Tag: DA

DA

  • DA: ‘ডিএ দিতে গেলে বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী’, বেফাঁস কৃষিমন্ত্রী   

    DA: ‘ডিএ দিতে গেলে বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী’, বেফাঁস কৃষিমন্ত্রী   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট কিনতে সরকারি টাকা ব্যয় হচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো খয়রাতি প্রকল্পে। তাই ডিএ (DA) দিতে পারছে না রাজ্য সরকার। বিভিন্ন সময় এমনই দাবি করেছে তৃণমূল (TMC)-বিরোধী নানা দল। এবার প্রকাশ্য জনসভায় এক প্রকার ঘুরিয়ে সেকথাই স্বীকার করে নিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chattopadhyay)। উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ পাতুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, ডিএ দিতে গেলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কন্যাশ্রীর টাকাটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বুকে হাত রেখে বাড়ি গিয়ে ভাববেন, শোভনদেববাবু যে কথাটা বললেন।

    ডিএ (DA) নিয়ে শোভনদেবের মন্তব্য…

    তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিবের কথাটা ভাববেন না কি যে লোকটা ইতিমধ্যেই পাচ্ছেন (সরকারি কর্মীরা), তাঁকে একটু বেশি পয়সা দেবেন। কোনটা ঠিক বিচার করে নেবেন। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এদিনের সভায় সিপিএমকেও একহাত নেন শোভনদেব (Sovandeb Chattopadhyay)। রাজ্যের এক সময়কার শাসকদলকে তিনি চালাক চোর আখ্যা দেন। শোভনদেব বলেন, আসুক কে আছে সিপিএমের আমার সামনে, আমি প্রমাণ দেব তারা কত অধ্যাপককে চাকরি দিয়েছে। সিপিএম হচ্ছে চালাক চোর। যে লোকটাকে চাকরি দিয়েছে, সারা জীবন তাঁর বেতন পাওয়ার আগে পার্টি অফিস থেকে কেটে নিয়ে যাবে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সমলিঙ্গ বিয়েতে কে বাবা, কে মা?’’ সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন তুষার মেহতার

    শোভনদেবের সাফাই, দেখতে গেলে ওরা আমাদের লোকদের থেকে বেশি টাকা নিয়েছে। তবে যারা চুরি করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের লোকগুলো যারা চোর, চুরি করছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। যাতে আর কেউ সাহস না করে চুরি করার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্য (ডিএ নিয়ে) (DA) ব্যুমেরাং হতে পারে ভেবে এদিন সেন্টিমেন্ট তাস খেলে দেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ (Sovandeb Chattopadhyay)। তিনি বলেন, বাংলার ১০ কোটি মানুষকে চাল দিয়ে খাওয়াচ্ছে, সেটা অন্যায়? কেন তিন লাখ লোক ডিএ পাচ্ছে না, সেটা অপরাধ। তিনি বলেন, ডিএ না পেলে আমার খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে না। কিন্তু ডিএ দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়ে যেতে পারে, স্বাস্থ্যসাথী বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কন্যাশ্রীর টাকাটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব বলেন, রাজ্য সরকার দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। ভোট কিনতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের হকের টাকা ব্যবহার করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA) কড়ায় গণ্ডায় মিটিয়ে দেবে বলেও জানান তাঁরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    DA Protest: ঝাঁঝ বাড়ছে ডিএ আন্দোলনের! নবান্ন অভিযান ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে সভার ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় মহার্ঘ ভাতা (DA Protest)-র দাবিতে শহিদ মিনারে অবস্থান করছেন রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা। আগামী ৬ মে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন ১০০ দিন পূর্ণ করবে। ওই দিন কলকাতায় এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করবেন তাঁরা। পাশাপাশি, ওই দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা এলাকায় জনসভা করবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    নবান্ন অভিযান

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল সরকার। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দেন, ডিএ-র (DA Protest) সমস্যা তাতে মেটেনি। নিষ্ফল বৈঠকের পরই চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সরকারি কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে আগামিকাল থেকে রাস্তায় নামছেন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যরা। বাংলার সরকারি কর্মচারীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ছয় শতাংশ ডিএ পান। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা  ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন। কেন্দ্রের থেকে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ডিএ-র ফারাক ৩৬ শতাংশ। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরাই দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন হারে মহার্ঘ ভাতা পেয়ে থাকেন। এই নিয়েই চলছে আন্দোলন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে চালু হবে দ্বিতীয় বন্দে ভারত! ছুটবে কোন রুটে?

