Tag: Data Centre

  • Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই সফরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি এবং অনন্ত আম্বানির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বৈঠকের পরই বাংলায় নতুন লগ্নির সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহেই বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন (Reliance Investment) অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া। বৈঠকে রাজ্যে সংস্থার একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠী আগেই পশ্চিমবঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। স্বাস্থ্য, আতিথেয়তা, পর্যটন, আবাসন এবং বাণিজ্যিক পরিকাঠামো—একাধিক ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থার ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচটি নতুন হাসপাতাল, একাধিক হোটেল এবং একটি বড় গল্ফভিত্তিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার কথা রয়েছে। এদিকে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর সঙ্গেও রাজ্যে নতুন লগ্নি নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে। বুধবার নবান্নে রিলায়েন্সের শীর্ষ আধিকারিকদের একটি প্রতিনিধি দল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনায় পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির মাধ্যমেও কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ইন্টারনেট সংযোগ পরিকাঠামো (Reliance Investment)

    প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রিলায়েন্সের সঙ্গে আলোচনায় দিঘায় সংস্থার তৈরি করা সমুদ্রতলের কেবল লাইন কেন্দ্রের বিষয়টিও উঠে আসে। এই প্রকল্প চালু হলে রাজ্যের ইন্টারনেট সংযোগ ও তথ্য আদানপ্রদানের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে মুম্বইয়ে মুকেশ আম্বানি ও অনন্ত আম্বানির সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যে শিল্প বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রিলায়েন্সের পাশাপাশি রাজ্যে অন্য বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ নিয়েও ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে। আদানি গোষ্ঠী ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। সেই বিনিয়োগের মধ্যে বন্দর, পরিবহণ, বিদ্যুৎ, তথ্যকেন্দ্র, সড়ক ও সেতু এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো একাধিক ক্ষেত্র রয়েছে।

    ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনা অম্বুজা নেওটিয়ার

    অম্বুজা নেওটিয়ার ঘোষিত ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনার মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছিল। এই অর্থে কলকাতা, দুর্গাপুর ও শিলিগুড়িতে পাঁচটি নতুন হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসন ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামোয় প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা এবং (Reliance Investment) গল্ফভিত্তিক একটি বড় আবাসন প্রকল্পে প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। হোটেল ও পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স, দীঘা, সুন্দরবন, শান্তিনিকেতন ও রায়চকে হোটেল তৈরির পরিকল্পনার কথা সংস্থা জানিয়েছিল। কলকাতা ও শিলিগুড়িতে সম্মেলনকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির কোনটি কবে বাস্তবায়িত হবে, কোথায় কোন প্রকল্প গড়ে উঠবে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে কত কর্মসংস্থান তৈরি হবে, তার বিস্তারিত চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছলে রাজ্যের শিল্প, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও আবাসন ক্ষেত্রে তার প্রভাব আরও পরিষ্কার হবে।

    রাজ্য সরকারের শিল্পনীতির অন্যতম লক্ষ্য এখন বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি করা। ফলে (Suvendu Adhikari) রিলায়েন্স, অম্বুজা নেওটিয়া এবং অন্যান্য শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনাকে সেই বৃহত্তর বিনিয়োগ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Reliance Investment)।

     

  • PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো সম্প্রসারণে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল ব্ল্যাকস্টোন-সমর্থিত ডেটা সেন্টার সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, এই বিনিয়োগ ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশকে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআইয়ের (AI) বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং ৫ গিগাওয়াট ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অন্যতম বৃহৎ প্রস্তাবিত বিনিয়োগ। তিনি এও লেখেন, এই ধরনের বিনিয়োগ ভারতের ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআই খাতে বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও সহায়ক হবে। তাঁর মতে, বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ক্রমশ ভারতের হাতেই গড়ে উঠছে।

    এয়ারট্রাঙ্কের বক্তব্য

    এয়ারট্রাঙ্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ কর্মসূচি ভারতের এআই এবং ক্লাউড পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশেও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশকে বৈশ্বিক এআই ও ক্লাউড পরিকাঠামো বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করতে সাহায্য করবে।

    দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা (Lumina CloudInfra) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। বর্তমানে মুম্বই, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার উন্নয়ন প্রকল্প তাদের হাতে রয়েছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক রবিন খুদা জানান, কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর ভারতকে ঘিরে তাদের দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “মূলধন সবসময় এমন জায়গায় যায় যেখানে উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ থাকে, আর ভারত সেই পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছে। সরকারের এআই-কেন্দ্রিক নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং বিপুল নবায়নযোগ্য শক্তির প্রাপ্যতা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প

    ভারত সফরকালে রবিন খুদা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার, জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আরও সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ কীভাবে সহজ করা যায়, সেই বিষয়েও মতামত বিনিময় হয়েছে।

    রবিন খুদার বক্তব্য

    খুদা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল অর্থনীতির ভাবনা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রযুক্তি বিনিয়োগের গন্তব্যে পরিণত করেছে।” তাঁর মতে, ভারতের পরিসর, প্রতিভা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশটিকে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক এআই শক্তিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এয়ারট্রাঙ্ক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। সংস্থার দাবি, বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব দেশের শক্তিশালী ডিজিটাল পরিকাঠামো থাকবে, তারাই ভবিষ্যতে বেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান আকর্ষণ করতে পারবে।

     

LinkedIn
Share