Tag: Denmark

Denmark

  • PM Modi: তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন মোদি?

    PM Modi: তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নরওয়ের রাজধানী অসলোয় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে (India Nordic Partnership) যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সম্মেলনে ভারত ও নর্ডিক দেশগুলির মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী উচ্চপর্যায়ের ওই বৈঠক সম্পর্কে জানান, “অসলোয় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছি, যা নর্ডিক অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্বের ক্রমবর্ধমান গভীরতা ও গতিশীলতা প্রতিফলিত করে।” এই সম্মেলনে ভারত এবং নর্ডিক দেশগুলি—ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনের নেতারা—ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি যৌথ রূপরেখা তৈরি করতে একত্রিত হন। আলোচনায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।বহুপাক্ষিক আলোচনার মূল বিষয়গুলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের আলোচনা টেকসই উন্নয়ন, উদ্ভাবন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, উদীয়মান প্রযুক্তি এবং শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সহযোগিতা জোরদারের মতো বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রীভূত ছিল।”

    ভারতের ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠক উত্তর ইউরোপে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবকে তুলে ধরে, যেখানে যৌথ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং টেকসই উন্নয়ন মডেলের মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আন্তঃআঞ্চলিক অংশীদারিত্বের মূল নীতিগুলি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও নর্ডিক দেশগুলি যৌথ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং মানবকেন্দ্রিক উন্নয়নের প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের মাধ্যমে একত্রিত।” মূল সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রী আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের নেতাদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জলবায়ু পদক্ষেপ এবং প্রযুক্তিগত সংযুক্তির রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয় (PM Modi)। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলিতে উত্তর ইউরোপের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের সামগ্রিক অগ্রগতি নিয়েও পর্যালোচনা করা হয় (India Nordic Partnership)।

    আইসল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি

    প্রধানমন্ত্রী প্রথমে আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডোটিয়ার (Kristrun Frostadottir)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সবুজ প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সম্পদ উন্নয়নে নতুন সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডোটিরের সঙ্গে অত্যন্ত সুন্দর বৈঠক হয়েছে। ভারত আইসল্যান্ডের সঙ্গে বন্ধুত্বকে গভীরভাবে মূল্য দেয়।” দুই নেতা নবায়নযোগ্য শক্তি, কার্বন ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই মৎস্য শিল্পে কৌশলগত সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন (PM Modi)। আইসল্যান্ডের বিশেষ অর্থনৈতিক শক্তির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্লু- ইকোনমি সম্পর্কিত ক্ষেত্রে আইসল্যান্ডের দক্ষতা প্রশংসনীয়। আমরা আশা করি ঐতিহাসিক ইন্ডিয়া-ইএফটিএ (India-EFTA TEPA) বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ককে আরও গতি দেবে।”

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, আলোচনায় উদ্ভাবন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, সৃজনশীল অর্থনীতি, আর্কটিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ও ছিল (India Nordic Partnership)। তিনি বলেন, “দুই নেতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করেছেন।” এরপর প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেট্টেরি অর্পোর (Petteri Orpo) সঙ্গে। দুই রাষ্ট্রনেতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ৫জি এবং ৬জি নেটওয়ার্ক, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং সার্কুলার ইকোনমির মতো ভবিষ্যৎমুখী ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অংশীদারিত্ব বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, দুই নেতা ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও মতবিনিময় করেন (PM Modi)।

    বৈঠক ডেনমার্কের সঙ্গেও

    প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট্টি ফ্রেডেরিকসেনের (Mette Frederiksen) সঙ্গেও। দুই দেশের মধ্যে সবুজ কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও মজবুত এবং টেকসই উন্নয়ন ও ডিজিটালাইজেশনে সহযোগিতা বাড়াতেই হয় এই বৈঠক। পাঁচটি নর্ডিক দেশের সম্মিলিত অর্থনৈতিক উৎপাদন ১.৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি, এবং তারা সবুজ রূপান্তর মডেলের ক্ষেত্রে বিশ্বে অগ্রণী। প্রসঙ্গত, সোমবার সুইডেন থেকে নরওয়েতে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। এটি ছিল তাঁর ১৫-২০ মে পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালি সফর নিয়ে গঠিত পাঁচ দেশের বিস্তৃত সফরের অংশ। নরওয়ের রাজধানীতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি (India Nordic Partnership) সফরের শেষ পর্যায়ে ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন (PM Modi)।

