Tag: Education minister

Education minister

  • BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ (Student Protest) শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্তত এমনই দাবি করলেন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় (BJP)। তাঁর বক্তব্য, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই তখন ইস্তফা দেননি প্রধান। পরে দল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পদত্যাগ করেন।

    কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের দাবি (BJP)

    শনিবার ইন্দোরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজয়বর্গীয় বলেন, “ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই ধর্মেন্দ্র প্রধান বিজেপি সভাপতিকে জানিয়েছিলেন, যদি দলের মনে হয় তাঁর ইস্তফা দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়তে প্রস্তুত।” বিজয়বর্গীয়র দাবি, সেই সময় বিজেপি সভাপতি প্রধানকে ইস্তফা দিতে বারণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা না করাই ভালো। মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর দাবি, পরে যখন দল সিদ্ধান্ত নেয় যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়া উচিত, তখন তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে পদত্যাগ করেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে বিজয়বর্গীয় বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত প্রতিটি দায়িত্ব তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।

    “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে

    একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ফলে সেই সব “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে, যারা বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ভারতে অস্থিরতা ছড়াতে চেয়েছিল। তাঁর কথায়, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে, যারা হিংসা ছড়িয়ে ভারতকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।” শনিবার নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে নৈতিক দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং (BJP) নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে টানা ৩৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে ককরোচ জনতা পার্টি। এই আন্দোলনে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিয়েছিল বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।

    দায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশী

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে। বর্তমানে তিনি ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নব ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বের পাশাপাশি ওই মন্ত্রকগুলির দায়িত্বও তাঁর কাছেই থাকবে। নিট বিতর্কের পর পরীক্ষা ব্যবস্থায় একাধিক সংস্কার কার্যকর করার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই দায়িত্ব পেলেন জোশী। দায়িত্ব নিয়ে জোশী বলেন, “আমি কর্তব্যবোধ এবং বিনয়ের সঙ্গে এই দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। গত চার থেকে (Student Protest) পাঁচ বছরে ধর্মেন্দ্র প্রধান জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমি আমার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করব (BJP)।”

     

  • Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    Amit Shah: শিক্ষার্থীদের স্বার্থে শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়েন ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রশংসায় পঞ্চমুখ অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সেই কারণে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি জানান, বিজেপির কাছে কোনও পদ নয়, দেশ, যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সর্বাগ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে শাহ লেখেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের কাছে দেশ, আমাদের যুবসমাজ এবং শিক্ষার্থীরা যে কোনও পদের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই আদর্শেরই প্রতিফলন।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভূয়সী প্রশংসা (Amit Shah)

    তিনি আরও বলেন, “মোদি সরকার দেশের যুবসমাজের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। আমি সম্পূর্ণ নিশ্চিত, এই পদক্ষেপ নিট পরীক্ষায় সফল সমস্ত পড়ুয়ার জন্য পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।” শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাজেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন শাহ। তাঁর কথায়, “জাতীয় শিক্ষানীতির কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী বিদ্যালয়গুলির সম্প্রসারণ, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে ধর্মেন্দ্র প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করেছেন। উন্নত ভারত গড়ার সংকল্প বাস্তবায়নে তাঁর মেয়াদ স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Amit Shah)।”

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তাঁর “মন ভারাক্রান্ত”। এক্সে করা পোস্টে তিনি লেখেন, “আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ায় আমার মন ভারাক্রান্ত। জনজীবনে অনেক সময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু দেশ গঠনে তাঁর অবদান বহু প্রজন্ম মনে রাখবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর মাধ্যমে তিনি এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছেন, যা প্রাথমিক শিক্ষার ভিত শক্তিশালী করে, বহুমাত্রিক শিক্ষাকে উৎসাহ দেয় এবং বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার উপযোগী দক্ষতায় দেশের যুবসমাজকে গড়ে তোলে। তাঁর লক্ষ্য শুধু শিক্ষা দেওয়া নয়, ভারতীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি করা।”

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে (Dharmendra Pradhan) এবং পরীক্ষায় অনিয়ম নিয়ে চলা আন্দোলনকে যাতে “দেশবিরোধী শক্তি” কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন (Amit Shah)।

     

  • Vidyalaxmi Scheme: উচ্চশিক্ষায় ১ লক্ষ মেধাবী পড়ুয়াকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ, বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প আনল কেন্দ্র

