Tag: ED

ED

  • Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যা সন্দেহ করা হয়েছিল, তা মিলে গিয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে এমনই বলল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সন্দেহের স্বপক্ষেই রিপোর্ট এসেছে বলে দাবি ইডির।

    কী বলল আদালত? (Calcutta High Court)

    তবে কথোপকথনের সঙ্গে কার কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলিয়ে দেখা হয়েছে, তা জানায়নি ইডি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ টালবাহানার পর প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেয়েছে ইডি। সেই রিপোর্টই জমা দেওয়া হল এদিন। যদিও ইডির জমা দেওয়া কণ্ঠস্বরের রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইডির রিপোর্ট সংক্ষিপ্ত বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এদিন ইডির তরফে আদালতে (Calcutta High Court) যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, তা পাঁচ পাতার। এর মধ্যে তিন পাতাজুড়ে রয়েছে কাকুর কণ্ঠস্বর সংক্রান্ত তথ্য। বাকি দু’পাতায় ছিল এই মামলায় ইডির সার্বিক তদন্তের রিপোর্ট।

    বিচারপতির প্রশ্ন

    সেই রিপোর্ট দেখেই বিচারপতির প্রশ্ন, “এত সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট কেন?” ইডির রিপোর্টের শেষ দু’পাতায় কাকুর ও প্রাথমিক মামলায় সার্বিকভাবে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কী কী সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, তার হিসেব দেওয়া হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, সুজয়কৃষ্ণের ১৩৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, “২০১৪ সাল থেকে যে দুর্নীতি হচ্ছে, তাতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ এত কম কেন? টাকার অঙ্কই বা এত কম কেন?” এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ জুন।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    ইডির উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “অভিযোগ উঠেছে যে চাকরি বিক্রি হয়েছে। এটা একটা স্ক্যাম। সত্যিই কি চাকরি বিক্রি হয়েছে? তার কি কোনও প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন? টাকার উৎস জানতে আপনারা কি কোনও পদক্ষেপ করেছেন?” ইডির তরফে জানানো হয়, নিত্য এগোচ্ছে তদন্ত। আদালতের তরফে ফের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইডিকে। এদিন নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যের নামও উঠে আসে। ইডির দাবি, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Sheikh Shahjahan: স্ত্রীর কান্না দেখে চোখে জল “সন্দেশখালির বাঘের”, আদালতে অন্য শাহজাহানকে দেখলেন সকলে

    Sheikh Shahjahan: স্ত্রীর কান্না দেখে চোখে জল “সন্দেশখালির বাঘের”, আদালতে অন্য শাহজাহানকে দেখলেন সকলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির “বেতাজ বাদশা” শেখ শাহজাহান  (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হওয়ার পর বসিরহাট আদালতে তোলার সময় পুলিশ তাঁকে স্পর্শ করার সাহস দেখাননি। “নবাবের” মেজাজে তিনি আদালতে যান। সেই ঘটনা সামনে আসতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে শাহজাহানকে নেওয়া হয়। আর এই কয়েকদিনের মধ্যেই এখন তাঁর শরীরী ভাষা বদলে গিয়েছে। সেই আক্রমণাত্মক ভাব এখন উধাও। বসিরহাট আদালতে তোলার সময় যা ঘটল তা দেখে স্থানীয় লোকজনও হতবাক হয়ে যান। বসিরহাট মহকুমা আদালতের বাইরে ‘অন্য শাহজাহান’কে দেখলেন সকলে।

    আদালতের সামনে ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sheikh Shahjahan)

    শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) এক ভাই শেখ আলমগিরকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। রবিবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডিও। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানের দুই শাগরেদ শিবপ্রসাদ হাজরা এবং দিদারবক্স মোল্লাকে। মঙ্গলবার শাহজাহান, আলমগির, শিবু, মাফুজার মোল্লা, জিয়াউদ্দিন, দিদার-সহ মোট ১২ জনকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে হাজির করানো হয়। কিন্তু, আদালতের এক করণিক মারা যাওয়ার কারণে শুনানি প্রক্রিয়া হয়নি। আবার ৭মে শাহজাহানদের আদালতে আনা হবে। সাসপেন্ড হওয়াতৃণমূল নেতাকে যখন আবার প্রিজন ভ্যানে তোলা হচ্ছে,কয়েক মিটার দূর থেকে ‘আব্বু’ ডাক শুনে মুখ ফেরান তিনি। মেয়ের দিকে তাকিয়ে মাথা নেড়ে ‘হ্যাঁ’ বা ‘ঠিক আছি’ বুঝিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন শাহজাহান। গাড়ির একেবারে জানলার পাশে গিয়ে ততক্ষণে দাঁড়িয়েছেন শাহাজাহানের স্ত্রী তসলিমা বিবি। তদন্তকারীদের তলবে যিনি ইতিমধ্যে একাধিক বার হাজিরা দিয়েছেন। স্ত্রীকে দেখে জানলার দিকে ফিরলেন।আকাশি রঙের জামা এবং ট্রাউজ়ার্স পরিহিত থমথমে মুখে স্ত্রীকে ধীরে ধীরে বললেন, “নিজের খেয়াল রাখবে।”প্রিজন ভ্যানের জানলার কাছে তখন শাহজাহানের স্ত্রী-কন্যা সহ পরিবারের অন্যরাও দাঁড়িয়েছেন। সবাই শাহজাহানকে বলছেন, শরীরের যত্ন নিতে। একজন বললেন, “সময় মতো ওষুধ খাবে।” স্ত্রী আঙুল ছুঁয়েছেন ভ্যানের জানলার রেলিংয়ের ফাঁক দিয়ে। স্ত্রীর কান্না শুনে চোখের জল ধরে রাখতে পারলেন না ‘সন্দেশখালির বাঘ’। মুখ ঘুরিয়ে আঙুল দিয়ে নিজের কান্না মুছলেন। তারপর রুমাল চাপা দিয়ে ‘আল্লার কাছে দোয়া করো’ বলে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন।

    আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গে রবিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কতা, এবার গরম উত্তরেও

    শাহজাহানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা

    শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ইডির আধিকারিকদের ওপর হামলার পরে শাহজাহান ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে রাজ্যপুলিশের তরফে আরও দু’টি মামলা করা হয়। সেই দু’টি মামলার তদন্তভারও সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছিল হাই কোর্ট। ওই দু’টি মামলায় শাহজাহান ও তাঁর ভাই আলমগির- সহ সাত জন এখন জেলে রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: পালাতে পারে বিদেশে, সন্দেশখালির শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ ইডির

    Shahjahan Sheikh: পালাতে পারে বিদেশে, সন্দেশখালির শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিকবার সমন পাঠিয়ে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি। তার পরেও বারংবার হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছে সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) ভাই সিরাজউদ্দিন শেখ। ঘটনার পঞ্চান্ন দিন পরে গ্রেফতার করা হয় মূল অভিযুক্ত শাহজাহানকে। এবার সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করল ইডি।

    বিদেশে পালাতে পারে সিরাজউদ্দিন (Shahjahan Sheikh)

    তদন্ত এড়াতে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করতে পারে সিরাজউদ্দিন। সে যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য দেশের সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে ইডি। সিরাজউদ্দিনের ছবি ও তার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যও পাঠানো হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) আর এক ভাই আলমগিরকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। রবিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে ইডিও। গ্রেফতার করা হয় তৎকালীন তৃণমূল নেতা শাহজাহানের (গ্রেফতার হতেই দায় ঝেড়ে ফেলতে সাসপেন্ড করা হয় শাহজাহানকে) দুই শাগরেদ শিবু হাজরা ও দিদারবক্স মোল্লাকে।

    সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, মহিলা নির্যাতন, জমি জবরদখল, স্থানীয়দের ওপর জুলুমবাজির যেসব অভিযোগ সন্দেশখালি ও ন্যাজাট থানায় দায়ের হয়েছিল আঠারো থেকে চব্বিশ সালের মধ্যে, সেই অভিযোগগুলিতে নাম রয়েছে শাহজাহান-সহ অন্যদের। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর এলাকাবাসীর অভিযোগ নেওয়ার জন্য যে পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছিল, সেখানে সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে অন্তত ১০০টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। এতে যেমন ছিল জমি দখলের অভিযোগ, তেমন ছিল অকারণে মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও।

