Tag: Drone

Drone

  • Kuwait: ইরানের দাবি ওড়াল কুয়েত, স্পষ্ট জানিয়ে দিল ধ্বংস করা হয়েছে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন

    Kuwait: ইরানের দাবি ওড়াল কুয়েত, স্পষ্ট জানিয়ে দিল ধ্বংস করা হয়েছে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুয়েত (Kuwait) ও বাহরিনে থাকা মার্কিন সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে (Missiles Drones) বুধবার দাবি করেছে ইরান। তেহরানের (ইরানের রাজধানী) দাবি, এটি ছিল এর আগে কেশম (Qeshm) দ্বীপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধমূলক জবাব।

    ইরানের দাবি (Kuwait)

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা মার্কিন পঞ্চম নৌবহর (US Fifth Fleet) এবং একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিকে টার্গেট করেছে। তাদের দাবি, আমেরিকা একটি ইরানি টেলিযোগাযোগ অ্যান্টেনা ও একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছিল। ইরান জানিয়েছে, তারা আগে আমেরিকাকে এই মর্মে সতর্ক করেছিল যে, যে কোনও আগ্রাসনের জবাব হবে আরও কঠোর এবং ভিন্ন ধরনের। এই অভিযান সেই সতর্কতার বাস্তবায়ন।

    কুয়েতের দাবি

    কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বুধবার ভোরে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে সক্রিয় ছিল। এই সময় দেশজুড়ে বহু বাসিন্দা জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। বিবৃতিতে কুয়েতি সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকাবিলা করছে। জনগণ যে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছে, তা মূলত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশে টার্গেট ধ্বংস করার। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কুয়েতি সেনার তরফে দ্বিতীয় সতর্কবার্তা জারি করা হয়। এতে দেশবাসী এবং সে দেশে বসবাসকারী লোকজনকে ধ্বংসাবশেষ, ধাতব টুকরো বা অপরিচিত কোনও বস্তু স্পর্শ না করার আহ্বান জানানো হয়। এসব বস্তু জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে (Kuwait)।

    উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আবদুলআজিজ আল-ওতাইবি জনগণকে যে কোনও সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পেলে জরুরি নম্বর ১১২-এ ফোন করে অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে অনুরোধ করেন। সবাইকে কেবল সরকারি ও অনুমোদিত সূত্রের তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হবে, এবং কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশিকা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সকলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ সবাইকে সহযোগিতা ও জারি করা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছে (Kuwait)।” প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক আমেরিকা-ইরান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাগুলো ঘটেছে, যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ।

    ভিডিও ফুটেজ

    এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB)-এর দাবি, পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালী এবং কেশম দ্বীপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক আচরণের জবাবে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে টার্গেট করা হয়েছে। যদিও এই দাবির নিশ্চয়তা মেলেনি (Missiles Drones)। বাহরিনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, বুধবার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে (Kuwait)। এক্স হ্যান্ডেলে আইআরআইবি একটি ভিডিও-ও প্রকাশ করেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে, বাহরিনের আকাশ দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।

    কেশম দ্বীপে হামলা

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ফের জানায়, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ অ্যান্টেনা ও একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে হামলার পর আমরা মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিকে টার্গেট করেছি।” এও বলে, “আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম যে আগ্রাসনের জবাব হবে ভিন্ন এবং আরও কঠোর। আজ রাতে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি।” ২ জুন আমেরিকা কেশম দ্বীপে হামলা চালায়। মার্কিন কর্তাদের মতে, টার্গেট ছিল একটি ইরানি সামরিক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন, যা ড্রোন পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হত। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম (CENTCOM) জানিয়েছে, এর আগে তারা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছোড়া একাধিক ইরানি ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রুখে দিয়েছিল।

    ফ্যাক্ট-চেক বিবৃতি

    পরে সেন্টকম দ্রুত একটি ফ্যাক্ট-চেক বিবৃতি প্রকাশ করে। তাতে ইরানের দাবি অস্বীকার করা হয়। জানিয়ে দেওয়া হয়, তাদের (ইরানের) আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলিতে সফলভাবে আঘাত করা হয়েছে (Kuwait)। বস্তুত, এই ঘটনা আঞ্চলিক উত্তেজনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধি নির্দেশ করে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে (Missiles Drones) উদ্বেগের পারা আরও চড়িয়ে দিতে পারে।

     

  • Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য অনির্দিষ্ট কারণের ফলে হওয়া ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ (Demographic Shifts) যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার এই ঘোষণা করেন শাহ। তিনি এই বিষয়টিকে ভারতের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, সামাজিক ভারসাম্য এবং আদিবাসী সমাজের সংরক্ষণের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন।

    কী লিখলেন শাহ? (Amit Shah)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি জানান, গত বছরের স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্যানেল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শাহ লিখেছেন, “অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য কারণে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য যে কোনও দেশের কাছে অত্যন্ত গুরুতর চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য ১৫ অগাস্ট, ২০২৫-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ‘হাই-লেভেল কমিটি অন ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ’-এর কথা ঘোষণা করেছিলেন। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে সরকার এখন এই কমিটি গঠন করেছে।”

    কমিটির সদস্য কারা?

    শাহ জানান, এই কমিটির চেয়ারম্যান হবেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকর। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার দুর্গা শঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার বালাজি শ্রীবাস্তব, অর্থনীতিবিদ শামিকা রবি এবং জনগণনা কমিশনার। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ফরেনার্স-গ্রেড ওয়ান বিভাগের যুগ্মসচিব এই কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে কাজ করবেন।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই কমিটি অবৈধ অভিবাসন এবং অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণের ফলে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটছে, তার একটি বিস্তৃত মূল্যায়ন করবে। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ভিত্তিক অস্বাভাবিক জনসংখ্যা পরিবর্তনের ধরণ বিশ্লেষণ করে এজন্য একটি পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব করবে (Amit Shah)।

    সীমান্তবর্তী গ্রামে নিবিড় নজরদারি

    শাহের এই ঘোষণাটি হয়েছে এমন এক দিনে, যেদিন তিনি রাজস্থানের বিকানের জেলার বিএসএফের সাঞ্চু আউটপোস্ট পরিদর্শন করেন। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচারের মতো নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে বিএসএফের কার্যক্ষেত্র বাড়িয়েছে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত (Amit Shah)। তিনি বলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের কারণে হওয়া জনবিন্যাস পরিবর্তনের (Demographic Shifts) বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে এবং সীমান্তবর্তী গ্রামের কার্যকলাপের ওপর নিবিড় নজরদারি চালাতে হবে।”

     

  • Pakistan Afghanistan Peace Talks: ভেস্তে গিয়েছে পাক-আফগান শান্তি আলোচনা, ভারতকে দুষছে ইসলামাবাদ

    Pakistan Afghanistan Peace Talks: ভেস্তে গিয়েছে পাক-আফগান শান্তি আলোচনা, ভারতকে দুষছে ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রফাসূত্র না বেরনোয় তুরস্কে ভেস্তে গিয়েছে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের শান্তি আলোচনা (Pakistan Afghanistan Peace Talks)। এজন্য ভারতকে দুষছে শাহবাজ শরিফের দেশ। শান্তি আলোচনা (Ceasefire) বিশ বাঁও জলে চলে যাওয়ায় ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। যদিও, আলোচনার আগে অচলাবস্থায় পৌঁছানোর আসল কারণ ছিল পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা রোধে ইসলামাবাদের অসহায়তা।

    কী বলছে কাবুলের সংবাদমাধ্যম (Pakistan Afghanistan Peace Talks)

    টোলো নিউজের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, আলোচনায় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেছিলেন যে আফগানিস্তান কেবল তখনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য আফগান মাটি ব্যবহার রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে যদি ইসলামাবাদ আফগান আকাশসীমা লঙ্ঘন বন্ধ করে এবং মার্কিন ড্রোন ওড়ানো বন্ধ করে। সূত্রের খবর, আফগানিস্তানের ওই সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে যে পাকিস্তান এই শর্ত মানতে রাজি হয়নি। টোলো নিউজের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আলোচনা বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে পাঠান ও পাকিস্তানি প্রতিনিধিদল ইস্তাম্বুলে ফের আলোচনা শুরু করেছে। তুরস্কে শান্তি আলোচনার পর জানা গিয়েছিল যে একটি বিদেশি দেশ আফগান ভূখণ্ডে ড্রোন হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করছে।

    টোলো নিউজের রিপোর্ট

    টোটো নিউজের ওই রিপোর্টে সাফ জানানো হয়েছে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই পাকিস্তান থেকে ড্রোন পরিচালনা করছে।’ কাবুলের (আফগানিস্তানের রাজধানী) সাংবাদিক তামিম বাহিস এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আফগানিস্তানের সংবাদ চ্যানেলগুলির মতে, পাকিস্তান একটি ‘বিদেশি দেশের’ সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা স্বীকার করেছে যা আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে নজরদারি এবং সম্ভাব্য হামলার জন্য তার আকাশসীমায় ড্রোন পরিচালনার অনুমতি দেয়।”  এক্স হ্যান্ডেলেই টোলো নিউজের পোস্ট (Pakistan Afghanistan Peace Talks), “প্রথমবারের মতো, পাকিস্তান এই আলোচনার সময় স্বীকার করেছে যে ড্রোন হামলার অনুমতি দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের একটি চুক্তি রয়েছে এবং দাবি করেছে যে তারা সেই চুক্তি ভঙ্গ করতে পারবে (Ceasefire) না।”

    ভারতের দোষ!

