Tag: DA case

DA case

  • Suvendu Adhikari: “আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন”, ডিএ মামলার রায়ের পর প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন”, ডিএ মামলার রায়ের পর প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায় (DA Verdict) সামনে আসতেই তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একেবারে ধুয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি এই জয়কে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সম্মিলিত লড়াইয়ের জয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার বলে এসেছেন ডিএ কর্মচারীদের অধিকার নয়। আজ(বৃহস্পতিবার) দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিল ডিএ হল আইনসিদ্ধ ন্যায্য অধিকার, কোনও অনুদান নয়।”

    শুভেন্দুর অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর অভিযোগ, কলকাতা হাইকোর্টে হারের পর রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে বড় বড় উকিল দাঁড় করিয়ে কর্মচারীদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করেছে। আন্দোলনকারীদের ধৈর্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “পুলিশের লাঠির ঘা উপেক্ষা করেও, যাঁরা আইনি পথে লড়াই চালিয়েছেন, এই জয় তাঁদেরই।” সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ একটি পোস্টে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, “ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করলেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট। আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল প্রমাণিত হলেন, নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার জন্য তিনি বারবার বলে এসেছেন যে ডিএ কর্মচারীদের অধিকার নয়।” পরে তিনি (Suvendu Adhikari) লেখেন, “দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, বহু বছরের সংগ্রামের পর অবশেষে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা মহামান্য আদালতের নির্দেশে তাঁদের ন্যায্য অধিকার অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পেতে চলেছেন।”

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে নিশানা করে শুভেন্দু লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসংবেদনশীল সরকার দীর্ঘ দিন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের তাঁদের প্রাপ্য ন্যায্য মহার্ঘ ভাতা থেকে বঞ্চিত করেছেন। ট্রাইব্যুনাল থেকে মহামান্য কলকাতা হাইকোর্ট, একের (DA Verdict) পর এক আইনি লড়াই জেতার পরেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কোটি কোটি টাকা ধ্বংস করে দেশের তাবড় আইনজীবীদের দাঁড় করিয়েছেন শুধুমাত্র প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে। কর্মচারীরা আন্দোলন করলে পুলিশের লাঠির আঘাত ধেয়ে এসেছে, তবুও তাঁরা ধৈর্য ধরে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন ও দেশের আইনি ব্যবস্থার ওপর ভরসা করে আইনি পথে লড়াই এই জয় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের লড়াইয়ের জয়, ন্যায্য অধিকারের জন্য আপসহীন এই লড়াইকে আমি কুর্নিস করি। রাষ্ট্রবাদী মনোভাবাপন্ন-সহ সকল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিক্রিয়া

    দেশের শীর্ষ আদালতের রায়ের পরেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। মঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, “১১০৬ দিন পরে আজ আমাদের লড়াই সার্থকতা পেল। আমরা এই রায়কে স্বাগত জানাই, তবে আমাদের নজর থাকবে রাজ্য সরকার আদালতের এই নির্দেশ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (Suvendu Adhikari) কার্যকর করে কিনা, সেদিকে।” বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ (DA Verdict) পান। আর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ পান ৫৮ শতাংশ হারে। ফারাক ৪০ শতাংশের।

    ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার

    বৃহস্পতিবার রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, রোপা রুল অনুযায়ী ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। বাকি বকেয়ার ৭৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য নয়া কমিটি গঠনের কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা এবং আরও দুই বিচারপতি। এই কমিটিই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বকেয়া ডিএ কীভাবে এবং কতগুলি কিস্তিতে দিতে হবে। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশ মেনে এই (Suvendu Adhikari) ডিএ মেটাতে গেলে রাজ্যকে দিতে হবে ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা (DA Verdict)।

     

  • DA Case: ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটাতেই হবে রাজ্যকে, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    DA Case: ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটাতেই হবে রাজ্যকে, নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত মামলার (DA Case) রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের বেঞ্চ রায় ঘোষণা (Supreme Court) করে জানিয়ে দিল বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ এখনই মেটাতে হবে রাজ্য সরকারকে। এজন্য সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    ২৫ শতাংশ ডিএ (DA Case)

