Tag: Donald Trump

Donald Trump

  • Hush Money Case: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    Hush Money Case: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসনদে বসার দিন দশেক আগে বড় স্বস্তি পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পর্নস্টারকে ঘুষ দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টার মামলায় (Hush Money Case) নিঃশর্ত রেহাই পেলেন আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট। পর্নস্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেওয়ার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি (Donald Trump)। তার পরেই শুরু হয়েছিল আদালত কী সাজা দেয় ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টকে, তা নিয়ে জল্পনা। শেষমেশ স্বস্তির শ্বাস ফেললেন রিপাবলিকান পার্টির এই নেতা।

    কী বলল আদালত? (Hush Money Case)

    আদালত জানিয়ে দিয়েছে, জেল কিংবা জরিমানা, কিছুই হচ্ছে না তাঁর। ট্রাম্পকে যে জেলে যেতে হবে না, এক একপ্রকার জানাই ছিল। কারণ মার্কিন আইন অনুয়ায়ী, ট্রাম্পের কারাদণ্ডের সম্ভাবনা প্রায় ছিলই না। তবে আর্থিক জরিমানা হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন ট্রাম্পের অনুগামীদের একাংশ। শেষ পর্যন্ত নিঃশর্ত রেহাই মেলায় স্বস্তির শ্বাস ফেললেন ট্রাম্প ও তাঁর অনুগামীরা। শুক্রবার ফ্লোরিডা থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজিরা দেন ট্রাম্প। জানান, তিনি নির্দোষ (Hush Money Case)। এর পরেই বিচারক জুয়ান মার্চান বলেন, “এই আদালত নির্ধারণ করেছে যে, দেশের সর্বোচ্চ পদের ওপর হস্তক্ষেপ না করেই রায় বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার একমাত্র আইনসঙ্গত শাস্তি হল নিঃশর্ত অব্যাহতি।”

    স্টর্মিকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ

    ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্টর্মিকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। গত মে মাসে নিউ ইয়র্কের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাতে অবশ্য ট্রাম্পের রাজনৈতিক কেরিয়ারের কোনও ক্ষতি হয়নি। কারণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সাজা ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত (Hush Money Case)। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের দলের প্রার্থীকে কার্যত ধরাশায়ী করে জয়ী হন ট্রাম্প।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    এর পরেই মামলার (Hush Money Case) শাস্তি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। ভাবী প্রেসিডেন্টের সেই আর্জি খারিজ করে আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, প্রেসিডেন্ট পদে বসলেও, রক্ষাকবচের কোনও প্রশ্নই নেই। তার পরেই গুঞ্জন ছড়ায়, তাহলে কি দ্বিতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্ট পদে বসার আগেই অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন ট্রাম্প। শুক্রবার সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিল আদালত। স্বস্তি পেলেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, আগামী ২০ জানুয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: যুক্তরাষ্ট্রে মিশবে কানাডা, গ্রিনল্যান্ড! আমেরিকার সীমানা বাড়াতে চান ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    Donald Trump: যুক্তরাষ্ট্রে মিশবে কানাডা, গ্রিনল্যান্ড! আমেরিকার সীমানা বাড়াতে চান ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত বাড়ানোর অ্যাজেন্ডা শুরু করে দিলেন আমেরিকার হবু প্রেসিন্ডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ২০ জানুয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। তার আগেই তিনি শুরু করে দিলেন ‘কাজ’! তাঁর দাবি, কানাডা (Canada) হতে চলেছে আমেরিকার ৫১তম স্টেট (প্রদেশ)। কেবল মুখের কথাই নয়, এ সংক্রান্ত ম্যাপও শেয়ার করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    কানাডা আমেরিকারই! (Donald Trump)

    সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে দুটি ম্যাপ শেয়ার করেছেন ট্রাম্প। একটিতে তিনি দেখিয়েছেন, কানাডা আমেরিকারই অন্তর্গত আর একটি স্টেট। প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পর কানাডা দখলে তিনি অর্থনৈতিক বাহিনী পাঠাবেন বলেও দাবি করেছেন সাংবাদিক সম্মেলনে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, তিনি মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে ‘আমেরিকার উপসাগর’ রাখবেন এবং নেটো মিত্রদের কাছ থেকে অনেক বেশি প্রতিরক্ষা ব্যয় দাবি করবেন। তিনি বলেন, “কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র এক সঙ্গে হলে, সেটা সত্যিই অসাধারণ কিছু হবে।” হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আপনি যদি সেই কৃত্রিমভাবে আঁকা লাইনটি (মার্কিন-কানাডা সীমান্ত) সরিয়ে দেন এবং দেখেন এটি কেমন দেখায়, তবে এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও অনেক ভালো হবে।” ট্রাম্প কানাডিয়ান পণ্য ও দেশের সামরিক সাহায্যের জন্য আমেরিকার ব্যয়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন। বলেন, “ওয়াশিংটন তার থেকে কোনও উপকার পায় না।” এই প্রথম নয়। গতমাসেও কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করার জোর সওয়াল করেছিলেন ট্রাম্প। এমনকি, তিনি সেই সময়ে ট্রুডোকে ‘কানাডার গভর্নর’ বলেও অভিহিত করেছিলেন।

