Tag: diamond harbour

diamond harbour

  • Diamond Harbour: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    Diamond Harbour: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour), পড়ল বোমা, চলল গুলি। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের রবীন্দ্রনগরের চার নম্বর ওয়ার্ডের গুলজার বাগ এলাকায় দুই তৃণমূল গোষ্ঠীর মধ্যে জমি দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অশান্তির মাঝেই আচমকাই বোমা পড়তে শুরু করে এলাকায়। প্রায় ২৫টি বোমা পড়ে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চলে গুলিও। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভাকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, “শূন্যে তিন রাউন্ড গুলি চালানো হয়। বোমার স্প্লিন্টার ছিটকে এসে একটি শিশুও আহত হয়েছে। আরও এক ব্যক্তি মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।” এই ঘটনার প্রসঙ্গে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “গোলাব, মিনু আরও একজন ছিল। বোমা ফেলছিল তারা। এখন হুমকি দিচ্ছিল যে গোটা পাড়ার মানুষকে মেরে ফেলব তারা। আমার বাড়ির পাশেও বোমা ফেলে। একই ভাবে আমার ঘরে বৃদ্ধ মা রয়েছেন। গুন্ডারা বলছে উড়িয়ে দেব সব।”

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    এই ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) একপক্ষের অভিযোগ, জমি দখলে বাধা দিলে অপরপক্ষের লোকজন ঝামেলা শুরু করে, তারপরেই শুরু হয় মারধর, আশান্তি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রবীন্দ্রনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে নামানো হয় র‍্যাফ। এরপর অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাজা বোমা উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে এবার উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার, চলল গুলি, পড়ল বোমা, আহত শিশু-সহ ২

    আগেও বোমাবাজি হয়েছে

    উল্লেখ্য এর আগেও গত ১৮ মার্চ ওই একই জায়গায় বোমা বাজির ঘটনা ঘটেছিল। আর এবার ফের একই ঘটনায় আতঙ্কে এলাকাবাসী। তবে প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। কেন বারবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhisekh Banerjee) গড়ে এমন বোমাবাজি অশান্তির ঘটনা ঘটছে? নাকি ভোটের মুখে এসব বোমাবাজি, গোলাগুলির ঘটনা কি ইচ্ছে করেই ঘটাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল! সাধারণ মানুষের মনে এক প্রকার আতঙ্ক যে সৃষ্টি হয়েছে সে কথা এলাকার অনেক মানুষ মনে করছেন। যদিও গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত স্থানীয় কোনও তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour: ডায়মন্ড হারবারে বিসর্জনে রাম গান বাজানোয় দুষ্কৃতীদের হামলা! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    Diamond Harbour: ডায়মন্ড হারবারে বিসর্জনে রাম গান বাজানোয় দুষ্কৃতীদের হামলা! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour) রক্ষাকালী পুজোর বিসর্জনের সময় রাম নামের গান বাজানোয় হামলা করেছে দুষ্কৃতীরা। রাজ্যে রাম নবমীর আগে এই ধরনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে ঘটনার ভিডিয়ো পোস্ট করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মমতা সরকারকে কড়া আক্রমণ করেছে বিজেপি। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য এই কেন্দ্র থেকেই তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    বিজেপির অভিযোগ (Diamond Harbour)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছরই ডায়মন্ড হারবারের সরিষার (Diamond Harbour) কলাগাছিয়া এলাকায় গ্রামের বাসিন্দাদের তরফে রক্ষাকালী পুজোর আয়োজন করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আর সেই কালী প্রতিমা নিরঞ্জনের (Kali Idol Immersion ) সময় দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে আক্রমণ করে। কালী প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় এক যুবক গেরুয়া জামা পরেছিলেন। বাজানো হচ্ছিল শ্রীরামকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন গান (Ram Song)। সেই সময় আচমকা তাঁদের উপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। এরপর পুড়িয়ে দেওয়া হয় গেরুয়া গেঞ্জি। নিরঞ্জনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষকে বেধড়ক মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক বাড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ দোষীদের গ্রেফতার না করে পাল্টা ১১ জন বিজেপি (BJP) কর্মীকে গ্রেফতার করে।