    সূত্রের উল্লেখ করে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, “শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা প্রাথমিকভাবে কিছু শর্ত মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু সম্ভবত পাকিস্তানের হাইকমান্ডের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তাঁরা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেন। তাঁরা বলেন, মার্কিন ড্রোনের ওপর তাঁদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই এবং আইসিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না।” রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “কাতার এবং তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীরাও পাক প্রতিনিধিদলের আচরণে অবাক হয়েছিলেন।” তার পরেও আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার দায় চাপানো হচ্ছে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন এবং ভারতের ঘাড়ে।

    পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, “কাবুলের লোকেরা যাঁরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং পুতুলের নাটক করছেন, তাঁরা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। যখনই আমরা কোনও চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছি (Pakistan Afghanistan Peace Talks), তখনই প্রতিনিধিরা কাবুলকে রিপোর্ট করেছেন, হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং চুক্তিটি প্রত্যাহার করা হয়েছে (Ceasefire)।” আসিফ যা বলেননি, তা হল পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলার বিষয়ে ফোনে কথা বলার পর পাক প্রতিনিধি দলের আচরণ কীভাবে দ্রুত বদলে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, খাজা আসিফ ২০০১ সালের মার্কিন নেতৃত্বাধীন তোরা বোরা যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তালিবানদের হুমকিও দিয়েছিলেন।

    তালিবান শাসনকে নির্মূলের হুমকি!

    সংবাদমাধ্যমে আসিফ বলেন, “আমি তাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, তালিবান শাসনকে নির্মূল করতে এবং তাদের গুহায় ফেরাতে সম্পূর্ণ অস্ত্রাগারের একাংশও ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই পাকিস্তানের। যদি তারা তা চায়, তাহলে তোরা বোরায় তাদের (তালিবানদের) পরাজয়ের দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হবে। তাদের লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য এই অঞ্চলের মানুষের কাছে দেখার মতো একটি দৃশ্য হবে (Pakistan Afghanistan Peace Talks)।” প্রসঙ্গত, ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে ইসলামাবাদ আমেরিকার সঙ্গে প্রতিরক্ষা এবং কৌশলগত সংযোগ জোরদার করেছে (Ceasefire)। এনিয়ে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তড়িঘড়ি ওভাল অফিসে দৌড়ানোও। এই সফরে শরিফের সঙ্গে ছিলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও।

    ট্রাম্পের হুমকি!

    তাছাড়া, ট্রাম্প প্রকাশ্যে তালিবান-নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তান থেকে বাগরাম বিমানঘাঁটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন। আফগানিস্তানকে তিনি এই বলে সতর্কও করেন যে, আমেরিকা যদি এটি পুনরুদ্ধার না করে তবে খারাপ ঘটনা ঘটবে। কূটনীতিকদের মতে, পাক-আফগান সংঘাত বন্ধ হবে তখনই, যখন আফগানিস্তান ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের দ্বারা টানা ডুরান্ড লাইনকে স্বীকৃতি দেবে। এই লাইনই পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে পশতুন এলাকাকে বিভক্ত করেছে। যেহেতু পাঠানরা এই লাইনকে মান্যতা দেয় না, তাই চলতেই থাকে পাক-আফগান যুদ্ধ (Pakistan Afghanistan Peace Talks)। যদিও এক্স হ্যান্ডেলে কাবুলের সাংবাদিক আলি এম লতিফি লেখেন, “পাকিস্তান স্বীকার করেছে যে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। আসলে পাকিস্তান যে (Ceasefire) এক সময় বারাক ওবামার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছিল।”

  • Pakistan Afghanistan Clashes: আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষ, হত ১২, জখম অন্তত ১০০

