Tag: Danish Ali

  • BJP: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন

    BJP: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে (Cockroach Janta Party) ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ২৯ জুন, সোমবার তেলঙ্গনার ওয়ারাঙ্গলে এক জনসভায় এই অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের সংগঠন দেশকে দুর্বল ও বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, এই ধরনের ‘ভাইরাস ও ককরোচসদৃশ’ শক্তির বিরুদ্ধে বিজেপি কঠোর পদক্ষেপ করবে।

    নিতিন নবীনের সাফ কথা (BJP)

    ওয়ারাঙ্গলের জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিতিন নবীন বলেন, “দেশে ভাইরাস এবং ককরোচের মতো কিছু দল ও গোষ্ঠীর উদ্ভব হচ্ছে। এরা দেশের ভিত ফাঁপা করে দিতে চায়। এই ভাইরাস ও ককরোচসদৃশ মানুষদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এরা ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ, যারা দেশকে ভাগ করতে চায়। বিজেপি এদের উপযুক্ত জবাব দেবে, এবং দলের প্রতিটি কর্মী তা নিশ্চিত করবে।” উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) নামে এই ব্যঙ্গাত্মক প্রচারাভিযানের সূচনা করেন অভিজিৎ দিপকে। চলতি বছরের শুরুতে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এটি প্রথমে অনলাইন ব্যঙ্গ প্রচার হিসেবে শুরু হলেও, পরে তা বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে রেখে ফিল্ড পর্যায়ের কর্মসূচির রূপ নেয়। সম্প্রতি নিট ইউজি (NEET UG)-র প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত একাধিক বিক্ষোভ সমাবেশে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও জানানো হয়।

    আড়ালে চলছে রাজনৈতিক প্রচার!

    এদিকে, সমালোচকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রশ্নকে ঢাল করে এই আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচার চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে যন্তর মন্তরের এক বিক্ষোভে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (JNUSU) যুগ্ম সম্পাদক দানিশ আলি বক্তব্য রাখতে গিয়ে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে ‘আজাদি’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এটি পরীক্ষা-সংক্রান্ত দাবির (BJP) আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ আরও জোরালো করে। এর আগে, গত ৬ জুন যন্তর মন্তরে আয়োজিত আর একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে খবর করতে যাওয়া কয়েকজন মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় (BJP)। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন বিক্ষোভকারী এক মহিলা সাংবাদিককে ঘিরে স্লোগান দিচ্ছেন, এবং তাঁর উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করছেন। ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে সাংবাদিক মহলে, তীব্র প্রতিক্রিয়া (Cockroach Janta Party) দেখা দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

  • Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, ধর্মীয় স্থাপনায় চুরি এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। ২১ জুন থেকে ২৭ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার (Hindus Under Attack)

    কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (CISF) এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পুলিশ। অভিযোগ, তিনি এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ, সেই দৃশ্য মোবাইলবন্দি করা এবং ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে দীর্ঘদিন যৌন নির্যাতন করেছেন।  অভিযুক্তের নাম মহম্মদ পারুল আহমেদ। তিনি অসমের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি জেলার নান্নিমঙ্গলম গ্রামের প্রায় এক হাজার বছরের প্রাচীন মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বরর মন্দির থেকে একটি ব্রোঞ্জের উৎসব বিগ্রহ চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। মন্দিরের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ কক্ষের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং প্রক্রিয়াবিহারীর বিগ্রহটিও নিখোঁজ বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলা

    কর্নাটকে আলন্দ সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলায় প্রায় ৪৫০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা মন্ত্রিসভার সাবকমিটির বিবেচনার জন্য পাঠানোর সুপারিশ করে রাজ্যের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের একটি চিঠিকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দল এবং বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন ব্যাখ্যাও প্রকাশ্যে এসেছে (Roundup Week)। দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আয়োজিত এক বিক্ষোভে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের এক নেত্রীর বক্তব্য নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ওই সভায় পরীক্ষা সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকভাবে বিতর্কিত মন্তব্য এবং স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

    ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা

    মহারাষ্ট্রের পুনেতে কেনেথ সিলওয়ে মিনিস্ট্রিজের প্রধান পাস্টর কেনেথ সিলওয়ের বিরুদ্ধে ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে কন্ডওয়া পুলিশ। অভিযোগ, তিনি প্রার্থনার মাধ্যমে ক্যানসার-সহ গুরুতর রোগ অলৌকিকভাবে নিরাময়ের দাবি করেছিলেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অযোধ্যার রাম মন্দিরকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার ছক নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও কর্নাটক পুলিশ। যৌথ অভিযানে কর্নাটকের দাভানাগেরে জেলা থেকে উত্তরপ্রদেশের বছর কুড়ির এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পরিচয় গোপন করে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন (Hindus Under Attack)। গুজরাটের রাজকোটে বছর একুশের নন্দিনী আনন্দভাই বসামিয়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় নয়া মোড়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করলেও, মৃতার পরিবারের অভিযোগ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে পুলিশ।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নারী নির্যাতন ও ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক ঘটনার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের বৃহত্তম ভগবান শ্রী রামের মূর্তি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে (Hindus Under Attack)। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ কেবল প্রত্যক্ষ হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন দেশে (Roundup Week) সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেও বৈষম্যের অভিযোগ ওঠে।

     

LinkedIn
Share