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তালা পড়ল হাওড়া জুট মিলে! বিপাকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

    এই ঘটনায় নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্য বিজেপি (BJP) পোস করে বলা হয়েছে, “পুলিশ ঘটনাস্থলে (Diamond Harbour) এলেও তাঁরা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার পরিবর্তে পুলিশ বিজেপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করেছে। এগুলি পরিকল্পিত হামলার ছক। ভোটের কথা মাথায় রেখেই এগুলি করা হয়েছে।” উল্লেখ্য গতবারও রামনবমীর (ram navami) আগে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ অভিযুক্তদের না ধরে বেছে বেছে বিজেপি সদস্যদের গ্রেফতার করেছে। নির্বাচনে যাতে ভাইপো (abhisekh banerjee) জেতেন তার জন্যই পরিকল্পনা করে এই সব করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর ১৭ এপ্রিল রামনবমী। সেদিনও রাজ্যে অশান্তির ছবি ধরা পড়বে বলে মনে করছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (amit malviya)। সেই সময় যাতে কোনও অশান্তি না হয় তার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (election commission) কাছে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour: চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশকর্মী, নাম জড়াল মহিলা সাব ইন্সপেক্টরের

    Diamond Harbour: চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশকর্মী, নাম জড়াল মহিলা সাব ইন্সপেক্টরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমস্যা থেকে সমাধান পেতে সাধারণ মানুষ সবার আগে পুলিশের দরজায় কড়া নাড়েন। কিন্তু, পুলিশ কি সব সময় সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। প্রশ্নটা উঠেছে বর্তমানে রাজ্যের সব থেকে চর্চিত ঘটনা সন্দেশখালিতে। একই রকম অভিযোগ উঠছে ডায়মন্ড হারবারের চিকিৎসক কল্যাণাশিস ঘোষের রহস্যমৃত্যু নিয়ে। সেক্সটর্শন, অর্থিক প্রতারণা, ব্ল্যাকমেলের মত ঘটনায় কি জড়িয়ে পড়ছেন আইনের রক্ষকরাও? ডায়মন্ড হারবারের কল্যাণাশিস ঘোষ নামে এক চিকিৎসকের আত্মহত্যায় সেটাই মনে হচ্ছে।

    চিকিৎসকের রহস্য মৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশ কর্মী

    চিকিৎসকের পরিবার যে এফআইআর দায়ের করেছে তাতে নাম আছে কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল বাকিবিল্লা বোরহানি ও এক মহিলা সাব ইনস্পেক্টরের। গ্রেফতার করা হয়েছে বাকিবিল্লাকে। তদন্তে ডায়মন্ড হারবারের এক বারের মালিকের স্ত্রীর সঙ্গে কল্যাণাশিসের সম্পর্ক নিয়েও উঠেছে আসছে নানা তথ্য। ইতিমধ্যেই বারের মালিক অভিজিৎ দাস ও তার প্রাক্তন স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিবিল্লা বোরহানি আবার রিয়ার প্রাক্তন স্বামী অভিজিতের বন্ধু। পাশাপাশি এলাকায় কান পাতলে শোনা যায়, এই পুলিশ কর্মীর সঙ্গেও নাকি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল রিয়ার। অভিযোগ, রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কল্যাণাশিস ঘোষকে ব্ল্যাকমেল করত বাকিবিল্লা। মৃত ডাক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত বাকিবিল্লা। জেরায় এই কথা জানিয়েছে, ধৃত বার মালিক অভিজিৎ। শুধু এই একজন পুলিশ কর্মী নয়, নাম উঠে আসছে আরেক মহিলা সাব ইনস্পেক্টরের। তিনি নাকি রিয়ার বন্ধু। এই ঘটনায় জড়িয়ে গিয়েছে তার নাম। রিয়ার সঙ্গে এতটাই ঘনিষ্ঠতা ছিল সেই মহিলা পুলিশ কর্মীর যে অন্যত্র বদলি হলেও মাঝে মধ্যেই একসঙ্গে দেখা যেত দু’জনকে। চলত আড্ডা। মাঝে মাঝে পুরুষ সঙ্গীদের নিয়ে নাকি লং ড্রাইভেও যেতেন দুই বান্ধবী। দুই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় ঘটনা অন্য মাত্রা পেয়েছে তাতে সন্দেহ নেই।

    ডাক্তারকে ব্ল্যাকমেল!

