Tag: dmk

dmk

  • DMK: কংগ্রেসের সঙ্গে গোঁসা! ‘ইন্ডি’ জোটের অস্বস্তি বাড়িয়ে ৮ জুনের বিরোধী বৈঠকে গরহাজির ডিএমকে

    DMK: কংগ্রেসের সঙ্গে গোঁসা! ‘ইন্ডি’ জোটের অস্বস্তি বাড়িয়ে ৮ জুনের বিরোধী বৈঠকে গরহাজির ডিএমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী শিবিরের ‘ইন্ডি’ (India Bloc) জোটের অভ্যন্তরে বড়সড় ফাটলের ইঙ্গিত। আগামী ৮ জুন আয়োজিত হতে চলা বিরোধী দলগুলির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে (DMK)। ডিএমকে-র এই আকস্মিক অনুপস্থিতির সিদ্ধান্ত লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী ঐক্য সুসংহত করার প্রচেষ্টায় একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবার তামিলনাড়ুর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক সমীকরণ ছাপ ফেলল সর্বভারতীয় স্তরের রাজনীতিতে। চিত্রতারকা-রাজনীতিক থলপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগম (টিভিকে)-এর সঙ্গে ভোট পরবর্তী জোট গড়ার কারণে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের দল ডিএমকে আগেই কংগ্রেসের সঙ্গ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিল। এবার তারা বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকও বয়কটের সিদ্ধান্ত নিল।

    অনুপস্থিতির কারণ ও ডিএমকে-র যুক্তি (DMK)

    ডিএমকে (DMK) সূত্রের খবর, ৮ জুনের এই বৈঠকটিতে দলের সুপ্রিমো তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্ট্যালিন (India Bloc) স্বয়ং উপস্থিত থাকতে পারছেন না। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত কিছু প্রশাসনিক কর্মসূচি এবং রাজ্যে চলমান কিছু জরুরি প্রকল্পের পর্যালোচনার কারণে তিনি চেন্নাই ছাড়তে পারছেন না। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই অনুপস্থিতির পেছনে কেবল প্রশাসনিক ব্যস্ততা নয়, বরং আসন সমঝোতা এবং জোটের নেতৃত্ব নির্ধারণ নিয়ে অভ্যন্তরীণ টানাপড়েনও কাজ করে থাকতে পারে।

    বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী ফ্রন্টকে শক্তিশালী করতে এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি এবং বাম দলগুলির মতো শীর্ষস্থানীয় দলগুলির এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এমন এক পরিস্থিতিতে ডিএমকে-র (India Bloc) মতো একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক দলের দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত জোটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রূপায়ণে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোটের (India Bloc) প্রথম সারির শরিকদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ঘাটতি যদি এখনই দূর করা না যায়, তবে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া বিরোধী শিবিরের জন্য বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। আগামী সোমাবার (৮ জুন) দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের বৈঠক। কংগ্রেস, তৃণমূল, আরজেডি, সমাজবাদী পার্টি, উদ্ধব ঠাকরেপন্থী শিবসেনা, শরদ পওয়ারের এনসিপি (এস), ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং বাম দলগুলি তাতে যোগ দিতে পারে। স্ট্যালিনের দল ‘ইন্ডিয়া’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য। তারা যদি বৈঠকে গরহাজির থাকে , তাহলে জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী জোটে ফাটল স্পষ্ট হবে।

  • Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও (Tamil Nadu Trust Vote) জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয় (Thalapathy Vijay)। বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ (Thalapathy Vijay Trust Vote) দল হয়েছিল তামিলাগা ভেট্টিরি কাজাগাম (TVK)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথও নিয়েছেন ‘থালাপতি’ বিজয়। তবে আসনে টিকে থাকা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল। তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থাভোটে জয়ী হল বিজয়ের সরকার। তাঁর সরকারের পক্ষে ভোট দিলেন ১৪৪ জন বিধায়ক। বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন ২২ জন। এদিনের আস্থাভোট থেকে ৫৯ জন বিধায়ক নিয়ে বেরিয়ে যায় ডিএমকে। এআইএডিএমকে-র ৪৭ জন বিধায়ক ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।

