Tag: ED

ED

  • NSE Co-Location Case: ইডির জালে এনএসই প্রধান চিত্রা রামকৃষ্ণা , তলব প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকেও

    NSE Co-Location Case: ইডির জালে এনএসই প্রধান চিত্রা রামকৃষ্ণা , তলব প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার প্রাক্তন ন্যাশনেল স্টক এক্সচেঞ্জ সংক্ষেপে এনএসই (NSE) প্রধান চিত্রা রামকৃষ্ণা (Chitra Ramkrishna)। কো-লোকেশন কেলেঙ্কারি (Co Location Scam) মামলায় বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি(ED)। এদিনই তাঁকে তোলা হয় সিবিআই (CBI) আদালতে।

    অনৈতিক উপায়ে এনএসই-র কর্মীদের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ রয়েছে চিত্রার বিরুদ্ধে। ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এনএসই কর্মীদের ফোনে তিনি আড়ি পেতেছিলেন বলে অভিযোগ। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে এই ফোন ট্যাপিংয়ের অভিযোগে নতুন করে মামলা দায়ের করে সিবিআই। নয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, আইসেক সার্ভিসেস নামক সংস্থাকে অনৈতিক উপায়ে এনএসই কর্মীদের ওপর নজরদারি, ফোন ট্যাপিংয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন চিত্রা।

    আরও পড়ুন : ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে প্রাক্তন পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে শুরু সিবিআই তদন্ত

    কেবল চিত্রা নন, এই ঘটনায় মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় পাণ্ডের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। চিত্রার বিরুদ্ধে আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ রয়েছে। হিমালয়ের এক যোগীকে মেইল পাঠিয়ে এনএসইর পরবর্তী পাঁচ বছরের ফাইনান্সিয়াল প্রোজকশন, ডিভিডেন্ড পে-আউট রেসিও, বিজনেস প্ল্যান, বোর্ড মিটিংয়ের টার্গেট লক্ষ্য সম্পর্কিত পরামর্শ নিতে বলতেন। তাঁর কাছ থেকেও পাল্টা মেইল আসত। মেইলে আসা সেই নির্দেশ মতোই কাজ করতেন চিত্র। মার্চ মাসে চিত্রাকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধে স্টক মার্কেটের বিপুল পরিমাণ আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। এনএসইর গোপন নানা তথ্যও বাইরে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে চিত্রার বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন : রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    এদিকে, মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় পাণ্ডেকে সমন পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এনএসই কো-লোকেশন মামলায় তাঁকেও ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফোনে আড়িপাতার অভিযোগে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই দিল্লিতে ইডির দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছে সঞ্জয়কে। চলতি মাসের ন’ তারিখে একপ্রস্থ জেরা করেছে সিবিআই। এবার তাঁকে মুখোমুখি হতে হবে ইডির। সিবিআইয়ের এক আধিকারিক জানান, সঞ্জয়কে প্রথমে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তিনি নিজেই সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হন। প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসের ১৯৮৬ সালের ব্যাচ তিনি। চাকরি থেকে অবসর নেন জুন মাসের ৩০ তারিখে।

     

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) শুক্রবার ইডির কাছে গেলেন না রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) এবং তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। এদিন দিল্লির সদর দফতরে দু’জনকে তলব করেছিল ইডি (ED)। এ নিয়ে চতুর্থবার ইডির তরফে মলয়কে ডাকা হয়। কিন্তু এদিনও হাজিরা এড়ালেন মন্ত্রী। অন্যদিকে,কয়লা দুর্নীতিতে আবার ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেডের এক প্রাক্তন কর্তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এদিন ইসিএলের প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে তদন্তকারী অফিসারেরা। আজ, শনিবার তাঁকে আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয়। তাঁকে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আসানসোল আদালত। 

