Tag: dollar

  • Iran Protests: ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটে ইরান, এক ডলারের মূল্য ১৪ লাখ রিয়াল! কেন এই হাল?

    Iran Protests: ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটে ইরান, এক ডলারের মূল্য ১৪ লাখ রিয়াল! কেন এই হাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ইরান (Iran Protests)। দেশটির জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের নজিরবিহীন পতনে এক মার্কিন ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ রিয়ালের কাছাকাছি। লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতি, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধজনিত ধাক্কা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক (Rial vs Dollar) অস্থিরতার সম্মিলিত প্রভাবে ইরানের অর্থনীতি গভীর মন্দার দিকে এগোচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে।

    মুদ্রা-পতন (Iran Protests)

    বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী শ্রেণির জন্য এই মুদ্রা-পতন কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি টিকে থাকার লড়াই। বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার ধাক্কা সামাল দিলেও ২০২৫ সালের শেষ দিকে রিয়ালের এই পতন নজিরবিহীন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইরানের বাজারে এক ডলার রিয়ালের দর ১৪ লাখ ছুঁয়েছে। ২০১৮ সালের পর থেকে রিয়াল তার প্রায় ৯০ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝাতে ইতিহাসের প্রসঙ্গ টানছেন বিশ্লেষকেরা। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের সময় এক ডলারের দাম ছিল মাত্র ৭০ রিয়াল। চার দশকে ইরানের মুদ্রাটির অবমূল্যায়ন হয়েছে প্রায় ২০ হাজার গুণ। শুধু ২০২৫ সালেই রিয়ালের দর কমেছে প্রায় ৪৫ শতাংশ, যার ফলে দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ হুড়োহুড়ি করে সঞ্চয় ভেঙে ডলার, সোনা ও অন্যান্য নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগ করতে শুরু করে (Iran Protests)।

    অর্থনৈতিক বিপর্যয়

    ইরানের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ত্বরান্বিত করেছে একাধিক ভূরাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ সঙ্কট। ২০২৫ সালের জুন মাসে ইজরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘর্ষ, এরপর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং নতুন করে রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা, সব মিলিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা ও আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের প্রবেশ কার্যত বন্ধ হয়ে যায় (Rial vs Dollar)। এর আগেই ২০১৮ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় তেল রফতানিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়, যার জেরে ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার প্রায় শূন্য হয়ে গিয়েছে।এই সম্মিলিত চাপ সামলাতে না পেরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পদত্যাগ করেন ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নর মহম্মদ রেজা ফারজিন। এটি সরকারের ব্যর্থতারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। সরকারি হিসাবে ইরানের বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৪২.২ শতাংশ হলেও অর্থনীতিবিদদের মতে প্রকৃত হার আরও অনেক বেশি। অথচ বেতন ও মজুরি কার্যত স্থবির, ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছে ভয়াবহভাবে (Rial vs Dollar)।

    বিপদে মধ্যবিত্তরা

    খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। ২০২৫ সালের শেষ দিকে সরকার যখন জরুরি পণ্যের জন্য থাকা বিশেষ বিনিময় হার বাতিল করে, তখন সঙ্কট আরও তীব্র হয়। রাতারাতি ভোজ্যতেল, গমজাত পণ্য ও মুরগির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ফলে লাখো পরিবার দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে যায় (Iran Protests)। এই মুদ্রা বিপর্যয়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে ইরানের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী শ্রেণি। শহুরে স্থিতিশীলতার স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত মধ্যবিত্তরা দেখছে, দশকের পর দশক ধরে জমানো সঞ্চয় কয়েক মাসেই উবে গিয়েছে। ব্যাঙ্ক আমানত, পেনশন ও বাড়ির স্বপ্ন, সবই অনিশ্চিত। শ্রমজীবীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার, যাতায়াত ও ভাড়া মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক পরিবার সন্তানদের স্কুল থেকে তুলে নিচ্ছে, চিকিৎসা পিছিয়ে দিচ্ছে। দৈনিক মজুরিই হয়ে উঠছে বেঁচে থাকার কৌশল (Rial vs Dollar)।

    কালোবাজারে ডলার কেনা

    রিয়ালের ওপর আস্থা হারিয়ে বহু মানুষ কালোবাজারে ডলার কেনা, সোনা কেনাবেচা ও সঞ্চয়ের দিকে ঝুঁকছে, যার জেরে ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে সে দেশের অর্থনীতি। অর্থনৈতিক ক্ষোভের এই বহিঃপ্রকাশ হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, যখন তেহরানের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে ধর্মঘটে নামেন। জোমহুরি অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ছাত্র, শ্রমিক ও নানান পেশাজীবীদের মধ্যে। ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দেশের ৩১টি প্রদেশেই। অর্থনৈতিক দাবির গণ্ডি পেরিয়ে আন্দোলন রূপ নেয় সরাসরি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে (Iran Protests)। ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবারের মতো ‘শাহের জয় হোক’—পাহলভি রাজতন্ত্র পুনর্বহালের স্লোগান শোনা যাচ্ছে মাশহাদ ও কুমের মতো ধর্মীয় শহরেও (Rial vs Dollar)। বিশ্লেষকদের মতে, এটি রিয়ালের পতনের সঙ্গে সঙ্গে শাসনব্যবস্থার ভিত্তিও ভেঙে পড়ার ইঙ্গিত।

