Tag: Drought

Drought

  • Vande Mataram: কর্নাটক বিধানসভায় দুই স্তবকের পর ‘বন্দে মাতরম’ থামতেই পুরো গান গাইলেন বিজেপি বিধায়করা, উত্তপ্ত বিধান পরিষদও

    Vande Mataram: কর্নাটক বিধানসভায় দুই স্তবকের পর ‘বন্দে মাতরম’ থামতেই পুরো গান গাইলেন বিজেপি বিধায়করা, উত্তপ্ত বিধান পরিষদও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক বিধানসভা ও বিধান পরিষদের অধিবেশন শুরুর সময় সরকারিভাবে ‘বন্দে মাতরমে’র (Vande Mataram) রেকর্ডিং দুই স্তবক গাওয়ার পর থেমে যায়। এরপর বিজেপির বিধায়ক ও পরিষদ সদস্যরা নিজেরাই গানটির বাকি অংশ গেয়ে পুরো গানটি শেষ করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বিধানসভায় ও বিধান পরিষদে (Karnataka Assembly Council) শাসক কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও বিক্ষোভ হয়।

    রাজ্যের খরা পরিস্থিতি এবং পশ্চিমঘাটের পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল অঞ্চল নিয়ে কস্তুরীরঙ্গন কমিটির রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা করতে সোমবার থেকে কর্নাটক বিধানসভার তিন দিনের বিশেষ অধিবেশন শুরু হয়েছে। বিধানসভায় অধিবেশন শুরু হয় ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশনের মাধ্যমে। কিন্তু সরকারিভাবে বাজানো রেকর্ডিং দুই স্তবকের পর বন্ধ হয়ে যায়।

    ‘বন্দে মাতরম’ গাইলেন বিজেপি বিধায়করা (Vande Mataram)

    এর পর বিধানসভার অধ্যক্ষ জি এস পাটিল সম্প্রতি প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি শোকজ্ঞাপন পাঠ শুরু করেন। সেই সময় বিজেপি বিধায়করা ‘বন্দে মাতরমে’র বাকি স্তবকগুলি গাইতে শুরু করেন এবং পরে স্লোগান দেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক আরবি শিরিয়ান্নাভারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেন।

    বিধান পরিষদেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিষদের সভাপতি সলিম আহমেদ নিয়ম অনুযায়ী সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ শুরু করলেও বিজেপির সদস্যরা ‘বন্দে মাতরমে’র বাকি স্তবকগুলি আবৃত্তি করতে থাকেন। পরে পূর্ণ গান পরিবেশন না করার জন্য তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

    এর জেরে বিধান পরিষদে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিরোধী সদস্যরা সভাকক্ষের মধ্যবর্তী অংশে নেমে বিক্ষোভ দেখান। কংগ্রেস সদস্যরা অভিযোগ করেন, বিজেপি সদস্যরা সভাপতির নির্দেশ মানছেন না এবং ইতিমধ্যেই পাঠ করা সংবিধানের প্রস্তাবনা ফের পড়ে সভার কার্যপ্রণালী ব্যাহত করছেন।

    সভাপতি সলিম আহমেদ জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনা ইতিমধ্যেই পাঠ করা হয়েছে। ‘বন্দে মাতরম’ দুই স্তবক পর্যন্ত পরিবেশনের সিদ্ধান্ত সরকারই নিয়েছে বলেও তিনি জানান।

    কর্নাটক সরকার ৮ সেপ্টেম্বর নির্দেশ দিয়েছিল, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী অথবা রাজ্যপাল উপস্থিত না থাকলে রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠান ও সরকারি কর্মসূচিতে ‘বন্দে মাতরমে’র প্রথম দুই স্তবকই গাওয়া হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ২৮ জানুয়ারির নির্দেশিকায় অবশ্য সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরমে’র ছয়টি স্তবক গাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশিত হলে আগে ‘বন্দে মাতরম’ এবং পরে ‘জন গণ মন’ গাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    বিধান পরিষদে সরকারের তরফে পরিষদ নেতা তথা মন্ত্রী যতীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া বলেন, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যপাল উপস্থিত থাকা অনুষ্ঠানগুলি বাদ দিয়ে সরকারি কর্মসূচিতে শুধু দুই স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই কক্ষেই দুই স্তবক পরিবেশন করা হয়েছে।