    বকেয়া ডিএ (DA Protest) মেটানোর দাবিতে আগামী ৪ মে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। সেই অভিযানে শামিল হতে চলেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরাও। তার আগে আগামিকাল, ২৭ এপ্রিল থেকে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটির। উল্লেখ্য, এর আগে ডিএ ইস্যুতে সরকারের সঙ্গে মঞ্চের বৈঠকে উপস্থিত হননি কো-অর্ডিনেশন কমিটির কোনও সদস্য। তাঁদের দাবি ছিল, মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তাই মামলাকারী হিসেবে সরকাররে সঙ্গে বৈঠকের প্রশ্নই ওঠে না। 

    হাজরা মোড়ে সভা

    অন্যদিকে, এত দিন কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় এবং ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে ধর্না দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। এবার একেবারে  মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে হাজরা মোড়ে সভা করার কথা জানালেন তাঁরা। হাজরা মোড় এলাকাটি মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের অন্তগর্ত। ৬ মে কলকাতায় মিছিলের পর ডিএ-র দাবিতে সেখানেই সমবেত হবেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরা। তবে, হাজরা মোড় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দূরত্ব এক কিলোমিটারও নয়। তাই এখানে পুলিশ সভার অনুমতি দেবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘‘হাজরা মোড়ে তো বিভিন্ন সভা হয়। তাই আমরা আমাদের দাবি নিয়ে সভা করব। সেক্ষেত্রে পুলিশ যদি আমাদের সভা করার অনুমতি না দেয়, তাহলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অনুমতি এনে সভা করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে হবে নবান্ন অভিযান, মহামিছিল

    DA: কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে হবে নবান্ন অভিযান, মহামিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ-র (DA) দাবিতে নবান্ন (Nabanna) অভিযানের ডাক দিল কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Co-ordination Committee)। গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারি সংগঠনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যৌথ মঞ্চ গড়ে ডিএর দাবিতে আন্দোলন করছে ওই কমিটি। কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে চলছে অবস্থান বিক্ষোভ। হয়েছিল অনশনও। কর্মবিরতি, ধর্মঘট দাবি-দাওয়া আদায়ের সব পন্থাই অবলম্বন করেছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ। তার পরেও সমাধান হয়নি সমস্যার। সেই কারণে চলছে কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে লাগাতার আন্দোলন। এবার ডাক দেওয়া হয়েছে নবান্ন অভিযানের। মে মাসের ৪ তারিখ দুপুর আড়াইটে নাগাদ হবে নবান্ন অভিযান।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএর (DA) দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে ইতি টানতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই বৈঠকেও মেলেনি রফাসূত্র। তাই বন্ধ হয়নি আন্দোলনও। সেই কারণে এবার নবান্ন অভিযানের সিদ্ধান্ত। যদিও সংগঠনের একাংশের আশঙ্কা, নবান্ন অভিযান করলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে রাজ্য সরকার। ৪ মে কেবল নবান্ন অভিযানই নয়, আরও একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। ২৮-২৯ এপ্রিল রাজ্যের সব জেলার সদর দফতরে দুদিন ব্যাপী ধর্নায় বসবেন কমিটির সদস্যরা। কো-অর্ডিনেশন কমিটির তরফে বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী বলেন, আমরা যে কেবলমাত্র ডিএর দাবিতেই আন্দোলন করছি, তা নয়।

    আরও পড়ুুন: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন প্রত্যাহার করবে না বিজেপি!

    আমাদের অন্যতম দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ, নিয়োগের ক্ষেত্র স্বচ্ছতা, ঠিকা কর্মীদের স্থায়ী পদে নিয়োগের মতো বিষয়গুলিও। তিনি বলেন, এই সব দাবি যতদিন না পূরণ হচ্ছে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে। রাজ্যের কোষাগারে প্রতি মাসে ৩৬ টাকা করে ফেরত দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাচ্ছেন যৌথমঞ্চের নেতারা। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকারের কাছে তাঁদের পাওনা ৩৬ শতাংশ ডিএ (DA)। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, তাদের আর্থিক অবস্থা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ডিএ দিতে পারবে না তারা। তাই ট্রেজারিতে ৩৬ টাকা করে অনুদান দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা। ৪ মে নবান্ন অভিযানের পর যৌথমঞ্চ মহামিছিল করবে ৬ মে।

