Tag: Droupadi Murmu

Droupadi Murmu

  • Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জামশেদপুরে অনুষ্ঠিত হল ২২তম পারসি মহা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। একই সঙ্গে পালিত হল সাঁওতালি ভাষার (Santhali Language) ‘অলচিকি’ লিপির শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মাতৃভাষার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, অন্যান্য ভাষা শেখা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। তবে নিজের মাতৃভাষা শেখা এবং তা চর্চা করা প্রত্যেক মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    মাতৃভাষার গুরুত্ব (Santhali Language)

    রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষায় বক্তব্য রাখেন। বলেন, “সব ভাষা শেখায় কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু কখনওই নিজের মাতৃভাষাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। নিজের মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় সব সময় মাতৃভাষায়ই কথা বলার চেষ্টা করা উচিত।” রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষার অলচিকি লিপির স্রষ্টা পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মুকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সাঁওতালিদের নিজস্ব ভাষা থাকা সত্ত্বেও ১৯২৫ সালের আগে উপযুক্ত লিপির অভাবে বিভিন্ন লিপি ব্যবহার করতে হত। এর ফলে অলচিকি ব্যতীত অন্য লিপিতে বহু সাঁওতালি শব্দের সঠিক উচ্চারণ করা সম্ভব হত না। তিনি বলেন, অলচিকি লিপি শুধু একটি লিখন পদ্ধতি নয়, এটি সাঁওতালি সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। এই লিপির শতবর্ষ উদযাপন সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণে এক গুরুত্বপূর্ণ (Santhali Language)  মাইলফলক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আদিবাসী সমাজের জাগরণ

    রাষ্ট্রপতি বলেন, অলচিকি লিপি চালু হওয়ার পর থেকে এটি সাঁওতালি জনগোষ্ঠীর পরিচয়ের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই লিপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Jharkhand)। তিনি জানান, সম্প্রতি তিনি অলচিকি লিপিতে লেখা সাঁওতালি ভাষায় ভারতের সংবিধান প্রকাশ করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষরা এবার তাঁদের মাতৃভাষায় ভারতের সংবিধান পড়তে ও বুঝতে পারবেন, যা গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক (Santhali Language) হবে। আদিবাসী সমাজের জাগরণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই সম্প্রদায়গুলিকে সচেতন করার ক্ষেত্রে লেখক ও সাহিত্যিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি লেখকদের তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে আদিবাসী সমাজকে জাগ্রত করার আহ্বানও জানান (Jharkhand)।

    আদিবাসী সমাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ

    রাষ্ট্রপতি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষভাবে সংবেদনশীল আদিবাসী গোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য ২৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থ আদিবাসী সমাজের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা তাঁর (Santhali Language)। পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের জন্য আদিবাসী সমাজের প্রশংসায়ও পঞ্চমুখ রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে ঠিকই, তবে সেই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু ১৯২৫ সালে শুরু করা ঐতিহাসিক অল চিকি আন্দোলনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয় (Santhali Language)। দিনের পরবর্তী পর্বে রাষ্ট্রপতি জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ১৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও যোগ দেন।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে তিন দিনের ঝাড়খণ্ড সফরে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রবিবার তিনি পৌঁছন ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে। সফরের শেষ দিন (Jharkhand), আজ মঙ্গলবারে গুমলায় আন্তঃরাজ্য জনসাংস্কৃতিক সমাগম সমারোহ–কার্তিক যাত্রা অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার কথা (Santhali Language) রয়েছে তাঁর।

  • Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (Droupadi Murmu) একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চিঠির মাধ্যমে ভারত-চিন সম্পর্ক নতুন করে কোন পথে এগোতে পারে, তার সম্ভাবনা যাচাই করতে চেয়েছিল বেজিং। ভারতের এক শীর্ষ প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

    চিঠি পৌঁছায় মোদির হাতে

    প্রতিবেদন অনুসারে, রাষ্ট্রপতির দফতকে (Droupadi Murmu) পাঠানো সেই চিঠি পরে পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে। তার কয়েক মাসের মধ্যেই, জুন মাসে, ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতের উত্তাপ কিছুটা কমে আসে এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগে নামে উভয় দেশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সম্প্রীতির পিছনে বড় একটি ভূমিকায় ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের শুল্কনীতি।

    শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত

    চিনের বার্তা ছিল স্পষ্ট (Droupadi Murmu)— যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত, কারণ এই দুই দেশেরই সামনে অভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ দাঁড় করিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সেই বার্তাই পরোক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে শি জিনপিংয়ের (Chinese President) চিঠিতে। চিঠি প্রকাশ্যে আসার কিছুদিন পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফরে যান। প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, সম্মেলনের পাশাপাশি মোদির সঙ্গে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা রবিবার অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    ভারতের ওপর শুল্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আমেরিকার বিরোধী দল