    এদিকে বিজেপি সদস্যরা সরকারের বিরুদ্ধে ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অসম্মান দেখানোর অভিযোগ তুলে স্লোগান দিতে থাকেন। পাল্টা কংগ্রেস সদস্যরা বিজেপির বিরুদ্ধে সংবিধানের প্রস্তাবনাকে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন। দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

    কংগ্রেসের পরিষদ সদস্য বিকে হরিপ্রসাদ বলেন, পরিষদে বর্তমানে ‘বন্দে মাতরমে’র দুই স্তবকই গাওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, ২০১১ সালে বিজেপির সদস্য সভাপতি থাকাকালীন চারটি অনুচ্ছেদ যোগ করা হয়েছিল।

    বিতর্কের মধ্যে যতীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া বলেন, বিধানসভায় মানুষের সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। বিরোধী দলনেতা চলবাদী নারায়ণস্বামী এবং অন্যান্য বিরোধী সদস্যরা তাঁর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। সভাপতির ভূমিকা নিয়ে যতীন্দ্রের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। নারায়ণস্বামী দাবি করেন, সভাপতির উচিত যতীন্দ্রের বক্তব্যের জন্য তাঁকে ভর্ৎসনা করা।

    সভাপতি সলিম আহমেদ জানান, তিনি কার্যবিবরণীর নথি খতিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজন হলে আপত্তিকর বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। তবে তাতেও বিরোধী দলনেতা সন্তুষ্ট হননি। যতীন্দ্র পাল্টা অভিযোগ করেন, তাঁর বক্তব্যকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    এর পর উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেন, বিরোধীরা খরা ও কস্তুরীরঙ্গন রিপোর্টের মতো জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়, বরং শুধু রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরব হচ্ছে। তাঁর এই বক্তব্যে বিজেপি সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং সভায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

    পরমেশ্বর কস্তুরীরঙ্গন রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা শুরু করতেই বিজেপি সদস্যরা দুই স্তবকে ‘বন্দে মাতরম’ সীমাবদ্ধ করার প্রতিবাদে সভার মধ্যবর্তী অংশে নেমে বিক্ষোভ দেখান এবং সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।পরমেশ্বর বক্তব্য শেষ করার পর সভাপতি কিছু সময়ের জন্য সভা মুলতুবি করেন।

    পরে সভা ফের শুরু হলে সভাপতি জানান, ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) নিয়ে তিনি শাসক ও বিরোধী—দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী। সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে কীভাবে পরবর্তী আলোচনা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত (Karnataka Assembly Council) নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। সভাপতির এই প্রস্তাব মেনে নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন বিজেপি সদস্যরা।

     

  • PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি। এদিন তিনি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকে (Pawan Kumar Chamling) ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ৮,৯৩১ দিন দায়িত্ব পালন করে মোদি ভেঙে দিয়েছেন চামলিংয়ের ৮,৯৩০ দিনের রেকর্ড। এই মাইলফলক ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। মোদি এর আগেও গুজরাটের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    মোদির রেকর্ড (PM Modi)

    তিনি স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪- পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নিজের দলকে জয়ী করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে, সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫তম বর্ষে পদার্পণের সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখা আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম—যখন গুজরাট ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুপার সাইক্লোন, ধারাবাহিক খরা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।”

    রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প

    মোদি জানান, এই চ্যালেঞ্জগুলিই তাঁকে নতুন উদ্যম ও আশায় রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প দিয়েছে। একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময় গরিব মানুষের জন্য কাজ করতে এবং কখনও ঘুষ না নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা তাঁর জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে রয়েছে (PM Modi)। তিনি তাঁর আমলে গুজরাটের রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে খরাপ্রবণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল একটি রাজ্য থেকে “সুশাসনের শক্তিকেন্দ্রে” পরিণত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে।

    বিকশিত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি

    ২০১৩ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়, যাকে তিনি “বিশ্বাস ও শাসনের সংকটে”র সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে নিরঙ্কুশ সমর্থন করার কৃতিত্ব তিনি দেন দেশবাসীকে। তিনি জানান, গত ১১ বছরে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছেছে (Pawan Kumar Chamling)। ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগ নারী শক্তি, যুব  শক্তি এবং কৃষকদের উপকার করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সেবা করা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয় এবং সংবিধানের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত “বিকশিত ভারত” গড়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share