    Vidyalaxmi Scheme: উচ্চশিক্ষায় ১ লক্ষ মেধাবী পড়ুয়াকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ, বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প আনল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেল পিএম বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্প (Vidyalaxmi Scheme)। এই কর্মসূচিতে মূলত নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষায় আর্থিক ঋণ দেবে নরেন্দ্র মোদি সরকার। পাশাপাশি, পড়ুয়ারা বিভিন্ন ধরনের বৃত্তিমূলক ক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণে আর্থিক সহায়তা পাবে। ভারত হোক অথবা বিদেশ, কোনও বিশেষ বিষয় নিয় উচ্চ শিক্ষা করতে যাওয়া মানেই তা একটি ব্যয়বহুল ব্যাপার। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার জন্য অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের সমর্থন করার জন্য আর্থিক ভাবে ততটাও সক্ষম নন। কেন্দ্রীয় সরকার সেই জায়গাতেই ছাত্রছাত্রীর সমস্যা সমাধানের জন্য বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের ঘোষণা করেছে। এর জন্য সরকারের বরাদ্দ ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ থেকে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৭ লক্ষ নতুন ছাত্রছাত্রীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনতে চাইছে সরকার।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের ঘোষণা

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক সূত্রের খবর, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক (Vidyalaxmi Scheme) থেকে মিলবে এডুকেশন লোন। প্রায় ৭০টি বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি থাকবে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পের আওতায়। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘এই প্রকল্পে ঋণ পেতে গেলে কোনও জামিনদার বা গ্যারেন্টার লাগবে না। প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য, কোনও মেধাবী পড়ুয়া যাতে বঞ্চিত না হন।’’ অর্থ মন্ত্রক, উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং ভারতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পের অধীনে আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীদের শিক্ষা ঋণ দেওয়ার জন্য একত্রিত হয়েছে। প্রার্থীরা এই ঋণ প্রকল্পগুলির জন্য আবেদন করতে সরাসরি নিজেরাই বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালে লগ ইন করতে পারেন। 

    বিদ্যা লক্ষ্মী এডুকেশন লোনের মূল বৈশিষ্ট্য:

    ১) শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার ব্যাপারে উৎসাহিত করা। পোর্টাল ভিত্তিক বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের সহায়তায় কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে ইচ্ছুক কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, এমন সমস্ত ছাত্রদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে চায়৷ ফলে স্বাভাবিক ভাবেই উচ্চ শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত হবে ছেলেমেয়েরা।

    ২) ঋণ এবং বৃত্তির জন্য আবেদন করতে সক্ষম হওয়া। অ্যাকাডেমিক কোর্সের জন্য আর্থিক প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য ঋণ বা সরকারি স্পনসরড স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য পোর্টাল চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে সহজে।

    ৩) নানা ধরনের কোর্স করার সুযোগ রয়েছে। এই বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালের সহায়তায় আগ্রহী প্রার্থীরা নানা ধরনের কোর্সের অধীনে শিক্ষা গ্রহণের জন্য আর্থিক সহায়তা পেতে সক্ষম হবে। প্রায় ৭০টি বিভিন্ন স্কিম এই প্রকল্পের আওতায় থাকবে।

    ৪) একটি মাত্র আবেদনপত্রেই হবে কাজ। আবেদনকারী প্রার্থীরা শুধু মাত্র একটি ফর্ম পূরণ করে নির্দিষ্ট ঋণ বা বৃত্তি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সাধারণ শিক্ষাগত ঋণের আবেদনপত্র বা সিইএলএএফ হল আবেদনপত্রের ধরন।

    ৫) প্রত্যেক শিক্ষার্থী সাধারণ আবেদনপত্রের সহায়তায় সর্বাধিক তিনটি ব্যাঙ্কে আবেদন করতে সক্ষম হবেন। ব্যাঙ্কের পছন্দ প্রার্থীর পছন্দের উপর নির্ভর করবে।

    ৬) আবেদনের হার্ড কপির প্রয়োজনীয়তা নেই। যখন আগ্রহী প্রার্থীরা বিদ্যা লক্ষ্মী এডুকেশন লোনের এই অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে কোনও ব্যাঙ্কে ঋণ সংক্রান্ত কোনও আবেদন করেন, তখন ব্যাঙ্কগুলিতে সেই আবেদনপত্রের হার্ড কপি জমা দেওয়ার দরকার নেই। ভবিষ্যতের রেফারেন্সের জন্য এটি বরং সহজ ভাবে ডাউনলোড করে কম্পিউটারে, ট্যাবে বা মোবাইলে রেখে দেওয়া যেতে পারে।

