Tag: Delhi news

Delhi news

  • Delhi Govt: দিল্লিতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় অনুমোদন বিজেপি সরকারের

    Delhi Govt: দিল্লিতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় অনুমোদন বিজেপি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের বড় পরিকল্পনায় অনুমোদন দিল দিল্লির বিজেপি সরকার (Delhi Govt)। ফেজ ফাইভ (বি) (Phase V(B))-এর আওতায় শহরের বাইরের ও দ্রুত বিকাশমান এলাকাগুলিতে সংযোগ বাড়াতে মোট ৭টি নয়া মেট্রো (Metro Network) করিডর নির্মাণ করা হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৯৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পে তৈরি হবে ৬৫টি নতুন মেট্রো স্টেশন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৮,২০৪ কোটি টাকা।

    ডিপিআর তৈরি (Delhi Govt)

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রকল্পের ডিপিআর (DPR) তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তা ইউনিয়ন ক্যাবিনেটের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। দিল্লি সরকার ও দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের (DMRC) মধ্যে বৈঠকের পর এই প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রের অনুমোদন মিললে দিল্লি সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার উভয়ের আর্থিক সম্মতির পর নির্মাণকাজ শুরু হবে। ফেজ ফাইভ (বি)-তে প্রস্তাবিত ৭টি নয়া মেট্রো করিডর হল ধানসা বাস স্ট্যান্ড থেকে নাংলোই, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট থেকে কিশনগড়, সমায়পুর বাদলি থেকে নরেলা, কীর্তিনগর থেকে পালম, জোরবাগ থেকে মিঠাপুর, শাস্ত্রী পার্ক থেকে ময়ূর বিহার ফেজ ২ এবং কেশবপুরম থেকে রোহিণী সেক্টর ৩৪।

    ৭টি করিডর

    ধানসা বাস স্ট্যান্ড–নাংলোই করিডরের দৈর্ঘ্য প্রায় ১১.৮৬ কিমি, স্টেশন থাকবে ৯টি। পুরো রুটটি হবে এলিভেটেড (Delhi Govt)। সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট–কিশনগড় করিডরের দৈর্ঘ্য ১৬ কিমি কাছাকাছি, স্টেশন থাকবে ১০টি। অধিকাংশ স্টেশনই হবে মাটির তলায় (Metro Network)। সমায়পুর বাদলি–নরেলা করিডরের দৈর্ঘ্য ১২.৮৯ কিমি, স্টেশন থাকবে ৮টি। সব স্টেশনই হবে এলিভেটেড। কীর্তিনগর–পালম করিডরের দৈর্ঘ্য ৯.৯৬ কিমি, স্টেশন থাকবে ৬টি। কিছু অংশ হবে এলিভেটেড, বাকিটা হবে মাটির তলায়।

    হাই প্রায়োরিটি রুট

    সরকারের মতে, যেসব এলাকায় এখনও মেট্রো পরিষেবা পর্যাপ্ত নয়, এই সম্প্রসারণে সেইসব অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। মোট ৭টি করিডরের মধ্যে ৪টি রুটকে হাই প্রায়োরিটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলির নির্মাণকাজ শুরু হবে আগে। লক্ষ্য, ২০২৯ সালের মধ্যে কাজ শেষ করা। এই বিরাট সম্প্রসারণ প্রকল্প দিল্লির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Metro Network)। সময় কম লাগায় সুবিধে হবে হাজার হাজার নিত্যযাত্রীর (Delhi Govt)।

     

  • Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    Delhi Court: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না”, এআই সামিটে বিক্ষোভকারীদের তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রতিবাদের নামে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা যাবে না।” এমনই পর্যবেক্ষণ করে এআই সামিটে (AI Summit Disruption) বিক্ষোভকারী কংগ্রেস কর্মীদের তোপ দিল্লি আদালতের (Delhi Court)। দিল্লির একটি আদালত বলেছে, ‘‘বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টেকে বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম এমন অপকর্মে কঠোর তদারকি এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করে তদন্ত প্রয়োজন।’’ উল্লেখ্য এই সামিটে কংগ্রেস কর্মীরা নিজের জামা খুলে ট্রাম্প-মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে বিশ্বের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।

    গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে (Delhi Court)

    দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত (Delhi Court) জোর দিয়ে বলেছে, “গণতান্ত্রিক ভিন্নমত সুরক্ষিত থাকলেও, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে ভারতের অবস্থানকে প্রভাবিত করে এমন কোনও আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিচার করতে হবে।” কোর্টের ‘ফার্স্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট’ এই মন্তব্যগুলি করেন। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এআই (AI) সামিট-এ (AI Summit Disruption) বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চার অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার সময় আদালত এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

    আন্তর্জাতিক গুরুত্ব

    আদালত (Delhi Court) উল্লেখ করেছে, ভারত যখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে, তখন সেখানে বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন এবং এটি বিশ্বমঞ্চে জাতির প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের স্থানে কোনও বিশৃঙ্খলা (AI Summit Disruption) কখনই কাম্য নয়। এটি কূটনৈতিক সম্পর্ক ও জাতীয় মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

