Tag: Dilip Ghosh

Dilip Ghosh

  • PM Modi Brigade Rally: ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা মোদির! কলকাতা ডকেও সংস্কার, রেল-হাইওয়ে উন্নয়নে জোর

    PM Modi Brigade Rally: ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা মোদির! কলকাতা ডকেও সংস্কার, রেল-হাইওয়ে উন্নয়নে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার মানুষের জন্য উন্নয়নের ডালি নিয়ে কলকাতায় হাজির হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। শনিবার ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে প্রায় ১৮,৮৬০ কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের (West Bengal Projects) উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, ভারতীয় রেলকে আধুনিক করার যে কর্মযজ্ঞ দেশজুড়ে চলছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গ যেন কোনওভাবেই পিছিয়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করাই কেন্দ্রের লক্ষ্য।

    রেল যোগাযোগে বিপুল বিনিয়োগ

    দেশের রেলব্যবস্থাকে আধুনিক করার লক্ষ্যে কাজ করছে কেন্দ্র সরকার এবং সেই উন্নয়নের ধারায় পশ্চিমবঙ্গও যাতে পিছিয়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এদিন ব্রিগেডের প্রশাসনিক মঞ্চ থেকে রাজ্যের একাধিক পুনর্নির্মিত রেলস্টেশনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। রেল যোগাযোগে গতি আনতে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে বাংলার ৬টি স্টেশন— আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বরাভূম, সিউড়ি এবং কামাখ্যাগুড়ির আধুনিকীকরণের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Brigade Rally)। পাশাপাশি চালু হলো পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল এক্সপ্রেস।

    সড়ক যোগে সাড়া

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ৪২০ কিলোমিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের বেশ কয়েকটি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যার সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ১৬,৯৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পানাগড়-পালসিট (৬৮ কিমি) এবং বারওয়া আড্ডা-পানাগড় (১১৫ কিমি) পর্যন্ত ৬ লেনের রাস্তা। এ ছাড়াও ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ভেদিয়াতে ৪ লেনের আরওবি এবং ইছামতী নদীর ওপর স্বরূপনগর ব্রিজেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

    বন্দর ও জলপথের উন্নয়ন

    সড়ক এবং রেল যোগাযোগ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, জলপথের সংস্কারও ততটাই প্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সে এ জন্য সংস্কার হচ্ছে। কলকাতা ডকেও সংস্কার হচ্ছে। এর ফলে পূর্ব ভারতের ‘লজিস্টিক সিস্টেম’ আরও উন্নতি হবে। কেবল সড়ক বা রেল নয়, জলপথ পরিবহণেও বিশেষ জোর দিয়েছেন মোদি। হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সের ৫ নম্বর বার্থের সংস্কার এবং ২ নম্বর বার্থের যান্ত্রিকীকরণের কাজ শুরু হলো, যা পরিবেশ-বান্ধব পণ্য পরিবহণে সহায়ক হবে। পাশাপাশি খিদিরপুর ডক সংস্কার প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন তিনি। এ ছাড়াও কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর ওপর নতুন ব্রিজ এবং হাওড়া ব্রিজের তট সুরক্ষার মতো প্রকল্পের শিলান্যাস এদিন সম্পন্ন হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল

    এদিন দুপুরে রেসকোর্সের হেলিপ্যাড থেকে সড়কপথে ব্রিগেডে (Brigade) পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর হাতে গৌর-নিতাইয়ের মূর্তি তুলে দেন। সরকারি অনুষ্ঠান শেষে মোদি একই মাঠের পৃথক রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন।

  • Modi Brigade Rally: “ইট ছুড়ে আটকে রাখা যাবে না”, ব্রিগেড থেকে তৃণমূলকে নিশানা শমীকের

    Modi Brigade Rally: “ইট ছুড়ে আটকে রাখা যাবে না”, ব্রিগেড থেকে তৃণমূলকে নিশানা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বহুত্ববাদের মাটি। এই মাটিকে কখনও বিভেদের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। ব্রিগেডের দিন (Modi Brigade Rally) স্পষ্ট ভাষায় একথা জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভাকে ঘিরে শিয়ালদা স্টেশন চত্বরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ের মধ্যেই অন্য মেজাজে দেখা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে। স্টেশনের বাইরে কর্মী-সমর্থকদের জন্য তৈরি করা অস্থায়ী ক্যাম্পে দূরদূরান্ত থেকে আসা কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানেই নিজে হাতে কর্মী-সমর্থকদের খাবার পরিবেশন করতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে ব্রিগেডের মঞ্চে শমীক বলেন, ‘‘আমাদের একটাই লক্ষ্য: ২০২৬ সালের নির্বাচন, তৃণমূলের বিসর্জন। এটা কোনও ধর্মশালা নয়। এদেশের মানুষকেই আমরা এদেশে রাখব, ভোটার তালিকায় রাখব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজ্যে বিজেপি আসছে। এটা কালের দেওয়াল লিখন। একে কেউ বদলাতে পারবে না।’’ রাষ্ট্রপতিকে অপমান নিয়েও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন তিনি।