    এদিকে, মঙ্গলবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় শীর্ষ প্রশাসনিক ভবনে সরকারি স্বাস্থ্য স্কিম নিয়ে স্মারকলিপি দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। রাজ্যের সব সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত এবং অনুদানপ্রাপ্ত স্কুল ও মাদ্রাসার সমস্ত শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীকে অন্য সরকারি কর্মীদের মতো হেল্থ স্কিমের সুবিধা দেওয়ার দাবিতে নবান্ন ও বিকাশ ভবনে ডেপুটেশনও দিয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    DA: মেলেনি রফাসূত্র, রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক ‘ব্যর্থ’, দাবি ডিএ আন্দোলনকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনে শুক্রবার ডিএর (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল রাজ্য সরকার। যদিও বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীদের দাবি, বৈঠক পুরোপুরি ব্যর্থ। এদিন বৈঠকে হাজির ছিলেন যৌথ মঞ্চের ছয় প্রতিনিধি। রাজ্য সরকারের তরফে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী, স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা এবং অর্থসচিব মনোজ পন্থ। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থের সংস্থান হলে বকেয়া ডিএ (DA) দিয়ে দেওয়া হবে।

    ডিএ (DA) নিয়ে গড়িমসির অভিযোগ…

    আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারের কাছে যথেষ্ঠ তহবিল থাকলেও, ডিএ নিয়ে গড়িমসি করছে তারা। বৈঠক নিষ্ফলা হওয়ায় ধর্না মঞ্চে ফিরে গিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ফের শুরু হয়েছে বিক্ষোভ প্রদর্শন। মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। আগামী দিনে আরও জোরদার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। সংগ্রামী যৌথমঞ্চের তরফে আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, রাজ্যের তরফে সব বিষয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে টাকা আটকে রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা তথ্য দিয়ে দেখিয়েছি, রাজ্যে তহবিলের অভাব নেই। তথ্যপ্রমাণ দিয়ে সবটা দেখানোর পরেও কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি মুখ্যসচিব। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, ৬ মে কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট থেকে মহামিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: নিয়োগকাণ্ডে এবার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে হানা সিবিআইয়ের

    এদিন বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নবান্নে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক হয় রাজ্যের। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা ৩৬ শতাংশ হারে যে ডিএ (DA) চেয়েছিলেন, সরকার তা দিতে রাজি নয়। এর পরেই ফের আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আন্দোলনকারীরা। ৬ মে মহামিছিলে কাজ না হলে ফের একবার ধর্মঘটে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এতদিন কেবল বকেয়া ডিএর দাবিতেই আন্দোলন হচ্ছিল। এবার তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হল শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগের দাবিও।

    প্রসঙ্গত, ১৭ এপ্রিল ডিএ নিয়ে রাজ্য কর্মচারি সংগঠন ও রাজ্যকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ১০ দিনের মধ্যে রাজ্যকে বৈঠক ডাকতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন হয়েছে বৈঠক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠা ঠা রোদেও বকেয়া ডিএ (DA) ও কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে চলছে ধর্না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আপাতত তিন শতাংশের বেশি ডিএ দিতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তার পরেও চলছে আন্দোলন। ওই একই দাবিতে গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আন্দোলনকারীরা দুদিন ধরে ধর্না দিয়েছেন দিল্লির যন্তরমন্তরেও। তার পরেও অনড় অবস্থানে রয়েছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। অর্থের অভাবের যুক্তিতে যেখানে বকেয়া ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না, বৃহস্পতিবার সেখানেই ঘটা করে উদ্বোধন করা হল বিশ্বমানের অডিটোরিয়ামের। শাঁখের আকৃতির এই অডিটোরিয়াম তৈরিতে খরচ হয়েছে ৪৪০ কোটি টাকা। নাম দেওয়া হয়েছে ধনধান্য।

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন…

    মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং উদ্বোধন করেছেন এই অডিটোরিয়ামের। তারই প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দিতে পারছেন না, অথচ ৪৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করছেন। উনি সারাদিন টাকা টাকা করেন কেন? সকাল হলেই টাকা, রাত হলেই টাকা। বিজেপির প্রাক্তন এই রাজ্য সভাপতি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই লোকের মনে প্রশ্ন উঠছে। ডিএর জন্য ধর্না চলছে আর এত কোটি টাকার বিল্ডিং তৈরির কী মানে হয়? তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তো কম অডিটোরিয়াম নেই। এত অডিটোরিয়াম থাকা সত্ত্বেও উনি প্যান্ডেল বেঁধে প্রশাসনিক বৈঠক করেন, তো কী হবে অডিটোরিয়াম তৈরি করে?

