Tag: Egypt

Egypt

  • FIFA World Cup 2026: শেষ ১৩ মিনিটের মেসি-ঝড়! বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইৎজারল্যান্ড, লড়াই করে হার মিশরের

    FIFA World Cup 2026: শেষ ১৩ মিনিটের মেসি-ঝড়! বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইৎজারল্যান্ড, লড়াই করে হার মিশরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যালারিতে থাকা সমর্থকেরা কাঁদতে শুরু করেছিলেন। ধারাভাষ্যকারেরা বলছিলেন, মেসিকে আর ১৫ মিনিটের জন্য বিশ্বকাপে দেখা যাবে। ঠিক তখনই লাউতারো মার্তিনেজকে নামালেন স্কালোনি। মেসিও সরে গেলেন একেবারে ডান প্রান্তে। বক্সের মধ্যে লোক বাড়াতে গিয়ে মেসিকে ছেড়ে দিল মিশরের রক্ষণ। সেরাদের জন্য ওই টুকুই যথেষ্ট। শুরু হল মেসি-ম্যাজিক (Lionel Messi)। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে কোনও দিন ০-২ পিছিয়ে থেকে খেলা জেতেনি আর্জেন্টিনা। এমনকি, ড্র পর্যন্ত করেনি তারা। সে দিক থেকে দেখতে গেলে এটা আর্জেন্টিনার সেরা প্রত্যাবর্তন। শেষ ১৩ মিনিটের মেসি-ঝড়ে ০-২ পিছিয়ে থাকা ম্যাচ ৩-২ জিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। মিশরের পিরামিডের নীচে চাপা পড়ে যাওয়া আর্জেন্টিনাকে টেনে তুললেন মেসিই। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ সুইৎজারল্যান্ড।

    ১৩ মিনিটের ঝর আর্জেন্টিনার

    আক্রমণ, মাঝমাঠ থেকে রক্ষণ, এদিন বার বার ভুল করেছে আর্জেন্টিনা। মিশরের বিরুদ্ধে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল এক সময়। কিন্তু ১৩ মিনিটের ঝরে হারের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে এনেছে মেসির আর্জেন্টিনা। বিতর্ক থাকবে। ফাউল থেকে মিশরের গোল বাতিল, কিন্তু ম্যাচের শেষ ১৩ মিনিট যে মেসির ছিল, তা অতিবড় সমালোচকও মানবেন। ওই ১৩ মিনিটে লিয়োনেল মেসি ঢেকে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার সব ত্রুটি। ৭৯ মিনিট। ডান প্রান্ত থেকে বক্সে ক্রস বাড়ালেন মেসি। হেডে গোল করে আর্জেন্টিনার সেরা প্রত্যাবর্তনের শুরুটা করলেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। চার মিনিট পর গোল করার দায়িত্ব মেসি নিজেই নিলেন। তাঁর ক্রসে যে আক্রমণ শুরু, তা শেষ হল তাঁর পায়েই। ফিরতি বলে জোরালো শটে জাল কাঁপিয়ে দিলেন তিনি। দেখে মনে হচ্ছিল খেলা অতিরিক্ত সময়ে এগোচ্ছে। ঠিক তখনই ডান প্রান্ত থেকে লাউতারো মার্তিনেজের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোল করলেন এঞ্জো ফের্নান্দেজ।

    কেন এখনও দলের ভরসা মেসি

    আরও এক বার দলের রক্ষাকর্তা হয়ে দেখা দিলেন মেসি। হ্যাঁ, তিনি আবার সহজ পেনাল্টি ফস্কেছেন। চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়। হ্যাঁ, তাঁর ফ্রি কিক পোস্টে লেগে বেরিয়ে গিয়েছে। হ্যাঁ, ৭২ মিনিট পর্যন্ত তিন মার্কারের দাপটে মিশরের বক্সে ঢুকতে পারছিলেন না তিনি। সেই মেসিই ৭৩ মিনিট থেকে ডান প্রান্তে সরে গেলেন। ব্যস, সেখানেই শেষ মিশর। জায়গা তৈরি করলেন নিজের জন্য। গোল করালেন। গোল করলেন। এই ম্যাচেও আর্জেন্টিনার সেরা খেলোয়াড় তিনিই। আর সেই কারণেই অসাধ্যসাধনের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মেসি। অঝোরে কেঁদেছেন। সতীর্থদের জড়িয়ে ধরেছেন। সতীর্থেরা তাঁকে ঘাড়ে তুলে লাফিয়েছেন। মেসির কান্না বুঝিয়েছে, কতটা চাপে ছিলেন তিনি। সতীর্থদের উল্লাস বুঝিয়েছে, মেসি না থাকলে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যেত তাঁদের। শুরু থেকে ধীরে চলো নীতি নিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এত স্লো বিল্ড আপে মিশরের মতো গতিশীল দলকে চাপে রাখা মুশকিল। সেটাই হল এদিন। ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা হাসানের ক্রসে হেডে গোল করে মিশরকে প্রথমেই এগিয়ে দিলেন ইব্রাহিম। তারপরেই গোল জিকোর। ম্যাচের ৭৫ মিনিট পর্যন্ত মাঠে দাপট ছিল মিশরেরই।

