Tag: Durga Puja

Durga Puja

  • Durga Puja: বাংলাদেশের ছায়া পশ্চিমবঙ্গে! পুজোর আগেই দুর্গার মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা!

    Durga Puja: বাংলাদেশের ছায়া পশ্চিমবঙ্গে! পুজোর আগেই দুর্গার মূর্তি ভাঙল দুষ্কৃতীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোর (Durga Puja) আগেই দেবী দুর্গা এবং অন্যান্য হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর (Broke idol) করেছে দুষ্কৃতীরা। মা দুর্গার মূর্তির সঙ্গে লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তিও ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিও শেয়ার করে অমিত মালব্য বলেন, “মা দুর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তিগুলিকে অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয় দিয়ে পুজোর আগেই ভাঙচুর করা হয়েছে। বাংলায় হিন্দুরা সঙ্কটে রয়েছেন।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ঘটনা কোথায় ঘটেছে (Durga Puja)?

    বাংলায় সবথেকে বড় উৎসব হল দুর্গা পুজো (Durga Puja)। কিন্তু হিন্দুদের এই উৎসবের আগেই হুগলি জেলার ঝরিয়া গ্রামে নির্মীয়মাণ দুর্গা মূর্তিগুলিকে ভাঙচুর করা হয়েছে। মুসলমান রাষ্ট্র বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তানে এই ধরনের ঘটনা প্রায় প্রায় ঘটে থাকে। এবার পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুদের দেবদেবীর উপর আঘাত নেমে এল। শনিবার, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডলে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “হুগলির গোঘাট থানা এলাকায় মা দুর্গা, লক্ষ্মী এবং সরস্বতীর মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার কথা জানার পরেও গোঘাট পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তবে পুলিশকে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের সামনে মিথ্যা আশ্বাস দিলেও অপরাধীদের ধরা এবং শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে কোনও সদর্থক ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। এই মামলাটিও অন্যান্য অগণিত মামলার মতো ধামাচাপা দেওয়া হবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা সব সময় তোষণের রাজনীতি করেন। যদি আমাদের দেবদেবীরাও নিরাপদ না থাকেন, তবে বাংলার নারীরা কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন।”

    আরও পড়ুনঃ দেহ উদ্ধারের সকালে সন্দীপ-অভিজিৎ ফোনে কথা, মোক্ষম অস্ত্র সিবিআইয়ের হাতে

    ধুপগুড়িতে আগেও হামলা হয়েছিল

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতিমা ভাঙচুরের (Broke idol) ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এই বছরের মে মাসের শুরুতেই জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে অজ্ঞাত দুষ্কৃতীরা তিনটি হিন্দু মন্দিরে ঢুকে ব্যাপক ভাবে মূর্তি ভাঙচুর করেছিল। ঘটনার পর স্থানীয় হিন্দুরা বিরাট প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করেছিল। একই ভাবে গত বছর আবার বহরমপুরে সরস্বতী মূর্তি ভাঙা হয়। ২০২২ সালে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে রাধাকৃষ্ণ, কালী মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কাউকেই আটক করতে দেখা যায়নি। উল্লেখ্য, রামনবমী, হনুমান জয়ন্তী, দুর্গা (Durga Puja) পুজোর ভাসান, শিব ভক্তদের শোভা যাত্রা-সহ নানা সময়ে দুষ্কৃতীদের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। সব ক্ষেত্রেই প্রশাসন নির্বিকার বলে অভিযোগ বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পরই বাংলাদেশে (Bangladesh) হামলার মুখে পড়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুরা। ভাঙচুর করা হয়েছে তাদের বাড়িঘর, দোকানপাট। এই পরিস্থিতিতে যখন উদ্বেগে সবাই, তখন মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আশ্বাস দিয়েছিল যে, বাংলাদেশে আগের মতোই দুর্গাপুজো (Durga Puja) হবে। ফলে, সংখ্যালঘু হিন্দুরা আশার আলো দেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু, অন্তর্বর্তী সরকারের আসল রূপ ক্রমশ প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। নমাজের সময় দুর্গাপুজোর ঢাক-ঢোল-মাইক বাজানো যাবে না ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যা নিয়ে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    দুর্গাপুজোয় ঢাক-মাইক বন্ধে ফতোয়া জারি (Durga Puja)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজো নিয়ে কিছু ফতোয়া জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবারই পুজো উদযাপন পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী। বৈঠকেই তিনি ঘোষণা করেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে মসজিদে আজানের সময় মণ্ডপে ঢাক-মাইক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজানের ৫ মিনিট আগেই মাইক ও যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বন্ধ করতে হবে। আজান শেষের পরই ফের মাইক বা ঢাক বাজানো যাবে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের বক্তব্য, পুজোর সময় আজান শুরু হলে ঢাক-ঢোল বাজানো যাবে না। আসলে পরোক্ষে পুজো বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে সরকার। 