    সূত্রের খবর, শুক্রবার সময় পেরিয়ে গেলেও ইডির সদর দফতরে যাননি মন্ত্রী মলয়। এমনকি বাঘমুন্ডির তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোও আসেননি। তবে সুশান্ত তদন্তকারী অফিসারদের ইমেল করে জানিয়েছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যস্ত থাকায় এদিন যেতে পারেননি তিনি। আরও জানিয়েছেন, প্রয়োজনে কলকাতায় এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন অফিসাররা। কিন্তু, হাজিরা এড়ানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের কিছুই জানাননি মলয় ঘটক। ফের মলয়কে নোটিস পাঠাতে পারে ইডি।

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    অন্যদিকে শুক্রবার সকালেই কলকাতার নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই নোটিশ দিয়ে ডেকে পাঠায় ইসিএলের প্রাক্তন কর্তা সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাস তিনেক আগেই তিনি ইসিএলের শাঁকতরিয়ার সদর দফতরের জেনারেল ম্যানেজার পদ থেকে অবসর নেন বলে জানিয়েছেন অভিযুক্তের আইনজীবী উদয়চাঁদ মুখোপাধ্যায়। ২০২০ সালে কয়লা কাণ্ডের মামলায় সুভাষ বাবুর ফ্ল্যাটে সিবিআই তল্লাশি চালিয়ে কিছু কাগজপত্র, আবাসনের দলিল এবং ২৬ টি কিষান বিকাশ পত্র ও বেশ কয়েক লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছিল। সম্প্রতি সুভাষ মুখোপাধ্যায় কলকাতার উচ্চ আদালতে ওই জিনিসগুলি ফেরত পাওয়ার আবেদন জানান। আদালত জানিয়েছিল সিবিআই আদালতেই এর আবেদন করতে হবে। সেইমতো গত ৩০ মার্চ আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বাড়ির দলিল, কিষান বিকাশ পত্র সহ বেশ কিছু কাগজ ফেরত দেওয়ার। যদিও ধৃতের আইনজীবির দাবি টাকা বাদ দিয়ে আদালতের নির্দেশ মতো বাকি সব নথিপত্রই সিবিআই ফেরত দিয়েছে। 

    এদিন সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া অনুপ মাঝি ওরফে লালার যোগসূত্র মিলেছে। তাই তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। কীভাবে লালা ইসিএলের জমিতে বেআইনিভাবে কয়লা তোলার সুযোগ পেল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করা হয় ইসিএলের প্রাক্তন জিএমকে। কোনও প্রশ্নেরই সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

     

  • Partha Chatterjee: মন্ত্রিত্ব থেকে দলীয় পদ, সবকিছু থেকেই পার্থকে ছেঁটে ফেললেন মমতা

    Partha Chatterjee: মন্ত্রিত্ব থেকে দলীয় পদ, সবকিছু থেকেই পার্থকে ছেঁটে ফেললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে মন্ত্রিত্ব, তারপর পদ। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সবকিছু হারালেন একদা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বলা ভালো, এসএসসি কেলেঙ্কারির দায় মাথায় চাপিয়ে পার্থকে দল থেকেই ছেঁটে ফেলল তৃণমূল। বিকেল পাঁচটার বৈঠকের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, যতদিন না তদন্ত শেষ হচ্ছে, দল থেকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। অর্থাৎ, পার্থ আর তৃণমূলের মহাসচিব থাকছেন না। থাকছেন না তৃণমূল মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদকের পদেও। পাঁচটি পদ থেকেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। 

    ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মা মাটি মানুষের সরকারে কার্যত দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দলেও ছিলেন মহাসচিব পদে। কিন্তু টালিগঞ্জের পর বেলঘরিয়াতেও মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের পর আর ঝুঁকি নিতে পারল না দল। আজ বিকেলেই তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক বসে। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, তদন্ত যতদিন না শেষ হবে, ততদিন দল থেকে সাসপেন্ড থাকবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নিজেকে যেদিন নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবেন , সেদিনই দল তাঁর ওপর শাস্তি অপসারণ নিয়ে ফের চিন্তাভাবনা করবে। 