    রিয়ার সঙ্গে চিকিৎসকের অনেক গভীরে সম্পর্ক ছিল। তাঁকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করা হত বলে অভিযোগ। একাধিক পুরুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে তাঁর স্বামী তাঁকে ডিভোর্স দিয়েছে বলে পুলিশকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে স্বামীর সঙ্গে বোঝাপরা করেই চলত এই সব কারবার। আর ব্ল্যাকমেল করে আদায় করা হত মোটা টাকা।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রানাঘাটের এক তৃণমূল (TMC) নেতা। রবিবার রাতে রানাঘাট থানার আইসতলা থেকে সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে ডায়মন্ডহারবার জিআরপি পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত যুবকের নাম পার্থ মাইতি। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া এলাকায়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে পার্থ মাইতির সঙ্গে বেশ কয়েকজনের আলাপ হয় শিয়ালদা ডায়মন্ড হারবার শাখার হোটর স্টেশনে। রাজ্য সরকারের কর্মচারী বলে নিজেদেরকে পরিচয় দেন তাঁরা। এমনকী পার্থ মাইতিকে তাঁরা জানান যে রাজ্য সরকারের গ্রুপ ডি তে তাঁরা চাকরি করে দিতে পারেন। এরপরেই অর্থের বিনিময়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা। এই ঘটনায় ডায়মন্ডহারবার জিআরপি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পাঁশকুড়ার বাসিন্দা পার্থবাবু। অভিযোগের পর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে রানাঘাটের এই তৃণমূল (TMC) নেতার নাম সামনে আসে। আর এর পরই রবিবার রাতে আইসতলা থেকে ওই তৃণমূলের নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদিয়া জেলা পরিষদের আসনে আইসতলা থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী ছিলেন সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতা। ধৃত সৌভিক ঘোষের পাশাপাশি আরও চারজনের নাম উঠে আসে তদন্তে। ধৃত সৌভিক ঘোষকে সোমবার ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতে  হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    অনেকের কাছে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা অভিযোগ

    এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব ছিল তৃণমূল (TMC) নেতা সৌভিক ঘোষের। একাধিক মানুষের কাছ থেকে এই ভাবেই চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছে ওই তৃণমূল নেতা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে রানাঘাট ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে, ওই তৃণমূল নেতাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করেছে ধৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সন্ধ্যা হলেই বাড়ে আতঙ্ক! ডায়মন্ড হারবারে অজানা জন্তুর হানায় জখম ৮

    South 24 Parganas: সন্ধ্যা হলেই বাড়ে আতঙ্ক! ডায়মন্ড হারবারে অজানা জন্তুর হানায় জখম ৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ধ্যা হলেই বাড়তে থাকে আতঙ্ক! রাত হলেই বাড়ছে জন্তুর আনাগোনা! আঁচড়-কামড়ে জখম হচ্ছেন এলাকার মানুষ। বাদ যাচ্ছে না শিশুরাও। কিন্তু কেন ঘটছে এমন ঘটনা, এখনও কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এলাকাবাসীর বক্তব্য, কোনও অজানা জন্তু রাতের অন্ধকারে ঘুরছে এবং হামলা করছে। ইতিমধ্যে আহত হয়েছেন ৮ জন। ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার এলাকার সরিষা ও মশাট এলাকায়।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (South 24 Parganas)

    স্থানীয় (South 24 Parganas) মানুষের বক্তব্য, সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে জন্তুর হামলায় এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ বলছেন কুকুর, কেউ বলছেন শিয়াল, আবার কেউ বলেছেন বিশেষ জন্তু। তবে ঠিক কোন প্রাণী আক্রমণ করছে সেই বিষয়ে এখনও জানা যাচ্ছে না। এলাকার মানুষ বর্তমানে বন দফতরের কাছে খবর দিয়েছে। ইতিমধ্যে বাসিন্দাদের সতর্ক করার জন্য এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে, অহেতুক আতঙ্কিত যেন কেউ না হন এবং সন্ধ্যা নামলে অন্ধকারে যেন শিশুদের বাইরে না ছাড়া হয়।