    মিশরের প্রতিবাদ, বিস্ফোরক অভিযোগ হাসানের

    আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে দু’গোলে এগিয়ে গিয়েও বিশ্বকাপে হেরে গিয়েছে মিশর। বিদায় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন দলের কোচের হোসাম হাসান। জানালেন, মেসিকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখতেই তাঁদের জোর করে হারানো হয়েছে। প্রতারণা করা হয়েছে তাঁদের সঙ্গে। হাসান বলেন, “ফেয়ার প্লে-কে কোনও রকম সম্মান দেখানোই হল না। পেনাল্টি বাতিল করে দেওয়া হল। ভার-ও পরীক্ষা করার প্রয়োজন মনে করল না। দ্বিতীয় গোল অদ্ভুত ভাবে বাতিল করা হয়েছে। সেখানেও ভার পরীক্ষা করা হয়নি। অথচ আমরা সবাই দেখেছিলাম কী ভাবে পিছন থেকে জার্সি ধরে টানা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “রেফারি ভাল ছিলেন না। অবিচার করেছেন আমাদের সঙ্গে। শুরু থেকে আমাদের বিরুদ্ধে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন। উনি চাননি আমরা জিতি। এই ম্যাচ চুরি করা হয়েছে। আমাদের দোষ ছিল না।” মেসিকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখতে বা বিশ্বকাপ জেতাতেই ফিফা এই কাজ করছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাসান। তাঁর কথায়, “ওরা বোধহয় বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে চায়। হয়তো চায় মেসি আরও কিছু ক্ষণ খেলুক। ফুটবলে কিছু বাইরের শক্তিও রয়েছে যাদের সামনে কৌশলগত বুদ্ধি কাজে লাগে না। আর্জেন্টিনা সমস্ত বিভাগে ফিফার সাহায্য পাচ্ছে।”

    পেনাল্টি মিস, লজ্জার নজিরও মেসির

    তিনি গোল করছেন। গোল করাচ্ছেন। প্রতি ম্যাচে নেমে একের পর এক রেকর্ড ভাঙছেন। কিন্তু পাশাপাশি একটি লজ্জার রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। বিশ্বকাপে এই রেকর্ড আর কারও নেই। বার বার একটি ভুল করছেন তিনি। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি ফস্কেছেন মেসি। মিশরের বিরুদ্ধে ২১ মিনিটের মাথায় নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকোকে বক্সের মধ্যে মিশরের ডিফেন্ডার ফাউল করায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পট থেকে জঘন্য শট মারেন মেসি। গোলরক্ষকের বাঁ দিক দিয়ে গোল করার চেষ্টা করেন তিনি। সেই শট সহজে বাঁচিয়ে দেন মিশরের গোলরক্ষক মুস্তাফা বোশের। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধেও পেনাল্টি ফস্কেছিলেন মেসি। সে বারও গোলরক্ষকের বাঁ দিক দিয়ে গোল করতে গিয়ে বাইরে মেরে বসেন মেসি। এর আগে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে আইসল্যান্ড ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেনাল্টি ফস্কেছিলেন মেসি।

    বিশ্বকাপে টানা ন’ম্যাচে গোলের নজির

    গত বার থেকে ধরলে বিশ্বকাপে টানা ন’ম্যাচে গোল করলেন মেসি, যে রেকর্ড কারও নেই। বিশ্বকাপের সর্বাধিক গোলের সংখ্যায় কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে ফারাক বাড়ালেন মেসি। তাঁর গোলের সংখ্যা ২১। এমবাপের ১৯। চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলও মেসির। ৮টি গোল করেছেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপের সব ম্যাচে গোল করেছেন মেসি। কোয়ার্টার ফাইনালে লিয়োনেল মেসিদের প্রতিপক্ষ সুইৎজারল্যান্ড। এদিন কলম্বিয়া-সুইৎজারল্যান্ডের রাউন্ড অফ ১৬-র ম্যাচের নিষ্পত্তি হল টাইব্রেকারে। অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত গোল করতে পারেনি কোনও দলই। সুইৎজারল্যান্ড এবং কলম্বিয়া দু’দলই রক্ষণ আগলে আক্রমণে ওঠার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে দু’দলই বেশ কিছু গোলের সুযোগ নষ্ট করেছে। স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতাই ম্যাচ টেনে নিয়ে গিয়েছে টাইব্রেকার পর্যন্ত। প্রায় সমানে সমানে লড়াই হলেও কলম্বিয়ার দাপট তুলনায় বেশি ছিল। কিন্তু ভাগ্য লিখেছিল অন্য কথা। টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে সুইৎজারল্যান্ডের কাছে হার মানতে হল কলম্বিয়াকে।

  • Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকটি মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ (Abraham Accords) যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সোমবার এই আহ্বান জানান তিনি। ট্রাম্প একে তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতার অংশ হিসেবে তুলে ধরেন, জানিয়ে দেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হতে পারে। তিনি সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, জর্ডন এবং বাহরিন-সহ বিভিন্ন দেশকে একসঙ্গে ওই অ্যাকর্ডসে সই করার আহ্বান জানান।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Donald Trump)

    দীর্ঘ ওই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা সুন্দরভাবে এগোচ্ছে! এটি সবার জন্যই একটি দারুণ চুক্তি হবে, না হলে কোনও চুক্তিই হবে না।” সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, “যদি কোনও সমঝোতায় পৌঁছনো না যায়, তাহলে আবার যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যেতে হবে এবং গোলাগুলি আগের চেয়ে আরও বড় ও মারাত্মক হবে।” ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর সৌদি আরব এবং কাতারের অবিলম্বে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়া উচিত। পরে অন্যান্য দেশগুলোরও একে অনুসরণ করা উচিত। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফলভাবে চুক্তি সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে ইরানও এই কাঠামোর অংশ হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস বর্তমান সদস্য দেশগুলির জন্য আর্থিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ‘বিস্ফোরণ’ নিয়ে এসেছে। তিনি সদস্য দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরিন, মরক্কো, সুদান এবং কাজাখাস্তানের নাম করেন (Abraham Accords)।

    ট্রাম্পের দাবি

    ট্রাম্প বলেন, “আব্রাহাম অ্যাকর্ডস তাদের পক্ষে খুবই উপকারী হয়েছে। সবার জন্যই আরও ভালো হবে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শক্তি, ক্ষমতা ও শান্তি নিয়ে আসবে।” তিনি জানান, ওই দেশগুলির অনেক নেতার সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝেছেন, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর তারা ইরানকেও আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ হিসেবে দেখতে সম্মানিত বোধ করবেন। ট্রাম্প একে এই অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলির একটি বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, তিনি তাঁর প্রতিনিধিদের আরও দেশকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হল ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত এক ঐতিহাসিক চুক্তি, যার মাধ্যমে ইজরায়েল এবং একাধিক আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। জানা গিয়েছে, শনিবার ট্রাম্প (Donald Trump) কয়েকটি আরব ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতাদের সঙ্গে কনফারেন্স কলে আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে তিনি আরও বিভিন্ন দেশকে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়াতে চান। ট্রাম্পের এহেন প্রস্তাবের পর ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে কিছু সময়ের জন্য নীরবতা নেমে আসে, চুপ করে (Abraham Accords) যান সৌদি আরব, কাতার এবং পাকিস্তানের প্রধানরা। কারণ এই দেশগুলির সঙ্গে ইজরায়েলের আনুষ্ঠানিক কোনও কূটনৈতিক সম্পর্কই নেই (Donald Trump)।

     

  • OIC: বিশ্বমঞ্চে মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, কাশ্মীর ইস্যুতে কঠোর ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা ব্যর্থ  

    OIC: বিশ্বমঞ্চে মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, কাশ্মীর ইস্যুতে কঠোর ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা ব্যর্থ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব মঞ্চে ফের একবার মুখ পুড়ল পাকিস্তানের। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত হয় ইসলামিক কো-অপারেশন সংস্থার বৈঠক (OIC)। ওই বৈঠকে পাকিস্তান (Pakistan) কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করে। যদিও তা ব্যর্থ হয়। এই সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র হল ইন্দোনেশিয়া, মিশর এবং বাহরিন। এই তিন মুসলিম দেশই পাকিস্তানের প্রস্তাবের বিরোধিতা করে। যার ফলে চূড়ান্ত ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়নি সেটি। আয়োজক দেশ ছিল ইন্দোনেশিয়া।

    ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকা (OIC)