    মণ্ডপের পাহারা নিয়েও নতুন আশঙ্কা

    পাশাপাশি, দুর্গাপুজোর নিরাপত্তা নিয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণায় তৈরি হয়েছে নতুন উৎকণ্ঠা। ঘোষণা অনুযায়ী, দুর্গামণ্ডপগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপে (Durga Puja) যাতে হামলা না চলে, তার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে, যারা পালা করে মণ্ডপ পাহারা দেবেন।বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, এই সুযোগে মাদ্রাসা ও জামাতের লোকজনকে পুজো মণ্ডপে মোতায়েনের চেষ্টা হচ্ছে, যারা মূর্তি পুজোয় বিশ্বাস করেন না। ফলে অশান্তির আশঙ্কা থাকছেই। এতদিন পুজো কমিটির লোকজনেরাই স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতেন। সঙ্গে থাকত পুলিশ বা অন্য কোনও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। 

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা!

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা যে কলকাঠি নাড়ছেন, এই ঘোষণাই তার প্রমাণ। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে হিন্দু খেদাও ও হিন্দু নিধন যজ্ঞ। দেশের হিন্দু প্রধান এলাকায় গিয়ে পুজো ও ধর্মীয় আচরণ বন্ধ করার ফতোয়া দিয়েছে বিএনপি-জামাত-এ-ইসলামির মতো মৌলবাদী দলগুলি। তালিবানি শাসন শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে! আর সেই হুমকির পরেই রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে হিন্দুরা।

     

    আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

     

    ইসকনের ভাইস-প্রেসিডেন্ড রাধারমণ দাস ট্যুইট করে বাংলাদেশি সরকারের ফতোয়াকে তালিবানি শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। 

     

    মৌলবাদীদের হুমকি-হামলা, কমল দুর্গাপুজো

    শেখ হাসিনা জমানায় গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজোর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। গত বছর রাজধানী ঢাকা-সহ গোটা দেশে ৩৩ হাজার ৪৩১টি মন্দির ও মণ্ডপে দুর্গাপুজোর (Durga Puja) আয়োজন করা হয়েছিল। আর এ বছর এখনও পর্যন্ত ৩২ হাজারের মতো পুজো কমিটি পুজো আয়োজনের কথা জানিয়েছে। অনেক জায়গাতেই আয়োজকরা ঘট পুজোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হামলার হাত থেকে বাঁচতে অনেক জায়গাতেই দুর্গাপুজো বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। গত বছরের তুলনায় এখনও পর্যন্ত প্রায় এক হাজারের বেশি পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পুজো বন্ধ হওয়ার সংখ্যাটি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পুজো উদযাপন পরিষদের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: পুজোয় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান? বিরাট উদ্যোগ রেলের, টিকিট কাটার আগে অবশ্যই জানুন

    Indian Railway: পুজোয় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান? বিরাট উদ্যোগ রেলের, টিকিট কাটার আগে অবশ্যই জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভ্রমণপ্রিয় বাঙালিদের কথা মাথায় রেখে এবার নয়া উদ্যোগ নিল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরেই দুর্গা পুজোর লম্বা ছুটি। আর এই লম্বা ছুটিতে বেড়াতে বেড়োয় না এমন বাঙালি খুব কমই আছে। তাই পুজোর মাসে ঘুরতে যাওয়ার জন্য আগাম ট্রেনের টিকিট কাটতে লাইন পরে যায় জুন জুলাই থেকেই। তাই পুজোর মাসের টিকিট বুকিং (Ticket Booking For Puja) শুরু হতে না হতেই হট কেকের মতো বিকিয়ে যায় টিকিট। প্রায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায় কাউন্টারে। অনলাইন বুকিংয়েও থাকে প্রচণ্ড চাপ। তাই যাত্রী সুবিধার্থে এবার বিশেষ ব্যবস্থা করছে রেল কর্তৃপক্ষ।  

    ঠিক কী জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ? (Indian Railway)

