Tag: Defence Ministry India

  • India Defence Modernization 2026: ২০২৬ সালে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ— নজরে এই ১০ বড় প্রকল্প

    India Defence Modernization 2026: ২০২৬ সালে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ— নজরে এই ১০ বড় প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় প্রতিরক্ষার জন্য যুগান্তকারী হতে চলেছে ২০২৬ সাল। এ বছর, দেশের সামরিক ক্ষেত্রে একাধিক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ও উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, যা দেশের প্রতিরক্ষাকে এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে। ২০২৬ সালকে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে বর্ণনা করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা একাধিক বড় সামরিক ক্রয় ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প এই বছর সরকারি অনুমোদন অথবা চুক্তি স্বাক্ষরের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। যা আগামী কয়েক দশকে ভারতীয় স্থলসেনা, বায়ুসেনা, নৌবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকরী সক্ষমতা নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি, এগুলি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প ও বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ রূপরেখাও গড়ে দেবে। এমনই ১০টি সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে, যা নিয়ে চলতি বছর বড় সিদ্ধান্ত হতে চলেছে বলে আশাপ্রকাশ করা হচ্ছে।

    ১. মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) প্রকল্পে ১১৪টি যুদ্ধবিমান

    ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) কেনার বিষয়টি ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও একাধিক প্রশাসনিক স্থগিতাবস্থার পর, এই প্রকল্প এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে বিক্রেতা নির্বাচন ও বাণিজ্যিক দরকষাকষি চূড়ান্ত হতে পারে। ভারতীয় বায়ুসেনার ক্রমহ্রাসমান স্কোয়াড্রন সংখ্যা মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সংখ্যাগত ও গুণগত ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নিতে আগ্রহী।

    ২. বায়ুসেনার মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট (MTA) প্রকল্পে গতি

    মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট (MTA) প্রকল্পটি ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিক গতি পেতে পারে। সামরিক পণ্যবাহী বিমানের সংখ্যা ও কার্যকরী ভূমিকা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হবে। এই প্রকল্পের আওতায় পুরনো অ্যান্টোনভ এএন-৩২ এবং ইলিউশিন আইএল-৭৬ বিমানের বিকল্প হিসেবে নতুন সামরিক পরিবহণ বিমান পেতে চাইছে বায়ুসেনা। এ বছর এক্ষেত্রে রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (RFP) জারি হওয়া এবং বিক্রেতা সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে লকহিড মার্টিন সি-১৩০জে, এমব্রায়ার সি-৩৯০ ও এয়ারবাস এ৪০০এম প্রতিযোগিতায় থাকতে পারে। সামরিক এয়ারলিফ্ট সক্ষমতায় এই চুক্তি ভারতকে কৌশলগত বড় সুবিধা দেবে।

    ৩. প্রজেক্ট ৭৫আই (P-75I) সাবমেরিন প্রকল্প কেন্দ্রের অনুমোদনের পথে

    দীর্ঘ বিলম্বের পর প্রজেক্ট ৭৫আই অবশেষে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর অনুমোদনের দিকে এগোচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন (AIP) প্রযুক্তিসম্পন্ন ছয়টি আধুনিক প্রচলিত সাবমেরিনের জন্য চুক্তি করা হবে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের বাড়তে থাকা নৌ-উপস্থিতির মোকাবিলা এবং পুরনো সাবমেরিন অবসর নেওয়ার ফলে সৃষ্ট ঘাটতি পূরণে এই প্রকল্পকে ভারতীয় নৌবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। তবে, এক্ষেত্রে ফ্রান্স নির্মিত স্করপিন-সিরিজ নয়, বরং জার্মানি ও স্পেনের সংস্থার নকশা নিয়ে আলোচনাই মূল ফোকাসে রয়েছে।

    ৪. রণতরীতে দেশীয় যুদ্ধবিমান (TEDBF) প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায়

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য দেশীয় টুইন ইঞ্জিন ডেক বেসড ফাইটার (TEDBF) প্রকল্পটি ২০২৬ সালে ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির অনুমোদন পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতের বিমানবাহী রণতরী থেকে পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা এই যুদ্ধবিমান ভবিষ্যতে মিগ-২৯কে বহরের স্থলাভিষিক্ত হবে এবং নৌবাহিনীর কেরিয়ার এয়ার উইংয়ের মূল স্তম্ভে পরিণত হবে। এই অনুমোদন পূর্ণমাত্রার উন্নয়ন তহবিল ছাড় করবে এবং দেশীয় নৌবিমান নির্মাণে ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সুদৃঢ় করবে।

    ৫. অ্যামকা (AMCA) জেট ইঞ্জিন উন্নয়নে বিদেশি অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত

    ২০২৬ সালের অন্যতম কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হবে অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (AMCA)-এর ইঞ্জিন উন্নয়ন সংক্রান্ত অনুমোদন। যৌথ-উদ্যোগে ১১০–১৩০ কিলোনিউটন থ্রাস্ট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ইঞ্জিন উন্নয়নের জন্য ভারত সম্ভবত বিদেশি অংশীদারিত্বের কাঠামো চূড়ান্ত করবে। ফ্রান্সের সাফরান (Safran) প্রধান অংশীদার হিসেবে উঠে আসতে পারে। এই সিদ্ধান্ত পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ৬. অতিরিক্ত এস-৪০০ (S-400) ডেলিভারি ও অর্ডার বাড়ানোর সম্ভাবনা

    ২০২৬ সাল জুড়ে এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রেজিমেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে।চূড়ান্ত ইউনিটগুলি পূর্ণাঙ্গ আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় সম্পূর্ণ করবে বলে আশা। একইসঙ্গে, মূল চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত এস-৪০০ ইউনিট কেনা নিয়েও আলোচনা চলছে, যা ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপারেশন সিঁদুর থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য হুমকি ও ঝুঁকির মূল্যায়ন ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।

    ৭. মিডিয়াম অল্টিটিউড লং এন্ডুরেন্স ড্রোন (MALE Drone) প্রকল্প চুক্তির পর্যায়ে

    ভারতের দীর্ঘদিন ধরে চলা মিডিয়াম অল্টিটিউড লং এন্ডুরেন্স (MALE) ড্রোন প্রকল্পটি ২০২৬ সালে বাস্তব অগ্রগতি দেখতে পারে। মার্কিন এমকিউ-৯বি রিপার (MQ-9B Reaper) ড্রোন সংগ্রহ এগোলেও, এখন মূল জোর দেওয়া হচ্ছে দেশীয় তাপাস (TAPAS) বা আর্চার-এনজি (Archer-NG) প্ল্যাটফর্মের উপর, যা স্থল ও সমুদ্র উভয় ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি নিশ্চিত করবে। এই দেশীয় ড্রোনগুলির চুক্তি চূড়ান্ত হলে শত্রু অঞ্চলে গোয়েন্দা, নজরদারি ও রেকি— সংক্ষেপে আইএসআর (ISR) থেকে শুরু করে আঘাত হানার ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

    ৮. প্রজেক্ট-৭৭ (P-77) পারমাণবিক শক্তিচালিত অ্যাটাক সাবমেরিন (SSN)

    ২০২৬ সালে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ও আর্থিক অনুমোদন পেতে পারে ভারতের দেশীয় পারমাণবিক শক্তিচালিত ঘাতক সাবমেরিন (SSN) নির্মাণ প্রকল্প— প্রজেক্ট-৭৭। এই সাবমেরিনগুলি বিমানবাহী রণতরীর নিরাপত্তা, শত্রু সাবমেরিন ট্র্যাকিং এবং গভীর সমুদ্রে আধিপত্য বজায় রাখতে অপরিহার্য। এই অনুমোদন ভারতের শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ ‘ব্লু-ওয়াটার নেভি’ গঠনের সংকল্পকে জোরালোভাবে তুলে ধরবে।

    ৯. কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (QRSAM) চুক্তি

    দীর্ঘ প্রতীক্ষিত কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (QRSAM) প্রকল্পের চুক্তি ২০২৬ সালে চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ব্যবস্থা স্থলসেনার সাঁজোয়া বাহিনীকে ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিচু দিয়ে উড়ে আসা বিমানের আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে। ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (BEL) এই সিস্টেমের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্ডারের আশা করছে।

    ১০. আকাশ-এনজি (Akash-NG) চুক্তিতে পরবর্তী প্রজন্মের আকাশ প্রতিরক্ষা

    দেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সর্বশেষ সংস্করণ আকাশ-এনজি (নিউ জেনারেশন) প্রকল্পও ২০২৬ সালে বড় উৎপাদন চুক্তি পেতে পারে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সফল পরীক্ষার পর উন্নত রেঞ্জ, নির্ভুল লক্ষ্যভেদ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ব্যবস্থা বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা স্তরকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সব মিলিয়ে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সামনে থাকা এই সিদ্ধান্তগুলি ২০২৬ সালকে ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক বছর করে তুলতে চলেছে। এই সময়ে নেওয়া পদক্ষেপগুলি শুধুমাত্র তাৎক্ষণিক সক্ষমতার ঘাটতি পূরণ করবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে ভারতের সামরিক কাঠামো, প্রতিরক্ষা শিল্প এবং কৌশলগত স্বনির্ভরতাকে নতুন দিশা দেবে।

  • Indian Air Force: বায়ুসেনার আধুনিকীকরণে সবুজ সংকেত কেন্দ্রের, আসছে রিফুয়েলার ও অ্যাওয়াক্স