    ইসলামিক এই দেশটি পাকিস্তানের এই উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার নীতিতে বিশ্বাসী দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত ইন্দোনেশিয়া। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, তারা ওআইসির মঞ্চকে কোনও সদস্য রাষ্ট্রকে টার্গেট করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চায় না। ইন্দোনেশিয়ার এই অবস্থানকে সমর্থন করে মিশর এবং বাহরিনও। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্দোনেশিয়া, মিশর এবং বাহরিনের এই অবস্থান ভারতের সঙ্গে তাদের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের প্রতিফলন।

    চূড়ান্ত ঘোষণাপত্র

    জাকার্তা সম্মেলনের চূড়ান্ত ঘোষণাপত্রে প্যালেস্তাইন ও গাজায় চলা পরিস্থিতির কড়া নিন্দা করা হয়। যদিও ভারতের প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে সংযমী ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় মুখ পুড়লেও (OIC) স্বদেশে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে পাকিস্তান। তাদের দাবি, তাদের অবস্থান ওআইসি দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। এ থেকে এটা স্পষ্ট যে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হলেও, ইসলামাবাদ নিজের দেশে তাদের কলঙ্কিত ভাবমূর্তি বজায় রাখতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে।

    কাশ্মীর ইস্যুতে সমর্থন আদায়ের জন্য ওআইসির দিকে দীর্ঘদিন ধরে তাকিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী দেশগুলির মধ্যে এই বিষয়ে অনীহা ক্রমেই বাড়ছে যে তারা নিজেদের প্ল্যাটফর্মকে এই ধরনের কাজে ব্যবহৃত হতে দিতে চাইছে না। অনেক দেশ এখন আদর্শগত সংহতির চেয়ে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও কৌশলগত সহযোগিতাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তার জেরেই বারবার বিশ্ব দরবারে মুখ পুড়ছে ইসলামাবাদের। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ওআইসি পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের বৈঠকে পাকিস্তানের প্রস্তাব আটকে যাওয়া ইসলামাবাদের (Pakistan) একটি বিরাট কূটনৈতিক ব্যর্থতা। নয়াদিল্লির কাছে এটি একটি বড় সাফল্য, যা মুসলিম বিশ্বের ভেতরে পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক অবস্থানগুলির ইঙ্গিত দেয় (OIC)।

  • Abhijeet Bhattacharya: মুখের মিলেই মিশরে ব্যাপক জনপ্রিয় ভারতীয় গায়ক অভিজিৎ

    Abhijeet Bhattacharya: মুখের মিলেই মিশরে ব্যাপক জনপ্রিয় ভারতীয় গায়ক অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র নিজের দেশেই নয়, এখন পিরামিডের দেশেও জনপ্রিয় এই ভারতীয় গায়ক। কথা হচ্ছে গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্যকে (Abhijeet Bhattacharya) নিয়ে। হঠাৎ করেই তিনি চর্চায়। তবে নিজের দেশে নয়, মরুদেশ মিশরে। ভারত ছেড়ে এবার সুদূর মিশরে সামাজিক মাধ্যমে এখন ট্রেন্ডে তিনি। তবে গানের জন্য জনপ্রিয়তা নয়, এর পেছনে কারন অন্য।  

    কী কারনে জনপ্রিয়তা? (Abhijeet Bhattacharya) 

    মরু দেশ মিশরে সামাজিক মাধ্যমে হঠাৎ আলোচনায় ভারতীয় গায়ক (Indian Singer) অভিজিৎ ভট্টাচার্য। মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের সঙ্গে নাকি মুখের মিল রয়েছে অভিজিতের। এমনটাই মনে করছেন সে দেশের নেটিজেনরা। আর সেই কারণেই তিনি সে দেশে না গিয়েও সেখানে হইচই ফেলে দিয়েছেন। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই ঘটেছে। আর এই মিল আবিষ্কার করেই অভিজিৎকে (Abhijeet Bhattacharya) নিয়ে রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয় অভিজিতের কাছে সে দেশ ভ্রমণ করার আবদারও রেখেছেন অনেকে। হোসনির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন অভিজিৎ– এমনটাই দাবি অনেকের।
    সব মিলিয়ে বর্তমানে মিশরে রীতিমত ভাইরাল হয়ে গিয়েছেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। শুধুই কি তাই, মিশরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন অভিজিতের (Abhijeet Bhattacharya) কথা বলা, কণ্ঠস্বর, চলন বলন সবই নাকি হোসনি মোবারকের মতোই। কেউ কেউ তো আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজিৎ ভট্টাচার্যকেই নিজেদের রাষ্ট্রপতি বলে দাবি করেছেন। বলেছেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রপতিকে ফেরত পাঠাও।’

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টের পর এ বার হরিদ্বার আদালত! নতুন বিপাকে বাবা রামদেব!