    এ প্রসঙ্গে পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, পুজোর জন্য এবার থেকে রবিবারেও খোলা থাকবে সংরক্ষিত টিকিটের কাউন্টার। শিয়ালদা ও হাওড়া ডিভিশনে রবিবার সকালের শিফটে খোলা থাকবে রিজার্ভেশন অফিস। ফলে যাঁরা সপ্তাহে কাজের দিনগুলিতে টিকিট বুক (Ticket Booking For Puja) করতে যেতে পারেন না, তাঁরা ছুটির দিনে নিজেদের সময় সুযোগ মত ভিড় এড়িয়ে কাটতে পারবেন অগ্রিম টিকিট। 
    ইতিমধ্যেই শিয়ালদা ডিভিশনের কোন কোন স্টেশনে রিজার্ভেশন অফিস খোলা থাকবে সেই তালিকাও দেওয়া হয়েছে রেলের (Indian Railway) তরফে। সেই তালিকায় আছে, শিয়ালদহ, কলকাতা, বিধাননগর রোড, দমদম জংশন, দমদম ক্যান্টনমেন্ট। এছাড়াও রয়েছে দক্ষিনেশ্বর, বেলঘড়িয়া, সোদপুর, টিটাগড়, ব্যারাকপুর, শ্যামনগর, কাঁকিনাড়া , নৈহাটি, কাঁচরাপাড়া, কল্যাণী, রানাঘাট, মাজদিয়া, বগুলা, শান্তিপুর, কৃষ্ণনগর সিটি, বেথুয়াডহরি, দেবগ্রাম, পলাশি, বেলডাঙা, বহরমপুর কোর্ট, মুর্শিদাবাদ। অন্যদিকে  লালগোলা, লক্ষ্মীকান্তপুর, বারুইপুর, ডায়মন্ড হারবার, বিরাটি, মধ্যমগ্রাম, বারাসাত, হাবরা, ঠাকুরনগর, বনগাঁ, বসিরহাট, হাসনাবাদ, যাদবপুর, বালিগঞ্জ, টালিগঞ্জ , সোনারপুর, বজবজ , মাঝেরহাট এবং ক্যানিং ও রয়েছে সেই তালিকায়।

    আরও পড়ুন: টানা তিনবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বিজেপির পেমা খান্ডুর, উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    আসলে পুজো যত এগিয়ে আসে ততই ভিড় বাড়তে থাকে টিকিটের লাইনে। তাই সেই চাপ সামাল দিতে এখন থেকেই মাঠে নেমে পড়েছেন রেল কর্তারা। তাই পুজোর অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে রবিবারও বিশ্রাম নেবেন না রেলওয়ের (Indian Railway) কাউন্টারে বসা কর্মীরা। জানা গিয়েছে, পুজোর অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে ১৬ জুন, ২৩ জুন, ৩০ জুন, ৭ জুলাই ও ১৪ জুলাই  শিয়ালদহ ও হাওড়া বিভাগের রিজার্ভেশন অফিসগুলি (পিআরএস এবং এসআরও উভয়ই) খোলা থাকছে রবিবারও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: শাল, মহুয়া, সেগুন গাছের নিবিড় ছায়ায় ঢাকা এই জঙ্গল! দেখা মেলে ময়ূরেরও

    Paschim Bardhaman: শাল, মহুয়া, সেগুন গাছের নিবিড় ছায়ায় ঢাকা এই জঙ্গল! দেখা মেলে ময়ূরেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার এই জঙ্গল ‘গড় জঙ্গল’ নামে খ্যাত হলেও এর অন্য পরিচিতি ‘কাঁকসার জঙ্গল’ নামে। না, এই জঙ্গলের নেই কোনও অভয়ারণ্য, ন্যাশনাল পার্ক বা ওয়াইল্ড লাইফ স্যাঙচুয়ারির স্বীকৃতি। তবে আছে অরন্যের শিহরণ, প্রাচীন ইতিহাসের গন্ধ। একই সঙ্গে রয়েছে ধর্মের যোগ। শাল, মহুয়া, সেগুন গাছের নিবিড় ছায়ায় ঢাকা এই জঙ্গলে দেখা মেলে হরেক রং-এর হরেক প্রজাতির পাখির। মাঝে মাঝেই দেখা মেলে ময়ূরের। ঘন জঙ্গলের বুক চিরে ইতিউতি চলে গেছে রাঙা মাটির বনপথ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ।

    উল্লেখ রয়েছে পুরাণেও

    বলা হয় এই গড় জঙ্গল (Paschim Bardhaman) হল ভারতের অন্যতম প্রাচীন স্থান। গড় জঙ্গলের কথা উল্লেখ রয়েছে পুরাণেও। সুপ্রাচীন কালে এই জঙ্গলে আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মেধস মুনি। শ্রী শ্রী চণ্ডীপুরাণ মতে, রাজা সুরথ এই মেধস ঋষির আশ্রমে মিলিত হন বৈশ্য সমাধির সঙ্গে। রাজা সুরথ এই জঙ্গলে তিনটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন ১) মহাকালী মন্দির ২) মহা সরস্বতী মন্দির এবং ৩) মহালক্ষ্মী মন্দির। বর্তমানে এখানে রয়েছে মেধস মুনির আশ্রম, মহাকাল ভৈরবীর মন্দির। এক সময় এখানে ১৬ টি মন্দির ছিল। এর মধ্যে শ্যামরূপা মন্দির এবং শিব মন্দির দুটি এখনও পর্যন্ত অবশিষ্ট আছে।

    দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন তোপধ্বনি?

