Tag: East Bengal FC

East Bengal FC

  • Indian Football Team: ঢাকের আগেই সাম্বার তালে মাতবে মহানগর! ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে বিপক্ষ ব্রাজিল, দল ঘোষণা ভারতের

    Indian Football Team: ঢাকের আগেই সাম্বার তালে মাতবে মহানগর! ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে বিপক্ষ ব্রাজিল, দল ঘোষণা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই ফুটবল জ্বরে কাঁপছে কলকাতা। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোয় রীতিমতো কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ব্লু-টাইগার্স। প্রতিপক্ষ বিশ্ব ফুটবলের তিন শক্তি—ব্রাজিল, উরুগুয়ে এবং পানামা। সদ্যসমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপে (2026 FIFA World Cup) খেলেছে এই তিনটি দেশ। ৩ অক্টোবর বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের সামনে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil)। ঠিক তিনদিন বাদে, ৬ অক্টোবর, একই মাঠে প্রতিপক্ষ দু’বারের বিশ্বজয়ী উরুগুয়ে (India vs Uruguay)। ঢাকের তালে কোমর দোলানোর আগে সাম্বার ছন্দেই মেতে উঠবে মহানগর।

    বেঙ্গালুরুতে জাতীয় দলের ক্যাম্প

    বিশ্বমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মহড়া নিতে ২৬ জনের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করলেন ভারতের জাতীয় দলের হেড কোচ খালিদ জামিল (Indian Football Team)। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে শুরু জাতীয় দলের ক্যাম্প। হাই-ভোল্টেজ ম্যাচগুলির আগে প্রস্তুতির জন্য প্রায় দু’সপ্তাহ সময় পাবেন ফুটবলাররা (Indian Football Squad)। ব্রাজিল বা উরুগুয়ের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ ভারতীয় ফুটবলে বিরল। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) কর্তাদের মতে, এই তিন ম্যাচ ভারতীয় দলের জন্য বিশাল এক্সপোজার। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নামার আগে প্রথম পঞ্চাশে থাকা পানামার বিরুদ্ধে ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিড টেস্ট। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্লু-টাইগার্সদের আসল দৌড় কতটা, তা মেপে নেওয়ার এটাই সেরা মঞ্চ জামিলের কাছে।

    কবে কোন প্রতিপক্ষ

    প্রথম ম্যাচ ২৬ সেপ্টেম্বর, বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে। ভারতের প্রতিপক্ষ পানামা। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৪৪ নম্বরে থাকা এই শক্তিশালী মধ্য আমেরিকান দেশটির বিরুদ্ধে এর আগে কখনও খেলেনি ভারত (India vs Panama)। ফলে প্রথম ম্যাচেই কড়া চ্যালেঞ্জ। পানামা পর্ব মিটিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর কলকাতায় উড়ে আসবে দল। আসল আকর্ষণ অপেক্ষা করছে ফুটবলের মক্কায়। ৩ অক্টোবর বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের সামনে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল (India vs Brazil)। ৬ অক্টোবর, একই মাঠে প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে (India vs Uruguay)।

    ব্রাজিল ম্যাচের টিকিট কীভাবে পাবেন, কত দাম

    ৩ অক্টোবর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দল খেলবে কলকাতায়। ভারত-ব্রাজিল ম‍্যাচের টিকিট পাওয়া যাবে ডিস্ট্রিক্ট অ‍্যাপে। ২৫ কোটি টাকার চুক্তি ফেডারেশনের সঙ্গে সংস্থার। ব্রাজিল ম্যাচে টিকিটের দাম কত হতে পারে-প্রাথমিকভাবে যা আলোচনা হয়েছে সব থেকে কম টিকিটের দাম আড়াই হাজার থেকে তিন হাজারের মধ্যে রাখা হবে। একটি সূত্রের খবর ১০০০ টাকা দামেরও কিছু টিকিট রাখার একটা ভাবনাচিন্তা চলছে৷ সর্বোচ্চ টিকিটের দাম যেখানে ভিভিআইপি ২২ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে থাকতে পারে। এআইএফ এর টিকিটের দাম নির্ধারণ করবে। এরই মধ্যে ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল কলকাতায় এসেছিল৷ ব্রাজিলের ৯৬ জন সদস্য অস্ট্রেলিয়া প্রদর্শনী ম্যাচ খেলার পর ৩০ তারিখ কলকাতায় আসার কথা৷

    খালিদের দলে অভিজ্ঞতার জোর

    ঘোষিত ২৬ জনের স্কোয়াডে রয়েছেন চার গোলরক্ষক, আট ডিফেন্ডার, আট মিডফিল্ডার এবং ছয় ফরোয়ার্ড। দলে অভিজ্ঞতার উপরই জোর (FIFA Friendlies) দেওয়া হয়েছে। গুরপ্রীত সিং সান্ধু, অনিরুদ্ধ থাপা, আনোয়ার আলি, মনবীর সিংয়ের মতো চেনা মুখেরা ডাক পেয়েছেন। আক্রমণে বড় মুখ রায়ান উইলিয়ামস।

    ইস্টবেঙ্গলের চার ফুটবলার

    এই ২৬ জনের মূল স্কোয়াডে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) থেকে রয়েছেন মোট চারজন। তাঁরা হলেন গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিল, ডিফেন্ডার আনোয়ার আলি ও জয় গুপ্ত এবং ফরোয়ার্ড এডমুন্ড লালরিনডিকা। ২০২৬-এর ডুরান্ড কাপে এই চার ফুটবলারই লাল-হলুদ জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। বিশেষ করে এডমুন্ডের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে।