    ৭) ব্যাঙ্ক এবং ঋণ প্রকল্প সম্পর্কে বিশদ তথ্য ছাড়াও শিক্ষার্থীরা সরকারি বৃত্তি কর্মসূচি সম্পর্কেও নানা ধরনের তথ্য পাবেন। কারণ সরকারি বৃত্তি পোর্টালগুলি বিদ্যালক্ষ্মী এডুকেশন লোনের পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত।

    ৮) আবেদনকারীর ফর্মের বর্তমান অবস্থা বা স্টেটাস সম্পর্কে আবেদনকারীদের অবহিত রাখা প্রতিটি ব্যাঙ্কের দায়িত্ব৷ এই বিশদ বিবরণ সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী শুধু মাত্র লগ ইন করার মাধ্যমে অর্জন করতে পারেন বা জানতে পারেন।

    ৯) উপরে উল্লিখিত এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলি ছাড়াও, প্রার্থীরা যে কোনও রকমের সমস্যা এবং অভিযোগ জমা দেওয়ার জন্য এই পোর্টালেই রেজিস্টার করার সুযোগ পাবেন।

    ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষাঋণ

    প্রতি বছর সর্বোচ্চ এক লক্ষ শিক্ষার্থী এই প্রকল্পে ঋণ পাবেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ‘‘আট লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক পারিবারিক আয়ের একজন পড়ুয়া ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষাঋণ পাবেন পিএম বিদ্যালক্ষ্মী প্রকল্পে (Vidyalaxmi Scheme)। সুদের হার হবে ৩ শতাংশ।’’ ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এই ঋণ মঞ্জুর হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে বার্ষিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের পরিবারের পড়ুয়ারা উচ্চশিক্ষায় কেন্দ্রীয় ঋণ পেতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dharmendra Pradhan: “নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ নেই”, সাফ জানালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

    Dharmendra Pradhan: “নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ নেই”, সাফ জানালেন ধর্মেন্দ্র প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নিট-ইউজি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনও প্রমাণ নেই।” বৃহস্পতিবার সাফ জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রের নয়া সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “এনটিএতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত নয়। এটি দেশের অত্যন্ত দায়িত্বশীল একটি সংস্থা।”

    কী বললেন নয়া শিক্ষামন্ত্রী? (Dharmendra Pradhan)

    নিট-ইউজি ২০২৪ পরীক্ষার ফল নিয়ে দেশজুড়ে তুঙ্গে বিতর্ক। স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেড় হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থীকে ফের পরীক্ষায় বসার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রের নয়া শিক্ষামন্ত্রী। তিনি (Dharmendra Pradhan) বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে এনিয়ে শুনানি চলছে। আমরা আদালতের নির্দেশ মানতে বাধ্য। কোনও পড়ুয়ার প্রতি অবিচার হবে না।”

    কী বলছে কেন্দ্র?

    এদিকে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পর কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, যে ১৫৬৩ জনকে বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়েছে, তা বাতিল করা হচ্ছে। ডাক্তারিতে ভর্তির পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীরা ইচ্ছে করলে ফের বসতে পারবেন আগামী ২৩ জুন। ফল প্রকাশ হবে এই মাসেরই ৩০ তারিখে। কাউন্সেলিং শুরু হবে ৬ জুলাই। প্রসঙ্গত, এবার নিট পরীক্ষায় বসেছিলেন ২৪ লাখ পড়ুয়া।

    ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “নির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।” তিনি বলেন, “বেশ কিছু প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সরকার আদালতে তার জবাব দিতে প্রস্তুত। অভিযোগের তদন্ত করতে শিক্ষাবিদদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।” প্রসঙ্গত, এনটিএ নিট, জেইই এবং সিইউইটি এই তিনটি বড় পরীক্ষা পরিচালনা করে। এই নিট নিয়েই উঠেছে গুচ্ছ অভিযোগ।

    আর পড়ুন: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি রেডারে আরও ৫০ খ্যাতনামা! কবে তলব?