     

  • PM Modi: মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে, ডেনমার্ক, কেন জানুন

    PM Modi: মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে, ডেনমার্ক, কেন জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক (Single Use Plastic) নিয়ে মোদির (PM Modi) সিদ্ধান্ত পৃথিবীর জন্য একটি দুর্দান্ত উপহার। সম্প্রতি ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করেছে নরওয়ে (Norway) এবং ডেনমার্ক (Denmark)।

    সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তারই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ নরওয়ে ও ডেনমার্ক। ভারতে নিযুক্ত ডেনিস রাষ্ট্রদূত ফ্রেডি সোয়াইন সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক নিষেধাজ্ঞায় মোদির সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মোদির এই সিদ্ধান্ত পৃথিবীর জন্য একটি দুর্দান্ত উপহার। নরওয়ের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মার্টিন আমডাল বোথেম বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার জেরে প্লাস্টিকের পরিমাণ কমে যাবে। এজন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অশেষ ধন্যবাদও জানিয়েছেন বোথাম। সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিকই এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের বিপদ। মহাসাগরে দূষণ ছড়ানোর পাশাপাশি জল-জীবনের পক্ষেও ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে এই প্লাস্টিক। মোদির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এই প্লাস্টিককে সমুদ্র থেকে অপসারণ করতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ করতে এই প্লাস্টিক সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহার করা উচিত। তিনি বলেন, সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক গোটা বিশ্বের জন্য একটি বড় সমস্যা। আমরা বাতাস ভাগ করি, সমুদ্রও ভাগ করি। তাই এটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা।

    আরও পড়ুন : ফোনালাপ, পুতিনকে আলোচনার মাধ্যমে ইউক্রেন সমস্যা মেটানোর পরামর্শ মোদির

    নরওয়ের চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স মার্টিন আমডাল বোথেম বলেন, তাই এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে ভারত সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে। ভারতে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ফ্রেডি বলেন, ভারত দ্রুত এগোচ্ছে। সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার যে সিদ্ধান্ত ভারত নিয়েছ, বিশ্বে তার অবদান কম নয়। আমি ভারতকে ধন্যবাদ জানাই। প্রসঙ্গত, সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক হল প্লাস্টিকের সেই সব আইটেম, যেগুলি মাত্র একবারই ব্যবহার করা যায়। প্লাস্টিকের স্টিক, কাপ, প্লেট, পতাকা, বেলুন, থার্মোকল সহ হাজারো জিনিস। এই জিনিসগুলির উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিতরণ এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৭৫ মাইক্রন থেকে ১২০ মাইক্রনে উন্নীত করতে বলা হয়েছে প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগকে।

    আরও পড়ুন : মিশরে তৈরি হবে ‘তেজস’ যুদ্ধবিমান, ‘ধ্রুব’ হেলিকপ্টার! নয়া চুক্তির পথে ভারত?

  • Modi speaks: মোদির মুখে মিলেনিয়াল শব্দ, বিনিয়োগ টানতে ‘অস্ত্র’ FOMO!

    Modi speaks: মোদির মুখে মিলেনিয়াল শব্দ, বিনিয়োগ টানতে ‘অস্ত্র’ FOMO!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : মোদির মুখে ‘মিলেনিয়াল শব্দ’ (millennial lingo)! এবার দেশে বিনিয়োগ প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহৃত শব্দ ‘FOMO’-কেই হাতিয়ার করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার India-Denmark Business Forum-বক্তব্য রাখার সময় এই শব্দ ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী  মেতে ফ্রেডেরিকসন (Mette Frederiksen)। মোদি এদিন বলেন, “আজকাল ফোমো (FOMO) কথাটি বিপুল ব্যবহৃত হচ্ছে। FOMO মানে হল ফিয়ার অফ মিসিং আউট (Fear of Missing Out) সবার মধ্যে আলাদা না হয়ে যাওয়া বা হারিয়ে না যাওয়া। ভারতে যেভাবে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তাতে কেউ যদি দেশে বিনিয়োগ করতে না চায় সেক্ষেত্রে বলতে হয় তিনি কিছু Miss Out করছেন।” মিলেনিয়াল ভাষায় মোদীর বিনিয়োগ টানার এই অভিনব মন্তব্যে কার্যত আপ্লুত নেটনাগরিকরা। এরপরেই অবশ্য নরেন্দ্র মোদির কথার খেই ধরেই পালটা মন্তব্য করেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি ভাবতাম FOMO বিষয়টাই শুক্রবার রাত্রি বা পার্টির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু, এখন মনে হয় আদতে তা নয়।”