    আরও পড়ুুন: ‘দুর্নীতির মাথা ধরতে না পারলে কী করতে হবে, জানি’, সিবিআইকে বিচারপতি

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, আমাদের অডিটোরিয়াম দেওয়া হয় না। কীসের জন্য এত টাকা ব্যয় করে এই অডিটোরিয়াম তৈরি করা হয়েছে? এদিন সকালে আন্দামান যাচ্ছেন দিলীপ। তার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে তিনি মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানেই অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন তিনি। কেবল অডিটোরিয়ামই নয়, মিড-ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগেও সরব হন দিলীপ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, মিড-ডে মিলে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন বিজেপি দফতর থেকে এই রিপোর্ট লেখা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব এখন বেনিফাশিয়ারিতে কত ছাত্রছাত্রীর নাম রয়েছে, আর কতজন এর সুবিধা পাচ্ছে, সেই তথ্যটা পাঠিয়ে দিন কেন্দ্রের কাছে, তাহলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
  • Calcutta High Court: ডিএ আন্দোলনকারীদের শহিদ মিনার থেকে অন্যত্র সরাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ সেনা

    Calcutta High Court: ডিএ আন্দোলনকারীদের শহিদ মিনার থেকে অন্যত্র সরাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ মিনার ময়দান থেকে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল সেনাবাহিনী (Indian Army)। বকেয়া ডিএ (DA) বা মহার্ঘভাতার দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ আন্দোলনে সামিল হয়েছে। শহিদ মিনার ময়দানে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অবস্থান চলছে। সেনাবাহিনীর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ মতো ওই জায়গায় অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। তার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা অগ্রাহ্য করেই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। সেনার তরফে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করা মামলার শুনানি হতে পারে আগামী শুক্রবার। 

    শুক্রবার শুনানি!

    আগামী শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চে (Calcutta High Court) মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। আইনগতভাবে শহিদ মিনার চত্বর সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন। তাদের অনুমতি নিয়েই সেখানে যাবতীয় সভা-সমাবেশ করতে হয়। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই শহিদ মিনার চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ইতিমধ্যে ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী ১৭ এপ্রিল রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের উপস্থিতিতে আলোচনায় বসবেন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের তিন সদস্য। 

    আরও পড়ুুন: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    আন্দোলন মঞ্চ অন্যত্র সরানোর আর্জি

    ইতিমধ্যেই সোমবার থেকে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দু’দিনের প্রতীকী অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের দেখা করার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের যুক্তি, বকেয়া ডিএ পেতে সাংবিধানিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই কলকাতার পাশাপাশি আন্দোলনকে দিল্লির দরজায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, এদিন বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে চলা আন্দোলন ৭৪ দিনে পড়ল। এই নিয়ে কলকাতার শহিদ মিনারে ধর্না-অবস্থান চালাচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু, প্রায় দেড় মাস ধরে চলা তাঁদের এই আন্দোলন নিয়ে এবার আপত্তি জানিয়েছে সেনাবাহিনী। আন্দোলন মঞ্চ অন্যত্র সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় সেনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    DA Protest: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায়ে বকেয়া ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে আজ, সোমবার থেকে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দু’দিনের অবস্থানে বসছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। একইসঙ্গে কলকাতাতেও আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল, দিল্লিতে ধর্নায় বসবেন ১২০০ ডিএ আন্দোলনকারী। তবে অমিত শাহের মন্ত্রকের শর্তে সেই সংখ্যা কমিয়ে ৫০০ করতে হয়েছে আন্দোলনকারীদের।

    রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিতে অফিসে ছুটি নিয়ে রবিবার সকালেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রায় আড়াইশো জন রাজ্য সরকারি কর্মচারী। আরও শ’তিনেক কর্মী এদিন সকালে পৌঁছেছেন। বকেয়া (DA Protest) আদায়ে আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। মঞ্চ নেতৃত্বের দাবি, সকলেই তাঁদের দেখা করার সময় দিয়েছেন। এ দিকে দিল্লিতে এই অবস্থান চলাকালীনই কাল, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা। সেদিকেও নজর থাকবে ডিএ ধর্নায় অংশ নেওয়া সরকারি কর্মীদের। 

    কড়া পদক্ষেপ নবান্নের!