    Pakistan Afghanistan Clashes: আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষ, হত ১২, জখম অন্তত ১০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আফগান-পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ (Pakistan Afghanistan Clashes) শুরু সীমান্তে। বুধবার সকাল পর্যন্ত ওই সংঘর্ষ চলে বলে খবর। সংঘর্ষে প্রায় ১২ জন নিহত হয়েছে, জখমও হয়েছে অনেকে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এটি দুই দেশের মধ্যে সব চেয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষ।

    সীমান্ত চৌকি ধ্বংস (Pakistan Afghanistan Clashes)

    জানা গিয়েছে, তালিবান বাহিনী একটি (Drone Footage) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সীমান্ত চৌকি ধ্বংস করে এবং আফগান অবস্থান লক্ষ্য করে আক্রমণে ব্যবহৃত একটি পাকিস্তানি সামরিক ট্যাঙ্কের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। মৃতদের মধ্যে চারজন পাকিস্তানি নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। জখমও হয়েছেন চারজন। তালিবানের প্রধান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদের দাবি, পাকিস্তানের হামলায় ১২ জন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন, জখম হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। ড্রোন ফুটেজে দেখা গিয়েছে, আফগান তালিবান যোদ্ধারা পাকিস্তানের সীমান্ত পোস্টগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। দুই ইসলামিক দেশই মঙ্গলবার রাতে শুরু হওয়া প্রাণঘাতী হিংসার দায় চাপিয়েছে একে অন্যের ঘাড়ে। সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছিল আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের স্পিন বোলদাক জেলা এবং পাকিস্তানের চামান জেলাজুড়ে।

    পাকিস্তানি পোস্টে গুলি

    পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আফগান বাহিনী ও পাকিস্তানি তালিবান যৌথভাবে (Pakistan Afghanistan Clashes) কোনও উসকানি ছাড়াই একটি পাকিস্তানি পোস্টে গুলি চালায়। প্রত্যুত্তরে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুর্রাম জেলায় অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনারা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। গত সপ্তাহ থেকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তালিবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাবুল এবং আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলের একটি বাজারে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ তোলে। এর আগেও পাকিস্তান আফগান ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছিল। তারা দাবি করেছিল, তাদের টার্গেট ছিল সশস্ত্র জঙ্গিদের ডেরা। তালিবান কর্তাদের মতে, আফগান ও পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ স্থানীয় সময় ভোর ৪টা নাগাদ শুরু হয়, চলে সকাল ৮টা পর্যন্ত।

    সোশ্যাল মিডিয়ায়ও বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানি সেনাদের তালিবান যোদ্ধারা আটক করেছে। একটি ভিডিওতে (Drone Footage) আবার দু’জনকে কাঁদতে এবং হাত জোড় করে প্রাণভিক্ষা করতে দেখা যায়। দাবি, তারা সাম্প্রতিক সংঘর্ষে আটক হওয়া পাক সেনাবাহিনীর সদস্য (Pakistan Afghanistan Clashes)।

  • India Drone Technology: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    India Drone Technology: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আক্ষরিক অর্থেই ভারত হচ্ছে আত্মনির্ভর। যে ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর আওয়াজ তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সে যে নিছক ফাঁকা বুলি নয়, তার প্রমাণ মিলল সাম্প্রতিক প্রকাশ্যে আসা একটি রিপোর্টে। তাতে বলা হয়েছে, ভারতের কাউন্টার-ড্রোনের (India Drone Technology) বাজার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বেড়ে যাবে ২৮ শতাংশের বেশি।

    কী বলছে রিপোর্ট? (India Drone Technology)

    রিপোর্টটি করেছে মতিলাল ওসওয়াল নামে একটি ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস কোম্পানি। বিমান হামলার মোকাবিলায় ক্রমেই বাড়ছে ড্রোনের (Counter-Drones Market) চাহিদা। প্রত্যাশিতভাবেই চাঙা হচ্ছে বাজারও। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে প্রয়োজন হবে ১২০০-র কাছাকাছি কাউন্টার ড্রোন সিস্টেমের। প্রতিটি নির্মাণে ব্যয় হবে ৮ থেকে ১৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে আগামী পাঁচ বছরে খরচ ১২ হাজার কোটি টাকার। এই চাহিদার কারণে আগামী পাঁচ বছরে ২৪০০ কোটি টাকার বার্ষিক বাজারের সুযোগ তৈরি হবে বলেও আশা করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

