Tag: DA

DA

  • Suvendu Adhikari: “ভোটের আগে ললিপপ”! চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভোটের আগে ললিপপ”! চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চার শতাংশ ডিএ বাড়িয়ে লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের হাতে ললিপপ ধরাতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” মুখ্যমন্ত্রীর ডিএ ঘোষণার পর এমনই তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কর্মীদের হাতে ললিপপ?

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ ঘোষণার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে চার শতাংশ হারে ডিএ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একেই নিশানা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলেনতা। এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, “খুচরা মূল্যবৃদ্ধি সূচকের নিরিখে বছরে দু’বার কর্মীদের ডিএ পুনর্বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় সরকার। জানুয়ারি ও জুলাই মাস থেকে তার সুবিধা পেয়ে থাকেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের মহার্ঘভাতার ফারাক বর্তমানে ৪০ শতাংশ। এই ফারাক কমা সম্পূর্ণ তাৎপর্যহীন। কারণ ১ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে কেন্দ্রীয় ডিএ-ও বৃদ্ধি পাবে। ফলে ডিএর ফারাক সেই আগের জায়গায়ই চলে যাবে।” শুভেন্দু লিখেছেন, “এই সামান্য বৃদ্ধি আসলে লোকসভা ভোটের আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের হাতে ললিপপ ধরানোর চেষ্টা ও বিচারালয়ের কঠোর প্রশ্নের মুখে পড়ার হাত থেকে বাঁচার ফিকির মাত্র। তার থেকে বেশি কিছু নয়।” 

    কটাক্ষ করেছেন সুকান্ত মজুমদারও

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি বলেন, “মুখরক্ষার জন্য এসব করছেন। যেহেতু লোকসভা নির্বাচন আসছে। ৪ শতাংশ দিয়ে কী হবে। কেন্দ্রের সমান সমান করতে হবে। সমকাজে সমবেতন, রাজ্য সরকার কেন দিতে পারবে না।” তিনি বলেন, “বিরোধী নেত্রী থাকার সময় তিনি বলেছিলেন, যে সরকার নিজের কর্মীদের কেন্দ্রের হারে ডিএ দিতে পারে না, তাদের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই।”

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতার অ্যালেন পার্কে রাজ্য সরকার আয়োজিত ১৩তম ক্রিসমাস উৎসবের উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এহেন ঘোষণাকেই নিশানা করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), সুকান্ত।

    আরও পড়ুুন: পুঞ্চে সেনা-ট্রাকে পুলওয়ামার ধাঁচে হামলা জঙ্গিদের, শহিদ ৫ জওয়ান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • DA Hike: পুজোর উপহার! ফের ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ল কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের, কত হবে বেতন?

    DA Hike: পুজোর উপহার! ফের ৪ শতাংশ ডিএ বাড়ল কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের, কত হবে বেতন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর ঠিক আগেই বড় ঘোষণা করল মোদি সরকার। ৪ শতাংশ ডিএ (DA Hike) বাড়ল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে কেন্দ্রের কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে হল ৪৬ শতাংশ।

    রাজ্যের সঙ্গে ফারাক

    অক্টোবরে ঘোষণা হলেও নতুন হারে ডিএ (DA Hike) কার্যকর হবে জুলাই মাস থেকেই। এর আগে ২৪ মার্চের ঘোষণায় ১ জানুয়ারি থেকে মিলেছিল বর্ধিত ডিএ। তাতে ডিএ বেড়ে হয়েছিল ৪২ শতাংশ। এখন তা চার শতাংশ বেড়ে হল ৪৬ শতাংশ। আর তাতে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে ফারাক বেড়ে হল ৪০ শতাংশ।

    বেতন কত হবে

    কেন্দ্রের এই ডিএ (DA Hike) বৃদ্ধিতে এক লাফে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন অনেকটাই বেড়ে যাবে। ধরা যাক, এক জন কর্মী যদি ৩৬,৫০০ টাকা মাসিক বেতন পান তবে ৪২ শতাংশ হারে তাঁর ডিএ প্রাপ্তি হয় ১৫,৩৩০ টাকা। সেটা বেড়ে হবে ১৬,৪২৫ টাকা। অর্থাৎ, মাসিক আয় বাড়বে ১,৪৬০ টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরা নতুন ডিএ বৃদ্ধির ফলে বকেয়ার অংশও আগামী মাসের বেতনের সঙ্গে পেয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পে চালের মধ্যে পোকা! তুমুল বিক্ষোভ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    কীভাবে বাড়ল ডিএ

