Tag: Delhi

Delhi

  • Hind Di Chadar: ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম বর্ষ, নান্দেদে মহা আয়োজন

    Hind Di Chadar: ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম বর্ষ, নান্দেদে মহা আয়োজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিখ ধর্মের নবম গুরু, ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জির ৩৫০তম শহিদি সমাগম উপলক্ষে নান্দেদে বহু ভক্তের সমাগম হয়েছে। এই উপলক্ষে আজ, শনিবার ২৪ ও রবিবার, ২৫ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে শিখ, শিকলিগর, বঞ্জারা, লবানা, সিন্ধি, মোহিয়াল, বাল্মীকি, ভগত নামদেব এবং উদাসী—এই নয়টি সমাজ ও সম্প্রদায়ের মানুষ নান্দেদে একত্রিত হয়েছেন। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হল শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির ত্যাগ, বলিদান এবং মানবতার জন্য শহিদ হওয়ার ইতিহাস দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দেওয়া।

    ভারতের রক্ষক শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজি

    ধর্ম, রাষ্ট্র ও মানবতার জন্য যাঁরা নিজের প্রাণ উৎসর্গ করেন শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জি তঁদেরই একজন। অমর গাথার এক অনুপ্রেরণার কাহিনি হল ‘হিন্দ দি চাদর’ শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জির জীবনকথা। সমগ্র বিশ্ব তাঁকে ভারতের রক্ষক হিসেবে স্মরণ করে। ধর্মীয় স্বাধীনতা, ন্যায় ও সহিষ্ণুতার রক্ষার্থে তাঁর বলিদান ভারতীয় সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আদেশে তাঁকে আগ্রায় বন্দি করে দিল্লিতে আনা হয়, সেখানে তাঁকে ধর্মান্তরের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নিজের আদর্শের সঙ্গে কোনও আপস করেননি। অবশেষে ১৬৭৫ সালে দিল্লির চাঁদনি চকের শীশগঞ্জে তাঁর শিরচ্ছেদ করা হয়।

    ১০ লক্ষ ভক্তের সমাগম

    শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর সাহিব জি-র শহীদ দিবসকে স্মরণ করে নান্দেদে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে প্রায় ১০ লক্ষ ভক্ত সমাগম হবে। সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও ওয়াকফ প্রতিমন্ত্রী মাধুরী মিসাল তাঁর বার্তায় শ্রী গুরু তেগ বাহাদুর জিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং সকলকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজ্য, দেশ-বিদেশ থেকে শ্রী গুরু তেগ বাহাদুরজির লক্ষ লক্ষ ভক্ত নান্দেদে সমবেত হয়েছেন। এই উপলক্ষে শিখ, শিকলিগর, বঞ্জারা, লবানা, সিন্ধি, মোহিয়াল, বাল্মীকি, ভগত নামদেব ও উদাসী—এই নয়টি সমাজ ও সম্প্রদায় একত্রে মিলিত হয়েছে। অনুষ্ঠান সফল করতে ২৬টি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, থাকার জায়গা, বিশুদ্ধ পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা সহ সমস্ত সুবিধার ব্যাপক আয়োজন করা হচ্ছে।পাশাপাশি যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় স্তরে রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ভক্তদের সুবিধার্থে “https://gurutegbahadurshahidi.com” এই ওয়েবসাইটে সড়ক, রেল, বাস, যান চলাচল ব্যবস্থা এবং অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

  • PM Modi: আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (ইউএই) (UAE) প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে দিল্লি বিমানবন্দরে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবারের এই সাক্ষাৎ দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আমার ভাই (PM Modi)

    পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা যখন চরমে, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েন যখন তুঙ্গে, গাজায় অস্থিরতা এবং সৌদি আরব এবং ইউএই জড়িত ইয়েমেন সঙ্কট এখনও অমীমাংসিত, ঠিক সেই সময়েই ভারত সফরে এলেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (ইউএই) প্রেসিডেন্ট। সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে এবং একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমার ভাই, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট মহামান্য শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলাম। তাঁর এই সফর ভারত-ইউএই দৃঢ় বন্ধুত্বের প্রতি তাঁর গুরুত্ব আরোপেরই প্রমাণ। আমাদের আলোচনার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।”

    শেখ মহম্মদকে আতিথ্য গ্রহণের আমন্ত্রণ

    এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন, ৭ লোক কল্যাণ মার্গে শেখ মহম্মদকে আতিথ্য গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ইউএই প্রেসিডেন্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের জন্য মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্যই ভারতে থাকবেন এবং সোমবারই ভারত ছেড়ে যাবেন। দুই নেতার মধ্যে এই বৈঠকটি প্রথমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে চূড়ান্ত হয়েছিল, তবে পরে তা পিছিয়ে দেওয়া হয় (PM Modi)। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পারমাণবিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিতে দুই নেতা স্বাক্ষর করতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতিও ভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।

    প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি শেখ মহম্মদের তৃতীয় সরকারি ভারত সফর এবং গত এক দশকে তাঁর পঞ্চম ভারত সফর। সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রেক্ষাপটে ভারত ও ইউএইর মধ্যে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকেও নজর থাকবে সবার। ২০২২ সালে ব্যাপক অর্থনৈতিক (UAE) অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের পর থেকে ভারত ও ইউএইর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফর সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আদান-প্রদানের ধারাবাহিকতা। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ভারত সফর এবং গত বছরের এপ্রিলে ইউএইর উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হামদান বিন মহম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের ভারত (PM Modi) সফর।

  • Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    Rajnath Singh: “হাতে ডিগ্রি, পকেটে আরডিএক্স”! ‘হোয়াইট-কলার টেরর’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’-এর (White Collar Terror) প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি সতর্ক করে বলেন, মূল্যবোধহীন উচ্চশিক্ষা সমাজের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। শুক্রবার রাজস্থানের ভোপাল নোবেলস্ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ এই মন্তব্য করেন। গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    রাজনাথের বক্তব্য (Rajnath Singh)

    রাজনাথ জানান, ওই হামলায় অভিযুক্তরা সকলেই শিক্ষিত ও যোগ্য চিকিৎসক ছিল। এই ঘটনাকে তিনি এমন এক জ্বলন্ত উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা প্রমাণ করে যে কেবলমাত্র শিক্ষা থাকলেই নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হয় না। রাজনাথের বক্তব্য অনুযায়ী, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার সংযোগ না থাকলে তা সমাজের পক্ষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। শিক্ষাব্যবস্থায় মূল্যবোধের গুরুত্বের ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি (Rajnath Singh)।

    ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’

    দেশে বর্তমানে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে ‘হোয়াইট-কলার সন্ত্রাস’। উচ্চশিক্ষিত হয়েও সমাজ ও দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছেন এক শ্রেণির মানুষ। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “দিল্লির বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যারা জড়িত ছিল, তাদের মধ্যে চিকিৎসকও ছিল, এক হাতে ডিগ্রি, আর পকেটে আরডিএক্স। এই ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয় যে, কেবল শিক্ষালাভই যথেষ্ট নয়, শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা ও চরিত্রগঠনও (White Collar Terror) জরুরি।” ১০ নভেম্বর দিল্লির রেড ফোর্ট এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে একটি বিস্ফোরকবোঝাই গাড়িতে। ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৫ জনের। গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর-উন-নবি নামে এক চিকিৎসক। ঘটনার তদন্তে নেমে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পরে একটি তথাকথিত ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’-এর সন্ধান পায় (Rajnath Singh)।

    গ্রেফতার ৩ চিকিৎসক

    এই মডিউলের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তিন চিকিৎসক মুজাম্মিল গনাই, আদিল রাদার এবং শাহিনা সইদ-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, শিক্ষিত ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাই এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। এদিকে, ঘটনার প্রেক্ষাপটে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু পেশাগত সাফল্য অর্জন নয়, নৈতিকতা, মূল্যবোধ (White Collar Terror) এবং মানবিক চরিত্র গঠনের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। যে শিক্ষা ব্যবস্থা জ্ঞান দেওয়ার পাশাপাশি বিনয়, চরিত্রবোধ ও ধর্ম, অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা দিতে ব্যর্থ, তা কখনও সম্পূর্ণ হতে পারে না।”

    এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণ হতে পারে

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Rajnath Singh)। রাজনাথ বলেন, “জঙ্গিরা সব সময় অশিক্ষিত হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হলেও নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও প্রজ্ঞার অভাব থাকে। এই মূল্যবোধের ঘাটতিই শেষ পর্যন্ত তাদের অপরাধের পথে ঠেলে দেয়।” ধর্ম প্রসঙ্গে রাজনাথ জানান, ধর্ম মানেই শুধু মন্দির, মসজিদ বা গির্জায় প্রার্থনা করা নয়। তাঁর কথায়, “ধর্ম আসলে কর্তব্যবোধ। শিক্ষা যদি ধর্ম ও নৈতিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তা সমাজের কোনও কাজে আসে না। অনেক সময় এমন শিক্ষা মারাত্মক পরিণতির কারণও হতে পারে।”

    উচ্চশিক্ষিতরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে

    তিনি আরও বলেন, “এই কারণেই অনেক সময় দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরাও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে।” ভারতের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি, এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে দেশ (Rajnath Singh)। এই অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজনাথের মতে, ভবিষ্যতের দক্ষ, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে (White Collar Terror)।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্পর্ক! দিন কয়েক আগে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে (Reaz Hamidullah) তলব করেছিল নয়াদিল্লি। তার পরপরই ঢাকায় জরুরি তলব করা হয় হামিদুল্লাহকে। ডাক পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা পৌঁছন তিনি। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণ এবং মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। তবে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ায় সেই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (Bangladesh)

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, “ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, বিদেশমন্ত্রকের এক ‘দায়িত্বশীল সূত্রে’র উদ্ধৃতি দিয়ে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তলবের প্রেক্ষিতে হামিদুল্লাহ সোমবার রাতে ঢাকায় পৌঁছন। প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছ, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্যই তাঁকে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh) ব্যাপক বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই নতুন অস্থিরতার মধ্যেই একদল বিক্ষোভকারী চট্টগ্রামে ভারতের উপ রাষ্ট্রদূতের অফিসে হামলার চেষ্টা করে। সেই প্রেক্ষিতেই ভারত ওই মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে। এর আগে ভারত বাংলাদেশে নিযুক্ত দূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে এবং ঢাকায় ভারতীয় মিশনের চারপাশে নিরাপত্তাজনিত অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা কিছু চরমপন্থীকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত

    এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত সে দেশের হাইকমিশন এবং ত্রিপুরায় অবস্থিত মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে দেয়। পাশাপাশি, ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে (Reaz Hamidullah)। তবে, একাধিক মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত এবং উভয় (Bangladesh) পক্ষের কূটনীতিকদের তলবের পরেও ঢাকা যে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে আগ্রহী, তারই ইঙ্গিত মিলল। গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছেন এবং এ বিষয়ে তিনি নিজেও বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে কথা বলছেন।”

    সালেহউদ্দিন আহমেদ

    গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছিলেন, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা দুই দেশের মধ্যে কোনও তিক্ততা চাই না। বাইরে থেকে যদি কেউ সমস্যা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে, তা কোনও দেশের স্বার্থেই ভালো নয় (Bangladesh)।” এদিকে, বাংলাদেশ ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে। সালেহউদ্দিন আহমেদ একে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার একটি পন্থা বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই চাল আমদানি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে, কারণ ভারত ছাড়া আর একটি বড় বিকল্প ভিয়েতনাম থেকে চাল আনতে হলে প্রতি কেজিতে ১০ বাংলাদেশি টাকা বেশি খরচ পড়বে। সালেহউদ্দিন বলেন, “আমাদের বাণিজ্যনীতি রাজনৈতিক বিবেচনায় (Reaz Hamidullah) পরিচালিত নয়। যদি ভিয়েতনাম বা অন্য কোনও দেশ থেকে চাল আনার তুলনায় ভারত থেকে চাল আমদানি সস্তা হয়, তাহলে অর্থনৈতিক দিক থেকে ভারত থেকেই এই প্রধান খাদ্যশস্য কেনাই যুক্তিসঙ্গত (Bangladesh)।”

  • Bharat Taxi: আসছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’! যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য দাবি শাহের

    Bharat Taxi: আসছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’! যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi) চালু হতে চলেছে দিল্লিতে। চালকদের আয় বাড়ানো এবং যাত্রী পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকার শীঘ্রই ‘ভারত ট্যাক্সি’ পরিষেবা চালু করতে চলেছে। সম্প্রতি এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকার এই পরিষেবা চালু করতে চলেছে। ট্যাক্সি পরিষেবার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। সূত্রের খবর, চালকরা ভাড়ার লভ্যাংশ থেকে অনেক বেশি আয় করতে পারবেন। যার জন্য একটি মাসিক ক্রেডিট সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে।

    যাত্রী সুবিধা, চালকদের আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য

    হরিয়ানার পঞ্চকুলায় অনুষ্ঠিত সহকারী সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, সমবায় মন্ত্রকের উদ্যোগে চালু হতে যাওয়া এই পরিষেবায় অর্জিত সমস্ত লাভই চালকদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। অমিত শাহের কথায়, “আমরা খুব শীঘ্রই ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi) পরিষেবা চালু করব, যার প্রতিটি টাকার লাভ যাবে আমাদের চালক ভাইদের কাছে। এতে যাত্রীদের সুবিধা বাড়বে এবং একই সঙ্গে চালকদের আয়ও বৃদ্ধি পাবে।” দেশের অ্যাপ ক্যাব বাজারে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে চলেছে নতুন এই প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’। সূত্রের খবর, নতুন এই পরিষেবাটি জানুয়ারি মাসে নয়াদিল্লিতে পূর্ণাঙ্গ ভাবে চালু হতে চলেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে দিল্লি এবং গুজরাটের বেশ কিছু অংশে পরীক্ষামূলক ভাবে পরিষেবা শুরু হয়েছিল ভারত ট্যাক্সির। এই নতুন পরিষেবা ওলা, উবর এবং র‌্যাপিডোর মতো প্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলিকে টক্কর জোর টক্কর দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভারত ট্যাক্সি কী?

    ভারত ট্যাক্সি (Bharat Taxi) পরিচালনা করছে সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেড। এই প্ল্যাটফর্মকে চালক-মালিকানাধীন দেশীয় মোবিলিটি পরিষেবা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। সংস্থার দাবি এটি বিশ্বের বৃহত্তম ড্রাইভার-ওনড মোবিলিটি নেটওয়ার্ক। বর্তমানে দিল্লি এবং গুজরাটের সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে গাড়ি, অটো-রিকশা ও বাইক ট্যাক্সি মিলিয়ে এক লক্ষের বেশি চালক এই প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত রয়েছেন। ভারত ট্যাক্সি অ্যাপে স্বচ্ছ ভাড়া কাঠামো, একাধিক ভাষা, রিয়েল-টাইম গাড়ি ট্র্যাকিং এবং ২৪ ঘণ্টার গ্রাহক সহায়তার সুবিধা রয়েছে। যাত্রী ও চালক—দু’পক্ষের নিরাপত্তার জন্য যাচাই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ ছাড়াও দিল্লি পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সংযোগ রেখে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।

    জিরো কমিশন মডেল

    ভারত ট্যাক্সির (Bharat Taxi) সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জিরো-কমিশন মডেল। এই ব্যবস্থায় চালকরা ভাড়ার পুরো অর্থ নিজেরাই রাখতে পারবেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিভুক্ত চালকদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ক্যাব অপারেটর। এ ছাড়াও রয়েছেন অটো-রিকশা এবং বাইক ট্যাক্সির চালকেরা। সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ ইতিমধ্যেই ভারত ট্যাক্সির মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস— দুই প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাচ্ছে। সংস্থার দাবি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অ্যাপটি ৭৫ হাজারের বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।

