Tag: Delhi High Court

Delhi High Court

  • Amitabh Bachchan: অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না ‘বিগ বি’-র নাম-ছবি-কণ্ঠস্বর, নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Amitabh Bachchan: অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না ‘বিগ বি’-র নাম-ছবি-কণ্ঠস্বর, নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের (Amitabh Bachchan) নাম, কণ্ঠস্বর, ছবি তাঁর অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এমনটাই আজ দিল্লি হাইকোর্ট নির্দেশ দিল। আদালত বলেছে, অভিনেতার ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না। তবে কী এমন হল, যার জন্য এমন নির্দেশ দেওয়া হল আদালত থেকে।

    ঘটনাটি কী?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ব্যক্তিত্বের অধিকার (Personality Rights) রক্ষার জন্য দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) । শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অমিতাভের আইনজীবী। সেখানে তাঁদের তরফে দাবি করা হয়, নাম, কণ্ঠস্বর, ছবি এবং ব্যক্তিত্বের উপর শুধুমাত্র তাঁর অধিকার থাকবে। অন্য কারও থাকবে না। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রীতিমতো উত্তেজনা বিনোদন জগতে।

    অমিতাভের (Amitabh Bachchan) আইনজীবী হাইকোর্টে জানিয়েছেন, সম্প্রতি ‘অমিতাভবচ্চন ডট কম’ নামে একটি ডোমেন বিক্রি হয়েছে। আর এটির সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনের কোনও সম্পর্ক নেই। আবার কেউ টি-সার্টে তাঁর ছবি লাগিয়ে বিক্রি করছে, কেউ পোস্টার বানাচ্ছে। ফলে এক্ষেত্রে মেগাস্টারের নিজস্বতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আদালতে জানিয়েছেন আইনজীবী। সেই প্রসঙ্গ তুলেই দাবি করা হয়, বিগ বি-র নাম, কণ্ঠস্বর, ছবি এবং ব্যক্তিত্বের উপর শুধুমাত্র তাঁর অধিকার থাকবে।

    তাঁর (Amitabh Bachchan) পক্ষে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী হরিশ সালভে (Harish Salve)। বিচারপতি নবীন চাওলার (Justice Navin Chawla) এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। এদিন বিচারপতি বলেন, “এটা অস্বীকার করা যায় না যে অমিতাভ বচ্চন একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং তাঁকে অনেক বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে। যারা তাঁর ব্যক্তিত্বকে তাঁর অনুমতি ছাড়াই তাদের ব্যবসা, পণ্য এবং পরিষেবার প্রচারের জন্য ব্যবহার করেছেন, তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। অভিনেতা এই ধরনের কার্যকলাপের জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। তাই এই সমস্ত বিষয় মাথায় রেখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়া হয়েছে।”

    এককথায় বলতে, অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) বিনোদন জগতের সব থেকে বড় নাম। বিজ্ঞাপনে এই বড় নামের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু এই নামকে কাজে লাগিয়েই অনেকেই তাদের ব্যবসা ও সংস্থার পণ্যে সেলিব্রিটিদের অনুমতি ছাড়াই তাঁদের ছবি, কণ্ঠ ব্যবহার করে। আর এই বিষয়টিকে বন্ধ করতেই এবারে সরব হয়েছেন ‘বিগ বি’ (Amitabh Bachchan) ।

     

  • Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্টকে দিল্লিতে নিয়ে যেতে মরিয়া ইডি। গরুপাচার মামলার তদন্তে রাজধানীতে নিয়ে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কেষ্টর প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে, গত সপ্তাহে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে আবেদন জানায় ইডি। তারই পাল্টা হিসেবে গরুপাচার মামলায় এবার ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল। ইডির আবেদন খারিজের দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে!’’ শুভেন্দুর নিশানায় কে?