    বিকেলের এই সিদ্ধান্তের আগে আজ দুপুরেই মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর হাতে থাকা তিনটি দফতরই আপাতত থাকছে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। তবে শিল্প দফতর নিজের হাতে রেখে বাকি দুটি দফতর বন্টন করে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে, তথ্য প্রযুক্তি পেতে পারেন ব্রাত্য বসু। পরিষদীয় মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তাপস রায়ের। নবান্ন সূত্রে অবশ্য নির্মল ঘোষের নামও পরিষদীয় মন্ত্রী হিসেবে ভেসে উঠছে। পার্থকে মন্ত্রিত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সরকারি নোটিফিকেশন আজই জারি হয়।  ২৮জুলাই থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। তবে সরকারি নোটিফিকেশনে বরখাস্ত শব্দটি ব্যবহার না করে অব্যাহতি শব্দটি লেখায় সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

    শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কেলেঙ্কারির ঘটনায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যেভাবে কামিনীকাঞ্চন যোগ সামনে এসেছে, তাতে তৃণমূল কংগ্রেস যে দায় এড়াতে পারে না, বিরোধীরা বারবার সেই প্রসঙ্গ সামনে এনেছে। রাজ্যের সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্ন উঠেছে, একা পার্থ চট্টোপাধ্যায় কি এই কোটি কোটি টাকা তুলতে পারেন? নাকি সঙ্গে আছে দলের আরও অনেকে? খোদ অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ও ইডির জেরার মুখে জানিয়েছেন, এই টাকা তোলার সঙ্গে অনেকেই যুক্ত আছে। এই অভিযোগ আর মানুষের মনে ওঠা প্রশ্ন , ভাবাতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। তাই যে মুখ্যমন্ত্রী দুদিন আগে বলেছিলেন, এটা ষড়যন্ত্র কিনা দেখতে হবে, এখন তিনিও বুঝতে পারছেন, শিয়রে সমন। তাই আপাতত পার্থকে বলি দিতে পিছু হঠলেন না তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, যে সমস্ত ছবি সামনে আসছে, তার প্রেক্ষিতেই দল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

    দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান দলের সমস্ত পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে  সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব ছাড়াও দলীয় মুখপত্র জাগো বাংলার সম্পাদক, জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য এবং শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ইডি তল্লাশির ৪৮ ঘণ্টা পর প্রথমবার মুখ খুলেছিল তৃণমূল। তখনও এই দ্বন্দ্ব ছিল। ৭২ ঘণ্টা পর মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও তখন মন্ত্রী পার্থ নয়, নিজেকে বাঁচাতেই ব্যস্ত ছিলেন দলনেত্রী। বলেন আমার হাতেও আলকাতরা আছে, আমাকে বদনাম করলে আমিও আলকাতরা লাগাতে পারি। কোন ওয়াশিং মেশিন তা ধুতে পারবে না।

    সময়ই বলবে, এসএসসি কেলেঙ্কারিতে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধারে কারা কারা জড়িত। তবে শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যে মানুষের বিশ্বাস একেবারেই হারিয়েছে, তা দোকানে-বাজারে কান পাতলেই বোঝা যাচ্ছে। 

     

  • ED Raid Cash Recovery: অর্পিতার ২ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার নগদ ৫০ কোটি! এটাই কি ইডি-র সর্বকালীন রেকর্ড?

    ED Raid Cash Recovery: অর্পিতার ২ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার নগদ ৫০ কোটি! এটাই কি ইডি-র সর্বকালীন রেকর্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC scam) তল্লাশি চালিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) হরিদেবপুর ও বেলঘরিয়ার আবাসন থেকে যথাক্রমে ২২ কোটি ও ২৮ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। অর্থাৎ, এই দুজায়গায় হানা দিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি (ED)। 