    জানিয়ে দিয়েছে, ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে মেটাতে হবে ২৫ শতাংশ ডিএ। ১৫ মে মাসের মধ্যে জমা দিতে হবে এ সংক্রান্ত রিপোর্টও। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশে যে খানিক বিপাকে পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার, তা বলাই বাহুল্য। প্রসঙ্গত, ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার চূড়ান্ত শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। তার পর থেকে রায়দানের অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন সরকারি কর্মীরা। এর প্রায় চার মাস পর শেষমেশ রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্ট সেই সময় কেন্দ্রীয় হারে ৩১ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। তার পর থেকে মামলা ঝুলেছিল সুপ্রিম কোর্টে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলার শুনানি শেষ হয়। রায় হল আজ, বৃহস্পতিবার।

    শীর্ষ আদালতের রায়

    উল্লেখ্য যে, গত বছর ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে বকেয় ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। শীর্ষ আদালত প্রথমে জানিয়েছিল, বকেয়া ডিএ-র ৫০ শতাংশ দিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। সেই সময় রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি জানান (Supreme Court), ৫০ শতাংশ বকেয়া ডিএ এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে রাজ্য চালানোই দায় হয়ে উঠবে। তখন আদালত নির্দেশ দেয়, আগামী ছ’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে অন্তত ২৫ শতাংশ ডিএ দিতেই হবে (DA Case)। অর্থাৎ, ২০০৮ সালের অগাস্ট থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যে পরিমাণ ডিএ বকেয়া ছিল, তার ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল রাজ্য

    নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ডিএ দিতে না পারায় ফের একবার আদালতের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চায় রাজ্য। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই শুনানি শুরু হয়েছিল ৪ অগাস্ট থেকে। ৮ সেপ্টেম্বর শেষ হয় শুনানি। এদিন আগের সেই রায়ই বহাল রাখল দেশের শীর্ষ আদালত। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, রোপা রুল অনুযায়ী ডিএ সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। বকেয়া ডিএর ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি বকেয়ার ৭৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য নয়া কমিটি গঠনের কথাও বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা এবং আরও দুই বিচারপতি। এই কমিটিই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বকেয়া ডিএ কীভাবে এবং কতগুলি কিস্তিতে দিতে হবে। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশ মেনে এই ডিএ মেটাতে গেলে রাজ্যকে দিতে হবে ১০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

    কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএর ফারাক

    জানা গিয়েছে, বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মীরা (Supreme Court) ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পান। আর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ পান ৫৮ শতাংশ হারে। ফারাক ৪০ শতাংশের (DA Case)। এই গোটা মামলায় মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন নিয়ম। বাংলার নিয়ম ছত্তিশগড়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। পশ্চিমবঙ্গ ২০১০ সাল পর্যন্ত নিজস্ব নিয়ম অনুসরণ করেছে। এর পর ২০১০ সালের নীতি থেকে সরে আসে রাজ্য সরকার। সেই সময় রাজ্য সরকার যে নিয়মে চলত, এখন তা অনুসরণ করা হয় না। ট্রাইব্যুনাল ও হাইকোর্ট যে তাঁদের যুক্তি সমর্থন করেছে, তাও জানিয়েছেন বিকাশরঞ্জন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, আজ বিচারপতিরা ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। আদালত বলেছে, ডিএ দিতে হবে। কর্মচারীদের জয় হয়েছে। ২৫ শতাংশ এরিয়ার-সহ ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। একটি কমিটিও গঠন করে দেওয়া হয়েছে। এদিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে খানিকটা স্বস্তিতে রাজ্য সরকারের কর্মীরা। রায় ঘোষণার পরেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ভাস্কর ঘোষ সাফ জানিয়ে দেন, এরপরও যদি রাজ্য সুপ্রিম (Supreme Court) নির্দেশ কার্যকর না করে, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে (DA Case)।

     

  • DA Case: ডিএ ইস্যুতে দশদিনের মধ্যে বসতে হবে রাজ্য এবং কর্মচারী সংগঠনগুলিকে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    DA Case: ডিএ ইস্যুতে দশদিনের মধ্যে বসতে হবে রাজ্য এবং কর্মচারী সংগঠনগুলিকে, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা (DA Case) ইস্যুতে আগেই নবান্নের সঙ্গে কর্মচারী সংগঠনগুলিকে বৈঠকে বসার কথা বলেছিল হাইকোর্ট। সোমবার সেই মামলার পর্যবেক্ষণে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিল উচ্চ আদালত। কেন্দ্রীয় সরকারের হারে মহার্ঘভাতার (DA Case) দাবিতে চলতি মাসের ১০ এবং ১১ তারিখ দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্না কর্মসূচি পালন করে এসেছেন যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের প্রায় ৩০০ অধিক সদস্য। রাজধানীতে তাঁদের ওই ধর্না কর্মসূচিকে ভাল চোখে দেখেনি রাজ্য সরকার। আন্দোলনকারীরা নিজেদের দাবি আদায়ে ধর্নার পাশাপাশি, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির কাছে স্মারকলিপিও জমা দেন। এই আবহে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে আদৌ বরফ গলবে কিনা তানিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। সবচেয়ে বড় কথা হল, মধ্যবর্তী কোনও রেট বা হার স্থির করতে হলে তার ভিত্তি কী হবে সেও একটা প্রশ্ন।
    তবে কলকাতা হাইকোর্ট যখন নির্দেশ দিয়েছে তখন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শিগগির ডাকতে হবে। 

    কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হোক। সেই কমিটি দশ দিনের মধ্যে কর্মচারী সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসুক। আদালতের নির্দেশে এই বৈঠকে রাজ্য কর্মচারী সংগঠনগুলি থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি থাকতে পারবেন। তবে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন যাতে সাধারণ মানুষের পরিষেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি না করে সেদিকেও কর্মীদের দায়িত্ববান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মহামান্য আদালত।
    ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এদিন বলেন, আন্দোলন যাতে সরকারি কাজে বাধা না তৈরি করে তা কর্মচারী সংগঠনগুলিকে দেখতে হবে। তাঁরা যাতে সহমত হন সেই পরামর্শও দিয়েছে আদালত।

    এদিকে সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে। এনিয়ে ছ’বার পিছিয়েছে শুনানি। আগামী শুনানির দিন ঠিক হয়েছে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এখন দেখার তার আগে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির সঙ্গে কর্মচারী প্রতিনিধিদের বৈঠক কবে হয়। তাতে বরফ গলে কিনা।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, নবান্ন ও কর্মচারী সংগঠনের মধ্যে আলোচনায় কোনও মধ্যপথ বেরোবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, বাজেটে ৩ শতাংশ ডিএ (DA Case) বাড়ানোর পর আর এগোনো সম্ভব নয়। সরকারের কাছে সেই আর্থিক পরিসর নেই। আবার কর্মচারী সংগঠনগুলি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ চাইছে। তারা কোনও মধ্যবর্তী শর্তে রাজি হবেন কিনা তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Case: ফের পিছল ডিএ মামলার শুনানি, আদালত বলল ‘বড় সময় প্রয়োজন’

    DA Case: ফের পিছল ডিএ মামলার শুনানি, আদালত বলল ‘বড় সময় প্রয়োজন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের পিছল ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি। আজ, শুক্রবার এই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু এদিন শুনানি স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তী শুনানি কবে হবে, তা এখনও স্থির হয়নি। আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি বলেন, মামলাটি মিসলেনিয়াস ডে-তে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি হওয়া প্রয়োজন।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ

    গত বছর মে মাসে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের যুক্তি, হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত মেনে ডিএ (DA Case) দিতে হলে ব্যয় হবে প্রায় ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। যা রাজ্য সরকারের পক্ষে এই মুহূর্তে বহন করা কঠিন। এদিন রাজ্যের তরফে অভিষেক মনুসিংভি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের দাবি অনুযায়ী ৩ লক্ষেরও বেশি কর্মচারিকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে হলে ৪১ হাজার কোটি টাকার প্রভাব পড়বে কোষাগারের ওপর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিএ সংক্রান্ত নিজস্ব নিয়ম আছে।

    ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য

    এদিন বেলা আড়াইটে নাগাদ মামলাটি উঠলে সরকারি কর্মীদের তরফে উপস্থিত আইনজীবী দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন জানান। যদিও বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি মিত্তলের বেঞ্চ জানায়, যে সব মামলার শুনানিতে সময় লাগে, সেই ধরনের মামলা সোম ও শুক্রবার শোনা হয় না। তাই আজ আর এই মামলার শুনানি করা সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুুন: ‘‘বামপন্থী সরকারের অত্যাচারকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা’’, তোপ রবিশঙ্কর প্রসাদের