    ডিএ (DA Hike) কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি অংশ হিসাবে গণনা করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকার মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করে বাজারদরের উপরে। এর জন্য সরকারের শ্রম মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা শ্রম ব্যুরো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের পাইকারি মূল্যের হিসাব করে জিনিসপত্রের বর্ধিত বাজারদর ঠিক করে। তার উপরেই নির্ভর করে কতটা ডিএ বাড়ানো হবে। সরকারের সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৪৭ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৬৮ লাখ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতেই হবে”, বিধানসভায় দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতেই হবে”, বিধানসভায় দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। বিজেপি (BJP) যে তাঁদের পাশে রয়েছে, তা একাধিকবার দাবি করেছিলেন বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। বাদল অধিবেশনে তাঁদের সেই দাবিতেই সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    ‘ডিএ দিতেই হবে’

    মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশনে শুভেন্দু বলেন, “রাজ্য সরকারকে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দিতেই হবে।” বিধানসভার বাইরেও ডিএ নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন তিনি। বলেন, “রাজ্যের লাখ লাখ সরকারি কর্মী ও পেনশনাররা বঞ্চিত। তাঁদের ডিএ এবং ডিআর দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের সংসারে টানাপোড়েন চলছে। আর সরকার চুপ করে বসে রয়েছে। এটা বরদাস্ত করা হবে না। ডিএ মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই মামলা বারবার পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এতে সরকারি কর্মীদের ক্ষতি হচ্ছে। তাঁরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করে রয়েছেন। আমরা বিচারাধীন বিষয়ে কথা বলতে চাই না। কিন্তু এই সরকার বারবার বিচারাধীন বিষয়ে কথা বলে।”

    ‘চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা কষ্টে রয়েছেন’

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যের সরকারি কর্মীরা সরকারের দ্বারা অবহেলা, বঞ্চনার শিকার। কেন্দ্রীয় হারে সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতেই হবে। তাঁদের আর্থিক নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত করতে হবে। আর তা যত দ্রুত সম্ভব।” তিনি বলেন, “মেধাবীরা রাস্তায় বসে রয়েছে। সরকার আলোচনা করে সমস্যা মেটাক। সরকারি চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা কষ্টে রয়েছেন। চাষিরা ফসলের দাম পাচ্ছেন না। ফড়েরা দালালি করছে।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে বেতন কাঠামো ও সম কাজে সম বেতন চালু করতে হবে। রাজ্য সরকার অনুমোদিত কয়েক লক্ষ পদ খালি থাকলেও, নিয়োগ হচ্ছে না।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভায় পেশ দিল্লি পরিষেবা বিল, “ক্ষমতা দিয়েছে সংবিধান” ‘ইন্ডিয়া’কে জবাব শাহের

    শুভেন্দু বলেন, “ভিলেজ পুলিশদের বেতন কাঠামো পুনর্মূল্যায়ন করেনি সরকার। ৬ লক্ষ পদের বিলোপ ঘটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ডেটা এন্ট্রি অপারেটররা কেন ১০ হাজার টাকা বেতনে কাজ করবেন? বাংলায় ২ কোটি বেকারের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। এই সরকার অমানবিক, দুর্নীতিগ্রস্ত।” ডিএ নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে। এই মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, “সরকারি কর্মীদের হয়ে বিধানসভায় কথা বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এজন্য বিরোধী দলনেতার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। এটা আমাদের লড়াইয়ের স্বীকৃতি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • DA Protester: ৮ ডিএ আন্দোলনকারীকে আগাম জামিন কলকাতা হাইকোর্টের! কেন জানেন?

