Tag: Direct Benefit Transfer

Direct Benefit Transfer

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০২৬ সালের মার্চে ৯ বছর পূরণ হয়েছে তাঁর। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন শাসনকাল। যোগীর মতো একজন নয়া শাসককে নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসন-গল্পে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার জন্য পরিচিত একটি রাজ্য থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকারী এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে ওঠার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে পুলিশিং, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি একসূত্রে গাঁথা হয়েছে। যোগী যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন উত্তরপ্রদেশ সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত ছিল। মাফিয়া চক্রগুলি প্রায় নির্বিঘ্নে অপরাধ করত, জাতিগত হিংসাও ছিল রোজকার ঘটনা।

    হাতিয়ার যখন বুলডোজার (Uttar Pradesh) 

    নয়া সরকার এসব রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে। তার জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের সম্পত্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, গ্যাংস্টার আইনের প্রয়োগ বাড়ে এবং পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় বহু কুখ্যাত অপরাধী। সমালোচকরা একে “বুলডোজার ন্যায়বিচার” আখ্যা দেন এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিজেপি সমর্থকদের মতে, খুনের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, অপহরণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে এবং দস্যুবৃত্তি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নও হয়েছে। প্রতিটি জেলায় সাইবার পুলিশ স্টেশন, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, ‘মিশন শক্তি’, অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড এবং সিসিটিভি-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ এখন আর বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না।

    রাজ্যের জিএসডিপি

    ২০১৭ সালে রাজ্যের জিএসডিপি ছিল প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকা। এখানে পৌঁছতে স্বাধীনতার পর লেগেছিল ৭০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ কোটি টাকা। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের লক্ষ্য ৪০ লাখ কোটি টাকার গন্ডি ছোঁওয়া। ভারতের অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশ ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় প্রায় ৪৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.২ লাখ টাকারও বেশি। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট হয়েছে ৯.১২ লাখ কোটি টাকা। এটি রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঋণের হার কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে।

    এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক

    উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের ৫৫ শতাংশের ‘মালিক’। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড-সহ একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তরপ্রদেশের এই অংশ ছাড়াবে ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালের আগে রামের দেশে ছিল মাত্র ২টি বিমানবন্দর। এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মধ্যে আবার ৪টি আন্তর্জাতিক। মেট্রো পরিষেবা ৭টি শহরে চালু হয়েছে, চলছে দিল্লি-মিরাট র‍্যাপিড রেলও। গ্রামীণ সড়ক ও বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে ১০০ শতাংশ। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছেছে কোটি কোটি পরিবারে।

    ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’

    আখ চাষিদের বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এমএসপি ক্রয় ডিজিটাল করা হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং কোটি কোটি কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) প্রকল্পে ভাদোহির কার্পেট, মোরাদাবাদের পিতলশিল্প, বারাণসীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে ৩ লাখ কোটি টাকা সরাসরি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন, গ্যাস সংযোগ ও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ৯ লাখ কর্মপ্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। ১৫ লাখ যুবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ২৫ লাখ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পেয়েছে। মেয়েদের জন্য স্কুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। স্টার্টআপ সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    “বিমারু থেকে বুমিং”

    অযোধ্যার রাম মন্দির প্রকল্প বিশাল নগরোন্নয়ন ঘটিয়েছে। বারাণসী করিডোর ও মথুরা উন্নয়ন প্রকল্প ধর্মীয় পর্যটন বাড়িয়েছে। পর্যটন খাতে আয় প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ১০ লাখের কাছাকাছি। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এখনও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে। এই বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের নির্বাচনই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। সেই সময়ই জানা যাবে এই উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে। একসময় পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ এখন বড় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। জিএসডিপি তিনগুণ হয়েছে, উন্নত হয়েছে পরিকাঠামো, বেড়েছে কর্মসংস্থান। “বিমারু থেকে বুমিং”—এটি শুধু এখন আর স্লোগান নয়, গত নবছরে উত্তরপ্রদেশের বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিফলন।

     