    বনদফতরের ভূমিকা

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জন্তুকে ধরতে এখনও পর্যন্ত বন দফতরের পক্ষ থেকে দুটি খাঁচা পাতা হয়েছে। সেই সঙ্গে জানা গিয়েছে মোট ৮ জনকে জখম করেছে জন্তু। ইতিমধ্যেই তাঁদের সরিষা ব্লক হাসপাতাল এবং ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    বনদফতরের বক্তব্য

    এই ঘটনায় দক্ষিণ পরগনার (South 24 Parganas) ডিএফও বলেছেন, “বন দফতরের প্রাথমিক অনুমান, শিয়াল জাতীয় কোনও প্রকার প্রাণী আক্রমণ করছে হয়তো। তাকে ধরতে দুটি খাঁচা পাতা হয়েছে। রাতে এবং দিনে বন দফতর থেকে এলাকায় টহল দেওয়া চলছে। খুব দ্রুত ধরা পড়বে আমাদের বিশ্বাস। আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই।”

    এলাকায় বাঘেরও আতঙ্ক

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমার উপেন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, টানা তিন মাস ধরে বাঘের আতঙ্ক চলছে। গ্রামের মধ্যে বন্যপশুর রক্তের দাগের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। এলাকার ধনচির জঙ্গলকে জাল দিয়ে আটকে দেওয়ার পরে বাঘের আনাগোনা টের পাওয়া গিয়েছে। বাঘের আতঙ্ক কাটাতে এলাকায় গণস্বাক্ষরের অভিযান চালানো হচ্ছে। বন দফতর অবশ্য জানিয়েছে, “গ্রামবাসীদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। জনবসতি এলাকায় বাঘ ঢুকছে না।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হল ডায়মন্ড হারবার। এবার এই জেলাকে এই বছর ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ ‘সুরক্ষিত পুলিশ জেলা’ বলে ঘোষণা করছে। অভিষেক নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘোষণাকে বিনিময় করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। কার্যত এই বিষয়কে নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তীব্র কটক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার”।

    কী বলেছেন অভিষেক?

    তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এটা খুব খুশির খবর, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলাকে ২০২২ সালের জন্য সেরা সুরক্ষিত জেলা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। এই সাফল্য আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বিশাল প্রশংসা, যাঁরা এটিকে সম্ভব করেছেন। এই সম্মান আমার জেলার জন্য অত্যন্ত সুখবর।” এই বক্তব্যকেই তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর পালটা বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সাম্পাদকের কথায় তাঁর সংসদীয় ক্ষেত্রকে শিরোনাম করতে চেয়েছেন বলে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পাল্টা লেখেন, “কারও রাজত্বকে শীর্ষ স্থানে দেখানোর প্রচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। পুলিশের এই আচরণে আমি অত্যন্ত বিস্মিত। কার্যত পুরস্কারের নামে এখানে বিষয়কে ছোট করা হয়েছে। এর যাথার্থ নামকরণ করা উচিত ছিল বিরোধিতা দমনের জন্য সেরা জেলা ডায়মন্ড হারবার। অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ, ভোট লুট এবং সেরা বেআইনি কার্যকলাপের জেলা হল এই অভিষেকের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার।”

    পুলিশ প্রশাসন প্রত্যেক বছর ঘোষণা করে থাকে

    রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে প্রত্যেক বছর এই ধরনের একটি ঘোষণা করা হয়ে থাকে। ২০২২ সালের জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডায়মন্ড হারবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, এই জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কম। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিক থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত।