    মার্চ থেকে অগাস্ট— এই কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক কূটনীতির পরিমণ্ডলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির কারণে ভারতের পণ্যের উপর প্রায় ৫০ শতাংশ আমেরিকান শুল্ক চাপানো হয়, যা মোদি প্রশাসনের জন্য চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, চিন (Chinese President) রাশিয়া থেকে ভারতের তুলনায় অনেক বেশি তেল আমদানি করলেও, তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেনি ট্রাম্প প্রশাসন। এই বৈষম্য নিয়ে আমেরিকার বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে। কারণ, গত দুই দশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চিনের প্রভাব ঠেকাতে ভারতকে কৌশলগতভাবে পাশে চেয়েছিল আমেরিকা। এখন সেই ভারতই যদি বাণিজ্য নীতিতে কোণঠাসা হয়, তা হলে সেই কৌশলগত বোঝাপড়ার ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    চিন তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে

    চিন বারবার তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে। ভারতও একইসঙ্গে বিশ্ব কূটনীতিতে নিজস্ব ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। এই প্রেক্ষাপটে, দু’দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করা, কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মতো বিষয়গুলিতে সাম্প্রতিক সময়ে অগ্রগতি হয়েছে। কয়েক দিন আগেই চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্জীবিত করতে চাইছে এবং এর পেছনে তাদের স্পষ্ট ও কৌশলগত স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।

  • Operation Sindoor: “অপারেশন সিঁদুর ঐতিহাসিক”, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু

    Operation Sindoor: “অপারেশন সিঁদুর ঐতিহাসিক”, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu) ‘অপারেশন সিঁদুর’-কে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের এক ‘ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত’ হিসেবে বর্ণনা করলেন। তিনি বলেন, এই অপারেশন (Operation Sindoor) প্রমাণ করেছে যে দেশের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনও পরিস্থিতিতে দেশের সুরক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রাষ্ট্রপতি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে যে নৃশংস সন্ত্রাসবাদী হামলায় ২৬ জন নিরীহ ভারতীয় প্রাণ হারান, তা ছিল এক কাপুরুষোচিত আঘাত। সেই ঘটনার পর ভারতের প্রতিক্রিয়া ছিল ‘দৃঢ় ও সঠিক’—এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর কেবল একটি সামরিক অভিযান নয়, এটি মানবতার পক্ষে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা। এই অভিযান ইতিহাসে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

    অপারেশন সিঁদুর আসলে আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, “পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর গোটা দেশ একসঙ্গে দাঁড়িয়ে যে ঐক্য দেখিয়েছে, তা ভারতের শক্তির প্রমাণ। যারা আমাদের মধ্যে বিভাজনের চেষ্টা করেছিল, তাদের এটাই ছিল উপযুক্ত উত্তর।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে যে ভারত কখনও আগ্রাসী নয়, তবে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না।” রাষ্ট্রপতির মতে, “অপারেশন সিঁদুর আসলে আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক (Operation Sindoor)।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, “এই অভিযানের সাফল্য দেখিয়ে দিয়েছে, আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি।”

    পহেলগাঁওয়ে হামলা

    প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় ঘটে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ৭ মে ভারত চালায় ‘অপারেশন সিঁদুর’। অভিযানে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ৯টি সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিতে চালানো হয় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা (Operation Sindoor)। ভারতীয় বায়ুসেনার নিখুঁত স্ট্রাইকে নিহত হয় একশোরও বেশি জঙ্গি। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীরের নিরীহ নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালায় ড্রোন ও মিসাইল হামলা, কিন্তু ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তা সফলভাবে প্রতিহত করে। শুধু তাই নয়, ভারত পাল্টা আঘাত হানে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি বিমান ঘাঁটিতে। এই অভিযানে ভারতের স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির কার্যকারিতা বিশ্বের সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘ব্রহ্মোস’-এর মতো অস্ত্র ব্যবহার করে ভারতীয় বায়ুসেনা এই অভিযান (Operation Sindoor) সম্পন্ন করে।

  • Padma Awards 2025: পদ্মশ্রী অরিজিৎ-অশ্বিন! ৭১ জনের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Padma Awards 2025: পদ্মশ্রী অরিজিৎ-অশ্বিন! ৭১ জনের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়েছিল আগেই। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ৭১ জনের হাতে পদ্ম-সম্মান (Padma Awards 2025) তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন বিকেলে রাষ্ট্রপতি ভবনে হয় পদ্ম সম্মান বিতরণ অনুষ্ঠান। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান প্রদান করা হয় সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতিদের। এদিন চারটি পদ্মবিভূষণ, ১০টি পদ্মভূষণ এবং ৫৭টি পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপকদের হাতে সম্মান তুলে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। পদ্মভূষণ গ্রহণের অনুষ্ঠানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভারতীয় তারকারা এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনে।