    চণ্ডী পুরাণ এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণ মতে, রাজা সুরথ এখানেই (Paschim Bardhaman) করেছিলেন দুর্গাপুজো। তিনি এখানে দুর্গাপুজো করেছিলেন বসন্তকালে। বলা হয় রাজা সুরথের করা সেই দুর্গাপুজোই পৃথিবীর প্রথম দুর্গাপুজো। দ্বাদশ শতকে নির্মিত এই শ্যামরূপা মন্দিরটিতে বহু ভক্ত আজও পুজো দিতে আসেন। এও শোনা যায়, এখনও এখানে দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন তোপধ্বনি শোনা যায়। গড় জঙ্গল থেকে সামান্য দূরে অজয় নদ। প্রায় নদের তীরেই রয়েছে আর একটি দারুণ সুন্দর দ্রষ্টব্য। সেটি হল বহু লোককথা এবং প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে দাঁড়িয়ে থাকা “ইছাই ঘোষের দেউল”।

    দুর্গাপুরের কাছেই

    এক কথায় বলা চলে, অরণ্য, নদ, ধর্ম, ইতিহাস-সব মিলিয়ে একটা দুটো দিন বেড়িয়ে আসার জন্য এক অন্যতম আদর্শ স্থান এই ‘গড় জঙ্গল’ (Paschim Bardhaman)। গড় জঙ্গল যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে দুর্গাপুর। হাওড়া থেকে প্রচুর ট্রেন আসছে সরাসরি দূর্গাপুর। আবার কলকাতার ধর্মতলার বাসস্ট্যান্ড থেকে বহু বাস আসছে সরাসরি দুর্গাপুর। দুর্গাপুর থেকে গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিতে হবে গড় জঙ্গল।
    দুর্গাপুরে থাকার ও খাওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন দামের ও বিভিন্ন মানের প্রচুর হোটেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: লক্ষ্মীপুজোর পর শুরু হয় ‘দুর্গাপুজো’, মেতে ওঠেন গ্রামের বাসিন্দারা, কোথায় জানেন?

    Durga Puja 2023: লক্ষ্মীপুজোর পর শুরু হয় ‘দুর্গাপুজো’, মেতে ওঠেন গ্রামের বাসিন্দারা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা কয়েকদিন পর কালীপুজো শুরু। তার আগেই উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘির সিঙ্গারদহ গ্রামের বাসিন্দারা মেতে ওঠেন দুর্গাপুজোয় (Durga Puja 2023)। রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষরা এই পুজো করেন। লক্ষ্মীপুজোর পর শুরু হয় ‘দুর্গাপুজো’। চারদিন ধরে মেতে ওঠেন বাসিন্দারা।

    দশমীর আটদিন পর শুরু হয় এই পুজো (Durga Puja 2023)

    উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘির সিঙ্গারদহের বাসিন্দারা দশমীর আটদিন পর দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023) আনন্দে মেতে ওঠেন। এখানে ‘সোনামতি কুম্ভরানি’ হিসেবে পূজিত হন দেবী দুর্গা। করণদিঘির অন্যত্র যখন বিষাদের সুর, তখনই দেবীর বোধনকে কেন্দ্র করে উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভেসে গিয়েছে গোটা গ্রাম। দুর্গাপুজোর সঙ্গে এই পুজোর মিল রয়েছে অনেকটাই। যেমন দুর্গাপুজোর মতোই সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত দেবী পূজিত হন এখানে। পুজোকে কেন্দ্র করে মেলাও বসে গ্রামে। মায়ের কাছে প্রার্থনা জানাতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় এখানে। প্রচলিত আছে পশু বলিও। কয়েকশো বছর আগে এই পুজো শুরু হয়েছিল। পুজোর প্রায় এক সপ্তাহ পর এই পুজো শুরু হওয়ায় এই গ্রামের পাশ্ববর্তী গ্রামগুলিতে এর গুরুত্বই আলাদা। তাই এখানকার পুজোতে ভক্তির টানে ছুটে আসেন বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। মায়ের নামে বেশ কয়েক বিঘা জমি আছে। জমির ফসলের লাভ থেকে এই পুজো হয়।

    পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের কী বক্তব্য?