    ইন্টারনেট বন্ধ

    বিদ্রোহীদের দমনে সরকার প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। বাসিজ মিলিশিয়া ও বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী টিয়ার গ্যাস এবং গুলিও ব্যবহার করছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলির হিসেব অনুযায়ী, ইতিমধ্যে বহু মানুষ নিহত ও হাজারো মানুষ গ্রেফতার হয়েছেন। তবুও আন্দোলন থামেনি। বিশ্বব্যাঙ্কের পূর্বাভাস, ২০২৫ সালে ইরানের জিডিপি ১.৭ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ২.৮ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা শিথিল, বিদেশি বিনিয়োগ ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া রিয়ালের এই পতন অপরিবর্তনীয় হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করছেন অর্থনীতিবিদরা। ইরানের মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবীদের কাছে এখন প্রশ্ন আর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নয়, স্রেফ শুধু কীভাবে টিকে থাকা যায়। রিয়ালের (Rial vs Dollar) এই দরের পতন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে শুধু আর্থিক নয়, বরং শাসনব্যবস্থা, বৈধতা ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সঙ্কট (Iran Protests)।

  • RBI: মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে ভারতীয় রুপির ব্যবহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ভারতের

    RBI: মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে ভারতীয় রুপির ব্যবহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে ভারত (RBI)। তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতীয় রুপির (Rupee) ব্যবহার বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর ফলে বিদেশি ব্যাঙ্কগুলির জন্য বিশেষ রুপি ভস্ত্রো অ্যাকাউন্ট (Special Rupee Vostro Accounts সংক্ষেপে  SRVA) খোলার প্রক্রিয়া সহজ হয়। এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে বিদেশি ব্যাঙ্কগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের জন্য রুপিতে অর্থ জমা ও ব্যবহার করতে পারে। ফলে ভারতীয় রফতানিকারী এবং আমদানিকারীদের ডলার বা ইউরোর মতো তৃতীয় পক্ষের কোনও মুদ্রার প্রয়োজন হয় না।

    নয়া নিয়ম (RBI)

    নয়া নিয়ম অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার ক্যাটাগরি-১-এ অন্তর্ভুক্ত ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলিকে তাদের বিদেশি অংশীদার ব্যাঙ্কের জন্য এসআরভিএ খোলার আগে আর আরবিআইয়ের আগাম অনুমতি নিতে হবে না। আগে প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদাভাবে আরবিআইয়ের অনুমোদন নিতে হত। এতে সব কাজে দেরি হত। এই পরিবর্তনের ফলে প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও সহজ হবে। বিদেশি ব্যাঙ্কের জন্য এই রুপি অ্যাকাউন্ট দ্রুত খোলার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে আরবিআইয়ের আশা, বাণিজ্য নিষ্পত্তির গতি বাড়বে, ভারতের বিকল্প পেমেন্ট সিস্টেম শক্তিশালী হবে এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনে রুপিকে একটি নির্ভরযোগ্য মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে।

    আববিআইয়ের সার্কুলার

    এই পদক্ষেপটি সার্কুলার নং আরবিআই/২০২৫-২৬/৭১ এর মাধ্যমে ঘোষণা করা হয় এবং আরবিআইয়ের চিফ জেনারেল ম্যানেজার এন সেন্টিল কুমার স্বাক্ষর করেন। এটি বিদেশি মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইন (FEMA), ১৯৯৯-এর ১০(৪) ও ১১(১) ধারা অনুসারে গৃহীত হয়েছে। এটি পূর্ববর্তী ব্যবস্থার থেকে ভিন্ন, যেখানে প্রতিটি এসআরভিএ খোলার জন্য শীর্ষ ব্যাঙ্কের পৃথক অনুমোদন প্রয়োজন হত। বর্তমান বিশ্বে স্থানীয় মুদ্রা চাপের মধ্যে রয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ১ মার্কিন ডলারের মূল্যমান ৮৬.৭০ রুপিতে পৌঁছেছে। বিদেশি মুদ্রার অস্থিরতা, বিভিন্ন বাণিজ্যিক পথজুড়ে নিষেধাজ্ঞার চলমান প্রভাব, এবং পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেক দেশের অর্থনীতিকে তাদের লেনদেন নিষ্পত্তির বিকল্প বৈচিত্র্যময় করতে উদ্বুদ্ধ করেছে। ভারত ইতিমধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং মলদ্বীপের সঙ্গে মউ (MoU) স্বাক্ষর করেছে, যা স্থানীয় মুদ্রায়, বিশেষত রুপিতে লেনদেনকে (Rupee) সক্ষম করবে।