    আর এই উদ্ধার হওয়া নগদের অঙ্ক নিয়ে এখন বিশ্লেষণ করছেন পরিসংখ্যানবিদরা। তাঁদের মতে, অতীতে ইডি একটি মামলায় এত বিপুল নগদ কখনও উদ্ধার করেনি। ফলে, অর্পিতার জোড়া ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৫০ কোটি হতে পারে ইডি-র ক্ষেত্রে একটা সর্বকালীন রেকর্ড।

    আরও পড়ুন: সোনার ‘সংসার’! গয়না থেকে সোনার বাট কী নেই অর্পিতার আলমারিতে

    অতীতে, একাধিক মামলায় হানা দিয়েছে ইডি। একাধিক জায়গায় স্থাবর-অস্থাবর সমেত বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। সাম্প্রতিককালে তেমন একটি ঘটনা হল চিনা ফোন প্রস্তুতকারী সংস্থা ভিভো মোবাইলের বিরুদ্ধে অভিযান। তাতে ১১৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৪৬৫ কোটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। কিন্তু এগুলি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ, বাড়িতে  রাখা নগদ নয়।

    বহু জায়গা থেকেই নগদ উদ্ধার করেছে ইডি। এর মধ্যে সাম্প্রতিককালে ইডি-র তল্লাশিতে বিপুল টাকা উদ্ধারের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ঝাড়খণ্ডের ঘটনা। সেখানে অবৈধ খনি মামলায় আইএএস অফিসার পুজা সিঙ্ঘলের বাড়ি ও দফতরে হানা দিয়ে প্রায় নগদ ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার করে ইডি। সেটিই ছিল এযাবৎকালে সর্ববৃহৎ। এছাড়া, সত্যন্দ্র জৈনের বাড়ি থেকে নগদ ২.৮৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    কিন্তু, দুর্নীতিতে ঝাড়খণ্ডকে পিছনে ফেলে ‘এগিয়ে বাংলা’। অর্পিতার ২ ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েই উদ্ধার হল ৫০ কোটি। ইডি সূত্রের খবর, অর্পিতার নামে কলকাতা ও শহরতলিতে নামে ও বেনামে প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। একাধিক ফ্ল্যাট ও জমি-বাড়ি রয়েছে। সেগুলোতে এখনও তল্লাশি চালায়নি ইডি। সেখান থেকেও আরও বিপুল নগদ উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। 

    তবে, রেকর্ডের চেয়ে আরেকটি বিষয় আরও বেশি করে ভাবিয়ে তুলছে ইডি-কে। তা হল, মুম্বই বা দিল্লির মতো বড় শহর থেকে এই নগদ উদ্ধার হয়েছে এমন নয়। এই টাকা উদ্ধার হয়েছে কলকাতা থেকে। যা দেশের বাণিজ্য বা প্রশাসনিক রাজধানী নয়। ফলে, এসএসসি কাণ্ডে এই অর্থ উদ্ধার হওয়াটা একদিকে যেমন ইডি-র যেমন বড় সাফল্য, ঠিক তেমনই কলকাতা থেকে কেলেঙ্কারির এই বিপুল অর্থ উদ্ধার হলো— তা একটা অশনি সংকেতও বটে।

  • Partha Chatterjee: কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের ফ্ল্যাট? অবশেষে মিলল খোঁজ

    Partha Chatterjee: কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের ফ্ল্যাট? অবশেষে মিলল খোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই সকলের মুখে ঘোরাফেরা করছিল প্রশ্নটা। তা হল— কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের (Partha Chatterjee Pet Dogs) ফ্ল্যাট? এতদিনে তার খোঁজ মিলল।

    গত মে মাসে এই এসএসসি-কাণ্ডের (SSC Scam) শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) একটি মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে। মন্ত্রীর হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বিচারপতির মন্তব্য ছিল, নাকতলায় পোষা কুকুরের জন্য ওনার একটা ফ্ল্যাট আছে জানেন তো? এত সম্পত্তির মালিক হলেন কী করে? ওনার সম্পত্তির হিসেব আদালতে পেশ করা হোক। এই সম্পত্তির পরিমাণ কত, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেই পর্যবেক্ষণ করেন বিচারপতি।

    এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (Teachers Recruitment Scam) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তির তদন্ত করতে গিয়েই প্রথম সিবিআইয়ের হাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছিল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছিলেন, কুকুরের নামে ওই ফ্ল্যাটের কথা। যদিও, কোথায় সেই ফ্ল্যাট রয়েছে, তা তখন প্রকাশ্যে আসেনি। এখন এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডের আর্থিক দিক খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। গতকাল, সেই সূত্রে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে ২০ কোটির বেশি নগদ ও বিপুল গয়না উদ্ধার হয়। ইডি সূত্রে দাবি, তল্লাশিতে উঠে এসেছে একাধিক চমকপ্রদ তথ্য। কী সেই তথ্য?

    ইডি (ED) সূত্রে দাবি, শুক্রবার টালিগঞ্জের অভিজাত ডায়মন্ড সিটি সাউথ (Diamond City South) আবাসনের টাওয়ার ২ ফ্ল্যাট ১এ-তে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। এই ফ্ল্যাটেই থাকেন অর্পিতা। কিন্তু, তদন্তে উঠে এসেছে, ওই একই টাওয়ারে আরও তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে পার্থ-অর্পিতার। সেগুলি হল— ১৮ডি, ১৯ডি ও ২০ডি। সূত্রের দাবি, এর মধ্যে ১৮ডি ফ্ল্যাটটি পার্থ চট্টোপাধ্যয়ায়ের কুকুরের জন্য বরাদ্দ। জানা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় মাঝেমধ্যেই এই আবাসনে আসতেন। অর্পিতার সঙ্গে দেখা করতেন। 

  • SSC Scam Partha-Arpita: ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?

    SSC Scam Partha-Arpita: ষড়যন্ত্রের শিকার! দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, কেন এমনটা বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার তিনি হারিয়েছেন মন্ত্রিত্ব। সাসপেন্ড হয়েছেন দল থেকেও। শুক্রবার, এসএসসি কাণ্ডে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় দাবি করলেন তিনি নাকি ষড়যন্ত্রের শিকার। এদিকে একইসঙ্গে ধৃত তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় আবার প্রকাশ্যে রাস্তায় বসে কান্নাকাটি শুরু করে দেন।

    আদালতের নির্দেশে প্রতি ৪৮-ঘণ্টা অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হওয়ার কথা পার্থ-অর্পিতার। সেই মতো, এদিন সকালে দুজনকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে নিয়ে যাওয়া হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। হাসপাতালে পৌঁছে গাড়ি থেকে নামতে নামতে অপেক্ষামান সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পার্থ জানান, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। হুইল চেয়ারে করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঢোকানো হল হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন: পার্থকে সরালেও এখনও কেন বহাল পরেশ? মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    এদিকে, একইসঙ্গে অন্য গাড়িতে আনা হয় অর্পিতাকে। তবে, পার্থ-ঘনিষ্ঠকে নিয়ে একপ্রস্থ নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালের সামনে। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় গাড়ি থেকে নামার সময় কেঁদে ফেলেন। কান্নায় ভেঙে রাস্তায় বসে পড়েন তিনি। পরে, তাঁকে টেনে নামিয়ে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

    নিয়োগ-দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পাঁচদিন পর, গতকাল দল ও সরকারের সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁকে তিনটি দফতর থেকে সরানোর কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পার্থকে দলের সমস্ত পদ থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া অবধি তাঁকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। 

    আরও পড়ুন: এবার ইডির নজরে অর্পিতার চিনার পার্ক ও নয়াবাদের ফ্ল্যাট! বাজেয়াপ্ত বেশ কিছু নথি