    মিশরেও ট্রেন্ড করছি,দাবি অভিজিতের 

    এই পুরো বিষয়টি বেশ উপভোগ করছেন গায়ক অভিজিৎ। তার ও হোসনির ছবি শেয়ার করে তিনি নিজেও একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে অভিজিৎ (Abhijeet Bhattacharya) লিখেছেন, “আমি তো মিশরেও ট্রেন্ড করছি। তোমাদের সঙ্গে খুব শিগগিরই দেখা হবে আমার মিশরীয় ভক্তরা। আমার পরিবার ওখানে আছে।” 
    এছাড়াও এক সংবাদমাধ্যমকে গায়ক (Abhijeet Bhattacharya) জানিয়েছেন, “গত তিন সপ্তাহ ধরে আমার সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছে কমেন্টে। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম আমাকে নিয়ে বোধহয় মস্করা করা হচ্ছে। আমি তো আরবি ভাষা বুঝিও না। কিন্তু পরে বুঝলাম এরকমটা নয়। যে পরিমাণ ভালবাসা ও সম্মান আচমকাই আমি পাচ্ছি, তাতে ক্রমশই অভিভূত হয়ে পড়ছি।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিশরের ভারতীয় দূতাবাসে পালিত হয়েছে ভারতের ৭৫ তম সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic day)। সেই অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এক মিশরীয় কন্যা (Egypt girl)। যা মন ছুঁয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই মিশরীয় কন্যার গানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মোদি। শেয়ার করেছেন ভিডিও। বিশ্বের নানা প্রান্তে পালিত হয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবস। সারা বিশ্বে প্রবাসী ভারতীয়রা প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করেছেন। শুক্রবার বিভিন্ন দেশে ভারতীয় দূতাবাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ভারতের রাষ্ট্রদূতেরা অমৃতকালের মধ্যে দিয়ে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    দেশাত্মবোধের ছোঁয়া

    গত ২৬ জানুয়ারি মিশরে ভারতীয় দূতাবাস, ইন্ডিয়া হাউসে সাড়ম্বরে পালিত হয় ৭৫ তম সাধারণতন্ত্র দিবস। ইন্ডিয়া হাউসে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিক থেকে ও মিশরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সেই অনুষ্ঠানেই দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন মিশরীয় কন্যা কারিম্যান। একেবারে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাক ও গয়নায় সেজে দেশাত্মবোধক ‘দেশ রঙ্গিলা’ গানটি গেয়েছেন তিনি। ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবসে ভারতীয় পোশাকে ও অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে, একেবারে ভারতীয় শৈলিতে কারিম্যানের এই গান উভয় দেশেরই প্রতিনিধির প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    মুগ্ধ মোদি

    মিশরে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে কারিম্যানের সেই গানের ভিডিয়ো অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ারও করা হয়। মুহূর্তেই ওই  ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।  নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ওই ভিডিও শেয়ার করে মোদি লেখেন, ‘“মিশর থেকে কারিম্যানের উপস্থাপনা মেলোডিয়াস! তাঁর এই প্রয়াসের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং খুব ভাল ভবিষ্যতের জন্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘‘ভারতে কী হচ্ছে?’’ দেশে ফিরেই নাড্ডাকে প্রশ্ন মোদির, নিলেন খোঁজখবর

    Narendra Modi: ‘‘ভারতে কী হচ্ছে?’’ দেশে ফিরেই নাড্ডাকে প্রশ্ন মোদির, নিলেন খোঁজখবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মিশর সফর সেরে ফিরেই দেশের হালচাল নিয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে সোমবার ভোরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, মিনাক্ষী লেখী, গৌতম গম্ভীর, হংস রাজ সহ আরও অনেকে।

    দেশের হালচাল কী?

    বিমানবন্দরে পা রেখেই যাঁরা তাঁকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়েছিলেন, তাঁদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। তারপর দেশের বর্তমান হালহকিকত নিয়ে জে পি নাড্ডাকে প্রশ্ন করেন মোদি। বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নাড্ডাজিকে প্রশ্ন করেন, ভারতে সব কেমন চলছে? নাড্ডাজি বলেন, দলের কর্মীরা সরকারের নয় বছরের সাফল্যে খতিয়ান এবং রিপোর্ট কার্ড নিয়ে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করছেন। নাড্ডাজি জানান, দেশ সুখেই আছে।”