    পুজো কমিটির সম্পাদক জয়ন্ত সিনহা বলেন, সঠিক কবে এই পুজো শুরু হয়েছিল, তা জানা নেই। তবে, কয়েক পুরুষ ধরেই এই পুজো হয়ে আসছে। এই পুজোয় (Durga Puja 2023) প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয়স্বজনরা এসে ভিড় করেন। শুধু তাই নয়, এই পুজো দেখতে পাশের বিহার, বাংলাদেশ এবং নেপালের মানুষও সামিল হন। পুজোকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলা হয়। মায়ের কাছে মানত রাখেন। দুর্গাপুজো নয়, আমরা সারা বছর এই পুজোর জন্যই মেতে অপেক্ষায় থাকি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: দশমীর বিষাদের মধ্যেই পুজোর আনন্দে মেতে ওঠে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    Durga Puja: দশমীর বিষাদের মধ্যেই পুজোর আনন্দে মেতে ওঠে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশমীতে একদিকে যখন সারা বাংলা জুড়ে দশভূজার বিদায়ে বিষাদের ছায়া, ঠিক উল্টো চিত্র ধরা পড়ল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের খাদিমপুর গ্রামে। দশমীতেই শুরু এখানকার দুর্গাপুজো (Durga Puja)। পুজোর আনন্দে মেতে ওঠেন খাদিমপুর গ্রামের আট থেকে আশি সকলেই। পুজোর চারদিন বসে মেলাও।

    দেবী দশভূজার বদলে চতুর্ভূজা (Durga Puja)

    রায়গঞ্জ থানার ১৩ নম্বর কমলাবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের খাদিমপুর গ্রাম নতুন করে মেতে উঠেছে শারদীয়া পুজোর আনন্দে। তবে, কত বছরের পুরানো এই পুজো, তা কেউই বলতে পারে না। আনুমানিক পাঁচশো বছর ধরে এই একই নিয়মে দশমীর দিনেই শুরু হয় বালাইচন্ডীরূপী দেবী দুর্গার পুজো। দশমীর রাতে শুরু হওয়া পুজো চলবে তিনদিন। এখানে দেবী দশভূজার বদলে চতুর্ভূজা। চার হাতেই দেবীর অস্ত্র থাকলেও এখানে দেবীর পদতলে নেই মহিষাসুর। তবে অন্যান্য দুর্গামণ্ডপের মতো এখানেও দেবী কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী নিয়ে রয়েছেন সপরিবারেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সরা বছর আমরা এই পুজোর জন্য অপেক্ষা করে থাকি। সবাই যখন মা দুর্গাকে (Durga Puja) নিরঞ্জন করে মুখ ভার করে ঘরে ফেরেন, আমরা তখন মায়ের পুজোকে ঘিরে আনন্দে মেতে উঠি।

    পুজো কমিটির কর্মকর্তা কী বললেন?

    খাদিমপুরের বাসিন্দা তথা পুজো কমিটির কর্মকর্তা নির্মল বর্মন বলেন, পুজোর পাশাপাশি পুজোকে ঘিরে বসে মেলা। আর এই বালাইচন্ডীরূপী দুর্গাপুজোই (Durga Puja) খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে আসল পুজো। এই পুজোকে কেন্দ্র করে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন বাসিন্দারা। পুরানো রীতি মেনে আজও খাদিমপুরের এই দুর্গাপুজোয় চলে আসছে বলি প্রথা। এখানকার  বালাইচন্ডীরূপী দেবী দুর্গা খুবই জাগ্রত মেনে বহু দূর দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসেন খাদিমপুরে। শারদীয়া উৎসব যেখানে শেষ হয়ে বিষাদের সুর বেজে উঠেছে, আর তখনই রায়গঞ্জ শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে খাদিমপুরে আগমনীর আগমনে আনন্দে মেতে উঠেছেন গোটা গ্রামের মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Ratna Award 2023: ‘দুর্গা রত্ন’ পুরস্কার প্রদান করলেন রাজ্যপাল, তালিকায় রয়েছে কোন কোন পুজো?