    সোমবার সম্মানিত ৭১ জন

    ২০২৫ সালের মোট ১৩৯ জন পদ্ম সম্মান (Padma Awards 2025) প্রাপকের মধ্যে ৭১ জন সোমবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে তাঁদের সম্মান গ্রহণ করলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সোমবার ৪ জনকে পদ্মবিভূষণ, ১০ জনকে পদ্মভূষণ এবং ৫৭ জনকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেছেন।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বহু বিশিষ্ট সদস্য এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    পদ্মবিভূষণে সম্মানিত

    চলতি বছরের পদ্মবিভূষণ সম্মানপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক এমটি বাসুদেবন নায়ার (মরণোত্তর), যাঁর হয়ে স্ত্রী সরস্বতী এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। বাণিজ্য ও শিল্পে অবদানের জন্য মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে ভূষিত হয়েছেন সুজুকি মোটর কর্পোরেশনের প্রাক্তন সিইও প্রয়াত ওসামু সুজুকি। তাঁর হয়ে কিংবদন্তির পুত্র বর্তমান সিইও তোশিহিরো সুজুকি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। এছাড়া শিল্পক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী অবদানের জন্য প্রখ্যাত বেহালাবাদক এল. সুব্রহ্মণ্যমকে পদ্মবিভূষণে ভূষিত করা হয় এদিন। এছাড়া পদ্মবিভূষণ পান ডঃ দুব্বুর নাগেশ্বর রেড্ডি।

    পদ্মভূষণ যাঁরা

    পদ্মভূষণ প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন হকি কিংবদন্তি পিআর শ্রীজেশ, চলচ্চিত্র নির্মাতা শেখর কাপুর, বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার মোদি (মরণোত্তর), যাঁর হয়ে এই সম্মান গ্রহণ করেন স্ত্রী জেসি সুশীল মোদি। এদিন পদ্ম অনুষ্ঠানের (Padma Awards 2025) মঞ্চ থেকে কিংবদন্তি গজল শিল্পী পঙ্কজ উধাসকে মরণোত্তর সম্মানে সম্মানিত করা হয়। তাঁর স্ত্রী ফারিদা উধাস এই সম্মান গ্রহণ করেন। নন্দমুরি বালকৃষ্ণকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হয়। তিনি বিশেষ এই দিনে অন্ধ্রপ্রদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে উঠেছিলেন। অজিত কুমারও পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হন। তাঁর পরনে ছিল স্যুট। তাছাড়াও শেখর কাপুর এবং শোভনাও পেয়েছেন পদ্মভূষণ।

    সম্মানের জন্য কৃতজ্ঞ

    জানুয়ারিতে যখন পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন অজিত কুমার একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তাতে লেখা ছিল, ‘ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মানিত পদ্ম পুরষ্কার পেয়ে আমি গভীর ভাবে বিনীত এবং সম্মানিত বোধ করছি। এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মানের জন্য আমি ভারতের মাননীয় রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এমন একটি স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য খুব সৌভাগ্যের বিষয় এবং আমাদের জাতির প্রতি আমার অবদানের এই স্বীকৃতির জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’ অন্যদিকে, শেখর কাপুর এক্সে পোস্ট করেছিলেন, ‘ভারত সরকার আমাকে পদ্মভূষণের যোগ্য বলে বিবেচনা করেছে বলে আমি কৃতজ্ঞ। আশা করি এই পুরষ্কার আমাকে আমার শিল্পের সেবা করার জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহ দেবে। আমাদের ভারতীয় ছবির দর্শকদেরও ধন্যবাদ, কারণ আমি আছি, আপনারা আছেন বলেই।

    ক্রীড়াজগত থেকে সম্মানিত

    ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন সহ ৫৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এদিন পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন অশ্বিন। তবে আইপিএলে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার গ্রহণ করলেন অশ্বিন। শুধু অশ্বিন নয় পদ্ম পুরস্কার পেলেন ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক পিআর শ্রীজেশ। ভারতের হয়ে দুটি অলিম্পিক পদক জেতা শ্রীজেশ পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হলেন। শ্রীজেশ ভারতীয় সাবেকি পোশাক পাঞ্জাবি পরেছিলেন। গত ২৫ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে শ্রীজেশ-অশ্বিনদের নাম ঘোষণা করা হয়। পদ্মভূষণ পেলেন প্রাক্তন ফুটবলার বিজয়নও।

