Tag: davos

  • Donald Trump: ডাহা ফেল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিসে’র প্রচেষ্টা, কেন জানেন?

    Donald Trump: ডাহা ফেল ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিসে’র প্রচেষ্টা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে (Davos) গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর সেই সফর শেষমেশ এক বড়সড় ব্যর্থতায় পরিণত হল। ইউরোপীয় দেশগুলির ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার মুখে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর দাবিতে পিছু হটতে বাধ্য হওয়ার পর, গাজা সঙ্কট নিয়ে তাঁর প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগটিও সম্পূর্ণভাবে ভেস্তে গেল (Donald Trump)। ট্রাম্প এই বোর্ডে যোগ দিতে প্রায় ৬০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ প্রভাবশালী দেশই এই উদ্যোগ থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ পর্যন্ত আমন্ত্রিত দেশগুলির মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এই বোর্ডে যোগ দিতে রাজি হয়।

    উচ্চাভিলাষী ট্রাম্প (Donald Trump)

    গাজায় যুদ্ধবিরতি দিয়ে বিশ্বব্যাপী সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে যে নতুন সংস্থাটি গঠনের কথা ছিল, সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া মাত্র ১৯টি দেশের অংশগ্রহণে যাত্রা শুরু করেছিল। ট্রাম্প যে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন, বাস্তবে তা তার ধারেকাছেও পৌঁছায়নি। ভারত, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শক্তিগুলি এই বোর্ডে যোগ দেয়নি।২০২৬ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সময় বৃহস্পতিবার সকালে দাভোসে ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বোর্ড অব পিসে’র সূচনা করেন। বিশ্বের সব মহাদেশের বহু দেশকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও, সিংহভাগ দেশই তা প্রত্যাখ্যান করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমেরিকা-সহ মোট ২০টি দেশ উপস্থিত ছিল। যদিও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আগে দাবি করা হয়েছিল, আমন্ত্রিত ৬০টি দেশের মধ্যে অন্তত ৩৫টি দেশ যোগ দেবে, বাস্তবে সেই সংখ্যা ছিল ঢের বেশি কম (Davos)।

    পশ্চিম ইউরোপীয় দেশই এই বোর্ডে যোগ দেয়নি

    উল্লেখ্য যে, কোনও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশই এই বোর্ডে যোগ দেয়নি, যা গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের বাড়তে থাকা দূরত্বকেই স্পষ্ট করে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও যে ১৯টি দেশ এই বোর্ডে যোগ দিয়েছে এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল, তারা হল,  আর্জেন্টিনা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহরিন, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডন, কাজাখস্তান, কসোভো, মঙ্গোলিয়া, মরক্কো, পাকিস্তান, প্যারাগুয়ে, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই) এবং উজবেকিস্তান (Donald Trump)। আলবেনিয়া, বেলারুশ এবং ভিয়েতনাম বোর্ডে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল, কিন্তু দাভোসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওই দেশগুলিরই কোনও শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন না (Davos)।

    বোর্ড ভবিষ্যত রাষ্ট্রসংঘের

    পর্যবেক্ষকদের মতে, মূলত মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিই এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। লক্ষণীয় বিষয় হল, এই তালিকার বহু দেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নয় এবং বেশ কয়েকটি দেশ মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ, যেখানে ইসলামি আইনের ভিত্তিতে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। যে দেশগুলি এই বোর্ডে যোগ দিতে অস্বীকার করেছে, তাদের মধ্যে কয়েকটি দেশ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। অনেক দেশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এই বোর্ড ভবিষ্যতে রাষ্ট্রসংঘের (ইউএন) ভূমিকা খর্ব করার চেষ্টা করতে পারে। আবার কয়েকটি দেশ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো নিয়েও আপত্তি তুলেছে। যদিও পুতিন নিজেও এই বোর্ডে যোগ দিতে অস্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন, এই বিষয়ে রাশিয়ার কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে এখনও আলোচনা চলছে (Donald Trump)।

    রাষ্ট্রসংঘের বিকল্প 

    ব্রিটেন নিশ্চিত করেছে যে তারা বোর্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে না। ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা এই বোর্ডে যোগ দেবে না, কারণ এটি রাষ্ট্রসংঘের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। নরওয়ে, সুইডেন, স্লোভেনিয়া এবং চিনও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা এই বোর্ডে যোগ দিচ্ছে না। অন্য অনেক দেশ কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও বৃহস্পতিবার বোর্ডে যোগ দেয়নি। এই তালিকায় রয়েছে ভারত, জার্মানি, ইতালি, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ আরও বহু দেশ (Davos)। তবে ট্রাম্প আশাবাদী যে ভবিষ্যতে আরও দেশ তাঁর এই বোর্ডে যোগ দেবে। তিনি বলেন, “একবার এই বোর্ড পুরোপুরি গঠিত হয়ে গেলে, আমরা কার্যত যা চাই তাই করতে পারব। এবং তা আমরা রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই করব।”