    ভাড়ার হার ও পরিষেবা

    এই প্ল্যাটফর্মে এসি, প্রিমিয়াম, নন-এসি এবং এক্সএল ক্যাবের অপশন মিলবে। সংস্থার দাবি, দু’মিনিটের মধ্যেই গাড়ি পাওয়া যাবে। ভাড়ার হারও তুলনামূলকভাবে অন্য সংস্থার থেকে কম থাকবে। এই অ্যাপে প্রথম ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ন্যূনতম ভাড়া ৩০ টাকা। ৪ থেকে ১২ কিলোমিটারের জন্য প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২৩ টাকা এবং ১২ কিলোমিটারের বেশি হলে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ টাকা ধার্য করা হবে। অন্যান্য অ্যাগ্রিগেটরদের মতোই ভারত ট্যাক্সি অ্যাপটি মেট্রোর মতো পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পরিষেবার সঙ্গেও যুক্ত। ফলে ব্যবহারকারীরা একটি মাত্র অ্যাপের মাধ্যমেই যাতায়াতের একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে পুরো যাত্রার পরিকল্পনা করতে পারবেন। বর্তমানে দিল্লি ও গুজরাটে পরীক্ষামূলক পরিষেবা চালু রয়েছে। ব্যবহারকারীরা মোবাইল নম্বর দিয়ে সাইন আপ করতে পারবেন। পিক-আপ ও ড্রপ লোকেশন নির্বাচন করে পছন্দের রাইড বেছে নেওয়া যাবে। যাত্রার পুরো সময় রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং করা যাবে। ব্যবহার প্রক্রিয়া অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার অ্যাপের মতোই সহজ।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির বিভিন্ন জনমুখী নীতি

    হরিয়ানার ওই অনুষ্ঠানে অমিত শাহ দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন জনমুখী নীতি নিয়ে কথা বলেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাজেট বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে অমিত শাহ জানান, ২০১৪ সালে যেখানে কৃষি বাজেট ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা, সেখানে বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকা। একইভাবে, গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৮০ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা। দেশের উন্নয়নে হরিয়ানার অবদানের কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন শাহ। তিনি বলেন, “হরিয়ানা রাজ্যের কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও দুগ্ধ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে অসংখ্য পদক এনে জাতীয় পতাকাকে গর্বিত করেছেন।” পাশাপাশি, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবকে দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর করার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় হরিয়ানা থেকেই সর্বাধিক সংখ্যক সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য দেশকে রক্ষা করছেন।

     

     

     

     

     

  • Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    Delhi: দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বাইরে বজরং দলের চরম বিক্ষোভ, আন্দোলনের চাপে ভাঙলো ব্যারিকেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে গণপিটুনি দিয়ে প্রথমে খুন এবং এরপর গাছে ঝুলিয়ে আগুন দেওয়া হয়। নির্মম ভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনার প্রতিবাদে এবার দিল্লিতে (Delhi) বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিসের (Bangladesh High Commission) সামনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ভিএইচপি এবং বজরং দল সহ অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা বিরাট বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। ক্ষুব্ধ জনতার একটাই প্রশ্ন, কেন মিথ্যা অপবাদ এবং গুজব রটিয়ে হিন্দুপরিবারের ছেলেকে খুন করা হল? তাই অবিলম্বে মহম্মদ ইউনূসকে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে আন্দোলনরত হিন্দু সংগঠনগুলি।

    দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তির দাবি (Delhi)

    দিল্লিতে (Delhi) বিক্ষোভের আশঙ্কা অবশ্য আগে থেকেই ছিল। তাই আগের দিনই বাংলাদেশ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছিল। ত্রি-স্তরের ব্যারিকেড দিয়ে এলাকাটি সুরক্ষিত করা হয়েছিল এবং অতিরিক্ত ১৫,০০০ পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের এগিয়ে যেতে বাধা দেওয়ার জন্য ডিটিসি বাসগুলিকে রাস্তায় দাঁড় করানো হয়েছিল। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, হাইকমিশন থেকে প্রায় ৮০০ মিটার দূরে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নির্মম হত্যার ঘটনায় জনসাধারণের মনে ক্ষোভের আগুন ব্যাপক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে এদিন। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “একজন হিন্দু ব্যক্তিকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে তাঁকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা আমাদের সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আমরা দাবি জানাই যে বাংলাদেশ পুলিশকেও এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। দোষীদের চিহ্নিত করে চরম শাস্তি দিতে হবে।

    ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন

    গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মিথ্যা রটিয়ে ২৫ বছর বয়সী পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে প্রথমে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এরপর তাঁকে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে নিয়ে গেলেও পুলিশ পরে জনতার হাতে ছেড়ে দেয়। এরপর তাঁকে প্রথমে পিটিয়ে খুন করা হয় এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝুলিয়ে রেখে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের বড় ছেলে ছিল দিপু।