    পানামা খাল পুনরুদ্ধার!

    প্রেস কনফারেন্সে ট্রাম্প পানামা খাল পুনরুদ্ধার ও ডেনমার্ক থেকে গ্রিনল্যান্ড অধিকার করার কথাও (Canada) বলেন। সীমান্ত বাড়ানোর অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টিও উড়িয়ে দেননি তিনি। হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্যই আমাদের প্রয়োজন মধ্য আমেরিকার বাণিজ্য পথ এবং ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল অধিকার করা। পানামা খাল আমাদের সামরিক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।” প্রসঙ্গত, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেই ট্রাম্প (Donald Trump) পানামা খাল সংযুক্ত করার ইচ্ছে পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। পানামা খাল দিয়ে যাওয়া মার্কিন জাহাজগুলি থেকে অন্যায়ভাবে ফি আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। ট্রাম্প জানান, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মাঝখান দিয়ে প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করা এই গুরুত্বপূর্ণ খালটি পরিচালনার কাজে চিনের কোনও খবরদারি তিনি বরদাস্ত করবেন না। পানামা প্রশাসন এই খালটির পরিচালন ব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে না পারলে আমেরিকা সেটির নিয়ন্ত্রণভার নিজের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

    পানামা খালের গুরুত্ব

    সমুদ্রপথে সারা বিশ্বের মোট পণ্য পরিবহণের প্রায় ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে পানামা খাল ব্যবহার করা হয়। আমেরিকা ছাড়াও পানামা খাল মূলত ব্যবহার করে চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। এই খাল ব্যবহার করলে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ উপকূল ঘুরে যেতে হয় না বলে সাশ্রয় হয় সময় ও জ্বালানি। নিজের সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছিলেন, আমাদের নৌবাহিনী এবং বাণিজ্যের প্রতি অত্যন্ত অন্যায় ও অবিবেচক আচরণ করা হচ্ছে। পানামা যে ফি নিচ্ছে, তা হাস্যকর (Canada)। আমাদের দেশকে নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার। ট্রাম্প বলেছিলেন, এই চ্যানেলটি চালাবে শুধুমাত্র পানামা, চিন বা অন্য কেউ নয়। পানামা যদি কাজটা সুরক্ষিত, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্যভাবে করতে না পারে, তাহলে আমরা দাবি করব, বিনা প্রশ্নে পানামা খাল সম্পূর্ণভাবে আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক।   

    মেক্সিকো উপসাগরের নাম বদল!

    এদিন ট্রাম্প বলেন, “আমরা মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে আমেরিকার উপসাগর রাখব, যা একটি সুন্দর নাম। এটি অনেক অঞ্চলের ধারণা দেয়। আমেরিকার উপসাগর। কী সুন্দর একটি নাম এবং এটি যথার্থও।” নেটো সদস্যদের তাদের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পাঁচ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত বলেও মনে করেন ট্রাম্প। বলেন, “আমি মনে করি, নেটোর ৫ শতাংশ থাকা উচিত। তারা সবাই এটা করতে পারে (Canada)। ২ শতাংশ না হয়ে তাদের উচিত ৫ শতাংশে পৌঁছানো (Donald Trump)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প, আমন্ত্রিতের তালিকায় নাম নেই মোদির!

