Tag: Dengue vaccine

Dengue vaccine

  • Dengue Vaccine: ডেঙ্গি ভ্যাকসিন প্রস্তুত, কিন্তু চলতি বছরেই নয়! বর্ষায় রোগ ঠেকাতে কী করবেন?

    Dengue Vaccine: ডেঙ্গি ভ্যাকসিন প্রস্তুত, কিন্তু চলতি বছরেই নয়! বর্ষায় রোগ ঠেকাতে কী করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডেঙ্গি মোকাবিলায় টিকা প্রস্তুত। কিন্তু এখনই সহজলভ্য হবে না। তাই রোগের মোকাবিলায় চলতি বছরে এখনও ডেঙ্গি ভ্যাকসিনকে হাতিয়ার করতে পারছে না স্বাস্থ্য দফতর। কিন্তু রাজ্য জুড়ে বর্ষার দাপট রয়েছে। তাই মশাবাহিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে। শহর থেকে জেলা, সর্বত্র ডেঙ্গি মোকাবিলা প্রয়োজন! তাই চলতি বছরেও আগাম সচেতনতা না থাকলে, ডেঙ্গি মোকাবিলা আগের মতোই কঠিন হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য মহলের একাংশ।

    ডেঙ্গি কি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মশাবাহিত রোগের দাপট রয়েছে। ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গির মতো মশাবাহিত রোগ মোকাবিলায় তৎপর স্বাস্থ্য দফতর। তবে, পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক নয়। স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশ জুড়েই বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মুম্বাই থেকে দিল্লি, দেশের একাধিক বড় শহরে মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ বেড়েছে। ডেঙ্গি আক্রান্তের তালিকায় রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও। কলকাতাতেও এই মরশুমে ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। বিশেষত নদীয়া, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, উত্তর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়ার মতো একাধিক জেলায় চলতি বছরে ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাদ নেই কলকাতা। কলকাতার একাধিক জায়গায় বিশেষত শোভাবাজার, বেলগাছিয়া, গিরিশ পার্ক, যাদবপুর, কসবার মতো জনবহুল এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ রয়েছে। তবে, স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং, সতর্ক থাকা জরুরি। যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই থাকে।

    ডেঙ্গি রুখতে কোন পথে হাঁটতে চায় রাজ্য?

    রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ডেঙ্গি ভ্যাকসিন তৈরি হলেও, সেই টিকাকরণ প্রক্রিয়া এখনি শুরু করা যাবে না। কারণ, এখনও কয়েকটি ধাপ রয়েছে। নিয়ম মাফিক সেগুলো পার করলে তবেই ডেঙ্গি মোকাবিলায় টিকা করণ শুরু হবে। তাই চলতি বছরে সাবেকি পদ্ধতিতেই ডেঙ্গি মোকাবিলা হবে বলে জানিয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য জুড়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার কর্মসূচিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক বাড়িতে কেউ জ্বরে আক্রান্ত কিনা, সেটার খবর নেওয়া হচ্ছে। এলাকার কোথায় জল জমে রয়েছে, সে সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যাতে সংক্রমণ দাপট বাড়াতে না পারে। পরিবারের কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে, বাকিদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাতে সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। তাছাড়া, ডেঙ্গি রুখতে এলাকা পরিষ্কারে বাড়তি নজরদারির পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞরা। প্রশাসনের একাংশ জানাচ্ছেন, জমা জল ডেঙ্গি মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বর্ষার মরশুমে দ্রুত সমস্ত নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে, জনসচেতনতাও প্রয়োজন। বাড়ি ও এলাকার আশপাশে নোংরা ফেলা চলবে না। জল যাতে না জমে সেদিকে নজর দিতে হবে। গাছ লাগালে বাগান পরিষ্কার রাখার দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। টব বা চৌবাচ্চায় যাতে জল জমে না থাকে, সেটা নজর দেওয়া জরুরি। কারণ, পরিষ্কার বদ্ধ জমা জলে ডেঙ্গির মশার দাপট বাড়ে। তাই সেদিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি‌।