    DA Protester: ৮ ডিএ আন্দোলনকারীকে আগাম জামিন কলকাতা হাইকোর্টের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ আন্দোলনকারী (DA Protester) সংগ্রামী যৌথমঞ্চের আট নেতাকে আগাম জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তাঁদের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে ময়দান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন দেবপ্রসাদ হালদার। তিনি একটা সময়ে ডিএ আন্দোলনে ছিলেন। কিন্তু এখন আর তিনি যৌথমঞ্চে নেই। পুরোটাই ষড়যন্ত্র বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সেই মামলায় তাঁদের আগাম জামিন দিয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ, তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে ওই ৮ ডিএ আন্দোলনকারীকে। 

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, যে হেতু তাঁরা সরকারি কর্মচারী, তাই আন্দোলনকারীদের (DA Protester) ক্ষেত্রে কোনও শর্ত দেয়নি আদালত। তবে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে তাঁদের। ডিএ আন্দোলনকারীরা ২ কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে ময়দান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন দেবপ্রসাদ হালদার নামে এক ব্যক্তি। আন্দোলনকারীদের দাবি, অডিট করে দেখা গিয়েছে, এক কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা উঠেছে। সবটাই হিসেবের মধ্যে রয়েছে। ডিএ আন্দোলনকারী ভাস্কর ঘোষ, নির্ঝর কুণ্ডু, রাজীব দত্ত, চন্দন চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপ ঘোষ, ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল, শৈবাল সরকারের নামে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ ওঠে। 

    আরও পড়ুন: ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি হবে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসেই!

    আগাম জামিন পাওয়া বড় জয়

    আদালতের রায়ে আগাম জামিন পাওয়া বড় জয় বলেই মনে করছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা (DA Protester)। এদিন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে ডিএ আন্দোলনকারীদের আইনজীবী জানিয়েছেন,দেবপ্রসাদ হালদার আগে আন্দোলন তুলে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেই পরামর্শ না মানার পর টাকা নয়ছয়ের মিথ্যে অভিযোগ করা হয়। শুনানির পর আদালত এদিন আন্দোলনকারীদের জামিন মঞ্জুর করেছে। গোটা ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। তাদের আন্দোলন ভাঙার জন্য সরকারের তরফে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে দাবি করতে থাকে আন্দোলনকারীরা। কোনওভাবেই তাদের আন্দোলন ভাঙা যাবে না বলে দাবি করে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ৭ দফা দাবি নিয়ে বিজেপির শিক্ষক সেলের বিকাশ ভবন অভিযান

    DA Protest: ৭ দফা দাবি নিয়ে বিজেপির শিক্ষক সেলের বিকাশ ভবন অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে ৭ দফা দাবি নিয়ে রাস্তায় নামল বিজেপির শিক্ষক সেল (BJP Teachers Cell)। মঙ্গলবার দুপুরে বিকাশ ভবন অভিযান করেন তাঁরা। মিছিলের শুরুতেই করুণাময়ী মোড়ে আন্দোলনকারীদের আটকে দেয় পুলিশ। গার্ড রেল ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতে শুরু করে আন্দোলনকারীরা (DA Protest)। পুলিশ প্রাণপণে বাধা দেয় তাদের। তাতেই পুলিশের সঙ্গে বচসা বেঁধে যায় আন্দোলনকারীদের।

    বিজেপির অভিযান

    নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদ-সহ ৭ দফা দাবিতে মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির শিক্ষক সেলের বিকাশ ভবন অভিযান শুরু করে দুপুরে। করুণাময়ী বাস স্ট্যান্ড থেকে বিকাশ ভবনের দিকে মিছিল এগোতে শুরু করে। নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদ ছাড়াও, স্বচ্ছ নিয়োগ ও বকেয়া ডিএ-র দাবি জানিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, অন্যায্য ভাবে যোগ্যরা বঞ্চিত হচ্ছে। দুর্নীতির পথ ধরে যাদের নিয়োগ হয়েছে, সেইরকম ৩২ হাজার জনের চাকরি অবৈধ হয়ে গিয়েছে। তার বদলে যোগ্যদের নিয়োগ করতে হবে। আর এই ৩২ হাজারের মধ্যে যদি কেউ কেউ যোগ্য থাকে, তাদের নিয়োগ করতে হবে। শিক্ষক শিক্ষাকর্মীদের হেলথ স্কিম চালু করতে হবে, শিক্ষকদের বকেয়া ডিএ দিতে হবে, ইত্যাদি দাবি নিয়ে পথে নামে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: “অপদার্থ সরকারের নিজে থেকে পদত্যাগ করা উচিত”, কেন বললেন সুকান্ত?

