Tag: Double-engine government

  • PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন ডঃ বি.আর. আম্বেদকরের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং এই বিশেষ দিনটিতে আইনসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বাস্তবায়নের (Women In legislative Bodies) পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতে, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে আইনসভাগুলোতে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো অপরিহার্য।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (টুইটার) একটি চিঠির মাধ্যমে বলেন, “১৪ এপ্রিল ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। জাতি গঠনে বাবাসাহেব আম্বেদকরের অসামান্য অবদান এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের (Women In legislative Bodies) প্রতি তাঁর অঙ্গীকার আজও দেশকে পথ দেখাচ্ছে।

    নারী শক্তির জয়গান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, সিনেমা, এমনকি স্টার্টআপ এবং বিজ্ঞানের জগতেও মহিলারা আজ নেতৃত্বের ভূমিকায় রয়েছেন।

    খেলাধুলায় বিপ্লব

    মোদী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় মহিলা ক্রীড়াবিদরা রেকর্ড ভাঙছেন এবং পুরনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তাঁদের এই সাফল্য কোটি কোটি তরুণীকে অনুপ্রাণিত করছে।

    আইনসভায় সংরক্ষণ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, মহিলারা যখন সব ক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন, তখন আইনসভাগুলোতেও তাঁদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং জরুরি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১০০ বছর আগে আমেদাবাদ মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি থাকাকালীন সরদার প্যাটেল মহিলাদের (Women In legislative Bodies) জন্য আসন সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছিলেন।

    নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম

    আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনগুলো যেন মহিলা সংরক্ষণ মেনেই অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, “ভারতের কন্যারা (Women In legislative Bodies) তাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য আর অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে না।”

    বিকশিত ভারত ২০৪৭

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে স্বপ্ন দেশ দেখছে, তা অর্জনে দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা অর্থাৎ মহিলাদের নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। মহিলারা যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পর্যায়ে থাকবেন, তখনই গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত হবে।

    সব দলের প্রতি আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে এই বিল বাস্তবায়নে সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি দেশের মহিলাদের প্রতিও অনুরোধ করেছেন যাতে তাঁরা তাঁদের স্থানীয় সাংসদদের চিঠি লিখে এই ঐতিহাসিক সংসদীয় অধিবেশনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আগামী উৎসবের মরসুমের জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র বালেন শাহ (Nepal PM Balendra) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। একদিকে যখন তিনি নেপালের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে ভিআইপি সংস্কৃতি, আমলাতন্ত্র ও শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে ১০০ দফার এক আমূল পরিবর্তনকারী কর্মসূচি শুরু করেছেন, ঠিক তখনই এই কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা সামনে এল।

    বালেন শাহের প্রথম বড় সফর (PM Modi)

    নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, “নেপাল সরকার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে এবং দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রক এখন এই সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।” দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হবে বালেন শাহের প্রথম বড় কোনো বৈদেশিক বা কূটনৈতিক সফর। এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল “প্রচণ্ড” ভারত সফর করেছিলেন।

    নেপালে আমূল সংস্কারের উদ্যোগ

    ভারত সফরের (PM Modi) প্রস্তুতির পাশাপাশি কাঠমাণ্ডুতে নতুন সরকার বেশ কিছু বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন থাকতে পারবে না। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সমস্ত দলীয় ছাত্রসংগঠন ভেঙে দিয়ে সেগুলোর পরিবর্তে অরাজনৈতিক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ বা ‘ভয়েস অফ স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম গঠন করতে হবে।

    ভিআইপি সংস্কৃতি নির্মূল

    সরকারি অফিস থেকে রাজনৈতিক নেতাদের ছবি সরিয়ে ফেলা এবং ব্যক্তিগত সংবাদমাধ্যমে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় হ্রাস

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমিয়ে ১৭টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী ও মন্ত্রীদের সন্তানদের বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি স্কুলে পাঠাতে হবে।

    স্বাস্থ্য ও পরিষেবা

    গরিবদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে ‘জিরো পেন্ডিং ফাইল’ অভিযান শুরু হয়েছে।

    বালেন শাহ স্পষ্ট জানিয়েছেন, “স্কুল ও কলেজগুলো আর রাজনীতির আখড়া হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং সেগুলো শুধুমাত্র শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হবে।”

    ভারতের সাথে সম্পর্ক

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) গত মাসে বালেন শাহকে (Nepal PM Balendra) সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং ভারত-নেপাল বন্ধুত্বকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছিলেন। নেপাল সরকারের এই সফরের সিদ্ধান্তকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় গত চার বছরে উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো এক অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে। বিজেপির তরফে দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশনায় এবং উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির নেতৃত্বে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর ধারণাটি বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় রাজ্যে ২ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ চলছে।

    যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি (Uttarakhand)

    উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) রাস্তা, রেল এবং আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর সরকারে। চারধাম যাত্রাকে সহজতর করতে ‘অল-ওয়েদার রোড’ প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। পাশাপাশি, দিল্লি-দেরাদুন এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ায় রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। সিতারগঞ্জ-তানাকপুর, পাওন্টা সাহেব-দেরাদুন এবং ঋষিকেশ-ভানিয়াওয়ালা সহ একাধিক বাইপাস ও সংযোগকারী রাস্তার কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে।

    রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন

    ঋষিকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেল প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের মুখে। এছাড়া, ৪৮,০০০ কোটি টাকার তানাকপুর-বাঘেশ্বর রেললাইনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের ১১টি রেল স্টেশনকে আধুনিক করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে।