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী, দেখুন উন্নয়নের খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৯ বছর পূর্ণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০২৬ সালের মার্চে ৯ বছর পূরণ হয়েছে তাঁর। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন শাসনকাল। যোগীর মতো একজন নয়া শাসককে নিয়ে যে সন্দেহ ছিল, তা ধীরে ধীরে আধুনিক ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসন-গল্পে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় ও প্রশাসনিক শিথিলতার জন্য পরিচিত একটি রাজ্য থেকে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণকারী এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে ওঠার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি নির্দিষ্ট শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে পুলিশিং, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি একসূত্রে গাঁথা হয়েছে।

    সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত (Uttar Pradesh)

    যোগী যখন মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন উত্তরপ্রদেশ সংগঠিত অপরাধের জন্য কুখ্যাত ছিল। মাফিয়া চক্রগুলি প্রায় নির্বিঘ্নে অপরাধ করত, জাতিগত হিংসাও ছিল রোজকার ঘটনা। নয়া সরকার এসব রুখতে দ্রুত পদক্ষেপ করে। তার জেরে অল্প সময়ের মধ্যেই অপরাধীদের সম্পত্তি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, গ্যাংস্টার আইনের প্রয়োগ বাড়ে এবং পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হয় বহু কুখ্যাত অপরাধী। সমালোচকরা একে “বুলডোজার ন্যায়বিচার” আখ্যা দেন এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিজেপি সমর্থকদের মতে, খুনের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, অপহরণ প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে এবং দস্যুবৃত্তি প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে।

    উন্নয়নের জোয়ার

    আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগত উন্নয়নও হয়েছে। প্রতিটি জেলায় সাইবার পুলিশ স্টেশন, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, ‘মিশন শক্তি’, অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড এবং সিসিটিভি-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মহিলাদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ এখন আর বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয় না। ২০১৭ সালে রাজ্যের জিএসডিপি ছিল প্রায় ১৩ লাখ কোটি টাকা। এখানে পৌঁছতে স্বাধীনতার পর লেগেছিল ৭০ বছর। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৩৬ লাখ কোটি টাকা। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের লক্ষ্য ৪০ লাখ কোটি টাকার গন্ডি ছোঁওয়া। ভারতের অর্থনীতিতে রাজ্যের অংশ ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯.৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় প্রায় ৪৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১.২ লাখ টাকারও বেশি।

    ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি

    ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট হয়েছে ৯.১২ লাখ কোটি টাকা। এটি রাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে ঋণের হার কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আর্থিক ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিটে ৫০ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ এখন ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের ৫৫ শতাংশের ‘মালিক’। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড-সহ একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে চালু হয়েছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তরপ্রদেশের এই অংশ ছাড়াবে ৬০ শতাংশ। ২০১৭ সালের আগে রামের দেশে ছিল মাত্র ২টি বিমানবন্দর। এখন সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মধ্যে আবার ৪টি আন্তর্জাতিক। মেট্রো পরিষেবা ৭টি শহরে চালু হয়েছে, চলছে দিল্লি-মিরাট র‍্যাপিড রেলও। গ্রামীণ সড়ক ও বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে ১০০ শতাংশ। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছেছে কোটি কোটি পরিবারে।

    সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র

    আখ চাষিদের বকেয়া ১ লাখ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এমএসপি ক্রয় ডিজিটাল করা হয়েছে। সেচ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং কোটি কোটি কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) প্রকল্পে ভাদোহির কার্পেট, মোরাদাবাদের পিতলশিল্প, বারাণসীর সিল্ক পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে ৩ লাখ কোটি টাকা সরাসরি মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন, গ্যাস সংযোগ ও স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ৯ লাখ কর্মপ্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। ১৫ লাখ যুবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ২৫ লাখ শিক্ষার্থী ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন পেয়েছে। মেয়েদের জন্য স্কুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। স্টার্টআপ সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    বিমারু থেকে বুমিং

