Tag: Delhi High Court

Delhi High Court

  • Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত আসন্ন চলচ্চিত্র “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে জানাল নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়া। শিরোনামটি ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চলচ্চিত্রটির মুক্তি স্থগিতের দাবিতে দায়ের করা এক আবেদনের শুনানির সময় বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরবের বেঞ্চে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে ছবির শিরোনামটি “অপমানজনক” এবং “মানহানিকর”।

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের বিবৃতি (Netflix)

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতি নথিভুক্ত করে আদালত উল্লেখ করে যে প্রযোজক উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সচেতনভাবে ছবির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিচারপতি কৌরব তাঁর আদেশে বলেন, “উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে প্রযোজক সচেতন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ‘ঘুষখোর পণ্ডত’ নামটি পরিবর্তন করে এমন একটি বিকল্প শিরোনাম রাখা হবে, যা ছবির কাহিনি ও উদ্দেশ্যকে আরও যথাযথভাবে প্রতিফলিত করবে।” নেটফ্লিক্সের পক্ষে উপস্থিত সিনিয়র আইনজীবী আদালতকে জানান, ছবিটি একটি কাল্পনিক পুলিশ-ভিত্তিক নাটক এবং বর্তমানে সম্পাদনার পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “শিরোনাম ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা অনিচ্ছাকৃত বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে, যা ছবির প্রকৃত বিষয়বস্তু বা উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।” আদালতকে আরও জানানো হয় যে আগের শিরোনাম বহনকারী সমস্ত প্রচারসামগ্রী ইতিমধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

    নাম পরিবর্তনের আশ্বাস

    নেটফ্লিক্স নাম পরিবর্তনের আশ্বাস দেওয়ায় দিল্লি হাইকোর্ট মামলাটি নিষ্পত্তি করে জানায়, এ বিষয়ে আর কোনও সিদ্ধান্তের প্রয়োজন নেই। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নীরজ পাণ্ডে। চলতি মাসের শুরুতে ছবিটির কথা ঘোষণা করা হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এটি সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় তোলে। একাধিক ব্যবহারকারী শিরোনামটিকে জাতিগত বিদ্বেষমূলক ও অপমানজনক বলে আখ্যা দেন। তাঁদের অভিযোগ, এটি অন্যায়ভাবে একটি ধর্মীয় পরিচয়কে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত করেছে। “ঘুষখোর” শব্দের অর্থ ‘ঘুষ গ্রহণকারী’। সমালোচকদের মতে, এটি “পণ্ডত” (হিন্দু পুরোহিতদের সঙ্গে সম্পর্কিত) শব্দের সঙ্গে যুক্ত করা অবমাননাকর।

    উত্তরপ্রদেশে ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টে আবেদনকারী মহেন্দ্র চতুর্বেদী, যিনি নিজেকে একজন ‘আচার্য’ হিসেবে পরিচয় দেন, দাবি করেন যে “পণ্ডত” শব্দটিকে ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে বিদ্বেষপূর্ণভাবে যুক্ত করা তাঁর সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। আবেদনে বলা হয়, এই শিরোনাম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতি অবমাননা এবং সৃজনশীল স্বাধীনতার অধিকার মানহানিকর উপস্থাপনার পর্যায়ে পৌঁছতে পারে না। নেটফ্লিক্স শিরোনাম পরিবর্তনে রাজি হওয়ায় দিল্লি হাইকোর্টে চলা আইনি চ্যালেঞ্জের অবসান ঘটেছে।

     

  • Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেক বাউন্স মামলায় দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা রাজপাল যাদব (Rajpal Yadav)। তার ঠিক আগে আগে নিজের আর্থিক সঙ্কটের কথা প্রকাশ্যে (Court) জানান অভিনেতা। ‘ভুলভুলাইয়া’ (২০০৭), ‘হাঙ্গামা’ (২০০৩) ও ‘ঢোল’ (২০০৭)-এর মতো ছবিতে কৌতুক অভিনেতার চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিত বছর চুয়ান্নর এই অভিনেতা বলেন, “আমার কাছে কোনও টাকা নেই, কোনও বন্ধুও নেই, আর আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আমার আর কোনও উপায়ও নেই।”

    তিহার জেলে আত্মসমর্পণ (Rajpal Yadav)

    দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর সময় বাড়ানোর আবেদন খারিজ করার পর রাজপাল তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। তিনি তা না করায় আদালত আর কোনও ছাড় দিতে অস্বীকার করে। বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পেশা নির্বিশেষে আইনের চোখে সবাই সমান। এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা ব্যাখ্যা করে বলেন,
    “স্যার, কী করব? আমার কাছে টাকা নেই। আর কোনও উপায়ও দেখতে পাচ্ছি না।” তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি সহকর্মী বা ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের, যেমন পরিচালক প্রিয়দর্শন, যাঁর সঙ্গে তিনি বহুবার কাজ করেছেন, কাছ থেকে সাহায্য চাওয়ার কথা ভেবেছেন কি না, তখন রাজপাল বলেন, “স্যার, এখানে আমরা সবাই একা। এখানে কোনও বন্ধু নেই। এই সঙ্কটের মোকাবিলা আমাকে একাই করতে হবে।”

    রাজপালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    এর আগে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সালে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর করা মামলার ভিত্তিতে রাজপাল যাদব ও তাঁর স্ত্রী রাধার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ, ২০১০ সালে নেওয়া ৫ কোটি টাকার ঋণ তাঁরা পরিশোধ করেননি। জানা গিয়েছে, রাজপাল তাঁর পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা ’(২০১০)-এর জন্য এই টাকা নিয়েছিলেন (Rajpal Yadav)। ছবিটি ২০১২ সালে মুক্তি পেলেও ঋণ শোধ করা হয়নি। এই মামলায় আদালত একাধিকবার তাঁকে তলব করেছিল এবং বিচার চলাকালীন একবার তাঁকে ১০ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতেও পাঠানো হয়েছিল। চেক বাউন্স মামলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণের টাকা জোগাড় করতে না পারায় আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। তিহার জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৪টের সময় রাজপাল যাদব জেল সুপারের সামনে হাজির হন (Rajpal Yadav)।

    আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার

    আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, “এই পরিস্থিতিতে, আবেদনকারীর (Court) (রাজপাল যাদব) আত্মসমর্পণের নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁকে আজই অবিলম্বে তিহার জেলের সুপারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।” হাইকোর্ট বিলম্বের কড়া সমালোচনা করে জানায়, কোনও ব্যক্তির পেশাগত পরিচয় বিশেষ সুবিধার কারণ হতে পারে না। বেঞ্চ জানায়, “কোনও ব্যক্তি বিশেষ কোনও পেশা বা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বলেই আদালত বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে না।” আদালত আরও জানায়, আগের নির্দেশে আত্মসমর্পণের তারিখ নিয়ে কোনও বিভ্রান্তির সুযোগ ছিল না। যদিও রাজপালের আইনজীবী দাবি করেন, ঋণের টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করতেই দেরি হয়েছে, তবুও আদালত জানায়, বারবার ছাড় দিলে বিচারব্যবস্থার নির্দেশের গুরুত্ব ক্ষুণ্ণ হবে (Rajpal Yadav)। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার রয়েছে, এই নীতির পুনরুল্লেখ করে আদালত জানায়, অভিনেতা হওয়ার কারণে বা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় কোনও বিশেষ সুবিধা তাঁকে দেওয়া হবে না (Court)।

    পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা সোনু সুদ 

    এই ঘটনার পর অভিনেতা সোনু সুদ এক্স হ্যান্ডেলে রাজপাল যাদবের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন। তিনি চলচ্চিত্র জগতকে কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ বার্তায় সোনু সুদ লেখেন, “রাজপাল যাদব একজন প্রতিভাবান অভিনেতা, যিনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে বহু বছর অসাধারণ কাজ উপহার দিয়েছেন। কখনও কখনও জীবন অন্যায় হয়ে ওঠে, প্রতিভার অভাবে নয়, বরং সময়টাই নিষ্ঠুর হয়ে যায়।” তিনি আরও লেখেন, “তিনি আমার ছবির অংশ হবেন। এই মুহূর্তে প্রযোজক, পরিচালক ও সহকর্মীদের একসঙ্গে দাঁড়ানোর সময়। ভবিষ্যৎ কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যযোগ্য একটি ছোট সাইনিং অ্যামাউন্ট দান নয়, সম্মান। আমাদেরই একজন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেলে ইন্ডাস্ট্রির উচিত তাকে মনে করিয়ে দেওয়া, সে একা নয় (Rajpal Yadav)।”

    একের পর এক সেরা ছবি

    রাজপাল যাদব দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে সক্রিয়। নয়ের দশকের শেষের দিকে তিনি হিন্দি ছবিতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং ‘জঙ্গল’ (২০০০) ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ পরিচিতি পান। এরপর তিনি প্রায় ১৫০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। হিন্দির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন মারাঠি, ইংরেজি, তেলুগু, কন্নড়, আওয়াধি ও বাংলা সিনেমায়ও (Court)। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘বেবি জন’ (২০২৪) ও ‘ইন্টারোগেশন ’(২০২৫) ছবিতে। আগামী ১০ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় হরর-কমেডি ছবি ‘ভূত বাংলা’, যেখানে তিনি অক্ষয় কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল ’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন, যেখানে সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেঠি, অক্ষয় কুমার, রবীনা ট্যান্ডন-সহ একাধিক তারকা রয়েছেন (Rajpal Yadav)।

     

  • Delhi High: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ করতে বাধ্য নয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট

    Delhi High: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি প্রকাশ করতে বাধ্য নয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে চলা অহেতুক বিতর্কের সমাপ্তি ঘটাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (Delhi High)। সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট রায় দিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রী মোদির স্নাতক ডিগ্রির তথ্য প্রকাশে বাধ্য নয়। প্রসঙ্গত, তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় (RTI) এই তথ্য প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল যে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন, সেটিও বাতিল করে দেন বিচারপতি সচিন দত্ত।

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আদালতে কী জানালেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা

    শুনানির সময় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (Delhi High) পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে জানান, ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার—তথ্য জানার অধিকারের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্তি ছিল, শিক্ষার্থীরা তথ্য গোপন থাকবে—এই বিশ্বাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের রেকর্ড জমা দেন। যদি কোনও বৃহত্তর জনস্বার্থ না থাকে, তাহলে শুধুমাত্র ‘নিছক কৌতূহল’ মেটাতে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা অনুচিত। বিশ্ববিদ্যালয় আরও জানায়, আদালতের নির্দেশ থাকলে প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির নথিপত্র জমা দিতে তারা প্রস্তুত। তবে শুধুমাত্র আরটিআই-র ভিত্তিতে এই তথ্য কোনও অপরিচিত ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়।

    ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের শরণাপন্ন হন নীরজ কুমার

    অন্যদিকে, তথ্য জানার অধিকারের আবেদনকারী আরটিআই কর্মী নিরজ কুমারের পক্ষে আইনজীবী দাবি করেন, জনসাধারণের এসব জানার অধিকার রয়েছে বলে দাবি করলে আদালত তা খারিজ করে দেয়। প্রসঙ্গত, নিরজ কুমার ১৯৭৮ সালের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (Delhi High) স্নাতক পরীক্ষার্থীদের তালিকা জানতে চেয়ে আরটিআই করেন। বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য দিতে অস্বীকার করলে, তিনি ২০১৬ সালে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের শরণাপন্ন হন। কমিশন তথ্য প্রকাশের নির্দেশ দেয়। এরপরই ২০১৭ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় আদালতের দ্বারস্থ হয়। সেই সময় আদালত প্রথম শুনানিতেই তথ্য কমিশনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিজেপি প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির কপি প্রকাশ করেছে এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় তা বৈধ বলে নিশ্চিতও করেছে। তবুও এভাবেই প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) ডিগ্রি নিয়ে কৌতূহলী হয়েছিল একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে—এই বিতর্কের অবসান ঘটাল এই রায়।

  • Celebi Ban: সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল দিল্লি হাইকোর্টে

    Celebi Ban: সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:তুর্কি বিমান পরিষেবা সংস্থা সেলেবির (Celebi Ban) সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল রাখল দিল্লি হাইকোর্ট। সোমবার আদালত তুর্কি বিমান পরিষেবা সংস্থা সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের সুরক্ষা ছাড় বাতিল করার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে। এদিন বিচারপতি (Delhi High Court) শচীন দত্ত তাঁর নির্দেশে বলেন, “সরকারের এই সিদ্ধান্তে জাতীয় নিরাপত্তা জড়িত। তাই সেলেবি কর্তৃক দায়ের করা আবেদনগুলি খারিজ করে দেওয়া হল।” তিনি বলেন, “গুপ্তচরবৃত্তি বা লজিস্টিক ক্ষমতার দ্বৈত ব্যবহারের সম্ভাবনা নির্মূল করা প্রয়োজন। কারণ বহিরাগত সংঘাতের সময় এই ধরনের সংযোগ দেশের নিরাপত্তাকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ (Celebi Ban)

    পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পরিষেবার মাধ্যমে এয়ারসাইড অপারেশন, বিমানের অভ্যন্তর, কার্গো, যাত্রী তথ্য ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা জোনে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়। এই ধরনের অবাধ প্রবেশাধিকার নিরাপত্তা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে, বিশেষ করে যখন পরিষেবা সংস্থার বিদেশি সংযোগ থাকে। সেলেবি তাদের আবেদনে বলে, কোনও পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং সরকার কোনও ব্যাখ্যাও দেয়নি। তারা আরও দাবি করে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ৩,৭৯১ জনের চাকরির ওপর প্রভাব পড়বে। তাদের বক্তব্য ছিল, “কোনও সত্তা কীভাবে একটি হুমকি — তা ব্যাখ্যা না করে শুধুমাত্র জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত কথার ফুলঝুরি আইনের দৃষ্টিতে ধোপে টেকে না।”

    কেন্দ্রের বক্তব্য

    সরকারের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কারণ প্রকাশ করলে সেই সিদ্ধান্তের (Celebi Ban) মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হত। তিনি বলেন, নভেম্বর ২০২২-এ যখন সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র রিনিউ করা হয়েছিল, তখন সংস্থা মেনে নিয়েছিল যে, কোনও কারণ না জানিয়েও সেই ছাড় বাতিল করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত, ১৫ মে ভারতের বিমান চলাচল নিরাপত্তা সংস্থা ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সেলেবির নিরাপত্তা অনুমোদন বাতিল করে। এই সিদ্ধান্তটি (Delhi High Court) এমন একটা সময়ে এল, যখন তুরস্ক পাকিস্তানকে ড্রোন সরবরাহ করে এবং ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ বিমান হামলার নিন্দা করে (Celebi Ban)।