    বাড়ছে ড্রোনের চাহিদা

    জানা গিয়েছে, ড্রোন (India Drone Technology) বাজারে পাঁচ কিমির বেশি পাল্লার কাউন্টার-সিস্টেমের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। যেসব ড্রোনের পাল্লা পাঁচ কিমির নীচে, তাদের বাজার পড়তির দিকে। এই ক্ষেত্রে নিত্যদিন উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। তাই অচল হয়ে যাচ্ছে পুরানো প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন। একটি ড্রোনের আয়ু ১০ বছরের কাছাকাছি। এই সময়সীমার মধ্যে নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন: ফের লাভ জিহাদ! হিন্দু মেয়েকে তুলে নিয়ে গেল মুসলমান শ্রমিক

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কিউমুলেটিভ ডিফেন্স ইলেকট্রনিক্সের বাজার ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল ৮.১ শতাংশ। সেটাই বর্তমানে ফি বছর বাড়ছে ৪.৫ শতাংশ হারে। ২০২১ সালের এই বাজার দাঁড়িয়েছিল ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ২০৩০ সালের মধ্যে এটাই বেড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক বৃদ্ধির হার হবে ১৫.৭ শতাংশ।

    বর্তমানে ৬০ শতাংশ ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস সরবরাহ করে বিদেশি উৎপাদকরা। তবে ভারতে লোকাল প্রোডাকশানও বাড়ছে। অদূর ভবিষ্যতে ডিফেন্স ইলেকট্রনিক্স সরবরাহ করবে দেশিয় বিভিন্ন সংস্থাই (Counter-Drones Market)। তখন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান দুই হবে বেশি। ভারতও হবে আত্মনির্ভর (India Drone Technology)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bound Oil Tanker: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    India Bound Oil Tanker: এবার লোহিত সাগরে ভারতীয় তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা, নেপথ্যে হুথি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের পর এবার রবিবার। ভারত মহাসাগরের পর এবার লোহিত সাগর। রবিবার ভারতের দিকে আসা অপরিশোধিত একটি তেলের ট্যাঙ্কার (India Bound Oil Tanker) লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালাল ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। ট্যাঙ্কারটি যখন লোহিত সাগরে ছিল, ঘটনাটি ঘটে তখন। রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে এ কথা জানিয়েছে আমেরিকা। ‘সাইবাবা’ নামের ওই ট্যাঙ্কারে ২৫ জন ভারতীয় ছিলেন। ড্রোন হানায় অবশ্য হতাহতের কোনও খবর নেই। হামলার পরে পরেই ট্যাঙ্কারে থাকা ভারতীয়রা যোগাযোগ করেন আমেরিকার একটি জাহাজের সঙ্গে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে খবরটি।

    হামলা শনিবারও

    শনিবারই ভারত মহাসাগরে ড্রোন হামলা চালানো হয় ইজরায়েলের একটি জাহাজ লক্ষ্য করে। সেটিও আসছিল ভারতের দিকে। শনিবারের ঘটনার জন্য আমেরিকা দুষছিল ইরানকে। রবিবারের ঘটনায় আমেরিকার নিশানায় ইয়েমেনের হুথি। মার্কিন সেনার তরফে (India Bound Oil Tanker) জানানো হয়েছে, এদিন দক্ষিণ লোহিত সাগরে টহল দিচ্ছিল আমেরিকার একটি যুদ্ধ জাহাজ। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুটি জাহাজ, জানায় আক্রান্ত হয়েছে তারা। এই দুটির মধ্যে নরওয়ের পতাকা লাগানো জাহাজটিতে ছিল রাসায়নিক। আর ভারতের পতাকা লাগানো জাহাজটি ছিল অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার। পরে অবশ্য ভারতীয় নৌবাহিনীর জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, ট্যাঙ্কারটিতে ভারতের পতাকা লাগানো ছিল না।

    আমেরিকার অভিযোগ

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের পর থেকে লোহিত সাগরে ড্রোন হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ আমেরিকার। নেপথ্যে রয়েছে হুথি। আমেরিকার অভিযোগ যে নিছক ভুয়ো নয়, তা হুথির বক্তব্যেই স্পষ্ট। ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বক্তব্য, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে তারা রয়েছে হামাসের পক্ষে। তাই ইজরায়েলের সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালাবে তারা। আমেরিকার দাবি, রবিবারের আগে চারটি ড্রোন গুলি করে নামিয়েছে তারা। ড্রোনগুলি ওড়ানো হয়েছিল হুথি অধিকৃত এলাকা থেকে। বাইডেন প্রশসনের অভিযোগ, হুথিদের সাহায্য করছে ইরান। তার জেরেই লোহিত সাগরে বেড়েছে ড্রোন হামলা। মার্কিন অভিযোগের প্রত্যুত্তরে ইরানের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহম্মদ রেজা নাকদির হুমকি, আমেরিকা ও তার জোটসঙ্গীরা গাজায় অপরাধ বন্ধ না করলে ভূমধ্যসাগর, জিব্রাল্টার প্রণালী দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে (India Bound Oil Tanker)।

