Tag: darjeeling tourism

darjeeling tourism

  • NJP Varanasi Bullet Train: মাত্র ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে বারাণসী, এনজেপি থেকে বারাণসী বুলেট ট্রেন! উত্তরবঙ্গে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের মেগা চমক

    NJP Varanasi Bullet Train: মাত্র ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে বারাণসী, এনজেপি থেকে বারাণসী বুলেট ট্রেন! উত্তরবঙ্গে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের মেগা চমক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উচ্চগতির রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও এক বড় অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দেশের বুলেট ট্রেন মানচিত্রে এবার জুড়তে চলেছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়ির নাম। নিউ জলপাইগুড়ি (এনজেপি) থেকে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী পর্যন্ত একটি অত্যাধুনিক বুলেট ট্রেন করিডর গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় রেল। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী জুলাই মাস থেকেই এই মেগা প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষার কাজ শুরু হতে পারে।

    ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার আসতেই রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার

    রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল এবং ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের আবহে এই প্রকল্পকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রেল সূত্রের দাবি, সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই প্রকল্পের ‘ডিটেইলড প্রজেক্ট রিপোর্ট’ (ডিপিআর) তৈরি হয়ে যাবে। এরপর তা রেল বোর্ডে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। বোর্ডের সবুজ সঙ্কেত মিললেই শুরু হবে করিডর নির্মাণের কাজ।

    জুলাই থেকেই শুরু হতে পারে সমীক্ষা

    সূত্রের খবর, ‘ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড’ (NHSRCL)-এর তরফে ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ সমীক্ষক দল গঠন করা হয়েছে। এই দল আকাশপথ ও স্থলপথে সম্ভাব্য করিডর চিহ্নিত করার কাজ করবে।

    সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হবে—

    • ● চূড়ান্ত রুট নির্ধারণ
    • ● সম্ভাব্য স্টেশন চিহ্নিতকরণ
    • ● জমি ও পরিকাঠামো সংক্রান্ত সমীক্ষা
    • ● প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল্যায়ন

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রস্তাবিত এই বুলেট ট্রেন চালু হলে বারাণসী থেকে পাটনা হয়ে এনজেপি পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট। বর্তমানে একই যাত্রাপথ অতিক্রম করতে ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগে। এই করিডর পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ—তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যকে উচ্চগতির রেল যোগাযোগে যুক্ত করবে।

    জাপানের ‘শিনকানসেন’ প্রযুক্তিতে তৈরি হবে পরিষেবা

    ভারতে প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প মুম্বই-আহমেদাবাদ করিডরে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেই প্রকল্পের আদলেই শিলিগুড়ি-বারাণসী করিডর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। রেলের দাবি, এই প্রকল্পে ব্যবহার করা হবে জাপানের অত্যাধুনিক ‘শিনকানসেন’ প্রযুক্তি। ট্রেনের নকশা, সিগন্যালিং ব্যবস্থা, নিরাপত্তা মানদণ্ড—সব ক্ষেত্রেই জাপানি প্রযুক্তির ছাপ থাকবে। মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেনের মতোই এই করিডরেও ঘণ্টায় প্রায় ৩২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন ছুটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে আসতে পারে বড় পরিবর্তন

    প্রকল্প ঘোষণার পর থেকেই আশাবাদী উত্তরবঙ্গের ব্যবসায়ী ও পর্যটন মহল। তাঁদের মতে, বুলেট ট্রেন চালু হলে উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি, পর্যটন এবং বাণিজ্যে এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। বর্তমানে উত্তর ভারতের পর্যটকদের ডুয়ার্স, দার্জিলিং বা কালিম্পং পৌঁছতে দীর্ঘ সময় লাগে। বুলেট ট্রেন পরিষেবা চালু হলে বারাণসী ও উত্তর ভারতের অন্যান্য শহর থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিলিগুড়ি পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হবে।

    এর ফলে—

    • ● ডুয়ার্স ও পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে পারে
    • ● হোটেল ও পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়তে পারে
    • ● পরিবহণ ও লজিস্টিক খাতে উন্নতি হতে পারে
    • ● স্থানীয় যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে

    শিলিগুড়ির তিন দিকে তিন আন্তর্জাতিক সীমান্ত!

    শিলিগুড়ি, যা ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডরের উপর অবস্থিত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থল যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর-পূর্ব ভারতের সমস্ত সড়ক ও রেলপথ এই সরু ভূখণ্ডের উপর দিয়েই গিয়েছে। তাই একে বলা হয়ে থাকে, ‘উত্তরপূর্বের দুয়ার’। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন বিদেশসচিব ও বিজেপি সাংসদ হর্ষবর্ধন শ্রিংলা শিলিগুড়ি অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র সম্ভবত বিশ্বের একমাত্র সংসদীয় কেন্দ্র, যার সঙ্গে তিনটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত যুক্ত রয়েছে। তাঁর কথায়, “পশ্চিমে নেপাল, পূর্বে ভুটান এবং দক্ষিণে বাংলাদেশ রয়েছে। আর একটু উত্তরে গেলেই চিন সীমান্তও এসে যায়।”

    এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের দোরগোড়ায় উত্তরবঙ্গ

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত এই হাই-স্পিড রেল করিডর ভবিষ্যতে অসমের রাজধানী গুয়াহাটি পর্যন্ত সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে মূল ভূখণ্ড ভারতের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের ‘অষ্টলক্ষ্মী’ রাজ্যগুলির সরাসরি যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “শিলিগুড়ি থেকে সরাসরি বুলেট ট্রেনে মানুষ অতি কম সময়ে বারাণসী পৌঁছে যেতে পারবেন। উত্তরবঙ্গ এখন যোগাযোগ ব্যবস্থার এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে।” স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ শিলিগুড়িকে শুধুমাত্র একটি ট্রানজিট শহর হিসেবে নয়, বরং পূর্ব ভারতের একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে।

    বাগডোগরা বিমানবন্দর ও এনজেপি স্টেশনের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ

    এলাকায় আরও একাধিক বড় অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ চলছে। বাগডোগরা বিমানবন্দর এবং নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশনের ব্যাপক আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। বাগডোগরা বিমানবন্দরের নতুন সিভিল এনক্লেভ নির্মাণে প্রায় ১,৫৪৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে। সেখানে ৭০,৩৯০ বর্গমিটারের অত্যাধুনিক টার্মিনাল তৈরি হবে, যা একসঙ্গে ৩,০০০ জন পিক আওয়ার যাত্রী সামলাতে পারবে এবং বছরে প্রায় ১ কোটি যাত্রী পরিষেবা দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে। এই প্রকল্পের আওতায় এ-৩২১ ধরনের বিমানের জন্য ১০টি পার্কিং বে-সহ নতুন অ্যাপ্রন, দুটি লিঙ্ক ট্যাক্সিওয়ে এবং মাল্টি-লেভেল কার পার্কিং সুবিধাও তৈরি করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকার অনুমোদন পাওয়া এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ২০২৭ সালের মধ্যে সিকিম ও উত্তরবঙ্গের প্রধান বিমানবন্দর হিসেবে বাগডোগরা একটি অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে হোটেল বুক করে এসে পর্যটকরা দেখছেন, তাঁদের নামে সেই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। আবার কোনও ক্ষেত্রে সেই হোটেলের অস্তিত্বই নেই। গত ১০ মাসে দার্জিলিং জেলা পুলিশে মোট পাঁটশোরও বেশি এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তারপরেও এই প্রতারণা বন্ধ হয়নি। অভিযোগকারীদের অধিকাংশই টাকা ফেরৎ পাননি। এই সাইবার ক্রাইম প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

    প্রতারিত পর্যটকদের অভিজ্ঞতা

    অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এম ভিট্টাল নামে এক ব্যক্তি গত ২৩ জুন দার্জিলিং (Darjeeling) ও গ্যাংটক ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন। গুগল সার্চের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তিনি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা প্রতারিত হন। এনিয়ে তিনি গত ১৩ জুন অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানিয়েছেন, রাহুল রায় নামে এক ব্যক্তি ফোনে যোগাযোগ করার পর হোয়াটসঅ্যাপে সব কিছু আদান-প্রদান হয়। তারপর তার কথামতো একটি ব্যাঙ্কে ফোন-পে করে তাকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জমা করি। তার সব প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার সাত দিন পর তার ফোনে ফোন করে পাওয়া যায়নি। এসএমএসেরও কোনও উত্তর মেলেনি। 

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর এরকমই প্রতারণার অভিযোগ করেন তানিয়া সুলতানা। তাঁর অভিযোগ, গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) হোটেল বুক করেছিলাম। সেই মতো ফোন-পে’তে টাকা পাঠাই। কিন্তু সপরিবারে দার্জিলিঙে এসে দেখি আমাদের নামে কোনও হোটেল বুকিং হয়নি। একের পর এক অভিযোগ জমা পড়লেও পুলিশ এর কুলকিনারা করতে পারেনি। এতে দার্জিলিঙে ঘুরতে আসা নিয়ে বাইরের পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যা দার্জিলিংয়ের পর্যটন ব্যবসাকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন ট্যুর অপারেটররা। পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় কার্যত তারা হতাশ।

    কী  বলছে পুলিশ প্রশাসন (Darjeeling)

    দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ বলেন, বিভিন্ন সময়ে পর্যটকদের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় হোটেল, রিসর্ট মালিকদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসে অ্যাপ ও কিউ আর কোড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা কার্যকর করা হয়েছে। এই অ্যাপ এবং কিউআর কোডের সাহায্যে গুগল সার্চে গিয়ে পর্যটকরা দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল, রিসর্ট, হোমস্টে গাড়ির যাবতীয় তথ্য ও সহযোগিতা পাবেন। যে কোনও সমস্যায় প্রশাসনের সহযোগিতাও পাবেন পর্যটকরা।