    বিজেপির অবশ্য দাবি, কার্যত ভাইপোকে মডেল করতে পুলিশ এই কাজ করেছে। গত বিধানসভা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাধারণ মানুষের জনজীবন সবথেকে বেশি বিপন্ন হয়েছে এই জেলায়। বোমা বিস্ফোরণ, গোষ্ঠী সংঘর্ষ, হত্যা, ধর্ষণ এবং অনুপ্রবেশের সমস্যা সব থেকে বেশি এই জেলায় হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আগেও বারবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই নিয়ে সরব হয়েছেন। তাই লোকসভার ভোটের আগে পুলিশকে ব্যবহার করে ভাইপো নিজের ছবিটা বদলাতে চাইছেন। ঠিক এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ডায়মন্ড হারবারে গর্ভবতী মহিলাদেরও ছাড়েনি তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    South 24 Parganas: ডায়মন্ড হারবারে গর্ভবতী মহিলাদেরও ছাড়েনি তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আজ শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার থানার দক্ষিণ কুলেশ্বরে আহত বিজেপি কর্মীদের সাথে দেখা করতে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অপরদিকে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করার ডাক দিয়েছেন। আবার মঙ্গলা হাটে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বিজেপি দাবি করেছে, তৃণমূলের অন্তর্ঘাত। আর ঠিক এর পরেই হাটের পরিস্থিতি মুখ্যমন্ত্রী পরিদর্শন করে সিআইডি তদন্তের অনুমতি দিলেন। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা।

    আক্রান্ত কর্মীদের পাশে শুভেন্দু (South 24 Parganas)

    রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত। বোমাবাজি, ঘরবাড়ি, সম্পত্তি লুট, মহিলাদের উপর অত্যাচার, বোমা-বন্দুক-পিস্তলের হুমকিতে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে  সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। ভোট পরবর্তী হিংসায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ তিনি দলীয় কর্মীদের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। পুলিশের সামনে মারধর থেকে শুরু করে ভোট পরবর্তী বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে মিথ্যা মামলা দেওয়া, বাড়ি ভাঙচুর করা, মারধর করার মতো একাধিক বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কর্মীদেরকে অভয় দিয়ে বলেন, আগামী দিনে কোনও হেনস্থার শিকার হতে হবে না, দল সম সময় কর্মীদের পাশে রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু তৃণমূল যুবনেতার নাম করে সাংবাদিকদের সামনে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এই যুব তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে আগামী দিনে কোর্টে যাব।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    এই এলাকার (South 24 Parganas) মানুষ অত্যন্ত সহজ সরল। শুধু বিজেপি করার জন্যই তৃণমূলের হার্মাদরা এলাকায় অত্যাচার করেছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে বিজেপির কর্মীদের মারধর করা হয়। বাড়ির মহিলাদের উপর চলছে অত্যাচার। এসসি মহিলাদের কাপড় ধরে টানাটানি করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। গণতন্ত্র নেই, কিমের রাজ্যের থেকেও খুব খারাপ অবস্থা এখানে। এলাকার মানুষ বাঁচতে চায়। শান্তিতে জীবন জীবিকা নিয়ে বসবাস করতে চায়। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয় না। শুভেন্দু আরও বলেন, ভাইপো নিজে এই এলাকাকে নোংরা করেছেন। আজ, যাঁরা কলকাতায় বসে ডিমভাতের উৎসব করছেন, তাঁরা এই এলাকার গণতন্ত্রকে হরণ করেছেন। স্থানীয় এক বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী গর্ভবতী, তাঁকেও পর্যন্ত অত্যাচারের শিকার হতে হয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে। তিনি আরও বলেন, এই বাংলাকে বাঁচাতে গেলে আমাদের একসঙ্গে লড়াই করতে হবে তৃণমূলের বিরুদ্ধ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বর্ষার মরশুমে প্রথম ডায়মন্ড হারবারের মৎস্যজীবীদের জালে উঠল টন টন ইলিশ

    South 24 Parganas: বর্ষার মরশুমে প্রথম ডায়মন্ড হারবারের মৎস্যজীবীদের জালে উঠল টন টন ইলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গেছে। বর্ষার এই মরশুমে প্রথম ডায়মন্ড হারবারের (South 24 Parganas) মৎস্যজীবীদের জালে উঠল টন টন ইলিশ। ইলিশ মাছ ধরা পড়ায় মুখে চওড়া হাসি মৎস্যজীবী থেকে আড়ৎদারদের।

    কেমন ধরা পড়ল ইলিশ (South 24 Parganas)?

