Tag: Earthquake in kolkata

Earthquake in kolkata

  • Earthquake in Kolkata: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও আশপাশের জেলা, উৎসস্থল বাংলাদেশ

    Earthquake in Kolkata: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও আশপাশের জেলা, উৎসস্থল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থরথরিয়ে কেঁপে উঠল খাট। দুলে উঠল সিলিংয়ের পাখা। টেবিল-চেয়ার থেকে শুরু করে এক নিমেষে কেঁপে উঠল গোটা বাড়ি। জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা থেকে জেলা।

    শুক্র দুপুরে কাঁপল কলকাতা

    শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিট এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। কম্পনটি স্থায়ী ছিল ৭-১০ সেকেন্ডের মতো। জানা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশ। বিভিন্ন এলাকার বহুতলে জোর ঝটকা অনুভূত হয়। কলকাতার বিভিন্ন অংশে আতঙ্কে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। নবান্ন খালি করে দেন কর্মীরা। বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে আসেন বিধায়ক ও অন্য কর্মীরা। এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় ৯টার সময় কলকাতাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মায়ানমার এবং কম্পনের মাত্রা ছিল ৬।

    কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা

    সূত্র অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এদিনের ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল প্রায় ৫.৪। কম্পনের কেন্দ্রস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। সাতক্ষীরা থেকে কলকাতার দূরত্ব ১০০ কিলোমিটারেরও কম হওয়ায় কলকাতায় এই ভূমিকম্পের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়েছে।

    কেঁপে উঠল গোটা দক্ষিণবঙ্গ

    কলকাতার আশপাশের বেশ কিছু জেলাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, সুন্দরবনেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরেও ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা শাসকের কার্যালয়ের কর্মীরা কম্পন অনুভব করেই নিরাপত্তার জন্য বাইরে বেরিয়ে আসেন। এলাকার একাধিক বাড়ি ও আবাসনে স্পষ্টভাবে কম্পন অনুভূত হয়। বন্ধ অবস্থায় থাকা সিলিং ফ্যান কিছুক্ষণ ধরে দুলতে থাকে। একইভাবে ঝাড়গ্রাম জেলাতেও বহু মানুষ ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি টের পান। হাওড়া ও হুগলি জেলাতেও অনুরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    অন্যদিকে, শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ সিকিমে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার তীব্রতা ছিল ২.৪। তবে এই কম্পনে সেখানে কোনও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

     

  • Nepal Earthquake: মধ্যরাতে নেপালে বিধ্বংসী ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা একশোর বেশি

    Nepal Earthquake: মধ্যরাতে নেপালে বিধ্বংসী ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা একশোর বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মধ্যরাতে নেপালে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে বলে খবর। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন ১৪০ জন। শুক্রবার রাত ১১টা ৩২ মিনিট নাগাদ নেপালের এই ভূমিকম্পের কারণে দুলে ওঠে রাজধানী দিল্লিও। কম্পন অনুভূত হয় কলকাতাতেও। কলকাতা থেকে ভূমিকম্পের উৎসস্থলের দূরত্ব ৯২৫ কিমি এবং দিল্লি থেকে ২৫৩ কিমি। বেশ কয়েক সেকেন্ড ধরেই কম্পন (Nepal Earthquake) অনুভূত হয়।

    তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাড়িগুলি

    ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলি জানাচ্ছেm ভূমিকম্পের অভিঘাতের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে শুরু করে বাড়িগুলি। তাতে চাপা পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। বহু বাড়িতে চওড়া ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্তমানে সব থেকে বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, রুকুম পশ্চিম থেকে। সেখানে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে নেপালের এই ভূমিকম্পে (Nepal Earthquake) সেদেশের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল শোক প্রকাশ করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লেখা হয়, ‘‘শুক্রবার রাত ১২টা নাগাদ জাজারকোটের ভূমিকম্পের কারণে হওয়া মৃত্যু এবং ক্ষয়ক্ষতির জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল। উদ্ধারকাজ এবং ত্রাণের জন্য তিনটি নিরাপত্তা সংস্থা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।’’

    গত ১ মাসে নেপালে ৪ বার ভূমিকম্প 

    এটাই প্রথম নয় বিগত এক মাসের মধ্যে এই নিয়ে ৪ বার ভূমিকম্প কেঁপে উঠল নেপাল। গত ২২ অক্টোবর ভূমিকম্প হয় রাজধানী কাঠমান্ডুতে। সে সময় রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.১। ভূমিকম্পের (Nepal Earthquake) কেন্দ্রস্থল ছিল তখন নেপালের ধাদিং জেলায়। এর ঠিক দুদিন পরে আবার ভূমিকম্প হয় নেপালে। তখন মাত্রা ছিল ৪.১। আবার গত ৩ অক্টোবরও দুলে উঠেছিল নেপাল। অর্থাৎ পরপর চারবার ভূমিকম্প হল বিগত একমাসে নেপালে। নেপালের ভূমিকম্পে প্রভাব পড়ে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্ণৌ সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। নেপাল হল পৃথিবীর ১১তম ভূমিকম্প প্রবণ রাষ্ট্র।

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ভূমিকম্প

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে বীরভূমে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওই উৎসস্থল ছিল ঝাড়খণ্ডের দুমকা। বীরভূম বেশ কিছু এলাকা কেঁপে উঠেছিল ভূমিকম্পে (Nepal Earthquake)। আবার পশ্চিমবঙ্গে গত ২ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ইত্যাদি জায়গায়। তখন ভূমিকম্পের উৎস ছিল মায়ানমার। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৫.১।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share