Tag: DA news

DA news

  • Arrear DA: বকেয়া ডিএ মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের টাকা এক কিস্তিতেই!

    Arrear DA: বকেয়া ডিএ মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের টাকা এক কিস্তিতেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (Arrear DA) মেটানোর বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal)। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এককালীন এক কিস্তিতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

    অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবার ধাপে ধাপে নয়, একবারেই মেটানো হবে। তবে ওই সময়ের জন্য আগে যে টাকা দেওয়া হয়েছে, তা হিসেবের সঙ্গে ধরা হবে। ফলে একই সময়ের বকেয়া বাবদ যাতে দু’বার অর্থ প্রদান না হয়, সেই বিষয়টিও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একবারেই (Arrear DA)

    ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের যে পরিমাণ মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্য, তা এককালীন মেটানো হবে। হিসেব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্যসূচক এবং ১০০ শতাংশ নিরপেক্ষীকরণের ভিত্তিতে। তবে চলতি বছরের ১৩ মার্চ এবং ২৩ মার্চ জারি করা আগের নির্দেশ অনুযায়ী ওই সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যে অর্থ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, তা নতুন করে নির্ধারিত বকেয়া থেকে বাদ দিয়ে হিসেব করা হবে।

    কার টাকা ভবিষ্যনিধিতে, কার টাকা সরাসরি ব্যাঙ্কে?

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মীদের শ্রেণি অনুযায়ী আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ শ্রেণির কর্মীদের প্রাপ্য বকেয়া অর্থ তাঁদের সংশ্লিষ্ট সাধারণ ভবিষ্যনিধি হিসাবে জমা হবে। অন্যদিকে ‘ঘ’ শ্রেণির কর্মীদের বকেয়া অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক হিসাবে দেওয়া হবে। তবে অবসরের তিন মাস আগে যাঁদের চূড়ান্ত সাধারণ ভবিষ্যনিধির অর্থ মেটানোর সময় এসে গিয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সাধারণ ভবিষ্যনিধিতে জমা হবে না। ওই অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মীর ব্যাঙ্ক হিসাবে দেওয়া হবে। সাধারণ ভবিষ্যনিধিতে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার অর্থ জমা হলেও তা সঙ্গে সঙ্গে তোলা যাবে না। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত ওই অর্থ তোলার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীর অবসর, অবসরজনিত অবসান, মৃত্যু বা পদত্যাগ হলে, যে ঘটনা আগে ঘটবে, সেই অনুযায়ী নিয়ম প্রযোজ্য হবে (Arrear DA)।

    আয়কর কেটে দেওয়া হবে বকেয়া অর্থ

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সময় প্রযোজ্য আয়কর কেটে নেওয়া হবে। পাশাপাশি ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগে যে আয়কর কাটা হয়নি, প্রয়োজন অনুযায়ী তার হিসেবও করা হবে। প্রতিটি দফতরের বেতন ও কর্মীর চাকরিসংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখে সঠিক হিসেব করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে নথি যাচাই করতে হবে। হিসেবের ভুল, যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা অন্য কোনও কারণে কোনও কর্মী তাঁর প্রাপ্যের তুলনায় বেশি অর্থ পেয়ে গেলে সেই অতিরিক্ত অর্থ পরবর্তী সময়ে ফেরত নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে কর্মীর প্রাপ্য অর্থের সঙ্গে তা অ্যাডজাস্টও করা হতে পারে।

    অনলাইন ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে রাজ্য সরকারের অনলাইন মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাতেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের মাধ্যমে বকেয়া অর্থের বিল তৈরি ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে পৃথক বিস্তারিত নির্দেশিকাও জারি করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে রাজ্য সরকার ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দুই কিস্তিতে দেওয়ার (West Bengal) ব্যবস্থা করেছিল। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মেটানোর পদ্ধতি পরে জানানো হবে বলে সেই সময়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল (Arrear DA)।

     

  • DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    DA News: বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ পূরণ শুরু বঙ্গের বিজেপি সরকারের, প্রথমে কারা পাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সঙ্কল্পপত্রে’ (বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারের এমনই নাম) দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ এক এক (DA Arrears Credited) করে শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। এবার পূরণ হচ্ছে বকেয়া ডিএ মেটানোর ‘সঙ্কল্প’ও। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA News) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল নবান্ন। শুক্রবার থেকেই যোগ্য প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা জমাও পড়তে শুরু করেছে।

    কারা পাবেন বকেয়া ডিএ (DA News)

    নবান্ন সূত্রে খবর, আপাতত এই সুবিধা সব অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী পাবেন না। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা অবসর নিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র তাঁদেরই দেওয়া হচ্ছে টাকা। আপাতত এই টাকা পাবেন না এই সময়সীমার আগে-পরে অবসর নেওয়া সরকারি কর্মীরা। ১ জুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে সরকারি কর্মীদের সংগঠনগুলির। সেই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে কর্মীরা। কারণ, যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁরা কবে থেকে বকেয়া ডিএ পাবেন, সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হতে পারে ওই বৈঠকেই। প্রসঙ্গত, ডিএ নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কত দূর এগিয়েছে, বুধবার শুনানির সময় তা জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্য সরকারের তরফে কিছুটা সময় চাওয়া হয়। বাকি সংগঠনগুলিও জানায়, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকের দিন ঠিক করেছেন। তাই এই মামলায় আরও সময় প্রয়োজন। সব পক্ষের সওয়াল শোনার পর শুনানি পিছিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের হবে শুনানি। তার আগে রাজ্যকে ডিএ মামলার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ

    বকেয়া ডিএ নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মেলা অভিযোগ ছিল। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং বকেয়া ডিএ মেটানোর দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। কলকাতা হাইকোর্ট ঘুরে সেই মামলা গিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে। অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ দেওয়া হয়নি। রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে ফেব্রুয়ারি মাসে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চে বিচার চলছে সেই (DA News) মামলার।

    কর্মচারী সংগঠনের বক্তব্য

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হয় মমতার সরকার। ক্ষমতায় আসে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পদ্ম সরকার। তার পরেই শুরু হয় বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া। একাধিক কর্মচারী সংগঠনের দাবি, ঠিক কত শতাংশ হারে ডিএ দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট সরকারি নির্দেশিকা এখনও পর্যন্ত জারি করা হয়নি। তাই কীসের ভিত্তিতে ডিএ (DA Arrears Credited) দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনিশ্চয়তার। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “শুনছি, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা অবসরপ্রাপ্তদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। যদিও আমরা শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং অন্য গ্রান্ট-ইন এইডের কর্মীরা এখনও এক টাকাও পাইনি!’’ সিপিএম সমর্থিত কর্মচারী সংগঠনের কো-অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বিশ্বজিত গুপ্ত চৌধুরী বলেন, “অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই (DA News)।”

     

LinkedIn
Share