Tag: election 2026

  • Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা হবে দেশের আরও তিন রাজ্যের বিধানসভার (Assembly Elections 2026)। এই রাজ্য তিনটি হল অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ফল ঘোষণাও হবে ওই দিনই (Exit Poll)। বুধবারই বাংলায় সাঙ্গ হল দু’দফার ভোট-পর্ব। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে কোন রাজ্যে কে ক্ষমতায় আসছে, তা নিয়ে জল্পনা। এর কারণ একাধিক এক্সিট পোল বা  বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল। দেখে নেওয়া যাক, কী বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা।

    অসমের এক্সিট পোল

    ১২৬ আসন বিশিষ্ট অসম বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৬৪। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, অসমে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৪ থেকে ৩৬টি আসন। একটিও আসনও পাচ্ছে না এআইইউডিএফ। অন্যরা পেতে পারে শূন্য থেকে ৩টি আসন। জনমত পোলস-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৭ থেকে ৯৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৯ থেকে ৩০টি আসন। অন্যরা কোনও আসন পাবে না। জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০১টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ২৩ থেকে ৩৩টি আসন। এআইইউডিএফ পেতে পারে ২ থেকে ৫টি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৫ থেকে ৯৫টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৬ থেকে ৩৯টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)।

    তামিলনাড়ুর এক্সিট পোল

    দক্ষিণের দুটি রাজ্যেও হয়েছে বিধানসভার নির্বাচন। তামিলনাড়ু বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩৪। ম্যাজিক ফিগার ১১৮টি আসন। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, তামিলনাড়ুতে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে শাসকদল ডিএমকে, এডিএমকে এবং অভিনেতা বিজয়ের নয়া রাজনৈতিক দল টিভিকে-ও। এবার সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে এই নয়া দল। ঘুরে দাঁড়াতে পারে এডিএমকে-ও। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৯২ থেকে ১১০টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ২২ থেকে ২৩টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ৯৮ থেকে ১২০টি আসন।

    বুথ ফেরত সমীক্ষা

    জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ৭৫ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ১২৮ থেকে ১৪৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৮ থেকে ১৫টি আসন। অন্যরা কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।কামাক্ষ্যা অ্যানালেটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৬৮ থেকে ৮৪টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৬৭ থেকে ৮১টি আসন (Exit Poll)। ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ১২২ থেকে ১৩২টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৮৭ থেকে ১০০টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। অন্যরা খুব বেশি হলে পেতে পারে ৬টি আসন।

    কেরলের এক্সিট পোল

    দক্ষিণের আর এক রাজ্য কেরলেও হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ১৪০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৭১টি আসন। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, কেরলে এবার সরকার পরিবর্তন হতে চলেছে। বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করে সরকার গড়তে পারে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এলডিএফ ৪৯ থেকে ৬২টি আসন পেতে পারে। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯০টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)। পিপলস ইনসাইটের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, বামেদের জোট এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৬৬ থেকে ৭৬টি আসন। পদ্ম-ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১৪টি আসন। অন্যরা পাবে সর্বোচ্চ একটি আসন (Exit Poll)। পিপলস পালসের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, এলডিএফ পেতে পারে ৫৫ থেকে ৬৫টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৫ থেকে ৮৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন। ভোট ভাইবের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭০ থেকে ৮০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৪টি আসন। বিজেপি কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।

    পুদুচেরির এক্সিট পোল

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি বিধানসভার ফলও বেরবে ৪ তারিখেই। ৩০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১৬টি আসনের। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসির নেতৃত্বাধীন শাসকদল এবার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ২০টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ৮টি আসন। অভিনেতা বিজয়ের টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ২ থেকে ৪টি আসন। অন্যরা পেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তার সহযোগীরা পেতে পারে ১৭ থেকে ২৪টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়তে পারে ৪ থেকে ৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন। অন্যরা পেতে পারে সর্বোচ্চ একটি আসন। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ১৯টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। টিভিকে কোনও আসনই পাচ্ছে না। অন্যরা পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন (Assembly Elections 2026)। প্রাইয়া পোলের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তাদের সহযোগীরা পেতে পারে ১৯ থেকে ২৫টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। টিভিকে কোনও আসন পাবে না। অন্যদের অবস্থাও তথৈবচ (Exit Poll)।

     

  • Assembly Election 2026: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ! বলছে একাধিক সমীক্ষার ফল

    Assembly Election 2026: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ! বলছে একাধিক সমীক্ষার ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেরুয়াময় হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ (Assembly Election 2026)! অন্তত রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই বুথফেরত সমীক্ষার ফলেই মিলেছে এই খবর (TMC vs BJP)। অধিকাংশ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এগিয়ে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের দল। দু’একটি সমীক্ষায় আবার এগিয়ে তৃণমূল। তবে সর্বত্রই বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের বুথফেরত বা প্রাক নির্বাচনী জনমত সমীক্ষার ফল মেলে না। তবে আবার একেবারেই যে মেলে না, তাও কিন্তু নয়।