    এখন প্রশ্ন হল, কেন পার্থ কেন ষড়যন্ত্রের দাবি করলেন? কেন তিনি বলছেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার? কীসের ষড়যন্ত্র? কারা কারা জড়িত? এটা কি স্রেফ নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা? নাকি, সত্যিই এর নেপথ্যে আরও বড় নাম জড়িয়ে রয়েছে? সব দিক খতিয়ে দেখছে ইডি। তবে, বিরোধীদের মতে, একা পার্থর পক্ষে এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা সম্ভব নয়। এর পেছনে তৃণমূলের আরও অনেক তাবড় তাবড় নেতা-মন্ত্রীরা জড়িয়ে রয়েছেন। তাদের আরও দাবি, টাকা উদ্ধার হওয়ায় এখন পার্থকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হচ্ছে। 

  • Amnesty India: অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়াকে ৫২ কোটি টাকা জরিমানা ইডির, পার পেলেন না সংস্থার প্রধানও

    Amnesty India: অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়াকে ৫২ কোটি টাকা জরিমানা ইডির, পার পেলেন না সংস্থার প্রধানও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়াকে (Amnesty India) ৫২ কোটি টাকা জরিমানা করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সংস্থাকে জরিমানা করেই ক্ষান্ত হয়নি ইডি। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রধান আকার প্যাটেলকেও (Aakar Patel) ১০ কোটি টাকা জরিমানা দিতে হবে। ফরেন এক্সচেঞ্জ আইন লঙ্ঘন করার অভিযোগে এই জরিমানা দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইডি। শুক্রবারই নোটিস পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ইডির তরফ থেকে। 

    আরও পড়ুন: গরুপাচারের টাকায় তৈরি ছবিতে অভিনয় করেছেন? দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডি-র  

    এই বিষয়ে একটি বিবৃতি জারি করেছে ইডি (ED)। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া এবং তার প্রধান আকার প্যাটেলকে শোকজের নোটিস পাঠিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। অভিযোগ ১৯৯৯ সালে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছে সংস্থাটি। তাই মোট ৬২ কোটি টাকা জরিমানা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অ্যামনেস্টিকে।” জানা গিয়েছে, ভারতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির কাজের পরিধি আরও বাড়াতে ঘুরপথে বিদেশি অনুদান নিত। আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অ্যামনেস্টির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ইডি।      

    [tw]


    [/tw]

    কিছুদিন আগেই অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার প্রধান আকার প্যাটেলের বিরুদ্ধে ‘লুক আউট’ নোটিস জারি করেছিল সিবিআই (CBI)। গত বছর ডিসেম্বর মাসে অ্যামনেস্টি এবং আকার প্যাটেলের বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট পেশ করেছিল তারা। সেখানেও বিদেশি অনুদান গ্রহণ করা নিয়েই অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠে। তারপরেই লুক আউট নোটিস জারি করে আকার প্যাটেলের বিদেশ সফর আটকে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ২০ শতাংশ প্রশ্নের উত্তরে রাহুল গান্ধী কী বলেছেন, ফাঁস করল ইডি

    যুক্তরাজ্যের সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অধীনস্থ ভারতীয় এই সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া। এদেশে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসেবেই জন্ম হয় অ্যামনেস্টির। কিন্তু অনেক বেআইনি কাজেরও অভিযোগ আছে এই সংস্থার বিরুদ্ধে।   

    ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখে ইডি শোকজ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়াকে। ওই সময়ে জনসেবার নামে বহু টাকা ঢুকেছিল অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার অ্যাকাউন্টে। বেআইনি ভাবে ঢুকেছে এই টাকা বলে জানিয়েছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। এক ইডি আধিকারিকের কথায়, “ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টের আওতায় অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়াকে ৫১ কোটি ৭২ লক্ষ ৭৮ হাজার ১১১ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সংস্থার প্রধানকে ১০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।” এ বিষয়ে অ্যামনেস্টির তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।   

     

  • Jharkhand ED Raid: এবার ইডির নজরে হেমন্ত সোরেনের ঘনিষ্ঠ, চলল তল্লাশি

    Jharkhand ED Raid: এবার ইডির নজরে হেমন্ত সোরেনের ঘনিষ্ঠ, চলল তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপের মামলায় এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) নজরে ঝাড়খণ্ড। শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) ১৭ টি জায়গায় অভিযান চালায় ইডি। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (CM Hemant Soren) অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, সাহেবগঞ্জের বিধায়ক পঙ্কজ মিশ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন অভিযান চালায় ইডি।     
     