    সংবিধান ও অধিকার

    আদালত (Delhi Court) আরও জানিয়েছে, নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সাংবিধানিক অধিকার থাকলেও, সেই অধিকার সার্বভৌমত্ব, জনশৃঙ্খলা এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধের অধীন। সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক ইভেন্টের সময় সরকারি কাজে হস্তক্ষেপ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে এমনভাবে প্রতিবাদ করার অনুমতি দেওয়া যায় না।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সরকারি কৌঁসুলির পক্ষে বলা হয়, অভিযুক্তরা ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সমালোচনা করে স্লোগান লেখা টি-শার্ট পরে ভারত মণ্ডপমের উচ্চ-নিরাপত্তা বিশিষ্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছিলেন এবং সম্মেলন চলাকালীন স্লোগান দিয়েছিলেন। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা তাদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা বাধা দেয় এবং আক্রমণ করেন। এই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা আহত হয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিঘ্ন সৃষ্টি (AI Summit Disruption) হয়েছে। তদন্তের এই পর্যায়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বিশ্লেষণ, যোগাযোগের উৎস খুঁজে বের করা এবং এই ঘটনার পিছনে কোনো আর্থিক মদত আছে কি না তা জানার জন্য অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে সাফ জানিয়েছে আদালত (Delhi Court)।

  • JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    JNU: জেএনইউ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর স্লোগান, অভিযোগ দায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেএনইউয়ের চিফ সিকিউরিটি অফিসার বসন্ত কুঞ্জ (নর্থ) থানার স্টেশন হাউস অফিসারকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ, জেএনইউ ক্যাম্পাসের সবরমতী হস্টেলের বাইরে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিটি সংগঠিত করে জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের (JNUSU) সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন পড়ুয়া।

    আইনানুগ ব্যবস্থা (JNU)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাসে সংঘটিত হিংসার ষষ্ঠ বার্ষিকী পালন করার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল “এ নাইট অফ রেজিস্ট্যান্স উইথ গেরিলা ধাবা”। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কর্মসূচির আড়ালে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর এবং উসকানিমূলক কিছু স্লোগানও দেওয়া হয়, যা ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (JNU)।

    উসকানিমূলক স্লোগান

    ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের তরফে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে সূত্রের খবর (PM Modi)। চিঠিতে এও বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ওই অনুষ্ঠানটি একটি নির্দিষ্ট বার্ষিকী পালনের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়েছিল। এতে ৩০ থেকে ৩৫ জন ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। যাঁদের নাম চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, অদিতি মিশ্র, গোপিকা বাবু, সুনীল যাদব, দানিশ আলি, সাদ আজমি, মেহবুব ইলাহি, কনিষ্ক, পাকিজা খান, শুভম-সহ আরও কয়েকজন। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিন সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরেই অনুষ্ঠানের প্রকৃতি ও সুর বদলে যায়। সেই সময় কিছু ছাত্রছাত্রী অত্যন্ত আপত্তিকর, উসকানিমূলক এবং জ্বালা ধরানো ধরনের স্লোগান দিতে শুরু করেন (JNU)।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মত

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই ঘটনা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সরাসরি অবমাননা। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই (PM Modi) ধরনের স্লোগান, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, জেএনইউয়ের কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করে এবং ক্যাম্পাসের শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। ওই চিঠিতেই দাবি করা হয়েছে, স্লোগানগুলি ছিল শুনতে পাওয়া যায় এমন, ইচ্ছাকৃত এবং বারবার উচ্চারিত। অর্থাৎ, এটি কোনও তাৎক্ষণিক বা আবেগতাড়িত প্রতিক্রিয়া নয়, বরং সচেতন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণ। এই ধরনের ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা। চিঠিতে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় এই ঘটনার বিষয়ে এফআইআর দায়ের করার অনুরোধ জানানো হয়েছে (JNU)।

    উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ

    চিঠি থেকেই জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট উমর খালিদ ও শরজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ করার পর, ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্রদের একাংশের তরফে একাধিক উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। স্লোগানগুলি দিল্লির হিন্দু-বিরোধী দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্র মামলার প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, জেএনইউয়ে এই স্লোগান দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ঘটনা গণতান্ত্রিক ভিন্নমতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি জেএনইউয়ের (PM Modi) আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন। প্রশাসনের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার ওপর কড়া নজর রেখেছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (JNU)।

    জেএনইউ প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি ব্রাঞ্চ পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তদন্তে সহযোগিতা করবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, জেএনইউ সবসময় গণতান্ত্রিক আলোচনার পক্ষে থাকলেও, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা আচরণবিধি লঙ্ঘন (PM Modi) কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না (JNU)।

LinkedIn
Share