  • Boycott Turkey: বিমান পরিষেবা থেকে চকোলেট, পাক-বন্ধু তুরস্কের পণ্য বয়কটে ব্যাপক সাড়া দেশে

    Boycott Turkey: বিমান পরিষেবা থেকে চকোলেট, পাক-বন্ধু তুরস্কের পণ্য বয়কটে ব্যাপক সাড়া দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে সরাসরি ইসলামাবাদের পক্ষ নেয় তুরস্ক। ২০২৩ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্কে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো থেকে উদ্ধার কাজ চালায় ভারত। অপারেশন দোস্ত নামে সেই অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার কাজ চালিয়ে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচায় ভারত। সেটা বেমালুম ভুলে অকৃতজ্ঞ, বিশ্বাসঘাতক তুরস্ক (Boycott Turkey) পাকিস্তানকে সেনা, ড্রোন সরবরাহ করে দেয়। এই আবহে দেশের কম বেশি সমস্ত মহলেই দাবি উঠেছে তুরস্কের পণ্য বয়কটের। ব্যবসায়ী, গ্রাহক, নির্মাতা সংস্থা- প্রত্যকেই এই একই দাবি জানিয়েছে। এই আবহে তুরস্কের এক সংস্থা, সেলেবি, যারা বিমানবন্দরে পরিষেবা দেয়, তাদেরকে বাতিল করা হয়েছে। তুরস্ক থেকে আসা ফল, চকলেট পোশাক- এই সমস্ত কিছুই বয়কটের দাবি উঠেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতীয়রা তুরস্কের পণ্য এবং পরিষেবা বয়কট করছেন, সেনিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হল এই প্রতিবেদনে।

    বিমান বন্দরের পরিষেবা প্রদানকারী সেলেবির ছাড়পত্র বাতিল

    বিমান বন্দরের পরিষেবা প্রদানকারী তুরস্কের সংস্থা সেলেবির ওপর উপর প্রথম পদক্ষেপ করা হয় (Boycott Turkey) ১৫ মে। ভারত সরকারের সংস্থা ব্যুরো অফ সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি এই পদক্ষেপ করে। বিমানবন্দরে পরিষেবা প্রদানকারী তুরস্কের সংস্থা সেলেবির নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্র বাতিল করে দেয় তারা।

    তুরস্কের পাশাপাশি আজারবাইজানেও ভ্রমণ বাতিল করছেন ভারতীয়রা

    অন্যদিকে, ভ্রমণ সংস্থা মেক মাই ট্রিপ জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে তুরস্ক এবং আজারবাইজানে ফ্লাইট বুকিং ৬০ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে ফ্লাইট বাতিল করার সংখ্যা ২৫০ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে তারা। প্রসঙ্গত, তুরস্কের পাশাপাশি আজারবাইজানও পাকিস্তানকে সরাসরি সমর্থন করেছিল। এ নিয়ে মেক মাই ট্রিপ-এর একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহে ভারতীয় ভ্রমণকারীদের মধ্যে দেশের প্রতি এক তীব্র অনুভূতি দেখা গিয়েছে। এর ফলে আজারবাইজান এবং তুরস্কের বুকিং ৬০ শতাংশ কমে গিয়েছে। একইসঙ্গে বিমান বাতিলের (Boycott Turkey) পরিমাণ ২৫০ শতাংশ বেড়েছে।

    ‘অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশন’-এর আহ্বান

    সাম্প্রতিক প্রকাশিত রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বয়কট তুরস্ক আন্দোলন ব্যাপক গতি পাচ্ছে ভারতে। তাদের প্রতিবেদন অনুসারে, সাড়ে চার লক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর নিয়ে গঠিত ‘অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটর ফেডারেশন’, তারা বেশ কয়েকটি তুরস্কের পণ্যের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্পূর্ণ বয়কট (Boycott Turkey) করার আহ্বান জানিয়েছে। এই বিরাট সংগঠনের আহ্বানে বেশ চাপেও পড়ে গিয়েছে তুরস্ক। এই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার (Boycott Turkey Movement) ফলে তুরস্কের চকোলেট, ওয়েফার, জ্যাম, সিরাপ, চা, কফি, কুকিজ, প্যাকেটজাত মিষ্টি, বডি ওয়াশ, প্রসাধনী, ত্বকের যত্নের মতো পণ্যগুলিও নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পণ্য বয়কটের আহ্বানের ফলে তুরস্কের ২,০০০ কোটি টাকার খাদ্য পণ্যের ক্ষতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    পোশাক বয়কটও চলছে সমানতালে

    রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা যাচ্ছে, ফ্লিপকার্টের নিয়ন্ত্রিত Myntra এবং রিলায়েন্স নিয়ন্ত্রিত Ajio তুরস্কের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, জাতীয় স্বার্থেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। Myntra বর্তমানে যাঁরা সার্চ করছেন, তাঁরা তুরস্কের Trendyol, LC Waikiki প্রভৃতি ব্রান্ডগুলি খুঁজে পাননি। একইভাবে, রিলায়েন্সের Ajio সংস্থা তুরস্কের কোম্পানিগুলির পণ্যগুলিকে ‘স্টক আউট’ করে দিয়েছে। Trendyol, Koton, LC Waikiki প্রভৃতি ব্রান্ড সেখানে দেখা যাচ্ছে না।

    তুরস্কের ফল বয়কট, পাক-বন্ধুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

    অন্যদিকে, ভারতে যে সমস্ত ব্যবসায়ী এবং গ্রাহকরা রয়েছেন, তাঁরা তুরস্ক থেকে আসা ফল সম্পূর্ণভাবে বর্জন করছেন। হরিদ্বারের গ্রাহকরা বলছেন যে ভারতে সমস্ত তুরস্কের ফল বর্জন করা উচিত। একজন গ্রাহক এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘আমরা কীভাবে একটি দেশকে সমর্থন করতে পারি! যারা আমাদের শত্রু দেশের সঙ্গে রয়েছে। সাধারণ মানুষ সমস্ত কিছু বর্জন করছে ওই দেশের। তাই আমাদেরও এটি বর্জন করতে হবে।’’ একই চিত্র দেখা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে, সেখানে ফল ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে তুরস্কের (Boycott Turkey Movement) আপেল বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে হিমাচলপ্রদেশের কৃষকরা তুরস্কের আপেল আমদানি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারকে একশো শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    শিক্ষাক্ষেত্রেও চলছে বয়কট

    দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতেও তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সে দেশে সঙ্গে শিক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও কর্মসূচি তারা বাতিল করছে। এই আবহে এগিয়ে এসেছে আইআইটি মুম্বই, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া সহ শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও। একই সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি যেমন মৌলানা আজাদ জাতীয় উর্দু বিশ্ববিদ্যালয়, চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়, লাভলী প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি এমন পরিস্থিতিতে তুরস্কের সঙ্গে সমস্ত রকম শিক্ষা সংক্রান্ত সম্পর্ক তারা ছিন্ন করেছে।

    সেলেবির মামলায় উঠে এল জাতীয় স্বার্থের কথা

    এদিকে, সোমবারই দিল্লি হাইকোর্ট তুরস্কের সংস্থা সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসের মামলার শুনানিতে বলেছে, সেলেবির বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে তা জাতীয় স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে। কারণ তুরস্ক সরাসরি পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে এবং ভারতের এয়ার স্ট্রাইকের বিরোধিতা করেছে।’’ প্রসঙ্গত, এই মামলাটি ওঠে বিচারপতি শচীন দত্তের এজলাসে। এখানেই দেশের সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা কেন্দ্রের পক্ষে সওয়াল করেন এবং তিনিও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘শত্রুরা ১০ বার প্রচেষ্টা করতে পারে আঘাত হানার, তাদেরকে একবার সফল হতে হয়। কিন্তু নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে দশবারই সফল হতে হয়। তাই এখানেই জাতীয় সুরক্ষা খুবই প্রয়োজনীয়। বিশেষত বেসরকারি বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে।

    ‘‘সাবধানের মার নেই’’, পর্যবেক্ষণ আদালতের

    অন্যদিকে, সেলেবির পক্ষ থেকে এই মামলার সওয়াল জবাব করেন মুকুল রোহতগি। তিনি বলেন, ‘‘একতরফাভাবে কথা শোনা হয়েছে এবং তাঁর কোম্পানিকে কোনও কিছু বলতেই দেওয়া হয়নি।’’ সেলেবির আইনজীবী বলেন, ‘‘১৭ বছর ধরে এই সংস্থা কাজ করছে এবং বিভিন্ন বিমানবন্দরে পরিষেবা দিয়ে আসছে।’’ কিন্তু সলিসেটার জেনারেল তুষার মেহতা বারবার জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টির উপরে জোর দেন। এর পরই আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘‘সাবধানের মার নেই’’। জানা গিয়েছে, সেলেবি তাদের সঙ্গে কেন্দ্রের চুক্তি সিল করা খামে জমা দিয়েছে। আদালতে বুধবার পরবর্তী শুনানি রয়েছে এই মামলার।

  • Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    Saket Gokhale: আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য, তৃণমূল সাংসদের জরিমানা ৫০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫০ লাখ টাকা জরিমানা তৃণমূল সাংসদের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরীর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের সাকেত গোখেলের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে। সেই কারণেই তাঁকে জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)।

