Tag: Dhanush

Dhanush

  • Hindus Under Attack: ধর্মান্তর, মন্দির, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক বিতর্কের জেরে সরগরম দেশ, বিপন্ন হিন্দুরা!

    Hindus Under Attack: ধর্মান্তর, মন্দির, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক বিতর্কের জেরে সরগরম দেশ, বিপন্ন হিন্দুরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন।

    ঘটনার ঘনঘটা (Hindus Under Attack)

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, মন্দিরে চুরি এবং হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মান্তর, মন্দির, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশকে ঘিরে একের পর এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, তামিলনাড়ু এবং মহারাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন, প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে কঠোর পদক্ষেপের। ১২ থেকে ১৮ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    জিম জিহাদ নিয়ে নয়া বিতর্ক

    কর্নাটকে তথাকথিত “লাভ জিহাদ” ও ধর্মান্তর সংক্রান্ত বিতর্কের পর এবার “জিম জিহাদ” নিয়ে নয়া বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাধিক হিন্দু সংগঠনের অভিযোগ, ইসমাইল নামে এক মুসলমান জিম প্রশিক্ষক ফিটনেস প্রশিক্ষণের আড়ালে হিন্দু মহিলাদের টার্গেট করতেন। এই বিষয়ে তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কর্নাটকেরই চিক্কাবল্লাপুর জেলায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, পাকিস্তানের নাগরিক ফারাহ নাজ এবং তাঁর ছেলে মহম্মদ ফারদিন নিজেদের পাকিস্তানি পরিচয় গোপন রেখে ভুয়ো তথ্যের মাধ্যমে ভারতীয় ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড-সহ একাধিক পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছিলেন। পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনাকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক বলে দাবি করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    মূর্তি ভাঙচুরের জেরে উত্তেজনা

    কর্নাটক হাইকোর্ট আফিফা ফাতিমা নামে এক পুষ্টিবিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলাও খারিজ করে দিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দু সমাজ এবং ভারতের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। বিচারপতি এম নাগপ্রসন্ন সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক রিপোর্ট বাতিল করে দেন (Hindus Under Attack)। কর্নাটকের ধারওয়াড় জেলার আম্বলিকোপ্পা গ্রামে ভগবান বীরালিঙ্গেশ্বরের মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু ভাঙচুরের ঘটনা নয়, তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ওপর সরাসরি আঘাত।

    মাংস বিক্রেতাকে গ্রেফতার

    উত্তরাখণ্ডের টেহরি গাড়োয়াল জেলার জাখনিধার বাজারের বছর পঁয়ত্রিশের এক মাংস বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে শ্লীলতাহানির অভিযোগে। এক হিন্দু নাবালিকাকে নিজের দোকানের ভেতরে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উত্তেজনার। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন থানায় বিক্ষোভ দেখিয়ে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের বেরেলি জেলার মিরগঞ্জ এলাকায় বছর একান্নর এক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারককে ধর্মান্তরের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি প্রলোভন দেখিয়ে হিন্দুদের ধর্মান্তরের চেষ্টা করছিলেন। হিন্দু দেবদেবীদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছিলেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে পাঠানো হয় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে।

    মহা দীপম প্রজ্বলন

    তামিলনাড়ুতে মাদ্রাজ হাই কোর্টের নির্দেশে তিরুপ্পরাঙ্কুন্দ্রম পাহাড়ে ঐতিহ্যবাহী মহা দীপম প্রজ্বলনের অনুমতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তামিলনাড়ু প্রগতিশীল লেখক ও শিল্পী সংঘের আপত্তির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে হিন্দু মুন্নানি। সংগঠনের দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুরুগন ভক্তদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছার প্রতিফলনই এই মহা দীপম প্রজ্বলন (Roundup Week)। তামিল চলচ্চিত্র জগতেও ভগবান মুরুগনকে কেন্দ্র করে মতাদর্শগত বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে জুনিয়র এনটিআরকে নিয়ে ভগবান মুরুগনের জীবনভিত্তিক একটি মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র তৈরির প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে পরিচালক ভেট্রি মারানের নতুন ছবিতে ভগবান মুরুগনের দেবত্বকে অস্বীকার করার অভিযোগ উঠেছে। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অভিনেতা ধনুষ। সমালোচকদের দাবি, ভেট্রি মারান ইভি রামাস্বামীর মতাদর্শের সমর্থক (Roundup Week)।

    মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় লিঙ্গামালাই পাহাড়ের প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো শিবমন্দির ও তার সংলগ্ন জমি দখলের অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে হিন্দু মুন্নানি। সংগঠনের অভিযোগ, ওই পাহাড়ের নাম পরিবর্তন করে “সাভেরিয়ার মালাই” করারও চেষ্টা চলছে (Hindus Under Attack)। মহারাষ্ট্রের আহিল্যানগরে হিন্দুত্ববাদী কর্মী তথা রাষ্ট্রীয় শ্রীরাম সেবা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সাগর বেগের প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। গত ডিসেম্বরে জার্মান বেকারি বিস্ফোরণ মামলার সহ-অভিযুক্ত বান্টি জাহাগিরদারের হত্যার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    পাক পদক্ষেপের জেরে বিতর্ক

    এদিকে পাকিস্তানের প্রাক-ইসলামিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নিবন্ধ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলে তুলে ধরা হলেও, ভারতের ঐতিহাসিক স্থান ও শহরের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগকে ভিন্ন মানদণ্ডে বিচার করা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সব ঘটনার অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং তদন্ত বা বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বিষয়গুলির আইনানুগ নিষ্পত্তি হবে (Roundup Week)।

     

  • Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণী তারকা ধনুষকে (Dhanush) তলব করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। কয়েকবছর আগে এক দম্পতি অভিনেতাকে তাদের ঔরসজাত তৃতীয় সন্তান বলে দাবি করার পরেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন অভিনেতা। সেই সংক্রান্ত মামলাতেই এই দক্ষিণী সুপারস্টারকে তলব করল হাইকোর্ট। 

    ২০১৬ সালে কাথিরেসান এবং মীনাক্ষি নামের এক প্রবীণ দম্পতি,তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মাদুরাই জেলার মেলুরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিনেতাকে তাঁদের ছেলে দাবি করে একটি পিটিশন দাখিল করেন। তারপরেই শুরু হয় মামলাটি। 

    দম্পতি অভিযোগ করেন যে, তাদের তৃতীয় পুত্র সন্তান ধনুষ কম বয়সেই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন চোখে নিয়ে চেন্নাইয়ে পাড়ি দেওয়ার জন্যেই ঘর ছেড়েছিলেন। মেলুর আদালতে ধনুষকে নিজেদের ছেলে বলে দাবি করেন দম্পতি এবং আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারণে অভিনেতার থেকে ভরণপোষণের জন্যে মাসে ৬৫ হাজার টাকা দাবি করেন।  

    দম্পতির দাবি, স্কুলে পড়াকালীনই ঘর ছাড়েন ধনুষ। তারপর অভিনেতাকে সিনেমায় দেখে চিনতে পারেন তারা। চেন্নাইয়ে গিয়ে দেখা করতে চাইলেও দেখা করতে পারেননি ওই দম্পতি। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে মাদ্রাজ হাইকোর্ট দম্পতির আবেদন খারিজ করে দেয়। ধনুষ মামলাটি জিতে যান। ২০২০ সালে আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আরও একটি মামলা করেন নিজেকে ধনুষের জন্মদাতা বলে দাবি করা প্রৌঢ় কাথিরেসান।

    মাদুরাই আদালত আবেদন খারিজ করলে মামলাটি মাদ্রাজ হাইকোর্টে যাওয়ার পর নোটিশ জারি করা হয়। আদালতের তরফে এই পিতৃত্ব (Paternity Case) বিতর্কে একটি ডিএনএ পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে, ধনুষ এবং তাঁর আইনজীবীরা তাতে সম্মত হননি।  

    শনাক্তকরণ চিহ্নের জন্য একটি মেডিকেল পরীক্ষা করেছিলেন ধনুষ। রিপোর্ট অভিনেতার পক্ষেই আসে। রিপোর্টের বিরোধিতা করে, দম্পতি আরও দাবি করেন যে, তাঁর বাবা-মায়ের দ্বারা দাখিল করা নথি, যেমন জন্ম ও স্থানান্তর শংসাপত্র এবং শনাক্তকরণ চিহ্নগুলি জাল।  এর পাল্টা দাবি করে ধনুষ জানান, এই সব অভিযোগই ভুয়ো। তিনি বলেন, তামিল চলচ্চিত্র নির্মাতা কস্তুরি রাজা এবং তাঁর স্ত্রী বিজয়লক্ষ্মীর ঘরেই জন্মগ্রহণ করেছেন তিনি।

     

LinkedIn
Share