    খাওয়া দাওয়া সেরে ব্রিগেড যাবেন কর্মীরা

    শিয়ালদা স্টেশনের বাইরে বিজেপির তরফে যে ক্যাম্প করা হয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দূর জেলা থেকে আসা অনেকেই দীর্ঘ সফর শেষে ওই ক্যাম্পে বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং জলখাবার বা খাবার সেরে ব্রিগেডমুখী হচ্ছেন। সেই ক্যাম্পেই এদিন কর্মীদের মাঝে নেমে পড়েন শমীক ভট্টাচার্য। মোট ১ লক্ষ লোকের রান্না করা হয়েছে। মেনুতে রয়েছে ভাত, সবজি, ডাল। যাঁরা এখানে আসবেন, তাঁদের থাকার জন্যও ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাওয়া দাওয়া সেরে ব্রিগেড যাবেন কর্মীরা। ফেরার পথে এখানে খাওয়া দাওয়া সেরে তারপর ট্রেনে উঠবে। খাবার পরিবেশন প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। ছোটবেলা থেকেই জনসংঘ এবং বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানুষকে খাবার পরিবেশন করার অভ্যাস রয়েছে তাঁর। যাঁদের এদিন খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তাঁদের অনেকের বাড়িতেই তিনি দিনের পর দিন খেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, এটা তাঁর কর্তব্য।

    আমাদের আটকানো যায়নি

    বিজেপির আদর্শের কথা উল্লেখ করে এদিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর আদর্শেই দল এগিয়ে চলছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দেশভাগের পর শিয়ালদা স্টেশনে উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেই ঐতিহ্য থেকেই বিজেপি বাংলার মানুষের পাশে থাকার দাবি করে বলে জানান তিনি। এদিন রাজনৈতিক আক্রমণও শানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, “খুন করে আমাদের আটকানো যায়নি, ইট ছুড়ে আমাদের আটকে রাখা যাবে না।” পাশাপাশি তিনি বলেন, ৮০-র দশকেও ব্রিগেডে সভা করার চেষ্টা করেছিল বিজেপি, কিন্তু তখন সেই সভা ভরানো সম্ভব হয়নি। তবে এবার বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে বিজেপি নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে পারবে বলেও দাবি করেন তিনি। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আসন্ন নির্বাচন মূলত মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের লড়াই হয়ে উঠেছে। তাঁর মতে, রাজ্যের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত এবং সেই বার্তাই ব্রিগেডের সভা থেকে স্পষ্ট হবে।

     

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডমুখী বাস লক্ষ্য করে হামলা, ভাঙচুর, আক্রান্ত বিজেপির একাধিক কর্মী-সমর্থক

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডমুখী বাস লক্ষ্য করে হামলা, ভাঙচুর, আক্রান্ত বিজেপির একাধিক কর্মী-সমর্থক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেডে সভার (PM Modi Brigade Rally) আগে বেলদায় বিজেপি সমর্থকদের বাসে হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। শনিবার কলকাতায় ব্রিগেডে মেগাসভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi)। তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election 2026) লক্ষ্য করে প্রধানমন্ত্রী কী বার্তা দেবেন, সেই নিয়ে কৌতূহল রয়েছে। কিন্তু ব্রিগেড আসার পথেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হচ্ছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। অভিযোগ, তাঁদের বাস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, মারধর করা হয়েছে চালককেও। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে, বলে অভিযোগ বিজেপির।

    বেলদায় বাসে ভাঙচুর

    ভোর ৫.৩০ মিনিট নাগাদ আহার মুণ্ডা এলাকার দিকে যাচ্ছিল বাসটি। বেশ কিছু দুষ্কৃতী বাসটিকে আটকায় এবং চালককে জিজ্ঞাসা করে বাসটি কোথায় যাচ্ছে। তখন তিনি জানান, ব্রিগেডের সভায় যাওয়ার জন্য তাঁরা বাসটিকে নিয়ে এসেছেন। তখনই বাসটিকে অতর্কিতে ঘিরে ধরে বাইক-বাহিনী। চারদিকে এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করে ভাঙচুর চালানো হয়। সেই সময় চালক ও খালাসির হাতে লেগেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। ভাঙচুর চালিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, যেহেতু ব্রিগেডে সভা রয়েছে, সেই কারণেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাসটিতে হামলা চালিয়েছে।