    গত দুদিনে ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) নগেন্দ্র বাজারে প্রায় ৮০ টন ইলিশ ঢুকেছে বলে জানা যায়। মৎস্যজীবীরা জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এই প্রথম বড় সাইজের ইলিশ মাছ ধরা পড়ল মৎস্যজীবীদের জালে। দুমাস গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর, গত এক মাস ধরে মৎস্যজীবীরা সমুদ্রে পাড়ি দিলেও সেভাবে জালে ইলিশের দেখা মেলেনি। ফলে লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছিল মৎস্যজীবীদের। মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে যাওয়ার খরচ তোলা নিয়ে খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন এই এলাকার মৎসজীবীরা। তার প্রভাব আড়ৎদারদের মধ্যেও পড়েছিল। এবার জালে ইলিশ পড়ায় অনেকটাই আশার আলো দেখছেন মৎসজীবীরা।

    মৎসজীবীদের বক্তব্য

    এক ট্রলারের মালিক বিপ্লব দাস বলেন, নামখানা, ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) মিলে প্রায় পাঁচ হাজার টনের কাছাকাছি ইলিশ এসেছে। প্রথমে কম ধরা পড়লেও এখন অনেকটাই বৃদ্ধি হয়েছে। এক একটা ট্রলারে প্রায় ১৬ থকে ১৮ জন মানুষ মাছ ধরতে যান। ট্রলার পিছু প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা খরচ হয়। এবারে ট্রলার পিছু দেড় থেকে দুই টনের কাছাকাছি ইলিশ ধরা পড়েছে বলে জানান তিনি। এখন সারা শ্রাবণ মাস জুড়েই ইলিশের মরশুম চলবে। এই বছরে আমরা খুব আশাবাদী বলে জানিয়েছেন বিপ্লব দাস।

    ইলিশের দাম কেমন হবে?

    তবে জালে ইলিশ ধরা পড়লেও বর্তমানে দাম খুব একটা যে কমবে না, তাও জানান আড়ৎদারেরা। ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) নগেন্দ্র বাজারে ইলিশের পাইকারি দর চলছে কেজি প্রতি ৭০০ টাকা, যা সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাহিরে। তবে আড়ৎদারেরা জানান, এভাবে যদি ইলিশ জালে ধরা পড়ে তাহলে ইলিশের দাম কমতে পারে বলে আশা করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: অভিষেকের ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ, ভোটকর্মীদের আটকে দেদার ‘ছাপ্পা’ তৃণমূলের!

    Panchayat Elections 2023: অভিষেকের ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ, ভোটকর্মীদের আটকে দেদার ‘ছাপ্পা’ তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শনিবার রাজ্যে এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023)। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। আর তখন থেকেই, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়ে গিয়েছে বেপরোয়া রাজনৈতিক হিংসা। একদিকে যেমন ঝরছে রক্ত, তেমন অন্যদিকে, শাসকদলের বেলাগাম ভোট-সন্ত্রাস ও লুটের ছবি উঠে আসছে। যেমনটা হয়েছে ডায়মন্ড হারবার থেকে। 

    অভিষেকের কেন্দ্রে সন্ত্রাসের অভিযোগ

    রাজ্য রাজনীতিতে ডায়মন্ড হারবার গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে ডায়মন্ড হারাবারে সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছিল বিরোধীরা। এবার সেই ছবি সামনে আসায় ফের বিরোধীদের দাবি জোরালো হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) শাসক দলের বিরুদ্ধে দেদার ছাপ্পার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। অভিযোগ, ভোটকর্মীদের আটকে রেখে ও ভয় দেখিয়ে ছাপ্পা মারার খবর পাওয়া গেছে। ভোটকর্মীদের মারধরও করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: কোচবিহারে পুড়ল ব্যালট, লুট উত্তর দিনাজপুরে! শাসক-সন্ত্রাস নিয়ে সরব সুকান্ত

    ঠিক কী বলছেন স্থানীয়রা?