    সাকেতকে আদালতের নির্দেশ (Saket Gokhale)

    সোমবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনুপ জয়রাম ব্রহ্মাণীর বেঞ্চের নির্দেশ, লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সাকেতকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ, অন্তত ছমাস সাকেতের (Saket Gokhale) ওই পোস্ট থাকতে হবে এক্স হ্যান্ডেলে। এর পাশাপাশি একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে লক্ষ্মীর কাছে ক্ষমা চেয়ে বার্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ব্রহ্মাণীর বেঞ্চ। ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের জুন মাসে। লক্ষ্মী ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ তুলে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন সাকেত। পোস্টে তৃণমূলের এই সাংসদ লিখেছিলেন, লক্ষ্মী পুরী সুইৎজারল্যান্ডে সম্পত্তি কিনেছেন। লক্ষ্মী ও তাঁর মন্ত্রী স্বামীর আয়ের উৎস নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ।

    মানহানির মামলা দায়ের

    এর পরেই সাকেতের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন লক্ষ্মী। দাবি করেন পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও। তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যে, অসত্য ট্যুইট ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিতে আদালতে আবেদন জানান লক্ষ্মী। ওই বছরেরই ১৩ জুলাই লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে করা সমস্ত পোস্ট চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ডিলিট করার নির্দেশ সাকেতকে দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। লক্ষ্মীর বিরুদ্ধে আর কোনও মানহানিকর পোস্ট করা থেকেও সাকেতকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

    আর পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    লক্ষ্মীর মতো প্রাক্তন আমলা তাঁর স্বামী হরদীপও। তিনি ১৯৭৪ ব্যাচের আইএফএস। ব্রাজিল, জাপান, ব্রিটেন-সহ বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছেন। চাকরিজীবন শেষে ২০১৩ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে হরদীপের কাঁধে রয়েছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দায়িত্ব। এহেন এক আমলা দম্পতির বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার খেসারত দিতে হবে (Delhi High Court) তৃণমূলের সাংসদকে (Saket Gokhale)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvind Kejriwal: সুপ্রিম দুয়ারই ভরসা কেজরিওয়ালের! আপ প্রধানের জামিন খারিজ করল দিল্লি হাইকোর্ট

    Arvind Kejriwal: সুপ্রিম দুয়ারই ভরসা কেজরিওয়ালের! আপ প্রধানের জামিন খারিজ করল দিল্লি হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিন পেলেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। এবার কেজরির একমাত্র ভরসা সুপ্রিম কোর্টই। বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, নিম্ন আদালতের অবকাশকালীন বিচারক ন্যায় বিন্দু আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে তিহার থেকে কেজরিওয়াল ঘরে ফেরার আগেই আপ সুপ্রিমোর মুক্তি আটকাতে ২১ জুন সকালে দিল্লি হাইকোর্টে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। শুক্রবারই তাঁর জামিনে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট (Delhi High Court)। মঙ্গলবার নিম্ন আদালতের দেওয়া জামিন খারিজই করে দিল হাইকোর্ট। 

    হাইকোর্টের অভিমত

    মঙ্গলবার বিচারপতি সুধীরকুমার জৈন এবং বিচারপতি রবীন্দ্র দুদেজার অবকাশকালীন বেঞ্চ রায় ঘোষণার সময় বলে, ‘‘ট্রায়াল কোর্টের এমন কোনও নির্দেশ দেওয়া উচিত হয়নি, যা হাইকোর্টের রায়ের বিপরীত।’’ একই সঙ্গে উচ্চ আদালত এ-ও জানায়, নিম্ন আদালত নির্দেশ দেওয়ার সময় নথি এবং যুক্তি যথাযথ ভাবে মূল্যায়ন করেনি। হাইকোর্ট আরও বলেছে, এক বার তাঁর (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে করা মামলা হাইকোর্ট (Delhi High Court) খারিজ করে দিয়েছিল। ফলে এটা কখনই বলা যাবে না যে, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা খর্ব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ৩০০ কোটি আয়, বাছা হয়েছিল ৭০০ পরীক্ষার্থীকে! নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দাবি এক মাফিয়ার

    সুপ্রিম দুয়ারে কেজরিওয়াল

    আবগারি মামলায় গত ২১ মার্চ আপ প্রধানকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। কিন্তু তিনি মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) পদ থেকে ইস্তফা দেননি। পরে লোকসভা ভোটের আগে প্রচারের জন্য তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষ হলে আবার তিনি তিহাড় জেলে ফিরে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার আম আদমি পার্টির প্রধানের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর হয় রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে। তারপরই দিল্লি হাইকোর্টে কেজরির জামিনের বিরোধিতা করে মামলা করে ইডি। তখনই কেজরির জামিনে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয় উচ্চ আদালত। এরপর রবিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সোমবার তাঁর সেই আর্জি আগামী বুধবার পর্যন্ত স্থগিত করে দেয় শীর্ষ আদালত। এবার সুপ্রিম দুয়ারই শেষ ভরসা আপ প্রধানের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: এখনই জামিন নয় কেজরিওয়ালের! হাইকোর্টের রায় দেখে সুপ্রিম সিদ্ধান্ত