    জানা গিয়েছে, পঙ্কজ মিশ্রের (Pankaj Mishra) বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের মামলা দায়ের হয়েছে। তারই ভিত্তিতে এদিন ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ, বারহেত এবং রাজমহল এলাকায় অভিযান চালায় ইডি। এর আগে ইডি ঝাড়খণ্ডের খনি সচিব পূজা সিঙ্ঘলের বিরুদ্ধেও একটি মামলা দায়ের করেছে। সেই মামলার সঙ্গে এই মামলার যোগ নেই। এটি একটি পৃথক মামলা। ইডির এক আধিকারিক জানান, “পঙ্কজ মিশ্রের বিরুদ্ধে ঝাড়খণ্ড পুলিশই একটি এফআইআর দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: আর্থিক অনিয়ম আমলার! ৫ দিনের ইডি হেফাজতে আইএএস পূজা সিঙ্ঘল        

    নতুন মামলাটি ২০২০ সালের জুন মাসে সাহেবগঞ্জের বাধরওয়া থানায় দায়ের করা হয়। টোল ট্যাক্সের এক ঠিকাদার এই মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ করা হয়, পঙ্কজ মিশ্র এবং রাজ্যের আরেক মন্ত্রীর নির্দেশে ওই এলাকায় সংঘর্ষ হয়। বাধরওয়া নগর পঞ্চায়েতে ঢোকা গাড়ি থেকে টোল আদায়ের সময় আশান্তির সূত্রপাত হয়। মূলত টেন্ডার নিয়ে বিতর্ক বাধে।   

    আরও পড়ুন: ভাঙল ১২৯ বছরের রেকর্ড! প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অনন্য কীর্তি বাংলার

    অভিযোগকারী ঠিকাদার জানান, মন্ত্রীর ভাইও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন। ঠিকাদার অভিযোগ করেন, একটি ড্যামি সংস্থাকে প্ররোচিত করে তিনি টেন্ডার প্রক্রিয়াটি বানচাল করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। 

    চলতি বছরের শুরুর দিকে ইডি ঝাড়খণ্ডের ১৮ টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি আইন (MGNREGA) তহবিলের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি আর্থিক তছরুপের মামলায় খনি সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। সেই মামলায় পরে ইডি তাঁকে গ্রেফতারও করে।  

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও বেআইনিভাবে খনির লিজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বসন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করেছে। মুখ্যমন্ত্রীকেও এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একটি সাংবাদিক বৈঠকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা রঘুবর দাস অভিযোগ তোলার পরেই বিষয়টি সামনে আসে।

     

  • Medha Patkar: প্রতারণা করেছেন মেধা পাটকর! এফআইআর দায়ের

    Medha Patkar: প্রতারণা করেছেন মেধা পাটকর! এফআইআর দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর নেতৃত্বেই শুরু হয়েছিল ‘নর্মদা বাঁচাও’ (Narmada Bachao movement) আন্দোলন। এবার সেই সমাজকর্মী (Social Activist) মেধা পাটকর (Medha Patkar)-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে সংগৃহীত তহবিলের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠল। তাঁর  বিরুদ্ধে উঠেছে প্রতারণা ও দেশ বিরোধী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগও। মধ্যপ্রদেশের বারওয়ানি থানায় (Barwani Police Station) এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, আদিবাসী শিশুদের (Tribal children) মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের নামে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় (IPC section 420) মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে বিজেপি শাসিত শিবরাজ সরকারের পুলিশ। মেধা অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় সেনার নয়া রণকৌশল, চিনকে কুপোকাত করতে মান্দারিন ভাষা শিক্ষা