    অনুব্রতের হয়ে কপিল সিব্বল

    বাংলার মামলায় দিল্লিতে এনে কেন জেরা করতে হবে? এই প্রশ্ন তুলে অনুব্রতর পক্ষে দিল্লি হাইকোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অনুব্রতের শারীরিক অবস্থা দেখিয়ে দিল্লি যাত্রা এড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আগামী শুক্রবার মামলার শুনানি। ফলে এখনই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারছে না ইডি (Enforcement Directorate)।  মঙ্গলবার আদালতে অনুব্রতের হয়ে সিব্বল জানান যে,পশ্চিমবঙ্গে এই মামলায় অধিকাংশ অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাংলাতেই অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুক ইডি। সিব্বলের এই যুক্তির বিরোধিতা করে অনুব্রতের দেহরক্ষী তথা গরু পাচার মামলায় ধৃত সায়গল হোসেনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে বলা হয়,সায়গলকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    ইডির মামলা

    ইডির আবেদনের বিরোধিতা করে দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলা হওয়ায় অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া নিয়ে ইডির করা মামলার শুনানি মঙ্গলবার হয়নি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে।  গত শুক্রবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তৃণমূল নেতার নামে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ জারি করার আবেদন করেন ইডির আইনজীবীরা। সেই আবেদন গ্রহণ করেও কোনও নির্দেশ দেননি বিচারক। এদিন ছিল শুনানি। কিন্তু তা স্থগিত হয়ে যায়। ইডির যুক্তি ইতিমধ্যেই এই মামলায় দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, অনুব্রতকন্যা সুকন্যাকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অনুব্রত ও সুকন্যার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নয়া তথ্য মিলেছে। সূত্রের খবর, সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে আরও বিশদে জেরা করতে চায় ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমর খালিদের (Umar Khalid) জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লি হিংসা (Delhi Riots) মামলায় গ্রেফতার হন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নেতা উমর খালিদ। ইউএপিএ (UAPA) এবং অস্ত্র আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ২৪ মার্চ ট্রায়াল কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হন উমর খালিদ। মঙ্গলবার সেখানেও হতাশ হতে হল তাঁকে। এদিন খারিজ হয়ে গেল তাঁর জামিনের আবেদন। দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ খারিজ করে দেয় তাঁর জামিনের আবেদন।

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রজনীশ ভাটনগর রায় দিতে গিয়ে বলেন, জামিনের আবেদনের কোনও মেরিট আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। তাই জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হল। ২০২০ সালে গ্রেফতার হন উমর খালিদ (Umar Khalid)। জামিনের আবেদনে তিনি বলেন, হিংসায় কোনও দুষ্কৃতীর ভূমিকা তাঁর ছিল না, ষড়যন্ত্রের যোগও ছিল না। অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যা রয়েছে।  জামিনের আবেদনে উমর খালিদ (Umar Khalid) বলেন, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অমরাবতীতে তিনি যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, সেই বক্তৃতায় তিনি বিপ্লব কথাটির উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই বিপ্লব শব্দটি কোনও হিংসাত্মক কথা নয় কিংবা হিংসায় উসকানি দেয় না।

    আরও পড়ুন: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    যদিও দিল্লি পুলিশ তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন। পুলিশের দাবি, খালিদ (Umar Khalid) যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, তা খুব হিসেব কষেই। তার জেরেই  বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, কাশ্মীর, মুসলমানদের দমনের অভিযোগ, সিএএ এবং এনআরসির মতো ইস্যুগুলি লালিতপালিত হয়। পুলিশের যুক্তি, হিংসার ঘটনা ঘটেছিল দু দফায়। প্রথমটি ২০১৯ সালে। আর দ্বিতীয়টি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। হিংসার সময় ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় রাস্তা অবরোধ, পুলিশ কর্মীদের ওপর আক্রমণ এবং আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের ওপর আক্রমণ এবং অ-মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটে। মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • HC on Shaheen Bagh: শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিল পিএফআই-এসডিপিআই! আদালতকে জানাল দিল্লি পুলিশ 

    HC on Shaheen Bagh: শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিল পিএফআই-এসডিপিআই! আদালতকে জানাল দিল্লি পুলিশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিত্ব আইনের (CAA) প্রতিবাদে শাহিনবাগে (Shaheen Bagh) যে আন্দোলন হয়েছিল তা কোনও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। ছিল সংগঠিত। নিরপেক্ষ আন্দোলনও ছিল না। তার নেপথ্যে ছিল বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টকে (Delhi High Court) পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) ও সোশ্যাল ডেমক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া (SDPI)। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টকে একথাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ এও জানিয়েছে, শাহিনবাগ এবং স্থানীয় লোকজনও ওই আন্দোলন সমর্থন করেননি। পুলিশ এও জানিয়েছে, প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত করতে বিভিন্ন এলাকায় লোকজনও পাঠানো হয়েছিল।