    Durga Ratna Award 2023: ‘দুর্গা রত্ন’ পুরস্কার প্রদান করলেন রাজ্যপাল, তালিকায় রয়েছে কোন কোন পুজো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছরের ‘দুর্গা রত্ন’ (Durga Ratna Award 2023) পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কলকাতা এবং জেলা মিলিয়ে রাজ্যের মোট চারটি পুজো কমিটিকে মোট ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের কথা জানাল রাজভবন। এই ঘোষণায় পুরস্কার প্রাপ্ত পুজো কমিটিগুলির মধ্যে উৎসাহ ধরা পড়ল।

    ‘দুর্গা রত্ন’ পুরস্কারে কী থাকছে (Durga Ratna Award 2023)

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, মানুষের বিচারে সেরা চার পুজো কমিটিকে ‘দুর্গা রত্ন’ (Durga Ratna Award 2023) পুরস্কারে সম্মানিত করা হবে। চার কমিটিকে দেওয়া হবে মোট পাঁচ লক্ষ টাকা এবং সেই সঙ্গে থাকবে রাজবভনের বিশেষ মানপাত্র। এর আগে, সেরা দুর্গা পুজোর কমিটিগুলিকে একটা মোটা অঙ্কের টাকা প্রদানের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। এবার রাজ্যপালও নির্বাচিত কিছু পুজো কমিটিকে সেরা পুজোর জন্য পুরস্কার স্বরূপ টাকা প্রদান করলেন।

    কোন কোন ক্লাবের পুজো দুর্গা রত্ন পুরস্কার পেল?

    রাজবভন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল আগেই ‘দুর্গা রত্ন’ (Durga Ratna Award 2023) পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই মতো ইমেলের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে মতামত দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। আর তার উপর নির্ভর করেই চার পুজো মণ্ডপের নাম পুরস্কারের তালিকায় ঘোষণা করা হল। ‘দুর্গা রত্ন’ সম্মানে ভূষিত চারটি পুজো মণ্ডপ হল—কলকাতার টালা প্রত্যয়, নেতাজি নগর কলোনি লো-ল্যান্ড, বরানগর বন্ধু দল স্পোর্টিং এবং কল্যাণী লুমিনাস ক্লাব।

    পুজোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বার্তা রাজ্যপালের

    পুজোতে রাজ্যপালকে (Durga Ratna Award 2023) প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে প্রতিমা দর্শন করতে দেখা যায়। তিনি শহরের পুজো মণ্ডপগুলি পরিদর্শন করে, রাজ্যবাসীকে দুর্নীতির অসুরের বিরুদ্ধে লড়াই করার বার্তা দেন। অষ্টমীর দিনে সুকিয়া স্ট্রিটের রামমোহন সম্মিলনীর পুজোতে গিয়ে অঞ্জলি প্রদান করেন তিনি। মণ্ডপে দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল বলেন, “আজ মায়ের সামনে আসুন সবাই শপথ গ্রহণ করি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সকল হিংসার বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করব। পুরাণ অনুযায়ী, দুর্নীতি হল রক্তবীজ এবং হিংসা হল নরকাসুর। মা কালী যেমন রক্তবীজকে বধ করেন, তেমনি মা দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যেমন নরকাসুরকে বধ করেন, ঠিক তেমনই হিংসাকে আমাদের বধ করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: পুজোয় জনজোয়ার কল্যাণীতে, ভিড়ের চাপে ৪ দিন বন্ধ রইল রেল স্টেশন!

    Durga Puja 2023: পুজোয় জনজোয়ার কল্যাণীতে, ভিড়ের চাপে ৪ দিন বন্ধ রইল রেল স্টেশন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের পুজোয় কলকাতার অনেক ক্লাবকে ভিড়ের দিক থেকে টক্কর দিল কল্যাণী (Durga Puja 2023)। সাধারণভাবে শারদীয়া উৎসবের দিনগুলিতে গ্রাম বা শহরতলির মানুষের গন্তব্য হয়ে থাকে শহর কলকাতা। এ বছর ঠিক যেন উল্টো স্রোত দেখা গেল হাওড়া বা শিয়ালদা স্টেশন থেকে। সেখানে কল্যাণীগামী ট্রেনগুলিতে ভিড়ে পা রাখার জায়গা নেই। এমনিতে যে কোনও জায়গায় উৎসবকে (Durga Puja 2023) কেন্দ্র করে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে থাকে ভারতীয় রেল। তা সে কলকাতার দুর্গাপুজো হোক, অথবা নবদ্বীপের রাস কিংবা চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো। তবে এ বছর কল্যাণীতে এত ভিড় হবে, এটা বোধহয় ভাবতেও পারেনি ভারতীয় রেল। ভিড়ের চাপে জনস্রোতকে লাগাম দিতে স্থানীয় প্রশাসনের অনুরোধে ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত কোনও ট্রেনকেই দাঁড় করানো হয়নি কল্যাণী ঘোষপাড়া স্টেশনে।

    সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা ‘লুমিনাস’  ক্লাবের পুজোকে কেন্দ্র করে