    আরও পড়ুুন: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা হরিপদ সর্দার পুলিশ ক্যাম্পে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, ‘এক আদিবাসী মহিলার ৩৩ শতক চাষের জমি দখল করে মার্কেট তৈরি করেছে সিরাজউদ্দিন। টাকার জন্য সিরাজউদ্দিনের দোরে ঘুরেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। গাড়ি করে বসিরহাটে তুলে নিয়ে গিয়ে জমি লিখিয়ে নিয়েছে, ভয়ে কারও কাছে মুখ খুলতে পারিনি।’ ইডি সূত্রে খবর, এসব মামলার তদন্ত সূত্রেই সিরাজউদ্দিনকে তলব করেছিল ইডি।

    প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে শাহজাহানের সন্দেশখালির বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। আক্রান্ত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ান মায় সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও। অভিযোগের আঙুল ওঠে শাহজাহান অনুগামীদের দিকে। তার পর থেকেই নিত্য খবরের শিরোনামে রয়েছে শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) অ্যান্ড কোং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বিভিন্ন অভিযোগের সিবিআই তদন্তে মামলার সংখ্যা শতাধিক হয়ে যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ও আশপাশের অঞ্চলে ত্রাস হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)। মহিলাদের আন্দোলনের চাপে গ্রেফতার হয়েছেন শাহজাহান এবং অনুগামী শিবু-উত্তম সহ আরও কয়েকজন দুষ্কৃতী। একই সঙ্গে শতাধিক অভিযোগের মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। কিন্তু এবার সন্দেশখালিতেই মোট মামলা এখনই শতাধিক। আগামী দিনে আরও মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  

    শতাধিক অভিযোগ জমা

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের কাছ থেকে সিবিআইকে সরাসরি অভিযোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে সিবিআইকে ইমেইল আইডি এবং অ্যাপের মাধ্যমে এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে সরাসরি অভিযোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার এই ইমেইল আইডি ও অ্যাপ থেকে নেওয়া অভিযোগ মিলিয়ে মামলার সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali) তদন্তে এক তদন্তকারী অফিসার বলেছেন, “৫ জানুয়ারি ইডির (ed) অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপরে হামলার ঘটনার পর ফেরার হয়ে গিয়েছিলেন সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীরা। তখন থেকেই সন্দেশখালীর এই তৃণমূল নেতা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল, খুন, খুনের চেষ্টা, মারধর, রাজনৈতিক সন্ত্রাস, শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মতো অভিযোগ দায়ের হতে শুরু করে। এমনকী বিভিন্ন গ্রামে শিবির খুলে বসিরহাট জেলা পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করা শুরু করেছিল। কিছু অভিযোগের নিষ্পত্তি অবশ্য পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে তৎক্ষণাৎ করা হয়েছিল।” অন্যদিকে সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর শাহজাহানের দুই সাগরেদ শিবু হাজরা ও দিদার বক্স মোল্লাকে হেফাজতে নিলেন ইডি আধিকারিকেরা। যেহেতু তিনজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাই তাঁদের ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা ও বিভিন্ন সম্পত্তিগত বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    আরও পড়ুনঃ এই ৫টি উপায় মেনে চললেই এসির বিদ্যুতের খরচ কম হবে

    সারদা মামলার সঙ্গে যোগ

    প্রসঙ্গত বছর দশেক আগে বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার ২৪০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেখানে শুধু সন্দেশখালিতেই (Sandeshkhali) শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বর্তমানে। তবে এত মামলা একসঙ্গে হলে তদন্তকারী সংস্থার বেশ কিছু সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে তদন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারদার ক্ষেত্রে ১৯৬টি মামলা একজোট করে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। ১১ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও সারদার পাঁচটি মামলা এখনও চলছে। এই মামলাগুলিতে এখনও চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আরও জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একজন ডিআইজির নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়েছে এবং আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে।

    লুক আউট নোটিশ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) মামলায় এবার শেখ শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করল ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী অফিসারেরা জানিয়েছেন, “আমাদের আশঙ্কা তাঁর ভাই সিরাজউদ্দিন দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করে দেশের সমস্ত বিমানবন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে। সিরাজের বিরুদ্ধে জমি দখল করে ভেড়ি বানানো, সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন সহ শেখ শাহজাহানকে বিভিন্ন মামলায় সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারীরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সিরাজুদ্দিনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে ইডি নাম নিতে পারে আপ-কেজরি-কবিতার

    Arvind Kejriwal: সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে ইডি নাম নিতে পারে আপ-কেজরি-কবিতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আবগারি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। সূত্রের খবর, ইডি যে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করতে চলেছে, তাতে কেজরির পাশাপাশি নাম থাকতে পারে বিআরএস নেতা কে কবিতার এবং আম আদমি পার্টির।

    কবে পেশ চার্জশিট?