    ম্যাজিক ফিগার (Assembly Election 2026)

    এ রাজ্যে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। কুর্সিতে বসতে গেলে প্রয়োজন অন্তত ১৪৮টি আসন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৭৭টি আসন। ম্যাট্রিজের বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ১৪৬ থেকে ১৬১টি আসন পেতে চলেছে বিজেপি। তৃণমূল পাচ্ছে ১২৫ থেকে ১৪০টি আসন। অন্য দলগুলি পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। বাম বা কংগ্রেস এবারও খাতা খুলতে পারবে না বলেই দাবি ওই সমীক্ষায়।

    এগিয়ে বিজেপি

    চাণক্য স্ট্র্যাটেজির সমীক্ষায় প্রকাশ, বিজেপি ১৫০ পেরিয়ে যাবে। তারা ১৫০ থেকে ১৬০টি আসন পেতে পারে। তৃণমূলের ঝুলিতে পড়তে পারে ১৩০ থকে ১৪০টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। যদিও বাম এবং কংগ্রেসের ঝুলি শূন্য। পি-মার্কের সমীক্ষায় প্রকাশ, এ রাজ্যে ১৫০ থেকে ১৭৫টি আসনে জিততে পারে বিজেপি। তৃণমূল পেতে পারে ১১৮ থেকে ১৩৮টি আসন (TMC vs BJP)। প্রজা পোলের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ১৭৮ থেকে ২০৮টি আসন। তৃণমূলের ঝুলিতে পড়তে পারে ৮৫ থেকে ১১০টি আসন। অন্যান্য দল শূন্য থেকে পাঁচটি আসনে জিততে পারে। পোল ডায়েরির সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে ১৪২ থেকে ১৭১টি আসন পেতে পারে বিজেপি। তৃণমূল পেতে পারে ৯৯ থেকে ১২৭টি। অন্যান্যরা পেতে পারে ৫ থেকে ৯টি আসন (Assembly Election 2026)।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    পিপল্‌স পাল্‌সের সমীক্ষায় অবশ্য তৃণমূল এগিয়ে। তারা পাচ্ছে ১৭৮ থেকে ১৮৯টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৯৫ থেকে ১১০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন, বামেরা শূন্য থেকে একটি আসনে জয় পেতে পারে। জনমত পোল্‌সের সমীক্ষায়ও এগিয়ে তৃণমূল। ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন পেয়ে রাজ্যে ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৮০ থেকে ৯০টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন। বামেরা শূন্য থেকে পেতে পারে বড়জোর ১টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে তিন থেকে পাঁচটি আসন।

    কংগ্রেসের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে!

    জেভিসির সমীক্ষায়ও এগিয়ে তৃণমূল। তাদের হিসেব বলছে, রাজ্যে ১৩১ থেকে ১৫২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। বিজেপি পেতে পারে ১৩৮ থেকে ১৫৯টি আসন। কংগ্রেস শূন্য থেকে দু’টি আসন পেতে পারে (TMC vs BJP)। বুধবার ছিল পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট। এই দফায় ভোট হয়েছে রাজ্যের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। এর আগে গত ২৩ এপ্রিল নির্বাচন (Assembly Election 2026) হয়েছিল ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এদিকে, বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভোটদানের হার ছিল ৯২.৪৬ শতাংশ। হুগলিতে এই হার ছিল ৯০.৩৪ শতাংশ, নদিয়ায় ৯০.২৮ শতাংশ, হাওড়ায় ৮৯.৪৪ শতাংশ আর উত্তর ও দক্ষিণ দুই ২৪ পরগনায় ভোটদানের হার ছিল যথাক্রমে ৮৯.৭৪ ও ৮৯.৫৭ শতাংশ। ভোট গণনা হবে ৪ মে।

    প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বুধবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তৃণমূলের (TMC vs BJP) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি প্রার্থী তথা আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার শিকার তরুণীর মা রত্না দেবনাথ, তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Assembly Election 2026)।

     

     

  • Assembly Election 2026: শেষ দফায় আরও কড়াকড়ি, রাস্তায় থাকছে কমিশনের ক্যামেরা