    কল্যাণীতে সবথেকে বেশি উন্মাদনা ‘লুমিনাস’ ক্লাবের পুজোকে কেন্দ্র করে। দর্শনার্থীদের একাংশের মতে, কলকাতার অনেক বড় ক্লাবকেও ইতিমধ্যে টক্কর দিয়েছে কমবয়সী এই পুজো (Durga Puja 2023)। খাস কলকাতার লোকেরাও ভিড় জমিয়েছেন কল্যাণীর ‘লুমিনাস’-এর পুজো দেখতে। জানা গিয়েছে, কল্যাণীর আইটিআই মোড়ের কাছে ক্লাব ‘লুমিনাস’-এর পুজো চলতি বছরে একত্রিশে পা দিয়েছে। ২০২৩ সালের দুর্গাপুজোয় এই ক্লাবের থিম চিনের বিলাসবহুল হোটেল ‘গ্রান্ড লিসবোয়া’ মূলত লুমিনাসের আকর্ষণেই গ্রাম-মফস্বলের গন্তব্য তাই কল্যাণী।

    অক্ষয় তৃতীয়া থেকে শুরু মণ্ডপ তৈরির কাজ

    পুজো মণ্ডপের উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন যে চতুর্থীর দিন থেকেই বিপুল জনসমাগম দেখা যাচ্ছে। কলকাতা এবং শহরতলি সমেত দূর দূরান্তের গ্রাম থেকেও সাধারণ দর্শনার্থীরা আসছেন পুজোতে। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ক্লাব কর্তাদের। এরপরেই স্থানীয় কল্যাণী ঘোষপাড়া স্টেশনে ট্রেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। তবে তাতে অবশ্য ভিড় ঠেকানো যায়নি। ক্লাব কর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকে লুমিনাসের মণ্ডপ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ৫০ কেজি সোনার গয়না দিয়ে সাজানো হয়েছে দুর্গাপ্রতিমাকে (Durga Puja 2023)। এক ক্লাব সদস্যের কথায়, ‘‘শুধু নদিয়া জেলা নয়, গোটা রাজ্যের নজর কাড়া আমাদের লক্ষ্য। জেলার পুজোও যে কলকাতার ভিড় টানতে পারে, সেই নজির আমরা তৈরি করেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটের ক্লাবের পুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটের ক্লাবের পুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মহাঅষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) মৈত্রীচক্র ক্লাবে। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে শাসক বনাম বিরোধীদের লড়াই, প্রত্যেক দিনের অঙ্গ, তাই বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে নানান কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকতে হয়। রাজ্য রাজনীতি নিয়ে শত ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারকে সময় দিতে অষ্টমী থেকে পুজোর কয়েকটা দিন তিনি বালুরঘাটেই থাকবেন বলে জানা গেছে। পুজো সেরে রাজ্যে হিংসামুক্ত সমাজ গড়ে তোলার বার্তা দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ। 

    অষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত (Dakshin Dinajpur)

    অষ্টমীর দিন বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীর আগেই স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী মজুমদার এবং দুই কন্যা সৃজা ও শ্রীময়ীকে নিয়ে পাড়ার মৈত্রী চক্র ক্লাবে (Dakshin Dinajpur) অঞ্জলি দেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। পুজো দিয়ে, রাজ্যের সকলর জন্য অশুভ শক্তিকে পরাজয় করে, শুভ শক্তি জাগরণের মাধ্যমে মঙ্গল কামনা করলেন।

    কী বলেন সুকান্ত

    বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) পুজো দিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “সংগঠন দেখার কাজে বিভিন্ন কর্মসূচি করে বাড়িতে সময় দিতে পারি না। তাই পুজোয় এসেছি অঞ্জলি দিতে। সেই সঙ্গে স্ত্রী কন্যাদেরকে কাজের ফাঁকে কিছুটা সময় দেওয়াটাও প্রয়োজন।” তবে তিনি পরিবার বলতে সমগ্র জেলার তথা রাজ্যেরবাসীর কথা বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে অসুরের সংখ্যা বেড়ে গেছে, তাই পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রার্থনা জানাই মা দুর্গার কাছে।” পাশাপাশি রাজ্যপালের বক্তব্যের পালটা কুনাল ঘোষের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে হিংসা মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত পশ্চিমবঙ্গ একান্ত প্রয়োজন।”