    নাগরিকত্ব আইন লাগু হবে এই আশঙ্কায় প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে দিল্লির শাহিনবাগ এলাকা। ওই মামলায় নাম জড়ায় দিল্লির জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উমর খলিদের। ওই মামলায় আপাতত বন্দি রয়েছেন উমর। তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় মামলা হয়েছে। উমরের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করতে গিয়ে পুলিশ আদালতে বেশ কিছু নথিপত্র জমা দিয়েছে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন এদিন হাইকোর্টকে একথা জানায় দিল্লি পুলিশ।

    আরও পড়ুন : সিএএ কবে থেকে লাগু হবে জানেন? কী বললেন অমিত শাহ?

    বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রজনীশ ভাটনগরের বেঞ্চে চলছে ওই মামলার শুনানি। এদিন সেখানেই স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত প্রসাদ বলেন, শাহিনবাগে যা হয়েছিল, তাকে সংগঠিত প্রতিবাদী আন্দোলন হিসেবে দেখানো হয়েছিল। তবে এটা তা ছিল না। এটা এমন পরিস্থিতি ছিল না, যখন আচমকাই লোকজন শাহিনবাগে চলে আসে…এই প্রতিবাদী ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল। পুলিশ এও জানিয়েছে, শাহিনবাগের অন্যতম প্রতিবাদী দাদিও ছিলেন না এর পিছনে। শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিলে বিভিন্ন মানুষ এবং সংগঠনের অ্যালায়েন্স। শাহিনবাগের আন্দোলন কোনও নিরপেক্ষ আন্দোলন ছিল না।

    স্পেশাল প্রসিকিউটর এদিন আদালতে চ্যাট মেসেজ দেখান। আন্দোলন চলাকালীন ওই মেসেজ চালাচালি হয়েছিল। এর মধ্যে অভিযুক্তরাও রয়েছে। তারাই খেপিয়েছিল জনতাকে। জড়ো করেছিল লোকজনকে। তাদের সমর্থন জানিয়েছিল। তিনি জানান, শাহিনবাগের আন্দোলনের পিছনে ছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া এবং সোশ্যাল ডেমক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া। আমি প্রথম দিনই বলেছিলাম, এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। মূল চক্রীরা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান দুই ছিল। একটি দৃশ্যমান উপকরণ হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৫ অগাস্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Delhi High Court: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    Delhi High Court: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমর খলিদের (Umar Khalid) জামিনের (Bail) আবেদনের বিরোধিতা করতে গিয়ে সার্জিল ইমামের (Sharjeel Imam) বক্তৃতার প্রসঙ্গ টানল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। সার্জিল আসানসোল (Asansole), আলিগড় ও গয়ায় সিএএ (CAA) এবং এনআরসির (NRC) বিরুদ্ধে বক্তৃতা দিয়েছিলেন।

    উমর খলিদের জামিনের আবেদনের শুনানি হচ্ছিল দিল্লি হাইকোর্টে। ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব দিল্লি হিংসা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত উমর। বুধবার নিম্ন আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারক সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রাজনীশ ভাটনগরের ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হচ্ছিল। এদিন সওয়াল জবাবে অংশ নিয়েছিলেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত প্রসাদ। আগামী মঙ্গলবার ফের শুনানি হবে এই মামলার।