    এআইএডিএমকে -র অন্দরে ফাটলে

    আস্থাভোটের (Thalapathy Vijay Trust Vote) ফলাফল সামনে আসতে বিজয় বলেন, “হুইসলের জয় হয়েছে।” হুইসল তাঁর দল টিভিকে-র প্রতীকচিহ্ন। আস্থাভোটের এই ফলাফল আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে এআইএডিএমকে (AIADMK)-র অন্দরে ফাটলের কারণে। দলের আপত্তি সত্ত্বেও ২৫ জন বিধায়ক বিজয় এবং টিভিকে-র সপক্ষে ভোট দেন। (Tamil Nadu Trust Vote) ই পালানিস্বামীর নির্দেশ অগ্রাহ্য করে সম্প্রতি এআইএডিএমকে-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন সন্মুগম এবং এসপি বেলুমণি। আগে থেকে ১২০ জনের সমর্থন ছিল বিজয়ের কাছে। যে বিধায়ক একটি ভয়োটে জয়ী হন, তাঁক ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। ফলে তিনি ভোট দিতে পারেননি। আস্থাভোটে এআইএডিএমকে-র বিদ্রোহী বিধায়কদের অভিযোগ, এআইএডিএমকে-র প্রধান ইকে পালানিস্বামী তাদের প্রধান বিরোধী দল ডিএমকে-র সঙ্গে জোট বাঁধার চেষ্টা করছে। পাল্টা অভিযোগ তুলেছে এআইএডিএমকে। তারা বিজয়ের দলের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে বিধায়ক কেনার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে। যদিও সেই অভিযোগ খারিজ করেছেন বিজয়। তিনি বলেছেন যে তাদের সরকার ঘোড়া কেনাবেচা করে না, বরং ঘোড়ার গতিতে এগোচ্ছে সরকার।

    ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন

    বুধবার তামিলনাড়ুর বিধানসভায় আস্থাভোট (Thalapathy Vijay Trust Vote) হয়। টিভিকে-র জোটসঙ্গী কংগ্রেস, সিপিএম, সিপিআই, ভিসিকে, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের বিধায়কেরা স্বাভাবিক ভাবেই আস্থাভোটে সরকারের পক্ষে ভোট দেন। ভোটের ফলে দেখা যায় বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগারের (১১৮) তুলনায় অনেকটাই বেশি। ভোটাভুটির আগেই বিধানসভা কক্ষ ত্যাগ করেন এমকে স্ট্যালিনের দল ডিএমকে-র ৫৯ জন বিধায়ক। ইকে পলানীস্বামীর নেতৃত্বাধীন এডিএমকে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

  • PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    PM Modi: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর, ধুয়ে দিলেন কংগ্রেসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আশ্বাস দেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে আগের মতোই কাজ চালিয়ে যাবে (Congress)। এর পাশাপাশি কংগ্রেসকেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিজয়ের টিভিকে-র মিত্র দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগও করেন। শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসকে ‘পরজীবী’ দল বলেও আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী।

    কংগ্রেসকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু ডিএমকে-কে ছেড়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তামিলনাড়ুর বর্তমান পরিস্থিতি দেখুন। গত ২৫-৩০ বছর ধরে কংগ্রেস এবং ডিএমকের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। বারবার ডিএমকের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেস সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “আসলে ২০১৪ সালের আগে যে ১০ বছর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার ছিল, তা মূলত ডিএমকের সমর্থনের ওপরই টিকে ছিল। অথচ রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাতেই কংগ্রেস সেই ডিএমকের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করল। অথচ ডিএমকে সবসময় তাদের পাশে ছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতার লোভে অন্ধ কংগ্রেস প্রথম সুযোগেই ডিএমকের পিঠে ছুরি মেরেছে। এখন রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে তাদের (PM Modi) আবার নতুন একটি দলের কাঁধে ভর করতে হচ্ছে।”

    নয়া মন্ত্রিসভায় কারা

    বিজয়ের নয়া মন্ত্রিসভায় মোট ৯ জন মন্ত্রী রয়েছেন। সেখানে তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের ঠাঁই দেওয়া হয়েছে (Congress)। টিভিকে প্রধানের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরাও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। তবে সমর্থন করা সত্ত্বেও কংগ্রেসের ভাগ্যে ছেঁড়েনি মন্ত্রিত্বের শিকে। রাহুল গান্ধীর দলের কোনও নেতাই জায়গা পাননি তামিলনাড়ু মন্ত্রিসভায়। অথচ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য টিভিকে-কে প্রথমে সমর্থন করার কথা জানিয়েছিল কংগ্রেসই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যে কংগ্রেস বিজয়ের দলের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। শোনা যাচ্ছে, রাহুল বিজয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এতটাই আশাবাদী ছিলেন যে, ডিএমকে-র ডাকা একাধিক বৈঠকে যোগ দেয়নি কংগ্রেস।