    আরও পড়ুুন: “ভারত যখন স্বাধীন হয়, তখন থেকেই শুরু সন্ত্রাসবাদের,” তোপ জয়শঙ্করের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উপরে উড়ছে রহস্যজনক ড্রোন! তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উপরে উড়ছে রহস্যজনক ড্রোন! তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বাসভবনের উপরে ড্রোন ওড়ার খবর দিল  স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন দিল্লি পুলিশের আধিকারিকেরা। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)-এর সদস্যেরা দিল্লি পুলিশকে এই বিষয়ে অবহিত করেন। 

    কারা প্রথম ড্রোন দেখতে পায়

    প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন এসপিজি-র আধিকারিকেরাই। তাঁরাই প্রথম ড্রোনটি লক্ষ্য করেন। রহস্যজনক গতিবিধি নজরে আসতেই সঙ্গে সঙ্গে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। রহস্যজনক ওই ড্রোনটিকে ট্র্যাক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ রাজধানীতে ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের মাথায় ড্রোনটিকে উড়তে দেখা যায়।

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘নো ফ্লাই জোন’-এর মধ্যে পড়ে। অর্থাৎ, নিরাপত্তার কারণে ওই বাসভবনের উপর দিয়ে কোনও বিমান কিংবা ড্রোন উড়ে যেতে পারে না। তার পরও কী ভাবে ড্রোনটি উড়ল, তা নিয়ে সংশয় থাকছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তায় কোনওরকম গাফিলতি দেখা গিয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  কোথা থেকে এই ড্রোন উড়ে এল, সেই লোকেশন খুঁজে বরে করার চেষ্টা চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য হাতে আসেনি তদন্তকারীদের।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগ! ওমপ্রকাশ মিশ্রর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ রাজ্যপালের

    রহস্যময় ড্রোন সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু

    হালফিলে ড্রোন বিষয়টি নিরাপত্তার দিক থেকে খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। গোটা পশ্চিম এশিয়া জুড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আবার তাদের দমনে ড্রোন ব্যবহার হচ্ছে। মাটি থেকে অনেক উপরে থাকলে অনেক সময়েই ড্রোন চিহ্নিত করা যায় না।  ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ ওই রহস্যময় ড্রোন সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করে। যোগাযোগ করা হয় এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-র সঙ্গেও। কিন্তু এমন কোনও ড্রোনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “আমাদের কাছে খবর এসেছে যে, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে একটি শনাক্ত করতে না পারা উড়ন্ত জিনিস দেখা গিয়েছে। আমরা সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এমন কোনও জিনিস পাইনি। এটিসির সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের নজরেও এমন কিছু আসেনি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drone: রাম নবমীর মিছিলে নজরদারি ড্রোনের! বসানো হল কয়েকশো সিসিটিভি ক্যামেরা, কোথায় জানেন?

    Drone: রাম নবমীর মিছিলে নজরদারি ড্রোনের! বসানো হল কয়েকশো সিসিটিভি ক্যামেরা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ আজ, বৃহস্পতিবার রামনবমী। বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে সাজো সাজো রব। এই শিল্পাঞ্চলের বিটি রোড, ঘোষপাড়া রোডে রামনবমীর মিছিলে জনজোয়ার হবে। এই মহকুমার মধ্যে কামারহাটি, টিটাগড়, জগদ্দল এবং ভাটপাড়ার উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। রামনবমীর মিছিল সুষ্ঠুভাবে করতে তত্পর রয়েছে পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা বলেন, এবার কমিশনারেটের যে সব জায়গায় রামনবমীর মিছিল হবে, সেখানে ড্রোনে (Drone) করে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকায় নতুন করে প্রচুর সিসিটিভি ক্যামেরা মোতায়েন করা হয়েছে।

    পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? Drone

    এমনিতেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অস্ত্র মিছিলের অনুমতি না দেওয়া হলেও মিছিলে তরবারিসহ ধারাল অস্ত্র নিয়ে মিছিল করা হয় বলে অভিযোগ। এর আগে ভাটপাড়া, জগদ্দল, হাজিনগরে রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক গন্ডগোল হয়েছিল। এবারও মিছিলে হাজার কর্মী, সমর্থক সামিল হবেন। ফলে, নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তারজন্যই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এমনিতেই কমিশনারেট এলাকা জুড়ে প্রচুর সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। তারপরও রামনবমীর জন্য আরও অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে। আগেই পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকার সমস্ত থানার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রামনবমীর মিছিল সুষ্ঠুভাবে করতে সবরকম পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  এবার ভাটপাড়া পুরসভা এলাকায় প্রায় ৭২টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি গোটা ভাটপাড়া জুড়়ে ড্রোনে (Drone) করে মিছিলে নজরদারি চালানো হবে। রাস্তার পাশে বাড়ির ছাদেও পুলিশ মোতায়েন থাকবে। একইভাবে জগদ্দল থানা এলাকায় রামনবমীর জন্য সব থেকে বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, জগদ্দল থানা এলাকায় ১৫০টি ক্যামেরা থাকবে। ছাদে নজরদারি থাকবে। মোবাইল ভ্যান থাকবে। অন্যদিকে, টিটাগড় থানা এলাকা জুড়ে নতুন করে প্রচুর সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বিশিষ্টজনদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর ড্রোনে (Drone) নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাস্তার দুধারের বাড়ির ছাদ থেকেও নজরদারি চালাবে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ভারতকে জব্দ করতে গিয়ে চিনের থেকে অস্ত্র কিনে ডাহা ঠকল পাকিস্তান, জানুন বিশদে

    Pakistan: ভারতকে জব্দ করতে গিয়ে চিনের থেকে অস্ত্র কিনে ডাহা ঠকল পাকিস্তান, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে (India) জব্দ করতে গিয়ে বন্ধু দেশের কাছে ডাহা ঠকল পাকিস্তান। পাকিস্তান (Pakistan) সম্প্রতি বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্র কেনে চিনের (China) কাছ থেকে। সেই অস্ত্রেই ধরা পড়ল ত্রুটি। দামে সস্তা হওয়ায় বাজারে চিনা পণ্যের ব্যাপক চাহিদা। তবে সেগুলির কোনওটিই বেশি দিন টেঁকে না। তবে দামে সস্তা হওয়ায় অনেকেই তা কেনেন। ঠকেনও। এই যেমন পাকিস্তান। সম্প্রতি বেজিং থেকে আননেমড এরিয়াল ভেহিক্যাল কিনেছিল ইসালামাবাদ। চিনের তরফে মানববিহীন এই ড্রোন পাকিস্তানে পাঠানোও হয়েছিল। সেই ড্রোনগুলিতেই মিলেছে মারাত্মক ত্রুটি।

    ত্রুটির পর ত্রুটি…

    কেবল ওই ড্রোনগুলিই নয়, আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের বরাতও চিনকে দিয়েছিল পাকিস্তানের সরকার। সেই ক্ষেপণাস্ত্র এসেও গিয়েছে পাকিস্তানে। ত্রুটি মিলেছে তাতেও। জানা গিয়েছে, সিএইচ ৪ মানববিহীন ড্রোন তৈরি করে চিনা সংস্থা এলিট। সেই সংস্থাই পাঠিয়েছিল ড্রোনগুলি। কিন্তু সেগুলির অবস্থা দেখে মাথায় হাত পাকিস্তানের সামরিক কর্তাদের। তাঁরা দেখেছেন, চিন থেকে আমদানি করা ওই ড্রোনগুলির কোনওটির ডানা ভাঙা, তো কোনওটায় রয়েছে বড় মাপের যান্ত্রিক ত্রুটি। একটি ড্রোনের তো আবার এক্সস্ট ম্যানিফোল্ড ভাঙা। ড্রোনের ভেতরে থাকা গ্যাস নির্গমণে সাহায্য করে এই এক্সস্ট ম্যানিফোল্ড। অন্য একটি ড্রোনের টার্বোচার্জারেই রয়েছে একটি বড়সড় ফাটল। সমস্যা রয়েছে ইঞ্জিনেও। চিন থেকে আমদানি করা আকাশ থেকে ভূমিতে থাকা শত্রু সেনা ঘাঁটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত এআর ২ ক্ষেপণাস্ত্রেও ত্রুটি রয়েছে (Pakistan)।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মোটা দা টুকি’’! জেলের ভিতর টিটকিরি দুই ছিঁচকের, রেগে আগুন ‘হেভিওয়েট’ পার্থ

