুমোদন! কংগ্রেসকে তুলোধনা শাহ-নবীনের

    Vande Mataram Row: বন্দে মাতরমের প্রথম দুই স্তবককে অনুমোদন! কংগ্রেসকে তুলোধনা শাহ-নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে মাতরমের প্রথম দুই স্তবক গাওয়া নিয়ে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে আসছে এবং পুরো জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের পরিবর্তে শুধু প্রথম দুই স্তবক (Vande Mataram Row) গাওয়ার সিদ্ধান্ত সেই রাজনীতিরই প্রতিফলন। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তকে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বৃহস্পতিবার শাহ বলেন, কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থবিরোধী। তাঁর দাবি, ১৯৩৭ সালের কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে দলের বর্তমান নেতৃত্ব বন্দে মাতরমের শুধু প্রথম দুই স্তবক গাওয়ার অবস্থান বজায় রেখেছে।

    শাহি-কথা (Vande Mataram Row)

    সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাহ (Amit Shah) বলেন, “গতকাল (বুধবার) কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী কমিটি একটি বিস্ময়কর এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৯৩৭ সালের দলের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে তারা মহান গান বন্দে মাতরমের মাত্র দু’টি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” শাহের দাবি, ১৯৩৭ সালে রাজনৈতিক কারণে বন্দে মাতরমের পরিবেশন সীমিত করার সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলেছিল। তাঁর অভিযোগ, এর ফলে দ্বিজাতিতত্ত্বের ধারণা শক্তিশালী হওয়ার পরিবেশ তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত দেশভাগের পথ প্রশস্ত হয়।

    শাহ বলেন, “আমি গোটা দেশকে মনে করিয়ে দিতে চাই, ১৯৩৭ সালে মুসলিম তুষ্টিকরণের জন্য কংগ্রেস বন্দে মাতরমকে দুই ভাগে ভাগ করে দেশভাগের ভিত্তি তৈরি করেছিল। সেখান থেকেই দ্বিজাতিতত্ত্ব শক্তিশালী হয় এবং শেষ পর্যন্ত দেশভাগ হয়, পাকিস্তানের জন্ম হয়।” কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সমস্ত সরকারি দফতরে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরম পরিবেশনের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, কংগ্রেস তার পক্ষে না থাকায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শাহ। তাঁর বক্তব্য, বন্দে মাতরমের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে এই গানকে সামনে রেখে লড়াই করা দেশপ্রেমিকদের ঐতিহ্যের প্রতিও কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অসম্মানজনক।

    কংগ্রেসের যুক্তি

    তবে কংগ্রেস তাদের অবস্থান থেকে সরেনি। দলের কার্যনির্বাহী কমিটির ১৯৩৭ সালের সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল জানান, সেই সময় দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, দলের কর্মীরা এখনও সেটিই অনুসরণ করবেন (Vande Mataram Row)। বেণুগোপাল বলেন, “আমাদের অবস্থান একেবারে পরিষ্কার। ১৯৩৭ সালের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেখানে মহাত্মা গান্ধী, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুভাষচন্দ্র বসু এবং সর্দার প্যাটেল-সহ সেই সময়ের দলের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আমরা সেটিই মেনে চলব। আমাদের কংগ্রেস কর্মীরা সেই সিদ্ধান্তই অনুসরণ করবেন। এটাই আমাদের অবস্থান।”

    তাল কাটে কংগ্রেসের স্বাধীনতা দিবস পালনের অনুষ্ঠানে

    গত ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। কংগ্রেসের সদর দফতরে বন্দে মাতরম পরিবেশনের সময় দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতার কথাবার্তার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপি নেতারা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জাতীয় গানের প্রতি অসম্মানের অভিযোগ তোলেন। বিজেপির অভিযোগ ছিল, পূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরম (Vande Mataram Row) পরিবেশন নিয়ে কংগ্রেস আপত্তি জানিয়েছে। যদিও সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে কংগ্রেস। এর পরেই বিষয়টি বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বৃহত্তর রাজনৈতিক সংঘাতের রূপ নেয়। জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় প্রতীকের ব্যবহার, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস এবং জাতীয়তাবাদের ব্যাখ্যা নিয়ে দুই দলের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।