    ডিএমকের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, আজ প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস সম্পর্কে যা বলেছেন, তা অনেক আগেই জানিয়েছিল ডিএমকে। তারা যখন জানতে পারে কংগ্রেস বিজয়ের টিভিকে-কে সমর্থন করছে, তখনই উঠেছিল ‘পিঠে ছুরি মারা’র অভিযোগ। ডিএমকের এক প্রস্তাবে, যা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের উপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছিল, তাতে বলা হয়, “তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস আমাদের সঙ্গে ঠিক সেই কাজটাই করেছে, যা বিজেপি অন্য অনেক রাজ্যে করে।” ডিএমকের আরও অভিযোগ, “আমাদের দলনেতার পিঠে ছুরি মেরে কংগ্রেস বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জয়ের জন্য ধন্যবাদ জানাতেও তারা ব্যক্তিগতভাবে আসেনি। তবুও স্ট্যালিন সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।” ডিএমকের দাবি, কংগ্রেসের পুরনো চরিত্র এখনও বদলায়নি। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, “আমাদের জোটে কংগ্রেসকে একটি রাজ্যসভা আসন এবং ২৮টি বিধানসভা আসন দেওয়া হয়েছিল। অথচ মাত্র তিন দিনের মধ্যে তারা অন্য একটি (PM Modi) দলে চলে গেল, যা জোট-কর্মীদের কঠোর (Congress) পরিশ্রমে পাওয়া জয়কে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।”

     

  • Tamil Nadu: তামিলভূমে কাটল জট, সরকার গড়ল বিজয়ের জোট

    Tamil Nadu: তামিলভূমে কাটল জট, সরকার গড়ল বিজয়ের জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন টিভিকে-র সভাপতি সি জোসেফ বিজয়। তামিলভূমের আঞ্চলিক দল ভিসিকে অভিনেতা তথা রাজনীতিক ‘থলপতি’ বিজয়ের দল টিভিকে-কে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করে। তাতেই খোলে জট। নয়া সরকার গড়ার পথে আর কোনও বাধা রইল না বিজয়ের। জোগাড় করে ফেললেন সরকার গড়ার মতো ‘ম্যাজিক ফিগার’। তাঁর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যে প্রায় ছ’দশক ধরে চলা রাজ্যের দুই প্রধান দ্রাবিড় দল-ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র পালাক্রমে শাসনের অবসান ঘটল। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকর শনিবার বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন। কারণ ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় ১২০ জন নির্বাচিত বিধায়কের সমর্থন জোগাড় করেছেন বিজয়।

    নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ (Tamil Nadu)

    রবিবার সকাল ১০টায় নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নেন তিনি। তাঁর সঙ্গেই শপথ নেওয়ার কথা টিভিকে-র আরও কয়েকজন মন্ত্রীর। রাজ্যপাল বিজয়কে আগামী ১৩ মে-র মধ্যে বিধানসভায় আস্থা ভোটের নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে শনিবার সন্ধ্যায়, যখন ভিসিকে এবং আইইউএমএল টিভিকে-কে সমর্থন জানায়। এর ফলেই টিভিকে-র জোটের সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ১২০। পরে বিজয় চেন্নাইয়ের লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তখনই তিনি জমা দেন কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিআইএম, ভিসিকে এবং আইইউএমএলের সমর্থনপত্রও। তামিলনাড়ু বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩৪।

    ‘ম্যাজিক ফিগার’

    নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। এই ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারেনি কোনও দলই। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের টিভিকে ১০৮টিতে জিতে হয় একক বৃহত্তম দল। যদিও বিজয় দু’টি আসনে জয়ী হওয়ায় তাঁদের বিধায়ক সংখ্যা ১০৭। সরকার গড়ার জন্য ‘ম্যাজিক ফিগার’ পেতে বিজয়ের প্রয়োজন ছিল আরও ১১ জন বিধায়কের সমর্থন। তামিলনাড়ু কংগ্রেস প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিল তারা টিভিকে-কে সমর্থন করবে। কংগ্রেসের ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি আসন। ‘ম্যাজিক ফিগারে’ পৌঁছতে টিভিকে-র প্রয়োজন ছিল আরও ছ’জন বিধায়কের সমর্থন।