    বাস থেকে খুলে নেওয়া হল দলীয় পতাকা

    অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশওয়াড়ি থেকে ব্রিগেডের দিকে আসা বাসেও আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, হামলা চালানোর পাশাপাশি চালককে বাস থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়েছে। এমনকি দলীয় পতাকাও খুলে ফেলতে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সমর্থকদের কয়েকজন চোট পেয়েছেন এই ঘটনায়। অভিযোগের তীর শাসক দল তৃণমূলের দিকেই। আজ, শনিবার, শহরে কার্যত বিজেপির মহাযজ্ঞ। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করবেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi Rally At Brigade)। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে এটাই বিজেপির শেষ সভা হতে চলেছে। তাই প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখছে না বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। এদিকে, মোদির সফরের আগের দিন অর্থাৎ শুক্রবার কলকাতার নানা প্রান্তে দেখা গেল ‘গো ব্যাক মোদি’ লেখা হোর্ডিং। শহরের অন্যতম ব্যস্ত উড়ালপুল মা ফ্লাইওভার-সহ আশপাশের এলাকায় টাঙানো এই পোস্টার দ্রুতই পথচলতি মানুষ এবং যাত্রীদের নজর কেড়ে নেয়। শহরের একাধিক জায়গায় টাঙানো ওই হোর্ডিংয়ে ‘বয়কট বিজেপি’ স্লোগানও চোখে পড়েছে। তবে কে বা কারা এই হোর্ডিং লাগিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির নাম সেখানে উল্লেখ নেই। ফলে বিষয়টি ঘিরে চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে।

  • PM Modi Brigade Rally: ১৮,৮৬০ কোটি টাকার একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস! পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি

    PM Modi Brigade Rally: ১৮,৮৬০ কোটি টাকার একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস! পাঁচ বছর পর ব্রিগেডে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ বছর পর ফের ব্রিগেডে সভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi Brigade 2026)। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম কলকাতার ঐতিহাসিক ময়দানে ভাষণ দিতে চলেছেন তিনি। শনিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে অসম থেকে সরাসরি কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন সাজসাজ রব গেরুয়া শিবিরে। শেষ পর্বের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। এবারে ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী ১৮,৮৬০ কোটি টাকার একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন। প্রশাসনিক কর্মসূচির পর তিনি দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক বার্তা দেবেন।

    বাঙালি অস্মিতায় জোর

    আজকের সমাবেশে বাঙালি অস্মিতায় জোর দিয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চ (PM Modi Brigade Rally) সেজে উঠছে দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের আদলে। ৮০ ফুট চওড়া মূল মঞ্চে থাকছে দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের ছবি। বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চ দক্ষিণেশ্বরের থিম হওয়ায় এ নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও চলছে জোরকদমে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের ‘বহিরাগত’ তকমার পাল্টা জবাব দিতেই ব্রিগেডের মঞ্চে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ‘বাঙালিয়ানা’কে। মঞ্চের পটভূমিতে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের প্রতিকৃতি থেকে শুরু করে বিষ্ণুপুরের টেরাকোটা শিল্প, দার্জিলিঙের চাবাগান, পটের কাজ, এবং বাউল-কীর্তনের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, বাঙালি সংস্কৃতির মিশেল মুগ্ধ করবে বাংলার মা-মাটি-মানুষকে।

    উন্নয়ন ও রাজনীতির যুগলবন্দি

    শুধু রাজনৈতিক জনসভা অবশ্য নয়, এ রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর শেষ ছ’টি কর্মসূচির মতো এটির ক্ষেত্রেও প্রথমে প্রশাসনিক সভা, তার পরে জনসভা হবে। প্রশাসনিক সভাস্থল থাকছে মূল সভামঞ্চের একটু পিছন দিকে মাঠের এক পাশ ঘেঁষে। তার দায়িত্বে বিভিন্ন সরকারি বিভাগ, যে সব বিভাগের নানা প্রকল্পের শিলান্যাস বা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী শনিবার ব্রিগেডে দাঁড়িয়েই করবেন। এবারের ব্রিগেড সমাবেশ কেবল রাজনৈতিক ভাষণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। একই রাজনৈতিক মহলের নজর এখন দুটি বিষয়ের ওপর— প্রথমত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) সরকারকে প্রধানমন্ত্রী কোন পথে আক্রমণ শানান এবং দ্বিতীয়ত, অমিত শাহর দেওয়া প্রতিশ্রুতির পর প্রধানমন্ত্রী নিজে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন কোনও বড় ঘোষণা করেন কি না।

    সংঘাত ও রাজনৈতিক তর্জা

    প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলায় জেলায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থেকে ব্রিগেডমুখী বাসে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বাসের কাচ ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি বিজেপি কর্মীদের। এদিকে কলকাতা জুড়ে তৃণমূলের ‘বয়কট বিজেপি’ পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তৃণমূল আসলে ভয় পেয়েছে। এই পোস্টারই ওদের আতঙ্কের প্রমাণ।” যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ১৪ মার্চ দিনটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৭ সালে জমি আন্দোলনের ভূমি নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলিতে এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছিলেন। সেই স্মৃতিবিজড়িত দিনেই প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রিগেড সভা বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন কোনো মোড় ঘোরায় কি না, সেটাই এখন দেখার।

    বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনসমাগম

    মোদীর সভার জন্য শনিবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জনসমাগম হবে ব্রিগেডে। কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসবে মিছিল। বিজেপি সূত্রে খবর, হাওড়া, শিয়ালদার মতো স্টেশনগুলি থেকে মিছিল হওয়ার কথা। এ ছাড়াও, শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্রিগেডমুখী মিছিলের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই সব মিছিল, জমায়েতের কারণে নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না-হয়, সে দিকে কড়া নজর থাকবে পুলিশের। বিভিন্ন এলাকায় কমবেশি ৫০টি পিকেট থাকবে। চেকিং হবে বিভিন্ন জায়গায়। পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা থাকবে মঞ্চ এবং সংলগ্ন এলাকায়।

    বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    শনিবার অসম থেকে মোদির বিমান নামবে কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে চেপে তিনি আসবেন রেসকোর্সের মাঠে। সেখান থেকে গাড়ি করে তিনি পৌঁছোবেন সোজা ব্রিগেডের সভাস্থলে। ফলে ওই এলাকায় উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে ফেলার পরিকল্পনা করেছে কলকাতা পুলিশ। সূত্রের খবর, শনিবার মোদির সফরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে কলকাতা পুলিশের তিন হাজার বাহিনী। পুরো এলাকা কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে বলে খবর কলকাতা পুলিশ সূত্রে। জানা গিয়েছে, এই প্রতিটি সেক্টর বা ভাগের দায়িত্বে থাকবেন এক জন করে ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) পদমর্যাদার আধিকারিক। আবার এমন চার-পাঁচটা সেক্টর মিলিয়ে একটি জোনের দায়িত্বে থাকবেন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক।

    শহরের রাস্তায় নিয়ন্ত্রিত যান-চলাচল

    শনিবার ভোটমুখী বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই কলকাতার বেশ কিছু রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে কলকাতা পুলিশ। সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে আজ রাস্তায় থাকলে, কোন কোন রোড এড়িয়ে চলতে হবে, বুঝে নিন। ভোর ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কলকাতা কলকাতা পুলিশ এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাক বা লরি, গাড়ি চলাচল করতে পারবে না। তবে ছাড় রয়েছে এলপিজি সিলিন্ডার, সিএনজি, পেট্রোলিয়াম, তেল/লুব্রিকেন্ট, অক্সিজেন, শাকসবজি, ওষুধ, ফলমূল, মাছ এবং দুধের গাড়ির ক্ষেত্রে। শনিবার ময়দান সংলগ্ন একাধিক রাস্তায় পার্কিং-ও নিষিদ্ধ করেছে কলকাতা পুলিশ। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের আশেপাশে, এজেসি বোস রোড (মাঝখানে হেস্টিংস ক্রসিং এবং ক্যাথেড্রাল রোড), খিদিরপুর রোড, হাসপাতাল রোড, কুইন্সওয়ে, ক্যাথেড্রাল রোড, ক্যাসুয়ারিনা অ্যাভিনিউ ও লাভার্স লেনে পার্কিং নিষিদ্ধ। উল্লেখ্য, জনসভায় আসা গাড়ির জন্য ময়দানের আশপাশে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য বহুমাত্রিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় কলকাতা পুলিশ, রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা অধিকরণ এবং স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। পুলিশের অনুমান, শহর ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ এই সভায় যোগ দিতে আসবেন। শিয়ালদা এবং হাওড়া থেকে অনেকেই পায়ে হেঁটে সভাস্থলের দিকে যেতে পারেন। ফলে ট্র্যাফিকে বিঘ্ন হতে পারে। এছাড়াও, কলকাতা পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এদিন প্রয়োজনে যানবাহন অন্যান্য রাস্তায় ডাইভার্ট করা হতে পারে।

    কোথায়-কখন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী মোদির মেগা সফর ঘিরে উৎসাহ বিজেপির। দুপুর ১টা ৪৫-এ কপ্টারে রেসকোর্সের হেলিপ্যাডে পৌঁছোবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে বেলা ১টা ৫৫-এ গাড়িতে ব্রিগেডে যাবেন মোদি। দুপুর ২টো-২টো ৩০ বিভিন্ন প্রকল্পর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, দুপুর ৩টে ৩৫- এ ব্রিগেডের সভাস্থল ছাড়বেন মোদি।

  • Amit Shah: ২০০ আসনের লক্ষ্যেই অটল বিজেপি, কর্মী সম্মেলন থেকে বার্তা অমিত শাহের

    Amit Shah: ২০০ আসনের লক্ষ্যেই অটল বিজেপি, কর্মী সম্মেলন থেকে বার্তা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ সফরে এসে ফের একবার ‘২০০ আসন’-এর লক্ষ্যে দলকে নির্বাচনী ময়দানে নামার বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার সায়েন্স সিটিতে আয়োজিত বিজেপির কলকাতা জোনের কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, বাংলায় বিজেপি কোনও ভাবেই থামার দল নয়। মঞ্চ থেকে কর্মী ও নেতৃত্বকে উদ্বুদ্ধ করে শাহ বলেন, “আমরা যদি ৩টি আসন থেকে ৭৭টি আসনে পৌঁছতে পারি, তাহলে ৭৭ থেকে ২০০টি আসনে পৌঁছনো অসম্ভব কেন হবে?” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের লড়াইয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার বার্তা দেন।