    সংগ্রামী যৌথমঞ্চের আন্দোলন

    আগামী কাল, ২৪ মে-ও সল্টলেক করুণাময়ীতে এক কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা (DA Protest)। সেদিন বেলা ১টায় সংগ্রামী যৌথমঞ্চের এক সমাবেশ হওয়ার কথা। সংগঠনের তরফে জানানো হয়,  বিকাশ ভবনে ২৪ মে ডেপুটেশন দেবেন তাঁরা। প্রয়োজনে আইনের পথে হাঁটবেন বলেও এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। শনিবার নবান্নের তরফে সরকারি কর্মচারিদের অফিসে হাজিরা সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, অফিসে কর্মসংস্কৃতি ঠিক রাখতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার থেকে আগেভাগে না জানিয়ে কেউ ছুটি নিতে পারবে না। সরকারি হুঁশিয়ারি থাকলেও তাতে দমতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। সরকারি নির্দেশিকা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রয়োজনে টিফিন পিরিয়ডে তাঁরা আন্দোলনে বসবেন, বলে জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার পথ বাতলালেন ডিএ আন্দোলনকারীদের, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার পথ বাতলালেন ডিএ আন্দোলনকারীদের, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি জায়ান্ট কিলার! নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন হাজার দুয়েক ভোটে। তাই মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার কৌশল তাঁর জানা আছে বলে নানা সময় দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়ায় মিছিল করেন বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। তার আগে তাঁরা জড়ো হয়েছিলেন হাজরা মোড়ে। সেখানেই ভাষণ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বাতলে দেন রাজ্য সরকারকে টাইট দেওয়ার কৌশলও।

    প্রশাসন সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) মূল্যায়ন…

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, আপনারা মারপিট করার কোনও কর্মসূচি নেবেন না। রাজ্য প্রশাসন সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন, এরা নিষ্ঠুর, এরা বর্বর, এরা যে কোনও সময় খুন করতে পারে। এরা ট্রিগার হ্যাপি। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, আপনাদের নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। স্ত্রী-পুত্র, পরিবার, বাবা-মা আছেন। অনশন করে শরীর নষ্ট করা যাবে না। এর পরেই রাজ্য সরকারকে টাইট দেওয়ার উপায় বাতলে দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, আপনাদের হাতে কলম আছে। কলমের খাপ বন্ধ করলেই টাইটটা হবে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে এই বিজেপি নেতা বলেন, সরকারের সঙ্গে লাগাতার অসহযোগের পথে হাঁটলে সরকার এমনিতেই সমস্ত দাবিদাওয়া মেনে নিতে বাধ্য হবে। আন্দোলনকে জোরদার করতে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদেরও এই আন্দোলনে শামিল হওয়ার ডাক দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুুন: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    শুভেন্দু বলেন, আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। গণদেবতা ওঁকে হারিয়েছেন, আমাকে সামনে রেখে। উনি কম্পার্টমেন্টাল চিফ মিনিস্টার। আপনারা সবাই সাহায্য করুন। কে জিতবে ঠিক করবেন জনগণ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের এই অত্যাচারী শাসককে প্রাক্তন আমাদের করতেই হবে। তিনি বলেন, নিজের দলের ভোট চাওয়ার আগে বলতে হবে, নো ভোট টু মমতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যে লক্ষ লক্ষ পদে কর্মী নেই। সব চাকরি বেচে দিয়েছে। যাঁরা ধর্মঘটে গিয়েছিলেন, মমতার সরকার দমন-পীড়ন করে তাঁদের একদিনের বেতন কেটে নিয়েছে। বদলি করেছে।

    তিনি বলেন, এই আন্দোলনের প্রথম দিন থেকে ভাস্করবাবু (আহ্বায়ক) সহ পুরো নেতৃত্বকে সমর্থন দিয়েছি আমরা। শুভেন্দু বলেন, জনগণ আমাদের এ রাজ্যের বিরোধী দল করেছেন। বিরোধী দলনেতা মানে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা নয়। যতজন সরকারের দ্বারা, সরকারি দলের দ্বারা আক্রান্ত হবে, তার বিরোধিতায় আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং থাকবও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ফের একবার ডিএ বাড়াতে চলেছে কেন্দ্র, কত হবে বেতন?