    [tw]


    [/tw]

    এদিন মোদি বলেন, “এর আগে অতীতে ডেনমার্ক এবং ভারত একসঙ্গে অনেক কাজ করেছে। আমাদের দুই দেশের কাজের উৎকর্ষতা একে অপরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। ভারতে গ্রিন টেকনলজিতে বিনিয়োগ করার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রেও রয়েছে বিনিয়োগের সুযোগ।” 

    এদিন ডেনমার্কে মোদি বলেন, ”প্রতিবছর পাঁচজন বিদেশীকে ভারত ভ্রমণের জন্য উদ্বুদ্ধ করুন। তাঁদের বোঝান ভারতের কোনায় কোনায় কী কী খাজানা লুকিয়ে রয়েছে। আর এই কাজটা মোটেও বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের নয়। দূতাবাস তো থাকবেই। কিন্তু, আপনারাই এক একজন রাষ্ট্রদূত। বিশ্বের চারপাশে এই রাষ্ট্রদূতেরা ছড়িয়ে রয়েছে। আপনারাই ভারতকে বিশ্বের দরবারে চিনিয়ে দিতে সক্ষম। তাই আমার এই ছোট্ট অনুরোধটুকু রাখুন।” অর্থাৎ বিদেশের মাটিতে ভারতের পর্যটন শিল্পকে তুলে ধরেছেন মোদি।

  • Modi in Europe: ইউরোপ সফরে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কী উপহার দিলেন মোদি?

    Modi in Europe: ইউরোপ সফরে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কী উপহার দিলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের ইউরোপ সফর শেষ। এবার দেশের ফেরার পালা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে দিল্লি রওনা হয়েছেন তিনি।  

    দু’বছর পরে ফের বিদেশ সফরে গিয়ে জার্মানি, ডেনমার্ক এবং ফ্রান্সে ২৫টি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক-সহ কথা বলেছেন মোট সাত জন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে। পাশাপাশি, ওই দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সভাতেও যোগ দেন তিনি। 

    বিদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার দিকে বরাবরই জোর দেন মোদি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। খালি হাতে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দেখা করেননি প্রধানমন্ত্রী। দুহাত ভরে উপহার তুলে দিয়েছেন রাষ্ট্রনেতাদের হাতে, যেখানে গুরুত্ব পেয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হস্তশিল্প। পশমিনা শাল, ডোকরার কাজ করা নৌকা, রোগান পেইন্টিং কী নেই সেই তালিকায়!

    সোমবার জার্মানিতে গিয়ে সে দেশের চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী জুন মাসে মিউনিখের বাভারিয়ায় জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির শীর্ষবৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য মোদিকে আমন্ত্রণ জানান স্কোলজ।   

    মঙ্গলবার ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে যান মোদি (Modi)। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা সংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন। পাশাপাশি, স্ক্যান্ডিনেভীয় (নর্ডিক) দেশ, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে এবং আইসল্যান্ডের রাষ্ট্রনেতাদের একটি আলোচনা সভাতে অংশ নেন। বুধবারের এই সভাতেই বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী কিছু শিল্প নিদর্শন উপহার (Gifts) দেন মোদি। 

    ডেনমার্কের যুবরাজ ফেডরিককে ছত্রিশগড়ের ৪০০০ পুরনো ডোকরা শিল্পের কাজ করা একটি নৌকো উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। আর রানী মার্গেটকে উপহার দেন গুজরাতের কচের রোগান সেলাই করা একটুকরো কাপড়। যুবরানীকে উপহার দেন বেনারসের ৫০০ বছর পুরনো শিল্প মিনেকারী করা রুপোর একটি পাখি।

    ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধিকে ‘Tree of life’ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। এই গাছ বৃদ্ধি এবং বিকাশের প্রতীক। গাছটি পিতলের তৈরি। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে দেন রাজস্থানের বিখ্যাত কোফতগিরি কাজ করা একটি ঢাল। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেনকে উপহার দেন গুজরাতের কচ্ছের এমব্রয়ডারি করা একটি ওয়াল হ্যাঙ্গিং। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে দেন পশমিনা শাল। কাশ্মীরের এই পশমিনা শাল ভারতীয় আভিজাত্যের প্রতীক। 

     

     

     

LinkedIn
Share