    চার সাংগঠনিক জেলায় ২০ আসনের লক্ষ্য (Amit Shah)

    এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, কলকাতা উত্তর শহরতলি (দমদম লোকসভা এলাকার অন্তর্গত বিধানসভাগুলি) এবং যাদবপুর – এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মী ও নেতানেত্রীরা। এই চার জেলায় মোট ২৮টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকেই শাহ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ২০টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেন। দলীয় সূত্রে খবর, এদিন সকালে অমিত শাহ বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকও করেন। সেই বৈঠকে বিশেষভাবে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হয়। রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্র ঘিরে দলের কৌশল নিয়েও কথা হয়।

    দলীয় পুনর্গঠনের ইঙ্গিত

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সায়েন্স সিটির এই কর্মী সম্মেলনে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত একাধিক প্রাক্তন বিধায়ককেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি রাজ্যে বিজেপির সংগঠন পুনর্গঠনের স্পষ্ট ইঙ্গিত। সব মিলিয়ে, রাজ্যে বিজেপির নির্বাচনী প্রস্তুতি যে নতুন করে গতি পাচ্ছে, তা স্পষ্ট শাহের এই সফর ও তাঁর বক্তব্যে।

     ‘সবচেয়ে বড় বিপদ’

    এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে দু’টি বিষয় যে সব চেয়ে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে, এদিন তাও জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই রাজ্যে দু’টো জিনিস মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, একটা অনুপ্রবেশ, আর একটা দুর্নীতি।” শুধু রাজ্যের প্রশাসনিক পরিস্থিতি নয়, কলকাতার নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন শাহ। তিনি বলেন, “কলকাতা আর আগের মতো নিরাপদ নয়। অনুপ্রবেশের দাপট ক্রমেই বাড়বে। এর ফলে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষই বিপদের মুখে পড়বেন।” এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে বর্তমান সরকারকে সমূলে উৎপাটিত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বিজেপি কর্মীদের শাহি নির্দেশ

    ভাষণ দেওয়ার সময়ই বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে একাধিক সাংগঠনিক নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, দলের প্রতিটি কর্মীর সঙ্গে আর এক কর্মীর যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। “সবাইকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাড়ি-বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছনো এখন সবচেয়ে জরুরি”।

    ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগান নিয়ে কটাক্ষ

    তৃণমূল সরকারের জনপ্রিয় স্লোগান ‘মা-মাটি-মানুষ’কে কটাক্ষ করে শাহ বলেন, “মা আজ বিপন্ন, মাটিতে অনুপ্রবেশের দাপাদাপি চলছে। তাই মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছনো এখন বিজেপির দায়িত্ব।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের সামাজিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। দলীয় কর্মীদের চাঙা করতে আত্মবিশ্বাসের সুরে শাহ বলেন, “কোনও কিছুর সঙ্গে আপোস করা যাবে না। এবারের লক্ষ্য একটাই, বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন।” তিনি বলেন, প্রার্থী যেই হোক না কেন, সবাইকে জেতাতে হবে। লিখে রাখুন, পশ্চিমবঙ্গে আমাদেরই সরকার হবে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলকাতায় নির্দিষ্ট আসনভিত্তিক লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে নতুন করে সাজানোই এখন দলের পাখির চোখ। রাজ্যের শহর ও গ্রাম, দুই জায়গায়ই সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর কৌশলেই এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের সঙ্গে যে কোনও সমঝোতা নেই, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে শাহ। এদিকে, এদিন বঙ্গ বিজেপির চার মুখ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার এবং দিলীপ ঘোষকে নিয়ে আলাদা করে বৈঠকে বসেন শাহ। সঙ্গে ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব, সুনীল বনসল এবং বিপ্লব দেব।

  • Dilip Ghosh: দিলীপের মুখে শমীক-প্রশস্তি, কী বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি?

    Dilip Ghosh: দিলীপের মুখে শমীক-প্রশস্তি, কী বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিলীপের (Dilip Ghosh) তৃণমূলে যোগদানের জল্পনায় জল ঢেলে দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্বয়ং। এদিন বিজেপির দফতরে গিয়ে শমীকের (Shamik Bhattacharya) সঙ্গে দেখা করেন দিলীপ। দু’জনে বেশ খানিকক্ষণ কথাবার্তাও হয়। পরে দিলীপ বলেন, “মার্কেটে যাঁর দাম থাকে, তাঁকে নিয়ে অনেক জল্পনা হয়।”

    ঘাসফুল শিবিরে দিলীপ-যোগের জল্পনা (Dilip Ghosh)

    অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, ধর্মতলায় তৃণমূলের ২১ জুলাই সমাবেশে দিলীপ ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়াতে থাকে এক শ্রেণির সংবাদ মাধ্যম। এদিন তাতে জল ঢেলে দিয়ে দিলীপ বলেন, “বাজারে যাঁর দাম থাকে, তাঁর সেলের কথা ওঠে। যাঁদের দাম নেই, তাঁদের কিনবে কে? তাঁরা রাস্তায় পড়ে থাকেন। দিলীপ ঘোষের দাম আছে, দাম থাকবে। দিলীপ ঘোষ সেলেবল নয়।” এদিন বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতির ভূয়সী প্রশংসাও করেন দিলীপ। বলেন, “এক সময় শমীকদার পথেই আমি হেঁটেছি। যখন দলে এসেছিলাম, তখন শমীকদা আমার সিনিয়র ছিলেন। নতুন-পুরানো সব কর্মীরা মিলেই দলকে এই জায়গায় এনেছে। তাই লড়াই জারি থাকবে।” তিনি বলেন, “আমার মধ্যে কোনও ভেজাল নেই। তাই এত দাম।”

    আবেগ দিয়ে পার্টি দাঁড় করিয়েছি     

    বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি (Dilip Ghosh) বলেন, “আবেগ দিয়ে আমরা পার্টি দাঁড় করিয়েছি। ঘাম-রক্ত দিয়েছি। ১৫০ জনেরও বেশি কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। সেই আবেগের আগুন বুকের মধ্যে রয়েছে। শুধু আমার নয়, শত শত কর্মীর। তাই যতই বৃষ্টি হোক, আবেগের আগুন নিভে যেতে দেব না।” দিলীপের সঙ্গে বৈঠকের পর দৃশ্যতই খুশি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “আমরা সবাই বিজেপি। আমাদের প্রতীক পদ্মফুল। ক্ষণিকের জন্য কোথাও ভুল হতে পারে। ক্ষণিকের জন্য কোথাও দূরত্ব তৈরি হতে পারে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, তিনি দলের বাইরে চলে গিয়েছেন।”

    শমীক (Shamik Bhattacharya) বলেন, “১৫ দিনের মধ্যেই সংঘবদ্ধ বিজেপিকে দেখতে পাবেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। বিজেপি ঐক্যবদ্ধ ছিল, আছে, থাকবে। কাউকে অন্য দলের লোক বলে দাগিয়ে দেবেন না। কাউকে অন্য দলের লোক বলে দূরে সরিয়ে দেবেন না। এই লড়াই পশ্চিমবঙ্গ বাঁচানোর লড়াই। এটা অস্তিত্ব রক্ষার সংকট। হিন্দু বাঙালিদের জন্য শেষ নির্বাচন। জাতীয়তাবাদী মুক্তমনস্ক প্রগতিশীল মুসলমানদের জন্যও এই নির্বাচন (Dilip Ghosh) শেষ নির্বাচন।”

  • Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপা-র অনুষ্ঠান ঘিরে ধুন্ধুমার শিক্ষাঙ্গন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। এই আবহে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ রাখা উচিত বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এজন্য রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে তৎপর হতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    পঠনপাঠন কার্যত লাটে

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আগমনের জেরে নতুন করে ছড়িয়েছে উত্তেজনা। যার জেরে কার্যত লাটে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ও গবেষণা। ফের একবার বিক্ষোভ আর স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অবিলম্বে রাজ্যপালের উচিত আরজি করের মতো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সেখানে পঠনপাঠন, গবেষণা ও শিক্ষা সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কাজ বন্ধ করে দেওয়া। অবিলম্বে ছাত্র সংসদেও তালা লাগানো উচিত, ওয়েবকুপার অফিসেও তালা লাগানো উচিত। ব্রাত্য বসুর অফিসেও তালা লাগানো উচিত আর তথাকথিত সেকু-মাকুদের দফতরেও তালা লাগানো উচিত। যাদবপুরে মাওবাদীদের যে ছাত্র সংগঠন রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।’’

    দায়ী সরকার, বিজেপি শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে

    যাদবপুরে বিশৃঙ্খল (Jadavpur University Chaos) পরিস্থিতির জন্য তণমূল সরকারকে দায়ী করলেও শিক্ষাক্ষেত্রে যে অরাজক পরিস্থিতি কখনওই কাম্য নয়, তা জানায় বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যেরও বক্তব্য, “শিঙ্গাঙ্গনের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী সরকার। কিন্তু অধ্যাপক, শিক্ষামন্ত্রীকে নিগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অগ্নি-সংযোগ, এই রাজনীতি আমরা সমর্থন করি না।” বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হুঙ্কার, ‘‘বাংলার মানুষ শুধু আমাদের পুলিশটা হাতে তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দু’টোকেই উপড়ে ফেলে দেব! এক ঘণ্টা লাগবে!’’ শিক্ষাক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির দাবি জানিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নকশাল মুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। এবিভিপির সমর্থকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে ছাত্রদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিজেপি রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন,‘‘বিজেপি সরকারে আসবে ছাব্বিশে। তারপরে এরা আর বেঁচে থাকবে না।’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কথায়, ‘‘আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গেছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গেছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না। যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলাতে এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।’’