    DA: ফের একবার ডিএ বাড়াতে চলেছে কেন্দ্র, কত হবে বেতন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে এ রাজ্যে সরকারি কর্মীদের আন্দোলনের আজ, শনিবার শততম দিন। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে এদিনই মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) পাড়ায় মিছিল করেছেন আন্দোলনকারীরা। এহেন আবহে ফের একবার ডিএ বাড়াতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, ১ জুলাই থেকেই ৩ থেকে ৪ শতাংশ হারে বর্ধিত ডিএ দিতে পারে কেন্দ্র। চলতি বছরই মার্চ মাসে একবার ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ মতো বর্ধিত বেতনও পেতে শুরু করেছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। তার পর দু মাস পেরতে না পেরতেই ফের একপ্রস্ত বাড়তে চলেছে ডিএ। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পান সরকারি কর্মীরা।

    ফের বাড়ছে ডিএ (DA)…

    মূল্যবৃদ্ধির ক্ষতিপূরণ হিসেবে সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের ডিএ (DA) দেয় সরকার। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর জানুয়ারি ও জুলাই এই দুই মাসে সংশোধিত হয় ডিএ। সরকারি কর্মীদের মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয় ডিএ। যাঁরা পেনশনভোগী তাঁদের ডিএ দেওয়া হয় মূল পেনশনের ওপর ভিত্তি করে। অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের ওপর নির্ভর করে এই ডিএ বৃদ্ধির পরিমাণ। শ্রমমন্ত্রক কর্তৃক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স কমেছিল ০.১ পয়েন্ট।

    আরও পড়ুুন: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    এপ্রিলে প্রকাশিত অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, মার্চ মাসে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স বেড়েছে ০.৬ পয়েন্ট। প্রত্যাশিতভাবেই ফের বাড়তে চলেছে ডিএ। সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশে ডিএ আরও ৩ থেকে ৪ শতাংশ বাড়বে বলে সূত্র মারফত খবর। বর্তমানে দেশে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী রয়েছেন ৪৭.৫৮ লক্ষ। আর পেনশনভোগীর সংখ্যা ৬৯.৭৬ লক্ষ।

    বর্তমানে ৪২ শতাংশ হারে ডিএ (DA) দেয় কেন্দ্র। অসমের হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকারও কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিচ্ছে। কিছু দিন আগেই ঝাড়খণ্ড সরকারও সে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ৪২ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। হিমাচল প্রদেশের সরকারও সে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ বাড়িয়েছে ৩ শতাংশ। যার জেরে ওই রাজ্যের কর্মীরা বর্তমানে ৩৪ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • DA: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    DA: ‘শান্তিনিকেতনে’র উঠোন দিয়ে গেল ডিএ-র দাবিতে মিছিল, উঠল ‘চোর, চোর’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে বিগত কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। ডিএ সংক্রান্ত মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। অতীতে, ডিএ-র দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছেন তাঁরা। এবার আন্দোলনের শততম দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়া তথা তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে করলেন এক কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ মিছিল। আদালতের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনেই হয়েছে মিছিল। কেবল অভিষেকের প্রাসাদোপম বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উঠেছে ‘চোর’, ‘চোর’ স্লোগান।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির রাস্তা— হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের দু’ধারে ঠায় দাঁড়িয়ে সাদা পোশাকের কলকাতা পুলিশ। এঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন পুলিশের পদস্থ কর্তারা, তেমনি রয়েছেন ছোট কর্তারাও। ব্যারিকেড করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই রাস্তায় আসা-যাওয়ার যাবতীয় বাই-লেন, বিশেষ করে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট ও হরিশ মুখার্জি রোড সংযোগকারী গলি। এহেন নিরাপত্তা বলয়ের পাশ দিয়ে শনিবার দুপুরে হরিশ মুখার্জি রোড ধরে গেল বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের মিছিল। 