    ১৫ মে-র মধ্যেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হতে পারে। এর ঠিক ৬০ দিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল কবিতাকে। ইডির এক আধিকারিক বলেন, “আইন অনুযায়ী, কাউকে গ্রেফতার করার ৬০ দিনের মধ্যেই পেশ করতে হবে চার্জশিট।” কবিতাকে ইডি হেফাজতে নিয়েছিল ১৫ মার্চ। সেই হিসেবে ১৫ মে-র মধ্যেই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত বছর (Arvind Kejriwal) অক্টোবরেই আপের নাম নেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল ইডি। কেজরিওয়ালের পাশাপাশি কবিতার নামও মূল চক্রী হিসেবে থাকতে পারে অতিরিক্ত চার্জশিটে। এই চার্জশিটে নাম থাকতে পারে আপের গোয়া অ্যাসোসিয়েট চরণপ্রীত সিংহেরও।

    বিস্ফোরক দাবি ইডির

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, ‘সাউথ গ্রুপ’ নামের ব্যবসায়ীরা ঘুষ হিসেবে যে টাকা দিয়েছিল, সেই টাকা নির্বাচনী ফান্ডিং খাতের টাকা দেখিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল আপের গোয়া ইউনিটে। হাওয়ালার মাধ্যমে অন্ততপক্ষে লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি টাকা। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে নাম থাকতে পারে চ্যারিয়ট প্রোডাকশনস মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডেরও। গোয়ায় এই সংস্থাই আপের হয়ে দায়িত্বে ছিল প্রচারের। ইডির অভিযোগ, ২০২১ সালের অগাস্ট থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে অঙ্গদিয়াদের মাধ্যমে চরণপ্রীত সংগ্রহ করেছিল ১৭ কোটিরও বেশি টাকা। এই টাকা দেওয়া হয়েছে ইলেকশন ভেন্ডরদের। এর কিছুটা অংশ আবার ভেন্ডরদের দেওয়া হয়েছে নগদে।

    আরও পড়ুন: “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে আপের নাম থাকতে পারে বেনিফিশিয়ারি অফ ক্রাইম হিসেবে। পার্টির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং সম্পত্তি ইডি অ্যাটাচও করতে পারে বলে খবর। প্রসঙ্গত, কেজরিওয়াল গ্রেফতার হওয়ার পরে পরেই হইচই জুড়ে দেয় আপ। তাদের দাবি, লোকসভা নির্বাচনের প্রচার থেকে কেজরিওয়ালকে দূরে সরিয়ে রাখতেই ভোটের আগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। একই অভিযোগ করেছিল কংগ্রেসও (Arvind Kejriwal)।

    আরও পড়ুন: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ২০১৪ সালের পর থেকে কার্যক্ষমতা বেড়েছে ইডির, দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi News: ২০১৪ সালের পর থেকে কার্যক্ষমতা বেড়েছে ইডির, দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কোনও রকম অপব্যবহার হয়নি বরং ২০১৪ সালের পর থেকে ইডির কার্যক্ষমতা আরও বেড়েছে। এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীরা যে অভিযোগ এনেছে ইডির বিরুদ্ধে, যুক্তি দিয়ে সেসব খারিজ করে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    ২০১৪ সালের আগে ইডি মাত্র আটবার তল্লাশি চালিয়েছিল

    একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের আগে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে ১৮০০-এরও বেশি কম মামলা দায়ের করা হয়েছিল যেখানে এনডিএ সরকার আসার পরে পাঁচ হাজারেরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News)। ২০১৪ সালের আগে ইডি মাত্র আটবার তল্লাশি চালিয়েছিল। সেখানে ২০১৪ সালের পরে সাত হাজারেরও বেশি বার তল্লাশি চালিয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই

    এদিন সাক্ষাৎকারে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News) আরও জানিয়েছেন, তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া উচিত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তাদের কাজকে প্রভাবিত করা উচিত নয়। প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি আগেই জানিয়েছিলেন যে ইডি যে সমস্ত মামলা করছে তার মধ্যে মাত্র তিন শতাংশ হল রাজনৈতিক মামলা। ইডির অভিযান নিয়ে বিরোধীরা প্রায়শই প্রশ্ন তোলেন। তাদেরকে কড়া জবাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন একটি প্রতিষ্ঠান দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে । এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তখনই তোলা উচিত যদি এটি ঠিকঠাক কাজ না করে।

    প্রসঙ্গ লোকসভা ভোট

    লোকসভা নির্বাচন সম্বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যদ্বাণী হল, দেশের মানুষ সব সময় সুস্থিত সরকার চায় এবং সুস্থিত সরকারই দেশের উন্নয়ন করতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, আমি মনে করি না ২০২৪ সালের লড়াই বিজেপি অথবা মোদি লড়ছে। এ লড়াই দেশের সাধারণ মানুষ নিজেদের উদ্যোগে লড়ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: শাহজাহানকে দেখেও শিক্ষা হয়নি, রেখার সভায় তৃণমূলের “দাদাগিরি”!

    Basirhat: শাহজাহানকে দেখেও শিক্ষা হয়নি, রেখার সভায় তৃণমূলের “দাদাগিরি”!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ইডির ওপর হামলার করার শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর কী হাল হয়েছে তা রাজ্যের মানুষ দেখেছেন। জেল বন্দি শাহজাহানের অবস্থা দেখেও শিক্ষা নেয়নি তৃণমূল নেতারা। এবার বসিরহাটের (Basirhat) বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের প্রচারের সময় তৃণমূলের একাংশের দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সন্ধেয় ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ভোটের আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Basirhat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় হিঙ্গলগঞ্জের (Basirhat) কালীনগর এলাকায় বিজেপি প্রার্থী তথা সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রর সমর্থনে একটি সভা ছিল। সেই সময়েই তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী দলবল নিয়ে সভাস্থলে একপ্রকার ‘দাদাগিরি’ দেখান বলে অভিযোগ। সভাস্থলের যে ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে বেশ কিছু তপ্ত বাক্য বিনিময় ধরা পড়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে বিজেপি। বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র বলেন, ‘হয়ত তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী ভয় পেয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীর কাজ এটাই। তারা এটাই করে এসেছে। আজ বসিরহাটের মানুষ এককাট্টা হয়েছেন দেখে, তারা ভয় পাচ্ছে। তারা এতদিন মানুষের ওপর অত্যাচার করে এসেছে। সেই নেশাটাই তো ছাড়তে পারছে না। ওরা চাইছে বিজেপি যেখানে যেখানে সভা করবে, সেখানে সেখানে গিয়ে ভয় দেখাবে ওরা। এসব করে কোনও লাভ হবে না।’

    আরও পড়ুন: ‘‘সামনের সপ্তাহে বোমা পড়তে চলেছে, বেসামাল হবে তৃণমূল’’, কী ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও বসিরহাটের (Basirhat) বিজেপি প্রার্থীর এই অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন না বসিরহাটের তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল কংগ্রেসের বসিরহাট শহর কমিটির সভাপতি অভিজিৎ ঘোষের কথায়, ‘এর কতটা সত্যতা আছে, সে বিষয়ে নিশ্চয়ই তাদের হাতে তথ্য আছে। রেখা পাত্র পায়ের তলায় রাজনৈতিক জমি খুঁজে পাচ্ছেন না। শুধু সন্দেশখালি থেকেই তৃণমূল ৩০-৩৫ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ঘটনার তদন্তভার সিবিআই নেওয়ার পর বেশ কয়েক বার থানায় এসেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারী আধিকারিকেরা। শনিবারও তদন্তের সন্দেশখালি যায় সিবিআই টিম। জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতে সিবিআই ইতিমধ্যে নিজস্ব একটি পোর্টাল চালু করেছে। সেখানে সন্দেশখালির মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ, নারী নির্যাতন, জমি লুট সহ একাধিক অভিযোগ জানাতে পারবে বলা হয়েছিল। ইতিমধ্যে সিবিআই সূত্রের খবর, সেখানে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি দল থানায় যায়। আর অন্য একটি দল যায় গ্রামে।