    দিল্লি-ঢাকার সম্পর্কের অবনতি

    উল্লেখ্য কট্টর ভারত বিরোধী ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহীর ভারতীয় দূতাবাস এবং উপদূতাবাসে জামাত, এনসিপির নেতার হামলা করেছিল। এরপর বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক তলব করেছিল দিল্লিতে। বর্তমানে বাংলাদেশের সব ভিসা সেন্টারকে বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। কট্টরপন্থীরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গৃহযুদ্ধ শুরু করেছে। ফলে হাসিনাকে হাতে পেতে বার বার ভারেতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যকে বিছিন্ন করার হুমকি দিয়ে চলেছে। একে হিন্দু যুবক হত্যা পরে ভারতে আক্রমণ করার হুমকিতে প্রত্যেক ভারতীয়দের মনেও ইউনূস বাহিনী চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। দিল্লির পাশাপাশি কলকাতাতেও ইউনূসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। উপহাইকমিশনারের (Bangladesh High Commission) অফিসের বাইরে পোড়ানো হয় মহম্মদ ইউনূসের কুশপুতুল। অপরদিকে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারপাশে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বাংলাদেশি সেনাবাহিনীকে গেটের বাইরে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

  • Delhi: সুরক্ষিত দিল্লির আকাশ! দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক দুই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে পাহারায় ডিআরডিও

    Delhi: সুরক্ষিত দিল্লির আকাশ! দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক দুই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে পাহারায় ডিআরডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির আকাশকে আরও সুরক্ষিত করতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দিল্লি ও দিল্লি এনসিআরকে আকাশ হামলা থেকে বাঁচাতে রাজধানীতে মোতায়েন করা হচ্ছে ইন্ট্রিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স উইপন্স সিস্টেম (IADWS)। মূলত ড্রোন হামলা থেকে রাজধানীকে বাঁচাতেই এই ব্যবস্থা। অপারেশন সিঁদুরের সময় একের পর ড্রোন হামলা করেছিল পাকিস্তান। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই সেই হামলা প্রতিহত করেছিল ভারত। তার পরেও রাজধানীর জন্য নেওয়া হচ্ছে এই সাবধানতা। এই নেটওয়ার্কে দুই ধরনের দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের সক্ষমতাও আরও একবার তুলে ধরবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    দেশীয় প্রযুক্তির উপর জোর

    আমেরিকার কাছ থেকে ন্যাশনাল অ্যাডভান্সড সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম কেনার ব্যাপারে কথাবার্তা বলছিল ভারত। আমেরিকার রাজধানী এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম দ্বারাই সুরক্ষিত থাকে। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ওই কথাবার্তা আপাতত থমকে রয়েছে কারণ ওই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের জন্য বিপুল দাম চাইছিল আমেরিকা। তার পরই বিদেশি নির্ভরতা কাটিয়ে উঠে ভারত নিজের প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করতে চাইছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ক্যুইক রিঅ্য়াকশন সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল (QRSAM) ও ভেরি শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে (VSHORADS) যুক্ত থাকবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমটি চালনা করবে ভারতীয় বায়ুসেনা। এটি আটকে দেবে সুপারসনিক, সাবসনিক ক্রুজ মিসাইল থেকে শক্তিশালী সব ড্রোনের হামলাও। এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চোখের পলকে কান ধরে নিচে নামাতে পারে শত্রুর ফাইটার জেটকে। এগুলির স্ট্যাটিক লঞ্চার সম্ভবত ব্যাটারির বদলে কনস্ট্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই পাবে। ফলে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি অন্যদের থেকে আরও কয়েকধাপ এগিয়ে রয়েছে।

    কীভাবে কাজ করবে এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, দিল্লির উপরে তৈরি করা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমে থাকবে ৩টি স্তর। একেবারে ভেতরের স্তরে থাকবে ৬ কিলোমিটার উচ্চতার উড়তে থাকা ড্রোন ও কপ্টার ধ্বংস করার মতো পরিকাঠামো। দিল্লি আয়রন ডোমের মাঝের স্তরে থাকছে এমন এক ব্যবস্থা যা ফাইটার জেট, ক্রুজ মিসাইল ও আনম্যানড ভেহিকেলস ৩০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত ধ্বংস করতে পারবে। একটি সেন্সরের সাহায্য়ে দুটি স্তরের সমন্বয় বজায় থাকবে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি মাত্র তিন থেকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যে যে কোনও আসন্ন হুমকি ধরে ফেলতে পারে। এমনকী ধরার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা প্রত্যাঘাতী ক্ষেপণাস্ত্রও ছুড়ে দিতে পারে। ফলে আকাশেই খতম হয়ে যাবে শত্রুর খেলা। গোটা ব্যবস্থাটাই দেখাশোনা করছে ডিআরডিও। উল্লেখ্য, ডিআরডিও ইতিমধ্য়েই তৈরি করেছে কিউআরস্যাম ও মিডিয়াম রেঞ্জের সারফেস টু এয়ার মিসাইল (MRSAM)। পাশাপাশি রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত এস-৫০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কেনার চেষ্টা করছে। এই নতুন মাল্টিলেয়ার্ড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চালু হলে দিল্লির আকাশসীমা আরও নিরাপদ হবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

  • India Russia Relation: ঐতিহাসিক ভারত সফরে আসছেন পুতিন, পঞ্চস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে দিল্লি

    India Russia Relation: ঐতিহাসিক ভারত সফরে আসছেন পুতিন, পঞ্চস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার দু’দিনের ঐতিহাসিক ভারত সফরে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (India Russia Relation)। রুশ প্রেসিডেন্টের আসার প্রতীক্ষার (Vladimir Putin) প্রহর গুণছেন ভারতবাসী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার-পোস্টারে ছয়লাপ করে দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লির রাস্তা-অলি-গলি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মধ্যে দিয়ে রাশিয়া এবং ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ আর মজবুত হবে।

    ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন (India Russia Relation)

    পুতিন এদিনই ভারতে তাঁর দুদিনের সফর শুরু করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর নয়াদিল্লি আগমনের অল্প সময় পরেই ব্যক্তিগত নৈশভোজের আয়োজন করবেন। শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলন এমন একটি সময়ে হচ্ছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়াদিল্লির ওপর শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা, এবং বাণিজ্য ও জ্বালানি অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হবে। ইউক্রেন আক্রমণের পর এটি হবে পুতিনের প্রথম ভারত সফর। শুক্রবার তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে। তার পরেই শুরু হবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা। উচ্চ পর্যায়ের এই সফরকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্টের সফর যাতে নিরাপদ ও বিঘ্নহীন হয় সেজন্য কঠোর করা হয়েছে নিরাপত্তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থা। শীর্ষ সম্মেলনের আগে পাঁচ-স্তরীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।

    আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    এই ব্যবস্থায় রয়েছে অভিজাত ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG) কমান্ডো, সম্ভাব্য যাতায়াতপথে নিযুক্ত স্নাইপার, ড্রোন নজরদারি, অননুমোদিত সংকেত বন্ধে জ্যামার এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এআই-নিয়ন্ত্রিত মনিটরিং সিস্টেম (Vladimir Putin)। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণের জন্য উচ্চ প্রযুক্তির মুখ চিনতে পারা ক্যামেরাও লাগানো হয়েছে (India Russia Relation)।নয়াদিল্লিতে ইতিমধ্যেই রাশিয়ার ৪০ জনেরও বেশি সিনিয়র নিরাপত্তা আধিকারিক পৌঁছে গিয়েছেন। তাঁরা এনএসজি এবং দিল্লি পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রেখে চলেছেন, যাতে রাষ্ট্রপতির কনভয়ের প্রতিটি মুহূর্ত রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করে সম্ভাব্য যে কোনও হুমকি নিষ্ক্রিয় করা যায়। বহুস্তরীয় এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি কৌশলগতভাবে ভাগ করা হয়েছে এভাবে, বাইরের স্তরগুলি এনএসজি দলের এবং দিল্লি পুলিশের তত্ত্বাবধানে থাকবে, আর ভেতরের স্তরগুলি পরিচালনা করবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস।

    রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রীয় গাড়ির

    রুশ প্রেসিডেন্ট যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কোনও বৈঠক করবেন, এসপিজির কমান্ডোরা মূল নিরাপত্তা বলয়ে যুক্ত হবেন। পুতিন যে হোটেলে থাকবেন এবং যেসব জায়গায় যেতে পারেন, সম্ভাব্য সেই সব জায়গাগুলিও সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা ও সুরক্ষিত করা হচ্ছে। নিরাপত্তায় কোনও ধরনের ত্রুটি যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রাণপাত করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রীয় গাড়ির আগমন, শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা সমৃদ্ধ আর্মার্ড অরাস সেনাট লিমুজিন, যেটি বিশেষভাবে এই সফরের জন্য উড়িয়ে আনা হয়েছে ভারতে (India Russia Relation)।

    রাষ্ট্রপতি ভবনে নৈশভোজ

    এদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দেবেন পুতিন। শুক্রবার তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। পরে তিনি যাবেন রাজঘাটে, শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে। এদিনই হায়দরাবাদ হাউসে হবে মোদি-পুতিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। পরে ভারত মণ্ডপমে একটি অনুষ্ঠান এবং পরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর আতিথ্যে ডিনারে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে রুশ প্রেসিডেন্টের (Vladimir Putin)। এবার রুশ প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে তাঁর অরাস সেনাট লিমুজিন গাড়িটিও। মস্কো থেকে বিশেষ বিমানে করে উড়িয়ে আনা হয়েছে এই লাক্সারি এই গাড়িটিকে। ২০১৮ সালে বাজারে আসার পর থেকেই এই গাড়িটি হয়েছে পুতিনের সরকারি গাড়ি। গাড়ি নয়, বরং সাঁজোয়া বলা যেতে পারে। অনেকেই বলেন এটি হল ভ্রাম্যমাণ একটি দুর্গ। মাস কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন চিনে গিয়েছিলেন এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে, তখন পুতিনের সঙ্গে এই গাড়িতেই দেখা গিয়েছিল তাঁকে (India Russia Relation)।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

    প্রসঙ্গত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চক্ষুশূল হয়েছে ভারত। শুল্ক চাপ বজায় রাখার পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তিও করেনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার। এই আবহেই ভারতে আসছেন পুতিন। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেন, “রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের পোক্ত সম্পর্ক। মিস্টার পুতিনের এই (Vladimir Putin) সফর তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের অটোনমি কোনও একটা দেশের কাছে বন্ধক রাখতে পারি না। বরং সব দেশের সঙ্গেই আমাদের স্বাধীন সম্পর্ক থাকা উচিত। আশা করি, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরালো হবে (India Russia Relation)।”

  • Hayli Gubbi Volcano: ভারতের আকাশেও ছাইমেঘ, বাতিল বহু বিমান! ১২ হাজার বছর পর জাগল ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি

    Hayli Gubbi Volcano: ভারতের আকাশেও ছাইমেঘ, বাতিল বহু বিমান! ১২ হাজার বছর পর জাগল ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন ধরে ঘুমিয়েই ছিল। গত ১২০০০ বছর আচমকাই জেগে উঠেছে পূর্ব আফ্রিকার আগ্নেয়গিরি। ইথিয়োপিয়ার হায়েলি গুব্বি (Ethiopian Volcanic Ash)আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাত শুরু হয়েছে রবিবার থেকে। সেই ছাইয়ের কুণ্ডলী মেঘের সঙ্গে মিশে লোহিত সাগর পেরিয়ে উড়ে আসছে এশিয়া মহাদেশে। ভারতের রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের আকাশেও কালো মেঘ জমতে শুরু করেছে। আর তার জেরে বিমান পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটছে। একাধিক সংস্থা বিমান বাতিল করেছে আপাতত। দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৪ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার। কিন্তু ইথিওপিয়ার (Haylie Gubbi Volcano) আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাতের জেরে দিল্লিতে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

    ভারতে প্রবেশ করল ছাই-মেঘ

    গত ১২০০০ বছরে হায়ালি গুব্বিতে কোনও অগ্নুৎপাতের প্রমাণ নেই। রবিবার সকালে (স্থানীয় সময়ে) আচমকাই জেগে ওঠে ইথিয়োপিয়ার এই আগ্নেয়গিরি। জ্বালামুখ থেকে নির্গত ধোঁয়া, ছাই ঢেকে দিয়েছে দেশের আকাশকে। শুধু তাই নয়, লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেন, ওমানের দিকেও এগিয়ে গিয়েছে সেই ধোঁয়া, ছাইয়ের কুণ্ডলী। সালফার ডাইঅক্সাইডমিশ্রিত ঘন ছাইমেঘ (অ্যাশ ক্লাউড) প্রায় ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা‌ বেগে উড়তে উড়তে প্রবেশ করেছে ভারতেও। ওই লাভার ছাই দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে সোমবার রাতে ভারতে পৌঁছে যায়। রাত ১১টা নাগাদ উত্তর পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে ভারতের আকাশে ঢুকে যায় ওই ছাইমেঘ। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, রাজস্থানের জয়সলমের-যোধপুর অঞ্চল দিয়ে এই মেঘ প্রবেশ করেছে ভারতে। তার পরে রাজস্থান, হরিয়ানা এবং দিল্লির আকাশে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এই ‘বিষ-মেঘ’ ছড়িয়ে পড়ে। মেঘ ছড়িয়েছে গুজরাটের কিছু অংশের আকাশেও।

    কোন কোন বিমান পরিষেবা বিঘ্নিত

    এর প্রভাবে বিমান পরিষেবা ধাক্কা খেয়েছে ইতিমধ্যেই। উড়ান সংস্থাগুলির জন্য ইতিমধ্যে সতর্কবার্তা জারি করেছেন ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ামক কর্তৃপক্ষ ডিজিসিএ। ছাইমেঘের জেরে কেরলের কন্নুর থেকে আবুধাবিগামী ইন্ডিগোর ৬ই১৪৩৩ বিমানের যাত্রাপথ বদলে দিতে হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমেদাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়েছে সেটি। ইন্ডিগো পরে জানায়, বিমানটি আমেদাবাদে নিরাপদেই অবতরণ করেছে। যাত্রীদের কন্নুরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রভাবিত হয়েছে আরও বেশ কিছু উড়ান‌ পরিষেবা। কোচি থেকে অন্তত দু’টি আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল হয়েছে ছাইমেঘের জেরে। কেএলএম রয়্যাল‌ ডাচ উড়ান‌ সংস্থারও বেশ কিছু বিমান পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে। ব্রিটেনের আমস্টারডাম থেকে দিল্লিমুখী কেএল ৮৭১ এবং বিপরীতমুখী কেএল ৮৭২— দু’টিই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাতিল করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া, স্পাইসজেট, আকাশ এয়ারের মতো উড়ান সংস্থাগুলিও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। আকাশ উড়ান বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রভাবিত এলাকাগুলিতে বিমান পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ডিজিসিএ-র সতর্কবার্তা

    উড়ান সংস্থাগুলিকে সতর্ক করে ‌দিয়েছে ডিজিসিএ-ও। আগ্নেয়গিরির ছাইমেঘ প্রভাবিত এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য বলা হয়েছে সব ভারতীয় উড়ান সংস্থাকে। প্রয়োজন অনুসারে যাত্রাপথ বদল এবং বিকল্প পরিকল্পনারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক রুট তৈরি করে, পর্যাপ্ত জ্বালানি নিয়ে উড়ানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও ভাবে ছাইয়ের সংস্পর্শে এলে সঙ্গে সঙ্গে তা জানাতে বলা হয়েছে, যাতে ইঞ্জিনের অবস্থা জানা যায়। ধোঁয়া বা গন্ধ নিয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিমানবন্দরের কাজকর্মে কোনও রকম বাধাবিঘ্ন সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গে রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে, অ্যাপ্রন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ। সারাক্ষণ নজরদারি চালাতে হবে, নজরদারি চলবে স্যাটেলাইটের মাধ্যমেও।