    একটি ক্ষেপণাস্ত্রে আবার যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা গিয়েছে। সেই কারণে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তু খুঁজে পাওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছে। চিন থেকে কেনা ওই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলি মেরামত করতে ফের চিনে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। তবে সেগুলি আদৌ মেরামত করা যাবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান পাক সেনার শীর্ষ কর্তাদের একাংশ। বন্ধু দেশ চিনের কাছে ঠকে গিয়ে হতাশ পাকিস্তান। সেই কারণে চিন নয়, পশ্চিমের দেশগুলি থেকে ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র কিনতে চাইছে শাহবাজ শরিফের দেশ। শোনা যাচ্ছে, এস ১০০ ইউএভি ড্রোন কিনতে অস্ট্রিয়ার অস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থা স্কিবেলের দ্বারস্থ হয়েছে ইসলামাবাদ। এজন্য ওই ড্রোনের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে পাক সরকার। দেশের (Pakistan) অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। এমতাবস্থায় কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা দিয়ে অস্ত্র কিনতে গিয়ে ডাহা ঠকেছে পাকিস্তান। এখন দেখার, এই ঘটনা পাক-চিন সম্পর্কে ছাপ ফেলে কিনা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistan Drone: ভারত-পাক সীমান্তে ফের ড্রোন হানা, গুলি করে নামাল বিএসএফ

    Pakistan Drone: ভারত-পাক সীমান্তে ফের ড্রোন হানা, গুলি করে নামাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়েছে ড্রোনের (Pakistan Drone) উৎপাত। কিছুদিন আগেই এক পাকিস্তানি ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়েছিল। এরপর আবার ফের একই ঘটনা। রবিবার রাতের অন্ধকারে পাঞ্জাবের অমৃতসর অঞ্চলে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে একটি কোয়াড-কপ্টার ড্রোনকে গুলি মেরে মাটিতে নামায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। এই সীমান্তে গত তিনদিনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটল।

    ড্রোনের (Pakistan Drone) মাধ্যমেই ‘কনসাইনমেন্ট’ পাকিস্তান থেকে ভারতে পাচার করা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে বিএসএফ-এর নজরে পড়তেই গুলি করে নামানো হয় ড্রোনটিকে। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ বিএসএফের ২২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের নজরে পড়ে এটি। ১২ কেজি ওজনের কোয়াড-কপ্টার ড্রোনটিকে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের অমৃতসর সেক্টরের রানিয়া বর্ডার পোস্টের কাছে দেখতে পাওয়া যায়। আরও জানা গিয়েছে, ওই ড্রোনে ২ কেজির সামগ্রী সহ একটি সবুজ রং-এর প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। প্যাকেটগুলির ভিতরে মাদকজাত দ্রব্য রয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়েছে। বিএসএফ-এর এক সিনিয়র অফিসার সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে দুটি প্রপেলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কনসাইমেন্টও উদ্ধার করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দিতে ডাক্তারি পড়তে পারা দেশে ইতিবাচক বদল আনবে, আত্মবিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এর আগে ১৩ অক্টোবরের মাঝরাতেও সীমান্তরক্ষীরা পাঞ্জাবের গুরদাসপুরে গুলি করে নামায় একটি পাকিস্তানি ড্রোন (Pakistan Drone)। ওই ড্রোনটিও গতকালের উদ্ধার হওয়া ড্রোনের মতোই কোয়াড-কপ্টার ছিল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ৯ মাসে মোট ১৯১ টি ড্রোন পাশের দেশ পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় নজরে এসেছে নিরাপত্তা বাহিনীর। এর মধ্যে ১৭১ টি ড্রোন ভারত-পাক সীমান্ত দিয়েই প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছে। জম্মু সেক্টরে অনুপ্রবেশ ঘটেছে ২০টি ড্রোনের। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেসব ড্রোনকে গুলি করে মাটিতে নামানো হয়েছে, সেগুলো সাধারণত পাঞ্জাবের অমৃতসর, ফিরোজপুর এবং আবোহার অঞ্চলে দেখা গিয়েছিল। বিএসএফ-এর আধিকারিকরা এএনআইকে জানিয়েছেন যে, পাকিস্তান থেকে জম্মু ও পাঞ্জাবের আন্তর্জাতিক সীমান্তে অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং মাদক পরিবহনের জন্য পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও এইসন ড্রোন থেকে বিভিন্ন AK সিরিজের অ্যাসল্ট রাইফেল, পিস্তল, MP4 কার্বাইন, কার্বাইন ম্যাগাজিন, বিস্ফোরক গ্রেনেড এবং সেইসঙ্গে মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    ফলে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ক্রমেই বেড়েছে ড্রোনের অনুপ্রবেশ, আর এই ঘটনা বেশ উদ্বেগজনক। এই অনুপ্রবেশের ঘটনাগুলির তদন্তে নেমেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিং এজেন্সি।

LinkedIn
Share