    ‘বোর্ড অব পিস’

    গাজার জন্য গঠিত এই ‘বোর্ড অব পিস’ পশ্চিম এশিয়া সংক্রান্ত ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য গাজা যুদ্ধের পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের তদারকি করা। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম এই প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছিল গাজা সংঘাতের অবসান ঘটানোর একটি উপায় হিসেবে। তবে বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসার একটি বৃহত্তর মঞ্চের রূপ নিতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বোর্ডটির এক্সিকিউটিভ কমিটি গাজার স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির তদারকি করবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক কূটনৈতিক যোগাযোগ, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ সংগ্রহ এবং বৃহৎ পরিসরের অর্থায়ন (Donald Trump)।

    উল্লেখ্য যে, এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ঐচ্ছিক সদস্য ফি ধার্য করা হয়েছে। যে দেশগুলি এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে, তারাই স্থায়ী সদস্যপদ পাবে। আর যারা অর্থ দিতে পারবে না, তারা তিন বছরের জন্য (Davos) সদস্য হিসেবে থাকতে পারবে। তবে বোর্ডে যোগ দেওয়ার সময় কোনও দেশ এই ফি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য জানা যায়নি (Donald Trump)।

     

  • Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এআই (AI) নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) এক প্যানেল আলোচনায় কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি আইএমএফের মূল্যায়নকে চ্যালেঞ্জ জানান। আইএমএফের মূল্যায়নে ভারতকে দ্বিতীয় স্তরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থনীতির দেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

    বৈষ্ণবের দাবি (Ashwini Vaishnaw)

    আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বৈষ্ণব বলেন, “এআই নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” আইএমএফের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিংয়ের উল্লেখ করেন। স্ট্যানফোর্ডের মতে, এআইয়ের বিস্তার ও প্রস্তুতির দিক থেকে বিশ্বে ভারতের অবস্থান তৃতীয় এবং এআই প্রতিভার ক্ষেত্রে ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। জর্জিয়েভার করা শ্রেণিবিন্যাসের সরাসরি সমালোচনা করে বৈষ্ণব বলেন, “ভারতকে দ্বিতীয় স্তরে রাখার মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভুল এবং দেশটি স্পষ্টভাবেই প্রথম সারির গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।” মন্ত্রী ভারতের এআই কৌশলের বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেন, যা এআই স্থাপত্যের পাঁচটি স্তর – অ্যাপ্লিকেশন, মডেল, চিপ, পরিকাঠামো এবং জ্বালানিজুড়ে বিস্তৃত (AI)।

    একাধিক এআই মডেল

    তিনি জানান, ভারতের কাছে ইতিমধ্যেই একাধিক এআই মডেল রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে এআইয়ের ব্যাপক বিস্তার নিশ্চিত করার ওপর সরকারের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী বলেন, “ভারতের এআই কৌশল শুধুমাত্র বৃহৎ আকারের মডেল তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সর্বস্তরে এআই গ্রহণ ও প্রয়োগই এর মূল লক্ষ্য।” তাঁর পূর্বাভাস, কর্পোরেট ও শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা বুঝে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর সমাধান প্রয়োগের মাধ্যমে ভারত বিশ্বে এআই-নির্ভর পরিষেবার সর্ববৃহৎ সরবরাহকারীতে পরিণত হবে (Ashwini Vaishnaw)। মন্ত্রী বলেন, “অত্যন্ত বড় মডেল তৈরির বদলে কম খরচের সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বিনিয়োগের প্রকৃত রিটার্ন আসে।” তাঁর মতে, ২০ বিলিয়ন থেকে ৫০ বিলিয়ন প্যারামিটারের মডেল দিয়েই ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব (AI)।

    বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতির দেশ

    এআই ও অর্থনীতি বিষয়ক ওই প্যানেল আলোচনায় সৌদি আরবের বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ এবং মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথও অংশ নিয়েছিলেন। পুরো অধিবেশন পর্বে বৈষ্ণব দাবি করেন, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে ভারতের অবস্থানের পেছনে রয়েছে দেশের উচ্চমানের বৈশ্বিক প্রতিভা ভাণ্ডার। তিনি এও জানান, এআই প্রযুক্তির সম্পূর্ণ স্তরে সমন্বিত কৌশল গ্রহণের মাধ্যমেই বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত বিবর্তনে ভারতের প্রথম সারির অবস্থান সুরক্ষিত হয়েছে (Ashwini Vaishnaw)।

LinkedIn
Share