    মোদির ছয়দিনের বিদেশ সফর ছিল ঘটনাবহুল। আমেরিকা, মিশর জুড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Narendra Modi) ঘিরে চোখে পড়েছিল উৎসবের ছবি। উল্লেখ্য, গত ২০ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২১ জুন যোগ দিবস উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে  ১৮১টি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাভ্যাস করেন তিনি। যা একটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে পরিণত হয়। হোয়াউট হাউসে রেড কার্পেটে স্বাগত জানানো হয় মোদিকে। এরপর স্টেট গালা ডিনারে অংশ নেন তিনি।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের উন্নয়ন, মঙ্গলের শক্তি হল ভারত-মার্কিন বন্ধুত্ব! অভিমত মোদির

    ২৪ জুন প্রধানমন্ত্রী পৌঁছন মিশরে। কায়রো বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান মিশরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা ম্যাডবউলি। সেখানে দেশের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতেয় এল সিসির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ইজিপ্টের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ‘অর্ডার অফ দ্য নাইল’ প্রদান করা হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “আপনি ভারতীয়দের হিরো ”, মোদিকে সম্বোধন মিশরের প্রবাসী ভারতীয়দের

    PM Modi: “আপনি ভারতীয়দের হিরো ”, মোদিকে সম্বোধন মিশরের প্রবাসী ভারতীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি ভারতীয়দের হিরো। ” রবিবাসরীয় দুপুরে মিশরে (Egypt) এহেন সম্ভাষণে ভূষিত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এর ঠিক আগে আগেই প্রধানমন্ত্রীকে মিশরের সর্বোচ্চ সম্মান ‘অর্ডার অফ দ্য নাইলে’ ভূষিত করেছেন সে দেশের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফতেহ আল সিসি। প্রথম কোনও ভারতীয় হিসেবে এই সম্মান পেলেন মোদি। প্রসঙ্গত, গত ২৬ বছরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন নীলনদের দেশে।

    মোদি ম্যানিয়া

    দু দিনের সফরে মিশরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাতে শনিবার কায়রো বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা ম্যাডবাউলি। হোটেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রবাসী ভারতীয়রা। ছিলেন মিশরীয়রাও। শাড়ি পরিহিতা এক তরুণী মোদির উদ্দেশে গেয়ে ওঠেন, ইয়ে দোস্তি, হাম নেহি তোড়েঙ্গে। রবিবার মিশরের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের প্রধনমন্ত্রী (PM Modi)। পরে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই তাঁকে ভারতের হিরো বলে স্বাগত জানান তাঁরা।

    তরুণীর মুখে শোলের গান

    প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সমগ্র ভারতই প্রত্যেকের হিরো। দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করেন। তাই এগোচ্ছে দেশ।” তিনি বলেন, “এটা আপনাদের কঠোর পরিশ্রমের ফল। আপনাদের তপস্যার ফল এটি।” এদিন প্রধানমন্ত্রী বোহরা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও দেখা করেন। গুজরাটের এই সম্প্রদায়ের মানুষের দানেই সংস্কার করা হয়েছে একাদশ শতকের আল হাকিম মসজিদ। এই সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নিবিড় সম্পর্ক। এদিন ভারতের জাতীয় পতাকা নেড়ে, মোদি, মোদি ধ্বনি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মিশরের প্রবাসী ভারতীয়রা। জেনা নামে এক মিশরীয় তরুণী ভারতের ট্র্যাডিশনাল পোশাক শাড়ি পরেছিলেন। মোদির উদ্দেশে গেয়েছিলেন, ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেই তোড়েঙ্গে’।

    আরও পড়ুুন: মোদির মুকুটে নয়া পালক, পিরামিডের দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

    মিশরীয় এক তরুণীর মুখে হিন্দি সিনেমা ‘শোলে’র বিখ্যাত গান শুনে বিস্মিত প্রধানমন্ত্রী। জেনা তাঁকে বলেন, “আমি কখনও ভারতে যাইনি। তবে একটু একটু হিন্দি জানি।“ আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেউ বুঝতে পারবে না তুমি ভারতের মেয়ে নাকি মিশরের।” ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লেখেন, “মিশরে প্রবাসী ভারতীয়দের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে আমি আপ্লুত। তাঁদের সমর্থন এবং ভালবাসা আমাদের দেশের প্রতি চিরকালীন বন্ধন। মিশরীয়রা যে ভারতের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরছেন, তাও উল্লেখযোগ্য।”          