    বিজয়কে সমর্থন করল যারা

    শুক্রবার সিপিএম এবং সিপিআই সমর্থন করার কথা জানিয়েছিল। তাদের জেতা আসনের সংখ্যা চার। তার পরে আরও দুই বিধায়কের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল। শনিবার ভিসিকে প্রধান থোল থিরুমাভালাভান জানান, তাঁরা সরকার গঠনের জন্য বিজয়ের দলকে নিঃশর্ত সমর্থন করবেন। উল্লেখ্য, টিভিকে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের গড়ে তোলা একটি রাজনৈতিক সংগঠন। এবারের নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে এই সংগঠনই। দলটি নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ, তামিল সমাজভিত্তিক এবং সামাজিক ন্যায় ও সমতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরে। এই দলই এবার গড়ছে সরকার।

    মামলার জরুরি শুনানি

    এদিকে, ডিএমকে নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কেআর পেরিয়াকারুপ্পন মাদ্রাজ হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন যাতে টিভিকে বিধায়ক শিনিবাস সেতুপাথিকে আস্থা ভোটে অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয়। গ্রীষ্মকালীন অবকাশ বেঞ্চের বিচারপতি এল ভিক্টোরিয়া গৌরি এবং এন সেন্থিলকুমারের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার জরুরি শুনানি করার কথা আজ, রবিবার। পেরিয়াকারুপ্পানের অভিযোগ, শিবগঙ্গা জেলার তিরুপাত্তুর কেন্দ্রে ভোট পুনর্গণনা ঠিকঠাক হয়নি। তাই নির্বাচিত প্রার্থীকে আইনসভা গঠন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে দেওয়া উচিত নয়।

     

  • DMK: তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে সমর্থন কংগ্রেসের, সংসদে আসন বদলের দাবি ‘ইন্ডি’-শরিক ডিএমকের

    DMK: তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে সমর্থন কংগ্রেসের, সংসদে আসন বদলের দাবি ‘ইন্ডি’-শরিক ডিএমকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে সংসদে ডিএমকে (DMK) সদস্যদের আলাদা বসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ জানালেন ডিএমকে সাংসদ কানিমোঝি করুণানিধি। চিঠিতে (Lok Sabha Speaker Letter) তিনি জানিয়েছেন, তামিলনাড়ুর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে ডিএমকে-কংগ্রেস জোট। তাই ডিএমকে সাংসদদের আর কংগ্রেস সদস্যদের পাশে বসাটা যথাযথ নয়।

    কানিমোঝির চিঠি (DMK)

    কানিমোঝি লেখেন, “আমি সম্মানের সঙ্গে লোকসভায় ডিএমকের সাংসদদের বসার ব্যবস্থায় উপযুক্ত পরিবর্তনের অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে আমাদের জোটের অবসানের প্রেক্ষিতে, আমাদের সদস্যদের বর্তমান আসনে তাদের পাশে বসাটা আর যথাযথ নয়…।” তাঁর অনুরোধ, “ডিএমকে সাংসদদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হোক যাতে তাঁরা ঠিকঠাকভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।”

    তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল

    কানিমোঝির এহেন পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল।  ঘটনাটি রাজ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় কোনও দলই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। অভিনেতা-রাজনীতিক বিজয়ের নয়া দল টিভিকে (TVK) প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে, যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। শাসক ডিএমকে পেয়েছে ৫৯টি আসন, তাদের মিত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠা কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন, এআইএডিএমকে পেয়েছে ৪৭টি আসন। একটি মাত্র আসনে জয়ী হয় বিজেপি।

    কংগ্রেসের ভোল বদল

    নির্বাচনের পর নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। ভোটের আগে কংগ্রেস ডিএমকের নেতৃত্বাধীন সেকুলার প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (SPA)-এর অংশ ছিল। বিজয়ের দল জয় পেতেই ডিএমকের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে টিভিকে-কে সরকার গঠনে সমর্থন করে রাহুল গান্ধীর দল। এই আনুষ্ঠানিক সমর্থনের ভিত্তিতে টিভিকে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানায়। যদিও টিভিকে-কংগ্রেস জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা পার হতে না পারায়, সেই প্রস্তাবও বাতিল করা হয়। ডিএমকে (DMK) নেতারা, যাঁর মধ্যে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনও রয়েছেন, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘পিঠে ছুরি মারা’ এবং সুযোগসন্ধানী রাজনীতির অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, বহু বছর ধরে জাতীয় ও রাজ্য স্তরে জোটে থাকার পরেও কংগ্রেস বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

    ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের ইতি!

    তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের ইতিহাস ছয়ের দশকের শেষের দিক থেকে শুরু হয়। বহু নির্বাচন, ক্ষমতা ভাগাভাগি ও ‘ইন্ডি’ (INDI) জোটের মধ্যে দিয়েও সেই সম্পর্ক টিকে ছিল। ২০২৬ সালে আসন বণ্টন নিয়ে আগেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তবে (Lok Sabha Speaker Letter) নির্বাচনের পর কংগ্রেসের এই ভোলবদলে রাহুল গান্ধীর দলের  সঙ্গে পাকাপাকিভাবে গাঁটছড়া ছিন্ন হয়ে গিয়েছে ডিএমকের। কংগ্রেস নেতারা এই সিদ্ধান্তকে ‘জনগণের রায়কে সম্মান জানানো’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ ফ্রন্ট গঠনে’র পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও ডিএমকের দাবি, “নিষ্ঠার জন্য বড় মূল্য চোকানোর পর এই আচরণ সম্পূর্ণ বিশ্বাসঘাতকতা (DMK)।”

     

  • Akhilesh Yadav: বঙ্গ এবং তামিলভূমের ভোটে ধরাশায়ী সংস্থার ‘ক্লায়েন্ট’, আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অখিলেশ

    Akhilesh Yadav: বঙ্গ এবং তামিলভূমের ভোটে ধরাশায়ী সংস্থার ‘ক্লায়েন্ট’, আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অখিলেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে মুখে রাজ্য থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালায় ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাক (Akhilesh Yadav)। এই সংস্থার সঙ্গেই গাঁটছড়া বেঁধেছিল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। আগামী বছর হওয়ার কথা উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন। বুধবার দুপুরেই অখিলেশ জানিয়ে দেন, আই-প্যাকের (I-PAC) সঙ্গে কাজ আর করবে না তারা। তিনি জানান, অর্থের অভাবে এই চুক্তি থেকে সরে এসেছেন।

    আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন অখিলেশের (Akhilesh Yadav)

    ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের হাতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছিল আই-প্যাকের। পরে অবশ্য সংস্থা থেকে সরে যান তিনি। এই সংস্থার সঙ্গেই কথা হয়েছিল অখিলেশের। কথা ছিল, ২০২২ সালের নির্বাচনে যেখানে অখিলেশের দলের পরাজয়ের ব্যবধান কম ছিল, সেই সব কেন্দ্রে কাজ করার। জানা গিয়েছে, অখিলেশ যাদবের দল আর একটি নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ‘শোটাইমে’র সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে, যা প্রায় দু’মাস আগে একটি চুক্তির মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। আই-প্যাকের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের কারণ জানতে চাইলে অখিলেশ রসিকতা করে বলেন, “আমাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। আপনারা (মিডিয়া) যদি আমাদের অর্থ দেন, তাহলে আমরা আর একটি সংস্থা নিয়োগ করতে পারি।”

    নেপথ্যের কারণ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অখিলেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গে তৃণমূল এবং তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, যাদের সঙ্গে আই-প্যাকের সম্পর্ক ছিল, পতনের পর। দুই রাজ্যেই আই-প্যাকের সঙ্গে কাজ করে গোহারা হারে সংস্থার দুই ‘ক্লায়েন্ট’। বঙ্গে বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয় তৃণমূল। ২৯৪টির মধ্যে ২০৭টি আসন জেতে বিজেপি। আর তামিলভূমে ডিএমকে পরাজিত হয় অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের নয়া দল টিভিকে-র কাছে। শুধু তাই নয়, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডিএমকে নেতা এমকে স্টালিন নিজেদের শক্ত ঘাঁটিতেই প্রার্থী হয়ে গোল খেয়ে যান। যদিও অখিলেশ এই জল্পনা উড়িয়ে দেন যে আই-প্যাকের (I-PAC) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত এই (Akhilesh Yadav) দুই রাজ্যে নির্বাচনী ফলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমাদের তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তারা কয়েক মাস আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে। কিন্তু আমরা সেভাবে অর্থ জোগাড় করতে পারছি না, তাই চালিয়ে যেতে পারছি না।”