    অরিজিৎ, মমতাশঙ্কর-সহ ৯ বঙ্গ সন্তান সম্মানিত

    সঙ্গীতে নিজের অবদানের জন্য পদ্ম সম্মান পেলেন প্লেব্যাক গায়িকা জসবিন্দর নারুলা। এ ছাড়াও কিংবদন্তি সরোদ বাদক পন্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণও বাংলা থেকে পেলেন পদ্মশ্রী। নয় বঙ্গ সন্তানের সঙ্গেই পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হলেন অরিজিৎ সিং। এবারের পদ্ম সম্মানের তালিকায় ছিল অরিজিৎ, মমতাশঙ্কর-সহ ৯ বঙ্গ সন্তানের নাম। তবে এদিন ছিল পদ্ম সম্মান প্রদানের প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান। উল্লেখ্য, বিশিষ্ট বৈদিক পন্ডিত গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়কেও পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়। অযোধ্যার রাম জন্মভূমি মন্দিরে রাম লালার অভিষেক এবং বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ করিডোরের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানের শুভ সময় নির্ধারণ করেছিলেন তিনি।

  • PM Modi: দেশবাসীকে রামনবমীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির, অযোধ্যায় ভক্তের ঢল

    PM Modi: দেশবাসীকে রামনবমীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির, অযোধ্যায় ভক্তের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশবাসীর জীবনে নতুন উদ্দীপনা কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “রামনবমী উপলক্ষে সমস্ত দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। ভগবান শ্রী রামের জন্মোৎসবের এই পবিত্র সময় যেন আপনাদের সকলের জীবনে নয়া চেতনা ও সজীব উদ্দীপনা আনে এবং একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও সক্ষম ভারত গঠনের সঙ্কল্পকে অবিরাম নতুন শক্তি প্রদান করে। জয় শ্রী রাম।” এদিন, রাম নবমী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী যাবেন তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের রামনাথস্বামীর মন্দিরে। পরে সেখানে তিনি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন।

    দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতিরও

    দেশবাসীকে রামনবমীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “রামনবমীর পবিত্র উৎসবে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। এই উৎসব ধর্ম, ন্যায় ও কর্তব্যবোধের বার্তা বহন করে।” তিনি লিখেছেন, “মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম মানবজাতির জন্য ত্যাগ, প্রতিশ্রুতি, সম্প্রীতি ও বীরত্বের সর্বোচ্চ আদর্শ (PM Modi) উপস্থাপন করেছেন। তাঁর সুশাসনের ধারণা, যা রামরাজ্য নামে পরিচিত, তা আদর্শ হিসেবে বিবেচিত। আমার শুভ কামনা যে এই শুভদিন উপলক্ষে সব দেশবাসী একটি উন্নত ভারত গঠনের জন্য একত্রিত হয়ে কাজ করার সঙ্কল্প গ্রহণ করবেন।”

    এদিকে, রামনবমী উপলক্ষে অযোধ্যার রাম মন্দিরে কার্যত ঢল নেমেছে ভক্তদের। সরযূ নদীতে স্নান সেরে পুণ্যার্থীরা লাইন দিয়েছেন দেবদর্শন করতে। ব্যাপক ভিড় হয়েছে অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দিরেও। এই মন্দিরের পুরোহিত মহন্ত রাজু দাস বলেন, “রামনবমী উপলক্ষে আমি সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। এদিন ভোর ৩টেয় মঙ্গল আরতি হয়েছে। রামনবমী উপলক্ষে মন্দিরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভক্তরা পুজো দিচ্ছেন। আজ ভগবান শ্রী রামের জন্মদিন। আমি সমস্ত ভক্তকে শুভকামনা জানাই। আমি বিশ্বের মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করব।”

    এদিন ভোর থেকে বেলা ৯টা পর্যন্ত লাইনে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন এক ভক্ত। তিনি বলেন, “এখানে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ব্যবস্থাপনা খুব ভালো।” বারাণসী থেকে আসা আর এক পুণ্যার্থী বলেন, “আমি রামনবমী (Ram Navami) উপলক্ষে শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দিরে পুজো দিতে এসেছি। খুব ভালো লাগছে। দেবদর্শনের পর মনে প্রশান্তি এসেছে (PM Modi)।”

  • Waqf Amendment Bill: স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই আইনে পরিণত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