    Indian Air Force: বায়ুসেনার আধুনিকীকরণে সবুজ সংকেত কেন্দ্রের, আসছে রিফুয়েলার ও অ্যাওয়াক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) যুদ্ধক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা কেনাকাটায় অনুমোদন দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৬ সালের মধ্যেই বায়ুসেনা আরও শক্তিশালী ও আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তরিত হবে বলে মনে করছে মন্ত্রক ও প্রতিরক্ষা মহল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্য-আকাশে জ্বালানি ভরার বিমান, আকাশপথে আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহের প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এর পাশাপাশি, “মেক ইন ইন্ডিয়া” উদ্যোগের আওতায় ফ্রান্স থেকে ১১৪টি মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) কেনার প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    ছয়টি বোয়িং ৭৬৭ মিড-এয়ার রিফুয়েলার

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC) বা প্রতিরক্ষা ক্রয় পরিষদের নেওয়া প্রধান সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে রয়েছে ইজরায়েল থেকে ছয়টি বোয়িং ৭৬৭-ভিত্তিক মিড-এয়ার রিফুয়েলার কেনার পরিকল্পনা। ইজরায়েল থেকে ছয়টি রিফুয়েলার কেনার জন্য মূল্য চূড়ান্ত করতে একটি কমিটি গঠন করছে মন্ত্রক। এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা। একমাত্র দরদাতা হিসেবে ইজরায়েল এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ-এর (IAI) সঙ্গে আলোচনা চলছে। দাম নির্ধারণ শেষ হলে প্রস্তাবটি ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর কাছে পাঠানো হবে। বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ২০০৩ সালে অন্তর্ভুক্ত ছয়টি রাশিয়ান আইএল-৭৬এম রিফুয়েলার রয়েছে। তবে রক্ষণাবেক্ষণ ও দ্রুত প্রস্তুতির সমস্যায় এই বহর কার্যকারিতা হারাচ্ছে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা।

    ১২টি এমব্রেয়ারে বসবে এইডব্লু অ্যান্ড সি

    একই সঙ্গে ব্রাজিল ও ফ্রান্সের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ১২টি এইডব্লু অ্যান্ড সি (AEW&C) সিস্টেম সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বৈঠকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক শীঘ্রই ব্রাজিল থেকে ছয়টি এমব্রেয়ার বিমান কেনার জন্য রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল (RFP) জারি করতে চলেছে। এই বিমানগুলিতে বসানো হবে ডিআরডিও-উন্নত নেত্রা মার্ক-২ এইএসএ রেডার, যা ২৭০ ডিগ্রি নজরদারি এবং উন্নত ইলেকট্রনিক ও নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধে সক্ষমতা বাড়াবে।

    ৬টি এয়ারবাস হয়ে উঠবে অ্যাওয়াক্স

    একইসঙ্গে, ফ্রান্স থেকে কেনা ছয়টি এয়ারবাস এ৩১৯ বিমানে ৩৬০ ডিগ্রি রোটোডোম রেডার বসিয়ে সেগুলিকে পূর্ণাঙ্গ অ্যাওয়াক্স (AWACS) প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করছে মন্ত্রক। মিড-এয়ার রিফুয়েলার ও অ্যাওয়াক্স-এর ঘাটতির বিষয়টি অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন স্পষ্টভাবে সামনে আসে, যখন পাকিস্তানের তুলনায় এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা হয় বায়ুসেনার। পাশাপাশি,  ফ্রান্স থেকে রাফাল যুদ্ধবিমানের জন্য ৩৬টি অতিরিক্ত মিটিওর এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কেনার অনুমোদন দিয়েছে। কয়েকদিন আগেই, রুশ নির্মিত এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ২৮০টি দীর্ঘ ও স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেনার ছাড়পত্র দিয়েছিল ডিএসি।

    নজরে ১১৪টি এমআরএফএ

    এছাড়া ১১৪টি এমআরএফএ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতিমূলক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। দেশীয় উপাদানের ব্যবহার বাড়ানোর দিকেও জোর দিচ্ছে সরকার। ভারতে রাফাল বিমানের রক্ষণাবেক্ষণের (MRO) পরিকাঠামো আগে থেকেই থাকায়, নতুন কোনও যুদ্ধবিমান ধারা চালুর বদলে বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারিত করার পক্ষে মত দিয়েছেন আধিকারিকরা। সবশেষে, আকাশপথে বিভিন্ন ধরনের হুমকি মোকাবিলায় ভারত ও রাশিয়া গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট পথে আরও পাঁচটি এস-৪০০ ব্যবস্থা এবং প্যান্টসির মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংগ্রহের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

LinkedIn
Share