    ভিনেশ চন্দেলের গ্রেফতারি

    এই বিচ্ছেদের পেছনে আর একটি কারণ হল ভিনেশ চন্দেলের গ্রেফতারি। ভিনেশ আই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত একটি অর্থ পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।  এপ্রিলের শুরুতে দিল্লিতে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থাটির অভিযোগ,  এক ‘হাওয়ালা’ অপারেটর, যে ওই পাচারকারীদের সঙ্গে যুক্ত, সে কোটি কোটি টাকা ইন্ডিয়ান প্যাক কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেডে পাঠাতে সাহায্য করেছে (I-PAC)। এই সংস্থাও পরিচালনা করে আই-প্যাক। ইডির আরও দাবি, আই-প্যাক এই অর্থ ঘোরানোর এবং কালো টাকা সাদা করার একটি মডেল তৈরি করেছিল। অভিযোগ, আই-প্যাক দুভাবে অর্থ পেত—অর্ধেক ব্যাঙ্কিং মাধ্যমে (চেক/অনলাইন ট্রান্সফার) এবং বাকি অর্ধেক নগদ বা নন-ব্যাঙ্কিং চ্যানেলে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চন্দেলের গ্রেফতারি এবং বাংলা ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনী ফল বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে সমাজবাদী পার্টিকে (Akhilesh Yadav)।

    চন্দেলের গ্রেফতারির জেরে আই-প্যাকের নির্বাচনী প্রচার পরিচালনার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তের চাপের কারণে প্রচারের শেষ সপ্তাহগুলিতে আই-প্যাক বিভিন্ন রাজ্যে তাদের কার্যকলাপ কমিয়ে দিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের অফিসগুলিতেও তাদের টিম ছোট করা হয়েছে (I-PAC)।

     

  • Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত চাণক্য সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Assembly election) ও অসমে গেরুয়া ঝড় এবং কেরল ও তামিলনাড়ুতে পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চাণক্যের (Chanakya Analysis) বুথ ফেরত সমীক্ষায় অসম এবং বাংলায় বিজেপির সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তামিলনাড়ুতে স্টালিনের নিজের জয় অবিচল রাখতে জোরদার লড়াই হবে। কেরলে কংগ্রেস সমর্থিত ইউডিএফ সরকার গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে আছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল ৪ এপ্রিলেই জানা যাবে  যেসরকার কারা গড়ছে চার রাজ্যে।

    ১. পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Chanakya Analysis)

    চাণক্যের (Chanaky Analysis) পূর্বাভাস সত্যি হলে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি+: ১৯২ (±১১) আসন
    • তৃণমূল কংগ্রেস (TMC): ১০০ (± ১১) আসন
    • অন্যান্য: ০২ (± ০২) আসন

    রাজ্যে তৃণমূলের (West Bengal Assembly election) দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে পারে।

    ২. অসম: ডাবল ইঞ্জিন সরকারে আস্থা

    অসমে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পথে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি জোট (NDA): ১০২-১১১ আসন
    • কংগ্রেস জোট (INC+): ২৩-৩২ আসন
    • অন্যান্য: ০-১ আসন

    অসমে বিরোধী জোট বিশেষ সুবিধা করতে পারছে না, বড় জয়ের পথে এনডিএ।

    ৩. তামিলনাড়ু: দ্রাবিড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

    তামিলনাড়ুতে এম.কে. স্ট্যালিনের ডিএমকে (DMK) জোট এগিয়ে থাকলেও, অভিনেতা বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকে (TVK) চমকপ্রদ ফল করতে পারে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ডিএমকে জোট (DMK+): ১২৫-১৩৬ আসন
    • টিভিকে (TVK): ৬৩-৭৪ আসন
    • এআইএডিএমকে (AIADMK/NDA): ৪৫-৫৬ আসন

    ডিএমকে কোনোমতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Chanakya Analysis) পেলেও প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসতে পারে বিজয়ের দল।

    ৪. কেরল: ক্ষমতার পটপরিবর্তন

    কেরলে প্রথা মেনে আবারও বামপন্থীদের হটিয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF) ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ইউডিএফ (UDF): ৬৯-৭৭ আসন
    • এলডিএফ (LDF): ৬৪-৭৩ আসন
    • বিজেপি (BJP): ৭-১১ আসন

    এলডিএফ এবং ইউডিএফ-এর মধ্যে কড়া টক্কর হলেও পাল্লা সামান্য ভারী কংগ্রেস শিবিরের দিকে। বিজেপিও রাজ্যে আসন সংখ্যা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা হবে দেশের আরও তিন রাজ্যের বিধানসভার (Assembly Elections 2026)। এই রাজ্য তিনটি হল অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ফল ঘোষণাও হবে ওই দিনই (Exit Poll)। বুধবারই বাংলায় সাঙ্গ হল দু’দফার ভোট-পর্ব। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে কোন রাজ্যে কে ক্ষমতায় আসছে, তা নিয়ে জল্পনা। এর কারণ একাধিক এক্সিট পোল বা  বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল। দেখে নেওয়া যাক, কী বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা।