    আরও পড়ুন : খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন সওয়াল করতে গিয়ে সার্জিল ইমামের প্রসঙ্গ টানেন অমিত প্রসাদ। বলেন, সার্জিল ইমাম মুসলিমরা বিপদের মধ্যে রয়েছেন, বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, মুসলিম দমন, সিএএ-এনআরসি এবং কাশ্মীর নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। আসানসোল, আসাম, উত্তর প্রদেশের আলিগড় এবং গয়ায় ওই ভাষণ দিয়েছেন তিনি। আদালতের বিচারে তাঁর ভাষণ “প্রকৃতিগতভাবে জ্বালাময়ী”। তিনি মুসলিমদের উসকানি দিয়েছিলেন। ইমামের একটি বক্তব্যে বলা হয়েছিল, ১৯৪৭ সালের পর থেকে এখনও মুসলমানেরা স্বাধীনতা পায়নি। তিনি রাস্তা অবরোধ ও চাক্কা জ্যাম করতে মুসলিমদের উসকানিও দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই মামলার আগের শুনানি হয়েছে ১ অগাস্ট। সেদিন সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেছিলেন, উত্তর-পূর্ব দিল্লির হিংসা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ফল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের মনে ভয়ের আবহ সৃষ্টি করা। এভাবে গোটা শহর অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল। বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, মুসলিম দমন, সিএএ-এনআরসি এবং কাশ্মীর ইস্যুতে জড়ো করা হয়েছিল বিক্ষোভকারীদের। এদিকে, উমর খলিদের আইনজীবী এদিন আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অতিরঞ্জিত অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রকৃত অভিযুক্তদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • SC on Pregnancy Termination: অবিবাহিত মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত

    SC on Pregnancy Termination: অবিবাহিত মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিবাহিত মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার গর্ভপাত (Abortion) নিয়ে একটি অন্তর্বতীকালীন নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India)। সেই নির্দেশে বলা হয়েছে অবিবাহিত মহিলাদের গর্ভবতী অবস্থায় লিভ-ইন সম্পর্কে (Live in Relation) থেকে বেরোনোর ২৪ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাতের অনুমতি দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘ভ্রূণ হত্যার সামিল!’ গর্ভপাতের অনুমতি নাকচ দিল্লি হাইকোর্টের, সুপ্রিম কোর্টে তরুণী

    সম্প্রতি গর্ভপাত নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ২৫ বছর বয়সী মহিলা। তাঁর দাবি ছিল, তিনি অবিবাহিত এবং আর্থিক ভাবেও সচ্ছল নন। এছাড়াও তাঁর সঙ্গী তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেছেন। গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ায় গর্ভপাতের আর্জি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু তাঁকে গর্ভপাতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টের তরফ থেকে বলা হয়, এই সময় গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া মানে ভ্রূণ হত্যার সমান। তারপরেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন মহিলা। 

    আরও পড়ুন: প্রতীক্ষার অবসান, শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে চেম্বার পেলেন ধনখড়

    এবার ওই মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত। দিল্লি এইমসের এক বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ডের সঙ্গে আলোচনার পর শীর্ষ আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, যে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনও ঝুঁকি ছাড়াই গর্ভপাত করা যেতে পারে। বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টিতে দিল্লি হাইকোর্ট ‘অযথা’ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এদিনের পর্যবেক্ষণে বিশেষভাবে অবিবাহিত মহিলাদের ওপর জোর দিয়েছে আদালত। আদালত বলেছে, যেহেতু আবেদনকারী অবিবাহিতা, তাই তাঁকে গর্ভধারণের জন্যে বাধ্য করা যেতে পারে না।  

    সম্প্রতি সরকারের নতুন নিয়ম অর্থাৎ মেডিকেল টার্মিনেশন অফ প্রেগনেন্সি আইন ২০২১ অনুযায়ী গর্ভপাতের সময়সীমা ২০ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ২৪ সপ্তাহ করা হয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি নিয়ম প্রযোজ্য হতে হবে, যেমন কোনও মহিলা যদি যৌন নিপীড়ন বা ধর্ষণের শিকার হন, বিধবা, বিবাহ বিচ্ছেদ, প্রতিবন্ধী, মানসিকভাবে অসুস্থ, ভ্রূণের বিকৃতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু অবিবাহিত মহিলার ক্ষেত্রে ওই আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। 

    সুপ্রিম কোর্টের কাছে ওই অবিবাহিত মহিলা তাঁর ২৩ সপ্তাহ ৫ দিনের গর্ভাবস্থা থেকে মুক্তি পেতে গর্ভপাতের আবেদন জানিয়েছিলেন। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, মহিলার যদি প্রাণের কোনও ঝুঁকি না থাকে তবে তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে গর্ভপাত করাতে পারবেন এবং তাঁর রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে।   