    Donald Trump: প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প, আমন্ত্রিতের তালিকায় নাম নেই মোদির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০ জানুয়ারি পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ওই দিন দুপুর ১২টায় ওয়াশিংটন ডিসিতে হবে শপথ গ্রহণ (PM Modi) অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানরা। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ডে-র দিন। এদিন আমেরিকায় ছুটি। এটি দ্বিতীয়বার হবে যখন অভিষেক দিবস এমএলকে ডে-র সঙ্গে একই দিনে পড়বে। ১৯৯৭ সালেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। সেবার এই দিনে দ্বিতীয়বারের জন্য শপথ নিয়েছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন।

    ট্রাম্পের শপথ (Donald Trump)

    ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে দুপুরে। তার কিছুক্ষণ পরেই তিনি শপথ নেবেন। তিনি হবেন আমেরিকার র ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। অভিষেক অনুষ্ঠানের জন্য ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে কিছু বিদেশি নেতাকে বিশেষ করে সাম্প্রতিক অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধে জড়িত রাষ্ট্রপ্রধানদের, আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। যদিও নিশ্চিত তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি, তবে ট্রাম্প সমর্থক ও বিশ্ব নেতাদের অনুষ্ঠানটিতে যোগদানের পরিকল্পনা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তা থেকেই জানা গিয়েছে ২০ তারিখের মেগা ইভেন্টে কারা যোগ দেবেন (Donald Trump)।

    কারা রয়েছেন আমন্ত্রিতের তালিকায়

    ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, “আমি অবশ্যই যাচ্ছি।” তিনি বলেন, “শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান এড়িয়ে যাওয়া একমাত্র প্রেসিডেন্ট হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন।” প্রসঙ্গত, বাইডেন যখন শপথ নিয়েছিলেন, সেই অনুষ্ঠান এড়িয়ে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। সূত্রের খবর, ওই অনুষ্ঠানে শি স্বয়ং যাবেন না। তবে চিনের প্রবীণ কর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকবেন ওই অনুষ্ঠানে।

    আরও পড়ুন: ভারতের বাঁধ নির্মাণে বাধা দিতে অরুণাচলপ্রদেশে উগ্রপন্থীদের মদত দিচ্ছে চিন!

    আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মিলে, ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভালোদিমির জেলেনস্কিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে ওই তালিকায় নাম নেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ট্রাম্পের আমন্ত্রিত অতিথিদের যে তালিকা ফাঁস হয়েছে, তাতে মোদির নামই নেই। তবে সোমবার দিল্লিতে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোদি। পরে তিনি বলেন, “ভারত-মার্কিন (PM Modi) বিস্তৃত বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নয়া উচ্চতায় পৌঁছেছে (Donald Trump)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকা এমন কোনও পদক্ষপ করবে না যা তার প্রতিবেশীর কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে (India Bangladesh Relation) বোঝাপড়ার মাধ্যমে এগোনোর কথা বললেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শেখ হাসিনা সরকারের পতনে পর থেকেই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ভারত-বিরোধী মনোভাব ক্রমশই প্রকাশ্যে আসছে। ভারত বিরোধিতার কারণে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারও বাড়ছে। এই অবস্থায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পরে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক কিছুটা সহজ হবে বলে আশা করছে কূটনৈতিক মহল। 

    দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক

    শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে যখন উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) সেই সময় শেখ হাসিনার থেকে সেনার হাতে ক্ষমতা নেওয়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতার বার্তা দিয়েছেন। বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, তাঁদের জন্য ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশ অনেক বিষয়েই ভারতের উপর নির্ভর করে। আবার ভারতও কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের থেকে সুবিধা পায়। জেনারেল ওয়াকারের কথায়, “এটা একটা দেওয়া–নেওয়ার সম্পর্ক।” 

    পারস্পরিক বোঝাপড়া

    পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সম্পর্ক এগিয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমন কিছু করবে না, যা সেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। তিনি চান, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিও যেন তা বিবেচনা করে এবং বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী কিছু না করে। সরাসরি কোনও প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, “সীমান্তে আমাদের লোকজনকে হত্যা করবে না। আমরা প্রাপ্য জল পাব। এতে তো কোনও অসুবিধা নেই!” বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, “দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। ভারতের অনেকেই বাংলাদেশে কাজ করছেন। আবার বাংলাদেশ থেকেও অনেকে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। ভারত থেকে পণ্যও কিনছে বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার সঙ্গে ভারতের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।”

    মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু

    বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) আটক ৯৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী এবং ভারতে আটক ৯০ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীর পারস্পরিক আদানপ্রদান প্রক্রিয়া সম্প্রতি শুরু হয়েছে। রবিবারের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে অনুমান। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর-নভেম্বরে বাংলাদেশের জলসীমায় আটক হওয়া ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীদের এতদিন সে দেশে রেখে দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে দিল্লির হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। অন্যদিকে, মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পাশাপাশি ভারতে আটক বাংলাদেশের দু’টি ফিশিং ভেসেল এবং বাংলাদেশে আটক ভারতের ছয়টি ফিশিং বোটও হস্তান্তর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। গত ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার নিকটে ‘এফভি লায়লা-২’ এবং ‘এফভি মেঘনা-৫’ নামে দুটি বাংলাদেশি ফিশিং ভেসেল-সহ মোট ৭৮ জন এবং গত ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি মাছ ধরার নৌকা ‘এফবি কৌশিক’ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ডুবে গেলে এর ১২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। তাঁদের কারামুক্তি ঘটেছে। ৭৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী আপাতত ওড়িশার পারাদ্বীপে ভারতীয় উপকূল বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ১২ জন পশ্চিমবঙ্গের কাকদ্বীপে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: চিনে ফের নতুন ভাইরাসের হানা! হাসপাতালে ভিড়ের ভিডিও ভাইরাল

    ট্রাম্প-মোদি সমীকরণ

    আমেরিকা যে বিশ্বের সুপারপাওয়ার, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে, ভারতও (India Bangladesh Relation) বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দাদা। ভারতকে বাদ দিয়ে এই অঞ্চলে আমেরিকার পক্ষেও কিছু করা সম্ভব নয়। ভারতের সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের নরমে-গরমে সম্পর্ক ছিল। তবে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। প্রচার পর্বেও বারবার ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদিকে ‘চমৎকার মানুষ’, ‘আমার বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেছেন। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরও জোরালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কাজেই, ট্রাম্প জয়ী হওয়ায়, আমেরিকা-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে ভারত ঢুকে পড়েছে এমনটাই মনে করে কূটনৈতিক মহল। সেক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে ইউনূস সরকারের সম্পর্ক স্বাভাবিক না হলে, বিপদে পড়বে বাংলাদেশ। এক কথায় ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায়, বাংলাদেশের পক্ষে আর ভারতকে অবজ্ঞা করা সম্ভব হবে না। ভারত নির্ভরতা আরও বাড়বে। তাই আমেরিকায় পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের সুর নরম হয়েছে। ভারতকে বন্ধু না বললেও, প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা করতেও নারাজ বাংলাদেশ। দিল্লিকে অবজ্ঞা করার সাহস ঢাকা যে পাবে না তা ভালোই জানে ইউনূস প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panama Canal: মাথাব্যাথা বাড়াচ্ছে চিন! পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

    Panama Canal: মাথাব্যাথা বাড়াচ্ছে চিন! পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ পানামা ক্যানেল এখন আমেরিকার মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, এই ক্যানেলের (Panama Canal) ওপর বাড়ছে চিনা আধিপত্য! এই খাল ব্যবহারকারী মার্কিন জাহাজগুলি থেকে অন্যায়ভাবে বাড়তি কর আদায় করা হচ্ছে। প্রশান্ত এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করা এই খাল পরিচালনায় চিনের খবরদারি বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দিলেন আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জানিয়ে দিলেন, যদি পানামা প্রশাসন সঠিকভাবে এই খাল পরিচালনা করতে না পারে সেক্ষেত্রে আমেরিকা সেটি ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানাবে।

    পানামা নিয়ে চিনকে বার্তা দিলেন ট্রাম্প?(Panama Canal)

    সমুদ্রপথে সারা বিশ্বের মোট পণ্য-পরিবহণের প্রায় ৫ শতাংশের ক্ষেত্রে পানামা খাল (Panama Canal) ব্যবহৃত হয়। এতে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ উপকূল ঘুরে যেতে হয় না বলে অনেকটা সময় ও জ্বালানি বাঁচে। খালটি তৈরি করেছিল আমেরিকা। ১৯১৪ সালে নির্মাণকাজ শেষের পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা এবং পানামা প্রশাসন যৌথভাবে খালটি পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছিল। ১৯৭৭ সালে আমেরিকার ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের আমলে সই হওয়া চুক্তির ফলে ১৯৯৯ থেকে এই খালটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পায় পানামা। কিন্তু, সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প অভিযোগ তুলেছেন, “পানামা খালটি ১১০ বছর আগে ব্যবসার জন্য চালু করা হয়েছিল। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীবন ও সম্পদের জন্য বিশাল ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। মূলত, খালটি তৈরির সময় জঙ্গলে মশার কামড়ে ৩৮ হাজার আমেরিকান পুরুষ মারা গিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এক ডলারের বিনিময়ে খালটি তাঁর কার্যকালের সময় এটি শুধুমাত্র পানামার জন্য দিয়েছিলেন। চিন বা অন্য কারও জন্য নয়।” তাঁর কথায়, “আমাদের নৌবাহিনী এবং বাণিজ্যের প্রতি অত্যন্ত অন্যায় এবং অবিবেচক আচরণ করা হচ্ছে। এই খালপথ ব্যবহার করতে দেওয়ার বিনিময়ে পানামা আমেরিকার কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।” তিনি আরও বলেন, “পানামা যে ফি নিচ্ছে, তা হাস্যকর। আমাদের দেশকে নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।”  আমেরিকা ছাড়াও পানামা খাল মূলত ব্যবহার করে চিন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। ট্রাম্পের কথায় ইঙ্গিত, সেখানে চিনের প্রভাব বাড়ছে। ভাবী প্রেসিডেন্ট বলেছেন, “এই চ্যানেলটি চালাবে শুধুমাত্র পানামা, চিন বা অন্য কেউ নয়। পানামা যদি কাজটা সুরক্ষিত, দক্ষ এবং নির্ভরযোগ্য ভাবে করতে না পারে, তা হলে আমরা দাবি করব, বিনা প্রশ্নে পানামা খাল সম্পূর্ণ ভাবে আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক।”