    অসমের এক্সিট পোল

    ১২৬ আসন বিশিষ্ট অসম বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৬৪। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, অসমে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৪ থেকে ৩৬টি আসন। একটিও আসনও পাচ্ছে না এআইইউডিএফ। অন্যরা পেতে পারে শূন্য থেকে ৩টি আসন। জনমত পোলস-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৭ থেকে ৯৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৯ থেকে ৩০টি আসন। অন্যরা কোনও আসন পাবে না। জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০১টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ২৩ থেকে ৩৩টি আসন। এআইইউডিএফ পেতে পারে ২ থেকে ৫টি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৫ থেকে ৯৫টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৬ থেকে ৩৯টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)।

    তামিলনাড়ুর এক্সিট পোল

    দক্ষিণের দুটি রাজ্যেও হয়েছে বিধানসভার নির্বাচন। তামিলনাড়ু বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩৪। ম্যাজিক ফিগার ১১৮টি আসন। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, তামিলনাড়ুতে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে শাসকদল ডিএমকে, এডিএমকে এবং অভিনেতা বিজয়ের নয়া রাজনৈতিক দল টিভিকে-ও। এবার সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে এই নয়া দল। ঘুরে দাঁড়াতে পারে এডিএমকে-ও। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৯২ থেকে ১১০টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ২২ থেকে ২৩টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ৯৮ থেকে ১২০টি আসন।

    বুথ ফেরত সমীক্ষা

    জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ৭৫ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ১২৮ থেকে ১৪৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৮ থেকে ১৫টি আসন। অন্যরা কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।কামাক্ষ্যা অ্যানালেটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৬৮ থেকে ৮৪টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৬৭ থেকে ৮১টি আসন (Exit Poll)। ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ১২২ থেকে ১৩২টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৮৭ থেকে ১০০টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। অন্যরা খুব বেশি হলে পেতে পারে ৬টি আসন।

    কেরলের এক্সিট পোল

    দক্ষিণের আর এক রাজ্য কেরলেও হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ১৪০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৭১টি আসন। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, কেরলে এবার সরকার পরিবর্তন হতে চলেছে। বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করে সরকার গড়তে পারে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এলডিএফ ৪৯ থেকে ৬২টি আসন পেতে পারে। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯০টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)। পিপলস ইনসাইটের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, বামেদের জোট এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৬৬ থেকে ৭৬টি আসন। পদ্ম-ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১৪টি আসন। অন্যরা পাবে সর্বোচ্চ একটি আসন (Exit Poll)। পিপলস পালসের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, এলডিএফ পেতে পারে ৫৫ থেকে ৬৫টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৫ থেকে ৮৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন। ভোট ভাইবের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭০ থেকে ৮০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৪টি আসন। বিজেপি কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।

    পুদুচেরির এক্সিট পোল

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি বিধানসভার ফলও বেরবে ৪ তারিখেই। ৩০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১৬টি আসনের। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসির নেতৃত্বাধীন শাসকদল এবার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ২০টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ৮টি আসন। অভিনেতা বিজয়ের টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ২ থেকে ৪টি আসন। অন্যরা পেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তার সহযোগীরা পেতে পারে ১৭ থেকে ২৪টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়তে পারে ৪ থেকে ৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন। অন্যরা পেতে পারে সর্বোচ্চ একটি আসন। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ১৯টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। টিভিকে কোনও আসনই পাচ্ছে না। অন্যরা পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন (Assembly Elections 2026)। প্রাইয়া পোলের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তাদের সহযোগীরা পেতে পারে ১৯ থেকে ২৫টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। টিভিকে কোনও আসন পাবে না। অন্যদের অবস্থাও তথৈবচ (Exit Poll)।

     

  • PM Modi: “নারীদের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি”, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় বিরোধীদের নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “নারীদের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি”, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় বিরোধীদের নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নারীদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি (Womens Bill) ও দেশের অগ্রগতি—উভয়ই।” ১৮ এপ্রিল, শনিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় এদিন বিরোধী দলগুলিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। বিরোধীরা সংবিধান এবং মহিলাদের আকাঙ্ক্ষা—উভয়ের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলেও তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য এই আইনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বিলটি একবিংশ শতাব্দীর মহিলাদের জন্য ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী একে ‘সময়ের দাবি’ বলেও বর্ণনা করেন। তিনি এও বলেন, “ভারতের উন্নয়নের যাত্রায় নারীদের সমান অংশীদার করার জন্য এটি (বিলটি) একটি পরিষ্কার ও সৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল।” লোকসভায় বিলটি পাশ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ দেখছে কীভাবে নারীদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা চূর্ণ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নারী শক্তি ও দেশের অগ্রগতি—উভয়ই।” সংসদে বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া জানানোরও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “তাঁরা যা করেছেন, তা শুধু ডেস্কে আঘাত করা নয়, বরং মহিলাদের আত্মসম্মানের ওপর আক্রমণ।”