    Waqf Amendment Bill: স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই আইনে পরিণত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যেই আইনে পরিণত হল ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Amendment Bill)। শনিবার রাতে বিলটিতে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। তার পরেই বিলটি পরিণত হয় আইনে। বুধবার দীর্ঘ বিতর্কের পর গভীর রাতে লোকসভায় ৫৬ ভোটের ব্যবধানে পাশ হয়েছিল ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫। বিলের পক্ষে পড়েছিল ২৮৮টি ভোট, আর বিপক্ষে ২৩২টি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজ্যসভায়ও পাশ হয়ে যায় বিলটি। তার পরেই বিলটি পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। শনিবার তাতে সই করেন তিনি। এর পরেই বিলটি পরিণত হয় আইনে।

    ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ (Waqf Amendment Bill)

    ভারত সরকারের গেজেটিয়রে প্রকাশিত হয়েছে ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিজ্ঞপ্তি। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, “ওয়াকফ শব্দের অর্থ ঐক্যবদ্ধ ওয়াকফ ব্যবস্থাপনা, ক্ষমতায়ন, দক্ষতা ও উন্নয়ন।” নতুন আইন অনুযায়ী, তাই কোনও জমি ওয়াকফ কিনা, সেই সম্পর্কিত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাককরা। বোর্ডে এবার থেকে থাকতে পারবেন অমুসলিম প্রতিনিধিরাও। নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারেরও।

    ওয়াকফ সম্পত্তি কী

    মুসলিম আইনে যে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দলিলের মাধ্যমে ধর্মীয় বা দাতব্যের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়, তাই হল ওয়াকফ। এই সম্পত্তিকে বলা হয় ওয়াকফ সম্পত্তি। এই সম্পত্তি মূলত সেবামূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। এই সম্পত্তি কখনও হস্তান্তর করা যায় না। মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবরস্থান, মসজিদ এবং দরিদ্রদের আশ্রয় দেওয়ার মতো কল্যাণকর কাজে ব্যবহার করা হয় এই জমি। সম্পত্তির দেখভাল করে ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Amendment Bill)।

    এই বোর্ডের বিরুদ্ধেই বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ করেছিলেন মুসলমানদেরই একাংশ। তার জেরেই ওয়াকফ বিল আনে কেন্দ্র। এদিন সেটি পরিণত হল আইনে। কেন্দ্রের দাবি, এর ফলে সার্বিকভাবে উন্নতি হবে মুসলিমদের। ক্ষমতায়ন হবে মুসলিম মহিলাদের। নয়া আইন অবশ্য মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসে হস্তক্ষেপ করবে না। তবে ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে অস্বচ্ছতা দূর হবে। নয়া আইন মুসলিম মহিলাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির দিশা দেখাবে। মুসলিম ছাত্রীদের বৃত্তি, মহিলাদের স্বাস্থ্য ও মাতৃত্বকালীন সুবিধা, দক্ষতা বৃদ্ধি, মহিলা উদ্যোগীদের জন্য ঋণের ব্যবস্থার পাশাপাশি (Waqf Amendment Bill) বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের রাস্তা খুলে দেবে নয়া আইন (Droupadi Murmu)। উন্নত করবে দরিদ্রদের জীবনযাপনের মান।

  • Droupadi Murmu: সোমবার প্রয়াগে রাষ্ট্রপতি, মহাকুম্ভে আর কে কে সারবেন অমৃতস্নান?

    Droupadi Murmu: সোমবার প্রয়াগে রাষ্ট্রপতি, মহাকুম্ভে আর কে কে সারবেন অমৃতস্নান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে বিবৃতি জারি করে রাষ্ট্রপতির প্রয়াগরাজের সফরসূচি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, সোমবার আট ঘণ্টারও বেশি সময় প্রয়াগরাজে থাকবেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। বেশ কয়েকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা তাঁর। প্রথমে সঙ্গমে শাহি স্নান, তার পর অক্ষয়বট এবং হনুমান মন্দিরে পুজো দেবেন তিনি। সফরকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    স্নান করবেন জগদীপ ধনখড়ও (Droupadi Murmu)

    এদিনই অমৃতস্নান করার কথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়েরও। রাষ্ট্রপতির এই সফরের আগে প্রয়াগরাজে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির (Droupadi Murmu) কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, বিকেল পৌনে ছটা নাগাদ তিনি প্রয়াগরাজ থেকে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন। প্রসঙ্গত, ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদও পূর্ণকুম্ভের সময় অমৃতস্নান করেছিলেন।

    ২ দিনের সফরে দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    মাঘী পূর্ণিমাতেই মহাকুম্ভে (Triveni Sangam) ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়ে যাবে ৪৫ কোটি, এমনটাই অনুমান প্রসাশনের। এই আবহে মহাকুম্ভে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভে তিনি দুদিন থাকবেন। এর পাশাপাশি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজন লাল শর্মা এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরাও অমৃত স্নানে অংশ নিতে পৌঁছেছেন মহাকুম্ভে। উত্তরপ্রদেশের পরে রাজস্থানই হল একমাত্র রাজ্য, যেখানকার ক্যাবিনেট একসঙ্গে পবিত্র স্থান সারল।