    ৫ ডিসেম্বর প্রথমবার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টে ওঠে মামলাটি (DA Case)। এই মামলা শুনানির জন্য বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করা হয়। কিন্তু শুনানির দিনই মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি দত্ত। তাই মামলার শুনানি হয়নি। তার পর থেকে যতবারই শুনানির দিন ধার্য হয়েছে, ততবারই কোনও না কোনও কারণে মামলাটি পিছিয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে ধর্মতলার শহিদ মিনার চত্বরে আন্দোলন করছেন সরকারি কর্মীরা। আন্দোলন হচ্ছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে। দিল্লিতেও ধর্না দিয়েছিলেন তাঁরা। তার পরেও নিজেদের অবস্থানে অনড় রাজ্য সরকার। দ্বারস্থ হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • DA Case: এই নিয়ে ৬ বার! সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    DA Case: এই নিয়ে ৬ বার! সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলা, পরবর্তী শুনানি কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ-এর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ ধর্নায় বসেছেন দিল্লিতে। এরমাঝেই মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি ফের পিছিয়ে গেল। বিচারপতিরা ব্যস্ত থাকায় সই শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে নতুন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২৪ এপ্রিল। প্রসঙ্গত গত বছরের ২০ মে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। তবে রাজ্য সরকার সেই পথে হাঁটেনি। বরং হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েকদিন আগে হাইকোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার প্রথম শুনানির দিন ধার্য ছিল সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু ওই দিন শুনানি হয়নি। এর পর আরও তিন বার পিছিয়ে যায় শুনানি। অবশেষে গত ২১ মার্চ এই মামলার শুনানি হবে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মামলাটির শুনানি আবার স্থগিত রাখা হয়। পরে ফের ১১ এপ্রিল শুনানির কথা থাকলেও এদিন আবার তা পিছিয়ে গেল, এই নিয়ে ছ’বার পিছল শুনানি।

    দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি এম সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে ছিল শুনানি 

    বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি এম সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে এদিন ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি ছিল। অল্প সময়ের জন্য তা হয়ও। তবে মূল মামলা নিয়ে কোনও সওয়াল জবাব হয়নি। এদিন বিচারপতিরা জানান, যেহেতু এটি বড় মামলা এবং শুনানিতে অনেকটা সময় লাগবে তাই আজ তা করা সম্ভব নয়। কারণ আজকের সূচিতে যেসব মামলা রয়েছে তারসঙ্গে ডিএ শুনানি সম্ভব নয়। 

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি রয়েছেন আইনজীবী

    আদালতের পক্ষ থেকে নতুন শুনানি ২৪ এপ্রিল হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়, তার আগে একটা দিন ধার্য করা হোক। যেদিন তাঁরা তাঁদের বক্তব্যটা জানাতে পারেন। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন, শুনানি হলে একই দিনে করা হোক। সেদিন রাজ্যের তরফে তিনিও তাঁর বক্তব্য জানাবেন। শেষ পর্যন্ত ২৪ এপ্রিল তারিখেই নতুন শুনানির দিন ঠিক হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    CBI: এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তিনিই করতেন বিচার। এবার তাঁরই বিচার হবে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এস এন শুক্ল ও তাঁর স্ত্রী শুচিতা তিওয়ারির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল সিবিআই (CBI)। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দায়ের ওই হয়েছে মামলা। ওই দম্পতির বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগ এনেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad HC) বিচারপতি থাকাকালীন এস এন শুক্ল ও তাঁর স্ত্রীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২.৪৫ কোটি টাকা।

    সিবিআই…

    এই প্রথম নয়, এর আগেও এস এন শুক্লর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল সিবিআই। সেটা ২০১৯ সাল। তখন এলাহাবাদ হাইকোর্টে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে, বেআইনিভাবে প্রসাদ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ভর্তির পক্ষে রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি এস এন শুক্ল। সেই মামলা এখনও সিবিআইয়ের আদালতে বিচারাধীন। বস্তুত, সেই প্রথম কোনও কর্মরত বিচারপতির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল।

    দ্বিতীয় বার যে মামলা শুক্লর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে, তাতে সিবিআইয়ের (CBI) অভিযোগ, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কর্মরত থাকার সময় বিচারপতি শুক্ল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শুচিতার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন ২ কোটি ৪৯ টাকা সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সিবিআইয়ের অভিযোগ, বিচারপতি পদে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করেই ওই সম্পত্তি সংগ্রহ করেছেন শুক্ল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘সিবিআই কান অবধি পৌঁছে গেছে…’, কালীঘাটের কাকু সম্পর্কে বললেন সুকান্ত

    এর আগে শুক্লর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল ফেডারেল এজেন্সি। সেটা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস। লখনউ ভিত্তিক প্রসাদ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স নিয়ে একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে তিনি জুডিশিয়ার কোরাপশন করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তার ভিত্তিতেই জমা দেওয়া হয় চার্জশিট। বুধবার সিবিআয়ের তরফে জানানো হয়, আগে যে তদন্ত হয়েছে, সূত্র মারফত তাতে জানা গিয়েছে এস এন শুক্ল একজন পাবলিক সার্ভেন্ট। এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে ছিলেন তিনি। দুর্নীতিমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পদ করেছেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শুচিতা তিওয়ারিও একই অভিযোগে অভিযুক্ত। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট থেকে অবসর নেন বিচারপতি শুক্ল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • West Bengal DA: সুপ্রিম কোর্টের নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ মামলা, শুনানি কবে জানেন?