    এদিকে জানা গিয়েছে, মহার্ঘ ভাতার দাবিতে দিল্লিতে দু’দিনের ধর্নায় অংশ নিতে যাওয়া সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে নবান্ন। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার চিন্তা ভাবনা চলছে উচ্চ পর্যায়ে। তবে তাতে দিল্লি ধর্না কর্মসূচি বাতিল হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্টর গড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে উত্খাতের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য, ‘সরকারি কর্মীরা দিল্লির অবস্থানে গিয়েছেন ছুটি নিয়ে। কলকাতা ময়দানেও তাঁরা ছুটি নিয়েই অবস্থান চালাচ্ছেন।’ কিন্তু নবান্নর কর্তাদের প্রশ্ন, সকলে মিলে এ ভাবে ছুটি নিয়ে সরকার-বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া যায়? সরকারের মত, কর্মচারীদের ধর্নার ফলে সরকারি পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে আমজনতার। তাই ধর্নায় যোগ দেওয়া সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। অপরদিকে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারকে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আন্দোলনকারীদের তরফে ৩ প্রতিনিধি এবং সরকারের তরফে মুখ্যসচিব ও অর্থসচিব সেই বৈঠকে থাকবেন। আগামী ১৭ এপ্রিল সেই বৈঠক হওয়ার কথা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA: ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্যকে আলোচনায় বসার নির্দেশ হাইকোর্টের

    DA: ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্যকে আলোচনায় বসার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ (DA) সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে আলোচনায় বসার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কেন্দ্রীয় হারে ও বকেয়া ডিএর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে শহিদ মিনার চত্বরে চলছে আন্দোলন। প্রাপ্য ডিএ না পাওয়ায় কর্মবিরতি পালনও করেছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার ফের ডাক দেওয়া হয়েছে কর্মবিরতির। পালন করেছেন ধর্মঘটও। এসব কারণে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজে ব্যাঘাত ঘটেছে বলে অভিযোগ।

    ডিএ (DA) মামলা…

    এরই প্রতিবাদে হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। বৃহস্পতিবার এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের নির্দেশ, ১৭ এপ্রিল কর্মী সংগঠনের তিন সদস্যের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে রাজ্যকে। আলোচনা (DA) যাতে ফলপ্রসূ হয়, সে দিকেও নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, ডিএ সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। এদিন শুনানি চলাকালীন জরুরি পরিষেবা সচল রয়েছে কিনা, জানতে চান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। হাসপাতালগুলির অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন করেন। বিচারপতির প্রশ্নের উত্তরে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, জরুরি পরিষেবা সব চলছে। সব দফতরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা গ্রহণের ব্যবস্থা নেই বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    এর পরেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, তাহলে নির্দিষ্ট করে কীভাবে জানবেন কতজন কর্মী দফতরে এসেছেন, আর কাজ করছেন?  বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা বিচারাধীন। কর্মচারি সংগঠনগুলি তার জন্য অপেক্ষা করতে পারছে না? এখনই কেন কর্মবিরতির মতো পদক্ষেপ? মামলাকারীর দাবি, কর্মবিরতির ফলে ৪৩৬ কোটি টাকার ক্ষতি হবে। এটা তো ভাবার বিষয়। এর জন্য অবিলম্বে সমাধান প্রয়োজন। ১৫ দিন পর আবার এমন পদক্ষেপ করলে তখন কী হবে? কর্মচারি (DA) সংগঠনের তরফে আইনজীবী জানান, এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরেই বেঞ্চ আলোচনায় বসার নির্দেশ দেয় রাজ্যকে। বেঞ্চের মন্তব্য, ডিএ সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA News: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলনকারীদের, ধর্না দিল্লিতেও

    DA News: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ফের কর্মবিরতির ডাক আন্দোলনকারীদের, ধর্না দিল্লিতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএর (DA News) দাবিতে ফের কর্মবিরতির পথে হাঁটছেন এ রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। ৬ এপ্রিল হবে কর্মবিরতি। তার পরেই দিল্লির (Delhi) যন্তর মন্তরে হবে অবস্থান ধর্না। মঙ্গলবার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ১০ ও ১১ এপ্রিল দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান ধর্না হবে। তার পর দেশের রাষ্ট্রপতি (President), উপরাষ্ট্রপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের স্মারকলিপিও দেওয়া হবে। ৬ এপ্রিল পালন করা হবে একদিনের কর্মবিরতি।