    সবচেয়ে বেশি ভক্ত স্নান করেন মৌনী অমাবস্যায়

    ১২ জানুয়ারি মহাকুম্ভ শুরু হওয়ার আগে প্রশাসন অনুমান করেছিল ৪০ থেকে ৪৫ কোটি মানুষ স্নান সারবেন প্রয়াগরাজে। প্রশাসনের সেই অনুমানকেও ছাপিয়ে গিয়েছে পুণ্যার্থীর সংখ্যা। পরপর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অমৃত স্নান – মকর সংক্রান্তির স্নান, মৌনী অমাবস্যা স্নান এবং বসন্তী পঞ্চমীর স্নানের পরেও মানুষের উন্মাদনা তুঙ্গে। এখনও পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ ভক্ত প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন প্রয়াগরাজে। তাঁরা রীতি মেনে স্নান করছেন। একটি হিসেব বলছে, মৌনী অমাবস্যায় সব চেয়ে বেশি মানুষ হাজির হয়েছিলেন এই ত্রিবেণী সঙ্গমে। সেদিন অমৃতস্নান সেরেছেন ৮ কোটি পুণ্যার্থী।

  • Happy New Year 2025: দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, কে কী লিখলেন?

    Happy New Year 2025: দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, কে কী লিখলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা (Happy New Year 2025) জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে রাষ্ট্রপতি লিখেছেন, “সকলকে একটি খুব শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা! ২০২৫ সাল সবার জন্য আনন্দ, সঙ্গতি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক! এই উপলক্ষে, আসুন আমরা ভারতের এবং বিশ্বের জন্য একটি উজ্জ্বল, আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থায়ী ভবিষ্যৎ নির্মাণে এক সঙ্গে কাজ করতে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই।” 

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এ বছর সবাইকে নতুন সুযোগ, সফলতা এবং অশেষ আনন্দ এনে দিক। সবাই সুন্দর স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে আশীর্বাদিত হোক।” 

    উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় বলেন, এ বছর আমাদের সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তির চূড়ান্ত চতুর্থাংশে প্রবেশের সূচনা করে এবং এটি সেই সময় যখন আমাদের সংবিধান প্রণেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের জন্য নিজেদের পুনরায় উৎসর্গ করার অঙ্গীকার করতে হবে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “২০২৫ সালে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রজাতন্ত্রের যাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পা রাখার জন্য সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা। এ বছর আমাদের সংবিধানের শতবর্ষ পূর্তির চূড়ান্ত চতুর্থাংশে প্রবেশের সূচনা করে। আমাদের সংবিধান প্রণেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে নিজেদের পুনরায় উৎসর্গ করার সময় এটি, যখন আমরা ২০৪৭ সালে বিকশিত ভারতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি (Happy New Year 2025)। দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলুন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে লালন করুন এবং জাতিকে সর্বপ্রথম রাখার সংকল্প করুন। সবাইকে শুভ ও অর্থবহ নতুন বছরের শুভেচ্ছা।”

    আরও পড়ুন: ‘বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত ভারত’, মোদির নেতৃত্বের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বনেতারা

    দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা! এই বছর সুখ, সমৃদ্ধি এবং সুস্বাস্থ্যে পরিপূর্ণ হোক।” নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গডকরিও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ২০২৫ সালের জন্য শুভেচ্ছা ও সমৃদ্ধির কামনা (PM Modi)! এই বছর সবার জীবনে প্রচুর সুখ এবং সুস্থতা নিয়ে আসুক (Happy New Year 2025)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: ঝাঁসির মেডিক্যাল কলেজে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত ১০ শিশু! শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    Uttar Pradesh: ঝাঁসির মেডিক্যাল কলেজে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত ১০ শিশু! শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) হাসপাতালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ঝাঁসির মেডিক্যাল কলেজের (Jhansi Medical College) নিওনেটাল ইনটেনসিভ ইউনিটে ভয়াবাহ অগ্নিকেণ্ডে ১০ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। সেই সঙ্গে আরও ১৬ জন শিশুর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক, তাদের চিকিৎসা চলছে। আগুন লাগার স্থলে অক্সিজন সরবরাহের পাইপ লিক হয়ে আরও বিধ্বংসী রূপ নেয়। ঘটনার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনকে তৎপর হয়ে উদ্ধার এবং ত্রাণকাজের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। অপর দিকে, দেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনায় মৃত শিশুর পরিজনদের প্রতি শোকবার্তা দিয়ে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। ইতিমধ্যে নিহতদের জন্য ২ লাখ করে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে।

    অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ভিতরে হঠাৎ আগুন লেগে (Uttar Pradesh)

    ঝাঁসি (Uttar Pradesh) মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট (Jhansi Medical College) শচীন মহর দুর্ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, “এনআইসিইউ ওয়ার্ডে ৫৪ জন শিশু ভর্তি ছিল। কিন্তু অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ভিতরে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয় কিন্তু ওই ঘরে অক্সিজেন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় মারাত্মক রূপ নেয় আগুন। বেশ কিছু শিশুকে উদ্ধার করা গেলেও ১০ জন সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়। আহতদের দ্রুততার সঙ্গে চিকিৎসার কাজ চলছে। প্রশাসন সবরকম ভাবে সহযোগিতায় কাজ করে চলছে।”

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত প্রায় পৌনে ১১টা নাগাদ আগুন লেগেছিল ওই হাসপাতালে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হাসপাতালের নিকু ওয়ার্ড হঠাৎ ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল। দমকল পৌঁছনোর আগেই শিশু বিভাগের জানলা ভেঙে ৩৭ জন শিশুকে উদ্ধার করে বাইরে বার করা হয়েছিল। ঝাঁসির ডিভিশনাল কমিশনার এবং ডিআইজিকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    শিশু মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক বললেন যোগী

    অগ্নিকাণ্ডে মৃত শিশুদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “ঝাঁসি (Uttar Pradesh) জেলায় অবস্থিত মেডিক্যাল কলেজের (Jhansi Medical College) এনআইসিইউতে ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। শিশু মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং বিপর্যয় বাহিনীকে উদ্ধার-ত্রাণ কাজের জন্য সব রকম সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।”

    ৩টি মৃত শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা

    পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক বলেন, “এই দুর্ঘটনার কারণ সন্ধানের জন্য বিশেষ ভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা এই ঘটনার জন্য প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে দায়ী তাদেরকে খোঁজ করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। পরিচালনার জন্য কোনও রকম ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে কিনা তারও তল্লাশি করা হবে। একই ভাবে রাজ্যসরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ৫০,০০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।” উপ-মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বললেন, “মৃত ১০ শিশুর মধ্যে ৩টি শিশুর ক্ষেত্রে ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হবে। ইতি মধ্যে মৃত ৭ শিশুর দেহকে শনাক্ত করা হয়েছে। একই ভাবে আরও বেশ কিছু শিশু গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। পুলিশের ডিআইজিকে ইতিমধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলে তলব করা হয়েছে।”

    রাষ্ট্রপতির শোক প্রকাশ

    এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ঝাঁসির মহারানি লক্ষ্মীবাঈ মেডিক্যাল কলেজের (Jhansi Medical College) দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকটি নবজাতকের মৃত্যু খবর এসেছে। এই ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। ঈশ্বর শোকাহত পিতামাতাকে আঘাত সহ্য করার শক্তি প্রদান করুন। আর আহত শিশুদের দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি।”

    আরও পড়ুনঃ সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের  বার্তা

    অত্যন্ত মর্মস্পর্শী এই দুর্ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পিএমও-র অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ঝাঁসি মেডিকেল কলেজে অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। এতে যাঁরা তাঁদের নিষ্পাপ সন্তানদের হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যে তাঁরা যেন তাঁদের এই অভূতপূর্ব ক্ষতি সহ্য করার শক্তি পান। রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ ও উদ্ধারের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।” নিহতদের নিকটজনকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণাও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ৭৪তম জন্মদিনে ওড়িশায় ৩৯০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা মোদির

    Narendra Modi: ৭৪তম জন্মদিনে ওড়িশায় ৩৯০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১৭ সেপ্টেম্বর দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) জন্মদিন। তিনি এবার ৭৪ বছরের পদার্পণ করলেন। তাঁকে জন্মদিনের বিশেষ অভিনন্দন জানিয়েছেন, দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। বিজেপির একাধিক নেতা-মন্ত্রী এবং এনডিএ শরীক দলগুলির নেতারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার মোদি ওড়িশা সফর করেছেন এবং ‘সুভদ্রা যোজনা’-র মতো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক কর্মসূচি চালু করেছেন। ভুবনেশ্বরের গাদাকানায় পিএম আবাস প্রকল্পের (PM housing project) আওতায় ২৬ লক্ষ বাড়ির উদ্বোধন করে দেশবাসীর জন্য অর্পণ করেছেন। 

    আজকের কর্মসূচি (Narendra Modi)