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    এদিন দুপুর ১টা নাগাদ হাজরা মোড় থেকে শুরু হয় মিছিল। হরিশ মুখার্জি রোড ধরে এগোতে শুরু করে মিছিল। শঙ্খধ্বনি, স্লোগানে গমগম করতে থাকে গোটা এলাকা। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকেও সরকারি কর্মীরা যোগ দিয়েছিলেন এদিনের মিছিলে। মিছিলের মধ্যে একটি শববাহী-খাটিয়াও বয়ে নিয়ে যেতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের। সেই খাটিয়ার গায়ে লেখা, ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিবেক’। খাটিয়ায় শোয়ানো হয়েছিল একটি পুতুল। তার গলায় দেওয়া মালা। জ্বালানো হয় ধূপও। মিছিল এগিয়ে চলে ঢিমেতালে। মিছিলের (DA) পথে পড়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস। মিছিল সেখানে পৌঁছতেই ঝড় ওঠে করতালির। আচমকাই বেড়ে যায় স্লোগানের মাত্রাও।

    আরও পড়ুুন: গরুপাচার করে কেষ্টর আয় ৭৭ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা! চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে গত ১০০ দিন ধরে চলছে আন্দোলন। আন্দোলন হচ্ছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের ব্যানারে। দাবি আদায়ে বন্‌ধ পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। করেছেন কর্মবিরতিও। মহামিছিলও হয়েছে বার কয়েক। গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দিল্লির যন্তরমন্তরেও ধর্নায় বসেছিলেন তাঁরা (DA)। বেশ কিছুদিন ধর্মতলায় অনশনও করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। আদালতের নির্দেশে সরকারের সঙ্গে আলোচনায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও সুরাহা হয়নি। শেষমেশ হরিশ মুখার্জি রোডে মিছিল করার পরিকল্পনা করেন আন্দোলনকারীরা (DA)। ঠিক ছিল, ৬ মে ডিএর দাবিতে মিছিল হবে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়। যদিও প্রথমে পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। তার পরেই আন্দোলনকারীরা দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। মামলার শুনানি হয় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। তৃণমূলের ‘আঁতুড়ঘরে’ মেলে মিছিলের অনুমতি। তবে আদালত এই অনুমতি দিয়েছে শর্ত সাপেক্ষে। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মিছিল করতে হবে সুশৃঙ্খলভাবে। এমন কোনও স্লোগান সেখানে দেওয়া যাবে না, যাতে উত্তেজনা ছড়ায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: শনিবারের বারবেলায় ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়, প্রস্তুতি শুরু

    DA: শনিবারের বারবেলায় ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়, প্রস্তুতি শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও তৃণমূল (TMC) নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় মিছিলে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। শেষমেশ আদালতের দ্বারস্থ হন বকেয়া ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। আজ, শনিবার বহু চর্চিত সেই মিছিলই হতে যাচ্ছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। এখানেই রয়েছে মমতার বাড়ি আর অভিষেকের ‘প্রাসাদ’।

    ডিএর দাবিতে মিছিলের ডাক…

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে গত ১০০ দিন ধরে চলছে আন্দোলন। আন্দোলন হচ্ছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের ব্যানারে। দাবি আদায়ে বন্‌ধ পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। করেছেন কর্মবিরতিও। মহামিছিলও হয়েছে বার কয়েক। গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে দিল্লির যন্তরমন্তরেও ধর্নায় বসেছিলেন তাঁরা। বেশ কিছুদিন ধর্মতলায় অনশনও করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। আদালতের নির্দেশে সরকারের সঙ্গে আলোচনায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও সুরাহা হয়নি। শেষমেশ হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মিছিল করার পরিকল্পনা করেন আন্দোলনকারীরা (DA)। ঠিক ছিল, ৬ মে ডিএর দাবিতে মিছিল হবে মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়।

    আরও পড়ুুন: চার্জশিট পেশের পরেও দলীয় পদে কেন অনুব্রত? প্রশ্ন সুকান্তর

    যদিও প্রথমে পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। তার পরেই আন্দোলনকারীরা দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। মামলার শুনানি হয় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। আদালতের প্রশ্ন, শান্তিপূর্ণ মিছিল হলে অসুবিধা কোথায়? এর পরেই তৃণমূলের ‘আঁতুড়ঘরে’ মেলে মিছিলের অনুমতি। তবে আদালত এই অনুমতি দিয়েছে শর্ত সাপেক্ষে। হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মিছিল করতে হবে সুশৃঙ্খলভাবে। এমন কোনও স্লোগান সেখানে দেওয়া যাবে না, যাতে উত্তেজনা ছড়ায়। আদালতের রায় আন্দোলনকারীদের পক্ষে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। ডিসি পদমর্যাদার বেশ কয়েকজন আধিকারিককে এদিন সকাল থেকেই মোতায়েন করা হয়েছে হাজরা মোড়ে।

