Tag: delimitation

delimitation

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

  • Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভাগুলির আকার ও গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সংবিধান (একশত একত্রিশতম সংশোধনী) বিল, ২০২৬। এতে ফের সীমানা পুনর্নির্ধারণ (delimitation) প্রক্রিয়া (Fresh Delimitation) শুরু করা এবং ১৯৭৬ সাল থেকে কার্যকর থাকা জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাসের ওপর দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে (Constitution Amendment Bill)। এই বিলটি সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। অধিবেশন শুরু হবে ১৬ এপ্রিল থেকে। প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলির ফলে রাজ্য বিধানসভাগুলির মোট আসনসংখ্যা জনসংখ্যার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে বদলাবে, রাজ্যের অভ্যন্তরে নির্বাচনী এলাকার সীমানাও নতুন করে নির্ধারণ করা হবে।

    ডিলিমিটেশন কমিশনকে দায়িত্ব (Constitution Amendment Bill)

    জানা গিয়েছে, এই বিলটি সংবিধানের ১৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দেয়, যা রাজ্য বিধানসভার গঠন নিয়ন্ত্রণ করে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংসদ নির্ধারিত একটি জনগণনার ভিত্তিতে বিধানসভার আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা ফের আঁকার ব্যবস্থা করা হবে। এভাবে ১৯৭৬ সাল থেকে চালু থাকা পুনর্বিন্যাসের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে। বিলটি ১৭০ অনুচ্ছেদের তৃতীয় শর্তটি বাতিল করার প্রস্তাব দেয়, যা ২০২৬ সালের জনগণনার পর পর্যন্ত সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছিল (Constitution Amendment Bill)। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আগে যেখানে সংসদ সীমানা নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ ঠিক করত, সেখানে এখন সরাসরি একটি ডিলিমিটেশন কমিশনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। ১৭০(২) অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় ‘জনসংখ্যা’ বলতে সংসদ যে জনগণনাকে গ্রহণ করবে, সেই জনগণনার তথ্য বোঝাবে (Fresh Delimitation)।

    এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য

    জানা গিয়েছে, বিলটি ৩৩৪এ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করে রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর করবে। এই সংরক্ষণ কার্যকর হবে তখনই, যখন সর্বশেষ প্রকাশিত জনগণনার ভিত্তিতে নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে (Constitution Amendment Bill)। সংরক্ষিত আসনগুলিকে পরবর্তী সীমানা পুনর্নির্ধারণে রাজ্যের মধ্যে ঘুরিয়ে (rotation) দেওয়া হবে। এই সংরক্ষণ ২০২৩ সালের সংবিধান (১০৬তম সংশোধনী) আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, যদি না সংসদ আইন করে এর মেয়াদ বাড়ায়। বিলটিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু রাজ্যে যাতে উপজাতি প্রতিনিধিত্ব কমে না যায়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৩৩২ অনুচ্ছেদের সংশোধনের মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডে উপজাতিদের বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে (Constitution Amendment Bill)।

    তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসন

    এছাড়া নির্ধারিত হয়েছে যে, তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বর্তমান অনুপাতের নীচে নামবে না (Fresh Delimitation)। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন বিল, ২০২৬ অনুযায়ী। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার একটি সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশন গঠন করবে। এই কমিশনের প্রধান হবেন সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতি। থাকবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (অথবা নির্বাচন কমিশনের মনোনীত কোনও কমিশনার) এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার। প্রত্যেক রাজ্যে ১০ জন সহযোগী সদস্য থাকবেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন লোকসভার সদস্য এবং ৫ জন রাজ্যের বিধায়ক। তাঁরা কমিশনকে সাহায্য করতে পারবেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারবেন না (Constitution Amendment Bill)।

    আসুন, জেনে নেওয়া যাক কমিশনের কাজটি ঠিক কী। কমিশন প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভার আসন নির্ধারণ করবে, রাজ্য বিধানসভার মোট আসনসংখ্যা ঠিক করবে, সংসদীয় ও বিধানসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করবে, তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন চিহ্নিত করবে। খসড়া প্রস্তাব জনমত ও আপত্তির জন্য প্রকাশ করা হবে। পরে চূড়ান্ত হলে তা ভারতের গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং আইনের শক্তি পাবে। তখন আর একে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না (Fresh Delimitation)।

    নতুন সীমানাগুলি কমিশনের চূড়ান্ত নির্দেশের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কার্যকর হবে (Constitution Amendment Bill)।