    মোহনবাগানের পাঁচ প্রতিনিধি

    মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) দিক থেকেও রয়েছে শক্তিশালী উপস্থিতি। বর্তমান ক্লাব স্কোয়াডের সঙ্গে মিলিয়ে ভারতের ২৬ জনের দলে রয়েছেন পাঁচজন—অভিষেক সিং টেকচাম, অনিরুদ্ধ থাপা, লালেংমাওইয়া রালতে (আপুইয়া), সাহাল আবদুল সামাদ এবং মনবীর সিং। ফলে কলকাতার দুই প্রধান ক্লাব মিলিয়ে জাতীয় দলের মূল স্কোয়াডে মোট ৯ জন ফুটবলার রয়েছেন।

    রিজার্ভেও চার ফুটবলার

    মূল ২৬ জনের বাইরে চারজনকে রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে। তাঁরা হলেন গোলরক্ষক হৃতিক তিওয়ারি, ডিফেন্ডার চিংলেনসানা সিং কোনশাম ও রোশন সিং নাওরেম এবং মিডফিল্ডার সুরেশ সিং ওয়াংজাম। প্রয়োজন হলে এই চার ফুটবলারকে মূল দলে ডাকা যেতে পারে।

    ভারতের ২৬ জনের স্কোয়াড

    গোলরক্ষক: গুরপ্রীত সিং সান্ধু, আলবিনো গোমস, সোম কুমার, প্রভসুখন সিং গিল।

    ডিফেন্ডার: আকাশ মিশ্র, অভিষেক সিং টেকচাম, বিজয় ভার্গিস, আনোয়ার আলি, জয় গুপ্ত, হমিংথানমাউইয়া রালতে, প্রমবীর, রিকি মিতেই হাওবাম।

    মিডফিল্ডার: ম্যাকার্টন নিকসন, আশিক কুরুনিয়ান, ফারুক চৌধরি, অনিরুদ্ধ থাপা, লাললেংমাউইয়া রালতে, সাহাল আবদুল সামাদ, মহম্মদ সানান, রিকি শাবং।

    ফরোয়ার্ড: ইরফান ইয়াদওয়াদ, এডমন্ড লালরিনডিকা, রহিম আলি, মনবীর সিং, রায়ান উইলিয়ামস, বিক্রমপ্রতাপ সিং।

  • East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। এক যুগ পর আবার ট্রফি নিয়ে শহরে ফিরল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। সুপার কাপে টিমকে চ্যাম্পিয়ন করলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। সোমবার বিকেলে লাল-হলুদ টিম কলকাতায় পা দিতেই শুরু হয়ে গেল মাত্রাছাড়া উৎসব। বিমানবন্দরের রঙ লাল-হলুদ। টিমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য় লাল-হলুদ আবির, স্মোকবম্ব,পতাকায় ছেয়ে দেওয়া হয় বিমানবন্দর। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকরা। প্রায় হাজার দশেক সমর্থক ভিড় করেছিলেন বিমানবন্দরে। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় কুয়াদ্রাত, ক্লেটন, গিলদের। অবশেষে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশি তৎপরতায় এক-একজনকে এসকর্ট করে বের করে নিয়ে আসা হয় বিমানবন্দর থেকে।

    লক্ষ্য ডার্বি

    সবেমাত্র সুপার কাপ জয় করেছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু, এখন দলের আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই। কারণ সামনেই আবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ডার্বি। জয়ের আনন্দেও ডার্বি ম্যাচের চিন্তা লাল-হলুদের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতের। তিনি বলেন, “মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য আমাদের একেবারে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা আপাতত খুব ভালো পারফরম্যান্স করছি। অনেকদিন পর আমরা আবার জিততে পেরেছি। তবে এরপর কলকাতায় ঘরের মাঠে মোহনবাগানের সামনে আমদের লড়াই যে কঠিন হবে, সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। ডার্বি ম্যাচে জয়লাভ করা সত্যিই খুব কঠিন। তবে আমরা এই ম্য়াচটা জেতার আপ্রাণ চেষ্টা করব।”

    ক্লাব তাঁবুতে বিশৃঙ্খলা

    সোমবার সন্ধ্যায় ইস্টবেঙ্গল মাঠের উৎসব ক্ষণিকেই মিলিয়ে গেল। সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর ক্লাব কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার অভাবে দ্রুত উৎসব শেষ করতে বাধ্য হলেন ক্লাব কর্তারা। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল মাঠে পা রাখেন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। তার চার মিনিট আগে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার (নিতু) সুপার কাপ ট্রফিটি নিয়ে গিয়ে রাখেন সাজানো চারটি টেবিলের মাঝখানে। কোচের পিছু পিছুই মাঠে ঢোকেন ক্লেটন সিলভা, সৌভিক চক্রবর্তী, সাউল ক্রেসপোরা। ব্যস! অমনি দেখা যায় র‌্যাম্পার্টের দিকের কর্নার ফ্ল্যাগের সামনে দিয়ে কিছু ইস্টেবঙ্গল সমর্থক মাঠে ঢুকছেন। কয়েক সেকেন্ডের ম‌ধ্যে তা যেন গ্যালারিতে সংক্রামিত হয়ে যায়। কেউ ফেন্সিং টপকান, তো কেউ উচ্ছ্বাসের ঠেলায় গ্রিলে লাগানো পলকা তালা ভেঙে দেন। বাঁধ ভেঙে যায়। কুয়াদ্রাতদের ঘিরে ফেলেন কয়েক হাজার ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। কোনওরকমে কেক কেটে উৎসবে ইতি টানেন কর্তারা। তবে চার মিনিটের মধ্যে ইস্টবেঙ্গল টিম মাঠ থেকে তাঁবুতে চলে গেলেও আবেগের উদযাপন চলতেই থাকে। আতসবাজি, আবিরে দোল-দীপাবলী একাকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share