    কংগ্রেসের আত্মপক্ষ সমর্থন

    কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেও দলের সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেস দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনেই বন্দে মাতরমের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ পরিবেশন করছে। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে গান্ধী, নেহরু ও প্যাটেলের মতো নেতাদের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় গানের মতো বিষয়কে বিজেপি রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করেন খাড়্গে। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার নির্দিষ্ট সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম পরিবেশনের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিধি বা রীতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। জাতীয় গানটির মর্যাদা ও পরিবেশন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আইনগত সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়েও সংসদে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে বিতর্কটি এখন শুধু কতগুলি স্তবক গাওয়া হবে, সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। জাতীয় প্রতীক, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস, অতীতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং জাতীয়তাবাদ নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিও এই বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে।

    কংগ্রেসকে ‘মুসলিম লিগ’-এর সঙ্গে তুলনা গিরিরাজ সিংয়ের

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংও কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। তাঁর দাবি, বন্দে মাতরমের বিরোধিতা আসলে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরোধিতা। তিনি বলেন, “এটি শুধু বন্দে মাতরমের বিরোধিতা নয়, আমাদের বিপ্লবীদের বিরোধিতাও। এখন কংগ্রেস মুসলিম লিগে পরিণত হয়েছে। এটি গান্ধীজির কংগ্রেস নয় (Amit Shah), এটি সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস।”

    ১৫ অগাস্ট কংগ্রেসের সদর দফতরে পুরো বন্দে মাতরম পরিবেশনের সময় সোনিয়া, রাহুল এবং খাড়্গের প্রতিক্রিয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন গিরিরাজ। তিনি বলেন, “১৫ অগস্ট কংগ্রেস দফতরে পূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরম পরিবেশনের সময় সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী এবং মল্লিকার্জুন খাড়্গের মুখের দিকে তাকান। মনে হচ্ছিল, কেউ যেন তাঁদের জোর করে বিষ পান করাচ্ছে (Vande Mataram Row)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা নিতিন নবীনেরও

    বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনও কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বন্দে মাতরমের মতো পবিত্র মাতৃভূমির বন্দনার প্রতি কংগ্রেসের অবস্থান দেশের জন্য আত্মবলিদান দেওয়া শহিদদের প্রতি অসম্মানের সমান। তিনি বলেন, “ভারতমাতার পবিত্র বন্দনার এই অসম্মান সেই হাজার হাজার শহিদের প্রতি অবজ্ঞা, যাঁরা এই গানকে হৃদয়ে ধারণ করে দেশের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আজ কংগ্রেস নতুন মুসলিম লিগে পরিণত হয়েছে। এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক অবস্থান রক্ষা নয়, বরং সেই ভোটব্যাঙ্কের প্রতি ক্ষুধার প্রমাণ, যার বেদিতে কংগ্রেস বারবার দেশের আত্মসম্মান বন্ধক রেখেছে (Amit Shah)।”

    ফলে বন্দে মাতরমের কতগুলি স্তবক পরিবেশন করা হবে, সেই প্রশ্নটি এখন নিছক সাংস্কৃতিক বা আনুষ্ঠানিক বিতর্কে সীমাবদ্ধ নেই। জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তরাধিকার, ধর্মীয় সংবেদনশীলতা এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে আরও তীব্র হয়ে উঠেছে বিজেপি-কংগ্রেসের সংঘাত (Vande Mataram Row)।

     

  • ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপ মেলাল বিরাট-নবীনকে! রেকর্ড গড়েও নিরুত্তাপ, কাপ জয়ই লক্ষ্য রোহিতের

    ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপ মেলাল বিরাট-নবীনকে! রেকর্ড গড়েও নিরুত্তাপ, কাপ জয়ই লক্ষ্য রোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরাট কোহলির মঞ্চে রোহিত শর্মার ‘শো’ দেখল কোটলা। হিটম্যানের দাপটে খড়কুটোর মতোই উড়ে গেল আফগানিস্তান। ভাল খেললেন কোহলিও।  বিশ্বকাপে দ্রুততম হাজার রান,  সপ্তম শতরান একাধিক রেকর্ড গড়েও ম্যাচ শেষে নিরুত্তাপ ভারত অধিনায়ক। বললেন,  ‘আমি রেকর্ড নিয়ে খুব একটা বেশি ভাবতে চাই না। দীর্ঘ পথ চলতে হবে। রেকর্ড করলে সব সময়ই ভালো লাগে। কিন্তু এখন নিজের রেকর্ডের কথা ভাবছি না। সেই সব ভাবতে গেলে মনঃসংযোগ নষ্ট হতে পারে। প্রতিযোগিতা সবে শুরু হয়েছে। আমার লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা।’

    কী বললেন রোহিত

    পর পর দুটো ম্যাচ জিতে শনিবার চির প্রতিদ্বন্দ্বি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে রোহিত-ব্রিগেড।  ভারত অধিনায়কের কথায়, “পাকিস্তানকেও হারাতে হবে। ফোকাস নষ্ট করা চলবে না। পর পর দুটো ম্যাচ জিতে ভালো লাগছে। তবে জয়ের ধারা বজায় রাখতে হবে। ” তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘বিশ্বকাপে শতরান করা সব সময়েই আনন্দের। আমি ভালোই খেলছিলাম। খালি বড় রান পাচ্ছিলাম না। কিন্তু জানতাম, বড় রান আসবে। ব্যাটে বল ভাল আসছিল। তাই শুরু থেকে চালিয়ে খেলেছি। এটাই আমার খেলার ধরন। আমি আক্রমণাত্মক খেলতে ভালবাসি।’

    দিল্লি দেখল অন্য দৃশ্য

    রোহিতের রেকর্ডের সঙ্গে সঙ্গেই এদিন দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম সাক্ষী থাকল আরও অনেক কিছুর। আফগানিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার পরই আলোচনায় ছিল বিরাট কোহলি বনাম নবীন উল হক। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের গত সংস্করণে তাদের বিতর্ক ‘মুখরোচক’ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু কোটলা দেখল অন্য ছবি। বিশ্বকাপ মেলাল বিরাট-নবীনকে। সমর্থকরা কী চাইছিলেন, তা অজানা। তবে সবটাই যে অতীত, বুঝিয়ে দিলেন কিং কোহলি। যাঁরা নানা সময়ে নবীন-বিরাটের ঘটনায় বিদ্রুপ করেছিলেন, তাঁদের ধুয়ে দিলেন কমেন্ট্রি বক্সে থাকা গৌতম গম্ভীর। তেমনই প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন বিরাট কোহলি এবং নবীন উল হককে।আফগানিস্তান ইনিংসে নবীন উল হক ব্যাটিংয়ে নামতেই, স্প্লিট স্ক্রিনে ধরা হল বিরাটকে। জায়ান্ট স্ক্রিনে দু-জনকে একসঙ্গে দেখাতেই গ্যালারিতে ব্যাপক আওয়াজ। বিরাট হাসতে থাকেন পুরনো ঘটনা নিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায়।

    ঈশানের আউটে বিরাট কোহলি ক্রিজে নামতেই বোলিংয়ে আনা হয় নবীনকে। কয়েকটি ডেলিভারি সামলে নিলেন। রান নেওয়ার সময় নবীনের পাশ দিয়ে দৌড়ছিলেন বিরাট। ক্যামেরা ধরল তাঁদেরই। কিছুক্ষণ পরই অনবদ্য একটা দৃশ্য। বিরাট-নবীন হাত মেলাচ্ছেন। আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারের পিঠ চাপড়ে দিচ্ছেন বিরাট কোহলি। গ্যালারির দিকেও ইশারা করলেন, উৎসাহ দাও এই তরুণকে। গ্যালারিও ভুলে গেল। গালি নয় তালিতে ভরে উঠল চারপাশ। সমালোচকদের জাবাব দিয়ে ধারাভাষ্যে থাকা গৌতম গম্ভীরও প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন বিরাটকে। বললেন, “বিরাট মানের ক্রিকেটারের থেকে এমন পরিণত আচরণই প্রত্যাশা করেন।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share