    অযোধ্যার রাম মন্দির প্রকল্প বিশাল নগরোন্নয়ন ঘটিয়েছে। বারাণসী করিডোর ও মথুরা উন্নয়ন প্রকল্প ধর্মীয় পর্যটন বাড়িয়েছে। পর্যটন খাতে আয় প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ১০ লাখের কাছাকাছি। পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এখনও পশ্চিমাঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে। এই বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের নির্বাচনই হবে প্রকৃত পরীক্ষা। সেই সময়ই জানা যাবে এই উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলেছে। একসময় পিছিয়ে পড়া রাজ্য হিসেবে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ এখন বড় অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। জিএসডিপি তিনগুণ হয়েছে, উন্নত হয়েছে পরিকাঠামো, বেড়েছে কর্মসংস্থান। “বিমারু থেকে বুমিং”—এটি শুধু এখন আর স্লোগান নয়, গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিফলন।

     

  • IMF: ‘সত্যি বিস্ময়’, মোদি সরকারের সরাসরি ব্যাংকে নগদ হস্তান্তর প্রকল্পের প্রশংসা আইএমএফের

    IMF: ‘সত্যি বিস্ময়’, মোদি সরকারের সরাসরি ব্যাংকে নগদ হস্তান্তর প্রকল্পের প্রশংসা আইএমএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সরকার পরিচালিত ডিরেক্ট ক্যাশ ট্রান্সফার বা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নগদ হস্তান্তর প্রকল্পকে একটা ‘বিস্ময়’ বলে উল্লেখ করল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার বা সংক্ষেপে আইএমএফ। তাদের মতে, ভারতে চালু হওয়া একাধিক সমাজ কল্যাণমূলক প্রকল্প থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (Direct Benefit Transfer) প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করল আইএমএফ(IMF)। এই প্রকল্পকে “লজিস্টিক বিস্ময়” হিসাবেও বর্ণনা করেছে তারা।   

    একটি সাংবাদিক বৈঠকে ভাষণ দেওয়ার সময়, আইএমএফের ফিসকাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর পাওলো মাওরো (Paolo Mauro) বলেছেন, “ভারতের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। আমাদের কাছে প্রায় প্রতিটি মহাদেশ এবং আয়ের প্রতিটি স্তরের উদাহরণ রয়েছে। ভারতের পারফর্ম্যান্স সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।”  

    আরও পড়ুন: অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার ভাল, স্বীকার করল আইএমএফ  

    তিনি বলেন, “দেশের বিশাল আকার চিন্তা করলে এটা আসলে এক আশচর্য। কয়েক কোটি নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পৌঁছয় এই প্রকল্পগুলি। ভারত সরকার তা সফলভাবে বাস্তবায়িত করছে।”  তিনি আরও বলেন, “ভারতের এমন কিছু প্রকল্প রয়েছে যা বিশেষ করে মহিলাদের জন্যে। বয়স্ক এবং কৃষকদের জন্যেও প্রকল্প রয়েছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল, ভারতের প্রচুর প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন রয়েছে।”   

    মাওরোর মতে, বর্তমানে ভারতে প্রচুর প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন সম্পর্কিত সাফল্য রয়েছে। নগদ স্থানান্তর প্রকল্পকে সফল করতে অন্যান্য সনাক্তকরণ ব্যবস্থার পাশাপাশি আধার কার্ড ব্যবহারেরও প্রশংসা করেছেন তিনি। মাওরো বলেন, “অন্যান্য দেশেও, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এমন মানুষের কাছে টাকা পাঠানোর প্রযুক্তি চালু আছে। অনেকের কাছে প্রচুর টাকা নেই, কিন্তু তাদের কাছে একটি মোবাইল ফোন আছে।”    

    তিনি আরও বলেন, “মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বিষয়টি অনবদ্য। দেশগুলি একে অপরের থেকে এসব শিখতে পারে। আমরা এমন একটি প্রতিষ্ঠান হওয়ার চেষ্টা করি যেখানে দেশগুলি এই ধরণের অভিজ্ঞতার ভাগ করে নিতে পারে।”

    আইএমএফের ফিসকাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর ভিটর গাসপার ( Vitor Gaspar) বলেন, “প্রযুক্তির মাধ্যমে কী করে সহজেই মানুষের সমস্যার সমাধান করা যায় তার অনুপ্ররণাদায়ক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে ভারত।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share