     

  • Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের  

    Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ডিলিমিটেশন নিয়ে পাকিস্তানের ‘প্রহসনমূলক’ প্রস্তাব খারিজ ভারতের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে সীমানা পুনর্বিন্যাসের (Jammu Kashmir delimitation) বিরুদ্ধে পাকিস্তানের (Pakistan) সংসদে পাশ হয়েছে প্রস্তাব। প্রস্তাবটি ‘প্রহসনমূলক’ (farcical resolution) বলে জানিয়ে দিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (ministry of external affairs)।  মঙ্গলবার মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোনও অধিকারই পাকিস্তানের নেই। পাক অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) সহ সমগ্র জম্মু-কাশ্মীর (jammu & kashmir) এবং লাদাখ (Ladakh) ভারতের (India) অবিচ্ছেদ্য অংশ।

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই জম্মু-কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হয় নরেন্দ্র মোদির (modi) সরকার। ভূস্বর্গকে আক্ষরিক অর্থেই শান্তির স্বর্গে পরিণত করতে কোমর কষে নামে মোদি-অমিত শাহ (Amit Shah) জুটি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের কার্যত দুরমুশ করে দিয়ে ফের কেন্দ্রের কুর্সিতে ফেরে বিজেপি। তার পরেই কাশ্মীর থেকে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। উপত্যকায় ফেরে শান্তি। জম্ম-কাশ্মীরকে সুশাসন দিতে সেখানে বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করে মোদি সরকার। শুরু হয় সীমানা পুর্নবিন্যাসের কাজ। সম্প্রতি শেষও হয়েছে কাজ। ডিলিমিটেশন কমিশনের জমা দেওয়া রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, জম্মু-কাশ্মীরে লোকসভা কেন্দ্র হয়েছে পাঁচটি। প্রত্যাশিতভাবেই আসন সংখ্যা বেড়েছে বিধানসভারও।

    ভারতের এই সীমানা পুনর্বিন্যাসের ঘটনায় ‘উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছিল ইসলামিক দেশগুলির সংগঠন ওআইসি (OIC)। বিশ্বের ৫৭টি দেশ এই সংগঠনের সদস্য। তাদের অভিযোগ, কাশ্মীরিদের অধিকার লঙ্ঘন করছে ভারত। সোমবার ইসলামিক দেশগুলির এই সংগঠনকেও কড়া জবাব দিয়েছিল ভারত। বিদেশ মন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, ওআইসির এই ধরনের ‘অযৌক্তিক মন্তব্য’ করা উচিত নয়।

    সীমানা পুনর্বিন্যাসের নিন্দা করে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে (Pakistan national assembly) একটি প্রস্তাব পাশ হয় গত সপ্তাহে। পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি সংসদে প্রস্তাবটি পেশ করে বলেছিলেন, কৃত্রিমভাবে জম্মু-কাশ্মীরের নির্বাচনী শক্তি বদলে দেওয়ার লক্ষ্যেই ভারত সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বিদেশ সচিব অরিন্দম বাগচি বলেন, অবৈধভাবে এবং জোর খাটিয়ে পাকিস্তানের দখল করা ভারতীয় ভূখণ্ড-সহ ভারতের কোনও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য বা হস্তক্ষেপ করার কোনও অধিকার পাকিস্তানের নেই। তিনি বলেন, ভারতীয় কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে পাক সংসদে যে প্রহসনমূলক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে, তা আমরা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। বিবৃতিতে এও বলা হয়, কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরের আসন পুনর্বিন্যাসের অনুশীলন একটি গণতান্ত্রিক অনুশীলন। যারা যারা এতে প্রভাবিত হবেন, তাদের সবার সঙ্গেই বিস্তারিত পরামর্শের পরেই এই কাজ করা হয়েছে। এটা দুঃখজনক বিষয় যে, পাকিস্তানের নেতৃত্ব নিজেদের ঘর গোছানোর পরিবর্তে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে চলেছে এবং ভিত্তিহীন ও উস্কানিমূলক ভারত-বিরোধী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

    ভারতের দাবি, পাকিস্তানকে অবিলম্বে ভারত বিরোধী আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে এবং ভেঙে দিতে হবে তার সন্ত্রাসবাদের পরিকাঠামো।

    আরও পড়ুন : ঢিমেতালে চলছে চিন-পাক অর্থনৈতিক করিডরের কাজ, ক্ষুব্ধ শেহবাজ প্রশাসন

LinkedIn
Share