    এদিন মিশরের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। মিশরের প্রেসিডেন্টই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। চলতি বছর নয়াদিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট। সেই সময়ই মোদিকে মিশরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি। সেপ্টেম্বরে ফের একবার মিশরের রাষ্ট্রপতি আসবেন ভারতে। এবার ভারতের নেতৃত্বে হচ্ছে জি-২০ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে মিশরের রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকবেন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, পিরামিডের দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, পিরামিডের দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মুকুটে যোগ হল আরও একটি পালক। পিরামিডের দেশের (Egypt) সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হলেন তিনি। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর হাতে মিশরের সর্বোচ্চ সম্মান ‘অর্ডার অফ দ্য নাইল’ তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি আবদেল ফতেহ আল সিসি। প্রথম কোনও ভারতীয় হিসেবে এই সম্মান পেলেন মোদি। প্রসঙ্গত, গত ২৬ বছরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন নীলনদের দেশে।

    ইয়ে দোস্তি

    দু দিনের সফরে মিশরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাতে শনিবার কায়রো বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা ম্যাডবাউলি। হোটেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রবাসী ভারতীয়রা। ছিলেন মিশরীয়রাও। শাড়ি পরিহিতা এক মিশরীয় তরুণী মোদির উদ্দেশে গেয়ে ওঠেন, ‘ইয়ে দোস্তি, হাম নেহি তোড়েঙ্গে’। রবিবার ঐতিহাসিক আল হাকিম মসজিদ পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। একাদশ শতাব্দীর ওই মসজিদ সংস্কার হয়েছে গুজরাটের দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের দানের টাকায়। ষোড়শ ফাতিমিদ খলিফা আল হাকিম বাই আমর আলহের নামাঙ্কিত ওই মসজিদ ইতিহাস খ্যাত। কায়রোয় দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের কাছে এই মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থল।  এদিন প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে ঐতিহাসিক মসজিদটি ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।

    আল হাকিম মসজিদ

    কায়রোর আল হাকিম মসজিদ ফাতিমিদ স্থাপত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন। মসজিদটি ত্রিকোণাকৃতি। ১৩ হাজার ৫৬০ মিটার স্কোয়ার জায়গাজুড়ে রয়েছে সেটি। এর মধ্যে মসজিদের মাঝখানে ৫ হাজার স্কোয়ার মিটারজুড়ে রয়েছে বিশাল উঠোন। বাকি অংশে রয়েছে চারটি হলঘর। এরই একটি হল প্রর্থনা ঘর। মসজিদে ঢোকার তোরণ রয়েছে ১১টি। তবে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তোরণটি হল মাঝেরটি। এই তোরণটি পাথরের তৈরি। টানা ৬ বছর ধরে সংস্কারের পর মসজিদটি খুলেছে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি।  মসজিদ দর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী চলে যান হেলিপলিস ওয়ার সিমেট্রিতে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে শহিদ হওয়া ৪ হাজার ভারতীয় সৈনিকের দেহ শায়িত রয়েছে এই সিমেট্রিতে। মিশরে ভারতের রাষ্ট্রদূত অজিত গুপ্তে বলেন, বোহরা সম্প্রদায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন থেকেই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল জরুরি অবস্থা’’, মত প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন মিশরের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও বৈঠক করেন মোদি। মিশরের প্রেসিডেন্টই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi)। চলতি বছর নয়াদিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট। সেই সময়ই মোদিকে মিশরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি। সেপ্টেম্বরে ফের একবার মিশরের রাষ্ট্রপতি আসবেন ভারতে। এবার ভারতের নেতৃত্বে হচ্ছে জি-২০ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে মিশরের রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকবেন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নীলনদের দেশে পা রাখলেন মোদি, ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উন্মাদনা মিশরেও

    PM Modi: নীলনদের দেশে পা রাখলেন মোদি, ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে উন্মাদনা মিশরেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকা গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই সফর শেষ করেই শনিবার সকালে ওয়াশিংটন থেকে প্রধানমন্ত্রী রওনা দেন মিশরের উদ্দেশ্যে। এদিন সন্ধে ৬টার কিছু আগে কায়রো বিমানবন্দরে পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। মিশরের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফতেহ এল-সিসির আমন্ত্রণেই দু দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মিশর গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন বিমানবন্দরে মোদিকে স্বাগত জানান মিশরের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা মাদবউলি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে দেওয়া হয় গার্ড অফ অনার। ২৬ বছর পরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মিশর সফরে গিয়েছেন।

    হোটেলে ‘গান্ধী’