    ২০২৪ সালের সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা বাতিলের আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় একাধিক মামলা। মামলাকারীদের অভিযোগ, এবার ফাঁস হয়ে গিয়েছে নিটের প্রশ্নপত্র। অন্যান্য অনিয়মও হয়েছে। এই মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লার অবসরকালীন বেঞ্চে। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, যে ১৫৬৩ জন পরীক্ষার্থীকে গ্রেস মার্কস দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের ফের পরীক্ষায় বসতে হবে। তবে কাউন্সেলিং বন্ধ করা হচ্ছে না। পরীক্ষা নিয়ামক স্থংস্থা ও কর্তৃপক্ষকে দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেওয়ার নোটিশও দিয়েছে আদালত (Dharmendra Pradhan)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 Parganas: নিয়োগের দাবিতে মাথা মুড়িয়ে আমরণ অনশনে চাকরিপ্রার্থীরা

    South 24 Parganas: নিয়োগের দাবিতে মাথা মুড়িয়ে আমরণ অনশনে চাকরিপ্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেদের হকের চাকরির দাবিতে নিজেদের মাথা মুড়িয়ে আমরণ অনশনের ডাক দিলেন ২০০৯ এর চাকরি প্রার্থীরা। এর আগেও তাঁরা আন্দোলন করলেও এরকমভাবে জোরদার আন্দোলন শুরু করেনি। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডিপিএসসি অফিসের সামনে ২০০৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের নিয়োগের দাবি জানিয়ে মাথা ন্যাড়া করে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন।

    চাকরি প্রার্থীরা কী বললেন? (South 24 Parganas)

    ২০০৯ এর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ১৮৩৪ জনের পূর্ণাঙ্গ প্যানেলের নিয়োগের দাবিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবারে ডিপিএসসি অফিসের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন চাকরিপ্রার্থীরা। এর আগেও একাধিকবার তাঁরা এই দফতরের সামনে অবস্থানে বসেছেন। আংশিক নিয়োগের নির্দেশ মিলেছে। তবে, সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করার বিষয়ে রাজ্য সরকার কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।  আর এতেই ক্ষুব্ধ চাকরি প্রার্থীরা। তাঁরা জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ১৮৩৪ জনের প্যানেলের মধ্যে ১৫০৬ জন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও বাকিদের নিয়োগের বিষয়ে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত ৩২৮ জন চাকরিপ্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। তাই নিজেদের চাকরির দাবিতে ডিপিএসসি অফিসের সামনে আমরা অবস্থান বিক্ষোভে বসেছি। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইছি। তাঁদের ওপর ভরসা রয়েছে। আমাদের জীবন থেকে ১৫ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত নিয়োগপত্র আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। এই নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে চাই। পাশাপাশি তাঁরা জানান যে তাঁরা নিজেদের এই মুখ আর দেখাতে চান না। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করার জন্যই এই মাথার মুড়িয়ে শিকল দিয়ে নিজেদের বেঁধে রেখে অভিনব বিক্ষোভ দেখান। আমাদের দাবি, চেয়ারম্যান অবিলম্বে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করুন। আর সম্পর্ণ তালিতা অনুযায়ী নিয়োগের আমরা দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WB Recruitment Case: শিক্ষামন্ত্রী-চাকরিপ্রার্থীদের বৈঠকে তৃণমূল নেতা কুণাল কেন? উঠছে প্রশ্ন

    WB Recruitment Case: শিক্ষামন্ত্রী-চাকরিপ্রার্থীদের বৈঠকে তৃণমূল নেতা কুণাল কেন? উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই সোমবার। এদিনই বিকেল ৩টায় শিক্ষামন্ত্রীর ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন এসএলএসটি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির চাকরি প্রার্থীরা (WB Recruitment Case)। হাজার দিন ধরে চাকরির দাবিতে আন্দোলন করছেন এই চাকরি প্রার্থীদেরই একটা অংশ। এঁদেরই সঙ্গে বৈঠক হবে শিক্ষামন্ত্রীর।

    বৈঠকে কুণাল কেন?

    এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও। এখানেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। তৃণমূলের একজন নেতা কী জন্য ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন, সে প্রশ্নও উঠেছে। যদিও কুণালের দাবি, “চাকরিপ্রার্থীরা আমায় অনুরোধ করেছেন। আমি ওঁদের তরফে যাব।” আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখ অভিষেক সেন বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম কুণালদা আমাদের হয়ে বৈঠকে থাকুন। তিনি তাতে রাজি হয়েছেন।”