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    পানামার প্রেসিডেন্ট নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন

    পানামার (Panama Canal) প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো ট্রাম্পের বক্তব্যকে তার দেশের সার্বভৌমত্বের অপমান বলে দ্রুত প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, “পানামা খালের প্রতিটি বর্গমিটার এবং আশেপাশের এলাকা পানামার অন্তর্গত। আর তা পানামার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “পানামাবাসীদের অনেক বিষয়ে ভিন্ন মত থাকতে পারে। কিন্তু যখন আমাদের খালের কথা আসে, তখন আমরা সবাই আমাদের পানামানিয়ার পতাকার নীচে একত্রিত হব।” তিনি বিশেষভাবে ট্রাম্পের নাম উল্লেখ না করেই খালের দাম বৃদ্ধির সমালোচনার জবাব দেন। তিনি দাবি করেন যে সরবরাহ-ও-চাহিদার খরচের ওপর ভিত্তি করে শুল্ক নির্ধারণ করা হয়। “শুল্কগুলি একটি ইচ্ছার ওপর সেট করা হয় না,” তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন এবং তারপরে আরও বেশি জাহাজ ট্রাফিক পরিচালনার জন্য খালটি প্রসারিত করার জন্য পানামার স্বায়ত্ত্বশাসিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “খরার কারণে এই খালের কার্যকলাপে প্রভাব পড়েছিল। এমন একটি কঠিন বছরের পরে খরচ মেটাতে এবং খালের পরিকাঠামো বজায় রাখার জন্য ফি বাড়ানো হয়েছিল।” উল্লেখযোগ্যভাবে, খালটি পানামার অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি এবং এটি সরকারের বার্ষিক রাজস্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ উৎপন্ন করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • America: ট্রাম্পের পছন্দ শ্রীরাম! এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আমেরিকাকে দিশা দেখাবেন

    America: ট্রাম্পের পছন্দ শ্রীরাম! এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আমেরিকাকে দিশা দেখাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রশাসনে ঠাঁই হতে চলেছে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের। আমেরিকার (America) অবস্থিত ভারতীয় বংশোদ্ভূতের নাম শ্রীরাম কৃষ্ণাণ। আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সে হোয়াইট হাউসে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠীত হতে চলা ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সিনিয়র উপদেষ্টার পদ পাচ্ছেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পদে শ্রীরাম কৃষ্ণাণের নাম ঘোষণা করেছেন। 

    কী বললেন ট্রাম্প?(America)

    সদ্য করা ঘোষণায়, প্রশাসনের (America) একগুচ্ছ পদে নিয়োগের কথা জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই ঘোষণার সময়ই তিনি শ্রীরাম কৃষ্ণাণের নাম ঘোষণা করেন। এক এক্স পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন,”শ্রীরাম কৃষ্ণাণ হোয়াইট হাউস অফিস অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সংক্রান্ত নীতিতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)-র জন্য সিনিয়র নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন”। নিজের পোস্টে ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, “ডেভিড স্যাক্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে, শ্রীরাম A.I.-তে আমেরিকান নেতৃত্ব অব্যাহত রাখার বিষয়ে ফোকাস করবেন এবং A.I. গঠন ও সমন্বয় করতে সাহায্য করবেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রেসিডেন্ট উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে তিনি কাজ করবেন।”

    কে এই শ্রীরাম কৃষ্ণাণ?