    কেন সন্দেশখালিতে সিবিআই? (Sandeshkhali)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পোর্টালে অভিযোগের তদন্ত করতে এদিন ১০ জন সিবিআই আধিকারিক সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার সুন্দরখালি, কর্ণ খালি, মাঝেরপাড়া, পাত্রপাড়া, নতুন পড়াসহ একাধিক পাড়ায় গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা জানার চেষ্টা করেন। সন্দেশখালি কান্ড নিয়ে ইতিমধ্যে বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান ও ন্যাজাট থানার পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে ১৬ এপ্রিল সিবিআই তথ্য নিতে এসেছিল। তারপর এবার সন্দেশখালিতে সিবিআই টিম হানা দিল। প্রসঙ্গত, বসিরহাট পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে ন্যাজাট ও সন্দেশখালি থানার দশটি জায়গায় পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর অভিযোগ জমা পড়েছিল, সেই অভিযোগগুলো সিবিআই আধিকারিকরা রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে হস্তান্তর করে নিজের দায়িত্বে নেন। তারপর এদিন সেই অভিযোগের সত্যতা জানতে সন্দেশখালিতে হাজির হন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই টিম

    সিবিআই আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তে এর আগে ওই এলাকায় সিবিআই গিয়েছে বলে শোনা যায়নি। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার ঘটনায় ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই সুন্দরীখালিতে অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে। সন্দেশখালি এবং ন্যাজাট থানায় ২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মহিলা নির্যাতন, জমির জবরদখল, স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর জুলুমবাজির যে সমস্ত অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তার মধ্যে শাহজাহান শেখ ছাড়া নাম ছিল শিবু হাজরা এবং অন্যদের। যাঁদের বেশিরভাগই শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অথবা এখনও রয়েছেন। সেই বিষয়ে জানতে এদিন আধিকারিকরা সন্দেশখালি যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sujay Krishna Bhadra: ইডির হাতে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার রিপোর্ট, কী আছে তাতে? ডরাচ্ছে তৃণমূল

    Sujay Krishna Bhadra: ইডির হাতে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার রিপোর্ট, কী আছে তাতে? ডরাচ্ছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কালীঘাটের কাকু’র (Sujay Krishna Bhadra) কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা রিপোর্ট হাতে পেল ইডি। বৃহস্পতিবার কলকাতার কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি থেকে মুখবন্ধ একটি খামে করে রিপোর্টটি এসে পৌঁছেছে ইডির দফতরে। তবে ওই রিপোর্টে ঠিক কী বলা হয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানানো হয়নি ইডির তরফে।

    কালীঘাটের কাকু (Sujay Krishna Bhadra)    

    শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে কলকাতার পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গিয়েছিলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। তার পর থেকে দীর্ঘদিন তাঁর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার সুযোগ মেলেনি। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর শেষমেশ ৪ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট হয় তাঁর। সুজয়ের স্বর ডিজিটালি রেকর্ড করে রাখা হয়। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, পরীক্ষাগারে দেখা গিয়েছে দু’টি স্বরই এক ব্যক্তির (Sujay Krishna Bhadra)। রিপোর্ট হাতে পেতেই যারপরনাই উচ্ছ্বসিত ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। এবার ফাঁসবে নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে দুর্নীতির পর্দা।

    ইডির হাতে গ্রেফতার কাকু

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গত ৩০ মে সুজয়কে গ্রেফতার করে ইডি। তার পর থেকে অনেকটা সময় হাসপাতালে কাটিয়েছেন তিনি। ভর্তি ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে। নিয়োগ কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস করতে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সুজয়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে চায় ইডি। এজন্য আদালতের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। হাইকোর্টে নমুনা সংগ্রহে গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হলেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, সুজয়ের শারীরিক অবস্থা ঠিক না হওয়া অবধি তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে না। ফের একবার আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। ইএসআই হাসপাতালে সুজয়ের শারীরিক সুস্থতা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। শেষমেশ ৪ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট হয় কাকুর।