    স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোট দিতে এসে তাঁরা দেখেন, তাদের ভোট পড়ে গিয়েছে। রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা মারার অভিযোগ উঠেছে। সেখানেও ইতি উতি ব্যালট পেপার পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে বেলাগাম ছাপ্পা মেরে ব্যালট বাক্স ভরিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। সকালে ভোটকেন্দ্রে এসে ব্যালট বাক্স খুলে সব ব্যালট ফেলে দেয় উত্তেজিত জনতা।

    ভাইরাল হয়েছে একাধিক ভিডিও 

    এই মর্মে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যদিও সেই ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘তৃণমূলের ছেলেরা রাতেই ছাপ্পা মেরেছে। সরকারি কর্মী, অফিসার ও পুলিশকে মারধর করা হয়েছে। আমরা সকালে এসে সেই ব্যালট বক্স (Panchayat Election 2023) বাইরে ফেলে দিয়েছি।’’ এক পুলিশকর্মীকে কাতরভাবে বলতে শোনা যায়, ‘‘রাতে এখানে অনেক লোকজন ঢুকে পড়েছিল। বোমা-বন্দুক দেখিয়ে আমাদের খুন করার হুমকি দেওয়া হয়। আমাদের মারধর করা হয়। আমরা কোনও প্রতিরোধ করতেই পারিনি। প্রাণের ভয় রয়েছে।’’

    ভাইরাল হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে করে জ্বলছে ব্যালট পেপার। রাতে ছাপ্পা মারার অভিযোগে সেই ব্যালট পেপারগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিরোধীরা। সেখানে অনেকগুলির ব্যালটে তৃণমূলের প্রতীকের উপর ভোটের ছাপ দেখা গিয়েছে। এই ভিডিয়ো সামনে আসার পর থেকেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ‘হাতেখড়ি’ হয়েছিল আলিপুরদুয়ারে, আজ ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক অভিষেকের!

    Abhishek Banerjee: ‘হাতেখড়ি’ হয়েছিল আলিপুরদুয়ারে, আজ ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক অভিষেকের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি, আলিপুরদুয়ারে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে হওয়া প্রশাসনিক বৈঠকের মঞ্চে ক্ষণিকের জন্য দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে আজ প্রশাসনিক বৈঠক করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ এবং প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। তাঁর এই বৈঠক নিয়ে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। বিরোধীদের কথায়, সরকারের অলিখিত দ্বিতীয় ব্যক্তিকে সবার সামনে আনতে শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    কী লক্ষ্যে বৈঠক

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক। তাই নাগরিক পরিষেবা এবং উন্নয়নমূলক কাজকর্ম নিয়ে এই বৈঠক করতে চান তিনি। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে মানুষজন সব সামাজিক প্রকল্প পেয়েছেন কিনা এবং তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে কোনও কাজ বাকি আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতেই এই বৈঠক। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত ৭টি বিধানসভার বিধায়ক, জেলা পরিষদের সকল সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির সকল সদস্য, পুরসভা এলাকার কাউন্সিলররা, দলীয় পদাধিকারী এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা। বৈঠকটি হবে বজবজ–২ ব্লকে।

    আরও পড়ুুন: বীরভূমে ফের বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’! অস্বস্তি এড়াতে পাশ কাটিয়ে গেলেন বিধায়ক

    আলিপুরদুয়ারের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে মঞ্চে উঠেছিলেন ‘সাংসদ’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সরকারি কর্মসূচিতে আমন্ত্রিতদের নমস্কার জানিয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মঞ্চ থেকে নেমে গিয়েছিলেন তিনি। সেটা ছিল ‘হাতেখড়ি’ পর্ব। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আবার কেউ বলছেন, সরকারের অলিখিত দ্বিতীয় ব্যক্তিকে সবার সামনে আনতে শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সময় থাকতে থাকতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়কে নিজের জায়গা ছাড়তে চলেছেন বলেও কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন। বিজেপির নেতারা বলছেন, বিজেপির ভয়েই তা করছেন। অন্যদিকে বামেরা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী তো কাউকেই বিশ্বাস করেন না, সেই কারণেই উত্তরাধিকার বেছে নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share