    বিরোধীদের আসল চেহারা প্রকাশ

    কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলিকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী তাদের সংবিধান ও নারী ক্ষমতায়নের বিরোধী বলে অভিহিত করেন। তাঁর অভিযোগ, তারা (বিরোধীরা) ঐতিহাসিকভাবে নারীদের সংরক্ষণ আনার প্রচেষ্টায় বাধা সৃষ্টি করেছে (PM Modi)। তিনি বলেন, “কংগ্রেস মহিলাদের সংরক্ষণের ধারণাকে ঘৃণা করে এবং সবসময় বাধা সৃষ্টি করেছে (Womens Bill)। বিরোধীরা দেশের সামনে তাদের আসল চেহারাও প্রকাশ করেছে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি আশা করেছিলাম কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের ভুল সংশোধন করবে, মহিলাদের সমর্থনে দাঁড়াবে, কিন্তু তারা ইতিহাস গড়ার সুযোগ হারিয়েছে।” বিরোধীদের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলে তিনি জানান, তাদের কাজ আবারও প্রমাণ করেছে যে তাদের রাজনৈতিক অগ্রাধিকার জাতীয় স্বার্থের ওপরে (PM Modi)।

     

  • Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের (Election 2026) সূচি ঘোষণা করে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ (২৩ ও ২৯ এপ্রিল), তামিলনাড়ু (২৩ এপ্রিল), কেরল (৯ এপ্রিল), অসম (৯ এপ্রিল) এবং পুদুচেরি (৯ এপ্রিল)। ভোট গণনা হবে ৪ মে। কমিশনের এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি বড় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল, যার মাধ্যমে প্রায় ৮২৪টি আসনে ভাগ্য নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা (Election 2026)

    রবিবার বিকেলে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, প্রায় ১৭.৪ কোটি মানুষ এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। এর মধ্যে অসমে ২.৫০ কোটি, কেরলে ২.৭০ কোটি, পুদুচেরিতে ৯.৪৪ লাখ, তামিলনাড়ুতে ৫.৬৭ কোটি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৬.৪৪ কোটি ভোটার রয়েছেন। তিনি বলেন, “২০টি দেশের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে এবং তা থেকে শিক্ষা নিতে ভারতে আসবেন।” নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct) কার্যকর হয়ে গেল বলেও জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছে। আর অন্যদিকে বিজেপি তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মরিয়া। রাজ্যে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে।

    নির্বাচন আরও তিন রাজ্যেও

    তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের সেক্যুলার প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স মুখোমুখি হচ্ছে বিজেপি–এআইএডিএমকে জোটের। সেখানে মোট ২৩৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। কেরলে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF) সরকার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF)-এর বিরুদ্ধে (Election Commission)। অসমে বিজেপি নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইছেন। পুদুচেরিতে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামীর এআইএনআরসির মুখোমুখি হচ্ছে ডিএমকে–কংগ্রেস জোট।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    এদিকে, ভুয়ো তথ্য ও ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখল কমিশন। জ্ঞানেশ জানান, এই বিষয়টি নজর রাখবেন নোডাল অফিসাররা। এই ধরনের ভুয়ো তথ্য বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুছে ফেলা এবং এফআইআর দায়ের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আদর্শ আচরণবিধি এখন থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর পর এমন কোনও ঘটনা ঘটলে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে কমিশন।” অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন (Election 2026) বিচারকরা।  অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে, সেই তালিকার নামগুলি বর্তমান ভোটারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।” তিনি জানান, বিবেচনাধীন থাকা নামগুলি খতিয়ে দেখছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা যে নামগুলিকে অনুমোদন দেবেন, সেগুলি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত করা হবে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আপাতত ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ৩ কোটি ২৮ লাখ, মহিলা ৩ কোটি ১৬ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১৫২জন। উল্লেখ্য যে, বঙ্গের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টিতে, দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে ১৪২টি আসনে (Election 2026)।

     

LinkedIn
Share