    Arvind Kejriwal: এখনই জামিন নয় কেজরিওয়ালের! হাইকোর্টের রায় দেখে সুপ্রিম সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম দুয়ারেও স্বস্তি মিলল না। আপাতত তিহাড় জেলই ঠিকানা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal)। দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে, জামিনের আর্জি জানিয়ে রবিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর জামিন মামলার শুনানিতে সোমবার দেশের শীর্ষ আদালত দিল্লি হাইকোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করার কথা জানায়। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানি আগামী ২৬ জুন।

    সুপ্রিম শুনানি

    অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) মামলার শুনানিতে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং এসভি ভাট্টি। সিনিয়র আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি এবং বিক্রম চৌধুরী কেজরিওয়ালের হয়ে এদিন সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন। বিপরীতে ছিলেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল রাজু। ইডির আইনজীবী তথা কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু জানান, বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর ৪৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী ইডির তরফে জামিনের বিরোধিতা করে জমা দেওয়া নথিগুলির যথাযথ ভাবে বিবেচনা করার কথা ছিল রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের। অথচ সেগুলি পর্যালোচনা না করেই একতরফা ভাবে জামিন দেওয়া হয়েছে আপ প্রধানকে। অন্য দিকে, কেজরীর আইনজীবী দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থা তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলায় (Delhi Liquor Policy Case) বেআইনি আর্থিক লেনদেনের কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি।

    আরও পড়ুন: নিট মামলায় ধৃতদের দিল্লি নিয়ে যেতে চাইছে সিবিআই, ফৌজদারি মামলা রুজু

    সুপ্রিম পর্যবেক্ষণ

    এদিন অভিষেক মনু সিংভি বলেন, ‘ট্রায়াল কোর্টের জামিন অর্ডারের অপেক্ষা করেনি দিল্লি হাইকোর্ট। তার আগেই রুখে দেওয়া হয়েছে মুক্তির রায়। অর্ডার না দেখেই যদি হাইকোর্ট জামিনের রায় আটকে দিতে পারে তাহলে কেন হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেওয়া হচ্ছে না?’ এর জবাবে বিচারপতি মনোজ মিশ্র বলেন, ‘হাইকোর্ট যদি ভুল করে তবে আমরাও কি সেটির পুনরাবৃত্তি করব? আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আরও বলেন, ‘জামিন মঞ্জুর হওয়াই প্রমাণ করছে অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) কোনও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিত্ব নন।’ সওয়ালের দরুন আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের তরফে বাদী-বিবাদী দুই পক্ষকেই এই ক্ষেত্রে অপেক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে সময় অতিবাহিত হচ্ছে বলেও জোরাল সওয়াল করেন কেজরিওয়ালের আইনজীবীরা। অভিষেক মনু সিংভির বক্তব্য, ‘কেন এই সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হবে না? আমাদের সপক্ষে তো কোর্টের রায় রয়েছে।’ জবাবে বিচারপতি মনোজ মিশ্র বলেন, ‘এখনই কোনও রায় দিলে বিষয়টিতে আগাম বিচার করা হয়ে যাবে। এটা কোনও নিম্ন আদালত নয়, দেশের সর্বোচ্চ আদালত।’ মাত্র একটা দিনের অপেক্ষা এত সমস্যাজনক কেন হচ্ছে? বলেও উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: মুক্তি মিলল না, আপাতত আরও ২-৩ দিন তিহাড়ই ঠিকানা কেজরিওয়ালের

    Arvind Kejriwal: মুক্তি মিলল না, আপাতত আরও ২-৩ দিন তিহাড়ই ঠিকানা কেজরিওয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টে আটকে গেল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) জামিন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিনের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে শুনানির পর বিচারপতি সুধীরকুমার জৈন এবং বিচারপতি রবীন্দ্র দুদেজার বেঞ্চ জানিয়েছে, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশ ঘোষণা করা হবে। ফলে ততদিন জেলেই থাকতে হবে কেজরিওয়ালকে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত কেজরির স্থায়ী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi High Court) আবেদন করেছিল ইডি। এদিন শুনানি শুরু হতেই কেজরিওয়ালের জামিনে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে দিল্লি হাইকোর্ট।

