Tag: deputy chief minister

deputy chief minister

  • Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    Maoist Papa Rao: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়! ১৬ সঙ্গীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ জন কমরেডকে সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করলেন ছত্তিশগড়ের শেষ শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার পাপা রাও (Maoist Papa Rao)। এমনই খবর জানালেন ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা। তাঁদের আত্মসমর্পণ মাওবাদী দমনে রাজ্যের চালানো লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাও-মুক্ত ছত্তিশগড় (Maoist Papa Rao)

    রাও অস্ত্র সমর্পণ করায় প্রযুক্তিগতভাবে ও স্পষ্টভাবে বলা যায়, ওই স্তরের এমনকি তার চেয়েও নিচু স্তরের কোনও নকশাল কর্মী আর সক্রিয় নেই রাজ্যে। অন্তত এমনই জানালেন শর্মা। গত দু’দশকে দক্ষিণ বস্তারে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর একাধিক প্রাণঘাতী হামলার মূলচক্রী ছিলেন এই শীর্ষ মাওবাদী নেতা। ২০১০ সালে তৎকালীন দান্তেওয়াড়া (বর্তমানে সুকমা) জেলার তাদমেতলা হামলারও ষড়যন্ত্রী ছিলেন তিনি। ওই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৭৬ জন জওয়ান। মাওবাদীদের দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটিতে সক্রিয় রাও বস্তার অঞ্চলে তাঁর এক ডজনের বেশি সদস্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন বলে সোমবারই জানিয়েছিলেন শর্মা। উপমুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তিনি সামলাচ্ছেন স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বও। মঙ্গলবার পাপা অস্ত্রসমর্পণ করায় ছত্তিশগড়ে আর কোনও নকশাল কর্মী সক্রিয় নেই। শুধু তাই নয়, মাও দমনে ‘শাহি’ ডেডলাইন ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যেই রাজ্য হয়ে গেল সশস্ত্র নকশালবাদমুক্ত (Chhattisgarh)।

    মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট

    শর্মা বলেন, “রাওয়ের পুনর্বাসনের মাধ্যমে ছত্তিশগড়ে নকশালের উপস্থিতি কার্যত শেষ হয়ে গেল। ৩১ মার্চের মধ্যেই রাজ্য সশস্ত্র নকশালবাদ থেকে মুক্ত হবে।” তিনি জানান, পাপা রাও প্রায় ২৫ বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন এবং বহু সংঘর্ষে জড়িত থাকলেও প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। রাজ্য সরকার তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ২৫ লাখ টাকা। শর্মা বলেন, “রাওয়ের মানসিকতা এখন বদলেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলাম (Maoist Papa Rao)। তখনই তিনি আত্মসমর্পণের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন।” তিনি জানান, পুনর্বাসন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে আরও আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা রয়েছে। বস্তার ডিভিশন ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির কিছু অংশে মাওবাদী কার্যকলাপ পরিচালনাকারী দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি (DKSZC) মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে বিবেচিত হত। গত দু’দশকে বহু মারাত্মক হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। শর্মা বলেন, “বর্তমানে পার্টি ও এরিয়া কমিটি স্তরের মাওবাদীরা ছত্তিশগড়ে আর সশস্ত্র কার্যকলাপে যুক্ত নন এবং তাঁরা প্রায় সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।” তিনি বলেন, “তাঁরা অস্ত্র নামিয়ে রেখেছেন এবং ইউনিফর্ম ছেড়ে দিয়েছেন।” বর্তমানে ছত্তিশগড়ের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন মাও-সদস্য মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি বা তেলঙ্গনায় সক্রিয় রয়েছে। তাঁদের আত্মসমর্পণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

    মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা

    এদিকে, কেন্দ্রের নির্ধারিত মাওবাদ নির্মূলের সময়সীমা শেষ হতে আর এক সপ্তাহ বাকি। সোমবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাজি জানান, বর্তমানে রাজ্যে মাত্র ১৫ জন মাওবাদী সক্রিয় (Chhattisgarh) রয়েছেন এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করা হবে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তারা প্রসাদ বাহিনিপতির এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড়া জেলার সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় প্রায় ১৫ জন নকশাল সক্রিয় রয়েছে।” কেন্দ্রের সিকিউরিটি-রিলেটেড এক্সপেন্ডিচার প্রকল্প অনুযায়ী, বর্তমানে শুধু কান্ধামাল জেলাকেই মাওবাদী-প্রভাবিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৌধ, বালাঙ্গির, কালাহান্ডি, বারগড়, মালকানগিরি, নবরঙ্গপুর, নুয়াপাড়া এবং রায়গড়—এই আটটি জেলাকে ‘লেগেসি’ ও ‘থ্রাস্ট’ জেলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, কান্ধামাল-কালাহান্ডি-রায়গড় সীমান্ত অঞ্চলে একটি ছোট নকশাল গোষ্ঠী সক্রিয় থাকলেও, রাজ্যের অন্যান্য সব জেলা এখন সম্পূর্ণভাবে মাওবাদীমুক্ত। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতি অনুযায়ী, যাঁরা অস্ত্র সমর্পণ করছেন, সেই মাওবাদীদের আর্থিক সহায়তা, বাসস্থান, সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত মাসিক ভাতা, কর্মসংস্থানের সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং স্বাস্থ্য/রেশন কার্ড দেওয়া হচ্ছে (Maoist Papa Rao)।

    আত্মসমর্পণের বহর

    ২০২৪ সাল থেকে ১৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৯৬ জন মাওবাদী ওড়িশা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রাজ্য পুলিশ সতর্ক করেছে যে, ৩১ মার্চের মধ্যে যাঁরা আত্মসমর্পণ করবেন না, তাঁরা সরকারের পুনর্বাসন নীতির সুবিধাও পাবেন না। পুলিশ সূত্রে খবর, বিশেষ জোনাল কমিটির সদস্য সুক্রু এবং রাজ্যের আরও দুই মাওবাদী এখনও আত্মসমর্পণ করেনি। প্রতিবেশী ছত্তিশগড় থেকে আসা আরও ১২ জন মাওবাদী ওড়িশায় সক্রিয় ছিলেন। তাঁরা বর্তমানে আত্মগোপন করে রয়েছেন। অ্যান্টি-নকশাল অপারেশনের এডিজি সঞ্জীব পান্ডা বলেন, “কিছু নকশাল এখনও আত্মসমর্পণ না করায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে। আমরা (Chhattisgarh) ৩১ মার্চের মধ্যেই কেন্দ্রের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব (Maoist Papa Rao)।”

     

  • BJP: করমণ্ডল দুর্ঘটনায় চক্রান্ত থাকতে পারে, দাবি জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রীর

    BJP: করমণ্ডল দুর্ঘটনায় চক্রান্ত থাকতে পারে, দাবি জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় চক্রান্তের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) নেতা কবীন্দ্রা গুপ্তা। মঙ্গলবার রাজ্যে বিজেপির বিশেষ জনসম্পর্ক অভিযানে এসে এমনই মন্তব্য করলেন তিনি। তাঁর এই মন্ত্যবকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    কী বললেন এই বিজেপি (BJP) নেতা?

    কেন্দ্রের মোদি সরকারের ৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহা জনসম্পর্ক অভিযানে এসে মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপির (BJP) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কবীন্দ্রা গুপ্তা। সেখানে তিনি জানান, বালেশ্বরে দুর্ঘটনার পর থেকে রেলমন্ত্রী এখনও পর্যন্ত টানা দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের রেল মন্ত্রকের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার জন্য কোনও চক্রান্ত হয়েছে কি না, তার সন্ধান করা প্রয়োজন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে স্বয়ং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব উপস্থিত থেকে উদ্ধার কাজের তদারকি করেছেন। ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রেল বোর্ড তদন্তের স্বচ্ছতার জন্য সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছে। কেউ দোষী থাকলে শাস্তি দ্রুত পাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে মন্তব্য

    গত ৯ বছরে কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার জম্মু-কাশ্মীরে কীভাবে কাজ করেছে, সরকারের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে কীভাবে পৌছেছে, সেই বিষয়েও তিনি প্রচার করেন। তিনি বলেন, গত ৭০ বছরের মধ্যে এই বছরেই ভূস্বর্গে পর্যটকদের রেকর্ড ভিড় হয়েছে। পাকিস্তানের সৈন্যরা বারে বারে সীমান্তে অশান্তি ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলেও ভারতীয় সেনাবাহিনী তা রুখে দিয়েছে। আর এর ফলেই অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সুরক্ষার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে, জানান কবীন্দ্রা গুপ্তা। তিনি রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এই রাজ্যের তৃণমূল সরকার জাতি, ধর্মের ভেদাভেদ করছে। সারা রাজ্য জুড়ে কারা কারা টাকা খেয়েছে, তদন্ত ঠিক মতো হলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। এদিনের মহা জনসম্পর্ক অভিযানে কবীন্দ্রা গুপ্তা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া এবং বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তথা দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোডুই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share