    আরও পড়ুুন: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার যে রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দেয় ইডি, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সম্পত্তি সংক্রান্ত খতিয়ানও দিয়েছিল ইডি। অভিষেকের এই সংস্থায়ই কাজ করতেন সুজয়। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই ভয়েস স্যাম্পেল যে মিলবে, সেটা সকলের জানা। তবে এই ভয়েস স্যাম্পেলের ওপর নির্ভর করে হরিপালের বড় কোনও ডাকুকে ধরবে, মানুষ আর সেটা নেবে না (Sujay Krishna Bhadra)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • ED: শিল্পা শেট্টি-রাজ কুন্দ্রার প্রায় ৯৮ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি, কেন জানেন?

    ED: শিল্পা শেট্টি-রাজ কুন্দ্রার প্রায় ৯৮ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিত্রতারকা শিল্পা শেট্টি ও তাঁর স্বামী রাজ কুন্দ্রার প্রায় আঠানব্বই কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। আজ, বৃহস্পতিবার পিএমএলএ অ্যাক্ট ২০০২-এর অধীনে স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একাধিক সম্পত্তি। এই তালিকায় রয়েছে শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রার নামে থাকা ইক্যুইটি শেয়ারও। এদিন সকালে এই পদক্ষেপ করে ইডি।

    বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি (ED)

    বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে জুহুতে শিল্পার নামে একটি ফ্ল্যাট, পুনেতে একটি বাংলো এবং ইক্যুইটি শেয়ারও। রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিনিয়োগের বিনিময়ে ১০ শতাংশ মাসিক রিটার্ন দেওয়ার জন্য মানুষকে প্রলোভিত করে বিপুল বিটকয়েন কেলেঙ্কারি চালিয়েছিলেন (ED)। বিটকয়েন কেস থেকে রাজ ১৫০ কোটি টাকা মুনাফা লুটেছেন বলেও অভিযোগ। বিটকয়েন হল ভার্চুয়ার মুদ্রা। এই মুদ্রার বৈশিষ্ট্য হল, যে কেউ বিশ্বের যে কোনও জায়গায় যে কোনও সময় অর্থ লেনদেন করতে পারে। ব্যাঙ্কের সাহায্য ছাড়াই এই লেনদেন করা হয়।

    বিটকয়েন কেলেঙ্কারি

    বিটকয়েন কেলেঙ্কারি মামলায় ২০১৮ সালের শুরুর দিকেই রাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। থানে ক্রাইম ব্রাঞ্চে নথিভুক্ত হওয়া মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তাঁকে। দু’হাজার কোটি টাকার ওই কেলেঙ্কারি মামলায় রাজ ফেঁসে যেতে পারেন বলেও মনে করছেন কেউ কেউ। মহারাষ্ট্রে রাজের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল একাধিক এফআইআর। তার ভিত্তিতে পিএমএলএর অধীনে তদন্ত শুরু করেছিল ইডি। রাজের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছিল, মেসার্স ভ্যারিয়েবল টেক প্রাইভেট লিমিটেড, প্রয়াত অমিত ভরদ্বাজ, অজয় ভরদ্বাজ, বিবেক ভরদ্বাজ, সিম্পি ভরদ্বাজ, মহেন্দ্র ভরদ্বাজ এবং অন্য এমএলএম এজেন্টরা ২০১৭ সালে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিটকয়েন পেয়েছিলেন। মিথ্যে প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে লগ্নিকারীদের কাছ থেকে এই সব বিটকয়েন নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: ভোটার মাত্র এক জন, তাঁর ভোট নিতে দুর্গম পাহাড়ে ৩৯ কিমি ট্রেক করলেন ভোটকর্মীরা

    ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তল্লাশি চালিয়ে ইডি গ্রেফতার করে সিম্পি ভরদ্বাজ, নিতিন গৌর ও নিখিল মহাজনকে। কেলেঙ্কারির মূল হোতা অজয় ভরদ্বাজ ও মহেন্দ্র ভরদ্বাজের নাগাল মেলেনি এখনও। এই কেলেঙ্কারিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রাজকে। এদিন বাজেয়াপ্ত করা হল রাজ-শিল্পার ৯৭.৭৯ কোটি টাকার সম্পত্তি (ED)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share