    সুস্থ থাকতে কী পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সুস্থ থাকতে সতর্ক থাকা জরুরি। মশার কামড় রুখতে হাত ও পা ঢাকা পোশাক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই মাঠে বা বাগানে খেলার সময়ে শিশুদের মশা কামড়ায়। এর থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই খেলতে যাওয়ার সময় বিশেষত শরীর ভালোভাবে ঢাকা দেওয়া পোশাক পরা জরুরি। তাছাড়া নিয়মিত মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনো প্রয়োজন। তাতে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমে। তাঁদের পরামর্শ, তিন দিন একটানা জ্বর থাকলে একেবারেই অবহেলা করা যাবে না। বরং, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা জরুরি। রোগ নির্ণয় হলে চিকিৎসা দ্রুত শুরু করা যায়‌। এতে রোগীর শারীরিক জটিলতা কমে। আবার সংক্রমণ আটকানোও সহজ হয়। পরিবারের কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত হলে, তাকে আলাদা ঘরে মশারি টাঙিয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।‌ তাহলে রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি, নিজের বাড়ি এবং এলাকার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও সচেতন থাকা প্রয়োজন।

  • Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    Dengue: তাপমাত্রার হেরফেরে‌ বাড়ছে ডেঙ্গির আশঙ্কা! রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের আঁচে পুড়ছিল গোটা রাজ্য। কিন্তু দিন দুয়েকের মেঘলা আকাশ আর বৃষ্টি অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছিল। তাপমাত্রার পারদও তাই ওঠানামা করছে। আর তার জেরেই রাজ্য জুড়ে আবহাওয়া বেশ খামখেয়ালী। আর এই পরিস্থিতিতেই উদ্বেগ‌ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি (Dengue)। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গির প্রকোপ রয়েছে। শীতকালে কিছুটা সংক্রমণ কমলেও একেবারে বন্ধ হয়নি। গরম পড়তেই কলকাতার মতো বড় শহর থেকে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল, সর্বত্র মশার দাপট শুরু হয়েছে। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি। আর এই তাপমাত্রার রকমফের সেই বিপদ আরও বাড়াচ্ছে।

    কেন‌ এই আবহাওয়ায় ডেঙ্গির বিপদ‌ বাড়ছে? (Dengue)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শহর থেকে গ্রাম, সর্বত্র নিকাশি প্রক্রিয়া ভালো নয়। তার জেরে বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে। জমা জলে মশা বংশবিস্তার করে। আর গরমে মশার উপদ্রব আরও বাড়ে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, বৃষ্টি এই সময়ে লাগাতার হবে না।‌ কিন্তু দিন কয়েকের বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন জায়গায় জমা জলের সমস্যা থাকবে। আর তার জেরেই বাড়বে‌ ডেঙ্গি। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগী ভর্তি অব্যাহত। তাই এই পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক‌ হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি নিয়ে বিশেষ সক্রিয় না‌ হলে চলতি বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে ডেঙ্গি সংক্রমণ রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এই বছরে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাঁরা একবার আক্রান্ত হয়েছেন, ফের তাঁরা ভিন্ন প্রজাতির ডেঙ্গি (Dengue) ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।‌ আর তার জেরে তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে। প্রথম থেকেই ডেঙ্গি নিয়ে প্রশাসন কড়া মনোভাব না দেখালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে না বলেই আশঙ্কা করছেন‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বাসিন্দাদের একাংশের ক্ষোভ (Dengue)

    হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কলকাতা সহ একাধিক জেলার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকা‌ একেবারেই চোখে পড়ে না। তাদের অভিযোগ, চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাব। নর্দমা পরিষ্কার কিংবা মশানিধন কর্মসূচি, কিছুই চোখে পড়ে না। এমনকি সময় মতো এলাকা পরিষ্কার করে না পুরসভা। এমন অভিযোগ হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ দমদম সহ একাধিক পুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। যার ফলে তাদের ডেঙ্গির ভোগান্তি লেগেই আছে বলে জানাচ্ছেন এই সব এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ।

    কী বলছেন প্রশাসনিক কর্তারা?