    জেলেই থাকছেন কেজরিওয়াল 

    বৃহস্পতিবার রাতে  ১ লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কোজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) জামিন মঞ্জুর করেছিল ট্রায়াল কোর্ট। সেই নির্দেশ মতো শুক্রবার বেলাতেই তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু, দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে এখনই মিলছে না মুক্তি। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিন মঞ্জুরের রায়ের বিরোধিতা করে জরুরি শুনানির আবেদন জানিয়েছিল ইডি। সেই আবেদনে সাড়া দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। শুনানি না হওয়া পর্যন্ত ট্রায়াল কোর্টের রায় কার্যকর হবে না বলে জানিয়েছিল দিল্লির শীর্ষ আদালত (Delhi High Court)। ফলে আপাতত তিহাড় জেল থেকে মুক্তি মিলছে না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর।

    আরও পড়ুন: সরকারি জমি বেদখল হচ্ছে, কার্যত মেনে নিল রাজ্য! প্রশাসনকে পরামর্শ শুভেন্দুর

    কেন জামিনের বিরোধিতা

    ট্রায়াল কোর্ট অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) জামিন মঞ্জুর করার পরই দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi High Court) এর বিরোধিতা করে আর্জি জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির আইনজীবীর দাবি ছিল, নিম্ন আদালতে যুক্তি পেশ করার জন্য যথেষ্ঠ সময় দেওয়া হয়নি তদন্তকারীদের। অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু জানান, লিখিত জবাব দাখিলের জন্য সময় দেওয়া হয়নি ট্রায়াল কোর্টে। যা ন্যায্য নয়। আর্থিক তছরুপ আইনের ৪৫ নম্বর ধারা উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের মামলা খুবই পোক্ত।’ তিন মাস আগে, দিল্লি আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত একটি ‘মানি লন্ডারিং’ মামলায় কেজরিওয়ালকে  গ্রেফতার করে ইডি। এই মামলার তদন্ত আলাদাভাবে করছে সিবিআই। কেজরিওয়াল লোকসভা নির্বাচনে প্রচারের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনে গত মাসে জেল থেকে মুক্তি পান এবং ২রা জুন তিনি তিহাড় জেলে আত্মসমর্পণ করেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: সমাজমাধ্যম থেকে কেজরির ভিডিয়ো সরাতে বলে স্ত্রী সুনীতাকে নোটিশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Arvind Kejriwal: সমাজমাধ্যম থেকে কেজরির ভিডিয়ো সরাতে বলে স্ত্রী সুনীতাকে নোটিশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে আপ সুপ্রিমো। এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) একটি ভিডিয়ো সরিয়ে নিতে বলে তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরিওয়ালকে নোটিশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi HighCourt)। একই সঙ্গে ওই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্যও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স এবং ইউটিউবকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও আদালত বিভিন্ন সমাজমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের কিছু চোখে পড়লে তা-ও সরিয়ে দিতে হবে।   

    ভিডিওটিতে ঠিক কী ছিল? (Arvind Kejriwal) 

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) যখন আদালতে হাজির করানো হয়েছিল, সেই সময়কার কোর্টের ভিতরে তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন আপ নেতা-কর্মীরা। সুনীতাও তেমনই একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছিলেন এক্সে। আর ভিডিও শেয়ার করতেই তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। এরপর ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়া নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi HighCourt) দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। 

    আরও পড়ুন: কাঁচরাপাড়ার বুকে যেন রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া, মৃত মেয়েকে আগলে বাবা!

    মামলাকারীর অভিযোগ 

    জানা গিয়েছে বৈভব সিংহ নামে এক আইনজীবী কেজরির (Arvind Kejriwal) ভিডিয়োর বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলাটি করেন। মামলাকারী জানান, আদালত কক্ষের মধ্যেকার এই ধরনের ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ, তা দিল্লি হাইকোর্টের ভিডিয়ো কনফারেন্সিং নিয়মের বিরোধী। ২০২১ সাল থেকে ওই নিয়ম চালু আছে। নিয়ম অনুযায়ী, আদালতের মধ্যেকার কোনও প্রক্রিয়ার ভিডিয়ো রেকর্ড করা যাবে না। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের ভিডিয়ো ছড়িয়ে দেওয়াও যাবে না। কেজরির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে আপ নেতারা বিচার ব্যবস্থার অপমান করেছেন বলেও দাবি করেন মামলাকারী।

    আগে ঠিক কী ঘটেছিল?   

    আসলে আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারির পর গত ২৮ মার্চ দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক কাবেরী বাওয়েজার বিশেষ বেঞ্চে দ্বিতীয় বারের জন্য হাজির করানো হয়েছিল কেজরিওয়ালকে। অভিযোগ, আদালতে যখন কেজরি নিজের বক্তব্য জানাচ্ছিলেন, সেই সময়ে তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা ভিডিয়ো রেকর্ড করেন এবং পরে তা সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। কেজরির স্ত্রী-ও তা শেয়ার করেন। এবার সেই ভিডিও সংক্রান্ত শুনানিতে শনিবার উচ্চ আদালত (Delhi HighCourt) সুনীতাকে নোটিশ দিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share