    বকেয়া ডিএর (DA News) দাবি…

    প্রসঙ্গত, ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যজুড়ে দু দিনের কর্ম বিরতি পালন করেছেন সরকারি কর্মীরা। ১০ মার্চ পালন করেছেন প্রশাসনিক ধর্মঘট। শহিদ মিনারে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে চলছে ধর্না। তার আগে পালিত হয়েছে অনশন কর্মসূচিও। এদিকে, ডিএ (DA News) আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর চোর ডাকাত মন্তব্যের বিরোধিতা করে ও কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএর দাবিতে ৬ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্ট সহ রাজ্যের সব আদালতে পেন ডাউনের ডাক দিয়েছে কর্মী সংগঠনগুলি। এই মর্মে তারা চিঠি দিয়েছে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দফতরেও।

    অন্যদিকে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৪২ শতাংশ ডিএ পাবেন। সোমবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছর ৩ অক্টোবর অর্থমন্ত্রক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার সম্মতি দিয়েছেন। তাই চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৩৮ শতাংশের বদলে ৪২ শতাংশ ডিএ পাবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এহেন ঘোষণার পরে এ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দুর্বৃত্তদের রেয়াত নয়’’! উত্তরবঙ্গে জি-২০ বৈঠক বাতিল করে রিষড়ায় রাজ্যপাল

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম এবং রাজস্থান সরকারও। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে তাপস চক্রবর্তী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৪২ শতাংশ ডিএ (DA News) দেওয়ার কথা ঘোষণা করল। একই সঙ্গে রাজস্থান ও অসম সরকারও ৪২ শতাংশ ডিএ দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের জন্য ডিয়ারনেস রিলিফও দেওয়া হচ্ছে। কেবল পশ্চিমবঙ্গ সরকারই রাজ্য সরকারি কর্মীদের দাবি মেটাতে অক্ষম। তিনি বলেন, তাই আমাদের আন্দোলন চলছে, চলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।     

  • DA Protest: ধিক্কার দিবস পালন ডিএ আন্দোলনকারীদের! মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

    DA Protest: ধিক্কার দিবস পালন ডিএ আন্দোলনকারীদের! মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার ‘চোর-ডাকাত’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ধিক্কার দিবস পালন করলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। আগামী ৬ এপ্রিল কর্মবিরতিরও ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আন্দোলনকারীদের বার্তা এরপরে ধর্মঘটেরও ডাক দেবেন তাঁরা।

    মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ

    মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘উনি আমাদের চোর-ডাকাত বলেননি। তাঁর যে ভাইবোনেরা ধরনা মঞ্চে তাঁর পাশে বসে ছিলেন, তাঁদের কথাই বলতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আমাদের কাছে তিনি পরে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। বলেছেন, আপনাদের চোর-ডাকাত বলতে চাইনি। তিনি নিজেকেও নিজে চোর-ডাকাত বলেছেন।’  এরপর ভাস্কর বাবু আরও বলেন, ‘তাঁর ভুলভাল কথা শোনার জন্য রাজ্যের কর্মচারী শিক্ষকরা আর প্রস্তুত নন। যেদিন মিউ মিউ ঘেউ ঘেউ মন্তব্য করেছিলেন, সেদিন থেকেই যদি আমরা কর্মবিরতি পালন করতাম, আমাদের তাহলে এতটা দেখতে হত না। তবে আমরা এখন জেগে গিয়েছি। তিনি একটা কথা বললে, পাঁচটা কথা শোনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’

    প্রশাসন স্তব্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘আগামী ১০ এবং ১১ এপ্রিল দিল্লিতে যন্তরমন্তরে ধরনা কর্মসূচি পালন করব আমরা। এই কর্মসূচি পালনের পর আমরা রাজ্যে এসে মিছিল করব। কালীঘাট থেকে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে শহিদ মিনার পর্যন্ত হবে মিছিল। আগামীতে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটও ডাকা হবে।’ এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে মিছিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডিএ আন্দোলকারীরা।  রাজ্যের প্রশাসন স্তব্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘মানিকের জুতোয় পা গলাবেন না’, পর্ষদ সভাপতিকে বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বিরোধীদের এক জোট হওয়ার আহ্বান

    সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম থেকে কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী কিংবা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরা দলীয় পতকা ছাড়াই ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে এসেছেন। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি জানতেন সাগরদিঘিতে মানুষ তার দল বিজেপিকে ভোট দেবে না। তবু, তারা সেখানে বিরোধী হিসাবে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, ”ঝালদায় কংগ্রেস জিতেছে। কোনও বিরোধ হয়নি। বিজেপি মনে করে, রাজ্যে এই তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করতে হলে, নো ভোট টু মমতা বলতে হবে। আমরা সব বিরোধীদেরই সেটাই বলতে বলছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share