    ‘সুভদ্রা প্রকল্প’ ছাড়াও ১০০০ কোটি টাকার হাইওয়ে প্রকল্প এবং ২৮৭১ কোটি টাকার রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। মহিলাদের জন্য অধীরভাবে প্রত্যাশিত ছিল সুভদ্রা প্রকল্পটি। মঙ্গলবার, প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিনে তা কার্যকর হল। পরিকল্পনাটি ভগবান জগন্নাথের বোনের নাম অনুসারে সুভদ্রা নাম রাখা হয়েছে। অবশ্য নির্বাচনের আগে বিজেপি নির্বাচনী প্রচারে এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিল। পাঁচ বছরের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রকল্পটি দুটি সমান কিস্তিতে প্রায় এক কোটি দরিদ্র মহিলাকে বার্ষিক ১০,০০০ টাকা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। একই ভাবে তাঁর জন্মদিনে দেশব্যাপী বিজেপি ‘সেবা পর্ব’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আগামী ৭ দিন জনসেবা মূলক কাজ করা হবে বলে সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সারা দেশে স্বচ্ছতা অভিযান এবং রক্তদান শিবির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল, স্কুল ও অন্যান্য জায়গায় দলীয় কর্মী-স্বেচ্ছাসেবকরা স্বচ্ছতা অভিযানের কাজ শুরু করে দিয়েছে। 

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শুভেচ্ছা বার্তা

    নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) শুভেচ্ছা বিনিময় করে এক্স হ্যান্ডলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “দেশের মধ্যে অসাধারণ নেতৃত্ব প্রদান করছেন তিনি। আমি কামনা করি জাতির চেতনায় আপনার উদ্ভাবনী প্রচেষ্টা সর্বাত্মক সাফল্য পাক। ভারতকে একটি উন্নত জাতি হিসাবে গড়ে তোলার পথ প্রশস্ত করতে হবে। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যে আপনি দীর্ঘজীবী হন এবং সর্বদা সুস্থ ও সুখী হন। দেশের সমৃদ্ধি এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।”

    অমিত শাহ, রাজনাথ সিংয়ের অভিনন্দন বার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi) জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “মোদি জির অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং দূরদর্শিতার মাধ্যমে দেশবাসীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য কাজ করে চলেছেন। আপনার সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবনের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি।” প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, নরেন্দ্র মোদিকে বলেছেন, “শুধু ভারত নয়, সমগ্র বিশ্ব তাঁর দূরদর্শী ও শক্তিশালী নেতৃত্ব দেখেছে এবং অনুভব করেছে। মোদি জি সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে, একাগ্রতা এবং সাধনার দ্বারা দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের গরিবের কল্যাণ থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি ব্যক্তির কল্যাণের জন্য যত্ন নিয়ে কাজ করছেন। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন। আজ মোদীজির নেতৃত্বে, ভারত একটি সক্ষম এবং শক্তিশালী জাতি হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। উন্নত ভারত হয়ে ওঠার বিশাল লক্ষ্য অর্জন করতে তিনি বিরাট নেতৃত্ব রেখেছেন।”

    স্মৃতি ইরানির শুভকামনা

    প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেছেন, “দেশের সফল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) আন্তরিক জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। জনকল্যাণের জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন। মা ভারতীর সেবায় আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশ প্রগতির পথে এগিয়ে চলেছে। আপনার কঠোর পরিশ্রম আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আমি ভগবান শ্রীরামের কাছে প্রার্থনা করি যাতে আপনাকে সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘ জীবন এবং অপরিমেয় শক্তি দেন। সমগ্র জাতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি।”

    মোদি হলেন দূরদর্শী নেতা

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, “নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) হলেন দূরদর্শী নেতা। মা ভারতীর মহান পুত্রকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই।” আবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “মোদি সরকারের ১০ বছরে দেশকে শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি স্থাপন করেছেন। তাঁর নেওয়া প্রকল্পগুলি (PM housing project) দেশ এবং মধ্যপ্রদেশ উভয়ের ছবি বদলে দিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ২৩ তারিখ রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘সামিট অফ দ্য ফিউচার’ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    গ্লোবাল লিডার মোদি

    মর্নিং কনসাল্টের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে নির্বাচিত বিশ্বনেতাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) সর্বোচ্চ রেটিং পেয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পরামর্শদাতা ব্যবসার ‘গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং ট্র্যাকার’ অনুসারে ৭৬ শতাংশ মানুষ তাঁর নেতৃত্বের পক্ষে মত দিয়েছেন। সেখানে ১৮ শতাংশ লোক এর বিপক্ষে এবং ৬ শতাংশ কোনও মতামত দেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share