     

  • Supreme Court: ‘ভ্রূণ হত্যার সামিল!’ গর্ভপাতের অনুমতি নাকচ দিল্লি হাইকোর্টের, সুপ্রিম কোর্টে তরুণী

    Supreme Court: ‘ভ্রূণ হত্যার সামিল!’ গর্ভপাতের অনুমতি নাকচ দিল্লি হাইকোর্টের, সুপ্রিম কোর্টে তরুণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গর্ভপাতের আবেদন নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi Highcourt) রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক মহিলা। ২০ সপ্তাহের পর অবিবাহিত মহিলাদের গর্ভপাতে বাধার নিয়মকে চ্যালেঞ্জ করে গত সপ্তাহেই দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। ২৩ সপ্তাহ গর্ভধারণের পর গর্ভপাত করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ২৫ বছর বয়সী ওই অবিবাহিত মহিলা। কিন্তু মহিলার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার নেতৃত্বাধানী ডিভিশন বেঞ্চ। 

    আরও পড়ুন: হাতে ১১ ইঞ্চি লম্বা ছুরি! নূপুর শর্মাকে খুনের উদ্দেশে ভারতে পাক যুবক

    হাইকোর্ট জানায়, বর্তমান গর্ভপাত সংক্রান্ত যে আইনটি আছে তা অবিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বর্তমানে যে মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি (সংশোধিত), ২০২১ আইন আছে তা কেবল যৌন নিপীড়ন, ধর্ষণের মতো ঘটনা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী, মানসিক প্রতিবন্ধী, মানসিক অসুস্থ নারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ইচ্ছাকৃত যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে গর্ভপাতের অনুমতি দেবে না আদালত। 

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার করা যাবে না নূপুর শর্মাকে, মিলল সুপ্রিম নির্দেশ

    আদালতের পর্যবেক্ষণ, এখন গর্ভপাত করা হলে তা কার্যত ভ্রূণ (Foetus) হত্যার সমান হবে। তাই আদালতের পরামর্শ, আবেদনকারী মহিলাকে কোথাও নিরাপদে রাখা হবে যতক্ষণ না তিনি সন্তানের জন্ম দেন। এছাড়াও আগত সন্তানকে পরবর্তীতে দত্তক দেওয়া যেতে পারে।

    দিল্লি হাইকোর্ট আরও বলে, “আমরা নিশ্চিত করব যে মেয়েটিকে কোথাও নিরাপদে রাখা হয়েছে এবং সে প্রসব করতে পারে। দত্তক নেওয়ার জন্য বহু মানুষ লাইন দিয়ে রয়েছে। আমরা শিশুটিকে হত্যা করার অনুমতি দেব না। আমরা খুবই দুঃখিত। এটি কার্যত ভ্রূণ হত্যার সমান।” 

    সম্প্রতি সরকারের নতুন নিয়ম অর্থাৎ মেডিকেল টার্মিনেশন অফ প্রেগনেন্সি আইন ২০২১ অনুযায়ী গর্ভপাতের সময়সীমা ২০ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ২৪ সপ্তাহ করা হয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি নিয়ম প্রযোজ্য হতে হবে, যেমন কোনও মহিলা যদি যৌন নিপীড়ন বা ধর্ষণের শিকার হন, বিধবা, বিবাহ বিচ্ছেদ, প্রতিবন্ধী, মানসিকভাবে অসুস্থ, ভ্রূণের বিকৃতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু অবিবাহিত মহিলার ক্ষেত্রে ওই আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। 

    তারপরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, ওই মহিলা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের এবং অবিবাহিত। তাঁর সঙ্গী বিয়ে করতেও অস্বীকার করেছেন। তাই কোনওভাবেই সন্তানের জন্ম দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি অত্যন্ত মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। সময় যত এগোচ্ছে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। তাই সুপ্রিম কোর্টকে মামলাটিকে দ্রুত শুনানির জন্যে তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন ওই মহিলার আইনজীবী।   

LinkedIn
Share