  • Dilip Ghosh: “কেন্দ্র টাকা দিলে চুরি, না দিলে বঞ্চনা”, গঙ্গাসাগরে নদী ভাঙন প্রসঙ্গে মমতাকে আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “কেন্দ্র টাকা দিলে চুরি, না দিলে বঞ্চনা”, গঙ্গাসাগরে নদী ভাঙন প্রসঙ্গে মমতাকে আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। নদী ভাঙন, জলপথ এবং সেতু নিয়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কেন্দ্র টাকা দিলে চুরি, না দিলে বঞ্চনা।” এদিন গঙ্গাসাগর (Gangasagar mela) পরিদর্শন করে এইভাবেই মন্তব্য করেন তিনি।

    গত ১২-১৪ বছরে কোন কাজ হয়েছে (Dilip Ghosh)?

    পৌষ সংক্রান্তিতেই সাগরদ্বীপে গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar mela) বসে। এই মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা স্নান করতে আসেন। সূর্যের উত্তরায়ণ যাত্রা শুরু হয় এই সময় থেকেই। বাংলার এই গঙ্গার সমুদ্র সঙ্গমে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। অথচ এইরকম একটি তীর্থ ক্ষেত্রের পরিকাঠামো অত্যন্ত খারাপ। ২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যের রাজনৈতিক শাসকের বদল ঘটলেও কপিলমুনির আশ্রম, মেলা এবং পরিকাঠামোর কোনও উন্নয়ন হয়নি। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এই নদীভাঙন নিয়ে বলেন, “আয়লার সময় ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল কেন্দ্র। রাজ্যের পক্ষ থেকে কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণের কথা বলা হলেও আর তা পরে করা হয়নি। কাজ করতে না পারায় টাকা ফেরত দিতে হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দিলে বলবেন বঞ্চনা করছে। আবার টাকা দিলে আপনারা চুরিও করবেন। আপনারা নিজেরা কাজ করে দেখান। সকলে সহযোগিতা করবে। গত ১২-১৪ বছরে কোন কাজটা হয়েছে? আপনারা বলুন, কোনও কাজ করলে কি আদৌ টিকছে? এই ভাবে কাজ না করে বন্ধ করে দিন। গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় স্বীকৃতির মর্যাদা দিতে সঠিক ভাবে আবেদন জানান। তাহলেই কাজ হবে।”

    আরও পড়ুনঃ সীমান্তে কাঁটাতার বসানো নিয়ে বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের, কী বলল নয়াদিল্লি?

    কাজে নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুধু কথা বলতে ভালোবাসেন

    একইভাবে মমতাকে তোপ দেগে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) আরও বলেন, “মমতা একবার বলছেন কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে শঙ্করপুরে জেটি নির্মাণ করবেন, আবার কখনও বলছেন নিজেরাই করব। অপর দিকে আদানির সঙ্গেও কথা বলছেন। কাজে নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুধু কথা বলতে ভালোবাসেন। ইতিমধ্যে তীর্থযাত্রীরা মেলায় আগমন শুরু করে দিয়েছেন। এই বছর পূর্ণ মহাকুম্ভ এবং গঙ্গাসাগর মেলা একই তিথিতে পড়ে ভক্তদের ভিড় কিছুটা কম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। তাই রাজ্যের পক্ষ থেকে পরিকাঠামো এবং পরিষেবার বিষয়ে আরও গুরুত্বদিয়ে ভাবতে হবে।” উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গঙ্গাসাগরে (Gangasagar mela) এসে বলেছিলেন, “রাজ্যের টাকায় মুড়িগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মাণ করা হবে।” ফলে বছর বছর প্রতশ্রুতি দিলেও পূরণ হয় না কিছুই, একথা এলাকার মানুষরাও এখন মনে করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না”, বাংলাদেশের মৌলবাদীদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ

    Dilip Ghosh: ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না”, বাংলাদেশের মৌলবাদীদের কড়া বার্তা দিলেন দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) মাটিতে দিকে দিকে উঠছে ভারত-বিরোধী স্লোগান। এই আবহে ভারত বিরোধী স্বরকে তীব্রতর করছেন মৌলবাদী কট্টরপন্থীরা। ভারতীয়দের লাথি মেরে বাংলাদেশ ছাড়া করার হুমকি দিয়েছেন সে দেশের গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সচিব তারেক রহমান। একের পর এক নেতার মুখে যখন ভারত বিরোধী স্লোগান চলছেই, তখনই মৌলবাদী নেতাদের তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না বলে কটাক্ষ তাঁর। কট্টপন্থীদের সঙ্গে ভিখারিরও তুলনা করেন তিনি।

    সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না (Dilip Ghosh)