    ভারতীয় রুপির কাঠামো

    ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই পদক্ষেপ জুলাই ২০২২ সালের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিষ্পত্তির জন্য ভারতীয় রুপির কাঠামোর একটি বিস্তৃত পর্যালোচনার পর এসেছে। ওই কাঠামোর অধীনে ভারতীয় রফতানিকারী ও আমদানিকারীদের জন্য বিশেষ ভোস্ট্রো রুপি অ্যাকাউন্ট চালু করা হয়েছিল, যাতে তাঁরা তৃতীয় দেশের মুদ্রা, যেমন ডলার বা ইউরো ব্যবহার না করেই রুপিতে পণ্য বিল, অর্থপ্রদান এবং বাণিজ্যিক লভ্যাংশ পেতে পারেন (RBI)। নয়া ব্যবস্থায় এসআরভিএর জন্য আরবিআইয়ের আগাম অনুমতির প্রয়োজন নেই। এডি ক্যাটেগরি-১ ব্যাঙ্কগুলি এখন তাদের সম্পর্ক থাকা বিদেশি সমতুল্য ব্যাঙ্কের সঙ্গে সরাসরি এসআরভিএ খুলতে পারবে, আরবিআইয়ের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। এই পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে এবং ব্যাঙ্কগুলিকে তাদের সদস্য ও গ্রাহকদের এ বিষয়ে অবহিত করতে হবে। প্রক্রিয়াগত বাধা দূর হলেও ব্যাঙ্কগুলিকে এখনও বিদ্যমান ফেমা আইন, কেওয়াইসি নির্দেশিকা, অর্থপাচার প্রতিরোধ নীতি এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিধি মেনে চলতে হবে।

    সুবিধা পাবেন কারা

    ভারতের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিরা এখন তাঁদের ভারতীয় রুপি অ্যাকাউন্ট, বিশেষ নন রেসিডেন্ট রুপি অ্যাকাউন্ট এবং এসআরভিএতে থাকা ব্যালেন্স ব্যবহার করে বিদেশে নন-ডেট (non-debt) উপকরণে, যেমন এফডিআইয়ে বিনিয়োগ করতে পারবেন। ভারতীয় রফতানিকারীরা এখন বিদেশে বিদেশি মুদ্রায় মনোনীত (Rupee) অ্যাকাউন্ট খুলে রফতানি থেকে প্রাপ্ত আয় নিতে এবং সেই অর্থ ব্যবহার করে আমদানি করতে পারবেন (RBI)। প্রশ্ন হল, কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? প্রথমত এর কার্যকরী দক্ষতা। অনুমোদনের ধাপ বাতিল হওয়ায় বিদেশি অংশীদার ব্যাঙ্কের অনবোর্ডিং সময়সীমা কমবে। দ্রুত কার্যকরী প্রক্রিয়াকরণ মানে ব্যবসায়িক চুক্তি প্রক্রিয়াগত জটিলতা বা বিলম্ব ছাড়াই সম্পন্ন হবে। দ্বিতীয়ত, এটি রুপিকে একটি বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত নিষ্পত্তি মুদ্রা করার প্রচেষ্টার অংশ। তৃতীয়ত, ভারতীয় আমদানিকারী ও রফতানিকারীদের জন্য (RBI) রুপিতে বাণিজ্য করার সুযোগ ডলারের ওঠানামার ঝুঁকি দূর করে এবং এক্সচেঞ্জ খরচ কমায়। এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য সেই অংশীদারদের ক্ষেত্রে, যাদের নিজস্ব অঞ্চলে ডলার সংকট বা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। চতুর্থত, ভারতীয় আমদানিকারী ও রফতানিকারীদের জন্য আইএনআরে বাণিজ্য করার সুযোগ ডলারের ওঠানামার ঝুঁকি দূর করে এবং এক্সচেঞ্জ খরচ কমায়।

    ডলার সংকটে সুফল দেবে

    এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য সেই অংশীদারদের ক্ষেত্রে, যাদের নিজস্ব অঞ্চলে ডলার সংকট বা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পঞ্চমত, আইএনআরে চালান করার ফলে বহু বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের ধাপ বাদ যায়, যা কিছু অংশীদারের জন্য ভারতীয় পণ্য ও সেবাকে তুলনামূলকভাবে সস্তা (Rupee) করে তুলতে পারে। ষষ্ঠত, বর্তমানে ২০টিরও বেশি দেশে ৮০টির বেশি এসআরভিএ কার্যকর রয়েছে। এটি ডলার-ভিত্তিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলেও ভারতের শক্তিশালী বাণিজ্য প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

LinkedIn
Share