    জানা গিয়েছে, শ্রীরাম কৃষ্ণাণ সম্পর্কে জানা যাচ্ছে, তিনি ভারতের তামিলনাড়ুর কাঞ্চিপুরমের কাট্টাঙ্ককুলাথুরের এসআরএম ভাল্লিমাই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়ুয়া ছিলেন। তাঁর কেরিয়ার শুরু মাইক্রোসফ্ট দিয়ে। সেখানে তিনি ‘উইন্ডোজ অ্যাজিউর’ তৈরি করতে কাজ করেছেন। এর এপিই ও পরিষেবার ক্ষেত্রে তিনি কাজ করেছেন। কৃষ্ণাণ একজন মার্কিনি শিল্পোদ্যগী। এছাড়াও তিনি ‘ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট’ ও লেখক হিসেবে পরিচিত। ‘উইন্ডোজ অ্যাজিউর ফর ও’রেইলি’ বইটির লেখক কৃষ্ণাণ। এককালে ফেসবুকেও কাজ করেছেন তিনি। ২০১৩ সালে তিনি ফেসবুকে যোগ দেন। ফেসবুকে মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। পরে স্ন্যাপে ও তারপর টুইটারে কাজ করেছেন কৃষ্ণাণ। ২০১৯ সাল পর্যন্ত টুইটারে কাজ করেছেন কৃষ্ণাণ। যে টুইটার পরে এক্স হয় ও তার মালিকানা যায় মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের হাতে।

    কৃষ্ণাণ বলেন, “আমাদের দেশের সেবা করতে পেরে এবং ডেভিড স্যাক্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমি সম্মানিত।” কৃষ্ণাণের নিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছে ভারতীয় আমেরিকান সম্প্রদায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করতে চান হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। একইসঙ্গে চান আমেরিকায় (US) থাকা অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার করতে। তবে তথাকথিত ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষিত রাখতে চান রিপাবলিকান পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    ‘মিট দ্য প্রেস উইথ ক্রিস্টেন ওয়েলকার’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, তিনি অফিসে প্রথম দিনেই একটি এক্সিকিউটিভ অ্যাকশনের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করার পরিকল্পনা করছেন। প্রসঙ্গত, আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সেই সকল ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, যারা সে দেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের বাবা-মা অভিবাসী কিনা, তা বিবেচনা করা হয় না। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প। তাঁর আশা, সেদিনই দায়িত্ব নেওয়ার পরে অবৈধ অভিবাসনকে জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করবেন। সারা দেশে কঠোর অভিযান পরিচালনা করবেন বলেও জানান তিনি। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আমেরিকায় রয়েছেন প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ অবৈধ অভিবাসী। ট্রাম্প (Donald Trump) চান যাঁদের বৈধ স্ট্যাটাস নেই, তাঁদের প্রত্যেককেই বহিষ্কার করা হোক। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনাকে এটি করতে হবে। এটি একটি খুব কঠিন কাজ। আপনি জানেন, এখানে নিয়ম, বিধি, আইন রয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ড্রিমারদের সুরক্ষা

    তবে ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রস্তুত হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প  বলেন, “রিপাবলিকানরা ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষার ধারণাটি বিবেচনা করতে প্রস্তুত। যাদের শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছিল, তাদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।” তিনি বলেন, “যাঁদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে তাঁরা হলেন সেই ব্যক্তিরা যাঁরা ১০ বছর ধরে অনলাইনে কিংবা লাইনে দাঁড়িয়ে দেশটিতে বৈধ উপায়ে আসার চেষ্টা করছেন। আমরা মানুষদের জন্য আসার প্রক্রিয়াকে খুব সহজ করব। তবে তাঁদের অবশ্যই পরীক্ষায় পাস করতে হবে। তাঁদের অবশ্যই বলতে হবে যে স্ট্যাচু অব লিবার্টি কী। তাঁদের আমাদের দেশ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকতে হবে। তাঁদের অবশ্যই আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্পের (Donald Trump) জন্মগত নাগরিকত্বে (Birthright Citizenship) ইতি টানার পরিকল্পনা সহজে বাস্তবায়িত হবে না। এতে তাঁকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। কারণ এই অধিকারটি মার্কিন (US) সংবিধান স্বীকৃত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: ট্রাম্প প্রশাসনে আরও এক ভারতীয়  বংশোদ্ভূতের অভিষেক, কী দায়িত্ব পেলেন কাশ?