    হাসিনা সরকারের অবসান ঘটিয়ে এখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ইতিমধ্যে সেদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে চলা ধারাবাহিক হিংসার ঘটনায় ইউনূস সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে ভারত। এরপর থেকেই ভারত বিরোধী স্লোগান উঠছে বাংলাদেশে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই শুক্রবার সকাল সকাল বাংলাদেশ নিয়ে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ। জলপাইগুড়িতে ‘চায়ে পে চর্চায়’ তিনি (Dilip Ghosh) বাংলাদেশের মৌলবাদীদের বলেন, ‘‘সিংহের সঙ্গে কুকুরের লড়াই হয় না। ভিখারিদের আশ্রয় ফুটপাতেই হয়।”

    তৃণমূলকেও নিশানা দিলীপের

    এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসকেও সংখ্যালঘু তোষণ নিয়ে তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, ‘‘সিরিয়ার ঘটনা দেখে কিছু বুঝুন, গাজায় বোম ফাটলে মিছিল হয়, অথচ ওপার বাংলার হিন্দুদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে মিছিল করার হিম্মত নেই তৃণমূলের।” এদিকে উত্তরবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের চেষ্টার অভিযোগ এনে দিলীপ বলেন, ‘‘আফগান নাগরিকদের জন্ম মৃতুর সার্টিফিকেট দিয়ে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে মালবাজার পুরসভা। হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করছে তৃণমূল নেতারা।”

    আরও পড়ুন: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে পর্যন্ত উত্তর পূর্ব ভারত, বিহার, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ দখলের ডাক দিচ্ছিল কয়েকজন বাংলাদেশি মৌলবাদী। ইউনূস জমানায় সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সব দাবি এবং সেই সংক্রান্ত পোস্টে ভরিয়ে দিয়েছিলেন কট্টরপন্থীরা। বাংলাদেশের বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভি ভারতের একাংশ দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। আবার বাংলাদেশের তিসরাই ইনসাফ পার্টির নেতা মিনাজ প্রধানও বলেন, ‘‘আমরা চার দিনের মধ্যেই কলকাতা, আগরতলা ও সেভেন সিস্টার্স দখল করে নিতে পারি।” যার পালটা তোপ দেগে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘‘দুটো রাফাল পাঠালে সেই আওয়াজেই প্যান্টে বাথরুম করে দেবে।’’ এবার বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ (Dilip Ghosh) বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতাদের তুলোধনা করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “মমতা বড় নাকি ভাইপো, তৃণমূলে এখন এটাই সব থেকে চিন্তার বিষয়”, তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “মমতা বড় নাকি ভাইপো, তৃণমূলে এখন এটাই সব থেকে চিন্তার বিষয়”, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাকদ্বীপে বিজেপির পক্ষ থেকে সদস্যপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশ মন্ত্রী করার যে দাবি উঠেছে সেই দাবি নিয়ে সেখানে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, এর মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) মধ্যে দুটি গোষ্ঠী তৈরি হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী যে ব্যর্থ তা পরিষ্কার হয়ে গেল। তাই তাঁর পদত্যাগ করা দরকার।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত (Dilip Ghosh)

    কসবার গুলিকাণ্ডে অনুপ্রবেশকারী দুষ্কৃতীদের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “ বিহার থেকে কিভাবে দুষ্কৃতীরা বাংলায় ঢুকল, তাও কি বিজেপি দেখবে। এটা পুলিশের ব্যর্থতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যর্থতা।”  এর পাশাপাশি একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর বোঝা দরকার মানুষের কাছে তাঁর আর গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাঁর নিজে থেকে পদত্যাগ করে নেওয়াটাই ভালো হবে।” একইসঙ্গে অশান্ত মণিপুর প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “মণিপুরের ঘটনা দীর্ঘদিনের। এর আগেও একাধিক মানুষের প্রাণ গিয়েছে। যেহেতু মণিপুর এবং মায়ানমারের মধ্যে কোনও কাঁটাতার নেই, সেই কারণেই এই ঘটনা।”  

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    পুলিশরা তৃণমূলের ক্যাডার!

    ই এম বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তৃণমূলের কালচারই হচ্ছে জমি হাতানো,  গরু পাচার, কয়লা পাচার করা। সরকারি জমি আবার কখনও বা সাধারণ মানুষের জমি জায়গা বাড়ি সমস্ত কিছুই দখল করে নিয়ে দাদাগিরি করা। আর তার জন্য পুলিশদের তৃণমূল ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করেছে। আর যে কারণেই কখনও জমিদখলকে কেন্দ্র করে কখনও বা পুকুর দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীর মধ্যে গুলি চলছে, বোমাবাজি হচ্ছে। তৃণমূলের মধ্যে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় হবে, নাকি ভাইপো বড় হবে সেটাই এখন ওদের সবথেকে চিন্তার বিষয়। আর যে কারণেই ভাইপোকে পুলিশ মন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছেন ওদের দলের নেতারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share