    West Bengal DA: সুপ্রিম কোর্টের নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ মামলা, শুনানি কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ (West Bengal DA) মামলা। বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই লড়ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের সংগঠন। গত বছর ডিসেম্বরে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। তার প্রায় এক মাস পর নতুন বেঞ্চে গেল রাজ্যের ডিএ মামলা। মামলাটি গিয়েছে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর ডিভিশন বেঞ্চে। আগামী ১৬ জানুয়ারি, সোমবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    কলকাতা হাইকোর্ট…

    গত বছর মে মাসে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। তাদের যুক্তি, হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ডিএ দিতে গেলে খরচ হবে প্রায় ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। যা তাদের পক্ষে বহন করা দুঃসাধ্য। এর পরেই দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্যের কর্মচারী সংগঠন।

    আরও পড়ুুন: মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদল! ঠাঁই পেতে পারেন কারা, জানেন?

    বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের যে বেঞ্চে গিয়েছে রাজ্যের এই ডিএ মামলা (West bengal DA), প্রথমে সেটি সেখানেই ছিল। এই বিচারপতি হৃষিকেশ রায় এবং বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর বেঞ্চেই ছিল এই মামলা। পরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দেশের শীর্ষ আদালতের তরফে বেঞ্চ বদলের কথা জানানো হয়েছিল। পরে নয়া বেঞ্চ গঠন নিয়ে অভিযোগ তোলে আইনজীবীদের একটি পক্ষ। আইনজীবীদের এই অভিযোগে অসন্তুষ্ট হয় সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই শুনানি বাতিল করা হয়।

    প্রসঙ্গত, বকেয়া ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার ফারাক ক্রমশ বেড়েছে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের তরফে ২০১৯ সালের ২৬ জুলাই একটি রায় দেওয়া হয়েছিল। পরে হাইকোর্টে সেই মামলা হলে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের রায়ই বহাল রাখে কলকাতা হাইকোর্ট। তিন মাসের মধ্যে ডিএ (West bengal DA) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। এদিকে, তিন মাসের মধ্যে ডিএ না দেওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে হাইকোর্টে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    DA Case: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের দুই বাঙালি বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। তার পরেই বিচারপতি দত্ত বলেন, আমি আসায় কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তাই এই মামলা আমি শুনব না। বিচারপতি দত্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন বিচারপতি হৃষিকেশ রায়। জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে নতুন বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি।

    বিচারপতি দত্ত…

    এদিন মামলাটি ডিভিশন বেঞ্চে ওঠা মাত্র বিচারপতি দত্ত জানিয়ে দেন, তিনি এই মামলা শুনবেন এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই সরকারি কর্মীদের একাংশ অতি উৎসাহিত হয়ে এই মামলার রায় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। সুপ্রিম কোর্টকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্যে রুষ্ট হন বিচারপতি দত্ত। সহমত পোষণ করেন বিচারপতি রায়ও। তার পরেই পিছিয়ে যায় শুনানি। সরকারি কর্মীদের কেউ কোনও বিরূপ মন্তব্য করে থাকলে তার জন্য দুই বিচারপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের দুই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং মীনাক্ষী অরোরা। তার পরেও নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন বিচারপতি দত্ত ও বিচারপতি রায়।  

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    প্রসঙ্গত, গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর মধ্যে এই মামলায় সব পক্ষকে নিজেদের সংক্ষিপ্ত যুক্তি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী আদালতে থাকছেন না। তাই সুপ্রিম কোর্টের সাত নম্বর কোর্টে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ বসবে না। এই বেঞ্চে যে মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা ছিল, তা হবে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চে। সেই এই ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয়নি ওই মামলার।  

    এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেদিন রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি বলেছিলেন, কলকাতা হাইকোর্ট যে হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তা দেওয়ার সঙ্গতি নেই রাজ্যের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DA Case: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    DA Case: সুপ্রিম কোর্টে দুই বাঙালি বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ডিএ মামলার, জয়ের আশায় সরকারি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঞ্চ বদল হল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ডিএ মামলায় (DA Case)। এই মামলা গেল দুই বাঙালি বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। এঁরা হলেন বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। বুধবার এঁদের বেঞ্চেই হবে ডিএ মামলার শুনানি। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চে চলছিল ডিএ মামলার শুনানি।

    বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত…  

    এক সময় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ছিলেন। পরে বদলি হয়ে যান বম্বে হাইকোর্টে। সোমবার তিনি শপথ নেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে। বিচারপতি হৃষিকেশ রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতেন। পরে সেখানেই বিচারপতি নিযুক্ত হন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন একাধিক মামলায় দীপঙ্কর দত্ত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছিলেন। তাই, তাঁর এজলাসে ডিএ মামলার শুনানি হলে এই মামলায় তাঁরাই জয়ী হবেন বলে আশা সরকারি কর্মীদের।

    প্রসঙ্গত, গত সোমবারই সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ১৪ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর মধ্যে এই মামলায় সব পক্ষকে নিজেদের সংক্ষিপ্ত যুক্তি লিখিত আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী আদালতে থাকছেন না। তাই সুপ্রিম কোর্টের সাত নম্বর কোর্টে বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ বসবে না। এই বেঞ্চে যে মামলাগুলির শুনানি হওয়ার কথা ছিল, তা হবে বিচারপতি হৃষিকেশ রায় ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চে।

    আরও পড়ুন: ‘দাতব্য স্বাগত, তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর ডিএ মামলার (DA Case) শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেদিন রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। তিনি বলেছিলেন, কলকাতা হাইকোর্ট যে হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তা দেওয়ার সঙ্গতি নেই রাজ্যের।

    বুধবার যে বড় কিছু ঘটতে চলেছে, সে ব্যাপারে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার হাজরার সমাবেশেও তিনি বলেন, স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল যখন রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার কথা বলছে, তখন সুপ্রিম কোর্টেও আশা করা যায় কর্মীদের জয় হবে। তিনি বলেন, বর্ধিত হারে ডিএ দিতেই হবে রাজ্যকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • DA Case: ডিএ মামলায় ফের ধাক্কা রাজ্যের! রিভিউ পিটিশন খারিজ করল হাইকোর্ট

    DA Case: ডিএ মামলায় ফের ধাক্কা রাজ্যের! রিভিউ পিটিশন খারিজ করল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগে ফের ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। ডিএ (DA) মামলায় রাজ্যের আর্জি খারিজ হয়ে গেল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta Highcourt)। সরকারি কর্মীদের পক্ষেই রায় দিল আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ হাইকোর্টের পূর্ব নির্দেশই বহাল রাখল। 

    বেঞ্চের তরফে বলা হয়েছে, মহার্ঘ ভাতা (DA Case) সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য। এটা সরকারের তরফে দেওয়া কোনও অনুদান নয়। তাই বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল,সেটাই বহাল রাখছে আদালত। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সরকারি কর্মীদের। প্রায় ৬ বছর ধরে সরকারি কর্মী এবং সরকারের মধ্যে এই মামলা চলছে। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে রাজ্যের সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলি লড়াই চালিয়ে আসছে। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হওয়ার পর চলতি বছরের ২০ মে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটাতে হবে রাজ্য সরকারকে। যার জেরে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দিতে হবে। কিন্ত সেই সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে অগাস্ট মাসে। তবু ডিএ না মেলায় হাই কোর্টে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়। এরপর রাজ্যের তরফে আদালতের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়।

    আরও পড়ুন: ১০ দিন ধরে শুনানি হচ্ছে, এটা চলতে পারে না, হিজাব বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট

    বৃহস্পতিবার এ প্রসঙ্গে রায় দিতে গিয়ে আদালত জানায়, রাজ্য সরকারের আবেদনের কোনও  যুক্তি নেই। তাই আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি গ্রহণ করা যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে আগেই রাজ্য সরকার মেনে নিয়েছিল মহার্ঘ্য ভাতা সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য অধিকার। তাই তহবিলে টাকা নেই বলে উঁচু হারে ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না। রাজ্যের এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। এবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য। ডিএ দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা আপাতত বিচারাধীন রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী ৭ নভেম্বর আদালত অবমাননার মামলাটির শুনানি হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share