    আকাশপথ

    গত চার বছরে জলি গ্রান্ট, পন্তনগড় এবং পিথোরাগড় (Uttarakhand) বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের আওতায় ১৮টি হেলিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে, যার মধ্যে ১২টিতে ইতিমধ্যে পরিষেবা শুরু হয়েছে। ২০২১-২২ সালে যেখানে হেলিপ্যাডের সংখ্যা ছিল ৬০, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮-তে।

    পর্যটন ও রোপওয়ে

    ‘পর্বতমালা’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রোপওয়ে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে রানিবাদ-নৈনিতাল, ঋষিকেশ-নীলকণ্ঠ মহাদেব (Uttarakhand) এবং গৌরিকুণ্ড-কেদারনাথ ধাম রোপওয়ে অন্যতম। কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ ধামের পুনর্গঠনের কাজও দ্রুত চলছে। কুমায়ুন অঞ্চলের মন্দিরগুলোর উন্নয়নে ‘মানসখন্ড মন্দির মালা মিশন’ শুরু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য ও শিক্ষা

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কিচ্ছাতে এইমস (AIIMS) স্যাটেলাইট সেন্টারের (Uttarakhand) কাজ শুরু হয়েছে এবং এইমস ঋষিকেশে ভারতের প্রথম হেলিকপ্টার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য রাজ্যের ২২৬টি স্কুলকে ‘পিএম শ্রী’ (PM SHRI) স্কুল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

    শিল্প ও অন্যান্য প্রকল্প

    উধম সিং নগরে (Uttarakhand) একটি স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ভারত-সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর উন্নয়নের জন্য ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এর অধীনে পরিকাঠামো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে। যমরানি ও লাখওয়ারের মতো বড় বাঁধ প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে পানীয় জল ও সেচ ব্যবস্থারও উন্নতি ঘটানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উত্তরাখণ্ড উন্নয়নের এক নতুন শিখরে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।

  • Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক কৌশল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং আত্মসমর্পণ নীতির সমন্বিত প্রয়োগ বামপন্থী চরমপন্থার (Naxals) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইতিবাচক ফল মিলেছে। রবিবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৩১ মার্চের আগেই নকশাল সমস্যা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই যেন বিচ্ছিন্নভাবে না হয়।” রায়পুরে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে সভাপতিত্ব করে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য ও অভিযানকে একটি নিরবচ্ছিন্ন ‘গ্রিডে’র মাধ্যমে পরিচালনা করতে, যাতে এক অঞ্চল থেকে বিতাড়িত মাওবাদীরা প্রতিবেশী কোনও রাজ্যে আশ্রয় নিতে না পারে।’

    শাহ উবাচ (Naxals)

    বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, “ছত্তিশগড় এক সময় নকশাল (Naxals) হিংসার শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের অধীনে এখন এটি উন্নয়নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “ছত্তিশগড়ের যুবসমাজ খেলাধুলা, ফরেনসিক বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় অগ্রগতি করছে, পাশাপাশি নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “নকশালবাদ বহু প্রজন্মকে দারিদ্র্য ও অশিক্ষার অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার দেশ থেকে নকশালবাদের অভিশাপ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছে না, এবং এই সমস্যা এখন প্রায় শেষের পথে।” শাহ বলেন, “নিরাপত্তা ও উন্নয়ন – উভয় ক্ষেত্রেই ছত্তিশগড় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে এবং নকশাল-প্রভাবিত এলাকার (Naxals) মানুষদের জন্য সমান উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।” বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকেও সভাপতিত্ব করেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মোদী সরকারের কাছে নিরাপত্তা ও সুযোগ – দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

    উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত

    নকশাল-প্রভাবিত অঞ্চলের মানুষদের দেশের অন্যান্য অংশের মতোই যে উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত, এ কথাও ফের মনে করিয়ে দেন তিনি। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই, উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের বিশেষ সচিব। উপস্থিত ছিলেন সিআরপিএফ, বিএসএফ, ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP) ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র শীর্ষ আধিকারিকরা, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও তেলঙ্গনার ডিজিপিরা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা (Naxals)। মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই বলেন, “‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকারের সমন্বিত কৌশল—যেখানে নির্ভুল নিরাপত্তা অভিযান, পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ একসঙ্গে নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট ফল দিচ্ছে।” তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে এবং অমিত শাহের দিশানির্দেশে ছত্তিশগড় দ্রুত ৩১ মার্চের মধ্যে নকশাল-মুক্ত রাজ্য হওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে (Amit Shah)।

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চল, যার মধ্যে সাতটি জেলা রয়েছে মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গনা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে গত কয়েক বছরে সেখানে জোরদার নকশাল-বিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে, যার ফলে চরমপন্থী আন্দোলন অনেকটাই দুর্বল হয়েছে (Naxals)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে এ পর্যন্ত ছত্তিশগড়ে সংঘর্ষে ৫০০-র বেশি নকশাল নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সিপিআই (মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুও রয়েছে। একই সময়ে প্রায় ১,৯০০ নকশালকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ২,৫০০-র বেশি মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে (Amit Shah)। উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, “বিভিন্ন রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের (স্বরাষ্ট্র/ডিজিপি) উপস্থিতিতে রায়পুরে রবিবারের বৈঠকটি ছিল ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের জন্য শেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক।” সোমবার অমিত শাহ দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের জগদলপুরে তিনদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ‘বস্তার পান্ডুম মহোৎসব’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন (Naxals)।

     

LinkedIn
Share