    জনস্বাস্থ্যে প্রভাব

    আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভার ছাইমিশ্রিত মেঘ দেশবাসীর স্বাস্থ্যের উপর কোনও বিরূপ প্রভাব ফেলবে না বলেই আশ্বস্ত করছেন বিশেষজ্ঞেরা। কারণ, এই ছাইমেঘ উড়ছে ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে। প্রায় ২৫০০০-৪৫০০০ ফুট উচ্চতায় উড়ছে এগুলি। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের উপর এই মেঘ প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন তাঁরা। যদিও দিল্লিতে বাতাসের গুণমান আগে থেকেই অত্যন্ত খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। সেই বিষয়েও সতর্ক করে দিচ্ছেন‌ বিশেষজ্ঞেরা। রবিবার সকালে ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে জেগে ওঠে হায়েলি গুব্বি (Hayli Gubbi) আগ্নেয়গিরিটি। সংলগ্ন আফদেরা গ্রাম সঙ্গে সঙ্গেই ধুলোয় ঢেকে যায়। এমনকি অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, আশেপাশের এলাকায় ভূমিকম্পও অনুভূত হয় বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, জ্বালামুখ থেকে নির্গত ধোঁয়া, ছাই প্রায় ১৪ কিলমিটার উচ্চতা পর্যন্ত আকাশে উঠে যায়।

  • Al Falah University: দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই আল ফালাহ্-র ১০ কর্মী-পড়ুয়া নিখোঁজ, বন্ধ ফোনও! কোথায় তাঁরা?

    Al Falah University: দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই আল ফালাহ্-র ১০ কর্মী-পড়ুয়া নিখোঁজ, বন্ধ ফোনও! কোথায় তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Blast) কাণ্ডে নতুন মোড়। জঙ্গি তৈরির কারখানা হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University) থেকে ১০ জন নিখোঁজ। এঁরা হয় ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া অথবা কর্মী। গোয়েন্দা সূত্রে বুধবার এ খবর জানা গিয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে তিন জন কাশ্মীরি। এই ১০ জনের সকলের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। দিল্লিতে লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরণে জড়িতেরা সকলেই আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। ওই ঘটনার পরে হরিয়ানা এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযান শুরুর পরেই ১০ জনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

    আল ফালাহ্-র ১০ জন কোথায়

    দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Blast) কাণ্ডের পর থেকেই তদন্তকারীদের নজরে আল ফালাহ ইউনিভার্সিটি। সুইসাইড বম্বার উমর-উন-নবি এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেরই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ছিলেন। তবে যোগসূত্র এখানেই শেষ হচ্ছে না। ফরিদাবাদ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ধৃত শাহিন শাহিদও আল ফালাহ্-র চিকিৎসক ছিলেন। ইতিমধ্যে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al Falah University) প্রতিষ্ঠাতা জওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তার পরে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। আচমকাই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন আল ফালাহ্-র ১০ জন পড়ুয়া। রাতারাতি যেন উবে গিয়েছেন তাঁরা। আল ফালাহ-কে ‘গ্রাউন্ড জিরো’ মনে করছেন তদন্তকারীরা। এ খান থেকেই শুরু হয়েছে দিল্লি বিস্ফোরণের সলতে পাকানোর কাজ। ১০ জন পড়ুয়া রাতারাতি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পরে সেই ধারণা আরও শক্ত হচ্ছে।

    জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত ১০ জন!

    লালকেল্লা বিস্ফোরণের (Delhi Blast) তদন্তে জম্মু-কাশ্মীর ও হরিয়ানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়েছিল। সে সময় সামনে আসে আল-ফালাহ্-র একাধিক ব্যক্তির রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি। তাঁদের মধ্যে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al Falah University) কর্মী। কেউ বা আবার পড়ুয়া। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সঙ্গে কি বিস্ফোরণ কাণ্ডের কোনও যোগ আছে? তাঁরাও কি ‘ডক্টর্স মডিউল’-এর সঙ্গে যুক্ত? এই প্রশ্নে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ গোয়েন্দারা। যদিও নিখোঁজ এই ১০ জনের জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। এই মুহূর্তে তাদের হদিশ পাওয়াই তদন্তকারীদের কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

    দিল্লি বিস্ফোরণের পিছনে কি জইশ?

    ইতিমধ্যেই দিল্লির লাল কেল্লার (Delhi Blast) সামনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার সম্ভাব্য ভরকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University)। তদন্তকারীদের একাংশের দাবি, জইশ ই মহম্মদ এর পিছনে কলকাঠি নেড়েছে। নতুন করে ‘ফিদায়েঁ’ বা আত্মঘাতী হামলার জন্য অর্থ সংগ্রহ শুরু করেছে জইশ-ই-মহম্মদ। পাকিস্তানের একটি অ্যাপ ‘সদা পে’ ব্যবহার করে পাকিস্তান রুপিতে ২০ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়েছে। এবার জামাতের মহিলা জঙ্গিদের নেতৃত্বে হামলা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সন্দেহ করছেন গোয়েন্দারা। ইতিমধ্যেই জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়াকে জইশের মহিলা শাখা জামাত উল মোমিনাতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে ভারতের হামলায় সাদিয়ার স্বামী নিহত হন। এই অপারেশনে আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক শাহিন শাহিদের কোড নেম ছিল ‘ম্যাডাম সার্জন’। সম্ভবত তার উপরেই গোটা হামলার অর্থ জোগাড়ের দায়িত্ব ছিল বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

LinkedIn
Share