    পুজো হল জনসংযোগের মাধ্যম

    সুকান্তর বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) পুজোতে অঞ্জলি দেওয়াকে বড় জনসংযোগের মাধ্যম হিসাবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। হাতে গোনা কয়েকটা মাস পরেই লোকসভার ভোট। এ রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের গতবারের থেকে বেশি আসনের প্রত্যাশা। আর তাই রাজনৈতিক প্রচার এবং জনসমর্থন নিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় নেতারা বার বার পরামর্শ দিতে আসছেন রাজ্যে। পুজোর দ্বিতীয়ার দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসেছেন। আবার সপ্তমীর দিন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা কলকাতায় এসে পুজো দর্শন করেন। সেই সঙ্গে ভিতরে ভিতরে দলকে আরও শক্ত-মজবুত করার বার্তা দেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুর্নীতির অসুর নিধনের বার্তা নিয়ে বঙ্গবাসীকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: বেহালার ক্লাবের থিম ‘ফুচকা মণ্ডপ’, আর তাতেই বিপত্তি! মণ্ডপের ফুচকা খাচ্ছে দর্শনার্থীরাই

    Durga Puja: বেহালার ক্লাবের থিম ‘ফুচকা মণ্ডপ’, আর তাতেই বিপত্তি! মণ্ডপের ফুচকা খাচ্ছে দর্শনার্থীরাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বেহালার নতুন দল ক্লাবের এবারের থিম ‘ফুচকা-মণ্ডপ’। আর তাতেই বিপত্তি। ফুচকা খেয়ে পেট পুজোতে মেতে উঠেছেন দর্শনার্থীরা। পুজো উদ্যোক্তাদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তবে কে কার বারণ শোনে। এই নিয়ে প্রবল শোরগোল পড়েছে বেহালার ‘নতুন দল’ ক্লাবের পুজোকে ঘিরে। সাবধান করতে মাইকিং করা হচ্ছে কিন্তু কাজে লাগছে না কিছুই।

    ফুচাকার পেট পুজো (Durga Puja)

    ফুচকা একটি লোভনীয় খাবার। আট থেকে আশি সকলেই এই খাবার খেতে পছন্দ করেন। দুর্গা পুজোতে (Durga Puja) প্রত্যেক পুজো মণ্ডপে ফুচকার দোকান অবশ্যই চোখে পড়ে। এবার এই লোভানীয় খাবার দিয়েই গোটা একটা পুজোর আস্ত প্যান্ডেল নির্মাণ করে, রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছে বেহালার ‘নতুন দল’। পুজো উদ্যোগতারা ভেবেছিলেন, বাঙালি প্রিয় খাবার দিয়েই এবারের মণ্ডপ সাজিয়ে দর্শনার্থীদের মন জয় করে নেবেন, কিন্তু সপ্তমী থেকেই ‘নতুন দলের’ কর্মকর্তাদের কপালে চিন্তার কালো মেঘ ঘনিয়ে আসে। কারণ, যে ফুচকা দিয়ে মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে, তা আগত দর্শনার্থীরাই খেয়ে ফেলছেন বলে জানা গেছে। মণ্ডপ সজ্জার ফুচকা যদি পেট পুজোয় যায়, তাহলে মণ্ডপের সৌন্দর্য কীভাবে শোভাবর্ধন করবে!

    ফুচাকার মণ্ডপ

    মহালয়ার পর দেবীপক্ষের সূচনার পর, এই নতুন দলের পুজোর উদ্বোধন হয়। এই পুজো মণ্ডপ নির্মাণের শিল্পী হলেন অয়ন সাহা। গোটা পুজো মণ্ডপের প্যান্ডেল হল ফুচকা দিয়ে তৈরি। মণ্ডপের প্রবেশ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত, উপরে নিচে ডানে বামে চতুর্দিকে কেবল ফুচকা আর ফুচকার সমাহার। কিন্তু সপ্তমী থেকেই মণ্ডপে (Durga Puja) সাজানো ফুচকার সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

    ক্লাবের কর্মকর্তার বক্তব্য

    পুজো ক্লাবের (Durga Puja) কর্মকর্তা সন্দীপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “১ লক্ষের বেশি ফুচকা দিয়ে মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। ফুচকা কমবেশি সবাই ভালোবাসেন, আর তাই হাতের কাছে পেয়ে কেউ লোভ সামলাতে পারছেন না। মণ্ডপ থেকেই ফুচকা তুলে নিচ্ছেন। কেউ খাচ্ছেন আবার কেউ সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। মণ্ডপের এই সকল ফুচকা, আসল ফুচকা। ফুচকাকে মুচমুচে রাখতে বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এই ফুচকা খেলে পেট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    ইতিমধ্যে মাইকে বার বার ঘোষণা করা হচ্ছে যে ‘দয়া করে মণ্ডবের ফুচকায় কেউ হাত দেবেন না, ওই ফুচকায় কেমিক্যাল আছে, খেলে শরীরের বিপদ হতে পারে।’ যদিও স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে মণ্ডপের সুরক্ষার বিষয়টিকে নজর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।  

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share