Tag: digital connectivity

digital connectivity

  • PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর পার্শ্ব বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা ডিসানায়াকার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় (AI Summit)। এই সময় দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রেসিডেন্ট দিসানায়কের দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন।

    ভারত-শ্রীলঙ্কা পার্শ্ব বৈঠক (PM Modi)

    সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া অগ্রগতিও দুই নেতা পর্যালোচনা করেন, যার মধ্যে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির শ্রীলঙ্কা সফর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁরা ভৌত, ডিজিটাল এবং জ্বালানি সংযোগ বাড়াতে যৌথভাবে কাজ দ্রুততর করার বিষয়ে অভিন্ন সংকল্পের ওপর জোর দেন। উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা স্বীকার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময়ও করেন। সাইক্লোন ‘দিতওয়া’র পর ভারতের দ্রুত ও নিঃশর্ত সাহায্যের জন্য প্রেসিডেন্ট দিসানায়ক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রথম প্রতিক্রিয়াকারী দেশ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সাগর বন্ধু’র অধীনে জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করে। ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাহায্য প্যাকেজের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রকল্পে যে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে, তাও উল্লেখ করেন দুই নেতা রাষ্ট্রনেতা (PM Modi)।

    সভ্যতাগত বন্ধন

    শ্রীলঙ্কায় পবিত্র দেবনিমোরি ধাতুর সফল প্রদর্শনীকে স্বাগত জানিয়ে দুই নেতা বলেন, “দুই দেশের সভ্যতাগত বন্ধন ভারত-শ্রীলঙ্কা অংশীদারিত্বকে অনন্য শক্তি দেয়।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ডিসানায়াকা শ্রীলঙ্কার মজবুত উন্নয়নের প্রয়োজন মেটাতে এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা জোরদার করতে যৌথভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।

    ভারত-মরিশাস বৈঠক

    এদিনই পার্শ্ব বৈঠকে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীন চন্দ্র রামগুলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের দ্বিতীয় ভারত সফর। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁদের সাম্প্রতিক টেলিফোনালাপের পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই নেতা ‘এনহ্যান্সড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’র অধীনে অগ্রগতির পর্যালোচনা করেন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল সহযোগিতা-সহ বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করেন। উদীয়মান প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব স্বীকার করে তাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনভিত্তিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

    মরিশাসের উন্নয়নে অগ্রাধিকার

    দুই রাষ্ট্রনেতাই মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে সমর্থন করে ভারতের প্রদত্ত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন, মরিশাস ভারতের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি আদর্শ উদাহরণ, যা পারস্পরিক আস্থা ও অগ্রগতির যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)। দুই প্রধানমন্ত্রী ভারতের ‘ভিশন মহাসাগর’ এবং ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অধীনে ভারত–মরিশাস অংশীদারিত্বের স্থায়ী গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা জোর দেন যে এই অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং গ্লোবাল সাউথের অভিন্ন অগ্রাধিকারের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে (AI Summit)। নেতারা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি জোরদারে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়েও একমত হন (PM Modi)।

     

  • Google: ‘বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠবে নয়া আন্তর্জাতিক আন্ডার-সি কেবল গেটওয়ে’, ঘোষণা সুন্দর পিচাইয়ের

    Google: ‘বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠবে নয়া আন্তর্জাতিক আন্ডার-সি কেবল গেটওয়ে’, ঘোষণা সুন্দর পিচাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমেরিকা-ইন্ডিয়া কানেক্ট” উদ্যোগ ঘোষণা করল গুগল। এটি একটি বৃহৎ পরিকাঠামো প্রকল্প, যার লক্ষ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ডিজিটাল ও এআই (AI) সংযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো। নয়াদিল্লিতে চলমান ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এ এই ঘোষণা করা হয়।

    সুন্দর পিচাইয়ের বক্তব্য (Google)

    গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “এর লক্ষ্য হল এআইয়ের প্রাপ্যতা বাড়ানো এবং ডিজিটাল বিভাজন যাতে এআই বিভাজনে পরিণত না হয় তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “আজ আমরা ইন্ডিয়া-আমেরিকা কানেক্ট উদ্যোগ ঘোষণা করছি, যা ভারত ও আমেরিকার মধ্যে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের একাধিক জায়গার সঙ্গে এআই সংযোগ বাড়াতে নয়া আন্ডার-সি (সমুদ্রতল) কেবল রুট স্থাপন করবে।” এই প্রকল্পটি ভারতে এআই পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য গুগলের পাঁচ বছর মেয়াদি ১৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের বৃহত্তর বিনিয়োগ পরিকল্পনার অংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল ভারতের পূর্ব উপকূলে বিশাখাপত্তনমে একটি নতুন আন্তর্জাতিক আন্ডারসি গেটওয়ে স্থাপন। মুম্বই ও চেন্নাইয়ের মধ্যে থাকা কেবল ল্যান্ডিং পয়েন্টগুলির পাশাপাশি এই নতুন সংযোজন বৈচিত্র্য ও স্থিতিস্থাপকতা বাড়াবে।