    ২০০৪-এ আদিবাসী শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে ‘নর্মদা নবনির্মাণ অভিযান’ (Narmada Navnirman Abhiyan) নামে একটি অলাভজনক সংগঠন তৈরি করা হয়। এই সংগঠনেরই ট্রাস্টি বোর্ডের (Trustee Board) অন্যতম সদস্য মেধা পাটকর। মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগকারী প্রীতম রাজের (Pritam Raj) দাবি, ১৩.৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন মেধা সহ ১২ জন। সংস্থার ট্রাস্টি বোর্ডের কাছে ১৪ বছরের ওই সংগৃহীত অর্থের কোনও হিসেব নেই। দেশবিরোধী প্রচারে ওই অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। শনিবার দায়ের হওয়া এফআইআরে মেধা ছাড়াও নাম রয়েছে পারভিন রুমি জাহাঙ্গির, বিজয়া চৌহান ও প্রমুখের। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে মেধা পাটকরের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ইডি ছাড়াও মেধা ও তাঁর সংস্থার বিরুদ্ধে একই অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে ডিরেক্টরেট অফ রেভিনিউ ইনটেলিজেন্স ও আয়কর দপ্তর।

    মেধা পাটেকর অবশ্য সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন। সমাজকর্মী জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেকটি আর্থিক বিষয় নিয়ে আমাদের কাছে অডিট রিপোর্ট রয়েছে। আমরা দিল্লির উপরাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলাতেও জিতেছি। কারণ আমরা বিদেশ থেকে অনুদান গ্রহণ করি না। ভবিষ্যতেও সব প্রশ্নের জবাব দেব, প্রমাণও পেশ করব।’

     

  • Arpita Mukherjee: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    Arpita Mukherjee: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক এক সপ্তাহ আগে, গত শুক্রবার, এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে প্রথম বড় সাফল্য পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। রাজ্যের শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Minister Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ মডেল-অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে পাহাড় প্রমাণ নগদ ও সোনা উদ্ধার করে। 

    টালিগঞ্জের হরিদেবপুর (Tollygunj Haridevpur) এলাকার ডায়মন্ড সিটি সাউথ (Diamond City South) আবাসনে টাওয়ার ২-এর ফ্ল্যাট নম্বর ১এ ফ্ল্যাটে থাকতেন অর্পিতা, যার বর্তমান ঠিকানা সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO complex) ইডি লক-আপ। ওই ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ২২ কোটি টাকা, ৭৯ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না এবং প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে ইডি। 

    আরও পড়ুন: যকের ধন! অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ২৮ কোটি নগদ, ৪ কোটি মূল্যের সোনা

    তবে, ইডি (ED) সূত্রের খবর, ওই টাওয়ারের পার্কিং লটে অর্পিতার চারটি দামী গাড়ি (Arpita luxury cars) থাকত। তদন্তে উঠে এসেছে, গাড়িগুলোর মধ্যে ছিল একটি অডি এ৪ সিরিজের মডেল যার নম্বর WB02 AB- 9561। একটি হন্ডা সিটি যার নম্বর হল WB06-T-6000। আরও একটি হন্ডার গাড়ি যার নম্বর WB06-T-6001 এবং WB02- AE- 2232 নম্বরের চতুর্থ গাড়ি।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের মতে, স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, দুসপ্তাহ আগেও দেখ যেত গাড়িগুলো। এও দাবি, ওই গাড়িতে অনেক হামেশাই দেখা যেত অর্পিতাকে। কিন্তু, এখন আচমকা উধাও হয়ে গেছে সেই গাড়িগুলো। কোথায় গেল গাড়িগুলো, তার খোঁজ চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    আরও পড়ুন: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, চার-চারটে গাড়ি রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হলেও, কেন ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা সরাতে পারলেন না অর্পিতা-পার্থ? নাকি, ওই চারটে গাড়ি-ভর্তি করে আরও টাকা আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে? হতে পারে, যে টাকা উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো আর সরানোর সময় মেলেনি! সবদিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

     

LinkedIn
Share