    আন্দোলনকারীদের (DA) মিছিল শুরু হবে হাজরা মোড় থেকে। পরে তা হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, হরিশ মুখার্জি রোড দিয়ে আশুতোষ কলেজের পাশের রাস্তা দিয়ে বেরবে। এই রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি পড়ে না। কারণ তাঁর বাড়ি গলির ভিতরে। তবে অভিষেকের বাড়ির উঠোন দিয়ে যাবে ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের মিছিল। আন্দোলনকারীদের তরফে যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, শনিবার রেকর্ড জমায়েত হতে চলেছে। আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে, তা মেনেই হবে মিছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    DA: ‘‘শাসকদলের মিছিলে অসুবিধা হয় না?’’ ডিএ আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ-প্রতিবাদ সবার মৌলিক অধিকার। এই আবহে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল করতে চাইলে তাতে বাধা দিতে পারে না সরকার। রাজ্য প্রয়োজনে মিছিল নিয়ে বিধি নিষেধ আরোপ করতে পারে। তবে কর্মসূচি বন্ধ করা যায় না। মঙ্গলবার ডিএ (DA) আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযান নিয়ে মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha)। ডিএর দাবিতে আন্দোলনকারীদের নবান্ন অভিযানে সায় দিলেও, যে পথে তাঁরা অভিযান করবেন বলে ভেবেছিলেন, সেই পথে আন্দোলনকারীরা নবান্নে যেতে পারবেন না। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, মিছিলের যাত্রাপথ বদল করতে হবে।

    ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    ৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি মান্থার এজলাসে চলছে ওই মামলা। বিচারপতি জানান, নবান্ন অভিযানের অনুমতি চেয়ে প্রায় ৪০টি মামলা তাঁর এজলাসে জমা পড়েছে। রাজ্যকে তাঁর প্রশ্ন, মিছিল করার জন্য কেন আদালতকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হবে? রাজ্যের কাছে তিনি জানতে চান, আন্দোলনকারীরা নিজেদের অসুবিধার কথা জানাতে চাইছে। তা যদি শান্তিপূর্ণভাবে হয়, তবে বাধা দেব কেন? রাজ্য এই ধরনের কর্মসূচিতে বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, কিন্তু বাধা দিতে পারে না। প্রতিবাদ করা মানুষের মৌলিক অধিকার বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি মান্থা। তিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটে থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করা যাবে। হাওড়ার ফেরিঘাট, বঙ্কিম সেতু, মহাত্মা গান্ধী রোড হয়ে হাওড়া ময়দানে গিয়ে শেষ হবে মিছিল।

    আরও পড়ুুন: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    প্রসঙ্গত, পুলিশ এই মিছিলের (DA) অনুমতি দেয়নি। হাইকোর্টে রাজ্য জানিয়েছিল, যে পথে মিছিল করার কথা বলা হচ্ছে, সেটা মিছিলের জন্য নির্দিষ্ট করা কোনও পথ নয়। এটা জনবহুল এলাকা। সাধারণ মানুষের অসুবিধা হবে। স্কুল ও অফিস যাত্রীদের অসুবিধা হবে। ট্রাফিকের অসুবিধা হবে। অন্য পথে অন্য কোনও জায়গায় করলে কোনও অসুবিধা নেই। এর পরেই বিচারপতি মান্থা বলেন, যে বিধি নিষেধের কথা আপনারা এখানে বলছেন, সেটা রাজ্যের শাসক দলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য তো? তিনি বলেন, রেড রোড বন্ধ করে যখন কর্মসূচি হয়, মিছিল হয়, তখন পুলিশের অসুবিধা হয় না? কিছু দল যখন মিছিল করে তখন গোটা কলকাতা স্তব্ধ হয়ে যায়। আমি শুধু শাসক দলের কথা বলছি না। মানুষ পরিবার নিয়ে রাস্তায় বেরোতে চান, কিন্তু বেরোতে পারেন না। তাঁর প্রশ্ন, তখন পুলিশের অসুবিধা হয় না?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
LinkedIn
Share