    রাজ্য প্রশাসন অবশ্য জানাচ্ছে, ডেঙ্গি (Dengue) রুখতে প্রশাসন‌ যথেষ্ট সক্রিয়। বছরভর কর্মসূচি চলছে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করার কাজও চলছে। তবে ডেঙ্গি নির্মূল সম্ভব নয়। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, “প্রশাসন যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। ডেঙ্গি রুখতে সব রকম কর্মসূচি চলছে। তারপরেও কোথাও কোনও অভিযোগ থাকলে সরাসরি পুরসভা কিংবা স্বাস্থ্য দফতরে জানানো যায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue Virus: দেশে বাড়ছে ডেঙ্গি! দ্রুত ভ্যাকসিন আনতে সচেষ্ট গবেষকরা

    Dengue Virus: দেশে বাড়ছে ডেঙ্গি! দ্রুত ভ্যাকসিন আনতে সচেষ্ট গবেষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বাড়ছে ডেঙ্গির (Dengue Virus) প্রকোপ। গরম পেরিয়ে বর্ষার শুরু থেকে পুজোর আগে পর্যন্ত বাংলাতেও প্রতি বছর ডেঙ্গির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এ বছর ডেঙ্গি আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। দেশে কোভিডের পরে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মশাবাহিত এই রোগ। তাই ডেঙ্গি মোকাবিলায় বড়সড় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স। গবেষকরা বলছেন, যত দ্রুত সম্ভব ডেঙ্গির ভ্যাকসিন আনার চেষ্টা করতে হবে। শুধু ভারতে নয়, ডেঙ্গি রুখতে বিশ্বজুড়েই গবেষণা চলছে। 

    ডেঙ্গি নিয়ে গবেষণা

    গত ৫০ বছরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ডেঙ্গি (Dengue Virus) মারাত্মক সংক্রামক রোগ হয়ে উঠেছে। ডেঙ্গি থেকে জটিল রোগও হচ্ছে। তাই প্লস প্যাথোজেন বিজ্ঞান পত্রিকায় ডেঙ্গি রোখার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন বিজ্ঞানীরা। কোথাও মশার বংশ নাশ করার চেষ্টা চলছে, আবার কোথাও মশার জিনেই বদল ঘটানো হচ্ছে। মশার জিনে রদবদল করে অ্যান্টিবডি ঢুকিয়ে সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা কমানোর চেষ্টা করছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকরা। চলছে ডেঙ্গির টিকা আনার প্রচেষ্টা।

    ডেঙ্গির ভ্যাকসিন

    ভারতে ডেঙ্গির জন্য কোনও টিকা এখনও চালু হয়নি। টিকা এলে এবং ট্রায়াল সফল হলে বহু মানুষের প্রাণ বাঁচবে, বলে ধারণা গবেষকদের। এর আগে প্যানাসিয়া বায়োটেক লিমিটেড এবং সানোফি ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড নামক দু’টি সংস্থা ডেঙ্গির টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে। যার মধ্যে প্যানাসিয়া বায়োটেক লিমিটেড প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। সানোফি ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের টিকা ইতিমধ্যে আমেরিকায় ডেঙ্গি মোকাবিলার জন্য অনুমোদন পেয়েছে।

    আরও পড়ুুন: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    ডেঙ্গির পরীক্ষা

    ডায়ারিয়া, বমি, ক্লান্তি, একেবারেই খেতে না পারা—এসব যদি একদিনও থাকে, তাহলেই ডেঙ্গির পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে ডেঙ্গি পিসিআর (Dengue Real-Time PCR Test) করান। যদি রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাহলে ধরে নিতে হবে যে আপনি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। জ্বর, গায়ে যদি অ্যালার্জি বেরোয়, চোখে ব্যথা, জয়েন্ট পেইন হলেই প্রথমে ডেঙ্গি টেস্ট করান। ফেলে রাখবেন না কোনওভাবেই।

    ডেঙ্গি হলে সাবধানে থাকুন

    ডেঙ্গি যদি ধরা পড়ে তাহলে প্রথম ৭ দিন খুবই সাবধানে থাকতে হবে। তারপরও অন্তত ১৫ দিন নিয়ম মেনে চলতে হবে। প্রচুর জল খেতে হবে। বাইরের খাবার দাঁতে কাটা চলবে না। হালকা-ঘরোয়া খাবার খান। ফুলস্লিভ জামা পরতে হবে। বাড়িতে মশার ওষুধ স্প্রে করুন। কোথাও জল জমতে দেবেন না। বাড়িতে সিট্রোনেলা অয়েল ব্যবহার করতে পারলেও খুব ভাল। এর গন্ধে মশা খুবই কম আসে। বাড়ির আশপাশে জলাশয় থাকলে সেখানে গাপ্পি মাছ ছাড়তে পারেন। এই মাছ মশার লার্ভা খেয়ে নেয়। কোনও রকম কার্বোনেটেড পানীয় খাওয়া চলবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share