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীর থাকার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে কায়রোর হোটেলে। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মহাত্মা গান্ধীর ভূমিকা নিয়ে কবিতা লিখেছিলেন মিশরীয় কবি আহমেদ শাওকি। কবিতার নাম ছিল গান্ধী। সেই কবিতার ছবি দিয়েই সাজানো হয়েছে হোটেল। হোটেলের করিডর সাজানো হয়েছে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফতেহ এল সিসির ভারত (PM Modi) সফরের ছবি দিয়ে। প্রসঙ্গত, চলতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মিশরের প্রেসিডেন্টকে। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগও দিয়েছিলেন তিনি। সেই ছবি দিয়েই সাজানো হয়েছে করিডর।

    প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি

    জানা গিয়েছে, এদিন রাতেই মিশরের প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মোদি। আলোচনা হবে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে। পরে সাক্ষাৎ করবেন প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে। রাত পোহালে রাষ্ট্রপতি আবদেল ফতেহ এল সিসির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। মিশরের বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠকেও বসবেন তিনি।

    রবিবার মিশরের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) পরিদর্শন করবেন একাদশ শতকের আল হাকিম মসজিদ। সেখানে থাকবেন প্রায় আধ ঘণ্টা। ষোড়শ ফাতিমিদ খলিফা আল হাকিম বাই আমর আলহের নামাঙ্কিত ওই মসজিদ ইতিহাস খ্যাত। কায়রোয় দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের কাছে এই মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থল।

    মসজিদ থেকে প্রধানমন্ত্রী যাবেন হেলিওপলিস ওয়ার সিমেট্রিতে। সেখানে শায়িত রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মিশরের জন্য চূড়ান্ত আত্মত্যাগকারী বীর ভারতীয় সৈনদের দেহ। সেই বীর জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ওই সিমেট্রিতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির সফর শেষে সেপ্টেম্বরে ফের ভারতে আসছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট। জি-২০ সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দিতে আসছেন তিনি।

     

     

     

  • PM Modi: আমেরিকার পর এবার মিশর সফরে মোদি, যাবেন আল হাকিম মসজিদে, কেন জানেন?

    PM Modi: আমেরিকার পর এবার মিশর সফরে মোদি, যাবেন আল হাকিম মসজিদে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা জয় করে এবার মিশর (Egypt) বিজয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)! রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির আমন্ত্রণে দু দিনের মিশর সফরে গেলেন তিনি। ১৯৯৭ সালের পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক সফর। তাই এই সফরের গুরুত্বই আলাদা।

    মিশর সফরে মোদি

    চলতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে নয়াদিল্লিতে উপস্থিত ছিলেন মিশরের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি। তখনই ইঙ্গিত মিলেছিল, সহযোগিতার হাত প্রসারিত করছে ভারত ও মিশর। সেটা যে নেহাতই ইঙ্গিত ছিল না, এদিন আমেরিকা ছেড়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মিশরের উদ্দেশ্যে রওনা দিতেই তা পরিষ্কার হয়ে গেল জলের মতো। দু দিনের এই মিশর সফরে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন করবেন একাদশ শতকের আল হাকিম মসজিদ।

    আল হাকিম মসজিদ

    রবিবার ওই মসজিদ দর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। থাকবেন প্রায় আধ ঘণ্টা। ষোড়শ ফাতিমিদ খলিফা আল হাকিম বাই আমর আলহের নামাঙ্কিত ওই মসজিদ ইতিহাস খ্যাত। কায়রোয় দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের কাছে এই মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক স্থল। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই মোদি (PM Modi) এই সম্প্রদায়ের সঙ্গে একটি দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।

    মসজিদ পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী যাবেন হেলিওপলিস ওয়ার সিমেট্রিতে। সেখানে শায়িত রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মিশরের জন্য চূড়ান্ত আত্মত্যাগকারী বীর ভারতীয় সৈনদের দেহ। সেই বীর জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ওই সিমেট্রিতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

    কায়রোর আল হাকিম মসজিদ ফাতিমিদ স্থাপত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন। মসজিদটি ত্রিকোণাকৃতি। ১৩ হাজার ৫৬০ মিটার স্কোয়ার জায়গাজুড়ে রয়েছে সেটি। এর মধ্যে মসজিদের মাঝখানে ৫ হাজার স্কোয়ার মিটারজুড়ে রয়েছে বিশাল উঠোন। বাকি অংশে রয়েছে চারটি হলঘর। এরই একটি হল প্রর্থনা ঘর। মসজিদে ঢোকার তোরণ রয়েছে ১১টি। তবে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তোরণটি হল মাঝেরটি। এই তোরণটি পাথরের তৈরি। টানা ৬ বছর ধরে সংস্কারের পর মসজিদটি খুলেছে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি। নতুন করে সাজিয়ে তোলা এই মসজিদই পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share