    আশার আলো দেখছেন না ট্যুর অপারেটররা 

    হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, অ্যাপ ও কিউআর কোডের সাহায্যে পর্যটকরা হোটেল সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন। এ ধরনের অ্যাপে পর্যটকদের (Darjeeling) সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা বন্ধ হবে না। সাইবার ক্রাইম শাখাকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Homestays in Darjeeling: পুজোয় গন্তব্য পাহাড়? মমতার সাধের হোমস্টে নিয়ে কিন্তু অভিযোগের অন্ত নেই

    Homestays in Darjeeling: পুজোয় গন্তব্য পাহাড়? মমতার সাধের হোমস্টে নিয়ে কিন্তু অভিযোগের অন্ত নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবছেন পাহাড়ের কোলে হোমস্টে’তে (Homestays in Darjeeling) পরিবার নিয়ে পুজোর কটা দিন সুন্দরভাবে কাটাবেন। অনেকে বুকিং সেরেও ফেলেছেন। আবার অনেকে খোঁজখবর করছেন। কিন্তু হোমস্টে’তে আসার পর ধাক্কা খেতে হতে পারে। কারণ পর্যটকরা বারবার অভিযোগ করছেন, অধিকাংশেরই থাকার ব্যবস্থা অস্বাস্থ্যকর, খাবার খুবই সাধারণ। যা দেখে ঘোরার আনন্দটাই মাটি হয়ে গেছে তাঁদের। একবার যাঁরা থেকেছেন, আর হোমস্টে’তে আসছেন না-একথা বলছেন খোদ ট্যুর অপারেটররাও।

    কেন এই অবস্থা?

    ভুক্তভোগীরা বলছেন, পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেষ্ট খামতি রয়েছে। রাস্তা ভালো নেই।  হাতের কাছে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবাও মেলে না। পাহাড়ের গ্রামীণ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের নতুন দিশা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হোমস্টে’কে বড় করে দেখিয়েছিলেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের উদাসীনতা ও নীতি নির্ধারণের দুর্বলতার কারণেই পাহাড়ের হোমস্টে থেকে পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। কেননা পর্যটকরা প্রত্যাশামতো পরিষেবাও পাচ্ছেন না। থাকার ব্যবস্থা আহামরি নয়। খাবারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ জানিয়ে গিয়েছেন পর্যটকরা।
    ইস্টার্ন হিমালয়ান ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সন্দীপন ঘোষ বলেন, ভিন রাজ্য ও দেশের পর্যটকরা এখানকার হোম স্টে (Homestays in Darjeeling) থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছেন। প্রত্যেকেই পয়সা খরচ করে ঘুরতে আসেন পরিবারকে নিয়ে কয়েকটি দিন রিল্যাক্স করার জন্য। এখানকার হোম স্টেগুলি সেভাবে গড়ে ওঠনি। পরিষেবা সহ সামগ্রিক ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় বাইরের পর্যটকরা আসতে চান না।

    অসুখ আরও গভীরে

    একাধিক হোমস্টে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, কমিউনিটি ট্যুরিজমের অন্যতম কর্তা দেবাশিষ চক্রবর্তী বলেন, ঠিকমতো পরিকাঠামে গড়ে না ওঠায় এখানে হোমস্টে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। তার মধ্যে কলকাতার একদল হোটেলিয়ার্স লিজ নেওয়ার পর থেকে এখানকার হোমস্টের আরও পতন শুরু হয়েছে। সস্তার বুকিংয়ে (Homestays in Darjeeling) মুনাফা করার জন্য হোটিলিয়ার্সরা যে পর্যকদের এখানে পাঠাচ্ছেন, তাঁরা ইচ্ছেমতো আমোদ-প্রমোদ করে ঘুরে যাচ্ছেন। এতে পাহাড়ের গ্রামীণ এলাকার নিজস্ব সংস্কৃতি, পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। শান্ত নিরীহ গ্রামীণ এলাকার আগামী প্রজন্মের কাছে বিপথগামীতার পথ খুলে দিচ্ছে। এতে হোমস্টে পাহাড়ের গ্রামবাসীদের কাছে আতঙ্কের হয়ে উঠেছে। এব্যাপারে রাজ্য সরকারের কোনও খেয়াল নেই।

    হোমস্টে নিয়ে বিজেপি সাংসদ উদ্বেগে

    দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা বারবার বলে আসছেন,  হোমস্টে (Homestays in Darjeeling) থেকে পাহাড়ের মানুষের কোনও লাভ হয়নি। সম্প্রতি পাহাড়ে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, নিজস্ব সম্পত্তিতে গ্রামের নিরীহ মানুষ কর্মচারী হয়ে কাজ করছেন। কেউ স্বনির্ভর হয়ে ওঠেননি।

    তাহলে বাঁচার পথ?

    সন্দীপন ঘোষ ও দেবাশিষ চক্রবর্তী বলেন, সম্প্রতি সিকিম সরকার বাইরের কাউকে হোমস্টে (Homestays in Darjeeling) লিজ দেওয়া বন্ধ করেছে। এখানেও রাজ্য সরকারকে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেই সঙ্গে হোমস্টের ঘর ও অন্যান্য ব্যবস্থা আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। খাবারের মানের দিকেও নজর দেওয়া দরকার। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share