    Assembly Election 2026: শেষ দফায় আরও কড়াকড়ি, রাস্তায় থাকছে কমিশনের ক্যামেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার বিধানসভার নির্বাচন (Assembly Election 2026) হবে ২৯ এপ্রিল। এই নির্বাচনে কলকাতা পুলিশের ওপর ভরসা নেই। তাই বুথ নয়, শহর কলকাতার রাস্তায় থাকছে নির্বাচন কমিশনের ক্যামেরা, যা দিয়ে হবে ওয়েব কাস্টিং। কমিশন সূত্রে খবর, শুধু বুথ বা বুথ সংলগ্ন এলাকাই নয়, এবার বুথ‌মুখী সব রাস্তায় ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত‌ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মূলত ঘিঞ্জি বা ঘনবসতি এলাকায় যে সব বুথ থাকবে, সেই সব বুথের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মূলত কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রেই প্রাথমিকভাবে (West Bengal) এই অতিরিক্ত ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত। ‌

    ওসি বদলি (Assembly Election 2026)

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে ফের কালীঘাট-সহ কলকাতা পুলিশের একাধিক থানার ওসিদের বদলে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই রদবদল বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। কালীঘাট থানার নয়া ওসি হচ্ছেন পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর গৌতম দাস। শুধু কালীঘাট নয়, আরও কয়েকটি থানার দায়িত্বেও রদবদল হয়েছে। দক্ষিণ বিভাগের ইন্সপেক্টর সুব্রত পাণ্ডেকে আলিপুর থানার ওসি করা হয়েছে। স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর উৎপল পার্ককে কালীঘাট থানার অতিরিক্ত ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আলিপুর থানার অতিরিক্ত ওসি চামেলি মুখার্জিকে উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি পদে পাঠানো হয়েছে (Assembly Election 2026)।

    কালীঘাট থানার ওসি বদল

    উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চই কালীঘাট থানার ওসি পদে পরিবর্তন করেছিল কমিশন। তখন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উৎপল ঘোষকে ওই দায়িত্বে আনা হয়েছিল। এক (West Bengal) মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ফের বদলের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ভোটের আগে আইন-শৃঙ্খলা আরও কড়া করতে এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে অনুমান প্রশাসনিক মহলের (Assembly Election 2026)।

     

  • Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের (Election 2026) সূচি ঘোষণা করে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ (২৩ ও ২৯ এপ্রিল), তামিলনাড়ু (২৩ এপ্রিল), কেরল (৯ এপ্রিল), অসম (৯ এপ্রিল) এবং পুদুচেরি (৯ এপ্রিল)। ভোট গণনা হবে ৪ মে। কমিশনের এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি বড় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল, যার মাধ্যমে প্রায় ৮২৪টি আসনে ভাগ্য নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা (Election 2026)

    রবিবার বিকেলে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, প্রায় ১৭.৪ কোটি মানুষ এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। এর মধ্যে অসমে ২.৫০ কোটি, কেরলে ২.৭০ কোটি, পুদুচেরিতে ৯.৪৪ লাখ, তামিলনাড়ুতে ৫.৬৭ কোটি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৬.৪৪ কোটি ভোটার রয়েছেন। তিনি বলেন, “২০টি দেশের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে এবং তা থেকে শিক্ষা নিতে ভারতে আসবেন।” নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct) কার্যকর হয়ে গেল বলেও জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছে। আর অন্যদিকে বিজেপি তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মরিয়া। রাজ্যে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে।

    নির্বাচন আরও তিন রাজ্যেও

    তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের সেক্যুলার প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স মুখোমুখি হচ্ছে বিজেপি–এআইএডিএমকে জোটের। সেখানে মোট ২৩৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। কেরলে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF) সরকার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF)-এর বিরুদ্ধে (Election Commission)। অসমে বিজেপি নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইছেন। পুদুচেরিতে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামীর এআইএনআরসির মুখোমুখি হচ্ছে ডিএমকে–কংগ্রেস জোট।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    এদিকে, ভুয়ো তথ্য ও ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখল কমিশন। জ্ঞানেশ জানান, এই বিষয়টি নজর রাখবেন নোডাল অফিসাররা। এই ধরনের ভুয়ো তথ্য বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুছে ফেলা এবং এফআইআর দায়ের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আদর্শ আচরণবিধি এখন থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর পর এমন কোনও ঘটনা ঘটলে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে কমিশন।” অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন (Election 2026) বিচারকরা।  অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে, সেই তালিকার নামগুলি বর্তমান ভোটারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।” তিনি জানান, বিবেচনাধীন থাকা নামগুলি খতিয়ে দেখছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা যে নামগুলিকে অনুমোদন দেবেন, সেগুলি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত করা হবে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আপাতত ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ৩ কোটি ২৮ লাখ, মহিলা ৩ কোটি ১৬ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১৫২জন। উল্লেখ্য যে, বঙ্গের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টিতে, দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে ১৪২টি আসনে (Election 2026)।

     

LinkedIn
Share