    ফের চোর চোর স্লোগান

    প্রসঙ্গত, শনিবার (WB Recruitment Case) মেয়ো রোডে চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না আন্দোলন পা দিল হাজারতম দিনে। এদিনই মাথার চুল কামিয়ে প্রতিবাদ জানান পূর্ব মেদিনীপুরের ভোগপুরের চাকরি প্রার্থী রাসমণি পাত্র। এনিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে আন্দোলন মঞ্চে ছুটে যান কুণাল। তাঁকে দেখে চোর, চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। পরে অবশ্য কথা বলেন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। তখনই ঠিক হয়, সোমবার শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন চাকরিপ্রার্থীরা। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে কুণাল বলেন, “যদি কোনও ভুল হয়, তাহলে তার প্রায়শ্চিত্ত করা হবে সরকারের তরফে।”

    আরও পড়ুুন: নজরুলের গান দিয়ে শুরু হবে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’, কী বলছেন স্বামী প্রদীপ্তানন্দ?

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সোমবার শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে চাকরি প্রার্থীদের যে বৈঠক হতে চলেছে, তা আদতে আইওয়াশ মাত্র। কারণ এই বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। তাই চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা এখন রাজ্য সরকারের নেই। তবে যেহেতু একজন মহিলা চাকরি প্রার্থী মাথা মুড়িয়ে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন, তার সুদূর প্রসারী ফল আঁচ করেই তৃণমূলের তরফে তড়িঘড়ি মাঠে নামানো হয় কুণালকে। লোকসভা নির্বাচনের আগে আন্দোলনের আঁচে যাতে তৃণমূলের গায়ে ছ্যাঁকা না লাগে, তাই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের (WB Recruitment Case) বৈঠকে বসিয়ে দিচ্ছেন কুণাল। এতে সাপও মরবে, আবার লাঠিও ভাঙবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আরও কড়া কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। “পর্ষদ কিছু করতে না পারলে, শিক্ষামন্ত্রীকে (Education Minister) ডেকে পাঠাতে হবে। আপনারা যদি নিয়োগ বাতিল করতে চান, তাহলে করুন, কোথায় বাধা?” নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতির একটি মামলায় এমনটাই বলতে শোনা গেল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। তাঁর  দাবি, অবিলম্বে অযোগ্যদের নিয়োগ বাতিল করুক পর্ষদ। বেআইনিভাবে নিযুক্তদের নিয়োগ বাতিল না হলে প্রয়োজনে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে তলব করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারপতি।

    নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলা

    যে সব চাকরিপ্রার্থীদের বেআইনিভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল, সেই তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই সব প্রার্থীদের নিয়োগ বাতিল করার অনুমতি চেয়েই কমিশন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আর সেই মামলা চলাকালীন এবার সরাসরি শিক্ষামন্ত্রীর নাম উল্লেখ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)।

    আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, দু’দফায় বেআইনিভাবে সুপারিশ করা নামের তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। তালিকায় থাকা মোট ১৮৪ জনের মধ্যে ৮১ জন বর্তমানে চাকরি করেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৯ জন নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে গতকাল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এরপর হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, তাঁরা কত নম্বর পেয়েছেন, খতিয়ে দেখতে হবে তাঁদের ওএমআর শিট। ওই ন’জনকে নিয়ে বৈঠকও করতে হবে কমিশনকে। উপস্থিত থাকতে হবে ন’জনের আইনজীবী, কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনের আইনজীবীকে। আগামী সপ্তাহে বুধবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    শিক্ষামন্ত্রীকে তলব করার হুঁশিয়ারি বিচারপতির

    গতকাল ‘অবৈধ’ নিয়োগ বাতিল করার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নাম উল্লেখ করেন বিচারপতি। তখনই তিনি বলেন, “আপনারা যদি নিয়োগ বাতিল করতে চান, করুন। কোথায় বাধা? যদি পর্ষদ কিছু করতে না পারে তাহলে শিক্ষামন্ত্রীকে ডেকে পাঠাতে হবে।”

    আবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন এসএসসিকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) বলেন, “কার সুপারিশে চাকরি পেলেন? কে কে সুপারিশ করেছিলেন? জুনিয়র নাকি সিনিয়র পি সি সরকারের হাতের জাদুতে নম্বর বাড়ল?”  এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২২ ডিসেম্বর।

    তবে এতদিন শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নাম উঠে আসেনি। কিন্তু গতকাল বিচারপতির (Justice Abhijit Ganguly) মন্তব্যের পর একাধিক প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তবে ব্রাত্য বসুকেও তলব করা হবে হাইকোর্টে?

LinkedIn
Share