    Donald Trump: ট্রাম্প প্রশাসনে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের অভিষেক, কী দায়িত্ব পেলেন কাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক ভারতীয়  বংশোদ্ভূতের অভিষেক ট্রাম্প প্রশাসনে! আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) মন্ত্রিসভা-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে চলছে ভারতীয়  বংশোদ্ভূতদের নিয়োগ। এবার এফবিআই (ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন)-এর পরিচালক পদে ট্রাম্প বেছে নিলেন কাশ প্যাটেলকে (Kash Patel)।

    কাশ প্যাটেল

    সিআইএর প্রধান হওয়ার দৌড়ে এগিয়েছিলেন কাশ। পরে ওই পদে বসানো হয় জন ব়্যাটক্লিফকে। কাশকে বসানো হল এফবিআইয়ের পরিচালক পদে। এক্স হ্যান্ডেলে ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি এটা ঘোষণা করতে পেরে গর্বিত যে কাশ্যপ ‘কাশ’ এফবিআই-এর পরবর্তী পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন।” কাশের পুরো নাম কাশ্যপ প্রমোদ প্যাটেল। তিনি দীর্ঘদিন হাউস পারমানেন্ট সিলেক্ট কমিটিতে কাউন্টার টেররিজমের উপদেষ্টা পদে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হোয়াইট হাউসে কাউন্টার টেররিজম ডিরেক্টরেট অফ দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সিনিয়র ডিরেক্টর পদে ছিলেন। ২০২০ সালে আমেরিকার অস্থায়ী প্রতিরক্ষা সচিব ক্রিস মিলারের চিফ অফ স্টাফ নিযুক্ত হন কাশ।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) (শপথ নেবেন ২০ জানুয়ারি) বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে কাশ্যপ ‘কাশ’ প্যাটেল ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) পরবর্তী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কাশ একজন মেধাবী আইনজীবী, তদন্তকারী এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির প্রবক্তা, যিনি তাঁর পুরো কর্মজীবনে দুর্নীতির উন্মোচন, ন্যায়বিচারের সুরক্ষা এবং আমেরিকান জনগণের সুরক্ষার জন্য কাজ করেছেন। তিনি ‘রাশিয়া, রাশিয়া, রাশিয়া’ ষড়যন্ত্র উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং সত্য, জবাবদিহিতা ও সংবিধানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: মাও-মুক্ত ছত্তিশগড়ের গ্রাম, বিজলির আলোয় ঘুঁচল ‘আঁধার’

    তিনি বলেন, “আমার প্রথম মেয়াদের সময় কাশ অসাধারণ কাজ করেছেন। তিনি প্রতিরক্ষা বিভাগের চিফ অব স্টাফ, ডেপুটি ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কাশ ৬০টিরও বেশি জুরি ট্রায়াল পরিচালনা করেছেন।”

    ট্রাম্প বলেন, “এই এফবিআই আমেরিকায় ক্রমবর্ধমান অপরাধের মহামারী শেষ করবে, অভিবাসী অপরাধী গ্যাংগুলোকে ধ্বংস করবে এবং সীমান্ত জুড়ে মানব ও মাদক পাচারের দুষ্ট চক্র বন্ধ করবে।” তিনি বলেন, “কাশ (Kash Patel) আমাদের মহান অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডির অধীনে কাজ করবেন, এফবিআই-এ বিশ্বস্ততা, সাহসিকতা এবং সততা পুনরুদ্ধার করতে (Donald Trump)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jay Bhattacharya: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    Jay Bhattacharya: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের নয়া অধিকর্তা হচ্ছেন জয় ভট্টাচার্য (Jay Bhattacharya)। পুরো নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য। বছর ছাপ্পান্নর জয় একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিদ এবং অর্থনীতিবিদ। তাঁর জন্ম কলকাতায়। বর্তমানে তিনি যুক্ত রয়েছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকার ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিক রিসার্চের সঙ্গে। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে এমডি ডিগ্রি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডিও করেছেন জয়।

    জয়ের ভূয়সী প্রশংসা (Jay Bhattacharya)