    সমুদ্রতলে নয়া ৩ কেবল বসানোর পরিকল্পনা

    গুগল তিনটি নতুন আন্ডার-সি কেবল বসানোর পরিকল্পনাও করেছে, যা ভারতকে সরাসরি সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যুক্ত করবে। ভারতের পূর্ব উপকূলে বিশাখাপত্তনম থেকে চেন্নাই হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে একটি সরাসরি ফাইবার-অপটিক সংযোগ গড়ে তোলা হবে। আর একটি সরাসরি রুট বিশাখাপত্তনমকে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যুক্ত করবে, যা সাবমেরিন কেবল ব্যবস্থার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে। এসব বিনিয়োগের ফলে ভাইজাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আন্ডার-সি কেবল গেটওয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

    কৌশলগত ফাইবার-অপটিক রুট

    নেটওয়ার্কের সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারত ও দক্ষিণ গোলার্ধের বিভিন্ন গন্তব্যে চারটি কৌশলগত ফাইবার-অপটিক রুট গড়ে তোলা হবে। এগুলি গুগলের বৈশ্বিক আন্ডারসি কেবল ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত হবে—যার মধ্যে রয়েছে ইকিউয়ানো, নুভেম, বসান, টাবুয়া, তালয়ালিঙ্ক, অনোমোয়ানা, ব্লু, রামন এবং সল।  এসব সংযোগ একাধিক বিকল্প ও উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন পথ তৈরি করবে, যেমন আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে আফ্রিকা ঘুরে ভাইজাগে সংযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল থেকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর ও অস্ট্রেলিয়া হয়ে ভাইজাগে সংযোগ, এবং মুম্বই থেকে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় সহায়ক লিঙ্ক।

    উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র), এশিয়া (ভারত ও সিঙ্গাপুর), আফ্রিকা (দক্ষিণ আফ্রিকা) এবং অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া—এই চার মহাদেশকে যুক্ত করে আমেরিকা-ইন্ডিয়া কানেক্ট ঐতিহাসিক সামুদ্রিক বাণিজ্যপথগুলিকে আধুনিক শক্তিশালী ডিজিটাল রুটে রূপান্তর করতে চায়। উন্নত পরিকাঠামো ভারতের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী এবং স্থিতিশীল ইন্টারনেট পরিষেবা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে এটি দেশে ব্যাপক এআই গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করবে এবং দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, আমেরিকা-ইন্ডিয়া কানেক্ট প্রকল্প আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এআইয়ের প্রবেশাধিকারও বাড়াবে।

     

  • AADHAAR: “ভারতের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির প্রধান কারণ আধার”, বললেন ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট  

    AADHAAR: “ভারতের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির প্রধান কারণ আধার”, বললেন ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আধারের (AADHAAR) জয়গান গাইলেন ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট। তাঁর মতে, ভারত যে দ্রুত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠছে, তার প্রধান কারণ হল ডিজিটাল আইডি বা আধার কার্ড। এই আধার কার্ড প্রায় ১.৪ বিলিয়ন মানুষকে ইস্যু করা হয়েছে। 

    মোদি সরকারের কৃতিত্ব

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। সেই সময় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত ছিল দশম স্থানে। সম্প্রতি এই তালিকার পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করেছিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে সরিয়ে পঞ্চম স্থান দখল করেছে ভারত। ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে’র প্রেসিডেন্ট বোর্জে ব্রেন্ডে জানান, তিনি যখন ‘দ্য ভয়েস অফ দ্য গ্লোবাল সাউথের’ প্যানেলে, তখন সেখানে তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি অসমের এক ঠাকুমাকে দেখেছেন, যিনি তাঁর সেলফোন থেকে নাতি-নাতনিকে টাকা পাঠাচ্ছেন। বর্জ ব্রেন্ডে বলেন, “যদি ভারতের ১.৪ বিলিয়ন মানুষ ডিজিটালি যুক্ত হন, আর বিশ্বের ৭ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে যদি ৪ বিলিয়নই যদি ডিজিটালি যুক্ত না হন, তাহলে কী হবে? আপনাদের একটা বিরাট বড় সুযোগ আছে। এটি (আধার) অর্থনৈতিক উন্নতির একটি মানদণ্ড। দারিদ্র দূরীকরণের একটি ধাপও।” 

    আধারের লাভ

    একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে প্যানেলে থাকা আরও অনেকের মুখেও। তাঁরাও বলেন, “আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ (AADHAAR) একটি মাইক্রো এবং ম্যাক্রো বিষয়। আপনি যদি আর্থিক অন্তভুক্তিকরণে যুক্ত না হন, যাঁরা এর বাইরে রয়েছেন, যাঁদের অর্থনৈতিক লেনদেনের টুলগুলি সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই, তাহলে সেটি মারাত্মক বিষয়। দারিদ্রও একটি মারাত্মক বিষয়। আধার প্রোগ্রামের সাহায্যে ভারত যা করছে, তা হল তারা লোকজনকে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত করছে।” তাঁরা এও জানান, এই মুহূর্তে আপনাদের (ভারতের) কাছে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। মানুষ ফর্মাল অর্থনীতির অংশীদার হচ্ছে। এর মধ্যে আমরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি। আমরা সেগুলির দ্রুত শ্রীবৃদ্ধি করতে পারি। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে কর্মসংস্থান হবে। সেই কারণেই ভারত দ্রুততমগামী উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ। কারণ এ দেশের আধার (AADHAAR) অর্থনীতি এখন প্রতিদান দিচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: “‘লাল ডায়েরি’ ইস্যুতে ইস্তফা দেওয়া উচিত”, রাজস্থানে গেহলটকে নিশানা শাহের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share