    জয়কেই যে এনআইএইচ-এর অধিকর্তার পদে বসানো হচ্ছে, ২৬ নভেম্বর সে সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন ক্যাবিনেটে অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি জয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারত-বন্ধু ট্রাম্প। ট্রাম্প জানান, রবার্ট এফ কেনেডির সঙ্গে মিলে এখন থেকে আমেরিকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দায়িত্ব সামলাবেন জয়। স্বাস্থ্য অধিকর্তার পদে নিযুক্তির খবর (Jay Bhattacharya) পাওয়ার আগেই কেনেডির সঙ্গে দেখা করেছিলেন জয়। তাঁকে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান। তার পরেই এল নিযুক্তির খবর।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    বিবৃতি জারি করে ট্রাম্প বলেন, “ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হেল্থ পলিসি নিয়ে পড়ান জয়। ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিকস রিসার্চের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট তিনি। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড ইনস্টিটিউট এবং হুভার ইনস্টিটিউটে তিনি সিনিয়র ফেলো। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমডি এবং পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে তাঁর কাছে।” হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, স্ট্যানফোর্ডের সেন্টার ফর ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ইকোনমিক্স অফ হেল্থ অ্যান্ড এজিংয়ের ডিরেক্টর জয়। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় হল, সমাজের দুর্বল শ্রেণির মানুষের জন্য স্বাস্থ্য প্রকল্পের ভূমিকা, বায়োমেডিক্যাল ইনোভেশন এবং অর্থনীতি।

    আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই

    কলকাতায় ১৯৬৮ সালে জন্ম জয়ের (Jay Bhattacharya)। ১৯৯৭ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন থেকে তিনি ডক্টর অফ মেডিসিন ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে মাস্টার্স করেন তিনি। ২০০০ সালে স্ট্যানফোর্ড থেকেই অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি পান জয়। জয় নামে পরিচিত হলেও, তাঁর আসল নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য।

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এনআইএইচ। স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গবেষণায় অনুদান দিয়ে থাকে এই সংস্থা। মার্কিন (Donald Trump) দেশে ওষুধ এবং থেরাপির ক্ষেত্রেও অনুমোদন নিতে হয় এই সংস্থার (Jay Bhattacharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: চিন-কানাডার পণ্যে চড়া আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: চিন-কানাডার পণ্যে চড়া আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই। শেষমেশ সত্যিই হল। প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার আগেই বড় ঘোষণা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাবী (এখনও শপথ নেননি) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন তাঁর আগামী বাণিজ্য-নীতির কথা। তিনি বলেন, “২০ জানুয়ারি, আমার প্রথম এক্সিকিউটিভ নির্দেশগুলোর একটি হিসেবে, আমি সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করব, যা মেক্সিকো এবং কানাডা (Tariffs On China Canada) থেকে আমেরিকায় প্রবেশ করা সমস্ত পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে।”

    শুল্ক আরোপ (Donald Trump)

    তিনি যে মেক্সিকো, কানাডা এবং চিন থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করবেন, সেই ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন। সোমবার রীতিমতো ঘোষণাই করে দিলেন। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে একাধিক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ‘তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারদের থেকে আমদানিকৃত সব পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করবেন।’ অন্য একটি পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘অতিরিক্ত শুল্কের বাইরে তিনি চিনের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন।’ তিনি বলেন, “ফেন্টানিল পাচার মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই শুল্ক আরোপ করা হবে।”

    ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি

    প্রসঙ্গত, শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তিনি মিত্র এবং প্রতিপক্ষ উভয়ের উপরই ব্যাপক শুল্ক আরোপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এদিন সেই সংক্রান্ত ঘোষণাটিই করলেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া দিতে দেরি করেনি চিন ও কানাডা। দুই দেশই জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে তাদের প্রত্যেকের বাণিজ্যিক সহযোগিতা ‘মিউচুয়ালি বেনিফিসিয়াল’। চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ জানান, কেউই বাণিজ্য যুদ্ধে জয়ী হবে না। ফেন্টানিল পাচার রোধে চিনের প্রচেষ্টার পক্ষে সাফাইও গেয়েছেন তিনি। লিউ বলেন, “চিন বিশ্বাস করে, চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা প্রকৃতিগতভাবে মিউচুয়ালি বেনিফিসিয়াল।”       

    কানাডা জানিয়েছে, এটি আমেরিকার জ্বালানি সরবরাহের জন্য অপরিহার্য এবং এই (Donald Trump) সম্পর্ক আমেরিকার শ্রমিকদের জন্যও উপকারী। কানাডার উপ প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা অবশ্যই নতুন প্রশাসনের সঙ্গে এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে গ্রেফতার নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ চিন্ময় প্রভু

    উল্লেখ্য যে, এর আগের দফায় হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন, ট্রাম্প চিনের সঙ্গে সর্বাত্মক বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। শত শত বিলিয়ন ডলারের চিনা পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছিলেন। সেই সময় তিনি যুক্তি হিসেবে (Tariffs On China Canada) উল্লেখ করেছিলেন অন্যায্য বাণিজ্য প্রথা, মেধাস্বত্ব চুরি এবং বাণিজ্য ঘাটতির কথা (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share